আটত্রিশ বছর কাটলো কেউ ভালোবাসেনি.......!!!
গণতান্ত্রিক সরকার মানে মানুষের সরকার। দেশের সাধারণ জনগণ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করবে সরকারকে যারা দেশ চালাবে। এ জন্য প্রয়োজন হয় জনগণের মধ্য থেকে একদল সুপার কোয়ালিটির জনগণ। যারা হবেন নেতা-মন্ত্রী। আমজনতা যা বুঝেননা নেতা তা বুঝেন। আমজনতার মধ্যে থাকে সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজ কিন্তু সুপার কোয়ালিটির মানুষদের মধ্যে থাকে সততা যোগ্যতা মেধায় বিচক্ষনতায় পরিপূর্ণ একদল মানুষ। দেশ এবং মানুষের স্বার্থই হবে তাদের ধ্যান জ্ঞান। যারা দেশের মানুষকে কথা দিয়ে কথা রাখবেন দেশের মানুষকে ভালোবাসবেন। এই হচ্ছে একটি সভ্য গণতান্ত্রিক দেশের নেতার চিত্র। আমার মতো অতি সাধারণ একজন মানুষের কাছে উপরের গুণ বিচারে মনে হয়না জাতি হিসাবে আমরা সভ্যতার কোনো পর্যায়ে পৌছুতে পেরেছি। আপনাদের কাছে কি মনে হয় জানিনা।
ডিম আর মুরগীর রাজনীতি:
আপনাদের অনেকেরই জানা একটি বিতর্ক- পৃথিবীতে ডিম আগে এসেছে নাকি মুরগী আগে এসেছে। সময় বিনষ্টকারী এমন বিতর্কের বিষয় যেমন অমিমাংসিত থেকে গেছে আজীবন- এমন রাজনৈতিক চক্রের বেড়াজালে আটকে আছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশটাও। স্বাধীনতার পর বার বার ক্ষমতা কুক্ষগিত হয়ে এক সময় তথাকথিত গণতান্ত্রিক পরিবেশ এসেছে বলে পরম বিশ্বাসে ক্ষমতা তুলে দিয়েছি প্রতিনিধিদের হাতে। স্বাভাবিক ভাবেই এক দল বিরোধী দলে থাকার কথা যারা জনগণের স্বার্থে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা/বিরোধিতার পাশাপাশি সহযোগিতা করবে সরকারকে। অত্যন্ত দু:খজনক বাস্তবতা যে একদল ক্ষমতায় না গেলেই আয়নায় নিজের চেহারা না দেখে নির্লজ্জ ভাবে প্রত্যাখ্যান করে নির্বাচন। দেশের দুই দলের প্রধানের পরস্পর বৈরীতা, অসহনশীলতা, ব্যক্তিগত আক্রোশ ..! উদাহরন কিসের সাথে দিবো লজ্জা হয়..! ১৬ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করলে যতটুকু উচু মনের, সহনশীল, ভাবগাম্ভির্য আর ব্যক্তিত্ব থাকতে হয় জাতির দুর্ভাগ্য যে এখানে জাতি চরম ভাবে হতাশ। একজন হা তে অনড় তো অন্যজন না। একজন বলছেন ডিম আগে অন্যজন বলছেন মুরগী আগে। জাতির জীবন নিয়ে তামাশা চলছে দেশে।
সাম্প্রতিক ভারত সফর বিষয়ক কিছু কথা:
প্রধান মন্ত্রীর সাম্প্রতিক ভারত সফর বিষয়ক বিতর্ক বর্তমানে টক অব দ্যা কান্ট্রি বললে ভুল হবেনা। প্রধান মন্ত্রী সফর শেষে প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন তিনি শতভাগ সফল-জয়ী। আর বিরোধী দলীয় নেত্রী (নেতা) বলছেন যে দেশ ভারতের কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের এমন উক্তি শুধু নিজেদের দৈন্যতাই প্রকাশ করেনা বরং দেশের সাধারণ মানুষকে অথর্ব বা পাগল হিসাবেই গণ্য করার সামীল। এ জন্য দুই পক্ষই কিছু ভাড়া করা তথাকথিত বুদ্ধিজীবিকে বিভিন্ন মিডিয়াতে নিয়ে এসে দাড় করাচ্ছে। জনগণের কথা কেউ বলছেনা বরং তাদেরকে বিভ্রান্তিতে ফেলছে। উল্লেখিত বিষয়ে উভয় পরে বক্তব্য সংক্ষেপে বিশ্লেষনের চেষ্টা করছি -
প্রথমেই আসা যাক দেশ বিক্রি নিয়ে............ খালেদা জিয়া মানুষকে বোঝাতে চাইছেন প্রধান মন্ত্রী দেশ বিক্রি করে দিয়ে এসেছেন ভারতের কাছে। আমরা জনগণ কেনা-বেচা সম্পর্কে অত্যন্ত কম ধানণা পোষন করি বলেই মনে করেন ম্যাডাম খালেদা। নইলে এত সহজে এত কঠিন কথা বলে আন্দোলন/মাঠ গরম করার অপচেষ্টা করার কথা নয়। তিনি বিশেষ করে দুটি সমূদ্র বন্দর ব্যবহার নিয়ে দেশ বিক্রির কথাটি তুলেছেন। কিন্তু এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে সদ্য উচ্চমাধ্যমিক পাশ বাচ্চা ছেলে ...ও জানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের সমূদ্র বন্দর অন্য দেশের কাছে ভাড়া দিয়ে আয় করছে বিলিয়ন ডলার! অনেক দেশেরই সমূদ্র বন্দর নেই বা থাকলেও দূর্গম এলাকায় পণ্য স্থানান্তরের জন্য ব্যবহার করে অন্য দেশের বন্দর। এতে দেশ বিক্রির প্রয়োজন পরেনা। তবেকি ম্যডাম খালেদার সার্টিফিকেট ঘাটতিই এমন উক্তির জন্য দায়ী ? নাকি সস্তা বস্তা পচাঁ শব্দ- ”নতজানু” ”দেশ বিক্রি” ব্যতিত কোনো শব্দ রাজনৈতিক বিচক্ষনতা প্রকাশের জন্য তিনি আজও শিখেননি। কথা বাড়ালে বাড়বে -শুধু এ জাতিয় ভালোকে ভালো বলার যোগ্যতা যদি ম্যডাম খালেদা না রাখেন তবে আপনার রাজনীতি ছেড়ে দেয়া উচিৎ। জনগণ এখন যথেষ্ট সচেতন। জনগণকে এতটা বুদ্ধু বানানোর অপচেষ্টা করে দেশকে অস্থিতিশীল অবস্থায় ঠেলে দিবেন আর মুখে মুখে প্রচার করবেন জনগণকে ভালোবাসি! এটা প্রতারণার সামীল।
এবার আসা যাক শত ভাগ সফলতার গল্পে............... একটা সফরে কিছুনা কিছু অবশ্যই অর্জন হয়। আর চুক্তির সফলতা বাস্তবায়নের মাঝে। আমরা চুক্তি করেই যদি বলি শতভাগ সফল বা জয়ী তাহলেতো বাস্তবায়ন না হলেই চলে! এমন কিছু কারণেই হয়তো বিগত চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন হয়নি। আজ সন্ত্রাস বিরোধী চুক্তির মধ্যে ভারতের সেভেন সিষ্টার্স খ্যাত প্রদেশ গুলোর বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকারীগণের বিষয়ে বলা হয়েছে। যারা অন্যের দৃষ্টিতে স্বাধীনতাকামী তারাই ভারতের দৃষ্টিতে সন্ত্রসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী। এই চুক্তি অনুযায়ী স্বাধীনতাকামীদেরকে বাংলাদেশ কোনো প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করতে পারবেনা। অথচ বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে ভারত প্রশিক্ষণ, শক্তি, আশ্রয় বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করে ছিলো। তাহলেকি পরোক্ষ ভাবে ঐ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে বাংলাদেশের একটা বৈরী মনোভাব সৃষ্টি হলোনা? যারা দেশের শান্তি নষ্ট করার ক্ষমতা রাখে! আজ বাংলাদেশে ভারতের শত শত টিভি চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে- ডাবোর, কোলগেট, নির্মার মতো হাজার হাজার পণ্য যার একটা বিশাল বাজার তৈরী হয়েছে এ দেশে। অথচ আমাদের দেশীয় পণ্যের মান অনেক ভালো বলে শুধু প্রচারের ভয়ে ভারত আমাদের দেশীয় টিভি চ্যানেল গুলোকে ভারতে প্রচারের অনুমতি দেয়না। প্রধান মন্ত্রীর ভারত সফরে আমাদের টিভি চ্যানেল গুলোর ভারতে প্রচারের ব্যবস্থা করা খুব কঠিন কাজ ছিলো বলে মনে হয়না। এমনই আরো অরেক বিষয় তুলে আনলে শতভাগ সফলতা আর জয়ী হওয়া হাস্যকর মনে হয়।
সমূহ বিপদ সমূহ....................:
দেশে বিদ্যমান সমস্যার কথা তুলে আর আপনাদের ধৈর্যের বাধ ভাঙতে চাইনা। শুধু সামনে দুটি বিষয় তুলে আনতে চাই-
এক-জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমূহ প্রতিক্রিয়া
দুই-ভুমিকম্পে মানবিক বিপর্যয় আশংকা
জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে যদি বাংলাদেশের ২২ ভাগ ভূমি সমূদ্র গর্ভে তলিয়ে যায় তাহলে দেশের অবস্থা কি হবে।
কি হবে দেশের মানুষের অন্ন বস্ত্র আর বাসস্থানের!
হাইতিতে ৭ মাত্রার ভুমিকম্পে যেভাবে ধ্বসে গেছে বড় বড় প্রাসাদ গুলো। আজ বাংলাদেশে এমন একটি অবস্থায় ঢাকা শহরের অনৈতিক ভাবে অনুমোদন দেয়া অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠা উচু ভবন গুলোর কি হবে। ২০ লাখ মানুষ ধ্বংশ স্তুপের নিচে চাপা পরলে কত বছর সময় লাগবে মানুষের কংকাল অপসারন করতে...! এই রাজনীতি কেউ করেনা। তাই আজ জনগণের মনের কষ্ট যে আপনারা সবাই বলেন জনগন এই চায় তাই আন্দোলন............. না এমন রাজনীতি আর দেখতে চাইনা । নিজেদের হীন স্বার্থ উদ্ধারের দায় ভার আর কতো চাপিয়ে দিবেন জনগণের উপর! আমাদের দেখতেইতো লজ্জায় মুখ লুকাতে ইচ্ছে হয় ! অথচ আপনারা.........! । দুই দলকে এক সাথে দেখতে চাই- বসুন এক সাথে মিলে পথ বের করুন কি ভাবে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে দেশ রক্ষা করা যায়.... পূর্বাভাস দিয়ে আসেনা ভূমিকম্প.. মারাত্মক মানবিক বিপর্যয় থেকে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায় প্রস্তুতি নিন তার। তবেই বুঝবো আপনারা জনগণের রাজনীতি করেন। ভালোবাসেন জনগণকে... ভালোবাসেন দেশকে। আমরা বার বার হোচট খেয়েছি প্রতারিত হয়েছি । আটত্রিশ বছর কাটলো কেউ ভালোবাসেনি।
ডিম আর মুরগীর রাজনীতি:
আপনাদের অনেকেরই জানা একটি বিতর্ক- পৃথিবীতে ডিম আগে এসেছে নাকি মুরগী আগে এসেছে। সময় বিনষ্টকারী এমন বিতর্কের বিষয় যেমন অমিমাংসিত থেকে গেছে আজীবন- এমন রাজনৈতিক চক্রের বেড়াজালে আটকে আছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশটাও। স্বাধীনতার পর বার বার ক্ষমতা কুক্ষগিত হয়ে এক সময় তথাকথিত গণতান্ত্রিক পরিবেশ এসেছে বলে পরম বিশ্বাসে ক্ষমতা তুলে দিয়েছি প্রতিনিধিদের হাতে। স্বাভাবিক ভাবেই এক দল বিরোধী দলে থাকার কথা যারা জনগণের স্বার্থে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা/বিরোধিতার পাশাপাশি সহযোগিতা করবে সরকারকে। অত্যন্ত দু:খজনক বাস্তবতা যে একদল ক্ষমতায় না গেলেই আয়নায় নিজের চেহারা না দেখে নির্লজ্জ ভাবে প্রত্যাখ্যান করে নির্বাচন। দেশের দুই দলের প্রধানের পরস্পর বৈরীতা, অসহনশীলতা, ব্যক্তিগত আক্রোশ ..! উদাহরন কিসের সাথে দিবো লজ্জা হয়..! ১৬ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করলে যতটুকু উচু মনের, সহনশীল, ভাবগাম্ভির্য আর ব্যক্তিত্ব থাকতে হয় জাতির দুর্ভাগ্য যে এখানে জাতি চরম ভাবে হতাশ। একজন হা তে অনড় তো অন্যজন না। একজন বলছেন ডিম আগে অন্যজন বলছেন মুরগী আগে। জাতির জীবন নিয়ে তামাশা চলছে দেশে।
সাম্প্রতিক ভারত সফর বিষয়ক কিছু কথা:
প্রধান মন্ত্রীর সাম্প্রতিক ভারত সফর বিষয়ক বিতর্ক বর্তমানে টক অব দ্যা কান্ট্রি বললে ভুল হবেনা। প্রধান মন্ত্রী সফর শেষে প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন তিনি শতভাগ সফল-জয়ী। আর বিরোধী দলীয় নেত্রী (নেতা) বলছেন যে দেশ ভারতের কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের এমন উক্তি শুধু নিজেদের দৈন্যতাই প্রকাশ করেনা বরং দেশের সাধারণ মানুষকে অথর্ব বা পাগল হিসাবেই গণ্য করার সামীল। এ জন্য দুই পক্ষই কিছু ভাড়া করা তথাকথিত বুদ্ধিজীবিকে বিভিন্ন মিডিয়াতে নিয়ে এসে দাড় করাচ্ছে। জনগণের কথা কেউ বলছেনা বরং তাদেরকে বিভ্রান্তিতে ফেলছে। উল্লেখিত বিষয়ে উভয় পরে বক্তব্য সংক্ষেপে বিশ্লেষনের চেষ্টা করছি -
প্রথমেই আসা যাক দেশ বিক্রি নিয়ে............ খালেদা জিয়া মানুষকে বোঝাতে চাইছেন প্রধান মন্ত্রী দেশ বিক্রি করে দিয়ে এসেছেন ভারতের কাছে। আমরা জনগণ কেনা-বেচা সম্পর্কে অত্যন্ত কম ধানণা পোষন করি বলেই মনে করেন ম্যাডাম খালেদা। নইলে এত সহজে এত কঠিন কথা বলে আন্দোলন/মাঠ গরম করার অপচেষ্টা করার কথা নয়। তিনি বিশেষ করে দুটি সমূদ্র বন্দর ব্যবহার নিয়ে দেশ বিক্রির কথাটি তুলেছেন। কিন্তু এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে সদ্য উচ্চমাধ্যমিক পাশ বাচ্চা ছেলে ...ও জানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের সমূদ্র বন্দর অন্য দেশের কাছে ভাড়া দিয়ে আয় করছে বিলিয়ন ডলার! অনেক দেশেরই সমূদ্র বন্দর নেই বা থাকলেও দূর্গম এলাকায় পণ্য স্থানান্তরের জন্য ব্যবহার করে অন্য দেশের বন্দর। এতে দেশ বিক্রির প্রয়োজন পরেনা। তবেকি ম্যডাম খালেদার সার্টিফিকেট ঘাটতিই এমন উক্তির জন্য দায়ী ? নাকি সস্তা বস্তা পচাঁ শব্দ- ”নতজানু” ”দেশ বিক্রি” ব্যতিত কোনো শব্দ রাজনৈতিক বিচক্ষনতা প্রকাশের জন্য তিনি আজও শিখেননি। কথা বাড়ালে বাড়বে -শুধু এ জাতিয় ভালোকে ভালো বলার যোগ্যতা যদি ম্যডাম খালেদা না রাখেন তবে আপনার রাজনীতি ছেড়ে দেয়া উচিৎ। জনগণ এখন যথেষ্ট সচেতন। জনগণকে এতটা বুদ্ধু বানানোর অপচেষ্টা করে দেশকে অস্থিতিশীল অবস্থায় ঠেলে দিবেন আর মুখে মুখে প্রচার করবেন জনগণকে ভালোবাসি! এটা প্রতারণার সামীল।
এবার আসা যাক শত ভাগ সফলতার গল্পে............... একটা সফরে কিছুনা কিছু অবশ্যই অর্জন হয়। আর চুক্তির সফলতা বাস্তবায়নের মাঝে। আমরা চুক্তি করেই যদি বলি শতভাগ সফল বা জয়ী তাহলেতো বাস্তবায়ন না হলেই চলে! এমন কিছু কারণেই হয়তো বিগত চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন হয়নি। আজ সন্ত্রাস বিরোধী চুক্তির মধ্যে ভারতের সেভেন সিষ্টার্স খ্যাত প্রদেশ গুলোর বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকারীগণের বিষয়ে বলা হয়েছে। যারা অন্যের দৃষ্টিতে স্বাধীনতাকামী তারাই ভারতের দৃষ্টিতে সন্ত্রসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী। এই চুক্তি অনুযায়ী স্বাধীনতাকামীদেরকে বাংলাদেশ কোনো প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করতে পারবেনা। অথচ বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে ভারত প্রশিক্ষণ, শক্তি, আশ্রয় বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করে ছিলো। তাহলেকি পরোক্ষ ভাবে ঐ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে বাংলাদেশের একটা বৈরী মনোভাব সৃষ্টি হলোনা? যারা দেশের শান্তি নষ্ট করার ক্ষমতা রাখে! আজ বাংলাদেশে ভারতের শত শত টিভি চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে- ডাবোর, কোলগেট, নির্মার মতো হাজার হাজার পণ্য যার একটা বিশাল বাজার তৈরী হয়েছে এ দেশে। অথচ আমাদের দেশীয় পণ্যের মান অনেক ভালো বলে শুধু প্রচারের ভয়ে ভারত আমাদের দেশীয় টিভি চ্যানেল গুলোকে ভারতে প্রচারের অনুমতি দেয়না। প্রধান মন্ত্রীর ভারত সফরে আমাদের টিভি চ্যানেল গুলোর ভারতে প্রচারের ব্যবস্থা করা খুব কঠিন কাজ ছিলো বলে মনে হয়না। এমনই আরো অরেক বিষয় তুলে আনলে শতভাগ সফলতা আর জয়ী হওয়া হাস্যকর মনে হয়।
সমূহ বিপদ সমূহ....................:
দেশে বিদ্যমান সমস্যার কথা তুলে আর আপনাদের ধৈর্যের বাধ ভাঙতে চাইনা। শুধু সামনে দুটি বিষয় তুলে আনতে চাই-
এক-জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমূহ প্রতিক্রিয়া
দুই-ভুমিকম্পে মানবিক বিপর্যয় আশংকা
জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে যদি বাংলাদেশের ২২ ভাগ ভূমি সমূদ্র গর্ভে তলিয়ে যায় তাহলে দেশের অবস্থা কি হবে।
কি হবে দেশের মানুষের অন্ন বস্ত্র আর বাসস্থানের!
হাইতিতে ৭ মাত্রার ভুমিকম্পে যেভাবে ধ্বসে গেছে বড় বড় প্রাসাদ গুলো। আজ বাংলাদেশে এমন একটি অবস্থায় ঢাকা শহরের অনৈতিক ভাবে অনুমোদন দেয়া অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠা উচু ভবন গুলোর কি হবে। ২০ লাখ মানুষ ধ্বংশ স্তুপের নিচে চাপা পরলে কত বছর সময় লাগবে মানুষের কংকাল অপসারন করতে...! এই রাজনীতি কেউ করেনা। তাই আজ জনগণের মনের কষ্ট যে আপনারা সবাই বলেন জনগন এই চায় তাই আন্দোলন............. না এমন রাজনীতি আর দেখতে চাইনা । নিজেদের হীন স্বার্থ উদ্ধারের দায় ভার আর কতো চাপিয়ে দিবেন জনগণের উপর! আমাদের দেখতেইতো লজ্জায় মুখ লুকাতে ইচ্ছে হয় ! অথচ আপনারা.........! । দুই দলকে এক সাথে দেখতে চাই- বসুন এক সাথে মিলে পথ বের করুন কি ভাবে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে দেশ রক্ষা করা যায়.... পূর্বাভাস দিয়ে আসেনা ভূমিকম্প.. মারাত্মক মানবিক বিপর্যয় থেকে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায় প্রস্তুতি নিন তার। তবেই বুঝবো আপনারা জনগণের রাজনীতি করেন। ভালোবাসেন জনগণকে... ভালোবাসেন দেশকে। আমরা বার বার হোচট খেয়েছি প্রতারিত হয়েছি । আটত্রিশ বছর কাটলো কেউ ভালোবাসেনি।
লেখক মোজাম্মেল কবির
- মোজাম্মেল কবির -এর ব্লগ
- ৩৩ টি মন্তব্য
- ১৮ জানুয়ারি ২০১০, ১১:৩০
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৩৩ টি মন্তব্য
-
ডাঃ রুমী১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০১:০৫
কেমন আছেন ? আল্লাহ আছেন আমাদের সাথে । নইলে জলবায়ু পরিবর্তনের অনেক আগেই ডুবে যেত এই দেশ । -
সুজন১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:৩১
কেমন আছেন ভাই? অনেকদিন পর ব্লগে বসলাম। এইসব ব্যাপারে আমার মাথা খুব একটা কাজ করেনা। তবে এটুকু বুঝতে পারি অনেক লজ্জা নিয়ে বেঁচে আছি। -
লুবনা১৯ জানুয়ারি ২০১০, ১০:১৮
এই দেশ যে কতোবার বিক্রি করলো আমাদের নেত্রিরা, মাঝে মাঝে মনে হয় আমি বাংলাদেশী না ভারতীয়।
কোন চুক্তির বিস্তারিত কিছু্ই জন সম্মুখে বলে না, এতেই জনগন ভুল ধারনা নিয়ে বসে থাকে যার ফায়দা লুটে বিরোধী দলরা। কবির ভাই আমরা কবে যে সত্যিকারের দেশ প্রেমিক হবে কে জানে। -
জিয়া রায়হান১৯ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৪০
সব নেতা-নেত্রী দেশকে ভালোবাসার কথা বলে
সব নেতা-নেত্রী মানুষকে ভালোবাসার কথা বলে ।
এটি যেদিন সত্যি হবে সেদিনই আমাদের মুক্তি হবে ।
তার আগে নয়।
শুভ কামনা রইলো। -
েখাকন েদ১৯ জানুয়ারি ২০১০, ১২:০৮
খুব ভাল লাগল, ধন্যবাদ।
এই সুন্দর পৃথিবী থেকে হয়ত
আপনাদের ছেড়ে একদিন চলে যাব। হয়তো রেখে যাবো কিছু বিস্মৃতির স্মৃতি।
এই নরাধম,এই পাপীষ্ঠ আপনাদের মনের অজান্তে কোন দুঃখ দিয়ে থাকলে যদি পারেন ক্ষমা করে দিয়েন।
গুরু/গুরুজী,
ভুল হলে দয়া করে এই অধম বান্দাকে আবারও ক্ষমা করে দিবেন।
আপনাদের সুস্থ,সুন্দর, মঙ্গল জীবন কামনা করে।
শুভরাত্রি -
আ,শ,ম,এরশাদ১৯ জানুয়ারি ২০১০, ১২:১৫
ভাই আপনি কি শুরু করলেন----যেখানেই যাই সেখানেই এই লাল কালিতে লিখা ---
এখানে ক্ষমার কি আছে--আপনি এটা নিয়ে একটা পোষ্ট দেন তখন সবাই দেখবে --
ধন্যবাদ আপানাকে--- -
আ,শ,ম,এরশাদ১৯ জানুয়ারি ২০১০, ১২:১৩
পড়ে বেশ ভাল লাগল ----
বিতর্ক করার অবকাশ নেই ---সবই সাধরন মানুষের চাওয়াকে নিয়ে লিখেছেন---- -
রঙের মানুষ রঙ্গীলা (সুজা)১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০১:৪৪
মোজাম্মেল কবির বলেছেন ২০১০/০১/১৯ ০০:৫৮:৫৪
রাজনীতি হোক মানুষের জন্য ।
.........................
সহমত।
অনেক অনেক ধন্যবাদ পস্টের জন্য।
ভাল থাকুন। -
সজল শর্মা১৯ জানুয়ারি ২০১০, ১২:২৮
চোখের পাতায় ঘুম। এখন আর মন দিয়ে পড়তে পারবো না। কাল পড়বো। শুভ রাত্রি। -
গঙা১৯ জানুয়ারি ২০১০, ১২:৪২
জনগণের দোহাই দিয়ে তারা কত আন্দোলনই না করে , মাগার জনগণকে তো শেষে কাচঁকলা দেখায় ! যদি তারা তাদের কথা রাখত তাহলে সোনার বাংলা সোনা হয়েই থাকত । কেউ কথা রাখে না .......... আটত্রিশ বছর কেটে গেল !
কবির ভাই , সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ! ভাল থাকবেন ! শুভ রাত্রি -
শেখ আমিনুল ইসলাম২০ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৩২
অনেক কিছু নিয়েই ভাবিয়ে দিলেন ভাই।
এই লেখাটা যদি এই দেশের রাজনীতিবিদরা পড়ত!
এই মুহূর্তে ঢাকায় ভূমিকম্প ৭ মাত্রার হলে কি যে হবে, আমি চিন্তাই করতে পাড়ছি না ভাই।
ভাল থাকুন।
শুভ কামনা রইল। -
মৌসুমী দত্ত২০ জানুয়ারি ২০১০, ১১:৪৯
আটত্রিশ বছর কাটলো কেউ ভালোবাসেনি।----------সহমত।
সুন্দর পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ মোজাম্মেল ভাই।
শুভেচ্ছা রইলো।
-
জাকির বেপারী২০ জানুয়ারি ২০১০, ১২:৫২
এককথায় চমৎকার বিশ্লেষন করেছেন কবির ভাই। আশাকরছি লেখাটা নির্বাচিত হবে।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক