মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
গতকাল প্রথম আলো ব্লগে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। শিরোনাম ছিল- প্রথম আলো ব্লগারদের পরিচালনায় মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন। সামান্য একটু অসতর্কতার কারণে পোস্টটি ৩ বার প্রথম পেজে চলে গেছে। আর লেখাগুলো নোটপ্যাডে লিখে কপি করে ব্লগে পেস্ট করেছি। সংশোধনের সুযোগ পাইনি। তাই লেখাগুলো অনেকটা অগোছালো হয়েছে। নিবিষ্ট পাঠকদের জন্য এটিও একটি সমস্যা ছিল। ব্লগার বন্ধুদের বিরক্তি উদ্রেকের জন্য আমি দু:খিত। প্রথম পেজ থেকে পোস্টটি মোছার চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি। এই সুবিধাটা অন্যান্য ব্লগে আছে। আশা করি প্রথম আলো ব্লগের কাছেও সেরকম সুবিধা অচিরেই পাবো।
আজ বিল রাসেলের কাছ থেকে সমস্যার সমাধান জেনে আমার যত পোস্ট অপশনে গিয়ে বাড়তি পোস্টগুলো মুছে ফেললাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রথম পোস্টের কমেন্টসহ পোস্টটা মুছে ফেলেছি। ভাগ্যিস প্রথম আলো ব্লগে সর্বশেষ মন্তব্য দেখার সুযোগ আছে। তাই প্রথমেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি কারিম ভাই, বিল রাসেল, সুমিন শাওন, ত্রিভুজ, সৌম্য, জাকির ব্যাপারী, সিমানা পেরিয়ে- যারা আমার পোস্টটিতে চমৎকার সব মন্তব্য করেছেন। আম খুবই ইমপ্রেসড হয়েছি।
আমি আপনাদের সবাইকে একটি স্বপ্নের স্কুলের সাথে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানকিতেন মজু চৌধুরী হাটের জেলেদের একটি স্বপ্ন। প্রথম আলো পত্রিকা বন্ধুসভার সাহায্যে সারা দেশে জনপ্রিয় সব সেবামূলক কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে। এসিড দগ্ধদের চিকিৎসা সহ কর্মসংস্থানে সহায়তা দিচ্ছে। দুর্গতদের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌছে দিচ্ছে। স্কুল-কলেজ, রাস্তাঘাটের উন্নয়নে স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছে। আরও আরও অনেক মহৎ উদ্যোগের সাথে প্রথম আলো জড়িত। লক্ষ্মীপুর জেলার সেই জেলেপাড়ার শিশুদের জন্য প্রথম আলো পরিবারের সহায়তায় আমরা এই স্বপ্নটি বাস্তবায়ন করতে পারি।
আসুন আমরা মার্চ মাসের ২৬ তারিখ আমাদের জাতীয় পতাকা স্কুলের মাঠে উড়িয়ে বিজয় দিবসটি অবহেলিত জেলেপল্লীর সেই শিক্ষার্থীদের সাথে কাটাই। স্কুলের জন্য আমি ব্লগার বন্ধুদের নিয়ে একটি পরিচালনা কমিটি করতে চাচ্ছি। এই পরিচালনা কমিটিতে যে সব ব্লগার বন্ধুরা থাকবে তাদের নাম সহ একটি গঠনতন্ত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া এই ব্লগেই শুরু করবো। আসুন, আমরা প্রথম আলো পরিবারের সবাই মিলে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন স্কুলটি গড়ে তুলি। ২৬ মার্চ ২০০৯ তারিখে স্বাধীনতা দিবসে আমরা সবাই মিলে সুদূর মেঘনার বুকে স্কুলটিতে পাঠ দিতে চলে যাবো। জেলে শিশুদের শিক্ষার স্বাধীনতা বুঝিয়ে দিয়ে প্রকৃত
স্বাধীনতার পাঠ তাদের চিনিয়ে দিতে হবে। আসুন, সবে মিলে এই মহৎ কাজটির সাথে যুক্ত হই।
২৬ মার্চ ২০০৯ তারিখ বৃহস্পতিবার। সরকারি ছুটির দিন। যাদের পক্ষে সম্ভব হবে এদিনে আমরা একটি ট্যুর প্ল্যান করতে পারি। আমাদের ইভেন্টগুলো প্রোগ্রাম হতে পারে এরকম-
সকাল ৭.০০ টা : সায়েদাবাদ থেকে লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা।
সকাল ১১.৩০ টা : লক্ষ্মীপুর সদরে হোটেল মোহাম্মদীয়ায় যাত্রা বিরতি ।
দুপুর ১২.০০ টা : লাঞ্চ।
দুপুর ০১.৩০ টা : মজু চৌধুরী হাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা।
দুপুর ০২.০০ টা : মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন গমন এবং পরিদর্শন।
দুপুর ০২.৩০ টা : স্কুলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বিজয় দিবস উদযাপন।
বিকেল ০৩.০০ টা : পরিচালনা কমিটি ঘোষণা এবং শিশুদের সাথে পাঠ আলোচনা।
বিকেল ০৪.০০ টা : মেঘনা নদীবক্ষে ভ্রমণ, সূর্যাস্ত দেখা এবং বৈকালিক চা চক্র।
বিকেল ০৫.০০ টা : লক্ষ্মীপুর শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রা।
সন্ধ্যা ০৬.০০ টা : ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা।
রাত ১০.৩০ টা : সায়দাবাদ থেকে যার যার গন্তব্যস্থলে রওয়ানা।
ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর যেতে আসতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৫০০/- টাকা জনপ্রতি। মজু চৌধুরী হাট যেতে আসতে আরও ৫০/- টাকা। খাওয়া বাবদ ১০০/- টাকা। অন্যান্য আরও ৫০/- টাকা ধরলে ৭০০/- টাকা জনপ্রতি খরচ হবে। আমরা প্রত্যেকে ১০০০/- টাকা মাথাপিছু বরাদ্দ ধরে একদিনের জন্য একটি ট্যুর পরিকল্পনা করতে পারি। বেঁচে যাওয়া অর্থ দিয়ে শিশুদের জন্য স্কুল ড্রেস কিংবা অন্য যে কোন পঠন সামগ্রী দিতে পারি।
আসুন ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে আমরা মেঘনাপাড়ের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জীবনে শিক্ষার স্বাধীনতা নিয়ে যাই।
এই ট্যুর পরিকল্পনাটিকে ব্লগার বন্ধু সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমি মাহবুব মোর্শেদ ভাইয়ের সহযোগতিা চাচ্ছ।ি আমি প্রথম আলো ব্লগার সব বন্ধুর কাছে পরামর্শ চাচ্ছি।
আজ আমি ব্লগে বেশিক্ষণ থাকতে পারছ িনা। কৌতুহলী ব্লগারদের যে কোন প্রশ্নের জবাব অনলাইনে আসলে দেবো নিশ্চিত। গতকালরে মত ভুল হব েনা।
আজ বিল রাসেলের কাছ থেকে সমস্যার সমাধান জেনে আমার যত পোস্ট অপশনে গিয়ে বাড়তি পোস্টগুলো মুছে ফেললাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রথম পোস্টের কমেন্টসহ পোস্টটা মুছে ফেলেছি। ভাগ্যিস প্রথম আলো ব্লগে সর্বশেষ মন্তব্য দেখার সুযোগ আছে। তাই প্রথমেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি কারিম ভাই, বিল রাসেল, সুমিন শাওন, ত্রিভুজ, সৌম্য, জাকির ব্যাপারী, সিমানা পেরিয়ে- যারা আমার পোস্টটিতে চমৎকার সব মন্তব্য করেছেন। আম খুবই ইমপ্রেসড হয়েছি।
আমি আপনাদের সবাইকে একটি স্বপ্নের স্কুলের সাথে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানকিতেন মজু চৌধুরী হাটের জেলেদের একটি স্বপ্ন। প্রথম আলো পত্রিকা বন্ধুসভার সাহায্যে সারা দেশে জনপ্রিয় সব সেবামূলক কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে। এসিড দগ্ধদের চিকিৎসা সহ কর্মসংস্থানে সহায়তা দিচ্ছে। দুর্গতদের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌছে দিচ্ছে। স্কুল-কলেজ, রাস্তাঘাটের উন্নয়নে স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছে। আরও আরও অনেক মহৎ উদ্যোগের সাথে প্রথম আলো জড়িত। লক্ষ্মীপুর জেলার সেই জেলেপাড়ার শিশুদের জন্য প্রথম আলো পরিবারের সহায়তায় আমরা এই স্বপ্নটি বাস্তবায়ন করতে পারি।
আসুন আমরা মার্চ মাসের ২৬ তারিখ আমাদের জাতীয় পতাকা স্কুলের মাঠে উড়িয়ে বিজয় দিবসটি অবহেলিত জেলেপল্লীর সেই শিক্ষার্থীদের সাথে কাটাই। স্কুলের জন্য আমি ব্লগার বন্ধুদের নিয়ে একটি পরিচালনা কমিটি করতে চাচ্ছি। এই পরিচালনা কমিটিতে যে সব ব্লগার বন্ধুরা থাকবে তাদের নাম সহ একটি গঠনতন্ত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া এই ব্লগেই শুরু করবো। আসুন, আমরা প্রথম আলো পরিবারের সবাই মিলে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন স্কুলটি গড়ে তুলি। ২৬ মার্চ ২০০৯ তারিখে স্বাধীনতা দিবসে আমরা সবাই মিলে সুদূর মেঘনার বুকে স্কুলটিতে পাঠ দিতে চলে যাবো। জেলে শিশুদের শিক্ষার স্বাধীনতা বুঝিয়ে দিয়ে প্রকৃত
স্বাধীনতার পাঠ তাদের চিনিয়ে দিতে হবে। আসুন, সবে মিলে এই মহৎ কাজটির সাথে যুক্ত হই।
২৬ মার্চ ২০০৯ তারিখ বৃহস্পতিবার। সরকারি ছুটির দিন। যাদের পক্ষে সম্ভব হবে এদিনে আমরা একটি ট্যুর প্ল্যান করতে পারি। আমাদের ইভেন্টগুলো প্রোগ্রাম হতে পারে এরকম-
সকাল ৭.০০ টা : সায়েদাবাদ থেকে লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা।
সকাল ১১.৩০ টা : লক্ষ্মীপুর সদরে হোটেল মোহাম্মদীয়ায় যাত্রা বিরতি ।
দুপুর ১২.০০ টা : লাঞ্চ।
দুপুর ০১.৩০ টা : মজু চৌধুরী হাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা।
দুপুর ০২.০০ টা : মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন গমন এবং পরিদর্শন।
দুপুর ০২.৩০ টা : স্কুলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বিজয় দিবস উদযাপন।
বিকেল ০৩.০০ টা : পরিচালনা কমিটি ঘোষণা এবং শিশুদের সাথে পাঠ আলোচনা।
বিকেল ০৪.০০ টা : মেঘনা নদীবক্ষে ভ্রমণ, সূর্যাস্ত দেখা এবং বৈকালিক চা চক্র।
বিকেল ০৫.০০ টা : লক্ষ্মীপুর শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রা।
সন্ধ্যা ০৬.০০ টা : ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা।
রাত ১০.৩০ টা : সায়দাবাদ থেকে যার যার গন্তব্যস্থলে রওয়ানা।
ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর যেতে আসতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৫০০/- টাকা জনপ্রতি। মজু চৌধুরী হাট যেতে আসতে আরও ৫০/- টাকা। খাওয়া বাবদ ১০০/- টাকা। অন্যান্য আরও ৫০/- টাকা ধরলে ৭০০/- টাকা জনপ্রতি খরচ হবে। আমরা প্রত্যেকে ১০০০/- টাকা মাথাপিছু বরাদ্দ ধরে একদিনের জন্য একটি ট্যুর পরিকল্পনা করতে পারি। বেঁচে যাওয়া অর্থ দিয়ে শিশুদের জন্য স্কুল ড্রেস কিংবা অন্য যে কোন পঠন সামগ্রী দিতে পারি।
আসুন ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে আমরা মেঘনাপাড়ের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জীবনে শিক্ষার স্বাধীনতা নিয়ে যাই।
এই ট্যুর পরিকল্পনাটিকে ব্লগার বন্ধু সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমি মাহবুব মোর্শেদ ভাইয়ের সহযোগতিা চাচ্ছ।ি আমি প্রথম আলো ব্লগার সব বন্ধুর কাছে পরামর্শ চাচ্ছি।
আজ আমি ব্লগে বেশিক্ষণ থাকতে পারছ িনা। কৌতুহলী ব্লগারদের যে কোন প্রশ্নের জবাব অনলাইনে আসলে দেবো নিশ্চিত। গতকালরে মত ভুল হব েনা।
লেখক আজমান আন্দালিব
- আজমান আন্দালিব -এর ব্লগ
- ৬ টি মন্তব্য
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ০২:৪২
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৬ টি মন্তব্য
-
নাসরীন জুবায়ের২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ০৯:৩৯
খুব ভাল উদ্যোগ। ধন্যবাদ, আমি যেতে পারবো না, তবে আমি আপনার মাধ্যমে ছেলে মেয়েদের জন্য কিছু উপহার দিতে চাই যা তাদের পড়াশুনায় কাজে লাগবে,...... আমি যোগাযোগ করবো।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক