![]()
ব্রাত্য রাইসু: মাহমুদ ভাই, বললেন জ্বর আসছে আপনার, সিগরেট খাচ্ছেন যে?
আল মাহমুদ: সিগারেট খাচ্ছি, সিগারেট ছাড়া থাকতে পারি না, কী করবো? মানুষের তো…এটাই তো আছে। আর তো কোনো শখ নাই, কিছু নাই। কোনো কিছু করি না।
জয় গোস্বামী: আপনি সুরা পান করেন না?
মাহমুদ: না। আমি সুরা পান করতে পারি না। সুরা পান করলে আমি অসুস্থ হয়ে যাই।
জয়: আপনার চোখের অবস্থা ভালো নয়, কিন্তু আমি আমার কবিতা সংগ্রহ-এর তৃতীয় খণ্ডটি নিয়ে এসেছি। আপনার কাছে রেখে যাবো। কখনো সময় পেলে একটু উলটে দেখবেন।
মাহমুদ: ঠিক আছে, আমি দেখব।
জয়: কখনো সুযোগ পেলে একটু বইটা পড়ে দেখবেন। এই আর কি।…বাবা তোমার নাম কী? (ঘরে আসা একটি মেয়েকে নাম জিজ্ঞেস করেন জয় গোস্বামী।)
মাহমুদ: এই, এদিকে আসো, নাম বলো। (আল মাহমুদ মেয়েটিকে নাম বলতে বলেন।)
জয়: নাম কী? অ্যাঁ?
মেয়েটি: প্রথমা।
জয়: প্র থ মা! ও বাবা! কী সুন্দর নাম!
মাহমুদ: আমার নাতনী।
জয়: বুঝেছি। কাবেরী (জয় গোস্বামীর স্ত্রী) আসতে পারল না এজন্যে যে আজগে যেহেতু আমরা চলে যাব, আমাদের সমস্ত কিছু এদিক-ওদিক হয়ে গেছে। সকাল থেকে লোক আসতে শুরু করেছে হোটেলের ঘরে। বিভিন্ন কারণে দেখা ...
![]()
২৯ মে ২০০৮ তারিখে সাপ্তাহিক কাগজ-এর তরফে একটি মাসিক বৈঠকি আনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকির আলোচনার বিষয় ছিল ‘কবিতায় আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার’। বৈঠকিতে অংশ নেন কবি মোহাম্মদ রফিক, জাহিদ হায়দার, শিহাব সরকার, তুষার দাশ, আবদুর রব, ব্রাত্য রাইসু, মাদল হাসান, সাখাওয়াত টিপু, মাতিয়ার রাফায়েল, ডেভিড সজ্জন বিপ্লব ও জহির হাসান। এতে সঞ্চালক হিসেবে ছিলেন ফরিদ কবির। গ্রন্থনা করেছেন মাহমুদ সীমান্ত। বৈঠকির ছবি তুলেছেন সুবীর কুমার।
ফরিদ কবির: যে আলোচনার জন্য আমরা এখানে এসেছি সেটা শুরু করি। এটাকে আমরা আড্ডা হিসেবেই চিহ্নিত করি। আড্ডায় আমরা একটা বিষয়; সেটা হচ্ছে ‘বাংলা কবিতায় আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার’। সবাইকে আমার শুভেচ্ছা, আমার কৃতজ্ঞতা যে আপনার আমার অনুরোধে এসেছেন। আমার মনে হয় এটা ভালো হবে যে, প্রথমে সবাই দু’মিনিটি করে বলি। তারপর বিস্তারিত আলোচনায় যাই। বাংলা কবিতায় ইদানিং আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার দেখা যাচ্ছে, এটার সম্ভাবনা বা ক্ষতিকর দিক কি কি থাকতে পারে? আমার অনুরোধ সবাই দু’ মিনিট করে বলবেন। সবার মতামত পেয়ে গেলে আমরা বিস্তারিত আলোচনায় যাবো। আমরা কি শুরু করতে পারি...?
মোহাম্মদ রফিক: দু’মিনিটেই কি তুমি ...
![]()
২১শে ফেব্রুয়ারি কোনো ইংরেজি তারিখ না। এইটা বৈশ্বিক একটা সময় পরিমাপক। বাংলাদেশের জন্য ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলা তারিখই। ফলে যারা ৮ই ফাল্গুনের শহীদদের কেন ২১শে ফেব্রুয়ারিতে স্মরণ করা হয় বইলা হুতাশন করেন তারা ক্ষুদ্র দেশদর্শীতায় ভূগতেছেন। আগের দিনে দেশে দেশে দেশে এত যোগাযোগ আছিল না। একেক জায়গা একেক টাইম দিয়া চলত। এখন দুনিয়া খ্রীস্টান টাইমে বান্ধা পইড়া গেছে। যাওয়াটা অনুচিত হইছে। কিন্তু এইটাই সাময়িক বাস্তবতা। বাংলা টাইমরে দুনিয়াবী করনের উদযোগ নেওন যায়। তাতে সমস্যা একই। আর তা যদি না করা হয় তাইলে বাংলা টাইম লালন-পালন করাটা খারাপ না। ঘরের ছাদে লাউয়ের মাচা যেমন ভালো... তেমন ভালো তো বটেই।
লাউয়ের মাচা ভালো, দেশের ফাল্গুন ভালো। চাষবাসের ক্ষেত্রে যদি বাংলা তারিখগুলা কাজ দেয় খুবই ভালো। কিন্তু তা দেশের ভিতরের কর্মকাণ্ডের জন্যই ভালো। যারা ফকিন্নী, যাগোরে ঠকাইতে হইব তাগোর জন্য আমরা দেশী তারিখ বরাদ্দ রাখমু। অরা, অই চাষারা বাংলা তারিখ দেইকখা ধান চাষ করুক, আলু চাষ করুক, শিং চাষ করুক, নীল চাষ করুক। বাংলা তারিখ এগুলার জন্য হেল্পফুল। বাইরের লগে যোগাযোগের জন্য ঐ তারিখ কোনো কাজে আসবে না, ...
এক.
যখন রাত্রি হয় তিনি আসেন। হাতে ফুল। দেখি হাসছেন। আমিও হাসলাম। তিনি হাসতে হাসতে ঘরে ঢুকলেন। জিজ্ঞেস করলেন ভালো আছি কি-না। নাম জিজ্ঞেস করায় বললেন ‘ফুলিস’। পরে জেনেছি, ফুল ভালোবাসেন বলেই এ-নাম। ভদ্রলোক এসেছেন দায়িত্ব পালনের জন্যে। জানতে চাইলেন কয়বার হয়েছে। আমি ‘না’ বলতেই তিনি দপ করে গম্ভীর হয়ে গেলেন। বললেন, ‘যান গিয়া ঢোকেন এখনই।’ আমি টয়লেটে ঢুকতেই তিনি বাঁশি বাজাতে শুরু করলেন।
দুই.
মধ্যবয়স্ক এক ভদ্রলোক এলেন ফুল নিয়ে। ‘কী ব্যাপার, ফুল কেন!’ তিনি বললেন, ‘আই লাইক ইউ ভেরি মাচ, দয়া করে ফুলটুকু ফিরিয়ে দেবেন না।’
আমি নিলাম তাঁর ফুলটুকু, ‘আপনার বউবাচ্চা কিছু নেই?’
‘জ্বি আছে। বউ আছে। বাচ্চা নেই। নিজের বাগানের ফুল।’
(এখানে একটি শব্দ তারকাচিন্হে প্রতিস্থাপিত হওয়ায় গল্পটি মুছে তার লিংক দেওয়া হইল।)ক্লিক ...
Phonetic
Probhat
Inscript
Unijoy
Bijoy
English
Virtual