শুক্রবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১০, ১৯ ভাদ্র, ১৪১৭ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem

দর্শক

জানালার গ্রীলে মরচে পরা খোপে পাচটি আঙ্গুল লটকিয়ে
বিষন্ন ভাসে মন উদ্দেশ্যহীন দৃষ্টিশূন্যতার পরাবাস্তব মোহে।
নীচে লাল লাল ইঁটের কবুতর খোপ সদৃশ গেরস্তালী উচ্চকন্ঠ
দারিদ্র উচ্চকম্পাংকের নারীকলহকন্ঠ ।সংকীর্ণ গলি নর্দমার
অলংকারে যৌবনবতী ।এই জানালার গ্রীল ধরে কুঁকড়ে পাঁশুটে
আবলুষ মন গ্রীল বেয়ে ওঠা শখের মানিপ্লান্ট আক্রোশে আনন্দে
অকারনে ছিন্ন করে।এই খানটাতে দাঁড়িয়ে দেখেছি শ্বেত
বিস্ফোরনের মত বাতাসের শরীর কেটে বের হয়ে আসা
লম্বা গলা আর শিঊলী বোঁটা ঠোটের দুইটি রাজহাঁস ।কিভাবে
মেয়ে হাঁসটা ডানা দুলিয়ে দিকে দিকে সুন্দরের শব্দ পাঠিয়ে
শিউলী বোঁটা ডুবিয়ে রাখত অফসেট সাদা দুধের ফেনার
আন্দোলনে নগরের এই ব্রাত্য অংশে যেন হঠাতই বনফুলঘ্রান ।
এই মরচে খোপে হাত বিধিয়ে কৃষ্ণ পটভূমি হয় কালপুরুষের
উদ্ধত বেল্ট হেফিস্টাসের ধ্বংসের হাতুড়ি ।চোখের চির সততঃ
সঞ্চরন নৌকা ভেড়ায় বিরল বৃক্ষ সবুজে পটেটো চিপসের ঠোঙ্গায়
জেগে ওঠা নাগরিক ক্যানাভাসময় অসতর্ক তুলির আঁচড় ভীড়ে ।
গ্রীলে ঝোলানো মন নিয়েই দেখি দিগন্তে ফিনিক্স পাখির উৎসব
পালক রন্ধ্র থেকে খসা জন্মদাত্রী ভস্ম কুয়াশা আর জীবনের
পুনরজন্ম ।শরৎ গন্ধের শিশিরের স্নানের চিহ্ন নিয়ে পরী তীব্র
আকাঙ্ক্ষী আলিঙ্গনে যখন স্রোতের মত আমাতে মিশেছিল
পাঁচটা স্থানে মরচে গ্রীলে চেপে বসেছিলো আমার হাত ।

কিন্তু নিদারুন নিয়তি নিরন্তর গ্রীলে আটকানো হাত আক্রান্ত
মৌচাকের মত নিক্ষেপিত চারদিকে ছড়ানো নিরর্থক দৃষ্টিশূন্য দৃষ্টি।
আর দৃষ্টিসীমার ব্যাসার্ধে মরচে গ্রীলে আরো অসংখ্য নিরর্থক হাত
৪ টি মন্তব্য
kathak কথক২৮ নভেম্বর ২০০৮, ০১:১৯
আরে দুর্দান্ত লিখেছেন তো !
কবিতার হাত তো ভালই.........চালিয়ে যান
ikaruse_wings ইকারুসের ডানা২৮ নভেম্বর ২০০৮, ০১:২২
ধন্যবাদ...প্রথম পোস্টে এত তাড়াতাড়ি মন্তব্য পাবো আশা করি নি....সামহয়ারে প্রথম পোস্ট দেবার তিন দিন পর প্রথম কমেন্ট পেয়েছিলাম!
kathak কথক২৮ নভেম্বর ২০০৮, ০২:০৬
ajobdhaka আজব ঢাকা২৮ নভেম্বর ২০০৮, ০২:৩৯
কঠিন কবিতা।

চালিয়ে যান।

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment