একটি সামাজিক ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান
প্রিয় বন্ধুরা
প্রথম আলো ব্লগসহ যারা মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনকে নানানভাবে সহায়তা দিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে চলার পথ দেখিয়ে যাচ্ছেন- তাদের সবাইকে আমাদের সশ্রদ্ধ সালাম। এই মেধাবী বন্ধুরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন বিশ্বব্যাপী। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে তাঁরা আমাদের একেবারেই কাছে অবস্থান করছেন। একেবারে আমার টেবিলে, চোখের সামনে।
আমি ইচ্ছে করলে আমার এই মুহূর্তের অনুভূতির কথা ব্লগে আমার বন্ধুদের কাছে পৌঁছে দিতে পারি। বন্ধুরা আমার সেই অনুভূতি এবং চিন্তা-ভাবনার কথা পড়ে তাৎক্ষণিক তাদের প্রতিক্রিয়া জানাতে পারছে।
ইন্টারনেটের কল্যাণে ২৪ ঘণ্টা-ই একটি স্কুলের সাথে যুক্ত থাকা সম্ভব। ধরা যাক মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের ম্যাডাম ফারজানাকে একটি ল্যাপটপ দেওয়া হলো এবং তাকে ইন্টারনেটের ব্যবহার বুঝিয়ে দিয়ে বলা হলো প্রতিদিনের স্কুলের কার্যক্রম প্রতিদিন প্রথম আলো ব্লগে প্রকাশ করার জন্য। সারা বিশ্বের প্রথম আলো ব্লগের সব বন্ধুরা স্কুলটির দৈনন্দিন কার্যক্রম অবলোকন করতে পারবেন।
একটি চমৎকার ভার্চুয়াল স্কুল হতে পারে এটি। মেঘনাপাড়ের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর বাইরেও বিশাল এক জনগোষ্ঠী রয়ে গেছে যারা শিক্ষারও বাইরে। বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে এরকম অনেক জনগোষ্ঠী আছে যারা ন্যূনতম শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। ঢাকার ফুটপাথে রাস্তায় অসংখ্য শিশু ছিন্নমূল বসবাস করে। তাদেরও শিক্ষা নেই। শিক্ষা থাকবে কোথা থেকে? তাদের জন্য তো কোন স্কুল নেই।
কিন্তু ইন্টারনেট সমৃদ্ধ একটি ল্যাপটপ-ই হতে পারে একটি ভার্চুয়াল স্কুল। এই স্কুলে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কেউই পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। দেশ-বিদেশের নামী-দামি শিক্ষকদের কাছ থেকে শিশুরা পাঠ নিতে পারবে। একটি মিনিবাস কিংবা বড় বাসই হতে পারে ভ্রাম্যমাণ ভার্চুয়াল স্কুল। বাসের ভিতর প্রজেক্টরের সাহায্যে শিক্ষাদান করা যেতে পারে। বাসটি চলতে চলতে শিক্ষার্থীদের আবার বাসস্থানের কাছে পৌঁছেও দেওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ ভার্চুয়াল স্কুল ধারণাটি স্কুলকে শিক্ষার্থীদের কাছে নিয়ে যাবে।
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনকে নিয়ে আমরা এরকম একটি ভার্চুয়াল স্কুল ধারণা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছি। আপনাদের সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আমরা একটি সোশ্যাল বিজনেসের আওতায় এ ধারণাটির প্রয়োগ ঘটাতে চাই।
প্রথম আলো ব্লগের যে সকল বন্ধু আমাদের মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের সাথে সময়ে সময়ে যুক্ত হয়েছেন, তাদের সবাইকে আমি আমার ব্লগে ফেভারিট তালিকায় রেখেছি। স্কুলটিকে নিয়ে আপনাদের সবার মন্তব্য আমাদের যথেষ্ঠ প্রেরণা যুগিয়েছে। তাই আমরা আপনাদের সবাইকে সংযুক্ত করেই স্কুলটির কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই।
এমপ্লয়মেন্ট ফোকাসড লারনিং বাংলাদেশ নামে একটি যৌথ মূলধনী কোম্পানি সংগঠনের আওতায় এসে আমরা একটি সামাজিক ব্যবসায়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারি। এই ওয়েবসাইটটি হতে পারে আমাদের ভার্চুয়াল অফিস। প্রত্যেকে আমরা প্রতিনিয়ত কোম্পানির সামাজিক ব্যবসায় সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ করতে পারব।
এ বাপারে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-
একটি লক্ষ্য অর্জনে আমাদের সাথে আপনাদের সক্রিয় পথচলা কামনা করছি।
আপনারা আমাদের কার্যক্রম জানতে এই লিংকটিও ভিজিট করতে পারেন-
প্রথম আলো ব্লগসহ যারা মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনকে নানানভাবে সহায়তা দিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে চলার পথ দেখিয়ে যাচ্ছেন- তাদের সবাইকে আমাদের সশ্রদ্ধ সালাম। এই মেধাবী বন্ধুরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন বিশ্বব্যাপী। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে তাঁরা আমাদের একেবারেই কাছে অবস্থান করছেন। একেবারে আমার টেবিলে, চোখের সামনে।
আমি ইচ্ছে করলে আমার এই মুহূর্তের অনুভূতির কথা ব্লগে আমার বন্ধুদের কাছে পৌঁছে দিতে পারি। বন্ধুরা আমার সেই অনুভূতি এবং চিন্তা-ভাবনার কথা পড়ে তাৎক্ষণিক তাদের প্রতিক্রিয়া জানাতে পারছে।
ইন্টারনেটের কল্যাণে ২৪ ঘণ্টা-ই একটি স্কুলের সাথে যুক্ত থাকা সম্ভব। ধরা যাক মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের ম্যাডাম ফারজানাকে একটি ল্যাপটপ দেওয়া হলো এবং তাকে ইন্টারনেটের ব্যবহার বুঝিয়ে দিয়ে বলা হলো প্রতিদিনের স্কুলের কার্যক্রম প্রতিদিন প্রথম আলো ব্লগে প্রকাশ করার জন্য। সারা বিশ্বের প্রথম আলো ব্লগের সব বন্ধুরা স্কুলটির দৈনন্দিন কার্যক্রম অবলোকন করতে পারবেন।
একটি চমৎকার ভার্চুয়াল স্কুল হতে পারে এটি। মেঘনাপাড়ের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর বাইরেও বিশাল এক জনগোষ্ঠী রয়ে গেছে যারা শিক্ষারও বাইরে। বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে এরকম অনেক জনগোষ্ঠী আছে যারা ন্যূনতম শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। ঢাকার ফুটপাথে রাস্তায় অসংখ্য শিশু ছিন্নমূল বসবাস করে। তাদেরও শিক্ষা নেই। শিক্ষা থাকবে কোথা থেকে? তাদের জন্য তো কোন স্কুল নেই।
কিন্তু ইন্টারনেট সমৃদ্ধ একটি ল্যাপটপ-ই হতে পারে একটি ভার্চুয়াল স্কুল। এই স্কুলে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কেউই পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। দেশ-বিদেশের নামী-দামি শিক্ষকদের কাছ থেকে শিশুরা পাঠ নিতে পারবে। একটি মিনিবাস কিংবা বড় বাসই হতে পারে ভ্রাম্যমাণ ভার্চুয়াল স্কুল। বাসের ভিতর প্রজেক্টরের সাহায্যে শিক্ষাদান করা যেতে পারে। বাসটি চলতে চলতে শিক্ষার্থীদের আবার বাসস্থানের কাছে পৌঁছেও দেওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ ভার্চুয়াল স্কুল ধারণাটি স্কুলকে শিক্ষার্থীদের কাছে নিয়ে যাবে।
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনকে নিয়ে আমরা এরকম একটি ভার্চুয়াল স্কুল ধারণা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছি। আপনাদের সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আমরা একটি সোশ্যাল বিজনেসের আওতায় এ ধারণাটির প্রয়োগ ঘটাতে চাই।
প্রথম আলো ব্লগের যে সকল বন্ধু আমাদের মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের সাথে সময়ে সময়ে যুক্ত হয়েছেন, তাদের সবাইকে আমি আমার ব্লগে ফেভারিট তালিকায় রেখেছি। স্কুলটিকে নিয়ে আপনাদের সবার মন্তব্য আমাদের যথেষ্ঠ প্রেরণা যুগিয়েছে। তাই আমরা আপনাদের সবাইকে সংযুক্ত করেই স্কুলটির কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই।
এমপ্লয়মেন্ট ফোকাসড লারনিং বাংলাদেশ নামে একটি যৌথ মূলধনী কোম্পানি সংগঠনের আওতায় এসে আমরা একটি সামাজিক ব্যবসায়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারি। এই ওয়েবসাইটটি হতে পারে আমাদের ভার্চুয়াল অফিস। প্রত্যেকে আমরা প্রতিনিয়ত কোম্পানির সামাজিক ব্যবসায় সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ করতে পারব।
এ বাপারে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-
একটি লক্ষ্য অর্জনে আমাদের সাথে আপনাদের সক্রিয় পথচলা কামনা করছি।
আপনারা আমাদের কার্যক্রম জানতে এই লিংকটিও ভিজিট করতে পারেন-
লেখক আজমান আন্দালিব
- আজমান আন্দালিব -এর ব্লগ
- ৫ টি মন্তব্য
- ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯, ১১:২৩
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৫ টি মন্তব্য
-
সজল শর্মা০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯, ১২:৩১
আপনার প্রচেষ্টা সফল হোক।
আমি শুধু শুভ কামনাই দিয়ে যাচ্ছি যদিও জানি মিঠে কথায় ছিড়া ভিজে না। হয়তো কোন এক সময় মিঠে কথা না বলেই সরাসরি কাজে যোগ দেব।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক