মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন নিয়ে পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা
গত ২৩ এপ্রিল ২০০৯, বৃহস্পতিবার, প্রথম আলো অফিসে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনকে নিয়ে একটি সুন্দর মিটিং অনুষ্ঠিত হলো। ব্লগ সঞ্চালক মাহবুব মোর্শেদ এর সঞ্চালনায় এই প্রাণবন্তু মিটিংট পরিচালিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব মোর্শেদ, আজমান আন্দালিব, আজব ঢাকা, বিল রাসেল, ইউসুফ, দেবদাস, বাউন্ডুলে পাশা।
মিটিং নিয়ে দেশ-বিদেশ ব্যাপী প্রথম আলো ব্লগের অনেকেরই একটি কৌতুহল ছিল। মেঘনাপাড়ের জেলে শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুলকে সবাই মিলে সুন্দরভাবে পরিচালনা করার আকাঙ্ক্ষা থেকেই এই কৌতুহল। তাছাড়াও স্কুলটিকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কও মেঘনাপাড়ের জেলে শিশুদের স্বপ্নকে কালো মেঘে ঢেকে দিয়েছিল। যাই হোক শেষ পর্যন্ত একটি আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে সফল মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতেই সবার স্বস্তি।
ব্লগ সঞ্চালক মাহবুব মোর্শেদ মিটিং এর ফলাফল নিয়ে চমৎকার একটি পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টটিকে একদিন স্টিকি করে রাখার পর
বর্তমানে এটি নির্বাচিত পোস্টে। মিটিংয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে তা হচ্ছে- মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের ভবিষ্যত পরিকল্পনা, শিশুদের জন্য আমরা সম্মিলিতভাবে কি করতে পারি, স্কুলটিকে কেন্দ্র করে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন, ডোনারদের প্রদত্ত অর্থ ব্যয়ের নীতিমালা তৈরি ইত্যাদি ইত্যাদি।
মিটিংয়ের সভাপতি এবং সঞ্চালক মাহবুব ভাই একটি চমৎকার উপস্থাপনার মাধ্যমে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন নিয়ে প্রথম আলো ব্লগের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছেন। প্রথম আলো ব্লগের সংশ্লিষ্টতায় কিংবা নামে নয় বরং ব্লগারদের সংশ্লিষ্টতার মাধ্যমেই একটি কমিউনিটি গড়ে উঠতে পারে স্কুলটিকে কেন্দ্র করে।
দেবদাস যে কোন ভুল বোঝাবুঝির ঊর্দ্ধে থেকে শিশুদের এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ব্লগের সবাইকে সম্পৃক্ত করে স্কুলটিকে আরও বৃহত্তর পরিসরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেছেন। স্কুলের বিষয়ে দেবদাসের ভাবনার কথা আমাদের মুগ্ধ করেছে। স্কুলের জন্য একটি কার্যকরী কমিটি গঠনের প্রয়াসে দেবদাস অচিরেই একটি তারিখ ঘোষণা করবেন। সেই আশায় আমরা দিন গুণে যাচ্ছি। আমাদের স্বপ্ন সবাই মিলে স্কুলটিকে একটি শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়ে শিশুদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবো।
বাউন্ডুলে পাশার মায়ের অসুস্থতার কারণে চলে গিয়েছেন অনুষ্ঠানের মাঝামাঝি। তাঁর স্বল্প উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে দারুণভাবে। এরকম একটি উদ্যোগের প্রতি তাঁর অকুন্ঠ সমর্থন আমাদের জানিয়েছেন অকপটে। ইউসুফ অনেক কথা-ই বলেছেন। অনেক কথার ভীড়ে একটি কথাই আমাদের কানে এখনও বাজছে- এরকম একটি চমৎকার উদ্যোগের মিটআপ অনুষ্ঠানে না এসে থাকতে পারলাম না। বিল রাসেল, আজব ঢাকার প্রাণচাঞ্চল্য উপস্থিতি আমাদের এই মিটআপ অনুষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করেছে।
আরও আরও অনেক কথা হয়েছে। হয়েছে অনেক পরিকল্পনা। আমি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে জানাই কৃতজ্ঞতা আর দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা সেই মহৎপ্রাণ ব্লগার বন্ধুদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন যাঁরা আমাদেরকে অর্থ সহায়তা কিংবা অব্যাহত সমর্থন যুগিয়ে যাচ্ছেন নিরন্তর।
গত শনিবার আমার লক্ষ্মীপুর যাওয়ার কথা ছিল বাচ্চাদের বই সরবরাহ করার জন্য। এই কাজটি লক্ষ্মীপুরে থেকে মাহবুব
সাহেবই করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। আমি পরিকল্পনা করছি স্কুলের বাচ্চাদের বসার জন্য বেঞ্চ (স্থানীয় ভাষায় লাসা)
এবং বাচ্চাদের স্কুল ড্রেস সরবরাহ করে সবাইকে নিয়ে স্কুলটির শুভ উদ্বোধন করার।
এ ব্যাপারে দ্রুত আমরা আরেকটি মিটিংয়ে বসতে পারি। পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা ঠিক করার জন্য দেবদাস এর তারিখের অপেক্ষায় রইলাম...
মিটিং নিয়ে দেশ-বিদেশ ব্যাপী প্রথম আলো ব্লগের অনেকেরই একটি কৌতুহল ছিল। মেঘনাপাড়ের জেলে শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুলকে সবাই মিলে সুন্দরভাবে পরিচালনা করার আকাঙ্ক্ষা থেকেই এই কৌতুহল। তাছাড়াও স্কুলটিকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কও মেঘনাপাড়ের জেলে শিশুদের স্বপ্নকে কালো মেঘে ঢেকে দিয়েছিল। যাই হোক শেষ পর্যন্ত একটি আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে সফল মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতেই সবার স্বস্তি।
ব্লগ সঞ্চালক মাহবুব মোর্শেদ মিটিং এর ফলাফল নিয়ে চমৎকার একটি পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টটিকে একদিন স্টিকি করে রাখার পর
বর্তমানে এটি নির্বাচিত পোস্টে। মিটিংয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে তা হচ্ছে- মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের ভবিষ্যত পরিকল্পনা, শিশুদের জন্য আমরা সম্মিলিতভাবে কি করতে পারি, স্কুলটিকে কেন্দ্র করে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন, ডোনারদের প্রদত্ত অর্থ ব্যয়ের নীতিমালা তৈরি ইত্যাদি ইত্যাদি।
মিটিংয়ের সভাপতি এবং সঞ্চালক মাহবুব ভাই একটি চমৎকার উপস্থাপনার মাধ্যমে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন নিয়ে প্রথম আলো ব্লগের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছেন। প্রথম আলো ব্লগের সংশ্লিষ্টতায় কিংবা নামে নয় বরং ব্লগারদের সংশ্লিষ্টতার মাধ্যমেই একটি কমিউনিটি গড়ে উঠতে পারে স্কুলটিকে কেন্দ্র করে।
দেবদাস যে কোন ভুল বোঝাবুঝির ঊর্দ্ধে থেকে শিশুদের এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ব্লগের সবাইকে সম্পৃক্ত করে স্কুলটিকে আরও বৃহত্তর পরিসরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেছেন। স্কুলের বিষয়ে দেবদাসের ভাবনার কথা আমাদের মুগ্ধ করেছে। স্কুলের জন্য একটি কার্যকরী কমিটি গঠনের প্রয়াসে দেবদাস অচিরেই একটি তারিখ ঘোষণা করবেন। সেই আশায় আমরা দিন গুণে যাচ্ছি। আমাদের স্বপ্ন সবাই মিলে স্কুলটিকে একটি শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়ে শিশুদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবো।
বাউন্ডুলে পাশার মায়ের অসুস্থতার কারণে চলে গিয়েছেন অনুষ্ঠানের মাঝামাঝি। তাঁর স্বল্প উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে দারুণভাবে। এরকম একটি উদ্যোগের প্রতি তাঁর অকুন্ঠ সমর্থন আমাদের জানিয়েছেন অকপটে। ইউসুফ অনেক কথা-ই বলেছেন। অনেক কথার ভীড়ে একটি কথাই আমাদের কানে এখনও বাজছে- এরকম একটি চমৎকার উদ্যোগের মিটআপ অনুষ্ঠানে না এসে থাকতে পারলাম না। বিল রাসেল, আজব ঢাকার প্রাণচাঞ্চল্য উপস্থিতি আমাদের এই মিটআপ অনুষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করেছে।
আরও আরও অনেক কথা হয়েছে। হয়েছে অনেক পরিকল্পনা। আমি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে জানাই কৃতজ্ঞতা আর দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা সেই মহৎপ্রাণ ব্লগার বন্ধুদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন যাঁরা আমাদেরকে অর্থ সহায়তা কিংবা অব্যাহত সমর্থন যুগিয়ে যাচ্ছেন নিরন্তর।
গত শনিবার আমার লক্ষ্মীপুর যাওয়ার কথা ছিল বাচ্চাদের বই সরবরাহ করার জন্য। এই কাজটি লক্ষ্মীপুরে থেকে মাহবুব
সাহেবই করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। আমি পরিকল্পনা করছি স্কুলের বাচ্চাদের বসার জন্য বেঞ্চ (স্থানীয় ভাষায় লাসা)
এবং বাচ্চাদের স্কুল ড্রেস সরবরাহ করে সবাইকে নিয়ে স্কুলটির শুভ উদ্বোধন করার।
এ ব্যাপারে দ্রুত আমরা আরেকটি মিটিংয়ে বসতে পারি। পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা ঠিক করার জন্য দেবদাস এর তারিখের অপেক্ষায় রইলাম...
লেখক আজমান আন্দালিব
- আজমান আন্দালিব -এর ব্লগ
- ২৪ টি মন্তব্য
- ২৬ এপ্রিল ২০০৯, ১১:৫১
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ২৪ টি মন্তব্য
-
রুবা২৭ এপ্রিল ২০০৯, ০১:১০
স্কুলের বাচ্চাগুলোর কথা চিন্তা করে আপনাদের প্রতিটি পদক্ষেপের সাথে আমিও মনে প্রাণে অনেক দোয়া করছি । ওরা যেন মানুষ হয় । আমাদের দেশেরই তো সন্তান । আমাদেরই রক্ত । ভালো থেকেন ভাইয়া । -
দেবদাস২৭ এপ্রিল ২০০৯, ০৮:৩৬
তারিখ নিয়ে আজকে সবার সাথে ফোনালাপে আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে আশা করি আগামীকাল সকালেই পোষ্ট দিতে পারব। ভালোবাসা দিবসের গল্প কবিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেই হবে আমাদের পরবর্তী কর্ম পরিকল্পনা নির্ধারন। আজকে তারিখ সংক্রান্ত ফায়সালা করার জন্য আমি একটি পোষ্ট দিব। সবার মন্তব্য একান্ত ভাবেই কাম্য।।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক