ফেব্রুয়ারি
২৬

ছবি ব্লগঃ ৪ (পাতা ঝরার দিনে)।

সময় ১৪:১৭:০০



কালের নিয়ম অনুসারে কিছুদিন আগেই পাতা ঝরার দিন শেষ। এখন ফাল্গুন মাস। বসন্ত কাল। নিয়ম অনুযায়ী গাছে নতুন পাতা গজানো এবং ফুলে ফুলে ভরে উঠবে চারপাশ। কিন্তু এখনো পাতা ঝরছে। ফুল ফুটেছে আর না ফুটেছে, এখন বসন্তই। বৈষ্ণিক উষ্ণতায় কালের নিয়মে তারতম্য দেখা যায়। সময় মত ফুল ফোটে না, সময় মত পাতা ঝরে না, সময় মত বৃষ্টি পড়ে না। সবকিছুতেই কেমন অনিয়মের ছোঁয়া। সে যাই হোক, যতদিন পর্যন্ত না “গো গ্রিন” আন্দোলন আরো জোরালো হচ্ছে এবং সফলতার মুখ না দেখছে; যতদিন না পৃথিবী “কুল ডাউন” হয়ে আবার আগের অবস্থায় যাচ্ছে, ততদিন বোধকরি আমাদেই এই ভয়াবহতা নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে। মেনে নিতে হবে, মানিয়ে নিতে হবে। নিজেদের হাতে ধংশ করা পৃথিবীর পরিবর্তিত রূপকে প্রকৃতির খেয়াল বলে চালিয়ে দেয়া ছাড়া আর কোন গত্যান্তর নেই।

ছবি ব্লগে এত বেশী কথা না বলি। নিতান্তই কিছু লিখতে হয় বলে লেখা। এবার আসল কথায় আসি। উত্তর গোলার্ধের শীত প্রধান দেশেগুলোতে পাতা ঝরার দিন অনেক আগেই পেরিয়ে গিয়েছে। আমার এখানকার শীতের শুরুতে (আক্টোবরের শেষে) চারপাশ বেশ উজ্জ্বল হয়ে উঠে। জীবণের শেষ দিনগুলোতে গাছের পাতাগুলো ...

  • ৪৯টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১১

ছবি ব্লগঃ ৩ (রঙিন আকাশ)।

সময় ২১:১১:৪৮



আকাশের বিশালতা কার না ভাল লাগে? আর, এর রঙ? প্রকৃতির বিশাল ক্যানভাসে এর বর্ণিল খেলা? আমি জানি, সবারই ভাল লাগে। আকাশের নীল জমিনে, আলোর প্রভাবে ফুটে উঠে কত কত রঙ। বৃষ্টির পরে বিশাল রংধনুটাকে দেখে, কিংবা টকটকে লাল সূর্যাস্থ দেখে কে না খুশী হয়? মুগ্ধতায় হয়তো ছেলে বুড়ো সবাই মনের অজান্তে বলে উঠে, বাহ, কী সুন্দর!! রাতের নিকষ কালো আঁধার ফুঁড়ে ভোরের রবির উজ্জ্বল আভা বের হয়ে শুরু হয় রঙের খেলা। সারাদিন শেষে, সাঁঝ বেলাতেও রঙের খেলায় হয় দিনের সমাপ্তি। আমাদের মাথার উপরের সেই একই আকাশ, প্রতিদিন দেখি, তবুও এর বৈচিত্রময়তা অন্য সকল কিছু থেকে আলাদা। প্রতিনিয়তই ধরা দেয় এক পরিবর্তীত রূপে। সত্যি, কী অপরূপ আকাশ!

বহুদিন খোলা জায়গায় সূর্যোদয় দেখিনা। শেষ কবে দেখেছি, মনেও করতে পারছি না। ছেলেবেলায় কত দেখেছি সেই সৌন্দর্য্য। শীতের কুয়াশাস্নাত ভোরের বিশাল সূর্যটা কি অদ্ভুত সোনালী আলোয় পৃথিবীটা আলোকিত করে তোলে। ইদানিং আলসেমির কারনে ভোরে ঘুম থেকে উঠাও হয়না। যখন উঠি তখন প্রখর রৌদ্র, সাধারন দিনে এমন আকাশে তাকানো হয়না। কিন্তু সেই আলোতে গাছের পাতায় আলোর মাখামাখি বড়ই ভাল লাগে। ...

  • ৩৫টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৩

ছবি ব্লগ: ২ (রাতের আলো)।

সময় ২১:১৬:১৮



আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবন-ভরা,
আলো নয়ন-ধোওয়া আমার, আলো হৃদয়হরা।।
নাচে আলো নাচে, ও ভাই, আমার প্রাণের কাছে --
বাজে আলো বাজে, ও ভাই, হৃদয়বীণার মাঝে --
জাগে আকাশ, ছোটে বাতস, হাসে সকল ধরা।।
আলোর স্রোতে পাল তুলেছে হাজার প্রজাপতি।
আলোর ঢেউয়ে উঠল নেচে মল্লিকা মালতী।
মেঘে মেঘে সোনা, ও ভাই, যায় না মানিক গোনা--
পাতায় পাতায় হাসি, ও ভাই, পুলক রাশি রাশি --
সুর নদীর কূল ডুবেছে সুধা-নিঝর-ঝরা।।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর




সিটিস্কেপ (সুওন, কোরিয়া)।


লাইট টু এনলাইটেন দ্যা ওয়ার্ল্ড (সনকিউনকোয়ান ইউনিভার্সিটি লাইব্রেরী।)


দীপ্তিময় দূর্গ (হোয়াসো ফোর্ট, সুওন।)


লাইট টু মেক ইট ব্রাইট।


ওয়াচ টাওয়ার, হোয়াসো ফোর্ট, সুওন।


আলোর পথে যাও।


যান্ত্রিক জীবণ।

জানুয়ারি
২৯

ছবি ব্লগঃ ১ (সাদা শীত)।

সময় ২২:০৮:৩৮



উষ্ণমন্ডলীয় দেশগুলোতে প্রকৃতির যে নির্মল সৌন্দর্য্য অনুপস্থিত তা হলো তুষার। শীত প্রধান দেশে তুষারের বিভিন্ন রূপ রয়েছে। তুষারের কত রুপ আছে তা সাইদ ভাই তার "দুষ্ট তুষারঝড়ের ছবি" পোস্টে বলেছেন। অনেকটা আমাদের দেশের ইলশে গুড়ি বৃষ্টি থেকে শুরু করে মুষুল ধারে বৃষ্টির মত ব্যপার। ব্যক্তিগত ভাবে আমি তুষার খুবই পছন্দ করি। তুষার পরাকালীন সময়টা খুব বেশী উপভোগ করি, তবে এর পরের কয়েকটা দিন ঠান্ডা প্রচন্ড বেড়ে যায়, যার করনে খুব কষ্টে কাটাই। তাতে কি, প্রকৃতির এইরূপ অপার সৌন্দর্য্য দেখার জন্য শীতের কষ্ট করতে আমার আপত্তি নেই। এখানে এখন শীত জেঁকে বসেছে। মাঝে মাঝেই তুষার পরে। তুষারের ছবি নিয়েই আমার এই ছবি ব্লগ। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।
















  • ৫৯টি মন্তব্য

জানুয়ারি
২৭

কোরিয়ান খাবার – ১ (সাবুসাবু)।

সময় ২১:৩০:৪৯



অনেক আগে পত্রিকায় বেরিয়েছিল, যমুনা সেতু নির্মাণ এলাকার সমস্ত বেওয়ারিস কুকুরের সংখ্যা নাকি হুন্দেই কন্সট্রাকশনে কর্মরত কোরিয়ানদের সুবাদে দিনে দিনে শুন্যের ঘরে চলে এসেছে। আরো একবার পত্রিকায় এসেছিল, গুলশান এলাকার মালিকহীন কুকুরগুলো ঈদের ছুটিতে লাপাত্তা হয়ে গিয়েছে। খবরে প্রকাশ হয় ওই সমস্ত সারমেয়কূল নাকি তদ-অঞ্চলে বসবাসরত কোরিয়ানদের দ্বারা উদরপূর্তি কার্য সমাধা হয়েছিল। এর কয়েক বছর পরে আরেকটি খবরে বেশ হৈচৈ পরে যায় চারিদিকে। আরিচার কিছু খাবার হোটেলে খাসীর মাংসের নামে নাকি কুকুরের মাংস পরিবেশন করা হতো। এরপর, খোদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন এক হলের ক্যন্টিনেও এরকম একটি কুকর্ম সমাধা হয়েছিল। যতবার এই ধরনের কার্য ধরা পরেছে সংবাদপত্রে সূত্র হিসেবে কোরিয়ানদের কথা উল্ল্যেখ করা হয়েছিল। সেই থেকে সকলেই জানে, কোরিয়াতে মানুষ কুকুরের মাংস খায়!

সে যাই হোক, এমন একটা পরিস্থিতিতে আমি যখন কোরিয়ায় আসি, পরিচিত সবাই একটা কথা আমাকে বারবার স্বরণ করিয়ে দিয়েছিলেন, “কোরিয়ান খাবার হইতে সাবধান!!”। আমার এক সহকর্মীতো একদিন আমাকে এক মজার কাহিনী বললেন। তার কোন এক ...

  • ৯৩টি মন্তব্য

জানুয়ারি
১২

আয়রন ক্রোজ: কঠিন বাস্তবতা।

সময় ২০:০৩:৪৩



কিছুদিন আগে, আমার এক ল্যাব-মেইট আমাকে প্রশ্ন করল, ডু য়্যু নো ছিতাগুং? আমি বললাম, নো, হোয়াট'স দ্যট। সে বললো, ছিতাগুং, অ্যা সিটি ইন ইউর কানট্রি। এবার আমার বুঝতে অসুবিধা হোলনা যে ও চট্রগ্রামের কথা বলছে। আমি বললাম করলাম, হ্যাঁ চিনি। কেন, কি হয়েছে? ও বললো, ২৩ তম ইন্টারন্যাশনাল ডকুমেন্টরি ফিল্ম ফ্যাস্টিভালে একজন কোরিয়ান ফিল্ম ডিরেক্টর, বোংনাম-পার্ক, তার Iron Crows এর জন্য "বেস্ট মিড-লেংথ ফিল্ম" পুরষ্কার পেয়েছেন। তার ফিল্মের বিষয় বস্তু হলো চট্রগামের জাহাজভাঙা শিল্পর সাথে জড়িত শ্রমিকদের জীবন যুদ্ধ। বাংলাদেশের চট্রগ্রামের পরিচিতি বন্দর নগরী হিসাবেই জানি। এছাড়াও বন্দর নগরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যর কথা সকলের জানা। ব্যক্তিগত ভাবে আমি যে জায়গাগুলো পছন্দ করি তার মধ্য থেকে পতেঙ্গা সী বিচ, সিতাকুন্ড ইকোপার্ক, কর্নফুলী নদীর মোহনা, পার্কী সী বিচ, বাটালী হিলের উপর থেকে সূর্যাস্তের সৌন্দর্যের কথা না বললেই নয়। এই সব কিছু ছাপিয়ে কোরিয়ান এই ল্যাবমেইটের কাছে ভাটিয়ারী জায়গাটি পরিচিতি পেয়ে গেছে।



জাহাজের ফার্নিচার বলে যা সারা দেশে ...

  • ৯২টি মন্তব্য

জানুয়ারি
০৫

গীতিনাট্য অপেরা: আমার অভিজ্ঞতা।

সময় ০৮:৪৯:৩৭



অনেকেই জানেন, অপেরা হলো এক ধরনের গীতিনাট্য, শিল্প-সংস্কৃতির এক মাধ্যাম। এই শিল্প মাধ্যম পাশ্চাত্যে বেশ জনপ্রিয়ও বটে। এর শুরুটা হয়েছিল ১৫৯৭ সনে ইতালীর ফ্লোরেন্স শহরে। পরিবেশন ঢংয়ের জন্য খুব শিঘ্রই সারা ইউরোপ জুড়ে ইতালীয় অপেরার প্রসার ঘটে। এর উপস্হাপন ভংগিতে মুগ্ধ হয়ে ১৭ শতকে ইউরোপের বেশ কিছু দেশ তাদের নিজস্ব ঢংয়ের অপেরার প্রচলন শুরু করে। কিন্তু ইতালীর অপেরা নিজস্ব শৈলীর জন্য এর অবস্থান বেশ শক্তিশালী অবস্থানেই থাকে এবং এর জনপ্রিয়তা দিনে দিনে বৃদ্ধি পেয়েই চলে। আজকের দিনে ১৮ শতকের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপেরা শিল্পী, মোৎজার্ট, ইতালীয়ান কমিক অপেরার জন্য বিশেষ খ্যাতি লাভ করেন। সংগীত একটু আধটু পছন্দ করেন আর মোৎজার্টের সুরের মুর্চ্ছনা শুনেনি এমন লোক ধরনীতেই বিরল।



আমার এই পোস্ট আসলে ভারী কথা বলার উদ্দেশ্যে নয়। কিছুটা অভিজ্ঞতা শেয়ারের উদ্দেশ্যে। কিছুদিন আগে স্কুল নোটিশ বোর্ডে বিশাল আকৃতির এক পোস্টারে জানতে পারি যে একটা "অপেরা এ্যান্ড জ্যাজ" কনসার্ট হবে। সত্যি কথা বলতে আমার অপেরা সম্পর্কে কোন ধারনা ছিল না। অপেরা বলতে ...

  • ২২টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
৩০

ব্লগ ও প্রকৃতির রূপ।

সময় ১১:৩১:০৯



আজ বহুদিন পরে ব্লগ লিখতে বসেছি। আসলে আমি কখনো সেই রকম অর্থে ব্লগ লিখিনি। যতটানা ব্লগ লিখেছি তারচেয়ে বহুগুনে বেশী মন্তব্য করেছি। কথায় আছে না, "খালি কলস বেশী বাজে", সেই রকম একটা ব্যাপার। শীতের এই সময়টাতে, উত্তর গোলার্ধে যখন তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে চলে যায়, বোধ হয় মানুষগুলো কিছুটা অলস হয়ে যায়। কোন রকমে কর্মস্হলের পাঠ চুকিয়ে বাড়ি ফেরা। অতপর, পানাহার, টেলিভিশন, মুভি, গেমস, ইত্যাদি ইত্যাদি করে ঠান্ডা দিনগুলো পার করে দেয়া। আউটডোর একটিভিটিজ নেই বললেই চলে। আমি এসেছি উষ্মমন্ডলীয় ভৌগলিক এলাকা থেকে। আমার শরীরে বেশী ঠান্ডা লাগবে এটাইতো স্বাভাবিক। এমন ঠান্ডায়, আবাসই যেন স্বর্গসম!
গত বছরের কথা, ঠিক এমনি একটা সময়ে বাংলা ব্লগ "প্রথম আলোর" সন্ধান পেয়েছিলাম। এম.এস. থিসিস জমা দিয়ে দিয়েছি, হাতে কোন কাজ নেই। তো কি আর করার? নেই কাজ তো খই ভাজ, শুরু হয়ে গেলো মন্তব্য লেখা। সকাল বেলা মন্তব্য লেখা শুরু করতাম মধ্য রাতেও মন ভরতো না। অনেকটাই আসক্তি যাকে বলে। সত্যিকার অর্থেই আমি আসক্ত হয়ে পড়েছিলাম। সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা গড়িয়ে কখনযে রাত হয়ে যেত, টের পেতামনা। ভার্চুয়াল এই জগতের ...

  • ৬২টি মন্তব্য

মে
২২

অভিনন্দন তুষার ভাই।

সময় ০৬:০৮:৫৭


ভালোবাসা দিবসের গল্প লিখে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন আমাদের প্রিয় ব্লগার তুষার আহাসান। এটা পুরানো খবর। নতুন খবরটি হলো আজ প্রথম আলো সাহিত্য সাময়িকীতে উনার সেই গল্পটি ছাপানো হয়েছে। অনেক অনেক অভিনন্দন তুষার ভাই। আজকে আপনার লেখাটা সারা বাংলাদেশের মানুষ পড়বে। সুন্দর লেখাটা নিশ্চই তাদের ভালো লাগবে। তাদের সেই ভালো লাগা আপনার কাছে আগাম পৌছে দিচ্ছি। বাংলাদেশের সব মানুষের পক্ষে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক ...

  • ৪৭টি মন্তব্য

মে
০৫

দীপ্তিময় দূর্গ ভ্রমন।

সময় ২১:৪৬:৩১



আজকে কোরিয়াতে শিশুদিবস পালিত হলো। দিবসটি এখানে সরকারী ছুটির দিন। দেরী করে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা সেরে কি করব চিন্তা করছিলাম। কয়েক জনকে ফোন দিলাম। একজনের হোম ওয়ার্ক আছে, আরেক জনের ক্লাস টেষ্ট, সকলেই পড়ালেখায় ব্যস্ত। কি আর করার, আমি তাড়াতাড়ি রান্না করে লাঞ্চ সেরে আবারো ঘুমালাম কিছুক্ষন। উঠে দেখি দুপুর ২:৩০টা বাজে। এখন সামার চলে আসছে। সন্ধ্যা হয় সেই সাড়ে সাতটায়। হাতে প্রচুর সময়। কি করি, কি করি, চিন্তা করতে লাগলাম। শেষে সিদ্ধান্ত নিলাম একা একা কোথাও থেকে বেড়িয়ে আসি। ট্রাভেল কোরিয়া বুকলেটে চোখ বুলিয়ে দেখলাম কাছাকাছি কোন জায়গা আছে নাকি? পেয়েও গেলাম একটি জায়গা। জায়গাটির নাম হোয়াসং। আর দেরী না করে ক্যামেরা সাথে নিয়ে বেরিয়ে পরলাম।


হ্যাপি চিল্ড্রেনস ডে।

বাসার সমনেই সাব-ওয়ে স্টেশন। স্টেশনে যেতেই একটা ট্রেনের আগমন। ট্রেনে চেপে সোজা সুওন স্টেশন। সেখান থেকে ৭৭৭ নম্বর বাসে করে হোয়াসো মুন (হোয়াসং এর দক্ষিন গেট) স্টেশন। নেমেই খুব ভালো লাগলো। চমৎকার রৌদ্রজ্জ্বল দিন। হালকা ঠান্ডা মৃদু মন্দ বাতাস বইছে। খুব বেশী ভীড় ...

  • ৫০টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫