আজ থেকে তিন হাজার বছর পুর্বে যে মানুষটি শুধু মরে যাওয়ার জন্য জন্মেছিল তার সাথে আমার পার্থক্য কোথায়!

মার্চ
০৯

ঘুমাইয়া ছিলাম, ছিলাম ভালো জেগে দেখি বেলা নাই, বেলা নাই...... কোনবা পথে ওয়ারী-বটেশ্বর যাই!!

সময় ১৪:১৪:৩০


ইদানিং গুগুলের অলি গলিতে ঘুরে বেড়ানো আমার এক বদ অভ্যাস হয়ে দাড়িয়েছে। এক সেকেন্ড ফুরসত পেলেই মার এক ক্লিক। আর এই একটা ক্লিকে কেন জানি আমি মজাও পাই বিশাল। ছাগু পাগু কিছু একটা লিখে কোন রকমে একটা ক্লিক যদি মারতে পারেন পঞ্চাশ হাজার ফিট মাটির নীচে কোন ছাগুর হাড্ডিগুড্ডিও যদি অবশিষ্ট থাকে আপনাকে তা শো করবেই। তো সেই অভ্যাসবশতঃ আজকে সকাল বেলা গুগুলে ঘুরে ফিরে যখন হাওয়া খাচ্ছি ঠিক সে সময় মারাত্নক এক লিরিকস চোখে পড়ে। ডলি আপা মাইন্ড না করলেই হলো -

“ঘুমাইয়া ছিলাম, ছিলাম ভালো
জেগে দেখি লুংগী নাই
কার কাছে যে
আমার লুংগী পাই।“

উক্ত গানের বিকৃতিকার যে কোন একসময় প্রচুর পরিমানে লুংগী ইউজ করত এবং সেই মোতাবেক অনেক অভিজ্ঞতাও সঞ্চয় করেছেন তা তার এই সংগীত প্রতিভায় আমরা সহজেই বুঝতে পারি। আমিও এমন সংগীত পেয়ে কৌতুহল বশতঃ আরোও ক্লিক করতে থাকি যদি আরোও এমন সুরেলা মন মাতানো কিছুও পাওয়া যায়। গুগুল ভাই আমাকে হতাশ করেনি কারন সে জানে আমি তার একান্ত অনুগত একজন শিক্ষানবীশ। সামু ব্লগের একটা লেখা পড়লাম, ঢাকা শহরে ৭/৮ মাত্রার কোন ভুমিকম্প হলে কি রকম পরিনতি হতে পারে তার একটা আগাম অশনিবার্তা। হ্যাঁ ...

ডিসেম্বর
১৫

চরমপত্রঃ আঞ্চলিক ভাষায় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর নাজেহালের খবর - (শেষ পর্ব)

সময় ১৪:৪৫:৪১


বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা ও দেশবাসীর মনোবলকে উদ্দীপ্ত করতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই সময়ে এই বেতার কেন্দ্র হতে যেসব উদ্দীপনা মূলক অনষ্ঠান প্রচারিত হতো তার মধ্যে 'চরমপত্র', দর্পন, জাগরণী, ইংরেজী ও বাংলা সংবাদ উল্লেখযোগ্য। চরমপত্র ছিল তৎকালীন সময়ে সর্বাধিক জনপ্রিয় অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানটিতে এম. আর. আখতার মুকুল আঞ্চলিক ভাষায় মুক্তিযোদ্ধাদের সাফল্য ও বিজয়ের খবর উপস্থাপন করতেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রচারিত সেই চরমপত্রগুলো নিয়ে একটি বই প্রকাশ করেছে অনন্যা প্রকাশনী। গতকাল বলেছিলাম বিজয়ের মাসে দু চারটা চরমপত্র শেয়ার করতে চেষ্টা করব। আগামীকাল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজকে শেষ পর্ব দিলাম।

১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
কি পোলারে বাঘে খাইলো? শ্যাষ। আইজ থাইক্যা বঙ্গাল মুলুকে মছুয়াগো রাজত্ব শ্যাষ। ঠাস্ কইয়্যা একটা আওয়াজ হইলো। কি হইলো? কি হইলো? ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে পিঁয়াজী সাবে চেয়ার থনে চিত্তর হইয়া পইড়া গেছিলো। আট হাজার আষ্টশ চুরাদি দিন আগে ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্ট তারিখে মুছলমান-মুছলমান ভাই-ভাই ...

ডিসেম্বর
১৪

চরমপত্রঃ আঞ্চলিক ভাষায় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর নাজেহালের খবর - ১

সময় ১০:৩৪:২৫


বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা ও দেশবাসীর মনোবলকে উদ্দীপ্ত করতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই সময়ে এই বেতার কেন্দ্র হতে যেসব উদ্দীপনা মূলক অনষ্ঠান প্রচারিত হতো তার মধ্যে 'চরমপত্র', দর্পন, জাগরণী, ইংরেজী ও বাংলা সংবাদ উল্লেখযোগ্য। চরমপত্র ছিল তৎকালীন সময়ে সর্বাধিক জনপ্রিয় অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানটিতে এম. আর. আখতার মুকুল আঞ্চলিক ভাষায় মুক্তিযোদ্ধাদের সাফল্য ও বিজয়ের খবর উপস্থাপন করতেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রচারিত সেই চরমপত্রগুলো নিয়ে একটি বই প্রকাশ করেছে অনন্যা প্রকাশনী। আমি বিজয়ের মাসে দু চারটা চরমপত্র শেয়ার করতে চেষ্টা করব।
...........................................................................................................................
মেজিক কারবার। ঢাকায় অখন মেজিক কারবার চলতাছে। চাইরমুড়ার থনে গাবুর বাড়ি আর কেচকা মাইর খাইয়া ভোমা ভোমা সাইজের মছুয়া সোলজারগুলা তেজগাঁও কুর্মিটোলায় আইসা- আ-আ-আ দম ফেলাইতেছে। আর সমানে হিসাবপত্র তৈ্রি হইতাছে। তোমরা কেডা? অ্যাঃ ৭২ জন। কেতাবের মধ্যে তো দেখতাছি লেখা রইছে বৈ্রবে দেড় হাজার পোষ্টিং আছিলো। ব্যাস ব্যাস, আর ...

অক্টোবর
২৯

কথা কম কাজ বেশী, যাব আমি বৃন্দাবন কাশী !!

সময় ০৯:৫৭:০৪


ইহা একটি সাময়িক পোষ্ট। কেউ মন্তব্য করলে সম্পুর্ন নিজ দ্বায়িত্বে করতে হবে। আজকে রিপ্লাই দিতে পোষ্ট দাতাকে বাধ্য করা কবীরাহ গুনা'র সমতুল্য হবে বলে মনে করা হবে। কারন সে আজকে দুপুরের পরে অফিস থেকে পগার পাড় হওয়ার জন্য হাতের কাজ দ্রুত সম্পাদনের দিকে মনোযোগী। তাই কথা কম কাজ বেশী।

গাইবান্ধার বান্দর পোলা আজকে বিজে'র আয়োজন করছে বলে বিরাট নাখোশ হইছি। তার জানার কথা যে এই দিন আমি একটু পর পর ঘড়ি দেখি। হাতের কাছে পেলে আজকে ওরে আমি রেব'এর চীফ জরিনার হাতে তুলে দিতাম। আফসোস!!

উকিল সাব একটা কবিতা পোষ্ট দিছে। ঐ কবিতায় মন্তব্য করা আমার পক্ষে কতটুকু আইনসিদ্ধ হবে সেটা নিয়ে আগে উকিল সমিতির সভাপতির সাথে আলোচনা করে নিই। তারপর সিদ্ধান্ত নেব। হাজার হলেও সে আমার বিরোধী শিবিরের উকিল তো! শিবির কথাটা উচ্চারনের সাথে সাথে অনেকের আবার কুলাংগার জামাত শিবিরের কথা মনে হতে পারে সে জন্য আমি আগাম মাফ চাই।

সবাই আমার জন্য দোয়া করেন। স্যারের মন যাতে আজকে আমার প্রতি তরল পারদের মত হয়। আমার দুঃখটা বুঝার মতো তওফীক যেন ঈশ্বর উনাকে দান করেন।।

সবাইকে শুভেচ্ছা আর ...

  • ৮৩টি মন্তব্য

অক্টোবর
২৭

খাইছে ধরা হাতে নাতে, জেল-এ থাকো মাইরের সাথে!!

সময় ১৫:৫২:৫৫


কলম চোরদের প্রতিবাদ সভা দেখে বাংলার পুলিশ বাহিনী আর চুপ থাকতে পারেনি। একটু আগে তারা নাওয়া খাওয়া বাদ দিয়ে মহান নেতা দেবদাসের মান ইজ্জত বাচঁতে তারা নিজেদের জান প্রাণ কাবাবের দোকানে রেখে কলম চোর ধরার অব্যার্থ অভিযানে নামে। ধরাও পড়ে। কিন্ত তার সাথে যারা এই অসম্ভব কর্ম সাধনে সহযোগীতা করেছে তারা একটুর জন্য পালিয়ে গেছে। তবুও পুলিশ ভাইয়েরা হাল ছাড়ে নাই। তারা উৎপেতে আছে নন্দন এর আশে পাশেই। আজকে সন্ধ্যার আগেই সব ঝাটকাসহ রাগব বোয়ালরা ধরা পড়বে আশাকরি। নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গিয়েছে কলম চোরদের প্রধান সাগরেদ টাক্কু কারিম ভাইয়ের জন্মদিনের প্রতি সম্মান জানিয়ে সমস্ত পুলিশ বাহিনী আজকে চিরুনী অভিযান চালাবে। এ অভিযানের মুল বৈশিষ্ট্য হলো যাদের পকেটে অথবা মানিব্যাগে চিরুনী পাওয়া যাবে তারাই পুলিশ ভাইদের হাতে পাকড়াও হবে। এছাড়া বাদ সন্ধ্যা "টাক্কু মাথায় চিরুনীর ভুমিকা"- এ বিষয়ক এক আলোচনা সবার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ কেশ রক্ষা কমিটি। খুশীর সংবাদ হলো এই আলোচনা অনুষ্ঠানে দেশের সমস্ত ভুড়িওয়ালা টাক্কু পুলিশ ও দারোগারা উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে নায়িকা মুনমুন এবং বিশেষ ...

অক্টোবর
২৬

আমার একটা কলম ছিল দেখলো নাকি কেউ!!

সময় ১৫:৫২:৪৭


কলম। পেন। এটি একটি কলম। দিস ইজ এ পেন। প্রাইমারী শিক্ষাজীবন গ্রামের স্কুলে পাড়ি দেবার দরুন এ ধরনের ইংরেজী শব্দ গুলোর সাথে ক্লাস টু/থ্রী তে পড়ার সময় প্রথম পরিচয় হয়। টপ মানে লাটিম, পট – পাত্র, ডল - পুতল, রেট - ইদুর, বুক – বই- এই ধরনের কিছু ওয়ার্ড মুখস্থ করার পড় নিজেকে কেমন ইংরেজ ইংরেজ মনে হত। ক্লাশের অপেক্ষাকৃত গাধা ছাত্রদের সামনে তখন বিশাল একটা ভাব নিয়ে চলতাম। অনেকেই হয়ত মনে করতে পারেন টু থ্রী-তে পড়ার সময় আবার ভাব আসে কোত্থেকে? ভাব আসে। গ্রামের ছেলে পেলেরা সাধারনত একটু পুংটা (দুষ্ট অর্থে ব্যাবহৃত) প্রকৃতির হয়। এখন অবশ্য পরিস্থিতি ভিন্ন। শহরের ছেলে মেয়েরা অনেক অনেক বেশী চালাক চতুর এবং জ্ঞানের দিক দিয়েও অনেক পরিপক্ক। শহরে যদিও আদিকাল থেকেই এই ধারা চলে আসছে তবুও সেই তুলনায় গ্রামের শিক্ষাব্যাবস্থা আগের চাইতে মনে হয় একটু বেশি পিছিয়ে পড়ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে ঠিকই শিক্ষার উপকরনও আগের চাইতে বেশী সরবরাহ করা হয় কিন্ত আগের মত শিক্ষানুরাগী শিক্ষক এবং ছাত্র/ছাত্রীর অপ্রতুলতা লক্ষ্য করা যায়। এখন গ্রামে যাদের অবস্থা একটু বেশী সচ্ছল তাদের ছেলে মেয়েরা এখন আর তার বাড়ীর ...

অক্টোবর
২৫

‘মোবাইলওয়ালী জিন্দাবাদ, মোবাইল চোরেরা সব মুর্দাবাদ’

সময় ১১:৪৭:১০


‘দুলাভাই! আপা না কাদঁতে কাদঁতে শেষ, কথা বলতে পারছেনা।‘ – সদ্য গত হয়ে যাওয়া রমজান মাসের মাঝামঝি কোন এক দুপুরে শ্যালিকার মোবাইল কন্ঠস্বর। হঠাৎ কোন দুঃসংবাদ শুনলে মানুষ যেমন চমকে উঠে আমার সেরকম কিছুই হয়নি, আমি নির্বিকার। কারন কল দাতার কন্ঠ ১০০% ওকে আছে, কোনরকম উৎকন্ঠা অথবা অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হয়নি। সুতরাং মোবাইলওয়ালীর কান্না যে এখানে বিরাট বড় কোন অঘটনের বিপক্ষে নয় এটা বুঝতে আমার মোটেই অসুবিধা হয়নি।

শ্যালিকাকে আমি জিজ্ঞাসা করলাম কি হয়েছে তার, কাদঁছে কেন?- ‘আম্মার সাথে যাকাতের কাপড় কেনার জন্য শপিং-এ গিয়েছিল। দোকানদারের সাথে দরদাম সংক্রান্ত কথাবার্তা শেষে হিসাব করার জন্য ব্যাগের ভেতর ক্যালকুলেটরের জন্য হাত দিয়ে দেখে মোবাইল নাই।‘- শ্যালিকার মন খারাপ করা কন্ঠস্বর। আমি তবুও নির্বিকার, চেহারায় স্বাভাবিকতা হান্ড্রেড পার্সেন্টের উপর। ভাবটা এমন- “এক মোবাইল চোরের কাছে, লক্ষ মোবাইল দোকানে আছে।" কিন্ত অতি ভেজালযুক্ত খাবার খেয়ে উচ্চমার্গীয় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে বাথরুমের প্রথম হাতছানির পর্বে পেটটা যেমন মোচড় দিয়ে উঠে আমার মনটাও সেরকম মোচড় দিয়ে উঠল। ‘মোবাইলওয়ালীকে দেয়া আমার ...

অক্টোবর
২১

থোরাসা পত্র লিখাহে থোরা হে বাকী………

সময় ১৪:৪৬:৩৬


সাতদিন ধরে দৌড়াচ্ছি তো দৌড়াচ্ছিই। থামছেই না। ম্যারাথনের জনক তো ২৫ কিমিঃ দৌড়িয়ে থেমেছিল একেবারে চিরদিনের মত করেই। কিন্ত আমি মনে হয় ঐ ম্যারাথনকেও থোরাই কেয়ার! কেউ আবার ভেবে বসবেন না আমি বুঝি সত্যি সত্যিই পায়ে পায়ে দৌড়াচ্ছি। অফিসিয়াল দৌড়ের উপর আছি। দি ইজ দ্যা নেম অফ কর্পোরেট দৌড়।

এই মুহুর্তে আমার হাতের কাছে যা আছে তার একটা সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া প্রয়োজন। বর্তমানে এরাই আমার ৯/১০ ঘন্টার সংগী। আসুন এদের প্রত্যেকের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই।

কাচিঃ নির্দিষ্ট কাগজের বুক বরাবর নির্দয়ভাবে চালিয়ে যাচ্ছি। প্রয়োজনীয়টুকু কেটে বাকিটুকুর অবস্থান ঝুড়িতে নিশ্চিত করার পর পরের আইটেম হাতে নিচ্ছি। কাগজ কর্তন করতে করতে দেবদাস একদিন কাচিঁ হাতে নরসুন্দর হয়ে যায় কিনা সেই টেনশনে আছি।

ফ্লুইডঃ যাকে দিয়ে বিভিন্ন অফিসিয়াল ডুকুমেন্ট পেইন্ট করা হয়। আমি যে এত বড় পেইন্টার অথবা আমার ভেতর যে এতবড় পেইন্টিং শিল্পী কোনরকম শব্দ টব্দ ছাড়াই এভাবে যুগের পর যুগ ঘুমিয়ে আছে এটা আমি আগে জানতামই না। নিমিষে আমি কৃষ্ণবর্ণ লেখাঝোকাকে সাদা বানিয়ে ফেলছি। ওয়াও, আই এম দ্যা গ্রেট!!

গ্লু-স্টিকঃ ...

আগস্ট
২০

তো শেয়ার হে, মে তেরী হোল্ডার হু...............(দ্বিতীয় এবং শেষ পর্ব)

সময় ১৩:৩৬:৪৪


শেয়ার ব্যাবসার সাথে জড়িত লোকদের আমার কেন জানি আধা পাগলা মনে হয়। এরা স্থান কাল পাত্র পাত্রী না বুঝে যেখানে সেখানে স্টক এক্সচেঞ্জ খুলে বসে। তাদের কথা বার্তা আলাপ আলোচনায় শেয়ার আর শেয়ার। কৌতুকের কুরবানের কুমিরের রচনা লেখার মত, শুরু যেটা দিয়েই হউক না কেন একটু পরে ঘুরিয়ে পেচিয়ে সেই কুমিরের উপস্থিতি। মনে হয় সৃষ্টিকর্তার কাছে এই শেয়ার ব্যাবসায়ীরা ৩০০ টাকার স্টাম্পে সিগনেচার দিয়ে আসছে যে, যেকোন মুল্য পৃথিবীর বুকে এই ব্যাবসা টিকিয়ে রাখবে অন্যথায় তারা নরকবাসী হবে। অবশ্য যারা অন্যান্য সকল কাজ কর্ম বাদ দিয়ে শুধু শেয়ার খায় আর শেয়ার নিয়ে ঘুমায় তাদের ক্ষেত্রে এই কথা প্রযোজ্য। এরকম কয়েকটা আধা পাগলা গত দুটা বৃহস্পতিবার আমার মেজাজে সিএনজি ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। পরে আসছি সে কথায়।

ব্লগের যারা এই ব্যাবসায় হালকা পরিমান আত্ননিয়োগ করেছেন তাদের কাছে মাফ চাই। আপনাদের জন্য শান্তনার খবর হলো এককালে আমিও এই ব্যাবসায় সামান্য আত্ননিয়োগ করেছিলাম, শেষে 'ছাইড়া দে মা কাইন্দা বাঁচিঁ' অবস্থায় কোন রকমে পরনের কাপড় চোপড় নিয়ে বের হয়ে আসি। যেইটাই কিনি পরের দিন দেখি প্রতি শেয়ারে দশ টাকা নাই। বুঝেন ...

আগস্ট
১৭

হে মহাজীবন - সুকান্ত ভট্টাচার্য

সময় ১৪:১৮:৩৯


আশাকরি কবিতাটা সকলেরই ভাল লাগবে। সুকান্তের উপর দিয়ে চালিয়ে দিলাম কারন সে না লিখলে আমরা কেউ না কেউ চেষ্টা করতাম নিশ্চয়ই ।
.....................................................................................................
হে মহাজীবন আর এ কাব্য নয়,
এবার কঠোর কঠিন গদ্যে আনো।
পদলালিত্য ঝংকার মুছে যাক,
গদ্যের কড়া হাতুড়িকে আজ হানো।
প্রয়োজন নেই কবিতার স্নিগ্ধতা,
কবিতা তোমায় দিলাম আজকে ছুটি।
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়,
পূর্ণিমা চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।
...................................................................................................................
বিঃদ্রঃ আমার একটি বিশেষ পছন্দের কবিতা এটি। কিন্ত ছবিটা ফানি। ছবি ডিলিট হলেও হতে পারে। তাই ছবি নয় কবিতার উপর কমেন্ট করি ...

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫