সুখে থাকুক বাংলাদেশের মানুষ ।

ফেব্রুয়ারি
২৬

লাইফ টিপস্-(১) পারস্পরিক সহযোগিতা।।।

সময় ২৩:৫৮:২০


আমরা চোখ খুলে যতটা তাকিয়ে থাকি ততটুকু দেখিনা। দেখিনা প্রকৃতি পারস্পরিক কি অপরুপ বন্ধনে নিজেদেরকে আপন করে রেখেছে। গাছপালা, পশু পাখি, আলো বাতাস একে অন্যকে কিভাবে পারস্পরিক সহযোগিতায় লিপ্ত রেখেছে। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব বলে দাবী করলেও আমরা কি পেরেছি পারস্পরিক সহযোগিতায় ওদের মতো হতে ! সন্ধেহ আছে।
লাইফ টিপস নামে বিষয় ভিত্তিক লেখার প্রথমটি লিখছি মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে।
বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে সভ্য নাগরিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে চলে প্রতিযোগিতা। অফিস আদালত, ব্যবসা বাণিজ্য, রাজনীতি এমনকি পারিবারিক জীবনেও নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে যেয়ে প্রায়ই আমরা অন্যের গতিপথে বিগ্ন ঘটাই। অন্যের উপরে উঠার সুযোগ নষ্ট করে আমরা সুখ পাই। বিকৃত-ভৌতিক এক আনন্দ অনুভব করি যখন একজন বন্ধুর কিংবা কাছের একজন মানুষের লেজটি টেনে ধরে রাখতে পারি। যেখানে আমার একটু সহযোগিতা অথবা অসহযোগিতা না করা সৃষ্টি করতে পারতো তার সাফল্যের সুযোগটি অথচ আমার কোনো ক্ষতিই হতোনা। এভাবেই সভ্য দেশগুলো থেকে পিছিয়ে রেখেছি আমরা গোটা জাতিকে-নিজেদেরকে। পিছিয়ে যাচ্ছি প্রতিনিয়তই সৃষ্টির ...

  • ২৫টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০২

কর্ণেল ফারুককে মুখোমুখি আমার একটি প্রশ্ন করার অভিজ্ঞতা।।।

সময় ২৩:১৫:৫১


ইচ্ছে ছিলো লেখাটি ফাঁশি কার্যকর হওয়ার দিন প্রকাশ করবো। অত্যন্ত দু:খ জনক ঘটনাটি ঘটে ঐদিন আমার জীবনে- আমার একমাত্র পুত্র সৃজন দুর্ঘটনা বশত চোখে ভয়ানক আঘাত পেয়ে শেরেবাংলা নগরে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনিষ্টিটিউটে অপারেশন হয় ২৮ জানুয়ারী সকালে। জনপ্রিয় ব্লগার মৌসুমী দত্ত সৃজনকে উৎসর্গ করে বেশ কটি মজার ছবির পোষ্ট দিয়েছেন মনে থাকতে পারে অনেকের। কদিন ব্লগে আসা হয়নি- ব্লগের অনেক কিছুই জানিনা। আমার ইচ্ছে ছিলো কুখ্যাত খুনি কর্ণেল ফারুককে আমার মুখো মুখি বঙ্গবন্ধু খুনের বিষয় নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করতে পারার বিরল সুযোগের অভিজ্ঞতার কথাটি ব্লগের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবো ফাঁশি কার্যকর হওয়ার সময়টা ছুয়ে। হয়নি। আজ করছি।
আসা যাক সেই গল্পে- ১৯৯২ সাল বি এন পি সরকার গঠন করে দেশে জামাত, ফ্রিডম পার্টি সহ অনেক জঙ্গী সংগঠনকে মাঠে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির অপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়। আমি তখন ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ব্যবস্থাপনা সম্মান শ্রেণীতে প্রথম বর্ষে পড়ছি। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই কলেজের ছাত্র সংসদে ছাত্রলীগ ব্যতিত অন্য কোনো দল জয়ী হতে পারেনি। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ...

  • ৪০টি মন্তব্য

জানুয়ারি
১৮

আটত্রিশ বছর কাটলো কেউ ভালোবাসেনি.......!!!

সময় ২৩:৫০:৪১


গণতান্ত্রিক সরকার মানে মানুষের সরকার। দেশের সাধারণ জনগণ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করবে সরকারকে যারা দেশ চালাবে। এ জন্য প্রয়োজন হয় জনগণের মধ্য থেকে একদল সুপার কোয়ালিটির জনগণ। যারা হবেন নেতা-মন্ত্রী। আমজনতা যা বুঝেননা নেতা তা বুঝেন। আমজনতার মধ্যে থাকে সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজ কিন্তু সুপার কোয়ালিটির মানুষদের মধ্যে থাকে সততা যোগ্যতা মেধায় বিচক্ষনতায় পরিপূর্ণ একদল মানুষ। দেশ এবং মানুষের স্বার্থই হবে তাদের ধ্যান জ্ঞান। যারা দেশের মানুষকে কথা দিয়ে কথা রাখবেন দেশের মানুষকে ভালোবাসবেন। এই হচ্ছে একটি সভ্য গণতান্ত্রিক দেশের নেতার চিত্র। আমার মতো অতি সাধারণ একজন মানুষের কাছে উপরের গুণ বিচারে মনে হয়না জাতি হিসাবে আমরা সভ্যতার কোনো পর্যায়ে পৌছুতে পেরেছি। আপনাদের কাছে কি মনে হয় জানিনা।

ডিম আর মুরগীর রাজনীতি:
আপনাদের অনেকেরই জানা একটি বিতর্ক- পৃথিবীতে ডিম আগে এসেছে নাকি মুরগী আগে এসেছে। সময় বিনষ্টকারী এমন বিতর্কের বিষয় যেমন অমিমাংসিত থেকে গেছে আজীবন- এমন রাজনৈতিক চক্রের বেড়াজালে আটকে আছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশটাও। স্বাধীনতার পর বার বার ক্ষমতা কুক্ষগিত হয়ে এক সময় ...

  • ৩৩টি মন্তব্য

জানুয়ারি
১৩

বায়োগ্যাস নির্ভর বিদ্যুৎ ও জ্বালানী বদলে দিতে পারে দেশ...

সময় ২০:৩৭:১০


কষ্টকর হলেও বাস্তব যে আজ বিদ্যুৎ ঘাটতি মিটাতে মাত্র ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ক্রয়ের জন্য ভারতের সাথে চুক্তি করতে হচ্ছে। অত্যন্ত কষ্টকর যে আমাদের মতো ছোট্ট একটি দেশের প্রাকৃতিক গ্যাস বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে আবাসিক লাইনে যাচ্ছেতাই ব্যবহার করে অপচয় করছি। ব্যবহার করছি গাড়ির জ্বালানী হিসাবে। কত দিন চলবে এভাবে! আমাদের দেশের মাননীয় নীতি নির্ধারকগণের নিকট সবিনয়ে জানতে চাই সেই দিন বেশী দূরে নয় যখন আপনার সন্তান বা তার সন্তানকে লিফটে করে অথবা মাথায় করে সংসারের বাজারের সাথে রান্নার জন্য লাকড়ী কিনে উঠতে হবে ২৪ তলা এ্যপার্টমেন্টে- তাদের কথা কি ভাবছেন ?

আমার সোনার বাংলা সত্যিকার অর্থেই সোনার হবে যদি সুষ্ঠ পরিকল্পণা নিয়ে আগাই। আমার আজকের এই পোষ্টটি দেশের জ্বালানী ঘাটতি পূরণে নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে লেখার চেষ্টা করছি। যা বদলে দিতে পারে দেশের সার্বিক চিত্র। বায়োগ্যসের মাধ্যমে কিভাবে বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণ করা যেতে পারে, বাস ট্রাক এমনকি ট্রেনের জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। রান্নার গ্যাস তো থাকছেই। যেই প্রযুক্তিতে গোপনে গোপনে অনেক এগিয়ে গেছে চীন ও ভারতের মতো আমাদের ...

  • ৩৫টি মন্তব্য

জানুয়ারি
১৩

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হবে ময়মনসিংহে .....।।।

সময় ০০:৫১:০৪


দেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসাবে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে বিভিন্ন দেশের সাথে তুলনা করে অত্যন্ত নিচু মানের হিসাবে গণ্য করা হয়। রাজধানী শহরে এ বিমানবন্দরের সেবার মান নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। তা ছাড়া পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাজধানী শহর বা বড় শহর গুলো থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। বর্তমান সরকার সত্যিকার অর্থে বিশ্বমানের একটি বিমানবন্দর তৈরীর জন্য স্থান নির্ধারন করেছে ময়মনসিংহের ত্রিশালে। ঢাকা থেকে ৯০ কি: মি: দূরে ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রাথমিক ভাবে ৬০০০ বিঘা জমি নির্ধারন করা হয়েছে। গত ১৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বঙ্গবন্ধুর নামে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।

মূল খবরটি পড়তে ...

জানুয়ারি
০৯

সরকারের বিচক্ষণতা ও শুক্কুর আলীর এক দিন ..........!

সময় ২৩:০৮:৩৫


১.
এই কুয়াশা ভেজা রাতে মাথায় একটি পলিথিন কাগজ বেধে রাত ১ টা পর্যন্ত রিক্সা চালিয়ে প্রায় তিনশ টাকা আয় করেছে শুক্কুর আলী। যে কুয়াশার রাতে ১০ ফুট দূরের বাতিটি পর্যন্ত দেখা যায়না এই কষ্টকর শীতে এত রাতঅব্দি রিক্সা চালানোর কি দরকার ....! হ্যা দরকার। এ সময় একটু বেশী দামে ভাড়া পাওয়া যায়। এই বাজারে একটু বাড়তি আয় না করলে ছেলেপুলে নিয়ে খেয়ে পড়ে চলা মুশকিল...! তাইতো এত কষ্ট..! বাচার জন্য.....শুধুই বাচার জন্য....! শুক্কুর আস্তে আস্তে প্যাডেল মারছে বাজারের দিকে। আর মনে মনে হিসাব কষছে মহাজনের আমদানী দিয়ে কতটাকা থাকবে আর কত টাকার বাজার করবে। আয় ভালোই হয়েছে.... আজ ৫ কেজি চাল অতিরিক্ত কেনা যাবে.... যা দিয়ে অনায়াসেই ২ দিন চলা যাবে।বলাতো যায়না কাল শরিরটা কেমন যায় ...! আজ আর কষ্ট না করলেও চলবে... এই ভাবতে ভাবতে চার রাস্তার মোর পার হয়ে গলিটায় ঢুকতেই তিন যুবক রিক্সা থামায়।
শুক্কুর আলী- আমি ভাড়া মারুমনা বাবারা...
- তর ভাড়া মারুন লগবোনা...... দুই পাশে দুইজন চাকু ধরে একজন পকেটে হাত দিয়ে দুইশত পচানব্বুই টাকা আর ১ পেকেট আকিজ বিড়ি কেড়ে নিয়ে যায়....!

২.
শুক্কুর আলীরা থানায় যায়না। এমন ঘটনায় মামলা হয়না। অনেক ঝামেলা......! সরকারী ...

  • ১৫টি মন্তব্য

জানুয়ারি
০৫

বন্ধু কি খবর বল...কতদিন দেখা হয়নি...!!!

সময় ২০:০৮:০০


মানুষের জীবনে বিভিন্ন পর্যায়ে বন্ধুর প্রয়োজন হয়- বন্ধু হয়ে যায়। অনেকেই বন্ধু হয় শুধু সময়ের প্রয়োজনে। ক দিনের বন্ধু আবার পর হয়েও যায়। কিন্তু শৈশব থেকে যৌবনের শুরুতে যে বন্ধুরা পাশে থাকে- বলতে চাইছি যাদের সাথে স্কুলে এক সাথে কাটে দশটি বছর। সে বন্ধুদের স্থান হৃদয়ের অনেক গভিরে । যাদের সান্যিধ্যে রক্তে নাচন লাগে! ক্ষনিকের জন্য হলেও ভুলে থাকা যায় অনেক দু:খ বেদনা। আমাদের নাসিরাবাদ কলেজিয়েট স্কুলের শত বর্ষপুর্তি ও পূনর্মিলনী উৎসব ২০১০ অনুষ্ঠানে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে অনেকেই মিলিত হয়। সেই ১৯৫০ ব্যাচ থেকে ২০০৯ সবাই সেদিন স্কুলের ছাত্র হয়ে যায়। ১৯৫০ সালের পূর্বের ব্যাচের কেউ বেচে নেই। ১-২ জানুয়ারী ২ দিন চলে আনন্দ-উৎসব। ১ তারিখে ময়মনসিংহ শহরে র‌্যালী, বিভিন্ন ব্যাচের উপস্থিত ছাত্রদের গ্রুপ পরিচয় পর্ব হয় মঞ্চে। দুই দিন বর্তমান ছাত্র ছাত্রীরা মাতিয়ে তুলে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে।আজকাল স্কুলটি আগের মতো রেজাল্টের পারফরমেন্স ধরে রাখতে পারছেনা। নতুনরা পুরোনোদের পেয়ে উৎসাহ পায়- প্রত্যয়ী হয়। নতুনদের জন্য শুভ কামনা রইলো।

আমার ব্যাচের কারো কারো সাথে ২০-২২ বছর পর দেখা হয়। মনে পরে ...

  • ২৯টি মন্তব্য

জানুয়ারি
০৩

ব্লগের সফল আড্ডা ও পিকনিকের সম্ভাব্য একটি স্থান.......

সময় ১৭:২১:১১


ব্লগার বন্ধুরা এই ব্যস্ত সময়ে নি:স্বার্থ ভাবে একটি মহৎ আয়োজনে যারা কষ্ট করে আড্ডায় উপস্থিত হয়ে সফল করেছেন ২ তারিখের আড্ডা ধন্যবাদ তাদেরকে। আর যারা দেশের বহিরে বা বিভিন্ন কারণে উপস্থিত হতে পারেননি উঠে আসে বিভিন্ন সময় তাদের বিভিন্ন অভাব অভিযোগের কথা। মনে রাখতে হবে ব্লগের উদ্দোগে কারো স্বার্থ সংশ্লিষ্ঠ বিষয় জড়িত নেই বরং মানুষের কল্যাণে কিছু করার জন্যই এগিয়ে এসেছেন সবাই। আশাকরি সকলেই উৎসাহ যোগাবেন। প্রায় ৫০ জন ব্লগারের উপস্থিতিতে গঠন মূলক আলোচনা আর জমজমাট প্রান খোলা আড্ডায় জমে উঠে আসর। মডারেটর অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে শুনেন ব্লগারদের নানা অভিযোগ। আমরা আশা করতে পারি নতুন বছরে আরো সহজ, আধুনিক ও নতুন করে দেখতে পাবো আমাদের প্রিয় প্রথম আলো ব্লগকে। সফল আলোচনা হয় মেঘনা পাড়ের স্কুল আর শীত বস্ত্র বিতরন নিয়ে পাশাপাশি ব্লগের পিকনিক নিয়েও আলোচনা হয়। আমি এই পোষ্টে পিকনিকের একটি সম্ভাব্য স্থান নিয়ে কিছু ছবি দিতে চাই যা আলোচনায় এসেছে।

বাংলাদেশের উত্তরে গারো পাহাড়। বইতে ছোট কালে পড়েছি। অনেকেই দেখেননি প্রকৃতিক সম্পদ আর অপরুপ প্রকৃতিক সৌন্দর্যে সুসজ্জিত দেশের এই স্থানটি। ব্লগ ...

  • ৪৬টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
৩০

২০০৯ সালে আমার বড় অপরাধ...!

সময় ১৬:০৩:৩৮


৮ বছরের নূড়ি ২০ হালি গাছের পাকা কলা মাথায় নিয়ে বগাউড়া গ্রাম থেকে রানীখং এসেছে বিক্রি করতে । বাদুড় বানরে খেয়ে শেষ করে ফেলছিলো তাই মা তারাতারি কলাগুলো বিক্রির জন্য পাঠিয়েছে। কয়েক কদম দূরেই ভারত সীমান্ত ঘেষে বিজয়পুর বি ডি আর ক্যাম্প আর কাছেই পাহাড়ের উপরে শত বছরের পুরোনো সাধু যোষেফের ধর্মশালা। সে জন্যই কিছু মানুষের আনাগোনা। তা ছাড়া দিনে কয়েক বার কিছু সাহসী তরুণ দর্শনার্থীর দেখা পাওয়া যায় এই দূর্গম পাহাড়ী এলাকাটিতে। বাইসাইকেল আর হোন্ডা প্রধান বাহন অথবা পায়ে হাটা। মাথার উপর সূর্য নিয়ে নূড়ি রাস্তার পাশে বসেছিলো কলা বিক্রি করতে এখন সূর্য ডুবে- একটি কলাও বিক্রি হয়নি! মা বলেছিলো কলা বিক্রি করে মোড়ের দোকান থেকে কেরোসিন তেল কিনে নিতে!কিন্তু একটি কলাও যে বিক্রি হয়নি! নূড়ি কি বলবে মাকে !
ছবির গল্প শত ভাগ না মিললেও কাছাকাছি হবে। দু দিন আগে প্রয়োজনে গারো পাহাড় এলাকায় যাওয়া হয় । সাথে ক্যামেরা না থাকায় মোবাইলে তোলা কিছু ছবি থেকে এই ছবিটি দাগ কাটে আমার মনে। ছবিটা কম্পিউটারে লোড করার পর নিজেকে কিছুতেই ক্ষমা করতে পারছিনা। আমিওতো হতে পারতাম একজন ক্রেতা! নিজেকে অপরাধী মনে করছি। ২০০৯ সালের সব ...

  • ৫০টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
২৯

একটি বাঁশির আত্মকাহিনী ....!

সময় ১৪:৪৮:১৭


ফেব্রুয়ারী মাসের তৃতীয় সপ্তাহ ১৯৯৮ সাল। প্রিয় একজন মানুষের অকাল পরলোক গমনের ঘটনায় সময়টা বিশেষ ভাবে মনে আছে। মনটা প্রচন্ড বিপ্তি ছিলো। ঢাকা থেকে নেত্রকোনা যেয়ে ময়মনসিংহে ফেরার পথে হরতালে আটকে পরি। উপায় না দেখে লোকাল ট্রেনের টিকিট কেটে নেত্রকোনা কোর্ট ষ্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় আছি। হঠাৎ দূর থেকে ভেসে আসে মধুর বাঁশির সুর। ট্রেনটা যেদিক থেকে আসবে সূরটা ভেসে আসছিলো ঠিক সেদিক থেকে। আমি মুগ্ধ হয়ে ছুটছি সুরের খোজে। ৪-৫ মিনিট বাকী ট্রেন আসার সে দিকে খেয়াল নেই। নিশ্চিত ট্রেন মিস হবে জেনেও উল্টো পথে হেটে যখন খুজে পাই ততক্ষনে আমার পাশ দিয়ে ট্রেন চলে গেছে। একটা বিশাল গাছের ছায়ায় বসে সুর তুলছে এক পঞ্চাশোর্ধ লোক। মুখে অধিকাংশ পাকা খোঁচা খোঁচা দাড়ি। কাধে ঝুলানো একটি ব্যাগে অনেক গুলো বাঁশি। বুঝলাম লোকটা বাঁশি বিক্রি করে কিন্তু বিক্রির চাইতে বাজানোতেই যেনো গুরুত্বটা বেশী। নইলে বিক্রি বাদ দিয়ে নির্জনে বসে সুর তুলার কথা না। আমি পাশে বসলে সে খুব উৎসাহ পেলো এবং আমার অনুরোধে রবি ঠাকুরের -গ্রাম ছাড়া ঐ রাঙ্গা মাটির পথ.... সহ কঠিন অনেক গুলো গানের সুর অত্যন্ত নিখুত ভাবে বাজিয়ে আমাকে মুগ্ধ করে ...

  • ৩৮টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫