বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০১০, ১৪ শ্রাবণ, ১৪১৭ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem

একটি স্বপ্নের ঠিকানা- মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন

একটি স্কুল। একটি স্বপ্নের ঠিকানা।

মজু চৌধুরী হাটের মাঝি পাড়ার আরিফ, নারগিছ, আলামিন, মুক্তা, রাসেল, রাজনদের কাছে এটি এতদিন স্বপ্নই ছিল। কিন্তু মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন তাদের সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। প্রথম আলো ব্লগের কল্যাণে এই স্কুলটির পরিচিতি বাংলাদেশ ছাড়িয়ে সুদূর সৌদি আরব, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান, আমেরিকা পর্যন্ত বিস্তৃত। স্কুলটির প্রতি দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আলোকিত মানুষদের এই যে সহমর্মিতা- তা দেখে আমরা আপ্লুত। তাইতো স্কুলের ডাকে আমরা যে যেভাবে পারি শত ব্যস্ততার মাঝেও ছুটে যাই। সবার পক্ষ থেকে সাথে করে নিয়ে যাই শিশুদের জন্য স্বপ্ন দেখার বার্তা।

গত শনিবার হঠাৎ করেই ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর যেতে হলো। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার উপপরিচালক ম্যাডাম হঠাৎ করেই আমাকে ফোনে জানালেন যে তিনি লক্ষ্মীপুর যাচ্ছেন। সময় পেলে আমাদের স্কুলটা দেখতে যাবেন। ম্যাডামের সাথে পরিচয় এবং মেঘনাপাড় ধীবর স্কুলের কথা জানানো হয়েছিল আমাদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি রি-ইউনিয়নে। অডিয়েন্সের সামনে এবারের বই মেলায় বের হওয়া আমার সোশ্যাল ফিকশন 'ওয়ান জিরো ওয়ান সাইবর্গ টিম' বইটির লভ্যাংশ মজুচৌধুরী হাটের সেই স্কুলকে দিয়ে দেবো শুনে আমাকে জিজ্ঞেস করেন আমার বাড়ি লক্ষ্মীপুরের কোথায়। আমার বাড়ি লক্ষ্মীপুর নয় শুনে তিনি বোধ হয় আমাকে স্মরণে রেখেছিলেন। তখন আমাকে বলেছিলেন স্কুলটিকে অবশ্যই সাহায্য করবেন। সেটি অবশ্য প্রায় তিন মাস হতে চলেছিল। সেই প্রতিজ্ঞা থেকেই মনে হয় নাড়ির টানে লক্ষ্মীপুর গিয়ে আমাদের স্কুলটাকে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করলেন নিজেই।

নির্ধারিত সময় ৩টার মধ্যেই আমরা মজু চৌধুরীহাট চলে যাই। ম্যাডাম ঠিক পৌনে তিনটায় ফোনে জানালেন তিনি প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছেন। স্কুলে পৌঁছে আমরা তো অবাক। স্কুলের সামনে হলুদ সামিয়ানা টানানো। সোহরাব মাঝি এবং স্কুল শিক্ষিকা ফারজানাকে বলেছিলাম যে ঢাকা থেকে একজন মেহমান আসবে তোমাদের স্কুল দেখতে। বাচ্চাদের সর্বোচ্চ সুন্দর ড্রেস পরে স্কুলে আসতে বলবে।

স্কুলের কাছাকাছি পৌঁছুতে জনা চল্লিশেক ক্ষুদে শিক্ষার্থীর একটি সুশৃঙ্খল দল প্রধান অতিথি ম্যাডামসহ আমাদের সালাম দিয়ে স্বাগত জানায়। ফারজানা ওদেরকে খুব শৃঙ্খলিত ভাবে শেখানোর দায়িত্ব নিয়েছে এটা খুবই বুঝা গেল। ফারজানার কমান্ড শুনে সবাই সমস্বরে গেয়ে উঠল- ম্যাডামের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম। সবচেয়ে কনিষ্ঠতম দুজন শিশু ম্যাডামকে ফুলের তোড়া এগিয়ে দেয়। ম্যাডাম ওদের মাথা ছুয়ে, থুতুনি নাড়িয়ে আদর করে দেন।

সামিয়ানার ভেতর একটি টেবিল এবং সামনে কয়েকটি চেয়ার পাতা। শিশুরা সবাই শৃঙ্খলার সাথে দাঁড়িয়ে আছে। কেউ কারো সাথে ধাক্কাধাক্কি কিংবা দুষ্টুমি করছে না। ছাত্রজীবনে এরকম সুশৃঙ্খল শিক্ষার্থীর তুলনা শুধু ক্যাডেট কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সাথে করা চলে। জেলে শিশুরা শিক্ষার ছোঁয়া পেয়ে ডিসিপ্লিনড হয়ে গেলো। ম্যাডাম বক্তব্যে স্কুলটির প্রতি যে সহমর্মিতা দেখিয়েছেন- তাতে বাচ্চারা মুহূর্মুহু হাত তালি দিয়েছে। ওদের সর্বোচ্চ ভালো পোশাকের নমুনা দেখে ম্যাডাম সিঙ্গাপুর থেকে তিন মাসের ট্রেনিং শেষে ফিরে এসে স্কুল ড্রেস বানিয়ে দেবেন ওয়াদা দিয়েছেন। আর ঢাকা ফিরে স্কুল ফান্ডে ১০,০০০/- (দশ হাজার টাকা) সহায়তা দেবেন বলেছেন। স্কুলের স্থায়ী ব্যবস্থা করার জন্য পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলবেন বলেছেন। সর্বোপরি একটি ম্যানেজিং কমিটির প্রয়োজনীয়তা উত্থাপন করেছেন।

আমরাও মনে করি স্কুলটির এ পর্যায়ে দেশ-বিদেশ থেকে আমাদের শুভাকাংঙ্ক্ষী সবাই মিলে প্রস্তাবকৃত গঠনতন্ত্রটি পর্যালোচনাপূর্বক একটি ম্যানেজিং কমিটি দাঁড় করিয়ে ফেলা যেতে পারে। এতে করে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহীতা থাকবে। দায়িত্ব অর্পণ করা থাকলে তা পালন করতে সচেষ্ট থাকবে সবাই। এতে করে একটি পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীর এগিয়ে আসার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মাঝিপাড়ার শিশুদের চোখে মুখে ঝিকমিক করে ওঠা সেই স্বপ্নগুলো আরও দূর বিস্তৃত হয়েছে। মেঘনা নদীর কূল ছাড়িয়ে বিশ্ব সীমার দিকে ছুটে চলেছে সেই স্বপ্নগুলো। সেই স্বপ্নের সাথে নিরবে নিম্চুপে শামিল হচ্ছেন কেউ কেউ। যেমন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্লগার বন্ধু স্কুলের সঞ্চয়ী হিসাবে ১০০০/- (এক হাজার টাকা) পাঠিয়ে দিয়েছেন। আরেকজন কিভাবে অর্থ সাহায্য পাঠাবেন তা জানতে চেয়ে আমাকে পার্সোন্যাল মেসেজ পাঠিয়েছেন। আমিও প্রত্যুত্তর দিয়েছি। এভাবে ধীরে ধীরে আমাদের অংশগ্রহণ বাড়ছে।

যায়যায়দিন সাংবাদিক ক্যামেরায় ছবি তুলেছেন এবং ভিডিও করেছেন। এই ছবিগুলো খুব দ্রুতই আমার ই-মেইলে পাবো বলে আশা করি। দিগন্ত টেলিভিশন তাদের পেশাগত দিক বিবেচনা করে কিছু ভিডিও ফুটেজ তুলেছে। খুব শীঘ্রই এটি প্রচারের ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এতে করে আমাদের আরও অনেকের অংশগ্রহণ বাড়বে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জেলে শিশুদের স্বপ্নগুলো আমরা এগিয়ে নিয়ে যাবো- এই দৃঢ় প্রত্যয় ছিল সবার চোখে মুখে।
শনিবারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- মাহবুব আজাদ খান (উদ্যোক্তাদের একজন), ফারুক আহাম্মদ (প্রভাষক, বাংলা, লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজ), সাইফুল ইসলাম স্বপন (রিপোর্টার যায়যায়দিন), মাসুদুর রহমান খান ভুট্টো ( দিগন্ত টেলিভিশন প্রতিনিধি)। প্রথম আলোর লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিকে ফোন করেছিলাম। উনি সন্তানের অসুস্থতার কারণে ঢাকা ছিলেন।

প্রধান অতিথি ম্যাডাম নিজ হাতে বাচ্চাদের শ্লেট-চক দিয়েছেন। একসাথে প্রায় শ'খানেক বই লক্ষ্মীপুর থেকে ক্রয় করা সম্ভব নয় বিধায় বাংলাবাজার থেকে আরও একটু উন্নত বই ক্রয় করে পাঠিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছি। ওদের জরুরী ভিত্তিতে বেঞ্চ বানিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছি। খুব শীঘ্রই আশা করি আমরা কাজ শুরু করে দিতে পারবো।

স্কুলটি নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি এই বিষয়টি ব্লগার বন্ধুদের পাশাপাশি প্রধান অতিথিও জানতে চেয়েছেন। আমি শুধু এইটুকু বলেছি আমরা ওদের বর্তমানটা ঠিক করি আগে তারপর না হয় ভবিষ্যত নিয়ে ভাববো। প্রধান অতিথি বক্তব্যে ওদের নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা খুলে বলেছেন। এই কথাগুলো হুবহু প্রথম আলো ব্লগের বন্ধুদের কথার প্রতিধ্বণি বলেই মনে হলো আমার কাছে। ঐদিন উপস্থিত অনেকেই এরকম একটি মহৎ উদ্যোগের সাথে প্রবলভাবে থাকার ইচ্ছে পোষণ করেছেন যেমন করে আমাদের ব্লগার বন্ধুরাও স্কুলটিকে অব্যাহত সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। মেঘনাপাড়ের শিশুদের কাছে প্রথম আলো ব্লগের বন্ধুদের শুভেচ্ছা বাণী পৌঁছে দিয়েছি।

স্কুলটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সহায়তা, প্রথম আলো ব্লগের সহায়তা, অন্যান্য সহায়তা নিয়ে আমি খুব শীঘ্রই একটি পোস্ট দেবো। শুধু আর্থিক বিষয়টি উল্লেখ থাকবে এই পোস্টে। গত শনিবারের লক্ষ্মীপুর ভ্রমণ আপাতত আমার নিজস্ব বাজেট থেকে পূরণ করেছি। তবে আর্থিক পোস্টে এই খরচটা উত্থাপন করবো। যেহেতু ব্লগের বন্ধুদের সহায়তায় গড়ে উঠা তহবিলে এখন পর্যন্ত হাত দেইনি তাই এই মুহূর্তে এবারের ট্যুরের আর্থিক খরচের হিসাব দিচ্ছি না। একবারে ব্যালেন্স শীট আকারে হিসাবটা দেবো ভাবছি।
ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
এখনও ছবিগুলো হাতে পাইনি তাই এই পোস্টে নতুন ছবি দিতে পারলাম না।
২৮ টি মন্তব্য
karim_bhai কারিম ভাই০৫ মে ২০০৯, ০৩:২৫
সুখবর দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ । এগিয়ে যাক মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
afrojazad কবিরাজ০৫ মে ২০০৯, ০৩:৩৫
এগিয়ে যাক মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
সকলের নিঃস্বার্থ প্রচেষ্ঠায়
azman আজমান আন্দালিব০৫ মে ২০০৯, ০৪:১৩
ধন্যবাদ কারিম ভাই।
ajobdhaka আজব ঢাকা০৫ মে ২০০৯, ০৩:২৮
আজমান ভাই ধন্যবাদ আপনাকে এতো শ্রম দেওয়ার জন্য.......

প্রথম আলোর প্রতিনিধি না পাওয়াটা দুঃখজনক.......আশা করি পরবর্তিতে উনাকে আমাদের পাশে পাবো......
azman আজমান আন্দালিব০৫ মে ২০০৯, ০৪:১৩
আমাদেরও তাই আশা। উনার সন্তান অসুস্থ। আমরা সবাই দোয়া করি যেন শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠে।
mateors বিল রাসেল০৫ মে ২০০৯, ০৩:২৯
পড়ে খুব ভাল লাগল ধন্যবাদ....................
azman আজমান আন্দালিব০৫ মে ২০০৯, ০৪:১৪
ধন্যবাদ বিল রাসেল।
mukut মুকুট ০৫ মে ২০০৯, ০৩:৩৪
চমৎকার। সুখবরের জন্য ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো বিদ্যালয়টির জন্য।
azman আজমান আন্দালিব০৫ মে ২০০৯, ০৪:১৪
আপনার জন্যও শুভকামনা।
namanush না মানুষ০৫ মে ২০০৯, ০৩:৪০
সু খবর। শুভ কামনা।
azman আজমান আন্দালিব০৫ মে ২০০৯, ০৪:১৫
ধন্যবাদ। আপনার জন্যও শুভকামনা।
qmilon ‍িমলন০৫ মে ২০০৯, ০৩:৪৪
এগিয়ে চলুন সামনের পানে...............
শুভকামনা এবং ধন্যবাদ।
azman আজমান আন্দালিব০৫ মে ২০০৯, ০৪:১৬
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
sharmabangla সজল শর্মা০৫ মে ২০০৯, ০৩:৪৯
ভাল একটা খবর শুনে খুব ভাল লাগলো। আপানকেও ধন্যবাদ, আপনার প্রচেষ্টাকে শ্রদ্ধা জানাই।
azman আজমান আন্দালিব০৫ মে ২০০৯, ০৪:১৭
আপনাকেও ধন্যবাদ। আপনাদের সহযোগিতায় আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
ajobdhaka আজব ঢাকা০৫ মে ২০০৯, ০৩:৫৪
আজমান ভাই আমিও একটা সুখবর দিলাম.........
mateors বিল রাসেল০৫ মে ২০০৯, ০৪:০১
কিসের সু খবর? তারাতারি কইয়া ফালান........
azman আজমান আন্দালিব০৫ মে ২০০৯, ০৪:১৮
সুখবরটা পেয়েছি। আশা করি খুব শীঘ্রই বাচ্চাদের জন্য মেডিক্যাল সহায়তা পৌঁছে দিতে পারবো।
sujanpranto12 সুজন০৫ মে ২০০৯, ০৪:০৫
এগিয়ে যাক মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন। স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে উঠুক সাফল্যের স্বর্ণশিখরে।
mateors বিল রাসেল০৫ মে ২০০৯, ০৪:১২
ধন্যবাদ
mateors বিল রাসেল০৫ মে ২০০৯, ০৪:১৩
আপনি ফান্ড গঠনের ব্যাপারে একটা পোষ্ট দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু আর দেননি...ঠিক মনে আছে আমার
sujanpranto12 সুজন০৫ মে ২০০৯, ০৪:১৭
আমি একটু ব্যস্তই ছিলাম রাসেল ভাই। ব্লগেও কম ছিলাম, দেখেছেন নিশ্চয়ই। আমার মনে আছে। আমাকে আর ২/১ টা দিন সময় দেন।
mateors বিল রাসেল০৫ মে ২০০৯, ০৬:০৯
ওকে দিলাম........
nasrinjubaer নাসরীন জুবায়ের০৫ মে ২০০৯, ০৪:১৪
ভালো খবর.... ধন্যবাদ....
azman আজমান আন্দালিব০৫ মে ২০০৯, ০৪:২০
আপনাকেও ধন্যবাদ।
imon ই-মন০৫ মে ২০০৯, ০৫:১২
ভাল খবর। থ্যাংকস।
mateors বিল রাসেল০৫ মে ২০০৯, ০৬:০৯
ইউ আর মোষ্ট ওয়েলকাম ব্রাদার............
azman আজমান আন্দালিব০৫ মে ২০০৯, ১০:৫৪
আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আমাদের এক ব্লগার বন্ধু আজ ১০,০০০/- (দশ হাজার টাকা) সরাসরি আমার কাছে পাঠিয়েছেন। আমরা এই বন্ধুটিকে মেঘনাপাড়ের শিশুদের পক্ষ থেকে জানাই কৃতজ্ঞতা। এই বন্ধুটির নাম দিচ্ছি 'বি'।
এর আগে আরেক ব্লগার বন্ধু ১০০০/- টাকা পাঠিয়েছেন স্কুলের ঠিকানায় এবং কোনক্রমেই তিনি নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছেন না। আমরা তাঁর নাম দিয়েছি 'এ'।
এখন থেকে এরূপ কোন অনুদান এলে হিসাব রাখার সুবিধার্থে আমরা এ,বি,সি,ডি ইত্যাদি ভাবে নামকরণ করবো।
ধন্যবাদ সবাইকে।

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment