প্রতীক্ষা অনন্তকাল.........

জানুয়ারি
০৩

আমার নতুন ঠিকানা.....

সময় ২২:১৭:০৯



সুহৃদ বন্ধু, ভাই-বোন ও ব্লগারগন, এখন থেকে এই নতুন ঠিকানায় আমাকে পাবেন......
আমার নতুন বাড়ীতে বেড়াতে আসার নিমন্ত্রন রইল......

আমার নতুন ...

ডিসেম্বর
৩০

নতুন বই......

সময় ২০:৪৮:৪৭


আজ আমাদের স্কুলের বাচ্চাদের হাতে নতুন বই তুলে দিলাম। সরকার এ বছর প্রাথমিক স্তরে সকল শিশুর জন্য নতুন বই দিয়েছে। তাই ওদের সবাই অনেক খুশি। সবাই দোয়া করবেন এই নিষ্পাপ মুখের এই সরল শিশুদের জন্য।
"আমরা যেন সুশিক্ষায় তাদেরকে সুশিক্ষিত করে জ্ঞানের আলোকিত পথে চালিত করতে পারি।" - নতুন বছরে এই আমার ...

  • ২৫টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
২৯

পালিক, এসো ফুলের রাজ্যে - ১০০

সময় ২৩:১১:৩৭

পালিক

হলুদ ক্ষুদ্র ফুলগুলো পাতাহীন লম্বা মঞ্জরীতে এককভাবে ফোটে ।

বর্ষজীবি বীরুৎ। সাধারণত ভেজা জলমগ্ন জায়গায় আগাছা হিসাবে জন্মাতে দেখা যায়। ১-৩ ফুট লম্বা হয়।

পাতা গুলো গভীর ভাবে ৩-৫টি খাঁজযুক্ত। প্রতিটি খন্ডক আবার ৩টি খাঁজ যুক্ত। নীচের দিকের পাতাগুলোর লম্বা বোটা থাকে।

বাংলা নাম: পালিক
অন্যান্য ভাষায় এর নাম: Cheerful Buttercup
বৈজ্ঞানিক নাম: Ranunculus sceleratus
গোত্র: ...

  • ২৩টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
২৯

ইউপেটোরিয়াম, এসো ফুলের রাজ্যে - ৯৯

সময় ০১:৪৩:০৪

ইউপেটোরিয়াম



ফুল ফোটে শাখা শীর্ষে। ফুল গুলো কিছুটা সুগন্ধয়ুক্ত, পার্পল রঙের। ফুল গুলো থেকে সাদা রঙের সুতার মত অংশ বের হয়ে থাকে।

ইউপেটোরিয়াম দেখতে অনেকটা জার্মানী লতার মত। উদ্ভিদটি ০.৫-৩মিটার লম্বা হয়। বুনো ঝোপ-ঝাড়, রাস্তার আশেপাশে এদের কে দেখা যায়। এর কান্ড কাষ্ঠল। পাতাগুলো দেখতে অনেকটা লেন্স আকৃতির ও কিনারা খাঁজ কাটা।


বাংলা নাম: ইউপেটোরিয়াম (বাংলায় এর কোন যুৎসই নাম আমি পাইনি)
অন্যান্য ভাষায় এর নাম: Burma Agrimony • Manipuri: লাঙথ্ৰৈ Langthrei
বৈজ্ঞানিক নাম: Eupatorium birmanicum
গোত্র: ...

  • ২১টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
২২

পপি, এসো ফুলের রাজ্যে - ৯৮

সময় ২১:৪৬:০১

পপি




পপি গাছের কষ-এ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অ্যালকালয়েড পাওয়া যায়। ফুল ফোটার ১-৩ সপ্তাহের মধ্যে অপরিনত বীজাধার চিরে তা থেকে এই কষ সংগ্রহ করা হয়।

সবুজাভ বীজাধার চিরে দেয়া হয়। সেই সমস্ত চেরা দিয়ে দুধের মত সাদা কষ বের হয়।

এই কষ সংগ্রহ করে পরবর্তীতে শুকানো হয়। মর্ফিন, কোডিন, নোসক্যাপিন, প্যাপাভারিন, থিবিন ইত্যাদি অ্যালকালয়েড শুকনো কষ থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় আলাদা করা হয়।

পপি বীজ থেকে এক ধরনের তেল পাওয়া যায়।


পপি একটি বর্ষজীবী উদ্ভিদ। পপি উদ্ভিদ ১.২ মিটার লম্বা হয়। এটা ওপিয়াম পপি নামেও পরিচিত। পপি অনেক দেশে প্রচুর পরিমানে চাষ করা হয়। বিশেষ করে ইরান, তুর্কি, হল্যান্ড, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, ইউগোস্লাভিয়া, ভারত, কানাডা, এশিয়ার অনেক দেশ এবং মধ্য ও উত্তর আমেরিকার দেশ সমুহ।

  • ৩৯টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
২১

পদ্ম, এসো ফুলের রাজ্যে- ৯৭

সময় ২৩:১১:৩৭

পদ্ম


পদ্ম ফুল বড় পিংক বা সাদা পাপড়ীযুক্ত।

পদ্মের পত্রবৃন্ত কিছুটা পানির উপরে থাকে।

বড় গোলাকার পাতাগুলিতে মাইক্রোস্কোপিক রোম থাকে যা পাতা গুলিকে শুকনা রাখে বৃষ্টি ও পানি থেকে।

পাপড়ীগুলো ঝরে গেলে শুধু একটি বীজাধার থাকে, যার উপরিভাগ সমতল, কয়েকটি কক্ষ বিশিষ্ট, অনেকটা মৌচাকের মত দেখতে। প্রতিটি কক্ষে একটি করে বীজ থাকে। অনেকে এই বীজ থেয়ে থাকে।
ভারতের জাতীয় ফুল পদ্ম। বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে পদ্মের ব্যবহার রয়েছে।

বাংলা নাম: পদ্ম
অন্যান্য ভাষায় এর নাম: Lotus, Sacred lotus, East Indian Lotus • Hindi: कमल Kamal, Pundarika, पद्म Padma • Manipuri: থম্বাল Thambal • Marathi: Pandkanda, कमल Kamal • Tamil: செந்தாமரை chenthaamarai, Tamarai, அம்பல் Ambal • Malayalam: Tamara • Telugu: Tamara, Erra-tamara • Kannada: Tavare-gadde • Bengali: কমল Komol, পদ্মা Padma • Oriya: ପଦମ Padam • Urdu: نیلوفر Nilufer • Assamese: Padam • Gujarati: Motunkamal • Sanskrit: सरसिज Sarsija, Pankeruha , शारदा Sharada, अम्बुज Ambuj
বৈজ্ঞানিক ...

  • ২৪টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
২০

গাব, এসো ফুলের রাজ্যে - ৯৬

সময় ২১:৪২:৫২

গাব


ফুল ক্রিম রঙের, একটা গুচ্ছে ৩-৬টি ফোটে।



গাব একটি চিরসবুজ বৃক্ষ। এর মাথাটা ঝোপালো। পাতা গুলো মোটা, চর্মবৎ, লম্বা ও চকচকে।


ফল কচি অবস্থায় সবুজ রঙের, একটু পরিপক্ক হলে এর গায়ে গাঢ় বাদামী রঙের একটা আস্তরণ পড়ে এবং সম্পূর্ণ পরিপক্ক হলে হলদেটে রঙ ধারণ করে। গাব গাছের কাঁচা ফল পঁচিয়ে এক ধরণের রঞ্জক পাওয়া যায় যা দিয়ে জেলেরা তাদের জালে রঙ করে এতে করে জাল পানিতে সহজে নষ্ট হয় না, অনেকদিন টিকে।


বিলাতী গাব পাকলে মিষ্টি এবং সুস্বাদু। এটি দেশী গাব-এর চেয়ে আকারে বড়।

বাংলা নাম: গাব
অন্যান্য ভাষায় এর নাম: Gaub गाब (Hindi), தும்பிகா Tumbika (Tamil), Temburi (Marathi), Panancca (Malayalam), Bandadamara (Telugu), Holitupare (Kannada)
বৈজ্ঞানিক নাম: Diospyros malabarica
গোত্র: ...

  • ১৮টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
১৬

পুঁইশাক, এসো ফুলের রাজ্যে - ৯৫

সময় ১৭:৩৩:১৪

পুঁই শাক


ফুল গুলো ছোট, সাদা এবং ফুলের অগ্রভাগ পিংক রঙে রঞ্জিত। পাতার কক্ষ থেকে পুষ্পমঞ্জরী বের হয়।


ফলগুলো ছোট মটরদানার মত, পাকলে গাঢ় পর্পল রঙের, পাকা ফলের পার্পল কালো রস অনেক সময় রঙ করতে ব্যবহার করা হয়। ছেলেবেলায় আমি নিজে ও এই ফল দিয়া অনেক ছবি আঁকছি।

পাতা গুলো বড়, মাংসল। এরা প্রচন্ড গরম সহিষ্ঞু।

সব্জি হিসেবে আমাদের দেশে ব্যাপক জনপ্রিয় পুঁইশাক। ভিটামিন 'এ'-এর অন্যতম উৎস।


বানিজ্যিক ভাবে চাষের ক্ষেত্রে প্রথমে বীজতলায় চারা তৈরী করা হয়। পরে ক্ষেতে একটু ফাঁকা ফাঁকা করে চারাগুলো লাগানো হয়।


বাংলা নাম: পুঁই শাক
অন্যান্য ভাষায় নাম: Ceylon spinach, Indian spinach, Malabar Spinach, Red vine spinach, Vine spinach • Hindi: Poi पोई • Manipuri: Urok Shumban • Konkani: Valchi Bhagi • Tamil: Vasalakkirai • Kannada: Bansali • Marathi: Velbendi • Gujarati: Valchi Bhagi • Malayalam: Vasalaccira • Sanskrit: Upodika • Bengali: Pui Shaak
বৈজ্ঞানিক নাম: Basella alba var. rubra
গোত্র: ...

  • ২৮টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
১৩

বিজয়.......

সময় ১৭:৩৬:২৩



রাতের আঁধারে কাপুরুষ
নীরিহ মানুষের জীবন কেড়ে
অবলার সম্ভ্রম লুটে,
স্বর্নসন্তানদের হত্যা করে,
চেয়েছিল ওরা
আমাদের কাঙ্খিত স্বপ্নকে মুছে দিতে।

ভেবেছিল ওরা
ঘুমিয়ে সব মায়ের সন্তান।

অথচ জানতনা, কালের অন্ধকারে,
জেগে থাকে সে মায়েরা,
পাহারায় রাখে সন্তানদের,
দেশের/দশের স্বপ্নপূরণে
কোরবানী দিতে সে সন্তানেরে
আশির্বাদ করে পাঠায় যুদ্ধ ময়দানে।

( যারা ’আনিসুল হক’ এর ”মা” উপন্যাসটা এখন্ও পড়েননি, আসুন তারা এই বিজয়ের মাসে উপন্যাসটি সংগ্রহ করে পড়ে নিই এবং জেনে নিই আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে মহান মায়েদের সে আত্মত্যাগের কাহিনী )

বইটা এখানে ও পেতে পারেন..

  • ১৪টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
০৯

বেথোশাক, বেথুয়া, চন্দনবেথু, এসো ফুলের রাজ্যে - ৯৪

সময় ২১:৩১:০৯

বেথোশাক, বেথুয়া, চন্দনবেথু


বেথুয়া ফুল অতি ক্ষুদ্র, পুষ্পমঞ্জরীতে অত্যন্ত ঘন হয়ে ফোটে। এর পুষ্পমঞ্জরী ১০-৪০ সে.মি. লম্বা হয়।



বেথুয়া দ্রুত বর্ধনশীল বর্ষজীবী আগাছা জাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণত সর্বত্রই জন্মায় তবে ভেজা পরিত্যক্ত জমিতে, অন্যান্য ফসলের সাথে আগাছা হিসেবে বিশেষ করে শীতের সময় গমের ক্ষেতে এই উদ্ভিদকে প্রচুর পরিমানে জন্মাতে দেখা যায়। উচ্চতায় ৩০-৮০ সে.মি. হয়।


এর পাতা দেখতে মোমাবৃত, সহজে ভেজে না এবং পাতার নীচের পৃষ্ঠ সাদাটে।


বেথুয়া সব্জি হিসেবে খাওয়া হয়। কচি গাছের সম্পূর্ণ অংশ এবং বয়স্ক গাছের শুধুমাত্র পাতা সব্জি হিসেবে অতি উপাদেয়। প্রতিটি উদ্ভিদ থেকে হাজার হাজার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কালো রঙের বীজ পাওয়া যায়, বীজ গুলো পুষ্টিকর, এতে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম। এর ইংরেজী নামটা ...

  • ২১টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫