অচেনার মাঝেও নিজেকে চেনার নিখুঁত অভিনয় করি

মার্চ
১৪

বিয়া করবে!

সময় ২২:৩২:০৫

যারা মনে করেছেন যে ব্লগার এই পোস্ট দিয়েছে সে ই বিয়ে করতে যাচ্ছে তাদের মহা নিরাশ হতে হবে। ব্লগের তর্ক চলছে মহাসমারোহে। সমাধান আসবে নাকি জানি না। এ মুহূর্তে অন্য দিকে নিজের ভাবনা প্রবাহিত করার জন্য এই নিখুঁত ছাইপাশ লেখাটি লিখতে লিখছি। পড়লে বিরক্ত হবেন। না পড়াই মঙ্গল।

তা বিয়ে করবে রাহাত। বিয়ের বয়স হয়ে গেছে। যথেষ্ট উপযুক্ত ছেলে। জীবনে তো একটাই বিয়ে করতে হয়। তা সে একটা বিয়েই করতে চায়। কিন্তু ঝামেলা অন্য জায়গায়। তার অপশন বেশি। ঠিক করতে পারছে না কাকে বিয়ে করবে?
পাঁচ জন আছে পছন্দের তালিকায়। রাহাত পড়ছে মহা বিপদে কাকে বিয়ে করবে।

রিয়াকে করা যায়। তার বাবা বড় রাজনীতি বিদ। রাহাত ও রাজনীতি করে। রিয়াকে বিয়ে করলে শ্বশুরের ইমেজ দিয়ে রাজনীতিতে একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করা সহজ হবে।

মৌরি হচ্ছে কোটি পতি বাবার একমাত্র সন্তান। বহু সম্পত্তি। একে বিয়ে করতে চাইলে করা যায়। কিন্তু সমস্যা। মেয়েটা ভীষণ জেদী। আর শুনা যাচ্ছে দেশে থাকতে নাকি পছন্দ করে না। বেশির ভাগ সময় দেশের বাহিরে থাকে।

একজন নামকরা উকিলের মেয়ে নীরা। বাজারে প্রচলিত আছে, এই উকিল ফাঁসির কাস্ট থেকে আসামীকে ফিরায় আনতে ...

  • ৩৪টি মন্তব্য

মার্চ
১৪

রিকসাওয়ালা ( নিছক ব্যক্তিগত অভিমত)

সময় ১৯:২৮:০২

কলেজ গেটের সামনে কিছু রিকসা দাঁড়িয়ে থাকে। রিকসার মধ্যে তারা এমন ভাবে বসে থাকে যেন বিশ্রাম নিচ্ছে। যদি বলি, ভাই ............. যাবে? বেশিরভাগই এক কথায় জানিয়ে দেয়, যাবে না। অথচ কোন মেয়ে যদি এসে বলে, যাবে? সাথে সাথে রাজি হয়ে যায়।

কোন জায়গায় যাবে এটা পর্যন্ত জিজ্ঞেস করে না। অবস্থাটা এমন যেন দোজখে যেতেও রাজি আছে। অথচ আমরা বললে ভালো জায়গাতেও যেতে চায় না। আমাদের প্রায় প্রতিদিনই এরকম দেখতে হয়। দেখি আর মেয়েদের সাথে ছেলেদের ভাগ্যের পার্থক্য গুণি।

অফিস টাইম, পাবলিক পরীক্ষা, একটু বৃষ্টি কিংবা খড়রোদে রিকসা যখন নিতান্তই প্রয়োজন তখন দেখা যায় তিন চার গুণ ভাড়া খুঁজছে। সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপারটা ঘটে যখন বোন কিংবা আত্মীয় মেয়ে সাথে নিয়ে কোথাও যেতে রিকসা নিলে রিকসাওলা প্রেমিকা মনে করে ভাড়া অনেক বেশি চায়? কি বাজে অবস্থা। রিকসাঅলাকে কেমনে বলি এটা আমার প্রেমিকা না, বোন। রিকসা ভাড়া বেশি চাওয়ার অভ্যাস রিকসাঅলারা শুধু যে প্রতিকূল অবস্থা থেকেই রপ্ত করেছে তা নয়। শখের প্রেমিক প্রেমিকাদের ঘোরা শেষে বকশিষ প্রাপ্তি রিকসাঅলাদের লোভী থেকে লোভীতর করেছে।

যে রিকসাঅলারা ভাড়া বেশি নেয় কিংবা আমাকে না নিয়ে পরে ...

মার্চ
১৪

একটি প্রচলিত প্রেমের গল্প

সময় ১৩:২৬:২৩

কিছু ঝামেলা, তার উপর ভাইরাস জ্বর। মনে হয় মনটা একটু খারাপ। তা সময় কাটানোর জন্য হালকা কিছু লিখতে ইচ্ছা করল। কি লিখেছি তা জানি না। তবে লিখলাম।

একটি প্রচলিত প্রেমের গল্প

০১
বিয়ের আগে প্রেমে পড়বে না পড়বে না বলেও কিভাবে জানি রুবা প্রেমে পড়ে গেল। বিয়ের আগে প্রেমে পড়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে ছিল না। তারপরও যে কেন পড়ে গেল ও নিজেই ভেবে উত্তর পায় না।

কলেজে যাবে। সামনে পরীক্ষা। কলেজ ড্রেস পড়ে মা-র সামনে গিয়ে দাড়ালো।

: মা ভাইয়া কোথায়?
: একটু বের হয়েছে।
: কোথায় গেছে?

: কি কাজে জানি বের হয়েছে। পূর্ব পাড়ের জায়গাটা নিয়ে ঝামেলা চলছে। কার সাথে পরামর্শ করতে যাবে বলেছিলো রাত্রে।

মা রিকসা ভাড়া দিয়ে দেন। সাধারণত বড় ভাই তার মোটর সাইকেল করে কলেজে দিয়ে আসেন। বড় ভাইটি অনেক আদর করে।

রুবা যার সাথে প্রেম করে ওর নাম নওফিন। আহামরি টাইপের কোন ছেলে নয়। অতি সরল। কিছুটা ঢিলাও বটে। তারপরও যে কেন পছন্দ করে এই ছেলেটাকে নিজেই বুঝে না রুবা।

প্রতিদিন কলেজের দূরের চা দোকানটায় ছুটির সময় দাঁড়ায় থাকে নওফিন। সামনে আসে না।

ব্যাপারটা নিয়ে অনেক কথা বলে রুবা। বার বার মানা করে।
: ...

মার্চ
১৩

পুকুর অধ্যায় এবং যাত্রা পাহাড়পুর

সময় ১০:৩০:২২

চড়ুইভাতি পাহাড়পুর

ইচ্ছে ছিল পুরা চড়ুই ভাতিটা ডায়েরীতে লিখব। কিন্তু আলসেমীর কারণে সেটা হয় নাই। এখন মন্তব্যের লোভেও যদি হয়ে যায় সেটা মন্দ কি। চড়ুই ভাতি নিয়ে এত কচলানো দেখে কেউ বিরক্ত হলে আগে থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি। সবার জন্য শুভ কামনা।

২০ তারিখ সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে দেখি এলাহি কান্ড। তদন্ত চলছে কে কে নাক ডেকেছে রাতে তা নিয়ে। কেউ দেখি নাক ডেকেছে ব্যাপারটা স্বীকার করছে না। হান্নান ভাই রাতে উনার মোবাইলে নাক ডাকার শব্দগুলো রেকর্ড করেছেন। সেগুলো শুনালেন।

রাফেল ভাইয়ের কাছ থেকে ল্যাপটপ চেয়ে নিলাম। ১৯ তারিখ রাতের বেলার ঘটনাগুলো নিয়ে পোস্ট দেওয়া জন্য মনের মাধুরী মিশিয়ে একটি পোস্ট লিখে ফেললাম। তা পোস্ট দিতে যাবো এই সময় দেখি প্রথম আলো ব্লগ উদাও হয়ে আছে। অদৃশ্য প্রথম আলো ব্লগ। মন খারাপ হলো পোস্টটি দিতে না পারায়।

সবাই নিচে নামছে। কাহিনী কি। মুখ হাত ধুয়ে নিচে গিয়ে দেখি চক্ষু চড়ক গাছ। জগের পর জগ খেজুরের রস দেওয়া হচ্ছে। সাথে বিশাল বিশাল ধুয়া উঠা ভাপা পিঠা। আমিও এক গ্লাস নিলাম। ধ্রুবো ভাই নাকি তিন গ্লাস খেয়েছেন। এত বড় ভাপা পিঠা আমি একা খেতে পারব না। তাই পিঠা নেওয়ার সাহস করলাম না । পরে কোন এক ...

  • ৪৭টি মন্তব্য

মার্চ
১২

একটি মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস _০১

সময় ২১:৫৫:৩৫

আবীর ঘর থেকে বের হয়ে চারদিকে একবার চোখ বুলিয়ে নিল। সন্দেহ জনক কিছু চোখে পড়ল না। ওর হাত দুটি পাঞ্জাবীর পকেটে রাখা। কিছুদিন হচ্ছে পাঞ্জাবী পরা শুরু করেছে। এতে লাভ। আর্মিরা সহজে ঘাটায় না। ধরে নেয় এ মুসলমান। তবে কিছু ক্রিটিকাল আর্মি পথ আগলে দাঁড়ায়।

বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করে। অদ্ভূত সব প্রশ্ন। যেমন, তোমার নাম কে রেখেছে? তোমার বাবা না মা?
: আমিতো ঠিক বলতে পারবো না। জিঞ্জেস করতে হবে।
: কোথায় যাচ্ছো এখন?
: নির্দিষ্ট কোথাও যাচ্ছি না। এই একটু হাটবো।
: আমি একটু ঘোরাঘুরি করব এটার ট্রান্সলেট করো ইংরেজীতে।

আবীরের হাসি পায়। যদিও তা চেপে রাখে। এই উর্দু আর্মীগুলো উর্দুতে অনুবাদ করতে না দিয়ে ইংরেজীতে কেন অনুবাদ করতে দিয়েছে কে জানে? তবে উর্দু আর্মির বাংলা উচ্চারণ দেখে আবীর অবাক হয়ে যায়। মাতৃভাষা নয় তারপরও কি সুন্দর বাংলায় কথায় বলছে। প্রশ্নকর্তা আর্মিটি এত সুন্দর বাংলা কিভাবে শিখেছে তা জানতে ইচ্ছে করে আবীরের। কিন্তু কেন যেন প্রশ্নটা করা হয় না।

তবে আজ রাস্তাঘাট একটু ফাঁকা। অন্য সময় হলে রিকসা নিত। কিন্তু রাস্তাঘাট ফাঁকা দেখে হাঁটা শুরু করল। ও যাবে একটা হাসপাতালে। রোগ ...

মার্চ
১২

হাঁটা ভ্রমণ !! যদিও অর্থহীন!

সময় ০৭:৩২:২৭

জীবন খাতা

মাঝে মাঝে অর্থহীন কাজ করার চেষ্টা করি। অর্থযুক্ত কাজ যেহেতু এই জীবনে করা হয় নি তাই অর্থহীন কাজ করে ভাবতে চেষ্টা করি আমিও কাজ করি।

আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল বন্ধু হচ্ছে আহাদ। প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা শেষের দিকে। শেষ পরীক্ষার আগে বেশ কিছু দিন বন্ধ। তো পরীক্ষা দিয়ে আসলাম। সন্ধ্যার দিকে দুই বন্ধু মিলে ভাবছি কি করা যায়।

আমার মাথায় মাঝে মাঝে পাগলামী চাপে। তাই কি করা যায় ব্যাপারটা আহাদ আমার মাথাতেই ছেড়ে দিল। বললাম, চল হাঁটতে বের হই। বের হলাম।

চান্দগাঁও নতুন থানার সামনে দিয়ে পার হলাম। মাঝে মাঝে ঐদিক দিয়ে যাওয়ার সময় উঁকি দিই ঐ থানায় ভিতরে কয়টা গাড়ি আটকে রাখা হয়েছে। দালাল কয়জন দৌড়াদৌড়ি করছে সেগুলো বুঝার চেষ্টা করি।

আহাদ সেগুলো দেখে। আমি বলি চল দোস্ত ডকুমেন্টারি বানায় ফেলি এই সব দুর্নীতি নিয়ে। ও আমার চেয়ে বেশি উৎসাহিত হয়। বলে, এখুনি বানানো দরকার।

তো আমরা বিভিন্ন বিষয়ে গল্প করতে করতে সামনে পথ হাটি। বহদ্দারহাট - শাহ আমানত সেতু সড়ক। রাস্তা যথেষ্ট স্লিম গাড়ীর আধিক্যের চেয়ে। গাড়িগুলো আমাদের পাশ দিয়ে মহা গতিতে এগিয়ে চলে। গাড়ির বাতাসে আমরাও মাঝে মাঝে ...

মার্চ
১১

প্রশ্ন জাগে!!!!!!

সময় ১৮:২০:২৫

অভিমত

পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ এখনও দু বেলা ঠিকমত আহার পায় না। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে পুষ্টিহীনতায় মানুষের চেহারার, শরীরের যে করুণ দশা হয়েছে সেখানে মানুষ নামক সৃষ্টির সেরা জীবের প্রকৃত অবয়ব আজ আর নাই।

জ্ঞান বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতার এই যুগে এখনো অনেক রোগ আছে যেগুলোর কাছে আমরা পুরাপুরি অসহায়। আহারের চরম অভাব, অপ্রতিরোধ্য রোগের ব্যাপক অস্তিত্ব থাকা স্বত্বেও সেদিকে পুরাপুরি নজর না দিয়ে হাজার কোটি ডলার ব্যয় করে মঙ্গল গ্রহে গবেষণার জন্য নভোযান পাঠানো কতটুকু সভ্য মানুষের কাজ সে ব্যাপারে সংশয় থেকেই যায়।

তাই বলে বলছি না গবেষণা থেমে যাক। গাছ থেকে আপেল পড়ছে সেটা নিয়ে নিউটন ভেবে বের করলেন মহাকর্ষ অভিকর্ষ শক্তির উপর দু-দুটো গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। তৃতীয় বিশ্বে বিষয়টা কল্পনা করি। কোন ক্ষুধার্ত তরুণ আপেল গাছের নিচে বসে আছে। এ সময় আপেল পড়ল। সে কি তা নিয়ে চিন্তা করবে না কোন কিছু না ভেবে তা খেয়ে ফেলবে। নিশ্চয় খেয়ে ফেলবে। নিশ্চয় খেয়ে ফেলবে। এটাই বাস্তবতা। বিজ্ঞানের উন্নয়নের স্বার্থে সবার জন্য চিন্তা চিন্তা করার পরিবেশ করে দিতে হবে। তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলোতে অনেক মেধাবী আছে। কিন্তু ...

মার্চ
১১

লাইপ্রু (কাঁচা হাতের গল্প-০১০)

সময় ১০:২১:২৪

সম্ভবত এটা গল্প

অনেক বড় সমস্যায় পড়েছে সামত্লিং পাড়ার মানুষ। এলাকাটা অনেক দুর্গম। পাহাড়ী পা রাস্তা বেয়ে এখান থেকে বাজারে যেতেই লাগে তিনদিন। যাওয়ার রাস্তা খুবই করুণ। এমন অনেক জায়গা পার হতে হয় যেখানে এক পা কোন মতে রাখা সম্ভব। একটু এদিক ওদিক হলেই ৩০০ থেকে ৫০০ ফিট নিচে খাদে পড়ে যেতে হবে।

শারীরিক কাঠামোর পরিবর্তন দেখে এখানে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া নির্ণয় হয় না। বাজারে যে একবার গেল সে-ই প্রাপ্ত বয়স্ক। একটা শিশুর ১২-১৫ বছর শুধু এ ছোট এলাকাতেই কাটে। এরা রাজধানী শহরের নাম-তো দূরের কথা নিজেরা কোন উপজেলার মানুষ তা-ই জানে না।

একটা খাল বয়ে গেছে এই পাড়ার পাশ দিয়ে। পানির এটাই সম্বল। এতদিন কোন সমস্যা হয় নি। সে পানি দিয়ে চাষবাস করছে। ঘরে ব্যবহার করছে। কিন্তু গত বছর এক সকালে হঠাৎ লক্ষ্য করে খাল দিয়ে আর পানি আসে না। পাড়ার প্রভাবশালী দুজন ব্যাপারটা কি দেখতে যান। বাজারে খবর পান পাহাড় ধসে খালের গতিপথ বদলায় গেছে। এখান দিয়ে আর পানি আসবে না। এর উপর খাঁড়ার ঘা বছর ধরে বৃষ্টির দেখা নেই।

সবার মন খারাপ। মাঠগুলো রুক্ষ হয়ে যায়। ফলন হয় না কিছু। অর্ধাহারে দিন কাটানো শুরু করে এলাকার মানুষ। ভাগ্য ভাল আগে থেকে পোকামাকড় ...

মার্চ
১০

দিন যাপন (মা-কে নিয়ে লেখা)

সময় ১৩:৫৮:৪৭

মশার কামড়ের সাথে এখন আমি বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছি। মশার বো বো গর্জনের মধ্যেও দিব্যি ঘুমিয়ে পড়ি। অথচ বাসায় যখন কোন মশার কামড়ের চিহ্ন দেখতে তুমি আঁতকে উঠতে। বকা ঝকা শুরু করতে। আমি প্রায় সময়ই মশারী না টাঙিয়ে ঘুমিয়ে পড়তাম। সারাদিন স্কুলে ছাত্রদের পড়িয়ে তুমি এম্নেতেই ক্লান্ত থাকতে। তারপরও রাতে আমি ঠিকমত শুয়েছি কিনা তা দেখে যেতে। মশারী টাঙানো ছাড়া শুয়ে আছি দেখলে তা টাঙিয়ে দিতে। আমি এতটুকু টের পেতাম না। অথচ এখন এই মেস জীবনে মশারী টাঙানো ছাড়া ঘুমিয়ে পড়লে তা দেওয়ালে যেভাবে ছিল সেভাবেই ঝুলে থাকে। ঘুম থেকে উঠে কখনো বাসার মত টাঙানো দেখি না।

সকাল সাতটার মধ্যে নাস্তা না করলে তুমি বেশ রাগ করতে। বলতে দেরি করে খেলে গ্যাস্টিক হয়ে যাবে। তোমার তীব্র ডাকে ঘুম ভাঙত। ফজরের নামাজ পড়েই আবার ঘুমিয়ে পড়তাম। ঘুমের মধ্যেই তুমি জোর করে খাইয়ে দিতে। মচমচে ভাজা পরোটা, গরম গরম চা তখন বিরক্ত লাগত। আর এখন সকাল এগারটা বেজে যায়। তারপরও সকালের নাস্তা খাওয়া হয় না পাঁচতলা থেকে নামার আলসেমীতে।

মা, তুমি জানো তোমার আলসে ছেলে এখন কাপড় ধুঁতে জানে। যদিও অনভ্যস্ততার কারণে ধোয়া কাপড়গুলো আধা ময়লা থেকে যায়। এখানে ...

মার্চ
০৯

একটি চড়ুই !!!

সময় ১৮:৫৭:৪৫

সময় অনেক দ্রুত যায় তাই না! কত সময় চলে গেল। অথচ মনে হচ্ছে এইতো সেদিন ছোটকাল পার করে এলাম। আমার কথার মধ্যে জড়তা তা নিয়ে কত জন হাসাহাসি করত!!! তখন তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ি। বাসার পাশেই কাঁঠাল গাছ। কাঁঠাল গাছটি অনেক স্লিম। জায়গার অভাবেই হয়ত সে নিজেকে ঐভাবে গড়ে নিয়েছে। তবে অনেক কাঁঠাল ধরত। কেউ আবার মুখ লাগানোর চেষ্টা করবেন না। অযথা শ্রম নষ্ট। কারণ মুখ লাগিয়ে লাভ নেই। ৩ বছর আগে প্রিয় কাঁঠাল গাছটি কেটে ফেলা হয়েছে।

তো সে কাঁঠাল গাছের নিচে হঠাৎ একদিন দেখি একটা চড়ুই পাখির বাচ্চা পড়ে আছে। হয়ত উপর থেকে পড়ে গেছে। তখনও ঠিকমত উড়তে পারে না। চোখের সামনে এরকম পাখি একটা পড়ে থাকলে না ধরে পারা যায়? আমিও চুপি চুপি গিয়ে ধরলাম।

ধরার সাথে সাথে পাখিটি আওয়াজ করে উঠল। কাকে ডাকল বা কাকে কি বলছে তা বুঝলাম না। আমি ঘরে ঢুকে গেলাম পাখিটি সহ। হাতে পাখিটি। একটু একটু ওম তার শরীরে। হাতে ধরে থাকতে ভালোই লাগছিল। বড় কয়েকজন উপদেশ দিলেন ছেড়ে দিতে। কিন্তু তাদের কারো কথা শুনলাম না।
রাতে পাখিটি থাকবে। তাই তার জন্য একটা বাসা বানানোর চিন্তা আসল মাথায়। কসমস বিস্কিটের ...

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫