মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন গঠনতন্ত্র (প্রথম আলো ব্লগার বন্ধুদের নিয়ে)
প্রিয় ব্লগার বন্ধুরা
লক্ষ্মীপুর জেলার মজুচৌধুরী হাটে সুবিধাবঞ্চিত জেলে শিশুদের জন্য স্থাপিত মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের জন্য একটি গঠনতন্ত্র আবশ্যক। এই প্রয়োজনীয়তা থেকে আমি একটি খসড়া গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে আপনাদের উদ্দেশে পোস্ট দিলাম। আপনাদের পরামর্শ, মতামত এবং সহযোগিতায় গঠনতন্ত্রটি সমৃদ্ধ হবে- এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
আপনাদের সুচিন্তিত মতামত খুব খুব দরকার। গঠনতন্ত্রটি ফাইনাল করে ১ মে (মে দিবসে) আমরা এ অনুযায়ী স্কুলটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করতে পারি....
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
গঠনতন্ত্র
ভূমিকা :
১. মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন লক্ষ্মীপুর জেলার মজু চৌধুরী হাটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের উপর স্থাপিত একটি স্কুল। মেঘনা নদী এবং এর তীরে বসবাসরত জেলে সন্তানদের পড়াশুনার সুবিধার কথা চিন্তা করে স্কুলটি স্থাপন করা হয়। ২০০৮ সালের ১৪ জুন তারিখে স্কুলটি স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। বাংলাদেশের সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে স্কুলটি স্থাপন করা হয়েছে।
২. মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে এই প্রতিষ্ঠানটির স্থাপনা একটি মহতী উদ্যোগ। মেঘনা নদীর একটি শাখাকে শাসন করার জন্য দুইটি স্লুইস গেট আছে। এই স্লুইস গেট দুইটির মাঝখান দিয়ে একটি কাঁচা রাস্তা মেঘনা নদীর বুকে পশ্চিমে গিয়ে আনুমানিক ৫০০ গজ দূরে নদীর বুকে এক টুকরো চরের মতো জেগে আছে। রাস্তার এই মাথাটিকে কেন্দ্র করে প্রায় ত্রিশ/চল্লিশ বছরের পুরনো একটি জনপদ গড়ে উঠেছে। প্রায় ৫০/৬০ মাঝি পরিবার মেঘনা নদীর বুকে নৌকার মধ্যেই বসবাস করে আসছে। তাদের সন্তানরাও এই নৌকাতেই জন্মগ্রহণ করছে এবং এখানেই বড় হচ্ছে।
৩. এই স্থানটি থেকে ২/১ কিলোমিটারের মধ্যে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও জেলেপাড়ার অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণে কিংবা আর্থিক অভাব-অনটনের কারণে শিশুরা স্কুলে যায় না। সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটি সেটি হচ্ছে সকালে যখন স্কুলে ক্লাশ চলে সে সময় জেলে শিশুরা বাবা-মা'র সাথে মাছ ধরতে সুদূর মেঘনার বুকে চলে যায়। মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে আরও প্রায় শ’দেড়েক ঘর আছে যাদের সন্তানরাও শিক্ষা বঞ্চিত। একটি প্রাথমিক জরিপ পরিচালনা করে দেখা গেছে এই জনপদে কমপক্ষে প্রায় ছয়-সাতশ শিশু আছে যারা স্কুলে যায় না। এই শিশুদের শিক্ষার প্রাথমিক স্তরের সাথে পরিচিত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে ‘মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন’ এর যাত্রা শুরু হয়।
৪. স্কুলটি প্রথম আলো ব্লগের সহায়তায় পরিচালনা করার প্রাথমিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তা ভিন্ন যাঁরা এই স্কুলটিকে চাঁদা দিয়ে সহায়তা করেছেন তাঁদের সমন্বয়ে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হবে।
প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা :
৫. মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং উপদেষ্টা পরিষদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এ প্রতিষ্ঠানের কাজ পরিচালিত হবে। প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় কার্যকরী ব্যবস্থাপনার জন্য ম্যানেজিং কমিটি সময়ে সময়ে নীতিমালা প্রণয়ন করবেন। প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী হিসেবে এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাদান সম্বন্ধীয় ও প্রশাসনিক বিষয়াদির জন্য প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ দায়ী থাকবেন।
ম্যানেজিং কমিটির গঠন :
৬. প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা একটি পর্ষদের উপর ন্যস্ত থাকবে এবং এই পর্ষদকে ম্যানেজিং কমিটি নামে অভিহিত করা হবে। প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ম্যানেজিং কমিটির উপর অর্পিত থাকবে। ম্যানেজিং কমিটির গঠন নিম্নরূপ :
(১৪ সদস্যের ম্যানেজিং কমিটি থাকবে। সভাপতি, সহসভাপতি, কোষাধ্যক্ষ এবং সদস্য-সচিব এবং ১০ জন সদস্য প্রথম আলো ব্লগারদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন। প্রথম আলো ব্লগের সবার জন্য সদস্যপদ উন্মুক্ত থাকবে। ব্লগার বন্ধুদের মধ্য থেকে কেউ ম্যানেজিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হতে চাইলে নাম, বর্তমান কর্মস্থল, বর্তমান ঠিকানা, ই-মেইল, মোবাইল নাম্বার সহ ই-মেইল করুন-azmanandalib@yahoo.com
(ইচ্ছে করলে ব্লগার বন্ধুদের মধ্য থেকে যে কেউ একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা করতে পারেন।)
ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ ও পুনর্গঠন :
৭. ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ ০২ (দুই) বছর। চলমান ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার একমাস আগেই নতুন ম্যানেজিং কমিটির পুনর্গঠন কার্যক্রম শেষ করতে হবে যাতে পূর্ববর্তী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন থেকেই নতুন কমিটি কার্য পরিচালনা শুরু করতে পারে।
৮. ম্যানেজিং কমিটির সদস্য পদের অযোগ্যতা :
ক) বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন কোন ব্যক্তি।
খ) যৌক্তিক বা সন্তোষজনক কারণ ছাড়া ম্যানেজিং কমিটির পর পর দুটি ভার্চুয়াল সভায় অনুপস্থিত থাকলে।
গ) অনৈতিক বা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত হলে।
উপরোল্লিখিত কারণে যে কোন সদস্যকে অপসারণের ব্যাপারে ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার থাকবে।
সাময়িক শূন্যতা
৯. ম্যানেজিং কমিটির কোন সাময়িক শূন্যতা পদ শূন্য হওয়ার তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে পূরণ করা হবে। নতুনভাবে মনোনয়ন/নির্বাচনের মাধ্যমে শূন্য পদ পূরণ করা হবে। এভাবে মনোনীত/নির্বাচিত সদস্য ম্যানেজিং কমিটির অবশিষ্ট মেয়াদকালের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন। উপযুক্ত সদস্য নির্বাচন করা না গেলে শূন্য পদটি শূন্য থেকে যাবে।
ম্যানেজিং কমিটির সভা
১০. প্রতি মাসের ১৪ তারিখ ম্যানেজিং কমিটির ভার্চুয়াল মিটিং অনুষ্ঠিত হবে প্রথম আলো ব্লগের মাধ্যমে। কমপক্ষে ২ দিন পূর্বে এ ব্যাপারে নোটিশ প্রদান করা হবে। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সবাইকে প্রথম আলো পার্সোনাল মেসেজ এর মাধ্যমে সভার কার্যবিবরণী জানানো হবে।
এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।
সভাপতি/সহসভাপতি সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং কোন সিদ্ধান্তে পক্ষ-বিপক্ষে সমান সংখ্যক সদস্য ভোট দান করলে সভাপতি/সহসভাপতি অতিরিক্ত ভোট প্রদান করবেন। সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার সাত দিনের মধ্যে নির্বাহী সচিব/সদস্য সচিব, সভাপতি/সহসভাপতির দ্বারা স্বাক্ষর করিয়ে সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন করাবেন।
এছাড়াও গঠনতন্ত্রে -
নির্বাহী পরিষদ- ৭ সদস্য বিশিষ্ট (প্রয়োজনে বাড়ানো যাবে। স্কুল পরিচালনায় সরাসরি যুক্ত থাকতে পারবে এমন ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত হবে)
উপদেষ্টা পরিষদ- ১০১ সদস্য বিশিষ্ট (প্রয়োজনে বাড়ানো-কমানো যাবে। ব্লগার বন্ধুদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।)
আলোচনার ভিত্তিতে আমরা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে গঠনতন্ত্রকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারি।
স্কুলের ভবিষ্যত পরিকল্পনা
ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা ও দায়িত্ব
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সহসভাপতি, সদস্য-সচিব ও কোষাধ্যক্ষের ক্ষমতা ও কাজ
নির্বাহী কমিটির সভাপতি, সহসভাপতি, নির্বাহী সচিবের ক্ষমতা ও কাজ
উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টাদের ক্ষমতা ও কাজ
প্রতিষ্ঠানের আয়ের উৎস
স্কুলের ইউনিফর্ম/পোশাক
শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা
শিক্ষার্থীদের সুবিধাদান ও অন্যান্য বিষয়
একাডেমিক কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা
অভিভাবক-শিক্ষক সংযোগ
অর্থনৈতিক নিয়মকানুন
তহবিলের নিরাপত্তা
লিখিত দলিলসমূহের নিরাপত্তা
বাজেট এবং খরচ অনুমোদন
খরচের সীমা
ক্রয় নীতিমালা
আর্থিক অন্যান্য বিষয়াদি নিষ্পত্তি
গঠনতন্ত্রের উন্নয়ন
নতুন কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন হলে কিংবা কোন কিছু বাদ দিতে হলে দয়া করে আপনার সুচিন্তিত পরামর্শ দিন এবং মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের সাথে যুক্ত থাকুন।
(আমি অনলাইনে আসলে ব্লগার বন্ধুদের যে কোন প্রশ্নের জবাব দেবো। ধন্যবাদ সবাইকে।)
লক্ষ্মীপুর জেলার মজুচৌধুরী হাটে সুবিধাবঞ্চিত জেলে শিশুদের জন্য স্থাপিত মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের জন্য একটি গঠনতন্ত্র আবশ্যক। এই প্রয়োজনীয়তা থেকে আমি একটি খসড়া গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে আপনাদের উদ্দেশে পোস্ট দিলাম। আপনাদের পরামর্শ, মতামত এবং সহযোগিতায় গঠনতন্ত্রটি সমৃদ্ধ হবে- এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
আপনাদের সুচিন্তিত মতামত খুব খুব দরকার। গঠনতন্ত্রটি ফাইনাল করে ১ মে (মে দিবসে) আমরা এ অনুযায়ী স্কুলটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করতে পারি....
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
গঠনতন্ত্র
ভূমিকা :
১. মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন লক্ষ্মীপুর জেলার মজু চৌধুরী হাটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের উপর স্থাপিত একটি স্কুল। মেঘনা নদী এবং এর তীরে বসবাসরত জেলে সন্তানদের পড়াশুনার সুবিধার কথা চিন্তা করে স্কুলটি স্থাপন করা হয়। ২০০৮ সালের ১৪ জুন তারিখে স্কুলটি স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। বাংলাদেশের সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে স্কুলটি স্থাপন করা হয়েছে।
২. মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে এই প্রতিষ্ঠানটির স্থাপনা একটি মহতী উদ্যোগ। মেঘনা নদীর একটি শাখাকে শাসন করার জন্য দুইটি স্লুইস গেট আছে। এই স্লুইস গেট দুইটির মাঝখান দিয়ে একটি কাঁচা রাস্তা মেঘনা নদীর বুকে পশ্চিমে গিয়ে আনুমানিক ৫০০ গজ দূরে নদীর বুকে এক টুকরো চরের মতো জেগে আছে। রাস্তার এই মাথাটিকে কেন্দ্র করে প্রায় ত্রিশ/চল্লিশ বছরের পুরনো একটি জনপদ গড়ে উঠেছে। প্রায় ৫০/৬০ মাঝি পরিবার মেঘনা নদীর বুকে নৌকার মধ্যেই বসবাস করে আসছে। তাদের সন্তানরাও এই নৌকাতেই জন্মগ্রহণ করছে এবং এখানেই বড় হচ্ছে।
৩. এই স্থানটি থেকে ২/১ কিলোমিটারের মধ্যে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও জেলেপাড়ার অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণে কিংবা আর্থিক অভাব-অনটনের কারণে শিশুরা স্কুলে যায় না। সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটি সেটি হচ্ছে সকালে যখন স্কুলে ক্লাশ চলে সে সময় জেলে শিশুরা বাবা-মা'র সাথে মাছ ধরতে সুদূর মেঘনার বুকে চলে যায়। মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে আরও প্রায় শ’দেড়েক ঘর আছে যাদের সন্তানরাও শিক্ষা বঞ্চিত। একটি প্রাথমিক জরিপ পরিচালনা করে দেখা গেছে এই জনপদে কমপক্ষে প্রায় ছয়-সাতশ শিশু আছে যারা স্কুলে যায় না। এই শিশুদের শিক্ষার প্রাথমিক স্তরের সাথে পরিচিত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে ‘মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন’ এর যাত্রা শুরু হয়।
৪. স্কুলটি প্রথম আলো ব্লগের সহায়তায় পরিচালনা করার প্রাথমিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তা ভিন্ন যাঁরা এই স্কুলটিকে চাঁদা দিয়ে সহায়তা করেছেন তাঁদের সমন্বয়ে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হবে।
প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা :
৫. মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং উপদেষ্টা পরিষদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এ প্রতিষ্ঠানের কাজ পরিচালিত হবে। প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় কার্যকরী ব্যবস্থাপনার জন্য ম্যানেজিং কমিটি সময়ে সময়ে নীতিমালা প্রণয়ন করবেন। প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী হিসেবে এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাদান সম্বন্ধীয় ও প্রশাসনিক বিষয়াদির জন্য প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ দায়ী থাকবেন।
ম্যানেজিং কমিটির গঠন :
৬. প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা একটি পর্ষদের উপর ন্যস্ত থাকবে এবং এই পর্ষদকে ম্যানেজিং কমিটি নামে অভিহিত করা হবে। প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ম্যানেজিং কমিটির উপর অর্পিত থাকবে। ম্যানেজিং কমিটির গঠন নিম্নরূপ :
(১৪ সদস্যের ম্যানেজিং কমিটি থাকবে। সভাপতি, সহসভাপতি, কোষাধ্যক্ষ এবং সদস্য-সচিব এবং ১০ জন সদস্য প্রথম আলো ব্লগারদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন। প্রথম আলো ব্লগের সবার জন্য সদস্যপদ উন্মুক্ত থাকবে। ব্লগার বন্ধুদের মধ্য থেকে কেউ ম্যানেজিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হতে চাইলে নাম, বর্তমান কর্মস্থল, বর্তমান ঠিকানা, ই-মেইল, মোবাইল নাম্বার সহ ই-মেইল করুন-azmanandalib@yahoo.com
(ইচ্ছে করলে ব্লগার বন্ধুদের মধ্য থেকে যে কেউ একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা করতে পারেন।)
ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ ও পুনর্গঠন :
৭. ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ ০২ (দুই) বছর। চলমান ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার একমাস আগেই নতুন ম্যানেজিং কমিটির পুনর্গঠন কার্যক্রম শেষ করতে হবে যাতে পূর্ববর্তী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন থেকেই নতুন কমিটি কার্য পরিচালনা শুরু করতে পারে।
৮. ম্যানেজিং কমিটির সদস্য পদের অযোগ্যতা :
ক) বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন কোন ব্যক্তি।
খ) যৌক্তিক বা সন্তোষজনক কারণ ছাড়া ম্যানেজিং কমিটির পর পর দুটি ভার্চুয়াল সভায় অনুপস্থিত থাকলে।
গ) অনৈতিক বা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত হলে।
উপরোল্লিখিত কারণে যে কোন সদস্যকে অপসারণের ব্যাপারে ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার থাকবে।
সাময়িক শূন্যতা
৯. ম্যানেজিং কমিটির কোন সাময়িক শূন্যতা পদ শূন্য হওয়ার তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে পূরণ করা হবে। নতুনভাবে মনোনয়ন/নির্বাচনের মাধ্যমে শূন্য পদ পূরণ করা হবে। এভাবে মনোনীত/নির্বাচিত সদস্য ম্যানেজিং কমিটির অবশিষ্ট মেয়াদকালের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন। উপযুক্ত সদস্য নির্বাচন করা না গেলে শূন্য পদটি শূন্য থেকে যাবে।
ম্যানেজিং কমিটির সভা
১০. প্রতি মাসের ১৪ তারিখ ম্যানেজিং কমিটির ভার্চুয়াল মিটিং অনুষ্ঠিত হবে প্রথম আলো ব্লগের মাধ্যমে। কমপক্ষে ২ দিন পূর্বে এ ব্যাপারে নোটিশ প্রদান করা হবে। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সবাইকে প্রথম আলো পার্সোনাল মেসেজ এর মাধ্যমে সভার কার্যবিবরণী জানানো হবে।
এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।
সভাপতি/সহসভাপতি সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং কোন সিদ্ধান্তে পক্ষ-বিপক্ষে সমান সংখ্যক সদস্য ভোট দান করলে সভাপতি/সহসভাপতি অতিরিক্ত ভোট প্রদান করবেন। সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার সাত দিনের মধ্যে নির্বাহী সচিব/সদস্য সচিব, সভাপতি/সহসভাপতির দ্বারা স্বাক্ষর করিয়ে সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন করাবেন।
এছাড়াও গঠনতন্ত্রে -
নির্বাহী পরিষদ- ৭ সদস্য বিশিষ্ট (প্রয়োজনে বাড়ানো যাবে। স্কুল পরিচালনায় সরাসরি যুক্ত থাকতে পারবে এমন ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত হবে)
উপদেষ্টা পরিষদ- ১০১ সদস্য বিশিষ্ট (প্রয়োজনে বাড়ানো-কমানো যাবে। ব্লগার বন্ধুদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।)
আলোচনার ভিত্তিতে আমরা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে গঠনতন্ত্রকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারি।
স্কুলের ভবিষ্যত পরিকল্পনা
ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা ও দায়িত্ব
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সহসভাপতি, সদস্য-সচিব ও কোষাধ্যক্ষের ক্ষমতা ও কাজ
নির্বাহী কমিটির সভাপতি, সহসভাপতি, নির্বাহী সচিবের ক্ষমতা ও কাজ
উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টাদের ক্ষমতা ও কাজ
প্রতিষ্ঠানের আয়ের উৎস
স্কুলের ইউনিফর্ম/পোশাক
শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা
শিক্ষার্থীদের সুবিধাদান ও অন্যান্য বিষয়
একাডেমিক কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা
অভিভাবক-শিক্ষক সংযোগ
অর্থনৈতিক নিয়মকানুন
তহবিলের নিরাপত্তা
লিখিত দলিলসমূহের নিরাপত্তা
বাজেট এবং খরচ অনুমোদন
খরচের সীমা
ক্রয় নীতিমালা
আর্থিক অন্যান্য বিষয়াদি নিষ্পত্তি
গঠনতন্ত্রের উন্নয়ন
নতুন কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন হলে কিংবা কোন কিছু বাদ দিতে হলে দয়া করে আপনার সুচিন্তিত পরামর্শ দিন এবং মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের সাথে যুক্ত থাকুন।
(আমি অনলাইনে আসলে ব্লগার বন্ধুদের যে কোন প্রশ্নের জবাব দেবো। ধন্যবাদ সবাইকে।)
লেখক আজমান আন্দালিব
- আজমান আন্দালিব -এর ব্লগ
- ৫৮ টি মন্তব্য
- ২২ এপ্রিল ২০০৯, ০৯:৪৯
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৫৮ টি মন্তব্য
-
সামের২২ এপ্রিল ২০০৯, ১১:০৬
আজমান ভাই। গত ৩ দিন থেকে অনেক লেখা পড়েছি সাথে অনেকের সহযোগিতার কথা। এখন দেখেন আমরা কতজন আসি।তবে আমি থাকব আপনার মহৎ উদ্যেগের সাথে। ধন্যবাদ। -
না বলা কথা২২ এপ্রিল ২০০৯, ১১:১৭
হৃদয় আমার চায় যে দিতে, কেবল নিতে নয়,
বয়ে বয়ে বেড়ায় সে তার যা-কিছু সঞ্চয়। -
না বলা কথা২২ এপ্রিল ২০০৯, ১১:২৫
হায় হায় আজমান ভাই!! অনেস্টলি বলছি, আমার আসলে কোনো অভিজ্ঞতা নেই, তাছাড়া বয়সও কম, সবকিছু হয়ত বুঝতে পারব না ঠিকমত। অভিজ্ঞ মানুষদের পদগুলো দিলে খুব ভালো হয় ভাইয়া। আমি আর একটু বড় হয়ে নিই। তারপর ইনশআল্লাহ যা করতে বলবেন করব। -
মাভেরিক২২ এপ্রিল ২০০৯, ১১:২৪
প্রাণভরে প্রার্থনা সফল হোক সম্মানিত এ উদ্যোগ, আর একটা সবুজ বিপ্লবের মত ছড়িয়ে পড়ুক সারা দেশে। -
না বলা কথা২২ এপ্রিল ২০০৯, ১১:২৮
মাভেরিক ভাইয়াকে একটা বড় পদে নিলে খুব ভালো হয় আজমান ভাই। উনি খুব ভালো মানুষ। আমি মানুষ চিনতে তেমন ভুল করি না। এই ব্লগে যদি একজন ভালো মানুষ থাকেন, তিনি হচ্ছেন মাভেরিক ভাই। এই ব্যাপারে আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। -
না বলা কথা২৪ এপ্রিল ২০০৯, ১০:০৭
আমার প্রস্তাবঃ
সভাপতিঃ আনন্দময়ী
সহসভাপতি-২ জনঃ মাভেরিক ভাই, দুঃখ ভাই
সাধারণ সম্পাদকঃ মাহমুদ ভাই
সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ আজমান ভাই
সদস্য সচিবঃ আজব ঢাকা ভাই
অর্থ সম্পাদকঃ দেবদাস ভাই
আইটি সম্পাদকঃ বিল রাসেল ভাই
সম্মানিত সদস্যঃ যারা প্রবল আগ্রহ দেখাবেন।
ধন্যবাদ ভাইয়া। -
ফাতেমা আবেদীন নাজলা২৩ এপ্রিল ২০০৯, ০৩:২৫
বাচ্চাগন এইখানে এইসব কি হচ্ছে। এইসব কি কঠিন কঠিন কথা হচ্ছে। মন থেকে দোয়া আর শুভকামনা থাকল কতগুলো অসহায় মুখ পড়তে পারবে এইটাই তো গর্বের। আমি আপনাদের ধন্যবাদ দিচ্ছি। -
সজল শর্মা২৩ এপ্রিল ২০০৯, ০৭:৫৯
আমি পরীক্ষার কারণে কোন মতামত এখন দিতে পারছিনা। সময় করে পড়ে- মতামত দিয়ে যাব। -
এস মাহবুব২৩ এপ্রিল ২০০৯, ০৯:১৩
আজমান ভাই, বলছেন স্কুলটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের উপর অবস্হিত। অর্থাৎ জমিটি সরকারি সংস্হার হলেও 'খাস জমি' নয়। নিরাপত্তার বিষয় এনে পাউবো যে কোন সময় উচ্ছেদ করে দিতে পারে। স্কুলের নিজস্ব জমি থাকা গুরুত্বপূর্ণ। -
বিল রাসেল২৩ এপ্রিল ২০০৯, ১২:১৭
অর্থ ব্যাবস্থাপনার বিষয়টা আজব ঢাকা ভাইকে দিলে ভাল হয়। সেই সাথে দুঃখ ভাইকে সভাপতি এবং আনন্দময়ীকে সহসভাপতি অথবা উল্টোটাও হতেপারে। দুঃখভাই আমাদের স্কুলের প্রথম ডোনার উনার প্রতি শ্রদ্ধা ... -
দুঃখ২৩ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৫৩
ডোনার হওয়া সহজ, কিন্তু সভাপতি অনেক দায়িত্বপূর্ন পদ, এটা সহজ না, তাই আনন্দময়ী আপু কে আমি সমর্থন করি। আর উনি এলাকার, সেটাও একটা সুবিধা হবে। -
আজব ঢাকা২৩ এপ্রিল ২০০৯, ১১:৩৬
কিন্তু আমি এতে রাজি না.........আমি অত্যন্ত দুঃখিত........আশা করি এই পদের আমার চাইতে যোগ্য কাউকে পাওয়া যাবে....... -
বিল রাসেল২৩ এপ্রিল ২০০৯, ১২:২৪
নাজলা আবেদীন কে সেক্রেটারী করা হোক উনার স্কুলের ব্যাপারে আগ্রহটা প্রশংসার যোগ্য আর উনি নিজ্্রে একজন শিক্ষক। -
সজল শর্মা২৪ এপ্রিল ২০০৯, ০৮:১৩
আপনার গঠন তন্ত্রের সাথে একমত। এস মাহবুব ভাই যা বললেন- ব্যাপারটাও ভেবে দেখবেন।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
আপনাদের উদ্যোগ সফল হোক। অনেক অনেক দোয়া রইল।