মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন এবং একটি পাইলট প্রজেক্ট
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন এবং একটি পাইলট প্রজেক্ট
প্রথম আলো ব্লগের সবাইকে মেঘনাপাড়ের শিশুদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা। তিনদিন লক্ষ্মীপুরে অবস্থান করে স্কুলের নিজস্ব একটি ইনকাম জেনারটিং ভিউ দাঁড় করেছি। আপনাদের মতামতের জন্য তা প্রকাশ করলাম।
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনে বর্তমানে ৮৬ জন শিক্ষার্থী। আর ১৪ জন শিক্ষার্থী যোগ হলেই ১০০ জন শিক্ষার্থী হয়।
আমাদের স্কুলটি বর্তমানে ২০ হাত বাই ১০ হাত পরিসরের হচ্ছে। পুরো টিনশেড দো-চালা স্কুল। ফ্লোর পাকা হবে। একটি প্রধান শিক্ষকের রুম। বাকি দুইটি ক্লাশ রূম। ৭০ জন করে দুই শিফটে পাঠদান কার্যক্রম চালানো যাবে।
এখন মনে করা যাক এই ১০০ জন শিক্ষার্থী শিক্ষার জন্য খাতায় নাম লেখানোর শুরু থেকে একটি আয় বৃদ্ধির সুযোগ ঘটতে থাকল। এই শিশুদের অভিভাবক কিংবা তাদের হয়ে শিক্ষানুরাগী যে কেউ তাদের নামে প্রতিদিন ১৪ টাকা করে সঞ্চয় করবেন। তাহলে ৩০ দিনে মাস ধরে একমাসে সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪২০/- টাকা। ১০০ জন শিক্ষার্থীর মাথাপিছু মোট সঞ্চয় দাঁড়াবে মাসিক ৪২,০০০/- (বিয়াল্লিশ হাজার ) টাকা। ১,০০০ দিন বা ২ বৎসর ৯ মাস শেষে ১ জনের মোট সঞ্চয় হবে ১৪,০০০/- টাকা। ১০০০ দিন শেষে ১০০ জনের হিসেবে অংকটা দাঁড়াবে ৪ কোটি ২০ লক্ষ টাকা।
একটি বিশাল অংক তাই না!!
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবছর যে শত-কোটি টাকা লুটপাট হয় তার তুলনায় এই অংকটি কিছুই না।
ভেবে দেখুন, এটি কিন্তু শিক্ষার্থীদের পক্ষে ৫ কোটির অংকে সঞ্চয়কৃত অর্থ। এই অর্থটি একটি শিক্ষা ফান্ড হিসেবে শুরু হতে পারে।
একটি আধুনিক ই-ব্যাংকিং সফটওয়্যারের আওতায় এই শিক্ষা ফান্ডটি পরিচালিত হবে।
অর্থাৎ এটি একটি পরিপূর্ণ অনলাইন ব্যাংকিং হবে।
এই ১০০০ দিন পর্যন্ত শুধু সঞ্চয় হতে থাকবে। এই অর্থ থেকে কোন ব্যয় হবে না। একটি তালিকাভুক্ত ব্যাংকে লাভজনকভাবে এই ফান্ডটি এফডিআর খাতে জমতে থাকবে।
উক্ত সময় শেষে এই পুরো টাকাটি একটি শিক্ষা বন্ডে রুপান্তরিত হবে। ধরা যাক এটির নাম এডুকেশন বন্ড। একটি লিমিটেড কোম্পানির আওতায় এই বন্ডের অর্থ লাভজনক খাতে বিনিয়োজিত হতে পারে। তাহলে আমরা সংক্ষেপে এই বন্ডটির নাম বলতে পারি ইএফএল বা এডুকেশন ফান্ড লিমিটেড। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি অনুমতি নিয়ে নিলে আইনগত ভাবে এটি পরিচালনা করা যাবে।
এখন আসা যাক আমরা এই ফান্ড কি কাজে লাগাতে পারি-
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিক থেকে :
১. এই ফান্ডের লাভ প্রতিটি শিক্ষার্থীর নামে যুক্ত হবে। শিক্ষার্থীদের পক্ষ হয়ে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন ম্যানেজিং কমিটির সহায়তায় এটি পরিচালনা করবে।
২. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই ফান্ডের যে কোন লাভজনক বিনিয়োগ করতে পারবে।
শিক্ষার্থীদের দিক থেকে :
১. প্রতিটি শিক্ষার্থী এই সঞ্চয়কৃত অর্থের মালিক। নির্দিষ্ট ১০০০ দিন শেষে তারা সঞ্চয়কৃত অর্থ প্রচলিত ব্যাংকিং মুনাফাসহ ফেরত পাবে।
২. শিক্ষার্থীরা এই অর্থ তাদের পরবর্তী উচ্চতর শিক্ষার ব্যয় মেটানোর জন্য ব্যবহার করতে পারবে। অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত বন্ডে অধিকতর লাভজনকভাবে বিনিয়োজিত হবে।
৩. সামাজিক ব্যবসায়ের আওতায় কোন শিক্ষার্থী/অভিভাবক ক্ষুদ্র কিংবা মাঝারি শিল্প গড়ে তুলতে চাইলে তাকে পুঁজির যোগান দেওয়া যেতে পারে এই ফান্ড থেকে।
স্থানীয় কমিউনিটির দিক থেকে :
১. শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবক-স্থানীয় জনসাধারণ মিলেই স্থানীয় কমিউনিটি। এরূপ একটি ফান্ডের আওতায় সবাই যুক্ত থাকতে পারবে বিধায় এটি স্বচ্ছ এবং পরিশীলিত হবে। এর স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহীতা নিশ্চিত করা হবে অত্যাধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায়। বিশ্বের যে কান প্রান্ত থেকে আইনানুগভাবে এটি পরিচালনা করা যাবে।
স্থানীয় বাজারের দিক থেকে :
১. স্থানীয় কমিউনিটি সম্পৃক্ত থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক একটি মিনি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর গড়ে তুলতে পারে। শিক্ষার্থীরা পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে এটি পরিচালনা করবে। স্কুলের সাথে সম্পৃক্ত সবাই ন্যয্য মূল্যে এখান থেকে পণ্যদ্রব্য কিংবা সেবা ক্রয় করবে। পণ্য/সেবার যোগানও হবে স্থানীয় কমিউনিটি কৃষক এবং শ্রমজীবী ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে।
তারপর...তারপর হতে পারে অনেক কিছু। প্রতিটি শিক্ষার্থী স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে। তাদের অভিভাবকরা স্বচ্ছল হয়ে উঠতে পারে।
স্কুলের নামে জমি/জলাশয় লীজ নিয়ে বা ক্রয় করে শিক্ষার্থী/অভিভাবকদের দ্বারা কৃষি শিক্ষার ব্যবহারিক অংশটুকু বাস্তবায়ন এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক কাজগুলো উদ্যোক্তা উন্নয়ন ঘটানোর মাধ্যমে সম্পন্ন করা যেতে পারে।
আরও অনেক কিছুই সম্ভব হতে পারে এই ছোট্ট একটি উদ্যোগকে সহায়তা এবং সমর্থন দিলে। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহায়তা প্রাপ্তির আশায় বসে না থেকে নিজেই উপার্জনের উপায় খুঁজে নিতে পারে। শিক্ষার্থী/কমিউনিটির মধ্যে অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ ও সৃষ্টি করতে পারবে।
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনকে আপনারা প্রথম থেকেই যে সহায়তা এবং সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন তাতে আমরা স্কুলটিকে নিয়ে স্বপ্নের পথ পাড়ি দিচ্ছি। এখানকার শিক্ষার্থীরা শিক্ষার শুরু থেকেই আয় বর্ধন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত হবে- এই বিষয়টি নিয়ে আমরা ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছি। এতে কোন ত্রুটি থাকলে আপনাদের কাছ থেকে পরামর্শ চাইবো ত্রুটি মুক্ত করার।
উপরোক্ত গবেষণা কর্মটির পুরোপুরি বাস্তবায়ন শুরু হবে ২০১০ সালের ১ জানুয়ারী থেকে। আমাদের হাতে আরও ৬ মাস সময় আছে। এর মধ্যে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন প্রাথমিক স্থাপন ব্যয়। আমরা ইতিমধ্যে স্কুলের জন্য এক টুকরো জমি পেয়েছি যেটিকে উন্নয়ন ঘটানো হলে অনেক কিছুই করা সম্ভব। ৬ মাসের এই পাইলট প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪০,০০০/- টাকা। ১৪০ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবক হিসেবে ব্লগার বন্ধু কিংবা শিক্ষানুরাগী যে কেউ মাত্র ১,০০০/- টাকা করে দিলেই এই ফান্ডটি গঠিত হতে পারে।
উক্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এই প্রাথমিক ব্যয়টুকু অপরিহার্য। আপনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে হতে পারেন মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের একজন সামাজিক বিনিয়োগকারী।
পূর্বে যাঁরা অর্থ সাহায্য পাঠিয়েছেন তাদের প্রত্যেকেই এই স্কুলটির একজন সম্মানিত ডোনার। আপনারা অচিরেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনাদের বিনিয়োজিত অর্থের প্রক্রিয়াটা দেখতে পাবেন। ওয়েবসাইট এবং ই-ব্যাংকিং সফটওয়্যার উন্নয়নের কাজ চলছে।
এই প্রকল্প প্রস্তাবনাটুকু পাঠ করে কেউ যদি এই ফান্ড গঠনের সহায়তায় এগিয়ে আসেন তাহলে দয়া করে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে আমাকে জানাবেন প্লিজ...
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
সঞ্চয়ী হিসাব নং- ০০১-৭২৩২
সোনালী ব্যাংক, সদর, লক্ষ্মীপুর।
(আগামী ১লা জুলাই মেঘনাপাড়ের এ পর্যন্ত সংগৃহীত এবং ব্যয়িত অর্থের হিসাব-নিকাশ নিয়ে প্রাথমিক ই-ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হবে। এর উন্নয়নের কাজ চলছে। ডোনার এবং সদস্যরা তা দেখতে চাইলে ভিজিট করবেন- www.meghnaparschool.com)
প্রথম আলো ব্লগের সবাইকে মেঘনাপাড়ের শিশুদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা। তিনদিন লক্ষ্মীপুরে অবস্থান করে স্কুলের নিজস্ব একটি ইনকাম জেনারটিং ভিউ দাঁড় করেছি। আপনাদের মতামতের জন্য তা প্রকাশ করলাম।
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনে বর্তমানে ৮৬ জন শিক্ষার্থী। আর ১৪ জন শিক্ষার্থী যোগ হলেই ১০০ জন শিক্ষার্থী হয়।
আমাদের স্কুলটি বর্তমানে ২০ হাত বাই ১০ হাত পরিসরের হচ্ছে। পুরো টিনশেড দো-চালা স্কুল। ফ্লোর পাকা হবে। একটি প্রধান শিক্ষকের রুম। বাকি দুইটি ক্লাশ রূম। ৭০ জন করে দুই শিফটে পাঠদান কার্যক্রম চালানো যাবে।
এখন মনে করা যাক এই ১০০ জন শিক্ষার্থী শিক্ষার জন্য খাতায় নাম লেখানোর শুরু থেকে একটি আয় বৃদ্ধির সুযোগ ঘটতে থাকল। এই শিশুদের অভিভাবক কিংবা তাদের হয়ে শিক্ষানুরাগী যে কেউ তাদের নামে প্রতিদিন ১৪ টাকা করে সঞ্চয় করবেন। তাহলে ৩০ দিনে মাস ধরে একমাসে সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪২০/- টাকা। ১০০ জন শিক্ষার্থীর মাথাপিছু মোট সঞ্চয় দাঁড়াবে মাসিক ৪২,০০০/- (বিয়াল্লিশ হাজার ) টাকা। ১,০০০ দিন বা ২ বৎসর ৯ মাস শেষে ১ জনের মোট সঞ্চয় হবে ১৪,০০০/- টাকা। ১০০০ দিন শেষে ১০০ জনের হিসেবে অংকটা দাঁড়াবে ৪ কোটি ২০ লক্ষ টাকা।
একটি বিশাল অংক তাই না!!
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবছর যে শত-কোটি টাকা লুটপাট হয় তার তুলনায় এই অংকটি কিছুই না।
ভেবে দেখুন, এটি কিন্তু শিক্ষার্থীদের পক্ষে ৫ কোটির অংকে সঞ্চয়কৃত অর্থ। এই অর্থটি একটি শিক্ষা ফান্ড হিসেবে শুরু হতে পারে।
একটি আধুনিক ই-ব্যাংকিং সফটওয়্যারের আওতায় এই শিক্ষা ফান্ডটি পরিচালিত হবে।
অর্থাৎ এটি একটি পরিপূর্ণ অনলাইন ব্যাংকিং হবে।
এই ১০০০ দিন পর্যন্ত শুধু সঞ্চয় হতে থাকবে। এই অর্থ থেকে কোন ব্যয় হবে না। একটি তালিকাভুক্ত ব্যাংকে লাভজনকভাবে এই ফান্ডটি এফডিআর খাতে জমতে থাকবে।
উক্ত সময় শেষে এই পুরো টাকাটি একটি শিক্ষা বন্ডে রুপান্তরিত হবে। ধরা যাক এটির নাম এডুকেশন বন্ড। একটি লিমিটেড কোম্পানির আওতায় এই বন্ডের অর্থ লাভজনক খাতে বিনিয়োজিত হতে পারে। তাহলে আমরা সংক্ষেপে এই বন্ডটির নাম বলতে পারি ইএফএল বা এডুকেশন ফান্ড লিমিটেড। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি অনুমতি নিয়ে নিলে আইনগত ভাবে এটি পরিচালনা করা যাবে।
এখন আসা যাক আমরা এই ফান্ড কি কাজে লাগাতে পারি-
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিক থেকে :
১. এই ফান্ডের লাভ প্রতিটি শিক্ষার্থীর নামে যুক্ত হবে। শিক্ষার্থীদের পক্ষ হয়ে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন ম্যানেজিং কমিটির সহায়তায় এটি পরিচালনা করবে।
২. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই ফান্ডের যে কোন লাভজনক বিনিয়োগ করতে পারবে।
শিক্ষার্থীদের দিক থেকে :
১. প্রতিটি শিক্ষার্থী এই সঞ্চয়কৃত অর্থের মালিক। নির্দিষ্ট ১০০০ দিন শেষে তারা সঞ্চয়কৃত অর্থ প্রচলিত ব্যাংকিং মুনাফাসহ ফেরত পাবে।
২. শিক্ষার্থীরা এই অর্থ তাদের পরবর্তী উচ্চতর শিক্ষার ব্যয় মেটানোর জন্য ব্যবহার করতে পারবে। অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত বন্ডে অধিকতর লাভজনকভাবে বিনিয়োজিত হবে।
৩. সামাজিক ব্যবসায়ের আওতায় কোন শিক্ষার্থী/অভিভাবক ক্ষুদ্র কিংবা মাঝারি শিল্প গড়ে তুলতে চাইলে তাকে পুঁজির যোগান দেওয়া যেতে পারে এই ফান্ড থেকে।
স্থানীয় কমিউনিটির দিক থেকে :
১. শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবক-স্থানীয় জনসাধারণ মিলেই স্থানীয় কমিউনিটি। এরূপ একটি ফান্ডের আওতায় সবাই যুক্ত থাকতে পারবে বিধায় এটি স্বচ্ছ এবং পরিশীলিত হবে। এর স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহীতা নিশ্চিত করা হবে অত্যাধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায়। বিশ্বের যে কান প্রান্ত থেকে আইনানুগভাবে এটি পরিচালনা করা যাবে।
স্থানীয় বাজারের দিক থেকে :
১. স্থানীয় কমিউনিটি সম্পৃক্ত থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক একটি মিনি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর গড়ে তুলতে পারে। শিক্ষার্থীরা পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে এটি পরিচালনা করবে। স্কুলের সাথে সম্পৃক্ত সবাই ন্যয্য মূল্যে এখান থেকে পণ্যদ্রব্য কিংবা সেবা ক্রয় করবে। পণ্য/সেবার যোগানও হবে স্থানীয় কমিউনিটি কৃষক এবং শ্রমজীবী ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে।
তারপর...তারপর হতে পারে অনেক কিছু। প্রতিটি শিক্ষার্থী স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে। তাদের অভিভাবকরা স্বচ্ছল হয়ে উঠতে পারে।
স্কুলের নামে জমি/জলাশয় লীজ নিয়ে বা ক্রয় করে শিক্ষার্থী/অভিভাবকদের দ্বারা কৃষি শিক্ষার ব্যবহারিক অংশটুকু বাস্তবায়ন এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক কাজগুলো উদ্যোক্তা উন্নয়ন ঘটানোর মাধ্যমে সম্পন্ন করা যেতে পারে।
আরও অনেক কিছুই সম্ভব হতে পারে এই ছোট্ট একটি উদ্যোগকে সহায়তা এবং সমর্থন দিলে। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহায়তা প্রাপ্তির আশায় বসে না থেকে নিজেই উপার্জনের উপায় খুঁজে নিতে পারে। শিক্ষার্থী/কমিউনিটির মধ্যে অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ ও সৃষ্টি করতে পারবে।
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনকে আপনারা প্রথম থেকেই যে সহায়তা এবং সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন তাতে আমরা স্কুলটিকে নিয়ে স্বপ্নের পথ পাড়ি দিচ্ছি। এখানকার শিক্ষার্থীরা শিক্ষার শুরু থেকেই আয় বর্ধন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত হবে- এই বিষয়টি নিয়ে আমরা ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছি। এতে কোন ত্রুটি থাকলে আপনাদের কাছ থেকে পরামর্শ চাইবো ত্রুটি মুক্ত করার।
উপরোক্ত গবেষণা কর্মটির পুরোপুরি বাস্তবায়ন শুরু হবে ২০১০ সালের ১ জানুয়ারী থেকে। আমাদের হাতে আরও ৬ মাস সময় আছে। এর মধ্যে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন প্রাথমিক স্থাপন ব্যয়। আমরা ইতিমধ্যে স্কুলের জন্য এক টুকরো জমি পেয়েছি যেটিকে উন্নয়ন ঘটানো হলে অনেক কিছুই করা সম্ভব। ৬ মাসের এই পাইলট প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪০,০০০/- টাকা। ১৪০ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবক হিসেবে ব্লগার বন্ধু কিংবা শিক্ষানুরাগী যে কেউ মাত্র ১,০০০/- টাকা করে দিলেই এই ফান্ডটি গঠিত হতে পারে।
উক্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এই প্রাথমিক ব্যয়টুকু অপরিহার্য। আপনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে হতে পারেন মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের একজন সামাজিক বিনিয়োগকারী।
পূর্বে যাঁরা অর্থ সাহায্য পাঠিয়েছেন তাদের প্রত্যেকেই এই স্কুলটির একজন সম্মানিত ডোনার। আপনারা অচিরেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনাদের বিনিয়োজিত অর্থের প্রক্রিয়াটা দেখতে পাবেন। ওয়েবসাইট এবং ই-ব্যাংকিং সফটওয়্যার উন্নয়নের কাজ চলছে।
এই প্রকল্প প্রস্তাবনাটুকু পাঠ করে কেউ যদি এই ফান্ড গঠনের সহায়তায় এগিয়ে আসেন তাহলে দয়া করে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে আমাকে জানাবেন প্লিজ...
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
সঞ্চয়ী হিসাব নং- ০০১-৭২৩২
সোনালী ব্যাংক, সদর, লক্ষ্মীপুর।
(আগামী ১লা জুলাই মেঘনাপাড়ের এ পর্যন্ত সংগৃহীত এবং ব্যয়িত অর্থের হিসাব-নিকাশ নিয়ে প্রাথমিক ই-ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হবে। এর উন্নয়নের কাজ চলছে। ডোনার এবং সদস্যরা তা দেখতে চাইলে ভিজিট করবেন- www.meghnaparschool.com)
লেখক আজমান আন্দালিব
- আজমান আন্দালিব -এর ব্লগ
- ৪ টি মন্তব্য
- ১৬ জুন ২০০৯, ০৪:৪৮
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক