সোশ্যাল বিজনেস বিষয়ক খোলা চিঠি
বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী দিন দিন দরিদ্রতর হচ্ছে নানান সমস্যার কারণে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যা, খরা ইত্যাদির পাশাপাশি দুর্নীতি, সন্ত্রাস, দারিদ্র, শিক্ষার অভাব, কর্মসংস্থানের অভাব ইত্যাদিকে সুনির্দিষ্টভাবে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। কিন্তু সমাজের একজন অতিদরিদ্র ব্যক্তি থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত ক্ষেত্র বিশেষে উচ্চবিত্ত শ্রেণীসহ সবার কাছে একটি সমস্যাই সবচেয়ে বেশি করে অনুভূত হচ্ছে, আর তা হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্যের উর্ধ্বগতি।
আজ একটি পণ্য আমরা যে মূল্যে কিনছি দু’চারদিন পর তা আর সেই মূল্যে কিনতে পারছি না। বর্ধিত মূল্য দিতে হচ্ছে। কিন্তু আমাদের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সিংহভাগ খেটে খাওয়া কিংবা সৎ চাকুরিজীবী মানুষের আয় তো সে অনুপাতে বাড়ছে না। এই বর্ধিত অর্থের যোগান দিতে গিয়েই অসততার সূত্রপাত এবং সৃষ্টি হচ্ছে দুর্নীতির। দুর্নীতি ডেকে আনছে সন্ত্রাস এবং সামাজিক বিশৃঙ্খলা। দেশের সিংহভাগ জনগোষ্ঠী যারা দুর্নীতির সাথে জড়িত নয়, সন্ত্রাসের সাথে জড়িত নয়, তারা দিন দিন দরিদ্র হচ্ছে। দারিদ্রের কারণে শিক্ষালাভ করতে পারছে না এবং উপযুক্ত কর্মসংস্থানও করতে পারছে না।
গ্রামে উৎপাদিত একটি পণ্য কিছু অসাধু ফড়িয়া, আড়তদার এবং মধ্যস্বত্ত্বভোগীর হাতে পড়ে মূল্যবৃদ্ধি পেতে পেতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতার নাগালের বাইরে চলে যায়। এই অসাধু ফড়িয়া, আড়তদার এবং মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর কার্যকর ব্যবস্থা হচ্ছে দেশব্যাপী সোশ্যাল বিজনেস চালু করা। এতে করে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে সোশ্যাল বিজনেসের আওতায় এনে পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।
সোশ্যাল বিজনেস হচ্ছে এমন এক ধরনের সামাজিক ব্যবসা যা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে কর্মসংস্থানের উপায় খুঁজে পেতে সহায়তা করে তাদের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা এবং জাতীয় অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিতে পারে। এখন এই সামাজিক ব্যবসায়টি করার জন্য একটি সংগঠনের দরকার। এমপ্লয়মেন্ট ফোকাস্ড লারনিং বাংলাদেশ লিমিটেড (ইএফএলবিডি লিঃ) এরকম একটি ব্যবসা সংগঠন। জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে রেজিস্ট্রিকৃত এই কোম্পানির মাধ্যমে শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবক -লোকাল কমিউনিটি সবাইকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক ব্যবসায় শুরু করা হয়।
বাংলাদেশে যেকোনো উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অন্যতম সীমাবদ্ধতা হচ্ছে যথাযথ সমন্বয়ের অভাব। ফলে বিভিন্ন প্রকল্পে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেও কাঙ্ক্ষিত ফললাভ করা সম্ভব হয় না। শিক্ষা যেহেতু একটি সার্বজনীন বিষয় সেহেতু কর্মসংস্থানমূলক শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রের প্রায় সকল অংশের অংশগ্রহণ জরুরী। বর্তমানের ডিগ্রি বা সার্টিফিকেট প্রাপ্তির শিক্ষাকে কর্মসংস্থানমূলক শিক্ষায় পরিণত করার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, এনজিও, দাতাগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে হবে এবং প্রত্যেকের কার্যক্রম সুনির্দিষ্ট করে দিতে হবে। এ লক্ষ্যে যথাযথ পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক গবেষণা। ইএফএলবিডি লিমিটেড এর গবেষণা শাখা এ ব্যাপারে একটি পরিপূর্ণ গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করতে যাচ্ছে।
সোশ্যাল বিজনেস ধারণাটি দেশব্যাপী প্রয়োগের মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে একত্রে শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের আওতায় এনে জাতীয় অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব। বিশ্ব বাণিজ্যের এ যুগে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা ক্রমবর্ধমান হারে বাণিজ্য শিক্ষার দিকে ঝুঁকছে। বাণিজ্য শিক্ষা ব্যবস্থার অপূর্ণাঙ্গতার কারণে শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় উদ্যোক্তা না হয়ে চাকরির পেছনে ছুটছে। বাণিজ্য শিক্ষাকে এভাবে সংষ্কার করতে হবে যেন চাকুরির পাশাপাশি এ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে শিক্ষার্থী একজন উদ্যোক্তায় পরিণত হতে পারে। একজন উদ্যোক্তা তার নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য শিক্ষা কারিকুলামে মাইক্রো বিজনেস ও সোশাল বিজনেস অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শিক্ষার্থীরা মাইক্রো বিজনেস প্রক্রিয়ার সাথে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো মাইক্রো-সোশাল বিজনেসের সাথে এবং লোকাল কমিউনিটি উভয়টির সাথেই সম্পৃক্ত থাকবে। মাইক্রো বিজনেস ধারণাটি বিশ্বব্যাপী ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার চেয়েও সহজে মাইক্রো বিজনেস স্থাপন করা যায়। স্কুল ভিত্তিক পণ্য নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে একটি করে পণ্য চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে এগুলোকে লোকাল কারিকুলামের আওতায় এনে শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ করে দেয়া হলে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।
আমাদের কথা
উক্ত ধারণার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা, পূর্ব অভিজ্ঞতার সাহায্যে বিশ্লেষণ, জনমত যাচাই তথা গবেষণার মাধ্যমে আমরা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, অবিলম্বে সোশ্যাল বিজনেস শুরু করা দরকার। সরকার যত দ্রুত উক্ত ব্যবসায়ে পৃষ্ঠপোষকতা করবে তত দ্রুত জনগণ উপকৃত হবে। ইতিমধ্যে আমরা সোশ্যাল বিজনেস সম্পর্কে একটি ধারণা উন্নয়ন করেছি। প্রাথমিক অবস্থায় একটি বেসরকারি উদ্যোগ দ্বারা এই ধারণাটি বাস্তবায়ন সম্ভব।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বুরোর পপুলেশন প্রজেকশন অনুযায়ী ২০৩৪ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে ১৯ কোটি ৬০ লক্ষ। মাথাপিছু ১ টাকা বরাদ্দ ধরলে মোট মূলধন দাঁড়ায় ১৯ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। মাথাপিছু ১ টাকা বরাদ্দ ধরে ২৫ বছর পরে এই ১ টাকার বর্তমান মূল্য কত হতে পারে তা বের করাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। এমপ্লয়মেন্ট ফোকাস্ড লারনিং বাংলাদেশ লিমিটেড এই ধারণাটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
এ ধারণাগুলোর মূলে রয়েছে কর্মসংস্থানমূলক শিক্ষা- ইএফএল যার উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। এ নিশ্চিতকরণের পাথেয় হবে স্থানীয় শিক্ষা-এলসি এবং জীবনব্যাপী শিক্ষা। লোকাল কারিকুলাম এবং লাইফ লং এডুকেশনের আওতায় স্থানীয় সমপ্রদায় পণ্য ও সেবার উৎপাদন ও বন্টন কার্যে নিয়োজিত হবে। গড়ে ওঠবে মাইক্রো পাইলট প্রজেক্ট ও মাইক্রোবিজনেস। পাইলটিং এর মাধ্যমে ত্রুটি, সীমাবদ্ধতা, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা নির্ধারণের পর অর্থ সংস্থান নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে ন্যাশনাল এডুকেশন ফান্ড এনইএফ গঠন করা। প্রাথমিক অবস্থায় ১৯ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা ফান্ড প্রয়োজন। প্রায় ১৪ হাজার উদ্যোক্তা শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি উক্ত ফান্ড ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রডাক্ট, ওয়ান স্কুল মেনি প্রডাক্ট, ওয়ান প্রডাক্ট অল ভিলেজ, ইলেক্ট্রিফিকেশন, ডাটা ব্যাংক প্রতিষ্ঠা, গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োজিত হবে।
বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে একইসাথে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের আওতায় এনে অর্থনৈতিক মুক্তিসহ সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আপনিও হতে পারেন মুক্তিকামী মানুষের একজন। আপনার এই অংশগ্রহণ হতে পারে একজন বিনিয়োগকারী হিসেবে। মাত্র ১৪ হাজার জন ১৪ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে এই সোশ্যাল বিজনেসে যুক্ত হতে পারবেন।
আমরা প্রাথমিক অবস্থায় মেঘনাপাড় স্কুলের ১০০ জন শিক্ষার্থীর জন্য পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ১০০ জনকে ১৪,০০০/- (চৌদ্দ হাজার) টাকার ইএফএল শেয়ার ক্রয় করার অনুরোধ করছি। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- www.meghnaparschool.com
www.eflbd.org
ই-মেইল : admin@eflbd.org
মোবাইল : ০১৬৭-২৭১০০২৮
০১৭২৭-২৬২১৯৫
আজ একটি পণ্য আমরা যে মূল্যে কিনছি দু’চারদিন পর তা আর সেই মূল্যে কিনতে পারছি না। বর্ধিত মূল্য দিতে হচ্ছে। কিন্তু আমাদের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সিংহভাগ খেটে খাওয়া কিংবা সৎ চাকুরিজীবী মানুষের আয় তো সে অনুপাতে বাড়ছে না। এই বর্ধিত অর্থের যোগান দিতে গিয়েই অসততার সূত্রপাত এবং সৃষ্টি হচ্ছে দুর্নীতির। দুর্নীতি ডেকে আনছে সন্ত্রাস এবং সামাজিক বিশৃঙ্খলা। দেশের সিংহভাগ জনগোষ্ঠী যারা দুর্নীতির সাথে জড়িত নয়, সন্ত্রাসের সাথে জড়িত নয়, তারা দিন দিন দরিদ্র হচ্ছে। দারিদ্রের কারণে শিক্ষালাভ করতে পারছে না এবং উপযুক্ত কর্মসংস্থানও করতে পারছে না।
গ্রামে উৎপাদিত একটি পণ্য কিছু অসাধু ফড়িয়া, আড়তদার এবং মধ্যস্বত্ত্বভোগীর হাতে পড়ে মূল্যবৃদ্ধি পেতে পেতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতার নাগালের বাইরে চলে যায়। এই অসাধু ফড়িয়া, আড়তদার এবং মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর কার্যকর ব্যবস্থা হচ্ছে দেশব্যাপী সোশ্যাল বিজনেস চালু করা। এতে করে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে সোশ্যাল বিজনেসের আওতায় এনে পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।
সোশ্যাল বিজনেস হচ্ছে এমন এক ধরনের সামাজিক ব্যবসা যা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে কর্মসংস্থানের উপায় খুঁজে পেতে সহায়তা করে তাদের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা এবং জাতীয় অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিতে পারে। এখন এই সামাজিক ব্যবসায়টি করার জন্য একটি সংগঠনের দরকার। এমপ্লয়মেন্ট ফোকাস্ড লারনিং বাংলাদেশ লিমিটেড (ইএফএলবিডি লিঃ) এরকম একটি ব্যবসা সংগঠন। জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে রেজিস্ট্রিকৃত এই কোম্পানির মাধ্যমে শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবক -লোকাল কমিউনিটি সবাইকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক ব্যবসায় শুরু করা হয়।
বাংলাদেশে যেকোনো উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অন্যতম সীমাবদ্ধতা হচ্ছে যথাযথ সমন্বয়ের অভাব। ফলে বিভিন্ন প্রকল্পে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেও কাঙ্ক্ষিত ফললাভ করা সম্ভব হয় না। শিক্ষা যেহেতু একটি সার্বজনীন বিষয় সেহেতু কর্মসংস্থানমূলক শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রের প্রায় সকল অংশের অংশগ্রহণ জরুরী। বর্তমানের ডিগ্রি বা সার্টিফিকেট প্রাপ্তির শিক্ষাকে কর্মসংস্থানমূলক শিক্ষায় পরিণত করার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, এনজিও, দাতাগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে হবে এবং প্রত্যেকের কার্যক্রম সুনির্দিষ্ট করে দিতে হবে। এ লক্ষ্যে যথাযথ পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক গবেষণা। ইএফএলবিডি লিমিটেড এর গবেষণা শাখা এ ব্যাপারে একটি পরিপূর্ণ গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করতে যাচ্ছে।
সোশ্যাল বিজনেস ধারণাটি দেশব্যাপী প্রয়োগের মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে একত্রে শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের আওতায় এনে জাতীয় অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব। বিশ্ব বাণিজ্যের এ যুগে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা ক্রমবর্ধমান হারে বাণিজ্য শিক্ষার দিকে ঝুঁকছে। বাণিজ্য শিক্ষা ব্যবস্থার অপূর্ণাঙ্গতার কারণে শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় উদ্যোক্তা না হয়ে চাকরির পেছনে ছুটছে। বাণিজ্য শিক্ষাকে এভাবে সংষ্কার করতে হবে যেন চাকুরির পাশাপাশি এ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে শিক্ষার্থী একজন উদ্যোক্তায় পরিণত হতে পারে। একজন উদ্যোক্তা তার নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য শিক্ষা কারিকুলামে মাইক্রো বিজনেস ও সোশাল বিজনেস অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শিক্ষার্থীরা মাইক্রো বিজনেস প্রক্রিয়ার সাথে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো মাইক্রো-সোশাল বিজনেসের সাথে এবং লোকাল কমিউনিটি উভয়টির সাথেই সম্পৃক্ত থাকবে। মাইক্রো বিজনেস ধারণাটি বিশ্বব্যাপী ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার চেয়েও সহজে মাইক্রো বিজনেস স্থাপন করা যায়। স্কুল ভিত্তিক পণ্য নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে একটি করে পণ্য চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে এগুলোকে লোকাল কারিকুলামের আওতায় এনে শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ করে দেয়া হলে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।
আমাদের কথা
উক্ত ধারণার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা, পূর্ব অভিজ্ঞতার সাহায্যে বিশ্লেষণ, জনমত যাচাই তথা গবেষণার মাধ্যমে আমরা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, অবিলম্বে সোশ্যাল বিজনেস শুরু করা দরকার। সরকার যত দ্রুত উক্ত ব্যবসায়ে পৃষ্ঠপোষকতা করবে তত দ্রুত জনগণ উপকৃত হবে। ইতিমধ্যে আমরা সোশ্যাল বিজনেস সম্পর্কে একটি ধারণা উন্নয়ন করেছি। প্রাথমিক অবস্থায় একটি বেসরকারি উদ্যোগ দ্বারা এই ধারণাটি বাস্তবায়ন সম্ভব।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বুরোর পপুলেশন প্রজেকশন অনুযায়ী ২০৩৪ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে ১৯ কোটি ৬০ লক্ষ। মাথাপিছু ১ টাকা বরাদ্দ ধরলে মোট মূলধন দাঁড়ায় ১৯ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। মাথাপিছু ১ টাকা বরাদ্দ ধরে ২৫ বছর পরে এই ১ টাকার বর্তমান মূল্য কত হতে পারে তা বের করাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। এমপ্লয়মেন্ট ফোকাস্ড লারনিং বাংলাদেশ লিমিটেড এই ধারণাটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
এ ধারণাগুলোর মূলে রয়েছে কর্মসংস্থানমূলক শিক্ষা- ইএফএল যার উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। এ নিশ্চিতকরণের পাথেয় হবে স্থানীয় শিক্ষা-এলসি এবং জীবনব্যাপী শিক্ষা। লোকাল কারিকুলাম এবং লাইফ লং এডুকেশনের আওতায় স্থানীয় সমপ্রদায় পণ্য ও সেবার উৎপাদন ও বন্টন কার্যে নিয়োজিত হবে। গড়ে ওঠবে মাইক্রো পাইলট প্রজেক্ট ও মাইক্রোবিজনেস। পাইলটিং এর মাধ্যমে ত্রুটি, সীমাবদ্ধতা, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা নির্ধারণের পর অর্থ সংস্থান নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে ন্যাশনাল এডুকেশন ফান্ড এনইএফ গঠন করা। প্রাথমিক অবস্থায় ১৯ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা ফান্ড প্রয়োজন। প্রায় ১৪ হাজার উদ্যোক্তা শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি উক্ত ফান্ড ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রডাক্ট, ওয়ান স্কুল মেনি প্রডাক্ট, ওয়ান প্রডাক্ট অল ভিলেজ, ইলেক্ট্রিফিকেশন, ডাটা ব্যাংক প্রতিষ্ঠা, গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োজিত হবে।
বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে একইসাথে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের আওতায় এনে অর্থনৈতিক মুক্তিসহ সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আপনিও হতে পারেন মুক্তিকামী মানুষের একজন। আপনার এই অংশগ্রহণ হতে পারে একজন বিনিয়োগকারী হিসেবে। মাত্র ১৪ হাজার জন ১৪ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে এই সোশ্যাল বিজনেসে যুক্ত হতে পারবেন।
আমরা প্রাথমিক অবস্থায় মেঘনাপাড় স্কুলের ১০০ জন শিক্ষার্থীর জন্য পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ১০০ জনকে ১৪,০০০/- (চৌদ্দ হাজার) টাকার ইএফএল শেয়ার ক্রয় করার অনুরোধ করছি। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- www.meghnaparschool.com
www.eflbd.org
ই-মেইল : admin@eflbd.org
মোবাইল : ০১৬৭-২৭১০০২৮
০১৭২৭-২৬২১৯৫
লেখক আজমান আন্দালিব
- আজমান আন্দালিব -এর ব্লগ
- ৫ টি মন্তব্য
- ০১ সেপ্টেম্বর ২০০৯, ১১:৩৩
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৫ টি মন্তব্য
-
মহামানব০১ সেপ্টেম্বর ২০০৯, ০২:৩৬
এই মুহূর্তে আমার বিশ্বাস সামাজিক ব্যবসায়ের ধারণা মুহাম্মদ ইউনুসের অপরিপক্ব অর্থনীতি শিক্ষা, জ্ঞান ও বুদ্ধির ফসল।
তবে যদি ভুল প্রমাণিত হই, আমি আন্তরিকভাবে আনন্দিত হবো।
শুভেছা রইল।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক