মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন এবং আমাদের অগ্রযাত্রা...
আজ ১৪ জুন রবিবার, ২০০৯ সাল। মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের জন্য একটি আনন্দমুখর দিন। প্রথম আলো
ব্লগার বন্ধুদের অব্যাহত সমর্থনে আমরা স্বপ্নের স্কুলটি বাস্তবায়নে আরও একধাপ এগিয়ে গিয়েছি। আজ স্কুলটির একটি স্থায়ী ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে। এই দিনে প্রথম আলো ব্লগার বন্ধু সহ যাঁরা স্কুলটিকে অব্যাহত সমর্থন যুগিয়ে যাচ্ছেন- তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।
গতকাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয়সহ আমরা মজু চৌধুরী হাট গিয়েছিলাম স্কুলটির একটি স্থায়ী জায়গা নির্বাচন করতে। সাথে ছিলেন লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের বাংলার প্রভাষক জনাব ফারুক আহাম্মদ, এডভোকেট শওকত আলী চৌধুরী লিটন, দৈনিক প্রথম আলো লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জনাব জাহাঙ্গীর আলম, দিগন্ত টেলিভিশন এবং দৈনিক সংবাদের লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জনাব মাসুদুর রহমান খান ভুট্টু।
বিকাল সাড়ে তিনটায় আমরা স্কুলে পৌঁছি। গত ক'দিন আগে ঘূর্ণিঝড় আইলায় আমাদের স্কুল ঘরটির ব্যাপক ক্ষতি
হয়েছিল। স্কুলের সামনের অংশের বেড়া ভেঙ্গে গিয়েছে। এখানে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যার ফলে বৃষ্টির
ঝাপটা এসে স্কুল ঘরের মেঝে ভিজিয়ে দেয়। বাচ্চারা নিচে বসতে পারে না। নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয় এ অবস্থা দেখে স্কুলের জন্য এক টুকরো জমির ব্যবস্থা করে দিলেন। স্কুল ঘরটি এখন যেখানে আছে সেখান থেকে আরেকটু পূর্বে একটুকরো সমতল জমি আছে। মেঘনার বুকে যে রাস্তাটুকু আছে তার পাশেই একটু নিচু সমতল এই জায়গাটুকু। স্কুলের জন্য একটি চমৎকার এবং আদর্শ স্থান হতে পারে এটি যদি পরিকল্পিত ভাবে স্কুলটিকে গড়ে তোলা যায়।
২০ হাত বাই ১০ হাত পরিসরের এই স্কুলটির ভিটি উন্নয়নের কাজ শুরু করে দিয়েছি। ১০ টি কনক্রীট পিলার বসানো হয়েছে। রাস্তা থেকে অনেকটা নিচুতে হওয়ায় স্কুলের ভিটি কমপক্ষে ৩ ফুট উচু করে বাধতে হবে যাতে জোয়ারের পানি না উঠে। বর্তমানে যে ফান্ড আছে তাতে পিলার এবং ভিটি উচু করতেই চলে যাবে। পুরো প্রক্রিয়াটা শেষে হিসাবের আপডেট ব্লগে দেওয়া হবে।
স্কুলের ভিটি পাকা করে দেওয়া হবে। পুরোপুরি টিনের দো-চালা ঘর তুলে দেওয়া হবে। আগামী ১ মাসের মধ্যেই স্কুলের স্থায়ী ব্যবস্থা সম্পন্ন করে ফেলতে হবে। আগামী ১৪ জুলাই মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। এই দিনে আমরা প্রথম আলো ব্লগের সমস্ত বন্ধুদের নিয়ে স্কুলটির একটি আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করতে পারি।
আপনাদের অব্যাহত সমর্থন আমাদের এ পর্যন্ত আসার সাহস যুগিয়েছে। প্রথম আলো ব্লগের অনেক বন্ধুই স্কুলটির জন্য শিক্ষা উপকরণ সহায়তা দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু এই মুহূর্তে স্কুলটির একটি স্থায়ী ফান্ড দরকার।
আমরা আশা করছি বর্তমান স্কুলটিতে ১৪০ জন শিশুর শিক্ষার ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। আগামী জানুয়ারী থেকে ক্লাস
ওয়ান শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে স্কুলের শ্রেণী সংখ্যা বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা আছে বর্তমান স্থানটিতে।
১৪০ জন শিশুর মাথাপিছু ১০০০/- (এক হাজার) টাকা সংস্থান করা সম্ভব হলে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার একটি ফান্ড গঠিত হবে। এই অর্থটুকু থাকলে আমরা নিশ্চিন্তে স্কুলের উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করতে পারি। মাত্র ১৪০ জন ব্যক্তি মাথা পিছু ১০০০ টাকা করে দিলে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার একটি ফান্ড গঠিত হবে- যেটি দ্বারা স্কুলের স্থায়ী উন্নয়নের কাজ আরম্ভ করে দিতে পারি।
আপনারা যদি স্কুলটিকে সহায়তা দিতে চান দয়া করে সরাসরি স্কুলের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবেন। লক্ষ্মীপুর সদরের সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার, লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক এবং স্কুলের শিক্ষক সমন্বয়ে অর্থ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখন থেকে স্কুলের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এই কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। স্কুলের উন্নয়ন কাজ শেষে আমার কাছে সমস্ত হিসাব আসলে ব্লগে আপডেট জানিয়ে দেওয়া হবে।
সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা :
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
সঞ্চয়ী হিসাব নং- ০০১-৭২৩২
সোনালী ব্যাংক, সদর, লক্ষ্মীপুর।
SWIFT- BSON BDDHA SEB
ব্লগার বন্ধুদের অব্যাহত সমর্থনে আমরা স্বপ্নের স্কুলটি বাস্তবায়নে আরও একধাপ এগিয়ে গিয়েছি। আজ স্কুলটির একটি স্থায়ী ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে। এই দিনে প্রথম আলো ব্লগার বন্ধু সহ যাঁরা স্কুলটিকে অব্যাহত সমর্থন যুগিয়ে যাচ্ছেন- তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।
গতকাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয়সহ আমরা মজু চৌধুরী হাট গিয়েছিলাম স্কুলটির একটি স্থায়ী জায়গা নির্বাচন করতে। সাথে ছিলেন লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের বাংলার প্রভাষক জনাব ফারুক আহাম্মদ, এডভোকেট শওকত আলী চৌধুরী লিটন, দৈনিক প্রথম আলো লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জনাব জাহাঙ্গীর আলম, দিগন্ত টেলিভিশন এবং দৈনিক সংবাদের লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জনাব মাসুদুর রহমান খান ভুট্টু।
বিকাল সাড়ে তিনটায় আমরা স্কুলে পৌঁছি। গত ক'দিন আগে ঘূর্ণিঝড় আইলায় আমাদের স্কুল ঘরটির ব্যাপক ক্ষতি
হয়েছিল। স্কুলের সামনের অংশের বেড়া ভেঙ্গে গিয়েছে। এখানে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যার ফলে বৃষ্টির
ঝাপটা এসে স্কুল ঘরের মেঝে ভিজিয়ে দেয়। বাচ্চারা নিচে বসতে পারে না। নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয় এ অবস্থা দেখে স্কুলের জন্য এক টুকরো জমির ব্যবস্থা করে দিলেন। স্কুল ঘরটি এখন যেখানে আছে সেখান থেকে আরেকটু পূর্বে একটুকরো সমতল জমি আছে। মেঘনার বুকে যে রাস্তাটুকু আছে তার পাশেই একটু নিচু সমতল এই জায়গাটুকু। স্কুলের জন্য একটি চমৎকার এবং আদর্শ স্থান হতে পারে এটি যদি পরিকল্পিত ভাবে স্কুলটিকে গড়ে তোলা যায়।
২০ হাত বাই ১০ হাত পরিসরের এই স্কুলটির ভিটি উন্নয়নের কাজ শুরু করে দিয়েছি। ১০ টি কনক্রীট পিলার বসানো হয়েছে। রাস্তা থেকে অনেকটা নিচুতে হওয়ায় স্কুলের ভিটি কমপক্ষে ৩ ফুট উচু করে বাধতে হবে যাতে জোয়ারের পানি না উঠে। বর্তমানে যে ফান্ড আছে তাতে পিলার এবং ভিটি উচু করতেই চলে যাবে। পুরো প্রক্রিয়াটা শেষে হিসাবের আপডেট ব্লগে দেওয়া হবে।
স্কুলের ভিটি পাকা করে দেওয়া হবে। পুরোপুরি টিনের দো-চালা ঘর তুলে দেওয়া হবে। আগামী ১ মাসের মধ্যেই স্কুলের স্থায়ী ব্যবস্থা সম্পন্ন করে ফেলতে হবে। আগামী ১৪ জুলাই মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। এই দিনে আমরা প্রথম আলো ব্লগের সমস্ত বন্ধুদের নিয়ে স্কুলটির একটি আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করতে পারি।
আপনাদের অব্যাহত সমর্থন আমাদের এ পর্যন্ত আসার সাহস যুগিয়েছে। প্রথম আলো ব্লগের অনেক বন্ধুই স্কুলটির জন্য শিক্ষা উপকরণ সহায়তা দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু এই মুহূর্তে স্কুলটির একটি স্থায়ী ফান্ড দরকার।
আমরা আশা করছি বর্তমান স্কুলটিতে ১৪০ জন শিশুর শিক্ষার ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। আগামী জানুয়ারী থেকে ক্লাস
ওয়ান শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে স্কুলের শ্রেণী সংখ্যা বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা আছে বর্তমান স্থানটিতে।
১৪০ জন শিশুর মাথাপিছু ১০০০/- (এক হাজার) টাকা সংস্থান করা সম্ভব হলে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার একটি ফান্ড গঠিত হবে। এই অর্থটুকু থাকলে আমরা নিশ্চিন্তে স্কুলের উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করতে পারি। মাত্র ১৪০ জন ব্যক্তি মাথা পিছু ১০০০ টাকা করে দিলে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার একটি ফান্ড গঠিত হবে- যেটি দ্বারা স্কুলের স্থায়ী উন্নয়নের কাজ আরম্ভ করে দিতে পারি।
আপনারা যদি স্কুলটিকে সহায়তা দিতে চান দয়া করে সরাসরি স্কুলের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবেন। লক্ষ্মীপুর সদরের সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার, লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক এবং স্কুলের শিক্ষক সমন্বয়ে অর্থ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখন থেকে স্কুলের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এই কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। স্কুলের উন্নয়ন কাজ শেষে আমার কাছে সমস্ত হিসাব আসলে ব্লগে আপডেট জানিয়ে দেওয়া হবে।
সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা :
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
সঞ্চয়ী হিসাব নং- ০০১-৭২৩২
সোনালী ব্যাংক, সদর, লক্ষ্মীপুর।
SWIFT- BSON BDDHA SEB
লেখক আজমান আন্দালিব
- আজমান আন্দালিব -এর ব্লগ
- ১৮ টি মন্তব্য
- ১৪ জুন ২০০৯, ০৬:২৭
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ১৮ টি মন্তব্য
-
সজল শর্মা১৪ জুন ২০০৯, ১১:৫৮
ধীরে ধীরে সাফল্যের দ্বারে পৌঁছে যাবে আপনাদের এই প্রয়াস। সর্বদা শুভ কামনা জানাই। -
ফেরদৌস মির্জা১৭ জুন ২০০৯, ০৭:১৯
আলহামদুলিল্লাহ। অনেক দূর যাবে এই প্রত্যাশা। থেমে যাবেনা ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ -
ফাতেমা আবেদীন নাজলা০৩ জুলাই ২০০৯, ০১:৫৬
আজমান ভাই অনেকদিন মেঘনাপাড় নিয়ে কোন লিখা নাই কেমন চলছে বিদ্যালয়টি। দেশে আসলে কিছু কাজ জরার ইচ্ছা আছে।আপনাদের সাথে
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক