বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০১০, ১৪ শ্রাবণ, ১৪১৭ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem

পুকুর অধ্যায় এবং যাত্রা পাহাড়পুর

ইচ্ছে ছিল পুরা চড়ুই ভাতিটা ডায়েরীতে লিখব। কিন্তু আলসেমীর কারণে সেটা হয় নাই। এখন মন্তব্যের লোভেও যদি হয়ে যায় সেটা মন্দ কি। চড়ুই ভাতি নিয়ে এত কচলানো দেখে কেউ বিরক্ত হলে আগে থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি। সবার জন্য শুভ কামনা।

২০ তারিখ সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে দেখি এলাহি কান্ড। তদন্ত চলছে কে কে নাক ডেকেছে রাতে তা নিয়ে। কেউ দেখি নাক ডেকেছে ব্যাপারটা স্বীকার করছে না। হান্নান ভাই রাতে উনার মোবাইলে নাক ডাকার শব্দগুলো রেকর্ড করেছেন। সেগুলো শুনালেন।

রাফেল ভাইয়ের কাছ থেকে ল্যাপটপ চেয়ে নিলাম। ১৯ তারিখ রাতের বেলার ঘটনাগুলো নিয়ে পোস্ট দেওয়া জন্য মনের মাধুরী মিশিয়ে একটি পোস্ট লিখে ফেললাম। তা পোস্ট দিতে যাবো এই সময় দেখি প্রথম আলো ব্লগ উদাও হয়ে আছে। অদৃশ্য প্রথম আলো ব্লগ। মন খারাপ হলো পোস্টটি দিতে না পারায়।

সবাই নিচে নামছে। কাহিনী কি। মুখ হাত ধুয়ে নিচে গিয়ে দেখি চক্ষু চড়ক গাছ। জগের পর জগ খেজুরের রস দেওয়া হচ্ছে। সাথে বিশাল বিশাল ধুয়া উঠা ভাপা পিঠা। আমিও এক গ্লাস নিলাম। ধ্রুবো ভাই নাকি তিন গ্লাস খেয়েছেন। এত বড় ভাপা পিঠা আমি একা খেতে পারব না। তাই পিঠা নেওয়ার সাহস করলাম না । পরে কোন এক ব্লগার পিঠার বেশির ভাগ অংশ নিয়ে শেষ একটি অংশ আমাকে দিলেন। খেলাম সেটা তৃপ্তি সহকারে।

জামান ভাই বার বার বলছেন আজই নাকি আসল চড়ুই ভাতি। মনে প্রশ্ন জাগল গতকালেরটা নকল ছিল নাকি?? । এদিকে দেখি বিশাল জাল বিন্যস্ত করতে ব্যস্ত দশ জন জেলে। তারা পুকুরে মাছ ধরবে। এই পর্বটা অনেক আকর্ষনীয়। সবাই এদিক ঐদিক ঘুরছে। নিজ খুশীমত। কারো ট্যাবলেটের দরকার হলে সে খুঁজছে সারোয়ার ভাইকে। না কেউ আবার ভেবে বসবেন না উনি ডাক্তার। সারোয়ার ভাই আগের দিন রাতে আড্ডায় ঘোষণা দিয়েছিলেন তাহার কাছে সবধরণের ঔষুধ আছে। ছোট খাটো একটা ক্যানভাসও দিয়ে দিয়েছিলেন রাতে। তখন এক ব্লগার ভাই প্রশ্ন করলেন, ভাই ঐ ধরণের ঔষুধও আছে নাকি? । সারোয়ার ভাইয়ের উত্তর, হা আছে আছে। সবাই হাসিতে ফেটে পড়ল। ঐ ধরণের ঔষুধও আছে শুনে।

আমি নামছিলাম উপর থেকে। জিয়া রায়হান ভাইয়ের মা আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি খেজুরের রস, পিঠা, খেয়েছো তো? বললাম, জ্বী খেয়েছি। অচেনা সবার প্রতি এই পরিবারের আন্তরিকতায় মুগ্ধ আমি। অনেক অনেক অনেক অনেক মুগ্ধ।

কিছুক্ষণ পর সকালে আবার নাস্তার জন্য ডাকা হলো। যার যা ইচ্ছা। পরোটা এবং বিরায়ানী। যার যেটা খেতে ইচ্ছা তা সে খাচ্ছে।

সবাই পুকুর পাড়ে। ঘোষণা আছে, মাছ ধরা হবে। জেলেরা সম্পূর্ণ পুকুরে জাল ছড়ায় দিল। সেটা টানতে টানতে সিড়ি পাড় থেকে অপর প্রান্তে আস্তে আস্তে আসতে লাগল। অপর প্রান্তে যখন জাল আনা শেষ হলো তখন জালের ভিতর অনেক অনেক মাছ। লাফালাফি করছে মাছগুলো। পরাধীনতা কার ভাল লাগে। মাছগুলোও পরাধীনতা পছন্দ করে না। বিশাল বিশাল মাছ। আট থেকে দশ কেজি ওজনের মাছ। তবে মাছ গুলোর ভাগ্য ভাল। প্রতিটি মাছ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সবাই পুকুর পাড়ে চিল্লাচ্ছিলো। জেলেরা বার বার মানা করছিলো না চিল্লাতে। চিল্লালে নাকি মাছগুলো বেশি লাফায়। মাছগুলো সামলে রাখতে কষ্ট হচ্ছে জেলেদের। এজন্য তারা সবাইকে অনুরোধ করছিলো যাতে না চিল্লায়। কিন্তু কে কার অনুরোধ রাখে। সবাই খুশীতে আত্মহারা। খুশী কি নিষেধাজ্ঞা মানে??

এদিকে মাছ ধরার লোভেই হয়ত সৈকত ভাই পুকুরে নেমেছেন গোসল করতে। তিনি আসলেন মাছ ধরতে। তার হাতে মাছ ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। আর তিনি মাছের দিকে চেয়ে কখনো বা ক্যামেরার দিকে চেয়ে মাছের মডেল হয়ে ছবি তুলছেন। আব্দুল হান্নান ভাইও শার্ট প্যান্ট পরা অবস্থায় পুকুরে নেমে গেলেন। তিনিও মডেল হবেন। ওনার হাতেও মাছ দেওয়া হলো। ওনারা এক একটা মাছ ধরছেন আর ছেড়ে দিচ্ছেন। এরি মধ্যে দেখা গেলো জালের মধ্যে মাছের সঙ্গী একটা সাপ। মনে করেছিলাম কেউ কেউ সাপ দেখে ভয়ে পুকুর পাড় ছাড়বে। দেখলাম সবাই সাহসী। কেউ পুকুর পাড় ছেড়ে গেলো না। সাপটি একটি জেলে হাতে ধরে ফেলে দিলেন। এরিমধ্যে একজন জেলেকে নাকি সাপে কামড় দিয়েছে।

এত্ত বড় বড় মাছ দেখে সবাই খুশী। ব্যতিক্রমী এক আনন্দের একটা সময়ের স্বাক্ষী হয়ে গেল চড়–ই ভাতি পাহাড়পুর- অংশ গ্রহণকারী ব্লগাররা।

তা মোটামুটি শেষ। সবাই এবার যাবে পাহাড়পুর। গাড়ীতে উঠতে বলা হলো। গাড়ীতে উঠে পড়লাম। হাফিজ ভাই আমাদের গাড়ীতে সামনের সিটে বসতে পেরে মহা খুশী। ড্রাইভারের পাশে সিট পেয়েছেন তিনি। কারিম ভাই তা দেখে ওনাকে ক্ষেপাতে লাগলেন। বললেন, সামনের সিটে কারো বসার আগ্রহ নেই। কাল জোর করে মহসীনকে বসাতে হয়েছে। সামনের সিটে বসলে পিছনের জনদের সাথে গল্পে অংশগ্রহণ করা কষ্টকর। ঘাড় বাঁকা করে পিছনে ফিরতে হয়।
আর হাফিজ ভাই দেখি মহা খুশী। কারিম আরো মজার মজার কথা বললেন। এখন মনে পড়ছে না। কারিম ভাইয়ের যুক্তিগুলো শুনে হাফিজ ভাইয়ের সামনের সিটে বসার কিছুটা আনন্দ মলিন হলো বটে।

আমাদের গাড়ী সবার আগে রওয়ানা দিল পাহাড়পুরের উদ্দেশ্যে। গাড়ী চলছে। এসময় জামান ভাই ফোন দিয়ে জানালেন কোথাও দাঁড়াতে। তো সুন্দর একটা গ্রামের মত এলাকায় গাড়ি দাঁড়ালো।

ধূমপায়ী ভাইরা মহা খুশী। তারা নেমে মনের টানে বিড়ি থক্কু সিগারেট টানতে লাগলেন।

কিছুক্ষণ পর গাড়ীর শব্দ পাওয়া গেল। দেখা গেল চড়ুই ভাতির আরেকটি গাড়ি এসেছে। তা দেখে আমাদের গাড়ী রওয়ানা দিল আবার। আমাদের গাড়ীর ড্রাইভারটা অনেক ভদ্র। খুব হেল্পফুল ধরণের লোক। মাঝে মাঝে শুনি ইসলামী সংগীতে আওয়াজ। কোথা থেকে আসে ? দেখি আসছে ড্রাইভার ভাইয়ের পকেট থেকে। তার রিংটোনটি ইসলামী সংগীতের।
আমাদের সাথে আছে মজার মানুষ কবিরনি ভাই এবং পাশা ভাই। মুহূর্তের মধ্যে আড্ডাকে জমিয়ে দিতে পারেন।

গাড়ী চলছে। চলছে আমাদের আড্ডা।

আমরা চলছি পাহাড়পুরের পথে............................


আমার স্মৃতি শক্তি আমার সাথে প্রায়ই সময় কানামাছি খেলতে পছন্দ করে। কোন ভুল হলে শুধরায় দিবেন আশা করি চড়ুই ভাতির ব্লগাররা।


চড়ুইভাতি পাহাড়পুর নিয়ে অন্য পোস্টগুলো--
জিয়া রায়হান ভাইদের বাড়ি০২ ( আনন্দ প্রতিটি কোণায় কোণায়)
জিয়া রায়হান ভাইয়ের বাড়ি০১ (যেন আনন্দের পুণ্যভূমি)
১৯ তারিখ রাতের বেলা, চড়ুইভাতি পাহাড়পুর
জয়পুরহাট (সুন্দর মুহূর্ত )
পাহাড়পুর দর্শন (অনাবিল খুশির ফোয়ারা)
যাত্রাপথে ০২ চড়ুইভাতি পাহাড়পুর
যাত্রা পথে ০১
৪৭ টি মন্তব্য
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী১৩ মার্চ ২০১০, ০২:২১
আপনি কি শুরু করলেন!!

আর কত অন্তর জ্বালাইবেন? আর কত পর্ব আছে এখনই বলেন, কোন দিন কোন দিন দিবেন শিডিউল দেন - ঐ সব দিন ঘাপটি মেরে থাকবো।
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ০২:৩৮
সাইদুর ভাই চড়ুই ভাতি পোস্ট দেওয়ার পর বরাবরই আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকি।
সেখানে যদি আপনি ঘাপটি মেরে বসে থাকেন।
এজন্য বলব না কখন দিব।

আসলে পিকনিকের আনন্দ জানার জন্য অসমাপ্ত রেখে দিয়েছিলাম।
মনে করছিলাম পিকনিক নিয়ে সুন্দর সুন্দর অনেক পোস্ট উপভোগ করব।
যেহেতু ঐ পিকনিকে অনেকজন গেছেন।
কিন্তু সে সুযোগ তেমন পাই নাই।
মধ্য খানে পিকনিক ইস্যুতে ঘটে গেল বিশাল ঝামেলা।

সব আবার স্বাভাবিক হয়ে যাক এই কামনাতেই আছি।
ভাল থাকুন সাইদ ভাই।
kabirony কবিরনি১৩ মার্চ ২০১০, ০২:২৪
হুমম আবার যাইতে মন্চায়
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ০২:৪০
আমারো যাইতে আবার ইচ্ছা করছে।
চলেন জিয়া ভাই আর জামান ভাইরে আবার বলি।

ভাল থাকুন কবিরনি ভাই।
আপনি কি এখন যশোরে?
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৩ মার্চ ২০১০, ১০:২৬
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১০:২৭
মজা পেলাম পোস্টটি মুছে দিলাম।
আশা করি সামনে থেকে এই ধরণের অযথা সন্দেহ কেউ করবে না।
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১০:২৮
ঐ পোস্টটি মুছার জন্য রিপোস্ট দিতে হলো।
না হলে ঐইটা মুছা যাচ্ছিলো না।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৩৫
বই পাগল, আমার নাক কিন্তু ডাকে নাই
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৩৭
কবির ভাই, সন্দেহের তালিকায় আপনার নাম কিন্তু প্রথম সারিতে ছিল।

কেমন আছেন?
এত তাড়াতাড়ি মন্তব্য পেয়ে যাওয়ায় ভাল লাগল।

ভাল থাকুন সব সময়।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৪২
সকাল হতেই সবাই একটা আলোচনার টপিক পেয়ে যায়, বিষয় নাক ডাকা। কারিম ভাই প্রসঙ্গটা তুলে উধাও। অবশ্য তাকেও আমরা সন্দেহের বাইরে রাখিনি।
সবাই বলছিল আমার নাক ডেকেছিল কিন্তু আমি অস্বীকার করছিলাম সমানে এখনো করছি
ভালো থাকবেন
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৫১
কারিম ভাই কি বিষয়টা তুলছিল ?
তাইলে তিনি উধাও হয়ে গিয়েছিলেন কেন?
মহা সন্দেহজনক। ওনারেও লিস্টে নিতে হবে দেখছি।

আপনি স্বীকার করেন আর অস্বীকার করেন ক্ষতি নাই। আপনার কি দোষ। আপনি তো আর ডাকেন নাই, ডাকছে আপনার অবাধ্য নাক।
যদিও আমরা এখনো নিশ্চিত না। রাতে পুরো ব্যাপারটা মনিটরিং করেছেন আব্দুল হান্নান ভাই।
উনি আসলে জানা যাবে আসল ঘটনা কি।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৩ মার্চ ২০১০, ১১:০৫
পূরো ব্যাপারটা আমি enjoy করেছিলাম
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১১:২০
হা হা হা
নির্মল স্বীকারোক্তি!!!!
১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৩৮
মুন্না ভাই
মজা পাইলাম!!!!!!!!!!

পোস্টটি কোথায় হাওয়া হয়ে গেল?
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৪৪
ধন্যবাদ খোকন ভাই।
যার পোস্টে এই সব ব্যাপার ঘটেছে সে ব্লগার বেশ কয়েকবার মন্তব্য দিয়ে অনুরোধ করেছেন পোস্টটি মুছে দিতে।
ওনার অনুযোগ উনি অপমানিত হচ্ছেন।

সেজন্য মুছে দিতে হলো। যদিও বিন্দুমাত্র ইচ্ছা ছিল না।
অযথা সন্দেহ যাতে কেউ না করে তার জন্য এই ধরণের পোস্ট দরকার আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি।

ভাল থাকুন।
১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৫১
মহানুভব
kabbo01 নীল কাব্য১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৪২
ইশশিরেওওওওওও এই সাত সকালে এমন একটা পোষ্ট দিলেন? মানটা ফালাইতাছে, ক্যান যে গেলাম না
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৪৭
নীল কাব্য ভাই স্বাগতম আপনাকে।
চলেন, আমার এখনো পাহাড়পুরের পথে।
চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যোগ দিতে পারেন।

ভাল থাকুন সব সময়।
১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৪৯
হ্যালো মুন্না ভাই, শুনতে পাচ্ছেন.........
মজা পাইলাম!!!!!!!!!!

পোস্টটি কোথায় হাওয়া হয়ে গেল?
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৫৩
খোকন ভাই ঐইটাতো মুছে দিয়েছি।
১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৫৭
পুকুর অধ্যায় এবং যাত্রা পাহাড়পুর
ভাল লাগল।
ধন্যবাদ
ভাল থাকুন সব সময়।
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১১:০১
পড়ছেন দেখে ভাল লাগল খোকন ভাই।
আপনিও ভাল থাকুন সব সময়।
nefaulhossainrafel রাফেল১৩ মার্চ ২০১০, ১১:১৬
কিছুক্ষণ পর সকালে আবার নাস্তার জন্য ডাকা হলো। যার যা ইচ্ছা। পরোটা এবং বিরায়ানী। যার যেটা খেতে ইচ্ছা তা সে খাচ্ছে।

ঐটা বিরয়ানী ছিলনাতো খিচুরী ছিলো।

ভালো লাগলো পড়ে
ধন্যবাদ বই পাগল ভাই
boipagol বই পাগল১৪ মার্চ ২০১০, ১২:৫১
রাফেল ভাই ধন্যবাদ।
ঠিক করে দিবো বিষয়টা।

পড়ছেন দেখে অনেক ভাল লাগল।
আরো কিছু পর্ব রয়ে গেছে কিন্তু।

ভাল থাকুন সব সময়।
opo_debota অপদেবতা১৩ মার্চ ২০১০, ১১:১৭
বুকিং
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১১:২০
ধন্যবাদ মূন্না ভাই।
ঢাকা শহর নিয়ে আপনার লেখাটি পড়ে অনেক মজা পাইলাম।
এই ধরণের লেখা আরো চাই।
sadi সাদি১৩ মার্চ ২০১০, ১১:৪৬
সুন্দর বর্ণনার জন্য ধন্যবাদ।
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১১:৫৬
ধন্যবাদ সাদি ভাই।
আপনার মন্তব্য পেয়ে ভাল লাগল।
ভাল থাকুন সব সময়।
neelsadhoo নীলসাধু১৩ মার্চ ২০১০, ১১:৪৯
সুন্দর লিখেছেন।
আমি সবার সঙ্গে গিয়েও এসব কর্মকান্ডে অংশ নিতে পারিনি।
আফসোস।
এসব যখন হচ্ছে আমি তখন বিছানায় ! কি আফসোস!!

শুভেচ্ছা নিন বই পাগল।
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১২:০০
ধন্যবাদ নীলসাধু ভাই।
সেদিন লুবনা আপুর পোস্টে আপনার মন্তব্যে অনেক ভাল লেগেছে।
তাই সাহস করে আবার লিখা শুরু করলাম।

আসলে এরকম সুন্দর মুহূর্তে যে আপনি অসুস্থ হলেন।
তারপরও আপনি আমাদের সাথে ছিলেন এটাই বড় প্রাপ্তি।
শেষ দিন আপনার সাথে আড্ডার সুযোগ পেয়ে অনেক ভাল লাগল।
অনেক ব্লগার সম্পর্কে আমরা আমাদের ধারণা শেয়ার করছি।
অনেক ভাল লাগছিল সে সময়।

ভাল থাকুন সব সময়।
rajeen রাজিন১৩ মার্চ ২০১০, ১১:৫২
আহ! আপনাদের চড়ুইভাতির কাহিনী শুনলে একই সাথে ভাল লাগে আবার আফসোস হয় এ এক অন্যরকম অনুভূতি
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ১২:০৩
রাজিন ভাই আমি আশা করছিলাম আপনারা সুন্দর সুন্দর পোস্ট দেবেন পিকনিক নিয়ে।
কার সাথে কেমন মজা হলো তা জানাবেন।
না যাওয়ার কষ্টের সাথে আনন্দের একটা অন্যরকম অনুভূতি হবে ঠিক আপনার যেমন হচ্ছে।
কিন্তু আফছোস।
অনেক দুর্ভাগ্য।

তা হওয়ার খুব কম সুযোগ পেয়েছি।

ভাল থাকুন সব সময়।
zhsoykot জেড এইচ সৈকত১৩ মার্চ ২০১০, ১২:৪২
চড়ুইভাতির সব কিছুতেই আমি ! হা হা । ভাল লাগল। লিখুন পড়ছি।
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ০১:২২
সৈকত ভাই ধন্যবাদ।
মাছের মডেল আপনি আর আপনার নাম কমু না!!

সাথে আছেন দেখে ভাল লাগল।
ভাল থাকুন।
zia_raihan জিয়া রায়হান১৩ মার্চ ২০১০, ১২:৫৮



boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ০১:২৪
জিয়া রায়হান ভাই ধন্যবাদ।
আপনার এই ছবি গুলো দ্বারা পোস্টটি পূর্ণতা পেল।
কৃতজ্ঞতা আপনার প্রতি।

ছবি দুটিই সুন্দর।
ভাল থাকুন সব সময়।
zhsoykot জেড এইচ সৈকত১৩ মার্চ ২০১০, ০১:৩০
আমি ছবি সহ পোস্ট দিব আজ বিকেল নাগাদ। জিয়া ভাইয়ের প্রতি অনুরোধ পোস্টটা দেখার জন্য।
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ০১:৩২
কিসের ছবি?
পিকনিকের না চড়ুই ভাতির?

ভাল হবে।
অপেক্ষায় আছি সৈকত ভাই।
শুধু জিয়া ভাইকে দেখার আমন্ত্রণ জানালেন।
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী১৩ মার্চ ২০১০, ০২:১৯
মাছ খাইতাম মুঞ্চায়
boipagol বই পাগল১৩ মার্চ ২০১০, ০৭:৩২
আমারো খাইতে মঞ্চায়।
raterpakhi রাতের পাখি১৪ মার্চ ২০১০, ০২:০৩
ঐ দুইদিন ছিল যেন তপ্ত রোদের পর এক পশলা বৃষ্টির মত আনন্দের।
boipagol বই পাগল১৪ মার্চ ২০১০, ১২:৫৩
ঐ দুইদিন ছিল যেন তপ্ত রোদের পর এক পশলা বৃষ্টির মত আনন্দের।
অনেক সুন্দর বলেছেন রাতের পাখি।

আমার কিন্তু তার চেয়ে বেশি কিছু মনে হয়।
আসলে জীবনের সুন্দর দুইটি দিন যুক্ত হলো ঐ ঘটনায়।
যা অনেক অনেক ভাল লাগার।

ভাল থাকুন সব সময়।
rangeela রঙের মানুষ রঙ্গীলা (সুজা)১৪ মার্চ ২০১০, ০৭:৩৪
আর কত দেখাইবেন আর আফসোস করাবেন আমদেরকে? বড় এক্কান আফসোসের ইমো হবে
ধন্যবাদ বিপি ভাই।
murubbe মুরুব্বী১৪ মার্চ ২০১০, ০৯:৩৮
দেখুন তো মুন্না
এ্যাতো মনযোগ দিয়ে কার কথা শুনছেন !!!


boipagol বই পাগল১৪ মার্চ ২০১০, ১২:৫৪
হা হা হা ।
জামান ভাইয়ের কথা মনযোগ দিয়ে না শুনার উপায় আছে।

ধন্যবাদ জামান ভাই।
ভাল লাগল ছবিটি শেয়ার করায়।

ভাল থাকুন সব সময়।
lovelu1977 সাইক্লোন১৪ মার্চ ২০১০, ১২:৫৮
দেখা আর ...
আফসোস করি ...
boipagol বই পাগল১৪ মার্চ ২০১০, ০১:২৮
ধন্যবাদ সাইক্লোন ভাই।
ভাল থাকুন সব সময়।

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment