আরিফুল হোসেন তুহিন

ডিসেম্বর
০১

মেরুদন্ডীয় ব্যর্থতা এবং শৈবাল স্বত্তার ফ্যান্টাসী

সময় ২০:৪১:৫৬

কবিতা

সাগরে পরে থাকি অলস শৈবাল জাগতিক কীটতত্বে অনাগ্রহী বিকেল আবেশে
একভাগ অশ্মমন্ডলীর দৈবচয়নহীন টিয়ারগ্যাসের স্বতত: উতসারন
তাই মহাসমুদ্র পথে বিবর্তন চাই বিপরীত প্রাকৃতিক নির্বাচনের হাত ধরে
আবার আবাসিকতার লক্ষ্য হোক নীলের মাঝে আকাশ প্রতিফলন
যদিও কবি এবং কবিতারা শৈবাল থেকে নিয়ত আবর্তন বেবুন জনসংখ্যার পরিসংখ্যানে

এই স্রোতে রাতে অস্বীকার করি জোছনাটাকে গর্ভে ধারন করা আকাশকে
বিশ্বাস মাতাল হয়ে ফিরে ফিরে আসে স্রোতেই জন্ম সোনালী গোলকের
পরজীবি সমুহ হয়ে যাক পোরাণিক প্যাপিরাসের ক্ষয়মান সুমেরীয় শব্দ
এই নীল থেকে একদা মেরুদন্ড পেয়ে প্রতিভাধর আদি পূর্বপুরুষদের হল্লা

চারদিকে থাকাই যখন অনিয়মিত পর্যায়ক্রমিকতায়
যখন ভুখা কংকাল অশ্রুফসফরাসে ভেজে
চৈনিক পিকিং এ স্টিম রোলারের অহং বাজে পিস্ট বিদ্রোহীদের থ্যাতলানো মাংশ শব্দে
যখন হাসি মুখে নিরাপত্তা পরিষদে একসাথে ঘোষনা হয় বিলিয়ন মৃত্যদন্ডাদেশের
যখন জলপাই রং ধারন করে নিসর্গের কবিতাশব্দরা পংক্তি হয় ট্যাংক আর্তনাদের
যখন অথেনটিক স্ক্রিপচারের প্রফেসির পাতা থেকে সমকালে পৌরাণিক দনব
আস্ফালোন
বুঝি কি ...

  • ১টি মন্তব্য

নভেম্বর
৩০

কুয়াশা ছিড়ে বেড়িয়ে আসে ঘাতক তীর

সময় ২২:১৫:১৪

বিশ্বাস থেকে বাস্তুহারা ধুলোয় রুপান্তর মনের
চারদিক ঘোষনা করে কি কোনো প্রাথমিক কারন ধারনের?
মগজে কি আছে সব নিউরন আন্দোলন
ছোট অতিবিবর্তনহেতু সি্নাপ্সে প্রশ্নের প্রকরন ।
এতকাল গেলো সেই সরিসৃপ সময়ের
কবে বুকে হেটে শক্ত পলিতে সময়ের পদচিহ্ন পতনের;
ইকুয়েশনের কাব্যিক সৌন্দর্যে
মনন আর মেধা চটকে
দুই বেলা ঘন আয়েশ জমে উঠল প্রাইমেট গোত্রপতিদের;
অথচ জনপদে পথে পথে কেবল বিভাজনের আইল ।
আরনল্ডের ডোভার সৈকত পাড়ের ক্ষারময় বালিতে
অজস্র শুদ্ধ সুন্দরের মানব অবয়ব
শুদ্ধ আগুন সুর্যে ঝলসাবে কবে
চামড়ার উপর মড়া কোষের মত জমা
মস্তিস্কহীনবানরশ্রেনীর অপবিশ্বাসস্তবের স্তর ...

  • ৩টি মন্তব্য

নভেম্বর
২৮

সত্যের শিশ্নচ্ছেদ উতসব

সময় ২১:০২:৩০

দাবীকৃত ঐশৃরিক প্রত্যাদেশ লিফলেটের বোল্ড হরফে
পার্থিব বায়ুমন্ডলে বেচে জাতিতে জাতিতে কালো সাদা
হলদে পূব পশ্চিম ছোট চোখ গ্রীক নাক সব গেরস্তালীতেই
দাড়িয়ে গেছে জোব্বা চন্দন ক্রুশ মেকাপের রক্তপায়ী
অপমানব উত্তরাধিকারী

তাই সভ্যতার ফোলানো বিষবাষ্পের বেলুনে কেবল লাল চোখ
উদগত ঘৃণা তথাকথিত ত্রাতাদের হুংকার ।পোড়া মাংশের গন্ধ
গুজরাটে কাশ্মীরে নিউইয়র্কে প্যলেস্টাইনে আর বঙদেশে
খিন্ন সব জৈবনিক স্পন্দন আর রাস্তায় রাস্তায় পোস্টমর্টেম ।

আদর্শলিপি আউড়ে ফোলা পকেট আর পুস্টিহীন পাজঁরের চিত্রকল্প।
এভাবে গর্ভবান গন্ডারের উচু খড়গে আটকানো দশহাজার বছরের
ঐতিহ্য।চারদিকে শয়তানের কাছে আত্না বেচা ফস্টাসের জন্ম।

সত্যের অন্ডকোষে দানব করাত
আর মিথ্যার ঠোট চুষে ব্যাভিচারী আমরা ...

  • ৪টি মন্তব্য

নভেম্বর
২৮

জনৈক অমেরুদন্ডী প্রাণীর দিনপণ্জী -১

সময় ১০:৫৭:৩৮

আমি ঠিক জানি না জানি নাকি নিয়ে লিখব, এম্নিতেই চিন্তাগুলো কে ঢেলে দেবার চেষ্টা করছি এলোমেলো random বিন্যাসে, পারিসাংখ্যিক কেন্দ্রীয় প্রবনতার কারনে হয়ত সেগুলো একটা আকৃতি পাবে তবে নিশ্চিত ভাবে সেই আকৃতি অবয়ব কোনো পূর্বপরিকল্পনার অংশ নয়
একসময় যখন জীবনটা ব্যাপকভাবে বিক্ষিপ্ত এবং মোটামুটই ভাবে উদ্দেশ্যহীন ছিল(তবে আল্টিমেট পাগলা ছাড়া ছাতার জীবনে হলুদ পাঞ্জাবীর “হিমু” মার্কা নির্লিপ্ততা পাওয়া মোটামুটি ভাবে অসম্ভব ব্যাপার। জীবনকে ঊদ্দেশ্যহীন বলা একরকম আধুনিকতা আক্রান্ত হতাশা বিলাস বলা যেতে পারে)তখন এই একটা ব্যাপার নিয়ে হেভী গবেষনা করতাম। জীবনের কোন মাস্টার ডিজাইন আছে কিনা, নাকি আকস্মিকতাই সবকিছু নিয়ন্ত্রন করে। তবে মজার ব্যাপার হছে জীবনের অধিকাংশ প্রাইম ফ্যাক্টরগুলি যা জীবনে প্রধান স্কেলিটন তৈরী করে তারা কেন যেন খুব বেশী আকস্মিক নয়। এই নাটকীয়তার তীব্র অভাব পপকরন মুভী নির্মাতাদের কাছে খুব একটা আকর্ষনীয় না হতে পারে তবে এটা অসুন্দর চেহারার মত নিয়তিরুপে আটকে থাকবে সবসময়। এখানে অবশ্য জীবনের প্রধান একক স্কেলিটন এর অস্তিত্ব আছে কিনা সেটা আর্গুমেন্টের বিষয় হতে পারে। তবে শেষ ...

  • ২টি মন্তব্য

নভেম্বর
২৮

দর্শক

সময় ০১:১৪:০০

কবিতা

জানালার গ্রীলে মরচে পরা খোপে পাচটি আঙ্গুল লটকিয়ে
বিষন্ন ভাসে মন উদ্দেশ্যহীন দৃষ্টিশূন্যতার পরাবাস্তব মোহে।
নীচে লাল লাল ইঁটের কবুতর খোপ সদৃশ গেরস্তালী উচ্চকন্ঠ
দারিদ্র উচ্চকম্পাংকের নারীকলহকন্ঠ ।সংকীর্ণ গলি নর্দমার
অলংকারে যৌবনবতী ।এই জানালার গ্রীল ধরে কুঁকড়ে পাঁশুটে
আবলুষ মন গ্রীল বেয়ে ওঠা শখের মানিপ্লান্ট আক্রোশে আনন্দে
অকারনে ছিন্ন করে।এই খানটাতে দাঁড়িয়ে দেখেছি শ্বেত
বিস্ফোরনের মত বাতাসের শরীর কেটে বের হয়ে আসা
লম্বা গলা আর শিঊলী বোঁটা ঠোটের দুইটি রাজহাঁস ।কিভাবে
মেয়ে হাঁসটা ডানা দুলিয়ে দিকে দিকে সুন্দরের শব্দ পাঠিয়ে
শিউলী বোঁটা ডুবিয়ে রাখত অফসেট সাদা দুধের ফেনার
আন্দোলনে নগরের এই ব্রাত্য অংশে যেন হঠাতই বনফুলঘ্রান ।
এই মরচে খোপে হাত বিধিয়ে কৃষ্ণ পটভূমি হয় কালপুরুষের
উদ্ধত বেল্ট হেফিস্টাসের ধ্বংসের হাতুড়ি ।চোখের চির সততঃ
সঞ্চরন নৌকা ভেড়ায় বিরল বৃক্ষ সবুজে পটেটো চিপসের ঠোঙ্গায়
জেগে ওঠা নাগরিক ক্যানাভাসময় অসতর্ক তুলির আঁচড় ভীড়ে ।
গ্রীলে ঝোলানো মন নিয়েই দেখি দিগন্তে ফিনিক্স পাখির উৎসব
পালক রন্ধ্র থেকে খসা জন্মদাত্রী ...

  • ৪টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫