পুকুর অধ্যায় এবং যাত্রা পাহাড়পুর
ইচ্ছে ছিল পুরা চড়ুই ভাতিটা ডায়েরীতে লিখব। কিন্তু আলসেমীর কারণে সেটা হয় নাই। এখন মন্তব্যের লোভেও যদি হয়ে যায় সেটা মন্দ কি। চড়ুই ভাতি নিয়ে এত কচলানো দেখে কেউ বিরক্ত হলে আগে থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি। সবার জন্য শুভ কামনা।
২০ তারিখ সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে দেখি এলাহি কান্ড। তদন্ত চলছে কে কে নাক ডেকেছে রাতে তা নিয়ে। কেউ দেখি নাক ডেকেছে ব্যাপারটা স্বীকার করছে না। হান্নান ভাই রাতে উনার মোবাইলে নাক ডাকার শব্দগুলো রেকর্ড করেছেন। সেগুলো শুনালেন।
রাফেল ভাইয়ের কাছ থেকে ল্যাপটপ চেয়ে নিলাম। ১৯ তারিখ রাতের বেলার ঘটনাগুলো নিয়ে পোস্ট দেওয়া জন্য মনের মাধুরী মিশিয়ে একটি পোস্ট লিখে ফেললাম। তা পোস্ট দিতে যাবো এই সময় দেখি প্রথম আলো ব্লগ উদাও হয়ে আছে। অদৃশ্য প্রথম আলো ব্লগ। মন খারাপ হলো পোস্টটি দিতে না পারায়।
সবাই নিচে নামছে। কাহিনী কি। মুখ হাত ধুয়ে নিচে গিয়ে দেখি চক্ষু চড়ক গাছ। জগের পর জগ খেজুরের রস দেওয়া হচ্ছে। সাথে বিশাল বিশাল ধুয়া উঠা ভাপা পিঠা। আমিও এক গ্লাস নিলাম। ধ্রুবো ভাই নাকি তিন গ্লাস খেয়েছেন। এত বড় ভাপা পিঠা আমি একা খেতে পারব না। তাই পিঠা নেওয়ার সাহস করলাম না । পরে কোন এক ব্লগার পিঠার বেশির ভাগ অংশ নিয়ে শেষ একটি অংশ আমাকে দিলেন। খেলাম সেটা তৃপ্তি সহকারে।
জামান ভাই বার বার বলছেন আজই নাকি আসল চড়ুই ভাতি। মনে প্রশ্ন জাগল গতকালেরটা নকল ছিল নাকি??
। এদিকে দেখি বিশাল জাল বিন্যস্ত করতে ব্যস্ত দশ জন জেলে। তারা পুকুরে মাছ ধরবে। এই পর্বটা অনেক আকর্ষনীয়। সবাই এদিক ঐদিক ঘুরছে। নিজ খুশীমত। কারো ট্যাবলেটের দরকার হলে সে খুঁজছে সারোয়ার ভাইকে। না কেউ আবার ভেবে বসবেন না উনি ডাক্তার। সারোয়ার ভাই আগের দিন রাতে আড্ডায় ঘোষণা দিয়েছিলেন তাহার কাছে সবধরণের ঔষুধ আছে। ছোট খাটো একটা ক্যানভাসও দিয়ে দিয়েছিলেন রাতে। তখন এক ব্লগার ভাই প্রশ্ন করলেন, ভাই ঐ ধরণের ঔষুধও আছে নাকি? । সারোয়ার ভাইয়ের উত্তর, হা আছে আছে। সবাই হাসিতে ফেটে পড়ল। ঐ ধরণের ঔষুধও আছে শুনে। 
আমি নামছিলাম উপর থেকে। জিয়া রায়হান ভাইয়ের মা আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি খেজুরের রস, পিঠা, খেয়েছো তো? বললাম, জ্বী খেয়েছি। অচেনা সবার প্রতি এই পরিবারের আন্তরিকতায় মুগ্ধ আমি। অনেক অনেক অনেক অনেক মুগ্ধ।
কিছুক্ষণ পর সকালে আবার নাস্তার জন্য ডাকা হলো। যার যা ইচ্ছা। পরোটা এবং বিরায়ানী। যার যেটা খেতে ইচ্ছা তা সে খাচ্ছে।
সবাই পুকুর পাড়ে। ঘোষণা আছে, মাছ ধরা হবে। জেলেরা সম্পূর্ণ পুকুরে জাল ছড়ায় দিল। সেটা টানতে টানতে সিড়ি পাড় থেকে অপর প্রান্তে আস্তে আস্তে আসতে লাগল। অপর প্রান্তে যখন জাল আনা শেষ হলো তখন জালের ভিতর অনেক অনেক মাছ। লাফালাফি করছে মাছগুলো। পরাধীনতা কার ভাল লাগে। মাছগুলোও পরাধীনতা পছন্দ করে না। বিশাল বিশাল মাছ। আট থেকে দশ কেজি ওজনের মাছ। তবে মাছ গুলোর ভাগ্য ভাল। প্রতিটি মাছ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সবাই পুকুর পাড়ে চিল্লাচ্ছিলো। জেলেরা বার বার মানা করছিলো না চিল্লাতে। চিল্লালে নাকি মাছগুলো বেশি লাফায়। মাছগুলো সামলে রাখতে কষ্ট হচ্ছে জেলেদের। এজন্য তারা সবাইকে অনুরোধ করছিলো যাতে না চিল্লায়। কিন্তু কে কার অনুরোধ রাখে। সবাই খুশীতে আত্মহারা। খুশী কি নিষেধাজ্ঞা মানে??
এদিকে মাছ ধরার লোভেই হয়ত সৈকত ভাই পুকুরে নেমেছেন গোসল করতে। তিনি আসলেন মাছ ধরতে। তার হাতে মাছ ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। আর তিনি মাছের দিকে চেয়ে কখনো বা ক্যামেরার দিকে চেয়ে মাছের মডেল হয়ে ছবি তুলছেন। আব্দুল হান্নান ভাইও শার্ট প্যান্ট পরা অবস্থায় পুকুরে নেমে গেলেন। তিনিও মডেল হবেন। ওনার হাতেও মাছ দেওয়া হলো। ওনারা এক একটা মাছ ধরছেন আর ছেড়ে দিচ্ছেন। এরি মধ্যে দেখা গেলো জালের মধ্যে মাছের সঙ্গী একটা সাপ। মনে করেছিলাম কেউ কেউ সাপ দেখে ভয়ে পুকুর পাড় ছাড়বে। দেখলাম সবাই সাহসী। কেউ পুকুর পাড় ছেড়ে গেলো না। সাপটি একটি জেলে হাতে ধরে ফেলে দিলেন। এরিমধ্যে একজন জেলেকে নাকি সাপে কামড় দিয়েছে।
এত্ত বড় বড় মাছ দেখে সবাই খুশী। ব্যতিক্রমী এক আনন্দের একটা সময়ের স্বাক্ষী হয়ে গেল চড়–ই ভাতি পাহাড়পুর- অংশ গ্রহণকারী ব্লগাররা।
তা মোটামুটি শেষ। সবাই এবার যাবে পাহাড়পুর। গাড়ীতে উঠতে বলা হলো। গাড়ীতে উঠে পড়লাম। হাফিজ ভাই আমাদের গাড়ীতে সামনের সিটে বসতে পেরে মহা খুশী। ড্রাইভারের পাশে সিট পেয়েছেন তিনি। কারিম ভাই তা দেখে ওনাকে ক্ষেপাতে লাগলেন। বললেন, সামনের সিটে কারো বসার আগ্রহ নেই। কাল জোর করে মহসীনকে বসাতে হয়েছে। সামনের সিটে বসলে পিছনের জনদের সাথে গল্পে অংশগ্রহণ করা কষ্টকর। ঘাড় বাঁকা করে পিছনে ফিরতে হয়।
আর হাফিজ ভাই দেখি মহা খুশী। কারিম আরো মজার মজার কথা বললেন। এখন মনে পড়ছে না। কারিম ভাইয়ের যুক্তিগুলো শুনে হাফিজ ভাইয়ের সামনের সিটে বসার কিছুটা আনন্দ মলিন হলো বটে।
আমাদের গাড়ী সবার আগে রওয়ানা দিল পাহাড়পুরের উদ্দেশ্যে। গাড়ী চলছে। এসময় জামান ভাই ফোন দিয়ে জানালেন কোথাও দাঁড়াতে। তো সুন্দর একটা গ্রামের মত এলাকায় গাড়ি দাঁড়ালো।
ধূমপায়ী ভাইরা মহা খুশী। তারা নেমে মনের টানে বিড়ি থক্কু সিগারেট টানতে লাগলেন।
কিছুক্ষণ পর গাড়ীর শব্দ পাওয়া গেল। দেখা গেল চড়ুই ভাতির আরেকটি গাড়ি এসেছে। তা দেখে আমাদের গাড়ী রওয়ানা দিল আবার। আমাদের গাড়ীর ড্রাইভারটা অনেক ভদ্র। খুব হেল্পফুল ধরণের লোক। মাঝে মাঝে শুনি ইসলামী সংগীতে আওয়াজ। কোথা থেকে আসে ? দেখি আসছে ড্রাইভার ভাইয়ের পকেট থেকে। তার রিংটোনটি ইসলামী সংগীতের।
আমাদের সাথে আছে মজার মানুষ কবিরনি ভাই এবং পাশা ভাই। মুহূর্তের মধ্যে আড্ডাকে জমিয়ে দিতে পারেন।
গাড়ী চলছে। চলছে আমাদের আড্ডা।
আমরা চলছি পাহাড়পুরের পথে............................
আমার স্মৃতি শক্তি আমার সাথে প্রায়ই সময় কানামাছি খেলতে পছন্দ করে। কোন ভুল হলে শুধরায় দিবেন আশা করি চড়ুই ভাতির ব্লগাররা।
চড়ুইভাতি পাহাড়পুর নিয়ে অন্য পোস্টগুলো--
জিয়া রায়হান ভাইদের বাড়ি০২ ( আনন্দ প্রতিটি কোণায় কোণায়)
জিয়া রায়হান ভাইয়ের বাড়ি০১ (যেন আনন্দের পুণ্যভূমি)
১৯ তারিখ রাতের বেলা, চড়ুইভাতি পাহাড়পুর
জয়পুরহাট (সুন্দর মুহূর্ত )
পাহাড়পুর দর্শন (অনাবিল খুশির ফোয়ারা)
যাত্রাপথে ০২ চড়ুইভাতি পাহাড়পুর
যাত্রা পথে ০১
২০ তারিখ সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে দেখি এলাহি কান্ড। তদন্ত চলছে কে কে নাক ডেকেছে রাতে তা নিয়ে। কেউ দেখি নাক ডেকেছে ব্যাপারটা স্বীকার করছে না। হান্নান ভাই রাতে উনার মোবাইলে নাক ডাকার শব্দগুলো রেকর্ড করেছেন। সেগুলো শুনালেন।
রাফেল ভাইয়ের কাছ থেকে ল্যাপটপ চেয়ে নিলাম। ১৯ তারিখ রাতের বেলার ঘটনাগুলো নিয়ে পোস্ট দেওয়া জন্য মনের মাধুরী মিশিয়ে একটি পোস্ট লিখে ফেললাম। তা পোস্ট দিতে যাবো এই সময় দেখি প্রথম আলো ব্লগ উদাও হয়ে আছে। অদৃশ্য প্রথম আলো ব্লগ। মন খারাপ হলো পোস্টটি দিতে না পারায়।
সবাই নিচে নামছে। কাহিনী কি। মুখ হাত ধুয়ে নিচে গিয়ে দেখি চক্ষু চড়ক গাছ। জগের পর জগ খেজুরের রস দেওয়া হচ্ছে। সাথে বিশাল বিশাল ধুয়া উঠা ভাপা পিঠা। আমিও এক গ্লাস নিলাম। ধ্রুবো ভাই নাকি তিন গ্লাস খেয়েছেন। এত বড় ভাপা পিঠা আমি একা খেতে পারব না। তাই পিঠা নেওয়ার সাহস করলাম না । পরে কোন এক ব্লগার পিঠার বেশির ভাগ অংশ নিয়ে শেষ একটি অংশ আমাকে দিলেন। খেলাম সেটা তৃপ্তি সহকারে।
জামান ভাই বার বার বলছেন আজই নাকি আসল চড়ুই ভাতি। মনে প্রশ্ন জাগল গতকালেরটা নকল ছিল নাকি??
আমি নামছিলাম উপর থেকে। জিয়া রায়হান ভাইয়ের মা আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি খেজুরের রস, পিঠা, খেয়েছো তো? বললাম, জ্বী খেয়েছি। অচেনা সবার প্রতি এই পরিবারের আন্তরিকতায় মুগ্ধ আমি। অনেক অনেক অনেক অনেক মুগ্ধ।
কিছুক্ষণ পর সকালে আবার নাস্তার জন্য ডাকা হলো। যার যা ইচ্ছা। পরোটা এবং বিরায়ানী। যার যেটা খেতে ইচ্ছা তা সে খাচ্ছে।
সবাই পুকুর পাড়ে। ঘোষণা আছে, মাছ ধরা হবে। জেলেরা সম্পূর্ণ পুকুরে জাল ছড়ায় দিল। সেটা টানতে টানতে সিড়ি পাড় থেকে অপর প্রান্তে আস্তে আস্তে আসতে লাগল। অপর প্রান্তে যখন জাল আনা শেষ হলো তখন জালের ভিতর অনেক অনেক মাছ। লাফালাফি করছে মাছগুলো। পরাধীনতা কার ভাল লাগে। মাছগুলোও পরাধীনতা পছন্দ করে না। বিশাল বিশাল মাছ। আট থেকে দশ কেজি ওজনের মাছ। তবে মাছ গুলোর ভাগ্য ভাল। প্রতিটি মাছ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সবাই পুকুর পাড়ে চিল্লাচ্ছিলো। জেলেরা বার বার মানা করছিলো না চিল্লাতে। চিল্লালে নাকি মাছগুলো বেশি লাফায়। মাছগুলো সামলে রাখতে কষ্ট হচ্ছে জেলেদের। এজন্য তারা সবাইকে অনুরোধ করছিলো যাতে না চিল্লায়। কিন্তু কে কার অনুরোধ রাখে। সবাই খুশীতে আত্মহারা। খুশী কি নিষেধাজ্ঞা মানে??
এদিকে মাছ ধরার লোভেই হয়ত সৈকত ভাই পুকুরে নেমেছেন গোসল করতে। তিনি আসলেন মাছ ধরতে। তার হাতে মাছ ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। আর তিনি মাছের দিকে চেয়ে কখনো বা ক্যামেরার দিকে চেয়ে মাছের মডেল হয়ে ছবি তুলছেন। আব্দুল হান্নান ভাইও শার্ট প্যান্ট পরা অবস্থায় পুকুরে নেমে গেলেন। তিনিও মডেল হবেন। ওনার হাতেও মাছ দেওয়া হলো। ওনারা এক একটা মাছ ধরছেন আর ছেড়ে দিচ্ছেন। এরি মধ্যে দেখা গেলো জালের মধ্যে মাছের সঙ্গী একটা সাপ। মনে করেছিলাম কেউ কেউ সাপ দেখে ভয়ে পুকুর পাড় ছাড়বে। দেখলাম সবাই সাহসী। কেউ পুকুর পাড় ছেড়ে গেলো না। সাপটি একটি জেলে হাতে ধরে ফেলে দিলেন। এরিমধ্যে একজন জেলেকে নাকি সাপে কামড় দিয়েছে।
এত্ত বড় বড় মাছ দেখে সবাই খুশী। ব্যতিক্রমী এক আনন্দের একটা সময়ের স্বাক্ষী হয়ে গেল চড়–ই ভাতি পাহাড়পুর- অংশ গ্রহণকারী ব্লগাররা।
তা মোটামুটি শেষ। সবাই এবার যাবে পাহাড়পুর। গাড়ীতে উঠতে বলা হলো। গাড়ীতে উঠে পড়লাম। হাফিজ ভাই আমাদের গাড়ীতে সামনের সিটে বসতে পেরে মহা খুশী। ড্রাইভারের পাশে সিট পেয়েছেন তিনি। কারিম ভাই তা দেখে ওনাকে ক্ষেপাতে লাগলেন। বললেন, সামনের সিটে কারো বসার আগ্রহ নেই। কাল জোর করে মহসীনকে বসাতে হয়েছে। সামনের সিটে বসলে পিছনের জনদের সাথে গল্পে অংশগ্রহণ করা কষ্টকর। ঘাড় বাঁকা করে পিছনে ফিরতে হয়।
আর হাফিজ ভাই দেখি মহা খুশী। কারিম আরো মজার মজার কথা বললেন। এখন মনে পড়ছে না। কারিম ভাইয়ের যুক্তিগুলো শুনে হাফিজ ভাইয়ের সামনের সিটে বসার কিছুটা আনন্দ মলিন হলো বটে।
আমাদের গাড়ী সবার আগে রওয়ানা দিল পাহাড়পুরের উদ্দেশ্যে। গাড়ী চলছে। এসময় জামান ভাই ফোন দিয়ে জানালেন কোথাও দাঁড়াতে। তো সুন্দর একটা গ্রামের মত এলাকায় গাড়ি দাঁড়ালো।
ধূমপায়ী ভাইরা মহা খুশী। তারা নেমে মনের টানে বিড়ি থক্কু সিগারেট টানতে লাগলেন।
কিছুক্ষণ পর গাড়ীর শব্দ পাওয়া গেল। দেখা গেল চড়ুই ভাতির আরেকটি গাড়ি এসেছে। তা দেখে আমাদের গাড়ী রওয়ানা দিল আবার। আমাদের গাড়ীর ড্রাইভারটা অনেক ভদ্র। খুব হেল্পফুল ধরণের লোক। মাঝে মাঝে শুনি ইসলামী সংগীতে আওয়াজ। কোথা থেকে আসে ? দেখি আসছে ড্রাইভার ভাইয়ের পকেট থেকে। তার রিংটোনটি ইসলামী সংগীতের।
আমাদের সাথে আছে মজার মানুষ কবিরনি ভাই এবং পাশা ভাই। মুহূর্তের মধ্যে আড্ডাকে জমিয়ে দিতে পারেন।
গাড়ী চলছে। চলছে আমাদের আড্ডা।
আমরা চলছি পাহাড়পুরের পথে............................
আমার স্মৃতি শক্তি আমার সাথে প্রায়ই সময় কানামাছি খেলতে পছন্দ করে। কোন ভুল হলে শুধরায় দিবেন আশা করি চড়ুই ভাতির ব্লগাররা।
চড়ুইভাতি পাহাড়পুর নিয়ে অন্য পোস্টগুলো--
জিয়া রায়হান ভাইদের বাড়ি০২ ( আনন্দ প্রতিটি কোণায় কোণায়)
জিয়া রায়হান ভাইয়ের বাড়ি০১ (যেন আনন্দের পুণ্যভূমি)
১৯ তারিখ রাতের বেলা, চড়ুইভাতি পাহাড়পুর
জয়পুরহাট (সুন্দর মুহূর্ত )
পাহাড়পুর দর্শন (অনাবিল খুশির ফোয়ারা)
যাত্রাপথে ০২ চড়ুইভাতি পাহাড়পুর
যাত্রা পথে ০১
লেখক বই পাগল
- বই পাগল -এর ব্লগ
- ৪৭ টি মন্তব্য
- ১৩ মার্চ ২০১০, ১০:২১
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৪৭ টি মন্তব্য
-
কবির য়াহমদ১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৪২
সকাল হতেই সবাই একটা আলোচনার টপিক পেয়ে যায়, বিষয় নাক ডাকা। কারিম ভাই প্রসঙ্গটা তুলে উধাও। অবশ্য তাকেও আমরা সন্দেহের বাইরে রাখিনি।
সবাই বলছিল আমার নাক ডেকেছিল কিন্তু আমি অস্বীকার করছিলাম সমানে
এখনো করছি
।
ভালো থাকবেন
-
নীল কাব্য১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৪২
ইশশিরেওওওওওও এই সাত সকালে এমন একটা পোষ্ট দিলেন? মানটা ফালাইতাছে, ক্যান যে গেলাম না
-
রাফেল১৩ মার্চ ২০১০, ১১:১৬
কিছুক্ষণ পর সকালে আবার নাস্তার জন্য ডাকা হলো। যার যা ইচ্ছা। পরোটা এবং বিরায়ানী। যার যেটা খেতে ইচ্ছা তা সে খাচ্ছে।
ঐটা বিরয়ানী ছিলনাতো খিচুরী ছিলো।
ভালো লাগলো পড়ে
ধন্যবাদ বই পাগল ভাই -
নীলসাধু১৩ মার্চ ২০১০, ১১:৪৯
সুন্দর লিখেছেন।
আমি সবার সঙ্গে গিয়েও এসব কর্মকান্ডে অংশ নিতে পারিনি।
আফসোস।
এসব যখন হচ্ছে আমি তখন বিছানায় ! কি আফসোস!!
শুভেচ্ছা নিন বই পাগল। -
রাজিন১৩ মার্চ ২০১০, ১১:৫২
আহ! আপনাদের চড়ুইভাতির কাহিনী শুনলে একই সাথে ভাল লাগে আবার আফসোস হয়
এ এক অন্যরকম অনুভূতি -
জেড এইচ সৈকত১৩ মার্চ ২০১০, ০১:৩০
আমি ছবি সহ পোস্ট দিব আজ বিকেল নাগাদ। জিয়া ভাইয়ের প্রতি অনুরোধ পোস্টটা দেখার জন্য। -
রঙের মানুষ রঙ্গীলা (সুজা)১৪ মার্চ ২০১০, ০৭:৩৪
আর কত দেখাইবেন আর আফসোস করাবেন আমদেরকে? বড় এক্কান আফসোসের ইমো হবে
ধন্যবাদ বিপি ভাই।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য








নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
আর কত অন্তর জ্বালাইবেন? আর কত পর্ব আছে এখনই বলেন, কোন দিন কোন দিন দিবেন শিডিউল দেন - ঐ সব দিন ঘাপটি মেরে থাকবো।