বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০১০, ১৪ শ্রাবণ, ১৪১৭ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem

অরুচিশীল নোংরা ছবির কারনে ফারুকী সাবধান তবে ফারুকী কে সাবধান না করে নিজেদের মানুসিকতা পরিবর্তন করলে কেমন হয় নাকি আমাদের সাবধান ও পরিবর্তন হওয়া দরকার ?



জীবন তো বহমান এক স্রোতধারা যেখানে কোন দিনেই কেউ থাকেনা থেমে , জীবন যায় জীবনের গতিময় ধারায়, বহমান স্রোতধারায় বয়ে চলার নামেই হয়ত জীবন তাই নয় কি ?

যাই হোক জীবনের সংগা দিতে আমি আসিনি , গত জানুয়ারি মাসে একটাই মনের মাঝে বারবার আঘাত দিয়ে যাচ্ছে মনে হয়ত জীবনের মানে খুজতেই এমনটি হয়, ব্যস্ততার কারনে সবকিছুই আজ কেমন জানি পানসে হয়ে যায় , ভুলে যাই আমি আমার জীবনের একটি মুহুর্ত হয়ত কোথাও নয় আবার কোনখানে জীবিকার সন্ধান,

কি সব বলছি যাক এইবার যা বলতে আসলাম তা শুনুন,,,,

ব্লগার সুমন আহমেদ এর অরূচিশীল নোংরা ছবির নাম উঠলেই ডিপজলের নাম চলে আসতো, আর এবার রূচিশীল নোংরা ছবির নাম উঠলে ফারুকীর নামটাও চলে আসতে পারে। সুতরাং ভাই ফারুকী সাবধান. . .


এবং ব্লগার আজব ঢাকা

অরূচিশীল নোংরা ছবির নাম উঠলেই ডিপজলের নাম চলে আসতো, আর এবার রূচিশীল নোংরা ছবির নাম উঠলে ফারুকীর নামটাও চলে আসতে পারে...কয়েকটা প্রশ্ন..



পোষ্ট দুইটা পড়েছিলাম , চোখের সামনে পরেছিল জন্যই হয়ত পড়া হয়েছিল , আরো কেউ লিখেছেন কিনা জানিনা , তবে আজব ঢাকা অথবা সুমন আহমেদ কারো কোন কথাই আজ আমি বলব না আমি যা বলব তা একান্তই আমার কথা , আগে দেখব বুঝব তারপর কথা বলব

আমাদের স্বভাব নাকি বাংগালীর স্বভাব জানিনা অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী আমিও কোন অংশে কম না, যাউক গা তথাকথিত থার্ড পারসন সিংগুলার নাম্বার নামক বাংলা ছবিখানা দেখিলাম তারপর আমার ভাষা আমি যাহা বুঝিলাম

সিনেমার মুলথিম বলতে কে কি বুঝেছেন আমি জানিনা, তবে আমি যা বুঝেছি.....

আমাদের দেশের সরকার মহিলা, সরাস্ট্র মন্ত্রীর তালিকায় ও একজন মহিলা মানুষ আছে তাই নয় কি , তবুও আমাদের দেশের নারী সমাজ কতটা সয়ংসম্পুর্ন জানিনা, হয়ত আজো নেই তবে কাল হবে। ইভটিজিং এর কারনে প্রান দিয়ে প্রমান করছে আমি ভাল আর আমি ঐসব ছেলেদের ঘৃনা করি, তাই নয় কি ?

সিনেমার শুরুতে খেয়াল করলাম তিষা কে , দেয়ালের কোনে আবার কখনো একটু আড়াল করেই নিজেকে রাখার প্রচেষ্ঠা করেছিলো তবুও পুরুষ নামের হায়েনা ( মাফ করবেন আমি সব পুরুষ কে বলছি না ) এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছিল না, অবশেষে যখন শেষ ভরসা হিসেবে থানাকে বেছে নিল তখন তার বিবেক তাকে আবারো থামিয়ে দিল যে থানা কি তার জন্য নিরাপদ নাকি রক্ষক যখন হয়ে যায় ভক্ষক সেই সমস্যা আবারো

ছুটতে ছুটতে যখন এসে দাড়াল অভারব্রীজে তখন কেউ তো তাকে বলল না যে এত রাতে একটা মেয়ে এখানে কি করে হয়ত বলেছিল তবে সেটার দৃষ্ঠি টাও ছিল আলাদা, বড়লোক নামের একদল যারা পতিতার সাথে সারাজীবন থাকতে চায় যদিও তাদের ঘরে বউ থাকে আবার সংসার ও থাকে, নরপশুরা সবাই কে তাদের দৃষ্ঠিতে একই দেখে হয়ত রাতের বেলা কোন মানুষ বাহিরে থাকতে পারে না , এটা কি খুব বেশি অপরাধ ?

মাঝে মাঝে গভীর রাতে এমন কি মাঝে মাঝে কোন রাতে আমি আমার বাসায় থাকি না, নিজেকে হিমু মনে করে বাহিরে থাকি , কিন্তু মানুষের বিপদ আসতেই পারে যার কারনে হয়ত কোন এক রাতে বাসায় ফেরা হল না,,,,,,

এবার আসি লিভ টুগেদার নিয়ে কিছু কথায়, তার আগে বলুন তো ভালবাসা অথবা বিয়ের সংগা কি ?

প্রেমিকার হাত ধরে পার্কে বসে বাদাম খাওয়া এবং ২-১মাস পার্কে বাদাম খেয়ে লিটনের ফ্লাটে রুম ডেটিং করার নাম ভালবাসা ?

এবার আসি বিয়ে নিয়ে, ধুম ধাম করে সানাই বাজিয়ে বিয়ে করা আর লাল বেনারশি শাড়ি পড়ে শশুর বাড়িতে বিশাল গাড়ি বহর নিয়ে আসার নাম বিয়ে নাকি অন্য কিছু, একই ছাদের নিচে যুগ যুগ ধরে বসবাস করে আসছে একই বেডে ঘুমাচ্ছে তারপরো তাদের মানসিক মিল টা কয়েকযুগ পরো হল না এর নাম কি বিয়ে নাকি যেখানে মানিসক ভাবে অর্থ্যাৎ মন যেখানে সায় দিবে তার সাথে যারাটি জীবন কাটানোর নাম বিয়ে ?

আমি নাস্তিক না আবার আমার মাথা খুব বড় না আর আমি বুদ্ধিজীবিও না আমার মতে ভালবাসা আর বিয়ে কখনো ঘটা করে হয় না
এটা মনের বেপার আর আসে যেমন মন থেকে তেমনি বেড়ে উঠে মনের মাঝে, কাজেই এখানে লিভ টুগেদার বলতে আপনি কি বুঝান আর ঐ সিনেমায় লিভ টুগেদার নিয়ে কি হল বুঝি না,

অবশেষে যখন রক্ষকের হাত থেকে আসল তার বোনের বাড়িতে তখন সেখানেও তার একটি ভুলের কারনে মানে তিষা ঘটা করে বিয়ে না করেও শশুরবাড়িতে থাকল কেন সেই কারনেও তার বোনের শাশুরি তাকে থাকতে দিল না, আর তার পর জীবন সংগ্রামে যখন নেমে পড়ল তখন তো কোন উত্তর খুজে পাই না আমি,

ফেসবুকে একটা গ্রুপ পেয়েছিলাম "বাড়ী ভারার ক্ষেত্রে ব্যচেলর দের মানুষ ভাবুন" আচ্ছা একটা মানুষ কি একা থাকতে পারেনা , কোন বিপদে পরেও না ?
যদি কখন আমি এভাবে বাড়ি খুজি তাহলে হয়ত আমিও বাড়ি খুজে পাবা না, কারন আমি ব্যচেলর থাকি একা ........ হা হা হা হা হা

তাহলে কি আমি মানুষ না ?

একজন বৃদ্ধ মানুষ যার সুখের একটা সংসার আছে সেও একজন যুবতি নারীকে একা পেয়ে সার্থ হাসিল করতে দিধা করে না, কিন্তু হায়েনা যেমন আছে তেমনি সেখান থেকে বাচার উপায় ও কিন্তু আছে তাই নয় কি ?
কিন্তু এভাবে আর কতদিন ? বাচার জন্য আরেকজন কে স্বামী বানাল সেটা কি খুব বেশি অপরাধ ? তারপর ও একটা থাকার জন্য মাথা গুজার জন্য আবাস পাওয়া বলেই কথা,

মন হয়ত মানে না তবে বিবেক টা কি আল্লাহ আমাদের খেলতে দিয়েছেন ? আমার মনে হয় না , আমাদের বিবেক আছে জন্য হয়ত আমরা মানুষ না হলে আমাদের তুলনা হয়ত সেইসব জংগলের পশুদের সাথেই হত তাই নয় কি ?

মন চাইলেও বিবেক থামিয়ে দিল সবসময়, একটা মানুষের সাথে চলা ফেরা আর সারাক্ষন পাশে থাকা একদিন না হোক একদিন তার প্রতি দুর্বলতা আসবেই মনে ভুল বললাম কি ? তবুও আমাদের বিবেকের কাছে পরাজিত হয়ে আমাদের জীবন চলতে হয় ,

চাকুরী দেবার নাম করে কি না কি করছে আমাদের বিত্তবানেরা ? আর এগুলো কি শুধু সিনেমার মাঝেই আছে নাকি বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরেঘরে ঢুকেছে ?

কৃষ্ন করলে লীলা খেলা আমি করলে ঢং
পুরুষ রা করলে সবি রাইট হয় নারী করলেই রং

কি বুঝলেন এই ছন্দ থেকে ?


যাউক গা , সিনেমার মাঝে গানের কথা গুলো অশ্নীল নাকি আমাদের মন অশ্নীল ?



ডিপজলের সিনেমা আর ফারূকীর সিনেমা এর মাঝে একটা উদাহারন দেই ,,,,,,,,,, সিনেমা হলে যখন বসে ছিলাম তখন ঘন্টাখানেক পরে একজন দর্শক বলে উঠল এটা কোন সিনেমা হল ? কাটপিচ নামের পর্ন ভিডিও ঢুকানোর নাম সিনেমা নাকি কিছু বাস্তব চিত্র তুলে ধরার নাম সিনেমা ? হয়ত কোনটাই না, তবে ফারুকী কোন কারনে অশ্নীলতার জন্য সাবধান থাকবে ?

আমার মতে থার্ড পারসন সিংগুলার নাম্বার বাংলাদেশের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার একটা বহিঃপ্রকাশ কোন অস্নীলতার কারন নয়, আপনাদের মতামত কি ?



________________________________________________________________________________________
আমার কিছু কথা বলি, অনেকদিন পরে লগিন করলাম কিছু লিখতে, তবে আমার লেখা যদি আপনাদের কাছে শুশীল মনে হয়ে না থাকে তাহলে আমাকে বলুন আমি আমার পোষ্ট টা ডিলেট করে দিব, কারো মনে কোন কষ্ট দেবার জন্য আমি লিখিনি তবুও আমার ভুলে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে মাফ করবেন, আবারো হয়ত দেখা হবে,,,, সেই কামনায়
--------------------------------------------------------------------
৬৪ টি মন্তব্য
fuad05 দেবদাস৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:০৭
দেখিনাই এখনও। যে হারে সমালোচনা আর পালটা সমালোচনা হইতাছে শেষে আমি এই ছবি দেইখা কোন ফ্যাসাদে পড়ে যাই কিনা চিন্তায় আছি।
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৫
ভাইয়া আপনার না দেখাই ভাল। কারন আপনি শরত বাবুর সৃষ্টি , হা হা হা হা

কেমন আছেন
jakir জাকির বেপারী৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৭:২৫
দেবুদার সাথে একমত
bbq_hearts ফারুক৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:০৮
ভাই আফনের মতের বিরোধে গেলে , ব্লক কইরা দিবেন না তো ?
আগে উত্তর টা জানা দরকার , দেন অন্য কথা ----
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৫
ডোন্ট ওরি আমি কাউকে ব্লক করিনি আমার জীবনে আপনাকেও করব না,
bbq_hearts ফারুক৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৩৪
শুনেনে আফনের বিপক্ষে যাওয়া আমার ইচ্ছা নাই , অনেক দিন আগে এক বড় ভাইয়ের মতামতের বিপক্ষে গিয়ে নিচু মনমানসিকতার অপবাদ পেতে হইছিল , আমি বলেছিলাম এই ছবি যদি আপনার ভাল নাই লাগে তহলে প্রচার করে কেন পোস্ট দিচ্ছেন ? কারন, যে কোন নেগেটিভ প্রচারও একটা পারচারণা ।

বুঝেন ঊনার যুক্তি খন্ডনের ঠেলা -----
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৪০
মতের মিল যে হবে তা নয়, তবে ভাল লাগা আর না লাগা কিন্তু এক নয়, আর সবার মন মানসিকতা এক নয়, আমি আপনার কথা গুলো জানতে চাইতেছি, ভয় পাবার কিছু নাই আপনার সাথে ঝগরা করব না
bbq_hearts ফারুক৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৪৪
আরে না উনি এই ছবিটাকে অশ্লীল বলেছিলেন , আমি মানতে পারি নাই ---। এই আর কি । ইটস অকে , নো ওয়ারিস ----
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৪৮
আচ্ছা আমি যদি বলি এটা কে অশ্নীল বলার কারন তাদের মানিসকতার পরিবর্তন দরকার তাহলে কেমন হবে ?
riyadh রিয়াদ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৫৩
I appreciate it, Sir ! এরাই প্রগতিশীল। এ সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের মাত্রা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে চিন্তা করলেই হয়।

কারন, যে কোন নেগেটিভ প্রচারও একটা প্রচারণা ।

বুঝেন ঊনার যুক্তি খন্ডনের ঠেলা ----- এটাই যুক্তি।
bbq_hearts ফারুক৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:০৬
@রিয়াদ , "কারন, যে কোন নেগেটিভ প্রচারও একটা প্রচারণা "। কথাটা আমি বড় ভাইকে বলেছিলাম , কারন তিনি নেগেটীভ প্রচার করতে ছিলেন ?

আফনের অবস্হান্টা ক্লিয়ার করেন , আম কনফিউজ
riyadh রিয়াদ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:৫০
@ ফারুক ভাই, সরি দেরী হওয়ার জন্য। মানে পাগলকে পাগলামী শিখানোর মতো। মন্দ জিনিস যত কম বলে পাড়া যায়। স্বাভাবিকভাবে মন্দের শক্তি বেশী দেখা যায়।
zhsoykot জেড এইচ সৈকত৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:১০
আমি সিনেমা দেখিনাই এমন কি আপানর পোস্ট ো পড়িনাই।
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৬
আমি তো পোষ্ট দিলাম এই মাত্র
noman নিষাদ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:১০
আপনার সবগুলো কথার সাথে সহমত।
এই ছবিটা নিয়ে আমার একটু কথা ছিল। 'মুড অফ' বলে লিখিনি কখনো।


থার্ড পারসর সিঙ্গুলার নাম্বার ছবিটাতে একটা বিশাল মেসেজ আছে।
সিনেমাকে বলা হয় সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। তাই যতি হয়....এই সিনেমাটা সফল। অন্তত আমার চোখে। এই সিনেমাটি দেখে আমি একটা পরিবারের মা এবং মেয়ের কটু সম্পর্কের ইতি ঘটতে দেখেছি, আমার নিজের চোখে দেখা।

আপনারা যারা ছবিটা দেখেছেন, একটু পেছনে তাকালেই মনে পড়বে।
মেয়ের জন্য ‍(তিশার জন্য) অন্তপ্রাণ মায়ের আকুতি আর মায়ের প্রতি তিশার অযেৌক্তিক ক্ষোভ আর মায়ের মৃত্যুর পর তিশার অনুভূতি.... 'মা তোমাকে আমি কুব ভুল বুছেছিলাম, মেয়েরা এ সমাজে যে কত অসহায়, সেটা এখন আমি বুঝি, আগে কেন বুঝি নাই ?"

দু:খ যে ভাল জিনিষ না খুঁজে আমরা অশ্লীলটাকেই খঁুজে বেড়াই"
bbq_hearts ফারুক৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:১৪
নিষাদ ভাই কেমন আছেন ? আফনের কথা গুলি ভাল লাগল । এই পোস্ট স্টিকি করা হউক ---
noman নিষাদ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:১৬
এইটা ষ্টিকি করার মতো কোন পোস্ট বলে আমার মনে হয় না।
ধন্যবাদ ফারুক ভাই
bbq_hearts ফারুক৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৩
ঠিকাছে
noman নিষাদ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৬
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৭
সহমত নিষাদ ভাই,

এটা স্টিকি করার মত কিছুই না @ ফারুক ভাই , আমিও বলছি
sajalchakraborty হাজারি৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:১৩
এখনো দেখি নাই......।
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৮
আমি দেখলাম জানুয়ারির শেষে , আপনি হয়ত ফেব্রুয়ারিতে দেখবেন
darksaint ডার্ক সাইন্ত৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:১৬
শুধু শুধু ফারুকী কে দোষ দিয়া ঠিক ন্য । এদেশে অনেক কিছহু ই হয় আমাদের চোখের সামনে ।

এই সিনেমার কাহিনী অনেক সুন্দর । আমি যতটুকু শুনেছি
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৯
ফারুকী কে সাবধান করার আগে নিজেদের মানুষিকতার পরিবর্তন করা উচিৎ
smc এস মাহবুব৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৫
এখনো ছবিটা দেখা হয় নি।
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৩০
হয়ে যাবে একদিন, ডোন্ট ওরি
hafij হাফিজ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৭
‍িশরোনাম টা ভাল লাগছে , সাথে পোস্ট ও
ব্লগার সুমন এর আরেকটা পোস্ট ‍িছল সেটার ‍িলঙ্ক ‍িদলে আরো ভাল হত
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৯
আমি যেটা দেখেছি সেটাই বলেছি ভাইয়া, ওটা আমার চোখে পরেনি হয়ত
noman নিষাদ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৭
অফটপিক :
বীর বাহাদুর বলবল সিং
রিমন
খেলুড়ে বালক

কম কম দেখছি।
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৩০
আমি নিজেই তো আসি না ,
noman নিষাদ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৩১
হুমমম
sokal_ratri সকাল৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৩২
দেখার ইচ্ছে থাকলেই এ গ্রাম্য হলে এ সিনেমা আসবেনা।
অতএব..............????????
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৩৬
গ্রাম্য হলে সিনেমা আসবেনা মানে বাংলাদেশের ৬৫% মানুষের কাছে এটা সিনেমা নয় , এটাই আমারো ধারনা
mahafuzkanak মাহাফুজুর রহমান৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৩৪
ছবিটা মোটামুটি একটা আলোড়ন সৃষ্টি করতে পেরেছে।পত্রিকা ব্লগে অনেক লেখালেখি হয়েছে।শীতের আড্ডায় ফাঁক গলে ঢুকে পড়েছে থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার।এই ক্ষেত্রে আমি বলব ছবিটি সফল।পরিচালক হিসেবে ফারুকিও সফল।যারা অভিনয় করেছেন তারা অনেকদিন থেকেই ফারুকির সাথে কাজ করেন তাই ফারুকি তাদের মধ্যে থেকে সেরাটা বের করে আনতে পেরেছেন।তাহলে এক কথায় বলা যায় ছবিটি সুনির্মিত এবং ব্যাবসায়িক ভাবে শতভাগ সফল।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এর কাহিনী।

চারদিকে যে বিতর্কটা হচ্ছে তা হলো এর গল্প।সোজাসুজি বললে লিভ টুগেদার।বিষয় হিসেবে শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে নয় আমাদের সমাজ সংস্কৃতিরও পরিপন্থি।আমাদের সামাজিক সাংস্কৃতিক বন্ধনটাই আমাদের মুল শক্তি।আমরা এখনো জীবনের বিশাল একটা সময়জুড়ে একান্নবর্তী পরিবারে বাস করি।লিভ টুগেদার এক্ষেত্রে আমাদের জন্য হবে আত্মগাতি।পুরো ইউরোপ এবং আমেরিকায় যেখানে পারিবারিক জীবনের জন্য হাহাকার সেখানে ফারুকি কি ম্যাসেজ দিচ্ছেন?অনেকেই প্রশ্ন তুলবেন এতে আশংকার কিছু নেই।আশংকা হয় এজন্য যে কিছু লোক ফারুকিকে সমর্থন করছে।যুক্তি দিচ্ছে ভিন্নমতের স্বাধীনতার।অর্ধ্যেকের বেশী মানুষ অশিক্ষিত রেখে তাদেরকে ভিন্নমত গিলানোর চেষ্টা হবে আরো ভয়াবহ এই সহজ সত্যটা তারা বুঝেনা।আর নেতিবাচক এবং অবক্ষয়ী একটা মত কি করে ভিন্নমতের তকমা পায় এটা বোধগম্য হচ্ছেনা।

একবার শোনা গিয়েছিল সেন্সরবোর্ড ছবিটি রিকল করবে পরে এমন কিছু হয়েছে কিনা শুনিনি।আমার এক বন্ধু ফান করে বলেছে সেন্সরবোর্ডের সদস্যরা ফারুকির আমদানি করা মত অনুশীলনে ব্যাস্ত তাই হয়তো রিকলের কথা ভূলে গেছে।আমার কথা হচ্ছে তাহলে কি তারা না দেখেই ছবিটি ছেড়ে দিয়েছে?নাকি ছবিটি দেখার সময় তাদের প্রায়গত কামের নতুন প্রান জাগার সম্ভাবনার কৃতঞ্গতায় ছেড়ে দিয়েছেন?

নেতিবাচক দিকগুলোয় আমাদের বেশি টানে।আর কিছু ব্যাক্তি সেই টানে বল যোগানোর দায়িত্ব নিয়েছেন।ফারুকি তাদের একজন।

সাপ্তাহিক ২০০০ এ একটা লেখা পড়েছিলাম কিছুদিন আগে।অনেকেই হয়ত পড়েছেন প্রাসঙ্গিক বিদায় লিখে দিলাম:
"সরকারি কর্মকর্তার ছেলে শাওন।নামকরা স্কুলের অষ্টম শ্রেনীর/নবম ছাত্র।তাকে একটা মোবাইল ফোন কিনে দেয়া হলো।এক দিন সে মোবাইল ছাড়া স্কুল থেকে ফিরল।মায়ের জিঙ্ঘাসার জবাবে বলল তার দুই সহপাঠি সেটা কেড়ে নিয়ে গেছে।অনেক কিছুর পর মোবাইল ফেরত পাওয়া গেল।শাওনের মা ছেলেকে আর মোবাইল দেননি।কয়েকদিন পর ঐ ছেলে দুইটা এবং একই বয়সের একটা মেয়েকে সাথে নিয়ে শাওনদের বাসায় আসে এবং শাওনের মাকে অনুরোধ করে কিছু সময়ের জন্য মোবাইলটা দেয়ার জন্য।তাদের কিছু ডকুমেন্টস আছে সেটা নিয়ে আবার ফেরত দিবে।শাওনের মা মোবাইল দেননি।পরে তিনি কৌতুহল বশত মোবাইলটা ওপেন করলেন।যা দেখলেন তাতে তার মাথা ঘুরতে শুরু করল।তিনি দেখলেন মোবাইল ফেরত নিতে সথে যে মেয়টি এসেছিলো সে এবং অন্য একটি মেয়ে নিজেদের মধ্যে বিকৃত যৌনতায় লিপ্ত।ভদ্র মহিলা রীতিমত আতংকিত হয়ে উঠলেন ।"এটা শুধু সত্য ঘটনাই নয় ধার করা সংস্কৃতি আর নেতিবাচক মত যে কতটা ভয়াবহ ভাবে আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে তারও প্রমান।
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৪২
বাংলাদেশের সেন্সর বোর্ড এই ছবি নিয়ে মাথা না ঘামাইয়া আমার শিরোনামে বলা কথাটা নিয়ে একটু ঘাটলে বেশি ভাল করবে বলে মনে হয়
riyadh রিয়াদ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৫১
I appreciate it, Sir ! এরাই প্রগতিশীল। এ সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের মাত্রা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে চিন্তা করলেই হয়।
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৪৪
আপসুস আমার পোষ্ট খানা ১ম পেজ একসেস পাইল না, কিন্তু এরকম একটা পোষ্ট নির্বাচিত তে অনেকদিন ছিল
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৪৬
যাউক এখন পাইছে
ethar ইথার৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:১৮
eliaj ইলিয়াজ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:১৫
আমার মতে থার্ড পারসন সিংগুলার নাম্বার বাংলাদেশের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার একটা বহিঃপ্রকাশ কোন অস্নীলতার কারন নয়, আপনাদের মতামত কি ?

ভয়াবহ
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:২৫
হুমম, আসলেই ভয়াবহ
charumannan চারুমান্নান৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:২৩
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:২৯
আংকেল কেমন আছেন ?
saadmahdee সাদ মাহদী৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:২৫
"মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে" ----- কথাটা বলার সাথে সাথে এটাও বলা উচিৎ কোন মানসিকতা ধারণ করতে হবে।


মানসিকতা বানানটা ঠিক করেন।
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৩০
লিখার সময় তো লিখলাম মানসিকতা এখন পরে যে এমন হইছে টের পাই নাই
asmarshad আ,শ,ম,এরশাদ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৬:০৭
বিনোদন শিল্পের সব কিছুকে সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয় বন্দী করা যায় না---
হ্যাঁ তাই বলে তাহারা বেপরোয়া হবেন তাও নয় --- কারন বিনোদন শিল্প একটা জাতির প্রজন্মের মানস তৈরীতে উল্লেখ যোগ্য ভুমিকা রাখে---

সিনেমার প্রয়োজনে খুনের দৃশ্য দেখানো হচ্ছে তার অর্থ এই নয় যে মানুষকে খুনী হতে শিখানো।


এখন এই বিষয় গুলো নিয়ে সমাজ বিজ্ঞানীরা কিছু ভাবছে কিনা তাহা বোধগম্য নয়---
তবে দেশের নীতি মালা যদি এই হয় যে মুক্ত বাজার অর্থনীতির যুগে বেচে নাও, তুমি কি খাবে --- তুমি চাইলে ভাল ও হইতে পার--- চাইলে স্বাধীন ভাবে চলতে পার---
ভিড়িওর দোকানে ৫০ টাকা দিলে কাট পিস কেন কাট পিসের আব্বা ও পাওয়া যায় সে দেশে লিভ টুগেদার দেখিয়ে মহাভারত অশুদ্ধ করেনি।

এখন ফারুকী সাহেব এমন সময় এসেছেন ,এমন ভাবে এসেছেন যখন এই শিল্পের
স্থবির অবস্থা বিরাজমান ছিল এবং বিনোদন শিল্পটা টাইপড হয়ে এসেছিল--গৎবাঁধা মুখস্ত ডায়লগ আউড়ানো সুশীল সুশীল একটা ইমেজ নিয়ে। যেটাকে গতির যুগে স্লোই মনে হত।
সেখানে
ফারুকী যখন আনিসুল হকের হাত ধরে নানা বৈচিত্রে এই স্থবির মঞ্চে আসলেন তখন প্রজন্মের হাহাকার গুলো তুমুল করতালি দিয়ে তাকে বরন করে।

এখন এই বেলায় তার সৃষ্টি কৌশল কতটা ইফেক্টিভ তাহা অল্প কথায় বিচার্য্য বিষয় নয়। এখন বিচার্য্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যাপক দর্শক শ্রেনী এটা গ্রহন করছে কিনা বা করে ফেলেছে কিনা।

এই স্বল্প পরিসের এই ব্যাপারে ব্যাপক আলোচনা বা ব্যখ্যার পুর্নাঙ্গতা দেয়া সম্ভব হয়ে উঠতেছেনা । তবে
আমার কাছে মুল্যবোধ জিনিসটা স্থায়ী কোন জিনিস নয় বলিয়া মনে হয়।

আর পৃথিবীর সময় এমন দ্রুত বদলাচ্ছে যে কোনটা সঠিক সেটা বলা খুব কঠিন হয়ে উঠছে।
আজকে সঠিক বলে কালকে ঘুম থেকে উঠেই দেখবেন বদলে গেছে তার রূপ।

যৌন চাহিদা কিছু সময়ের জন্য মানুষকে পশু বানায়---সময় সুযোগ পেলে এটা উস্কে উঠে সে ভাল মানুষ হোক আর খারাপ মানুষ হোক --তখন ধর্ম, পুন্য, হায়েনা এই গুলোর কিছুই বোধ করার ব্যাপার থাকে না।নিজেদেরকে বিচার করে দেখলেও পাওয়া যাবে। আর আমাদের দেশে মারাত্বক যৌন অবদমন এই হায়েনা তৈরীতে ভুমিকা রাখছে। আপনি একটা কথা বলেছেন যে বিত্তবানরা চাকরীর নাম করে নারীদেরকে ---- সেটা বিত্তবানদের মধ্যে বলে কথা নেই বিত্ত হিন ও সেটাই করে।
আর নৈতোকতা নামক কুইনাইন এসব ক্ষেত্রে কেমন কাজ দেবে আমার জানা নেই।

যদি কাজই দিয়ে থাকত তাহলে নৈতিকতা জিনিসটা মানুষ গ্রহন করছে না কেন এবং নৈতিকতার অনুশীলনের আউটপুট ই তো আজকের অবস্থা। বলবেন প্রাচ্যত্য সংস্কৃতি, নৈতিকতার অধপতন। আরে এই শব্দ গুলো কলামিষ্ট এর শব্দ । নিজের জীবেনর পরিবর্তন গুলোর দিকে খেয়াল করে দেখলে দেখবেন কোথাকার কোন পাশ্চাত্য---আমি নিজেই শৃংখল মুক্ত হতে চেয়েছি বহু কাল আগে । মানুষকে বিধাতা জন্ম গত ভাবে ব্যাপক স্বাধীন একটা মন নিয়ে সৃস্টি করেছেন। আর সেই মনই যেখানে শৃংখলমুক্ত দেখেছে সেখানে গেছে। শৃংখল আলগা করতে চেয়েছে সব সময়।
একটা সিনেমাকে নিয়ে এত ভয় পেলেতো বলতেই হয় ফারুকী আমাদের ভেতরে জটিল ভাবে প্রবেশ করেছে। জীবনের দরজা দিয়ে কেবল কামিনী ফুলের সুভাস আসবে এমন কোন কথা নেই গাঁদা ফুলের ধুতরা ফুলের ও আসতে পারে।

ধন্যবাদ আপনাকে।অনেকদিন পর সুর্য উঠেছে তাও গোধুলি লগ্নে।


আর যারা সিনেমাটা দেখেন নাই তারা এখান থেকে দেখতে পারেন--
http://www.golpo.net/forum/f22/t-hird-p-erson-s-ingular-umber-16569/
asmarshad আ,শ,ম,এরশাদ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৬:৪০
রেপিড় শেয়ার ডাউনলোড়
http://www.aplomac.com/2009/02/3rd-person-singular-number-movie-by.html
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৩৪
কেমন আছেন ভাইয়া, গোধুলীর সূর্য তো গোধুলিবেলায় থাকে , হা হা হা হা

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য, কয়েকদিন থেকে দেখছি এসব নিয়ে অনেক মাতামাতি, তাই আমিও একটু যোগ দিলাম আর কি
kabirony কবিরনি৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৬:১৭
অনেকদিন পর আপনার পোষ্ট দেইখা ভাল লাগতেছে। সিনেমা এখনো দেখি না্‌ই। ৬ টা পোষ্ট এ মন্তব্য করা শেষ এবার দেখমু।
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৩৫
হা হা হা আরো পোষ্টে মন্তব্য করুন তারপর না হয় দেখুন
asmarshad আ,শ,ম,এরশাদ৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৬:২৪
প্রথাগত বিয়েকে অস্বীকার করে এগোনো মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সিনেমা থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার আজ থেকে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে। গতকাল বসুন্ধরার স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির প্রিমিয়ার শো হয়েছে। বাংলাদেশে প্রিমিয়ার হওয়ার আগে এটি ‘পুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ ও ‘মিডল ইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফ্যাস্টিভাল’ দেখানো হয়।
মিডল ইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফ্যাস্টিভালে উৎসবটিতে এটি দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র সিনেমা হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করে। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম থেকে ছবিটি বানান ফারুকী। চলচ্চিত্রটির কাহিনী লিখেছেন আনিসুল হক ও ফারুকী। তবে তারা কাহিনীর অনুপ্রেরণা পেয়েছেন সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের একটি উপন্যাস থেকে, জানিয়েছেন ফারুকী।
মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিশা। সিনেমায় যার নাম রুবা হক। শহুরে উঠতি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। আধুনিক ও মুক্তমনা। অন্য প্রধান চরিত্র মোশারফ করিম, সিনেমায় যার নাম মুন্না, সে এনজিওকর্মী। রুবা ও মুন্না একে অপরকে ভালোবাসে। একটা সময় মুন্না খুন করে জেলে যায়। তার শাস্তি হয়। রাস্তায় এসে দাঁড়ায় তিশা। সমাজের চলমান কিছু নিয়মকে প্রশ্ন করে।
রাতে একজন তরুণী রাস্তায় দাঁড়াতে পারবে না কেন? সে প্রশ্ন করতে গিয়ে রাতের ঢাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়ানো কিংবা গলিপথ ধরে চলা মেয়েদের প্রতি ইভ টিজার ও বদ খাসিলতের মানুষের লোলুপ চেহারটা ধরা পড়ে। এখানে আধুনিক ও মুক্তমনা এক মেয়ে নিজেকে আবিষ্কার করে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের এক তরুণী হিসেবে।
ঠিক তেমনি আবার মুন্নার সাথে লিভ টুগেদার এবং প্রথাগত বিয়ের প্রতি অনীহা দিয়ে শহুরে সীমিতসংখ্যক মানুষের প্রতিনিধিত্ব করা গল্প হয়ে ওঠে থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার।
ফারুকী তার সিনেমাটিতে সমাজের চলমান অনেক ঘটনার কথা বলেছেন। বাসাভাড়া নিয়ে একলা একজন মেয়ে কিংবা ছেলের বিড়ম্বনার গল্প আছে। আছে নারীকে ঘিরে ছেলে-বুড়োর সব বয়সীদের কৌতূহলের কথা । আছে মোবাইল ফোনের বিড়ম্বনার গল্প।
কাছে আসা ও দূরে থাকার গল্প নিয়ে গান আছে। যেটি সিনেমার আগে হিট করেছে। সে গল্পে গায়ক তপুকে দেখা যায়। মোশারফ করিম জেলে থাকার সময় তপুর সাথে তিশার ছোটবেলার প্রেমের কথা মনে পড়ে দু’জনের। কক্সবাজার বেড়ানো এবং ঋণ শোধের গল্প দশর্ককে হালকা মজা দেবে।
যতই আধুনিকতার গল্প বলতে চাওয়া হোক না কেন, সমাজের যে একটা কঠিন বাঁধন কিছু গৎবাধা বিষয় আছে সেগুলো চাইলেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, সে কথাও ফারুকী বলেছেন। এটাকে আসলে আধুনিকতা ও গৎবাধা জীবনের একটা ফিউশন সিনেমা বলা যেতে পারে।
তিশার ভেতর তিনটি চরিত্র। প্রথমটি ছয় বছরে তিশা, দ্বিতীয়টি ১৩ বছরের এবং শেষটি তিশা যখন যুবতী এবং লিভ টুগেদারে অভ্যস্ত। কিন্তু সমস্যা ও সঙ্কট উতরে যাওয়ার ক্ষেত্রে তার ভেতরে মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। এ জন্য তাকে মনোবিজ্ঞানীর কাছে যেতে হয়। বদলে যাওয়া এবং বদালানোর দ্বৈত চেষ্টার ভেতর দিয়েও চলমান সময়ের একটা গল্প এতে উঠে এসেছে। সিনেমাটিতে ধূমপানের টানা অনেক দৃশ্য দেখানো হয়েছে।
শনিবার সিনেমাটি মুক্তি পাবে ফ্রান্সের ‘অ্যাসপেস’ এ। অস্ট্রেলিয়ায় মুক্তি পাবে ১৯ ডিসেম্বর।
গতকাল প্রিমিয়ার শোতে বক্তব্য রাখেন, ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, অভিনেত্রী তিশা এবং খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা ও পরিচালক তারেক মাসুদ প্রমুখ। এটি ফারুকীর তৃতীয় সিনেমা। এর আগে তিনি ব্যাচেলর ও মেড ইন বাংলাদেশ বানিয়েছিলেন।
http://www.sonarbangladesh.com/newsdetails.php?ID=991
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৪১
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য ভাইয়া
alrahim আলরাহিম৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৬:৩৩
দেখতে হইবো
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৪৩
উপরে লিংক দিয়েছেন এরশাদ ভাই , দেখতে পারেন
murubbe মুরুব্বী৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৭:৩১
ফোর্থ পার্সন সিংগুলার নাম্বার হলে
মন্দ হতোনা।

থার্ড নিয়ে জটিল সব কাহিনি।
আমরা কি আর একটু সহনশীল হতে পারিনা।
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৪৪
এটাই তো আমার কথা
opo_debota অপদেবতা৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৭:৩৪
আরে দূর আলোচনা সমালোচনা বাদ দেন ,
কেমন আছেন এই টা বলেন ?
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৪৬
ভালাছি , আপনি কেমন আছেন
lubna09 লুবনা৩০ জানুয়ারি ২০১০, ০৮:১৯
সূর্য আমি ছবিটা দেখেছি, ছবি নিয়ে কিছু বলতে চাইনা একেকজন একে ভাবে একে বিশ্লেষণ রবেন এটাই স্বাভাবিক আমি শুধু আপনার এই কয়টা লাইনের উপরে কিছু বলতে চাই"এবার আসি বিয়ে নিয়ে, ধুম ধাম করে সানাই বাজিয়ে বিয়ে করা আর লাল বেনারশি শাড়ি পড়ে শশুর বাড়িতে বিশাল গাড়ি বহর নিয়ে আসার নাম বিয়ে নাকি অন্য কিছু, একই ছাদের নিচে যুগ যুগ ধরে বসবাস করে আসছে একই বেডে ঘুমাচ্ছে তারপরো তাদের মানসিক মিল টা কয়েকযুগ পরো হল না এর নাম কি বিয়ে নাকি যেখানে মানিসক ভাবে অর্থ্যাৎ মন যেখানে সায় দিবে তার সাথে যারাটি জীবন কাটানোর নাম বিয়ে ?"

বিয়ে একটা সামাজিক আর ধর্মীয় বন্ধন, শুধু মুসলমান ধর্মেই নয় প্রতিটি ধর্মে বিয়েকে অনেক গুরুত্ব দেয়া হযেছে, বাংলাদেশের কথা বাদ ই দিলাম উন্নত দেশ গুলোতে লিভটুগেদার যেমন চলে তেমনি কিন্তু বিয়ের রেওয়াজটাই আছে, আর বিয়েটা দুটো পরিবার দুটো মন দুটো সত্বাকে এক করার জন্যই করা হয়, সেখানে ভালোবাসা যেতন থাকে তেমনি তিক্ততাও থাকে, কিন্তু সেই তিক্ততা কিন্তু অনেক সময় ঠিক হয়ে যায় আবার অনেক সময় ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায়। ধর্মীয় মতে বিয়ের রেওয়াজ এই জন্য দেয়া হয়েছে মানুষ যেনো অসামাজিক কার্যকলাপ না করে একটা শৃংখলে থাকে এই শৃংখলে কিন্তু মানুষ নিজেই বেশী লাভবান হয় সমাজের চেয়ে, বিশৃংখল বা অসামাজিক কারণেই এখন এইডস নামক ভয়াবহ রোগ ছড়িয়ে যাচ্ছে পুরো পুথিবীতে, যে শিশুটি জন্ম নিচ্ছে এইডস আক্রান্তের গর্ভে সে ও কিন্তু এই রোগ নিয়ে আসছে এবং তা ছড়িয়ে দিচ্ছে, এটা কি কোন সুফল, কিছূক্ষনের আনন্দের জন্য নিজের জীবন পরিবারের অন্যদের জীবন সাথে সমাজকে নষ্ট করার অধীকার তো কাউকে দেয়া হয়নি। ফ্রি মিক্সিং এর কারেণ অপরাধপ্রবণতা কিন্তু দিন দিন বাড়ছে, ড্রাগ নিচ্ছে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা, আজকাল প্রেম মানেই তো ফিজিক্যাল রিলেশন এখনকার সময়ে এই লিভ টুগেদারের কারণে অবিবাহিত মায়ের সংখ্যা পুরো পৃথিবীতে বাড়ছে, এটা কি অপরা নয়, একটা সন্তারে পৃত্তি পরিচয় দেয়া যাচ্ছে না এটা কতোটা যুক্তি সংগত।
বাংলাদেশের মানুষের মানসিকতার অনেক পরিবতর্ন হয়েছে বলেই এই ধরনের ছবি বানানো হচ্ছে, ছবি বানানোর আগে থেকেই এ দেশের যুব সমাজ ই নয় অনেক পরিবারই লিভটুগেদারের অভ্যস্ত হয়ে পরছে, এটা নিছকই আনন্দের জন্য করছে তারা, কিন্তু যখন লোক সম্মুখে আসছে তখন লজ্জা পাচ্ছে, যে কাজে লজ্জা পেতে হয় সেই কাজ করা কতোটা যুক্তি সংগত, যে কাজে সামাজিক স্বিকৃতি নেই সেই কাজ কতোটা সামাজিক।

তবে ছবির শেষে মুন্নার সাথে রুবার মিলটা দিয়ে দিলে ছবিটা অনেকটা বাস্তবতা পেতো।

তুমি কেমন আছো, পড়াশুনা কেমন চলছে, ভালো থেকো।
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৫০
আমার মতে ছবির শেষে মিল টা কারো সাথেই দেয়া উচিৎ না, কেন সেটা এক্সপ্লেইন করতে পারব না, ,,,,

তবে মনের মিল না হয়ে জোর করে যে কতগুলো বিয়ে হচ্ছে সেটাও তো দেখার বিষয়, যাই হোক এইসব নিয়ে মাইতা লাভ নাই , জীবন চলে যাবে জীবনের নিয়মে

ভালো আছি , পড়াশুনা চলছে মোটামুটি , আপনি কেমন আছেন
mr নীরব পথিক৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:২৯
দাদা ভাল আছেন ???
godhulirsurjo গোধুলীর সুর্য৩০ জানুয়ারি ২০১০, ১০:৫১
জী দাদা ভাল না থাকলে আসতে পারি বলেন
aponjon আপনজন৩১ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:৪২
আকামের ছবি ! উয়ুরোপ- আমরিকা হবার খেয়ালে এই ছবি তৈরী !!!!!!

সম্প্রতি এক জরীপে জানা গেছে, কানাডীয়ান পরিবারগুলোতে দ্রুত গতিতে অবিবাহিতদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। কানাডার ৭.৮ মিলিয়ন পরিবারের মধ্যে এক চতুর্থাংশেরও বেশি এখন সিঙ্গেল পেরেন্টস। যেখানে বিবাহিত পরিবারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে ১.৭% হারে সেখানে সিঙ্গেল পেরেন্টস এর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে ১৯%। এছাড়া অবিবাহিত (কমন ‘ল) দম্পতির সংখ্যা বাড়ছে বিবাহিত দম্পতির চাইতে ১৬ গুণ বেশি।
জরীপে আরও জানা যায়, অবিবাহিত দম্পতিগুলো তখনই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয় যখন তারা মনে করে তাদের সন্তান দরকার। কিন্তু এটা কেবল মুখে মুখে। বাস্তব অবস্থা আবার অন্যরকম। হিসেবে দেখা যাচ্ছে অবিবাহিত দম্পতিদের সংখ্যা বেশি। কানাডাতে বর্তমানে ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৯শ ৫০টি অবিবাহিত দম্পতির সন্তান রয়েছে। এদিকে যখন এ অবস্থা তখন অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে জন্মহার দ্রুত গতিতে কমে যাচ্ছে।
এ মহাদেশে বিবাহ করার চাইতে বিবাহ-বিচ্ছেদ হলো এক্সপেনসিভ। সে ভয়েও অনেক লোকে বিয়ে করতে চায় না। তারপরও বিয়ে হয়, বিচ্ছেদও হয়। সম্প্রতি নতুন এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, কানাডার প্রতি ৫ জন শিশুর মধ্যে ১ জনের বাবা-মা বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটিয়েছে এবং এ ঘটনা শিশুর জন্মের ৫ বছরের মধ্যেই ঘটেছে। (সূত্র : স্ট্যাটিসটিকস কানাডা)
কানাডার অবিবাহিত দম্পতির প্রায় অর্ধেকের বাস কুইবেক প্রদেশে। জানা যায়, মনট্রিয়লের পরিবারগুলোর মধ্যে এক তৃতিয়াংশেরও বেশি অবিবাহিত দম্পতি। টরন্টো, ভ্যাঙ্কুভার এবং অটোয়াতে এ সংখ্যা খুবই কম। বৃহত্তর টরন্টোর ১.১ মিলিয়ন পরিবারের মধ্যে মাত্র ৬% অবিবাহিত দম্পতি। তারপরও অন্টারিও প্রদেশে বর্তমানে ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫শ ৫০টি শিশুর পিতামাতা অবিবাহিত।
ভ্যানিয়ার ইনষ্টিটিউট অব দ্য ফ্যামিলির একজন মুখপাত্র বলেন, বিগত কয়েকটি জেনারেশন ধরে প্রচলিত কমন ’ল প্র্যাকটিস খুবই জনপ্রিয়। আর বিবাহ প্রথার ওপর কানাডীয়ানদের বিশ্বাস লুপ্ত হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। তিনি আরও বলেন, কে চার্চে গিয়ে বিয়ে করবে, নাকি অন্য কোনভাবে করবে এটা তার বা তাদের একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। তবে কিছু কিছু পরিবার রয়েছে তারা তাদের বিশ্বাস এবং প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে যাচ্ছে। বর্তমানে অবিবাহিত দম্পতির সংখ্যাধিক্যের কথা উেেল্লখ করে তিনি বলেন এ সংখ্যা কানাডীয়ান ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
কানাডায় প্রতি ৫ জন শিশুর মধ্যে একজন শিশু বড় হচ্ছে সিঙ্গেল পেরেন্ট-এর তত্ত্বাবধানে। এর মধ্যে বেশিরভাগই মায়ের কাছে। আর এসব মায়েদের অধিকাংশ হচ্ছে গরীব। এই ধরণের মায়েরা কাজও করতে পারে না। যেহেতু ডে কেয়ারে রাখার মতো সামর্থ্য তাদের নেই, কিংবা পরিবারের অন্য কেউ তাদের সহযোগিতাও করে না তাই বাচ্চারা বড় হওয়া পর্যন্ত এরা ওয়েল ফেয়ারের ওপর নির্ভরশীল থাকে। সিঙ্গেল পেরেন্ট মায়েরা বেশিরভাগই নির্যাতনের শিকার। অনেকেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। আর এই নেশার খরচ যোগাতে গিয়ে অপরাধ জগতের সাথেও জড়িয়ে যায় কেউ কেউ।
গবেষনা করে দেখা গেছে, যেসব শিশু সিঙ্গেল পেরেন্টদের কাছে বড় হচ্ছে এরা মানসিকভাবে বিকারগ্রস্থ। এদের স্বাস্থ্য খারাপ থাকে, লেখাপড়ায়ও তারা দুর্বল। আসলে তারা অযতেœ, অবহেলায় বেড়ে উঠছে।
১৯৭৩ সালে প্রায় ১২% ছেলে-মেয়ে এ বয়সের মধ্যে তাদের বাবামার বিবাহ-বিচ্ছেদ হতে দেখেছে। ১৯৬৩ সালে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ৬.৫%। সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে, এসব শিশুদের একটি বিরাট অংশ তাদের বাবাকে আর কোনোদিন দেখেনি।
গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৬% ছেলে-মেয়ে তাদের মায়ের সঙ্গে বসবাস করে। অন্যদিকে মাত্র ৭% বাবার সঙ্গে বসবাস করে এবং ৫৮% ছেলে-মেয়ে মাসে একবার মাত্র তাদের বাবার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পায়।
এদিকে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত দুই-তৃতীয়াংশ ছেলে-মেয়ে ‘কমন ল’ (বিয়ে বহিভূর্ত দাম্পত্য জীবন) সম্পর্কের বাবা-মার ঘরে বড় হয় এবং আলাদা হওয়ার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে। অন্যদিকে বিবাহিত বাবা-মার কাছে থেকে এ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে ১৪% ছেলে-মেয়ে।
গবেষকরা জানিয়েছেন কমন ‘ল দম্পতিদের চাইতে বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে বিচ্ছেদের ঘটনা অনেক কম। গবেষকরা আরও জানিয়েছেন যে, দিন দিন বিচ্ছেদ-পরিবারের শিশুদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে।
স্ট্যাটিসটিক্স কানাডা জানিয়েছে দেশের মোট শিশুর সংখ্যা ৯ লক্ষ ৪০ হাজার। এর অর্ধেকেরও বেশি হলো বিচ্ছেদ-পরিবারের এবং তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বেশিরভাগ সন্তানকে তাদের বাবা সহায়তা করছে না। দেখা গেছে, আদালত থেকে নিদের্শ দেয়ার কারণে ৫৩% শিশুকে তাদের বাবা প্রথম দুই মাস ঠিকই সাহায্য করে, এরপর তারা সাহায্য করতে গড়িমসি শুরু করে। শুনলে অবাক লাগলেও সত্য, আদালতের বাইরে যেসব সমঝোতা হয় সেসব শিশুদেরকে তাদের বাবা ঠিকই সাহায্য করে যায়।
ফ্রান্স, জার্মানি এবং অস্ট্রেলিয়াতে সিঙ্গেল মাদারদের সরকার অগ্রিম অর্থ প্রদান করে। সরকার সন্তানের বাবার কাছ থেকে যেভাবে ট্যাক্স আদায় করে একই নিয়মে এ অর্থও আদায় করে ছাড়ে। যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান বড় হওয়া পর্যন্ত বাবার ওপর নূন্যতম একটি অর্থ প্রদান করার দণ্ড দেয়া হয়। বাকি অর্থ সরকার প্রদান করে।
অর্থ দেয়া-নেয়া বড় কথা নয়। গবেষকরা বলছেন, বিচ্ছেদের বোঝা সন্তানের মানসিকতার ওপর যে প্রভাব বিস্তার করে সেটাই মানুষের ভাববার বিষয়।
মেট্টো টরন্টোতে প্রতি তিনজন শিশুর একজন দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করছে। লরা নামে একজন প্রতিবেদক সম্প্রতি এই তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানান রোববার রাতে টনি (ছদ্মনাম) নামের এক মহিলা এবং তার তিনটি শিশু মিলে প্রতিবেশির ঘরের সামনে রাখা ব্যাগগুলো চুপিসারে নিয়ে আসে। পুরনো কাপড়ের এ ব্যাগগুলো রাখা হয়েছিল ‘সলভেশন আর্মি’র দোকানে দান করার জন্যে। টনিকে জিজ্ঞেস করা হলে সে জানায়, যদিও খারাপ লাগছিল এ কাজটি করতে তবু সে নিয়ে এসেছিল। টনি আরও জানায়, ‘যদিও আমাদের দেখতে গরীব মনে হয় না তবু এ কথা বলতে দ্বিধা নেই যে কাল সকালের ব্রেড কোত্থেকে আসবে আমি জানি না।’
টনির ১১ বছর বয়স্ক পুত্র এলিয়ট জানায়, ‘স্কুলে যখন অন্যান্য ছাত্ররা আমাকে পুরনো কাপড় পরিধানে দেখে তখন আমাকে নিয়ে তারা হাস্য কৌতুক করে এবং আমার ইচ্ছে করে স্কুলে আর না যেতে।’
টনির দুই কন্যা পাঁচ বছরের ক্যালি এবং তিন বছরের অ্যানা তাদের পরিবারের আর্থিক সঙ্গতির কথা এ বয়সে উপলব্ধি করতে পারে না কিন্তু এলিয়ট ভালভাবেই বুঝে। সে জানে তার পরিবারের আর্থিক সঙ্গতি নেই; তবুও তার ইচ্ছে করে আইসক্রিম খেতে, তার বোনদের চুলের রিবন কিনে দিতে কিংবা স্কুলের টিফিনে কিছু খেতে। এলিয়ট আরো জানায়, কোন কোন দিন এমনও হয় যে, গ্রোসারী কেনার জন্যেও তার মার কাছে পয়সা থাকে না। ঐ দিন সে লাঞ্চে কোন কিছু খেতে পারে না। লাঞ্চরুমে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকে। এ সময় সহপাঠিরা কেউ দয়া করে তাকে তাদের খাবারের অংশ বিশেষ দেয়; তবে সেটা উচ্ছিষ্ট।
গত বছর ক্যালির কিণ্ডারগার্টেন ক্লাশের সকল ছাত্র ছাত্রী যখন ম্যাকডোনাল্ড খেতে যায় তখন সে যেতে পারেনি। কারণ অংশগ্রহণের জন্য যে অর্থের প্রয়োজন ছিল তা তার মা দিতে পারেনি। ম্যাকডোনাল্ড ষ্টোর থেকে তার এক সাথী ঐদিন অর্ধেক হামবার্গার ক্যালির জন্যে নিয়ে এলে সে অত্যন্ত খুশী হয় এবং দৌঁড়ুতে দৌঁড়ুতে বাসায় নিয়ে আসে। টনি জানায়, আমার শিশুর খুশি দেখে আমার দু’চোখ বেয়ে জলের ধারা নামতে থাকে। উল্লেখ্য, একটি ম্যাকডোনাল্ড হামবার্গারের দাম মাত্র ১ডলার ১২ সেন্ট।
টনির শিশুরা হচ্ছে মেট্টো টরন্টোর ৩৬ শতাংশ গরীব শিশুদের অংশ। রায়ারসন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানের অধ্যাপিকা মারভিন নোভিক বলেন, ‘আমাদের সমাজ এখন ভারসাম্যহীন অবস্থায় এগুচ্ছে। মানুষের ওপর প্রচ- ঝামেলা। অনেকেই নুন্যতম মানের জীবন যাপন করতে পারছে না। এসব পরিবারের পিতামাতারা বাচ্চাদের একটি বই কিনে দিতে পারে না, স্কুলের ফি-ও দিতে পারে না।’ মারভিন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এতে শিশুদের স্বাস্থ্য এবং মনোবল ভেঙ্গে পড়ছে। বিভিন্ন সংস্থা জরিপ চালিয়ে একই কথা স্বীকার করেছে। মেট্টো টাস্ক ফোর্স তাদের রিপোর্টে বলেছে, টরন্টোতে ৮৯,০০০ শিশু যাদের বয়স দশ বছরের নীচে তারা গরীব এবং মানবেতর জীবন যাপন করছে।
উল্লেখ্য, মেট্টো টরন্টোতে প্রতি তিনটি পরিবারের মধ্যে একটি পরিবারের বাৎসরিক গড় আয় হচ্ছে ৬৬,৪৪১ ডলার। অন্যদিকে, সর্ব নিম্ন আয় হচ্ছে ৭ হাজার ডলার। রিচার্ড শিলিংটন নামে একজন লেখক ‘ক্যানাডীয়ান ফ্যাক্ট বুক অন পভার্টি’ বইতে ২১ হাজার ডলার পর্যন্ত যেসব পরিবারের বাৎসরিক আয় রয়েছে তাদেরকে গরীব বলে মন্তব্য করেন।
বর্তমানে টরন্টোতে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার গৃহহীন লোক রয়েছে। এদের মধ্যে ৩৫০০ জন ব্যক্তি এবং ৬শত পরিবারকে মেট্টো সাময়িক শেল্টার দিয়েছে। একজন ফুড ব্যাঙ্কের কর্মকর্তা জানান, দৈনিক যেসব লোক তাদের এখানে খেতে আসে তাদের অর্ধেক হলো এখন শিশু।
nocturnal ‍িনশাচর০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০১:২১
ছবিটা দেখব তারপর নিজের মত করে ভাবব....... কে কি ভাবছে সেটা আমার কাছে কো ন গুরুত্বপূর্ন বিষয় না.......
ফারুকী আমার একজন প্রিয চলচিত্র নির্মাতা... তার নির্মানে কোন নাকোন মেসেজ থাকে.......