শুভেচ্ছা
সময় ১৩:৪০:০১
প্রথম আলো ব্লগের সব পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই পবিত্র ঈদ ও দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই সুখে ও আনন্দের সাথে এবারের পুজা ও ঈদ পালন করবে। সেই সাথে সবার মাঝে ভাত্রিত্ববোধ জেগে উঠবে। সবার সুখি সম্রিদ্ধ জীবন কামনা ...
প্রথম আলো ব্লগের সব পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই পবিত্র ঈদ ও দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই সুখে ও আনন্দের সাথে এবারের পুজা ও ঈদ পালন করবে। সেই সাথে সবার মাঝে ভাত্রিত্ববোধ জেগে উঠবে। সবার সুখি সম্রিদ্ধ জীবন কামনা ...
প্রথম আলো ব্লগের সবাইকে শুভ রমজানুল মোবারক। আশা করি সবাই রোজা রেখে এই পবিত্র রমজান পালন করছেন। আবারও সবাইকে রমজানের শুভেচ্ছা। ![]()
দিনটি ছিল ১১ই আগষ্ট,মঙ্গলবার। অন্যান্য সকালের মতই একটি সকাল ছিল সেই দিন। প্রতিদিনের মত যাচ্ছিলাম কলেজে। টেম্পোতে বসে যাচ্ছি। আচমকা শুনতে পেলাম একটি চড়ের আওয়াজ। ফিরে তাকালাম দেখলাম টেম্পোর অ্যাসিস্ট্যান্ট ছোট ছেলেটাকে এক ভদ্রমহিলা! কষে চড় মেরে দিয়েছে। আর ছেলেটা কাঁদছে। ঘটনাটা ঘটেছিল ১ টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে। যাই হোক টেম্পোতে উপস্থিত লোকজন ঐ মহিলাকে বকা দিয়ে ঘটনাটা মিটমাট করে ফেলল। সকালের শুরুতেই এরকম একটি ঘটনা আমার মন খারাপ করে ফেলেছিল। এরপর কলেজ থেকে ফিরছিলাম। আমাদের আগ্রাবাদ বণানী কমপ্লেক্সের সামনে নেমে রাস্তা পার হলাম। সাথে সাথে দেখলাম ১ টি মাইক্রোবাস এসে ব্যাংকের সামনে থামল। ঐ মাইচ্রোবাস থেকে দুই জন লোক ২ টি ব্যাগ নি্যে নামল। প্রায় সাথে সাথেই দেখলাম ৩ জন লোক দ্রুত তাদের কাছে আসতে থাকে। তখন ঐ ২ লোক দৌড় দেয়। আর কিছু বুঝে উঠার আগেই ঐ ৩ লোকের ১ জন রিভলবার বের করে ২ রাউন্ড গুলি ছুড়ে আর সাথে সাথে ব্যাগ বহনকারী ২ জনের ১ জন লুটিয়ে পড়ে। আর রক্তে পুরো ঘটনাস্থল লাল হয়ে যায়। বুলেট তর মাথার পিছনে লাগে। এরপর ঐ ৩ জন সন্ত্রাসী চাপাতি দিয়ে ব্যাগবহনকারী বাকি জনের হাতে কোপ দেয় এবং ব্যাগ ২ ...
![]()
প্রতি বছরই এস,এস,সি ও এইচ,এস,সি পরীক্ষায় বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী পাশ করে। এটা আমদের জন্য সুখবর। পাশের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের দেশের শিক্ষিত জনগণের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে যা আমাদের দেশের উন্নয়নে সহায়ক হবে। আমদের দেশের ছাত্র-ছাত্রীরা পড়ালেখায় আরো বেশী মনযোগী হচ্ছে বলেই এটা সম্ভব হচ্ছে।কিন্তু তাদের সব আশা আকাঙ্খা পাশ করার আনন্দ সব উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হতে না পেরে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এর ফলাফল যে কতটা ভয়াবহ তা চোখ বন্ঢ করেই আন্দাজ করা যায়। আর এ বিষয়টা নিয়েই বর্তমানে বেশী আলোচিত হচ্ছে। এর ফলশ্রুতিতে দেশের অগ্রগতির উপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বর্তমানে কিছু বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি উচ্চশিক্ষায় ভর্তির প্রক্রিয়া থেকে লিখিত পরীক্ষা বাতিলের যে প্রস্তাবনা করেছেন তা আমার মতে পুরোপুরি ভুল। আমি পরবর্তিতে আরো কয়েকটা ধারাবাহিক পোষ্টের মাধ্যমে তা আমার ব্যক্তিগত মতামত দ্বারা তুলে ধরতে চেষ্টা করব। তবে আমার মতে ভর্তি পরীক্ষা তুলে দিলে এ সমস্যার কোন সমাধান তো হবেই না বরং অনেক ভাল ছাত্র-ছাত্রী তাদের কাঙ্খিত ও পছন্দের প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।
...
আমি একজন ডিপ্লোমা-ইন-ফরেস্ট্রি ছাত্র। মাত্র পাশ করে বেড়িয়েছি। আমি এখন আন্ডারপ্রাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি হতে ইচ্ছুক। আমি সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি থেকে বি.এস.সি ইন হোটেল ম্যানেজমেন্ট এন্ড ট্যুরিজম কোর্সটি করতে চাচ্ছি। আমি এই কোর্সটি করার পর বাংলাদেশে ভালো হোটেলে চাকরি পাব কিনা তা নিয়ে সন্ধিহান আছি। যদিও তারা বলছে তারা চাকরির ব্যবস্থা করে দেবে। কিন্তু আমি এ ব্যাপারে যথেষ্ঠ সন্ধিহান। কেউ কি আমাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারেন? আমি পরামর্শ চাই। এটা আমার ভবিষ্যত জীবনের নির্দেশক পথ। তাই আমি এখনই সঠিক সিধান্ত নিতে চাই। তাই প্লিজ কেউ সঠিক তথ্য জেনে থাকলে জানি্যে সাহায্য করুন, প্লিজ। আমি আমার জীবন নিয়ে কোন ঝুকি নিতে চাই না। তাই প্লিজ শীঘ্রই আমাকে অবগত ...
![]()
ইন্টারপোল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ৯ পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। এক সপ্তাহ আগে ফ্রান্সে অবস্থিত ইন্টারপোল সদরদপ্তর থেকে এই রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়। এটা অবশ্যই এক দারুন উদ্দ্যোগ। আমরা কোন বাংলাদেশীই চাই না আমাদের জাতির জনকের মৃত্যুর মাধ্যমে যারা সদ্য স্বাধীন এই দেশকে অভিভাবকহীন করে এবং নানা রকম চক্রান্ত করে অর্থনৈতিকভাবে এবং অন্যান্য দিক দিয়ে পঙ্গু করে দিতে চেয়েছিল তারা যেন কোন প্রকারেই ছাড়া পেয়ে না যায়। তারা আমাদের দেশের শত্রু, জাতির শত্রু। তারা আমাদেরকে প্রথমেই অভিভাবকহীন করে দিয়ে আমাদের উন্নয়নকে ব্যাহত করেছিল। যার ফলে আমরা আজও এতটা পিছিয়ে আছি। আমাদের সাথে একসাথে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে মুক্তি পেয়ে যদি ভারত এতটা এগিয়ে যেতে পারে তবে আমরা কেন তাদের চেয়ে এতটা পিছিয়ে? এসব ঐ স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির কারণেই হয়েছে। তাই ইন্টারপোলের এই সিদ্ধান্তে আমরা সব বাঙ্গালীই খুশী। আমরা এখন চাই যে এসব ঘৃণ্য পশুরা যাতে অচিরেই ধরা পড়ে এবং চূড়ান্ত শাস্তি পায়। আমরা আমদের দেশে ঐসব ঘৃণ্য পশুদের আর দেখতে চাই না। তারা যেন ...
![]()
আসন্ন রমজানের কথা বিবেচনায় রেখে আমাদের বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার রমজানের সময় বাজারে কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা অবশ্যই একটা ভালো সংবাদ। কিন্তু তা কি সাধারণ জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে সেটাই এখন দেখার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ সবজি, মরিচ সহ সব জিনিসপত্রের দাম এখন থেকেই বাড়তে শুরু করেছে। পত্রিকায় দেখলাম এখন নাকি কোন সবজির দামই ২০ টাকার নিচে নয়। এই যদি হয় বাজারের বর্তমান অবস্থা তবে রমজানের সময় কি হবে একবার ভেবে দেখুন। তখন সরকার হাজার চেষ্টা করলেও কি জিনিসপত্রের দাম সাধারণের আয়ত্বের মধ্যে আনতে পারবে? বর্তমান সময়ে এমন কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগও হয়নি যে জিনিসপত্রের দাম এমন করে বাড়াতে হবে। এগুলো বাজারের সিন্ডিকেটদের চক্রান্ত নয় কি? তারা এসব করছে যাতে করে সরকার রমজানের সময় দাম কমালেও দামটা তাদের সন্তুষ্টির মধ্যে থাকে এবং তারা বাজার থেকে বড় লভ্যাংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের রক্ত শুষে খেতে পারে। তাই সরকারের উচিত এই বিষয়টা মাথায় নিয়ে দ্রব্যমূল্যের লাগাম এখনি টেনে ধরা। সেই সাথে ঐ সব রক্তচোষা সিন্ডিকেটদের বাজার থেকে সমূলে উত্পাটন করা। তা না হলে ...
![]()
প্রথম আলো পত্রিকায় ইদানিং একটি বিষয় বারবারই লক্ষ্য করি যে প্রায় প্রতিদিনি অবাধে অবৈধভাবে গাছ কাটা হচ্ছে। আবার তাও বাঁধের গাছ কাটা হচ্ছে। আর সারা বিশ্বেই এখন জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। গত কিছুদিন পূর্বে সীতাকুন্ডে বাঁধের গাছ কাটার পর এখন টেকনাফ এর বাঁধের গাছও অকাতরে কেটে ফেলা হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে আর বড় ধরনের সিডর বা আইলা হতে হবে না হালকা ঝড়ো হাওয়াতেই উপকূলীয় ঘরবাড়ি সব ধুলোর সাথে মিশে যাবে যা এখন একটি ছোট শিশুও বুঝতে পারে। কিন্তু আমাদের সমাজের তথাকথিত কিছু বড়লোক এবং ক্ষমতাশীল ব্যক্তি এটা জেনেও নিজেদের লাভের কথা চিন্তা করে বড় বড় শিল্প কারখানা বা প্রতিষ্ঠান করার উদ্দেশ্যে এসব উপকূলীয় বাঁধ রক্ষাকারী গাছ কেটে ফেলছে। তারা নিজেরাও যে ভবিষ্যতে এর ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পাবে না তা তারা বুঝতে চেষ্টা করছে না। সরকারেরও এ বিষয়ে তেমন কোন সুদৃর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। তাই যেহেতু এর ভয়াবহতার প্রথম এবং মূল শিকার উপকূলীয় জনগণই হবে তাই তাদের উচিত এগুলো রোধ করা। সেই সাথে আমাদেরও উচিত এগুলোর বিরুদ্ধে সম্মিলিত আন্দোলন গরে তুলা। তা না হলে সেই দিন আর খুব বেশী দেরী নেই যে ...
![]()
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভালো খেললে আমাদের সবারি ভালো লাগে আবার খারাপ খেললে খারাপ লাগে তাই স্বাভাবিক। কিন্তু অনবরত খারাপ খেললে মেজাজ ঠিক রাখা কঠিন। বিশেষত ছোটখাট দলের সাথে হারলে খুবই খারাপ লাগে। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মত টিমকে হারালে আমাদের আনন্দের সীমাই থাকে না। এবং সেই সাথে একটা সংকোচ বা প্রশ্নও আমাদের মনে জেগে উঠে- "বাংলাদেশ কি পারবে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে?" দেশের জনগন হিসেবে এই চাওয়াটা আমাদের অন্যায্য কি? আমরা সবাই চাই বাংলাদেশ দল না পারুক কিন্তু সবসময় যেন তাদের সেরা খেলাটা খেলে। তা পারলেও তো অন্তত ছোটখাট টিমের সাথে হারতে হয় না। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজ টিমের মত বড় বড় টিমকে আমরাও হারাতে পারি এই মানসিকতাই বাংলাদেশ টিমের প্রত্যেক খেলোয়াড়ের মধ্যে দেখতে চাই। যাতে আর কোন দিন কোন কেউ আমাদের খেলোয়াড়ি যোগ্যতা নি্য়ে প্রশ্ন তুলতে না ...
আমাকে যারা ছবি দিতে সাহায্য করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। বিশেষত ত্রিমাত্রিক ভাইকে। ধন্যবাদ আবারো ...
Phonetic
Probhat
Inscript
Unijoy
Bijoy
English
Virtual