হৃদয়ে প্রলয়... তবু আমি এক নির্বাক মহীরুহ...

নভেম্বর
২৬

পথের প্রতিটি "তুমি"

সময় ১২:০৬:৩৯

বিরহের পদাবলী (কবিতাগুচ্ছ)

হৃদয়ে উন্মাতাল ঢেউ... বেরোলেই পথে,
ধাক্কা লাগে অসংখ্য ভালোবাসার সাথে;
একটাই প্রশ্ন মনে জাগে প্রতি বারে-
তুমিই কি সে-ই,
যে ছিলে স্বপ্ন দুয়ারে?

চকিত চাহনিতে কত কথা বলা,
দূর থেকে এঁকে দেই স্বপ্নমালা,
আনমনা হাসির মায়াবী ছবি,
আজন্ম যাকে খুঁজি-
বলো, সে কি তুমি?

অধরে তোমার বাঁকা রেখা করে খেলা
দু'চোখের ইশারায় ঝরে অবহেলা,
সহসা হারাতে হয় ঐ ভিড় মাঝে,
বলবে কি, তুমিও-
কাকে ফেরো খুঁজে?

হারায় মুহূর্তে মন প্রতি জনে জনে
প্রথম দেখায় ছু'টি নতুনের পানে,
চোখের সুখ-খানি কিছু পড়ে সয়ে যায়,
স্বপ্নচারিনী যে-
থাকে কোন সীমানায়?

পথে পথে দেখা দেয় স্বর্গের অপ্সরা,
দু'চোখ জুড়িয়ে দেখি ... দেবে না তো কভু ধরা!
অন্যের "তোমাকে" অপলক দেখে রই,
পথ শেষ হয়ে এলো-
আমার "তুমি" কই?




*** সামহোয়্যার ইন-এ দেবদারু ব্লগে ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪১ -এ প্রকাশিত আমার এই প্রিয় কবিতাটি পুনঃনিবেদন করা ...

  • ৪টি মন্তব্য

নভেম্বর
০২

বিরহী কোনো কন্কাল দেখেছো?

সময় ১৫:৪০:৪২

বিরহের পদাবলী (কবিতাগুচ্ছ)


যদি যেতে চাও-
নিয়ে যেতে পারি আপদমস্তক এক বেদনা-বিহারে;
হৃদয়ের বিস্তৃর্ণ চর ঘুরে দেখাবো শুধু ধূ-ধূ শূণ্যতা,
দেখতে পাবে দেহের প্রতিটি শিরা-উপশিরায়
কষ্টের বাণ ডাকে মুহূর্মুহূ,
রন্ধ্রে রন্ধ্রে জেগে থাকে তাতে ব্যথার প্রলয়;
স্বপ্নবাজ ভালোবাসার বধ্যভূমিতে-
অনুভবের সমাধির সন্ধান দিতে পারি;
বেদনাতুর প্রত্যাখানের অমোঘ নিয়তি অংকিত থাকে
হৃতপিন্ডের দেয়ালে দেয়ালে।
হাত ছুঁলে পাবে- এক জনমের প্রতীক্ষা প্রহর... বাড়িয়ে দেয়া,
কার তরে... জানো না?
তবে জানতে চেয়ো না আর!
পা দু'খানা স্থবির... ভুল গন্তব্যের অবসাদে;
বিষন্নতার পায়রাগুলো ঠাঁই করে নিয়েছে-
বুক জুড়ে তৈরি করা খোপ-খোপ প্রকোষ্ঠে।
দু'চোখ অশ্রুবিহীন... খুঁজে পাবে এক মহাকালের খরা;
মস্তিস্কের প্রেমানুভূতির গ্রন্থি শুকিয়ে গেছে কবেই...
দেখলেই চেনা যায় যেন মৃত আগ্নেয়গিরি-
শীতল জমাট-বাঁধা সব আবেগের লাভা!
নাক-মুখ জুড়ে কষ্টের ঝাঁঝ...
দেখতে কি চাও?
তবে নিতে পারি ব্যবচ্ছেদিত দেহের এক দুঃখ-বিলাসী ভ্রমণে!




কবিতাটি লিখেছিলাম প্রায় এক বছর আগে... সামহোয়্যার ইন-এর ব্লগিং-জীবনের শুরুর দিকে। এই

নভেম্বর
০১

তোমার চোখে বাস্তবতা

সময় ১২:১৫:৪২

বিরহের পদাবলী (কবিতাগুচ্ছ)


বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে খুব ভয় হয় আজকাল-
হ্যাঁ, তোমাকে হারানোর শন্কায় ত্রস্ত আমি;
তবু অলৌকিকতায় অন্ধ বিশ্বাস রেখে আঁকড়ে ধরতে চাই তোমায়...
অথচ তুমিও কেমন বদলে গেলে পরিপার্শ্বের ছোঁয়ায়!
বলো, কেন নিজেকে এভাবে সরিয়ে নিচ্ছো?
তোমাকে না পাওয়ার কষ্ট এখনি দিচ্ছো কেন?
মনে করিয়ে দিতে চাও-
ফোনের ওপাশের তুমি আসলেই বহুদূরে?
নাকি বোঝাতে চাও-
পাশে বসা তোমাতে-আমাতে যোজন-যোজন ব্যবধান?
পরাজয়ের বিদীর্ণতা মেনে নেয়া না হয় অদৃষ্টে লেখা থাক্;
অন্ততঃ লড়তে তো দেবে নিয়তির সাথে!

তাতেও ভ্রুক্ষেপ নেই তোমার;
নিজেকে শক্ত করে নিচ্ছো? নাও....
তবে বলো শুধু- কার জন্য?
কেড়ে নাও আমার প্রতিটি প্রেরণা;
বলে যেও- কাকে দেবে বলে?
মন ছুয়েঁ গেছো এতো কাল-
তবু মন-কে বোঝোনি;
মেনে নিলাম,
এ আমার মনের-ই অপরাধ!
ভালোবাসা-ই যে ...

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫