বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০১০, ১৪ শ্রাবণ, ১৪১৭ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem

একটি মাইক্রো বিজনেস প্ল্যান

একটি স্কুল, একটি স্বপ্নের ঠিকানা...
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন এরকম একটি স্বপ্নের ঠিকানা হয়েই জেগে আছে লক্ষ্মীপুর জেলার মজু চৌধুরী হাটের মেঘনার বুকে। জেলে পল্লীর বাসিন্দা যারা নৌকাতেই জীবন কাটিয়ে দিয়েছে কয়েক যুগ- তাদের স্বপ্নগুলো এখন ধূসর, বিবর্ণ। কিন্তু তাদের ঘোলাটে চোখে সন্তানদের নিয়ে স্বপ্ন। একটি স্কুল হয়েছে। স্কুলটিকে এখন ঊর্দ্ধে তুলে ধরতে হবে।
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের বর্তমান শিক্ষার্থী = ১০০ জন। ১০০ জনের জন্য একটি স্বপ্ন বাস্তবায়ন প্রচেষ্টা নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের অব্যাহত সমর্থন এবং সহমর্মিতায় আমরা এতদূর এগিয়ে এসেছি।
আমরা আগামী ৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি সেমিনার করতে যাচ্ছি।


এই ওয়েবসাইটের সহায়তায় (www.meghnaparschool.com) মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন একটি ভার্চুয়াল স্কুল হিসেবে পরিচালিত হতে পারে।
স্কুলটি এরকম ও হতে পারে-

স্কুলের ভিতরের শিক্ষাদান ব্যবস্থাপনাটা এরকম হতে পারে-



মেঘনাপাড় স্কুলটি অনেক সম্ভাবনার দ্বার হতে পারে। স্কুলটিকে কেন্দ্র করে আমাদের সবার সম্মিলনে আমরা ইনোভেটিভ আরও অনেক আইডিয়া শেয়ার করতে পারি। আসুন এরকম একটি আইডিয়া নিয়ে একটু ভাবি।



আসুন আমরা একটি মাইক্রো বিজনেস প্ল্যান করি।

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে দ্রুত বিকাশমান শহর, নগর এবং জনপদগুলোতে অনেক বিল্ডিং আছে যেগুলোর ছাদ অব্যবহৃত কিংবা অপরিকল্পিত অবস্থায় পড়ে আছে।

একটু পরিকল্পনা করে এই ছাদগুলোকে লাভজনক প্রকল্পে রূপান্তরিত করে ফেলা যায়।
ছাদগুলোকে ঔষধি বৃক্ষের বাগান-

ফলের বাগান-

ফুলের বাগান-

নার্সারি কেন্দ্র ইত্যাদিতে পরিণত করা যায়।

এভাবে পতিত জমিগুলোকে ও উৎপাদনের আওতায় নিয়ে আসা যায়।

সবুজে সবুজে ভরে দেওয়া যায় আকাশ সীমা।

একটি জনপদকে কেন্দ্র করে এক বা একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।

দেশব্যাপী এরকম বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান যেগুলোর ছাদ খালি অবস্থায় পড়ে আছে।
এগুলোকেও উৎপাদনের আওতায় নিয়ে আসা যায়।

অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা হস্তশিল্পকাজে বিশেষভাবে পারদর্শী।

অনেকে আবার গৃহস্থালী পণ্য উৎপাদনের সাথে জড়িত

কেউ অসাধারণ দক্ষতা দিয়ে খেলনা এবং অনেক প্রয়োজনীয় সামগ্রী বানাতে পারে

অসাধারণ মেধাবী অনেক শিক্ষার্থী-শিক্ষক আছে যারা সৃজনশীল কোন কিছু আবিস্কার করেছে কিন্তু পুঁজির অভাবে সেই পণ্যটি নিয়ে ক্রেতা বা ভোক্তার কাছে আসতে পারছে না।

শিক্ষা বন্ডের আওতায় শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য পুঁজির যোগান দেওয়া যায়।

উদ্যোক্তা হওয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা ইচ্ছানুসারে উদ্যোক্তা হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে উদ্যোক্তা নির্বাচিত হবে। নির্বাচিত উদ্যোক্তারা কৃষি শিক্ষা, বাণিজ্য শিক্ষা, গার্হস্থ্য শিক্ষা, কারিগরী শিক্ষা ইত্যাদির আওতায় একটি সুশৃঙ্খল শিক্ষা পদ্ধতি শিখবে। ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়েও তা করা সম্ভব।

জেন্ডার ইকুয়িটির এই যুগে মেয়ে শিক্ষার্থীরাও আপন আপন কর্মযোগ্যতা নিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে-

বিষয়টি নিয়ে একটু ভাবুন।
ইএফএলবিডি লিঃ আপনার কর্মপ্রচেষ্টার সাথে যুক্ত হতে চায় চুড়ান্ত সাফল্যে পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে।

একটি একটি করে গাঁথুনি দিয়ে পুরো বিশ্বটাকে গড়ে তুলতে হবে।

আমরা শুরু করে দিতে পারি এখনই। ইএফএলবিডি লিঃ সে প্রচেষ্টায় নিরন্তর কাজ করে চলেছে। আমাদের প্রচেষ্টার সাথে যুক্ত থাকুন। আপনার আশেপাশের সমস্ত সম্ভাবনাগুলোকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে আমাদের সাথে শেয়ার করুন।

ইএফএলবিডি শেয়ার ক্রয়, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ পরিকল্পনার সাথে যুক্ত হোন এবং ভবিষ্যতের দিকে দৃষ্টি দিন। শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানকে একত্র করে উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধির এই সামাজিক ব্যবসায় প্রকল্পে আপনাকে স্বাগতম।


শেয়ার হোল্ডার হওয়ার বিস্তারিত তথ্য জানতে- www.eflbd.org
৩ টি মন্তব্য
azman আজমান আন্দালিব০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯, ০৩:১৫
প্রথমদিকে কয়েকটি প্রাসঙ্গিক ছবি আপলোড হয়নি তাই আন্তরিকভাবে দু:খিত।
nazlaabedin ফাতেমা আবেদীন নাজলা০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯, ০৭:০৪
চমৎকার ভাবনা।
azman আজমান আন্দালিব০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯, ১১:১৫
ধনবাদ। আপনার সমর্থন সবসময়ই আমাদের প্রেরণা যোগায়।

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment