*** আমি ন্যায়ের পক্ষে,লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে ।***

নভেম্বর
১৯

ব্যান-আনব্যান এবং দুটি কথা।

সময় ১৭:৫৪:৩৪

চলমান ঘটনা


সম্মানীত মডারেটর সাহেব এবং হাজার হাজার ব্লগার ভাই-বোন শুরুতেই সবার প্রতি আমার ছালাম এবং শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই ভাল আছেন? ভাল থাকুন। এই প্রত্যাশা রইল।
আমার ব্লগে আগমন খুববেশি দিনের নয়। তাই আমি বেশি পুরানো ইতিহাস সম্পর্কে অবগত নেই। আর সেই বিষয়গুলো জানার তেমন আগ্রহ নেই। যাক হোক, ব্লগ হিসাবে প্রথম আলো আমার প্রথম এবং একমাত্র। এখানে এসে অনেক ভাল কিছু শিখেছি। আনন্দ লাভ করেছি, সাথে সাথে যে, মন্দ কিছু পাই নাই , তা একেবারে অস্বীকার করতে পারবো না। ভাল-মন্দ নিয়েই তো মানুষ। আজ অবধি যে টুকু জানতে পেরেছি, ব্লগের নিয়ম পরিপন্থি কোন পোষ্ট বা মন্তব্যের কারণে সেই পোষ্ট দাতা/মন্তব্যকারীকে ব্যান করা হয়। ব্যান করেন কে? ব্লগ সঞ্চালক নাকি ব্লগ কর্তৃপক্ষ! তাহা আমি জানি না। আর এই ব্যান নিয়েই আমার আজকের এ সামান্য প্রয়াস। একজন পোষ্ট নির্মাতা যখন পোষ্ট দেন, তখন কিন্তু সে চারদিকে ভেবে চিন্তে পোষ্ট দেন। পোষ্ট টি প্রকাশ হওয়ার পর, পাঠক ব্লগারগণ নিজ নিজ অবস্থান থেকে পোষ্টের উপর মন্তব্য করেন। এমনকি মাঝে মাঝে প্রশ্নও করা হয়। উক্ত পোষ্ট নির্মাতা ব্লগার তাঁর সাধ্য অনুযায়ী প্রশ্নের ...

  • ২৯টি মন্তব্য

নভেম্বর
১৮

সংক্ষিপ্ত আকারে বিশ্ব পরিচিতি। (৫৬)

সময় ১৯:৪৫:২৩

আন্তর্জাতিক


আলবেনিয়া'র মানচিত্র।

গত পর্বে আমরা আর্মেনিয়াদেশ সম্পর্কে জেনেছি।
আসুন আজকে আমরা দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র 'আলবেনিয়া' সম্পর্কে জেনে নেই। টি বলকান উপদ্বীপের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত।

আলবেনিয়া-এর জাতীয় পতাকা।

আলবেনিয়া-এর জাতীয় প্রতীক।

The Albania Prime Minister Prof. Dr. Sali Berisha
রাষ্ট্রীয় নাম --------------------------------- রিপাবলিক অব আলবেনিয়া।
রাজধানী ---------------------------------- তিরানা।
আয়তন ----------------------------------- ২৮,৭৪৯ বর্গ কি.মি.
জনসংখ্যা --------------------------------- ৩২,০০,০০০জন।
ভাষা -------------------------------------- আলবেনিয়া গ্রিক।
মুদ্রা --------------------------------------- আলবেনিয়া লেক।
শিক্ষার হার -------------------------------- ৮৫%
মুসলিম হার ------------------------------- ৮০%
মাথা পিছু আয় ---------------------------- ৫,৩১৬ মা. ডলার।
গড় আয়ু ---------------------------------- ৭১ বছর।
জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ -------------- ১৪ই ডিসম্বর ১৯৫৫।
জাতীয় দিবস ----------------------------- ২৮শে নভেম্বর।
তথ্য সুত্র -[N. W.-2009 ...

  • ৫টি মন্তব্য

নভেম্বর
১৫

হাবীল ও কাবলী-এর ইতিহাস।

সময় ২৩:৫৫:১৯

পয়গম্বরদের জীবনী


بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
হাবিল এবং কাবীল হযরত আদম (আঃ) এবং বিবি হাওয়া (আঃ) এর দুই পুত্র। ইতিপুর্বে আমরা অবগত হয়েছি যে, হযরত আদম-হাওয়া (আঃ) এক সঙ্গে একটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান যমজভাবে জন্মগ্রহন করতেন। তখনকার নিয়মানুসারে বিভিন্ন সময়ের বা গর্ভের সন্তানকে বিভিন্ন বংশের বলে গণ্য করা হতো। প্রথম বারের পুত্রের সাথে দ্বিতীয়বারের কন্যা ও দ্বিতীয় বারের পুত্রের সাথে প্রথম বারের কন্যার বিবাহ হতো। তখনকার শরীয়ত অনুযায়ী এইরূপ বিবাহ প্রয়েজন ছিল। কারণ তখন হযরত আদম ও হাওয়া (আঃ) ছাড়া পৃথিবীতে আর কোন মানব ছিলেন না। তাঁদের পুত্র-কন্যা সকলেই ভাই-বোন। কাজেই ভাই-বোনের মধ্যে বিবাহ না হলে, তারা সকলেই অবিবাহিত থেকে যেত। ফলে পৃথিবীতে আর বংশ বৃদ্ধি হতো না।
হযরত আদম (আঃ) এবং বিবি হাওয়া (আঃ) এর আবার লিওজা ও আকলিমা নামে দুই কন্যা ছিল। শরীয়ত অনুযায়ী হাবীলের সাথে আকলীমার এবং কাবীলের সাথে লিওজার বিবাহ স্থির হল। আকলিমা লিওজা অপেক্ষা সুন্দরী ছিলেন। সেহেতু কাবীল তাকেই বিবাহ করবে বলে বলতে লাগল, কিন্তু শরীয়ত মত তাহা হয় না। ...

  • ৮টি মন্তব্য

নভেম্বর
১৪

পথের মাঝে ভূত দেখা।

সময় ২৩:৩৬:১৬

অনুঃ গল্প


দিনের কার্য সম্পাদন পুর্বক সুর্য মামা বিদায়ের পথে। সন্ধ্যা না নামলেও, খানিক পড়েই সন্ধ্যার আলো-ছায়া দৃশ্য দেখা যাবে। সুর্যের আলোর শেষ বিকালের রেখা গাছের উপর এসে পড়ছে। ছায়াগুলো বস্তু অপেক্ষা ঢেড় লম্বা দেখা যাচ্ছে। সোনালী আলোয় গাছের পাতাগুলো চকচক করছে। রাখালেরা গরুর পাল লয়ে মাঠ থেকে বাড়ী ফিরছে। গাছে গাছে পাখ-পাখালির কিচির মিচির শব্দ, যেন দীনুদেবকে বিদায় জানানো হচ্ছে। মা বিকালের কাজগুলো শেষ করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ঠিক এমনি সময়ে আমার বড় ভাই, তুহিন ভাই এসে হাজির। তুহিন ভাই ঢাকায় পড়াশুনা করেন। অনেক দিন পড় বাড়ীতে এলেন। ভাইয়াকে দেখে আমি তো মহাখুশি। ভাইয়া আমাকে দেখেই আরে আমার রত্না বোন নাকি! বলেই কোলে তুলে নেন। ভাই-বোনের এই মধুর সম্পর্ক দেখে মায়ের মুখে আনন্দের হাসি ফুটে ওঠে। আমরা দুভাই-বোন আর মা-বাবা নিয়ে আমাদের ছোট্ট পরিবার। বাবা একজন ব্যবসায়ী। দিনের বেশির ভাগ সময়ই তাঁকে ব্যবসার কাজে বাহিরে থাকতে হয়। সেই সময়ও বাবা বাড়ী ছিলেন না। হাটে গেছেন। ভাইয়ার ছোটবেলার দু'চার জন বন্ধু যারা গ্রামে ছিলেন। তারা খবর পেয়ে ছুটে এলেন ভাইয়ার সাথে দেখা করার ...

  • ৮টি মন্তব্য

নভেম্বর
১৪

চারদিকে হৈচৈ

সময় ১৯:৩৪:১৭

কবিতা


চারদিকে হৈচৈ
আনন্দের জোয়ার,
কি হয়েছে কি হয়েছে
সমুদ্রে এসেছে জোয়ার।
আমাদের সঙ্গী সাথীরা
নিরাপদে ছুটলাম,
যে যার মত যাচ্ছে
ছুটছে অবিরাম।
কয়েক মিনিটের মধ্যে
জলে একাকার,
যেখানে আমরা দাড়িয়ে ছিলাম
সেখানে এখন সাঁতার।
কি আশ্চার্য ঘটনা
শ্রষ্টার বড় মহিমা,
রাতে বেলা জোসনা তারা
দিনে সুর্য ...

  • ২টি মন্তব্য

নভেম্বর
১৪

আয়রে খোকা, আয়রে খুকি।

সময় ১০:৫৬:১০

কবিতা


খোকা-খুকি আয়রে তোরা
আমরা খেলতে যাই,
মজার মজার খেলা খেলব
আনন্দের সীমা নাই।
ডালিম গাছের নিচে মোদের
খেলার আসর বসবে,
হৈচৈ আর কলকাকলিতে
মুখর হয়ে উঠবে।
মনি জনি সৈকত রিয়া
তারা আমাদের মেহমান হবে,
তারাও খেলবে মোদের সাথে
আহা! কি আনন্দ হবে।
আয়রে তৃষা আয়রে কণা
জলদি তোরা আয়,
সুর্য মামা হেলে গেছে
বেলা বয়ে যায়।
সুর্য মামা বিদায় নিলে
খেলা হবে না আর,
দ্রুত গিয়ে বসতে হবে
পাঠ্যবই সবার।
সবার আগে শিক্ষা গ্রহণ
অবসরে খেলা,
সময়ের কাজ সময়ে করবো
থাকতে সময় ...

  • ৪টি মন্তব্য

নভেম্বর
১৩

হযরত আদম এবং বিবি হাওয়া (আঃ)-এর পৃথিবীতে আগমন।

সময় ২২:৩১:৪৭

পয়গম্বরদের জীবনী


এইভাবেহযরত আদম ও বিবি হাওয়া (আঃ) শয়তানের প্রতারণায় পড়ে বেহেশত হতে নিক্ষিপ্ত হলেন। প্রথিবীতে পতিত হয়ে হযরত আদম ও বিবি হাওয়া (আঃ) নিজেদের কৃতকার্যের জন্য আল্লাহু তাআলার দরবারে দীর্ঘকাল ধরে অনুতপ্ত হৃদয়ে ক্ষমার জন্য আরাধনা করতে লাগলেন। উভয়ে বলতে লাগল,-"قَالاَ رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ
"
বাংলা অর্থ- "হে আমাদের প্রতি পালক। আমরা আমাদের আত্মার উপর বড় জুলুম করেছি, অতএব আপনি যদি আমদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি রহমত প্রদর্শন না করেন , তবে আমরা অবশ্যই অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাব।"
[সুরা আল আরাফ, আয়াত ২৩]
হযরত আদম এবং বিবি হাওয়া (আঃ) তাঁদের ক্রটি মার্জনার জন্য উপরোক্ত ভাবে আল্লাহুর নিকট আবেদন নিবেদন করতেছিলেন। তাইতো সারাবিশ্বে মুসলামন সম্প্রদায় আজও নামাজান্তে ঐ আয়াত পাঠ করে প্রতিপালকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকেন।
হযরত আদম এবং বিবি হাওয়া (আঃ) পৃথিবীতে আগমন করলেন। তাঁরা আকাশের আবেষ্ঠনীর কোন এক পথ দিয়া বেহেশত হতে বহির্গত পথে উড়িয়ে এসে পৃথিবীর মাটিতে পড়লেন। পৃথিবীতে এসে ...

  • ৬টি মন্তব্য

নভেম্বর
১৩

ফিরে এসো আলোর পথে।

সময় ২০:১০:৫৫

কবিতা


মানব তুমি অবুঝ কেন
চক্ষু মেলে চাও,
কোথায় তুমি ব্যস্ত কিসে
একটু ভেবে নাও।
ভালদের সাথে সম্পর্ক গড়
কর ভাল কাজ,
অসৎ সঙ্গ ত্যাগ কর
করবে তুমি পাশ।
সুসময়ে দেখতে পাবে
শত শত প্রিয়জন,
দুঃসময়ে পাবে কি তাদের?
পাবে শুধু প্রকৃত স্বজন।
ওরা তোমার ছদ্মবেশি শ্রত্রু
তাদের থেকে হও সাবধান,
সুযোগ পেলে করবে ক্ষতি
করবে অপমান।
পাপের পথে নিয়ে যাবে তোমায়
তারাতো মানুষরূপী শয়তান,
মিছে কথায় মন ভুলিয়ে
নিবে তোমার গর্দান।
একটু ভাব কথা গুলো
তোমার মনে ধরবে কি?
আসল ছেড়ে মিথ্যে পথে
আলোর দেখা পাবে ...

  • ৪টি মন্তব্য

নভেম্বর
১২

সংক্ষিপ্ত আকারে বাংলাদেশের বিভাগ এবং জেলা পরিচিতি। (২৭)

সময় ২৩:২৫:৫৪

বাংলাদেশের পাতা থেকে


বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত আকারে বাংলাদেশের বিভাগ এবং জেলা পরিচিতি'র ধারাবাহিকতায় আজ আমরা জানবো বাংলাদেশের দক্ষিন-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল এবং দেশের ৬৪ জেলার অন্যতম 'কক্সবাজার জেলা' সম্পর্কে। এ জেলার উত্তরে চট্টগ্রাম জেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে বান্দরবন জেলা, মায়ানমারের আরাকান এবং নাফ নদী ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর দ্বারা পরিবেষ্ঠিত। উপকুলবর্তি এলাকা হওয়ার এ জেলা প্রায়ই সামুদ্রিক ঝড়, জলচ্ছাস, হারিকেন, স্লাইকোন ইত্যাদি দ্বারা আক্রান্ত হয়।

কক্সবাজার সমূদ্র সৈকত।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত।

কক্সবাজার, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত।

কক্সবাজারের সমূদ্র সৈকতে সূর্যাস্ত।

হিমছড়ির পাহাড় থেকে দেখা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত।

  • ২টি মন্তব্য

নভেম্বর
১২

আল্লাহ তা'আলা বিবি হাওয়া (আঃ)-কে যেভাবে সৃষ্টি করলেন ।

সময় ২১:৪৯:৫৭

পয়গম্বরদের জীবনী


তারপর আল্লাহ তাআলা হযরত আদম (আঃ)-কে অপরূপ বেহেশতের অনন্ত সুখের মধ্যে পরম শান্তিতে বাস করতে দিলেন। হযরত আদম (আঃ) বেহেশ্‌তে থাকিয়া নানা প্রকার মেওয়া ও নেয়ামত খেতে লাগলেন এবং দিবা-রাত্রি খোদার ইবাদত বন্দেগীতে রত থাকলেন।
একদিন একাকী তিনি বসিয়া মনে মনে একজন সঙ্গীর কথা চিন্তা করতে ছিলেন। এইরূপ চিন্তা করতে করতে তিনি খোদার দরবারে একজন সংগীর জন্য আরয করলেন।
আল্লাহু তাআলা হযরত আদম (আঃ)-এর এই প্রার্থনা মন্জুর করলেন। একদিন হযরত আদম (আঃ) ঘুমে আছেন। এমতাবস্থায় আল্লাহু তাঁর মহিমা বলে আদম (আঃ)-এর বাম পাঁজরের কোন এক উপাদান হতে অন্য এক স্ত্রী আদম পয়দা করলেন। তাঁর নাম দিলেন "বিবি হাওয়া।"
হযরত আদম (আঃ) ঘুম হতে জেগে দেখেন, তাঁর প্রার্থনা অনুযায়ী পরমা সুন্দরী সংগিনী লাভ করেছে। সাথে সাথে খোদার দরবারে শোকর গুজার করলেন। আল্লাহু তাআলা বেহেশতেই উভয়ের মধ্যে বিবাহ সুসম্পন্ন করে ঊভয়কে বেহেশতেই বসবাস করিবার জন্য অনুমতি প্রদান করলেন এবং বললেন, "তোমরা নিবিড় সুখে এই বেহেশতে বাস কর এবং যখন যা খুশি ভক্ষণ কর। কিন্তু, সাবধান! ঐ গাছের নিকটেও যেওনা, যদি ...

  • ১৮টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫