বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০১০, ১৪ শ্রাবণ, ১৪১৭ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem

মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন- ৩ বৎসর মেয়াদে একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা।




মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন- ৩ বৎসর মেয়াদে একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা।

মেঘনাপাড় স্কুলটিকে যারা আর্থিক এবং নৈতিক সমর্থন দিয়ে জেলে শিশুদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ দেখিয়ে যাচ্ছেন- তাদের অনেকেরই স্কুলটির ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা আছে। সবার ভাবনা-চিন্তার যোগফল নিয়েই আমি একটি খসড়া প্রকল্প প্রস্তাবনা দাঁড় করাচ্ছি। ২৩ তারিখ প্রথম আলো ব্লগ দ্বিতীয় মিটআপে নাকি স্কুলটিকে নিয়ে আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা বলতে হবে। তাই আগেভাগেই এই পরিকল্পনার কথা বলছি।

ধরা যাক মেঘনাপাড় স্কুলের বর্তমান মোট শিক্ষার্থী = ১০০ জন।
এই ১০০ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের নামে একটি ফ্রি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া হলো। আজকাল অনলাইনের মাধ্যমেই এরকম ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। পে-পল, মানি বুকারস ডট কম ইত্যাদি অনলাইন ব্যাংকিং করে যাচ্ছে বিশ্বব্যাপী।
শিক্ষার্থী প্রত্যেকের নামে হিসাব পরিচালিত হবে। শুধু অ্যাকাউন্ট হোল্ডার কিংবা তাদের মনোনীত অভিভাবক/ব্যক্তি নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে এটি পরিচালনা করবে। www.meghnaparschool.com নামে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এরকম অ্যাকাউন্ট পরিচালিত হতে পারে। মূল অ্যাকাউন্টটি বাংলাদেশের কোন সিডিউল ব্যাংকে পরিচালিত হবে।

মনে করা যাক প্রতিটি শিক্ষার্থীর অভিভাবক শিক্ষার্থীর নামে একটি সঞ্চয় স্কীম চালু করেছেন। শিক্ষার্থীদের নামে ব্যাংকে সঞ্চয় জমতে থাকবে। প্রতিদিন ১৪ টাকা হারে সঞ্চয় জমা করলে ১০০০ দিন শেষে (প্রায় তিন বছর) ১৪,০০০/- টাকা সঞ্চয় দাঁড়াবে। একজন শিক্ষার্থী পিছু এই সঞ্চয়টা মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন শিক্ষা ফান্ড হিসেবে গণ্য হবে।

এখন ধরা যাক, মেঘনাপাড়ের স্কুলের প্রতি সহানুভূতিশীল ব্যক্তিরা সবাই মিলে শিশুদের শিক্ষা বীমার দায়িত্বটা কাঁধে নিলেন। প্রতিটি শিশুর মাথাপিছু ১৪,০০০/- টাকা শিক্ষা বন্ড হিসেবে একটি ফান্ড যোগান দেওয়া হলো। তাহলে মোট ফান্ড দাঁড়ায় ১৪,০০,০০০/- (চৌদ্দ লক্ষ) টাকা। এই বন্ড শিশুদের বীমা নিরাপত্তাও দেবে।

এই ১৪ লক্ষ টাকা দিয়ে অনেক কিছু করা সম্ভব। মেঘনাপাড়ের বিস্তৃর্ণ চর অঞ্চলে জমি লীজ নিয়ে/ক্রয় করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া সম্ভব। ঐ এলাকার স্থানীয় পণ্য (মাছ, শষ্য) এবং সেবা (ট্যুরিজম) কে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে মাইক্রো বিজনেস গড়ে তোলা সম্ভব। শিশুদের অভিভাবকরা এগুলো পরিচালনা করবে। জোরদার মনিটরিং এবং সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করলে ৩ বৎসরের মধ্যেই বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত দেওয়া সম্ভব।

৩ বৎসর শেষে ১ জন শিক্ষার্থীর সঞ্চয়কৃত অর্থ এবং মাইক্রো বিজনেস পরিচালিত লাভ মিলে মাথাপিছু ২৮,০০০/- টাকা হবে। ১০০ জন শিক্ষার্থীর মোট সঞ্চয় মিলে ২৮ লক্ষ টাকার একটি বড় ফান্ড গড়ে উঠবে ৩ বৎসরে। এভাবে স্কুলটি একসময় নিজেই শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে। স্কুলটির মাধ্যমে একদল দক্ষ প্রফেশনালের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।

মেঘনাপাড় স্কুলকে কেন্দ্র করে আমরা ১৪ লক্ষ টাকার একটি শিক্ষা ফান্ড গড়তে যাচ্ছি। আপনাদের অব্যাহত সমর্থন এবং পরামর্শ নিয়ে আমরা আরও এগিয়ে যেতে চাই। অর্ধলক্ষ টাকারও বেশি ফান্ড আমাদের হাতে এসে পৌছেছে। ফান্ডের প্রতিটি অর্থের হিসাব সংরক্ষণের জন্য আমরা মেঘনাপাড় স্কুল ই-ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছি। খুব শীঘ্রই এটি ওয়েবসাইটে চলে যাবে। প্রতিটি ডোনারের হিসাবও এই ব্যাংকিং কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

কমপক্ষে ১০০ টি শিশুর শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানকে আমরা নিশ্চিত করতে পারি। আসুন মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন প্রকল্পটির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হই। যার যতটুকু সামর্থ্যে কুলায় প্রকল্পের এই ফান্ডটি গঠনে সহায়তা দিন। আপনাদের কোন পরামর্শ থাকলে দয়া করে জানান admin@meghnaparschool.com এই অ্যাড্রেসে।

(দু:খিত কিছু সময়ের জন্য অনলাইনে থাকতে পারছি না। পাঠকদের যে কোন কৌতুহলের জবাব অনলাইনে আসলে দেবো।)
১০ টি মন্তব্য
qmilon ‍িমলন১৯ মে ২০০৯, ০৮:৫৭
ধন্যবাদ, ভালো প্রস্তাব।
azman আজমান আন্দালিব১৯ মে ২০০৯, ০৯:২৯
ধন্যবাদ মিলন ভাই। আপনার সমর্থন...আমাদের প্রেরণা...
mormor মর্মর১৯ মে ২০০৯, ০৯:২৭
ভালো লাগলো পড়ে।সহায়তা করব যতটুকু পারি।
azman আজমান আন্দালিব১৯ মে ২০০৯, ০৯:৩৭
ধন্যবাদ মর্মর। আপনার সহায়তা অবশ্যই দরকার হবে।
smc এস মাহবুব১৯ মে ২০০৯, ১০:০১
ওয়েব সাইট ভিজিট করে আসলাম। আমি কিছুটা কনফিউজড। শেয়ার করছি আপনার সাথে। আমি ধরে নিচ্ছি শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে কি আপনারা প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্হার বাইরে কাজ করছেন বা করবেন? ম্যানেজিং কমিটি দেখে আমার তাই মনে হল। কারণ বেসরকারিভাবে কোন স্কুল প্রতিষ্ঠা হলেও তার জন্য সরকার নির্ধারিত নিয়মে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করতে হয়। এক্ষেত্রে ব্যত্যয় ঘটেছে।
জানাবেন প্লীজ।
azman আজমান আন্দালিব১৯ মে ২০০৯, ১১:৪৩
হ্যা, ঠিক ধরেছেন। শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু এখানেই থেমে থাকবে না প্রক্রিয়াটা।
একজন শিশুর শিক্ষার পাশাপাশি তার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়াটাও রাষ্ট্রের কর্তব্য। কিন্তু সরকারের কাছে এই মুহূর্তে তেমন কার্যকর কোন পলিসি নেই। বেসরকারিভাবেও আমাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ খুব সীমিত।
প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই কর্মসংস্থানমূলক শিক্ষা বাস্তবায়ন সম্ভব। ৫ম শ্রেণী থেকে একজন শিক্ষার্থীকে কৃষি শিক্ষার সাথে পরিচিত করে তোলার কারিকুলাম আছে। ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে কৃষি শিক্ষা বাধ্যতামূলক। ৯ম শ্রেণী থেকে একাদশ শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অধিক নাম্বার পাওয়ার আশায় কৃষি শিক্ষা পাঠ্য হিসেবে নেয়। কৃষি শিক্ষা বইয়ের ব্যবহারিক অংশে যা বলা আছে তা জোরদার মনিটরিং করা গেলে আমাদের কৃষি উৎপাদন বাড়তে বাধ্য।
৯ম শ্রেণী থেকে ব্যবসায় শিক্ষা এবং ব্যবসায় উদ্যোগ পাঠ হিসেবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর খুবই পছন্দের। বিজ্ঞান বিভাগ এবং মানবিক বিভাগ ছেড়ে শিক্ষার্থীরা এখন বাণিজ্য পাঠের দিকে ঝুঁকছে। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার কার্যকর প্রয়োগের লক্ষ্যে এই স্কুলটি পরিচালিত হবে। এটি একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে নিতে চাই।

সবকিছুই একটি নির্ধারিত ছকে সীমাবদ্ধ থাকবে এমন হলে সৃজনশীল কিছুই করা সম্ভব হবে না। সরকার প্রতিবছর শিক্ষা খাতে হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এর মধ্যে অনেক অপচয়ও হয়। যেমন উপবৃত্তি খাত। প্রতিবছর শত শত কোটি টাকা ব্যয় করা হয় কিন্তু আউটপুট হচ্ছে সাহায্যপ্রত্যাশীর সংখ্যা বাড়ছে। শিক্ষার গুণগত মানের তেমন উন্নয়ন ঘটছে না।
শিক্ষা বিষয়ক নানান কমিটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে নানান নীতি প্রণয়ন করেন। মাটি ও মানুষের কাছে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা বোধ করেন না। কিন্তু যাদের জন্য উপযোগী তাদের মতামত না নিয়ে শিক্ষা বিষয়ক এই নীতি বাস্তবায়ন হিতে বিপরীত হয়। অনেক সময় মাঝপথে থেমে যায়। এতে সরকারের অপচয় হয়।

সরকার শিক্ষা বিষয়ক ছোট্ট ছোট্ট পাইলট প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করতে পারে। বেসরকারি ভাবে এরকম উদ্যোগ শুরু হতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে জড়িত থেকে কিছুটা নিয়ম-কানুন জানি। যেমন- স্থানীয় সংসদ সদস্য-প্রতিনিধি/ডিসি/ইউএনও/কিংবা সরকারি প্রতিনিধি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হবেন। সদস্য সচিব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান। দাতা সদস্য, বিদ্যোৎসাহী সদস্য, ডিজি শিক্ষার প্রতিনিধি, শিক্ষা বোর্ড প্রতিনিধি, অভিভাবক প্রতিনিধি- এরকম কমপক্ষে ১০-২০ জনের কমিটি। আমাদের স্কুলের সভাপতি হিসেবে সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি নিয়েছি। সভাপতি মহোদয় এর বাড়ি লক্ষ্মীপুর। তিনি একজন দক্ষ সংগঠক।
একটি উপদেষ্টা পরিষদও থাকে। এক্ষেত্রে আমাদের সবার শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোজাফফর স্যারকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিতে পেরে আমরা গর্বিত। স্যারের সম্মতি নিয়েই করেছি।

ম্যানেজিং কমিটির অন্যান্য পদগুলোতে আমরা অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের দেখতে চাই। লক্ষ্মীপুরের স্থানীয় ব্যক্তি থেকে শুরু করে প্রথম আলো ব্লগের অনেকেই স্কুলটিকে পৃষ্ঠেপাষকতা করছেন। দাতা সদস্য হিসেবে সবার নাম আসলে ক্ষতি নেই। আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি- যে যেভাবে পারেন স্কুলটিকে সাহায্য করুন। স্থানীয় সহায়তাগুলো নিয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে উদ্যোক্তা গড়ে দিতে চাই। আমাদের এই প্রক্রিয়া একটা শেষে আরেকটা চলতে থাকবে।

বাংলাদেশের সমস্যাগুলোর সমাধানে আমাদের কাউকে না কাউকে এগিয়ে আসতে হবে। কাজ শুরু করে দিয়ে Trial and error পদ্ধতিতে আমাদের এগুতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় আমরা অনেকগুলো কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি। অনেকগুলো শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি।

এ নিয়ে আরও অনেক কথা বলা যাবে। কিন্তু এ মুহূর্তে আমার মনে হয় শুধু অর্থ সাহায্য দিয়ে শিক্ষার লোভ না দেখিয়ে তাদেরকে কর্মসংস্থানমূলক শিক্ষার পথটি দেখিয়ে দিতে হবে যাতে কারও উপর নির্ভরশীল থাকতে না হয়। এ নিয়ে আমার বিস্তর গবেষণামূলক প্রবন্ধ আছে। যথাসময়ে শেয়ার করা যাবে।

বাংলাদেশে এমন অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে যারা সরকারি কোন সাহায্য নেয় না তাই তাদের উপর সরকারের তেমন নিয়ন্ত্রণ নেই। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই তারা পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের স্কুলটিও তেমন একটি হলে ক্ষতি কী?
ধন্যবাদ আপনাকে এমন একটি সুন্দর আলোচনা উপস্থাপন করার জন্য। আপনার সুচিন্তিত প্রত্যুত্তরের অপেক্ষায় রইলাম।
smc এস মাহবুব২০ মে ২০০৯, ০৭:৪৮
বিস্তারিতভাবে লিখার জন্য ধন্যবাদ। আমার মনে হয় আমার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছি। সরকারি নিয়ম না মানলে কোন সমস্যা নেই। এক্ষেত্রে সরকারি কোন সাহায্য পাওয়া যাবে না-এই যা!
তবে আপনার পরিকল্পনা দেখে মনে হয়েছে ওটার কোন প্রয়োজন হবে না। এক্ষেত্রে ম্যানেজিং কমিটি খুবই আকর্ষণীয় এবং শক্তিশালী হয়েছে নিঃসন্দেহে। এমন স্মার্ট বিষয়ের সাথে না থেকে কি পারা যায়?
অবশ্যই আছি আপনাদের সাথে।
শুভ কামনা।
azman আজমান আন্দালিব২১ মে ২০০৯, ১২:৫৫
শিক্ষা সমন্ধীয় এরকম যে কোন প্রচেষ্টার সাথে আমরা যৌথভাবে কাজ করতে পারি। আপনাকে পেয়ে খুব ভালো লাগল। খুব শীঘ্রই আমরা শুধুমাত্র স্কুলটিকে উদ্দেশ্য করে একত্রিত হব।
mateors বিল রাসেল২০ মে ২০০৯, ১২:০১
"প্রতিদিন ১৪ টাকা হারে সঞ্চয় জমা করলে ১০০০ দিন শেষে (প্রায় তিন বছর) ১৪,০০০/- টাকা সঞ্চয় দাঁড়াবে। একজন শিক্ষার্থী পিছু এই সঞ্চয়টা মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন শিক্ষা ফান্ড হিসেবে গণ্য হবে।:

অনেক বড় একটা বিষয় কিন্তু এত সহজভাবে করা সম্ভব সেটা দেখে খুব ভাল লাগল...এভাবে যদি ক্ষুদ্র থেকে আমরা শুরু করতে পারি তবে এই পরিকল্পনাটি শিঘ্রই বাস্তবতায় রুপ দেয়া সম্ভব...এখন শুধু প্রয়োজন কিছু উদ্যামি মানুষ....আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
azman আজমান আন্দালিব২১ মে ২০০৯, ০১:০০
বিষয়টি বড় এটা ঠিক কিন্তু এটির বাস্তবায়ন খুব সহজ । একটিমাত্র ওয়েবসাইট এবং স্কুল পরিচালনার সফটওয়্যার দিয়েই এরকম একটি মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব। রাসেল তোমার সক্রিয় অংশগ্রহণ আমাকে প্রেরণা দিচ্ছে।

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment