মেঘনাপাড় স্কুল এবং আমাদের শুভকামনা
মেঘনাপাড় স্কুলে গিয়েছিলাম ১৭ এপ্রিল শুক্রবার। সাথে আজব ঢাকা এবং বিল রাসেল। ঢাকা থেকে যখন রওয়ানা হই আকাশ উজ্জ্বল ছিল। কুমিল্লার নিকটবর্তী হয়ে ঘূর্ণিঝড় বিজলীর তাণ্ডব টের পেতে থাকি। শেষ পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর পৌঁছে মেঘনাপাড় স্কুলে যেতে পারবো কিনা সন্দেহ ছিল। একটি ভালো কাজে যাচ্ছি, আল্লাহ সহায় ছিলেন- তাই শেষ পর্যন্ত পৌঁছুতে পেরেছিলাম।
আবহাওয়া খারাপের কারণে আমাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি বাতিল করতে হলো। কারণ শিশুরা কেউই স্কুলে আসতে পারেনি। আমাদের সাথে দিগন্ত টেলিভিশনের লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি এবং যায়যায়দিন প্রতিনিধি ছিলেন। সবারই মন খারাপ কারণ স্কুলের প্রাণ শিশুরা স্কুলে উপস্থিত হতে পারে নি। ওদেরকে বই বিতরণ করবো, ওদের সাথে গল্প করবো, ওদের সমস্যাগুলো শুনবো। কিন্তু আবহাওয়ার প্রতিকূলতার কারণে আমাদের পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। কিন্তু আমরা হতাশ হইনি। এই দূর্যোগ উপেক্ষা করে বেশ কিছু শিশু উপস্থিত হয়েছিল স্কুলে। স্কুলের ম্যাডাম ফারজানাও এসেছিল।কিন্তু আমরা হতাশ হইনি। এই দূর্যোগ উপেক্ষা করে বেশ কিছু শিশু উপস্থিত হয়েছিল স্কুলে। স্কুলের ম্যাডাম ফারজানাও এসেছিল।
যাই হোক, আমি অত্যন্ত দু:খিত যে স্কুলের হিসাব-নিকাশ নিয়ে ব্লগের বন্ধুদের মাঝে একটা ভুল বোঝাবুঝি শুরু হয়েছে। বিল রাসেলকে এ ব্যাপারে একটি পরিপূর্ণ পোস্ট দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিলাম। রাসেল একটি পোস্ট দিয়েছিল। লক্ষ্মীপুর থেকে ফিরে এসে অফিসের কাজে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছি যে আমি নি:শ্বাস নেওয়ারও সুযোগ পাচ্ছি না। তারপরও রাসেল এবং আজব ঢাকার অনুরোধে আমি আর্থিক বিষয় নিয়ে একটি পোস্ট দিলাম। আশা করি এরপর থেকে বিতর্কের অবসান হবে।
মোট সংগ্রহ = ১৫,৫০০ (বিল রাসেলের পোস্টে বিস্তারিত আছে)
খরচ = ৭,৮০০/-
লক্ষ্মীপুর যাওয়া বাস ভাড়া (৩ জন) = ৬৯০/-
(শিক্ষকের বেতন = ৪,২০০/- (ফারজানাকে প্রদত্ত)
পূর্বের বকেয়া খরচ = ১,০০০/- (স্কুলের উদ্যোক্তা মাহবুব সাহেবকে প্রদত্ত)
স্কুলের দরজা বানানো বাবদ বকেয়া খরচ = ৪২০/-
স্কুলের শিক্ষিকা এবং সোহরাব
মাঝির জন্য ছাতা উপহার = ৪০০/-
লক্ষ্মীপুর থেকে মজুচৌধুরীহাট
সি.এন.জি ভাড়া = ৪০০/-
লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকা আসা (৩ জন) = ৬৯০/-
.....................................................................
সর্বমোট = ৭৮০০/-
বাকি ১৫,৫০০-৭,৮০০ = ৭,৭০০/- টাকা বিল রাসেলের অ্যাকাউন্টে আছে যা নিয়ে আগামী শনিবার বাচ্চাদের বই, স্কুল ড্রেস কিংবা বেঞ্চ তৈরি করার ব্যাপারে পরিকল্পনা আছে।
অফিসের শত ব্যস্ততার মধ্যে আমি এ পোস্টটি দিলাম। ব্লগে এ নিয়ে নাকি আরও অনেক লেখালেখি চলেছে এবং চলছে। আমি পড়ার সুযোগ করে পরে এ ব্যাপারে বিস্তারিত পোস্ট দেবো।
ভবিষ্যতে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন নামে নতুন একটি ব্লগ খুলে বিস্তারিত ওখানে পোস্ট দেবো। ব্লগের বন্ধুদের নিয়ে স্কুলকে কেন্দ্র করে একটি কমিউনিটি গড়ে উঠবে। একটি সুন্দর স্বপ্নকে আমরা সবাই এগিয়ে নেবো। সবাই বিভিন্ন দায়িত্ব নিয়ে স্কুলটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে- আমাদের এই স্বপ্নটুকু জেগে থাকুক।
এরপর থেকে সকল বিতর্কের অবসান ঘটবে আশা করি। শুনেছি আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম আলো কার্যালয়ে আমরা একত্রিত হবো। আমি অবশ্যই থাকবো।
রাসেল এবং আজব ঢাকাকে আবারও ধন্যবাদ। সেই সাথে আনন্দময়ী, দু:খ, রুবা, নাজলা আবেদীন, ওস্তাদের ওস্তাদ সহ যারা আর্থিক সহযোগিতা এবং সহমর্মিতা দেখিয়েছেন তাদের কৃতজ্ঞতা।
কালকে একটি মিটিং। ব্যস্ততার কারণে অনলাইনে থাকতে পারছি না। আমি অনলাইনে আসলে পাঠকদের সমস্ত কৌতুহলের জবাব দেবো। ধন্যবাদ সবাইকে।
আবহাওয়া খারাপের কারণে আমাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি বাতিল করতে হলো। কারণ শিশুরা কেউই স্কুলে আসতে পারেনি। আমাদের সাথে দিগন্ত টেলিভিশনের লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি এবং যায়যায়দিন প্রতিনিধি ছিলেন। সবারই মন খারাপ কারণ স্কুলের প্রাণ শিশুরা স্কুলে উপস্থিত হতে পারে নি। ওদেরকে বই বিতরণ করবো, ওদের সাথে গল্প করবো, ওদের সমস্যাগুলো শুনবো। কিন্তু আবহাওয়ার প্রতিকূলতার কারণে আমাদের পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। কিন্তু আমরা হতাশ হইনি। এই দূর্যোগ উপেক্ষা করে বেশ কিছু শিশু উপস্থিত হয়েছিল স্কুলে। স্কুলের ম্যাডাম ফারজানাও এসেছিল।কিন্তু আমরা হতাশ হইনি। এই দূর্যোগ উপেক্ষা করে বেশ কিছু শিশু উপস্থিত হয়েছিল স্কুলে। স্কুলের ম্যাডাম ফারজানাও এসেছিল।
যাই হোক, আমি অত্যন্ত দু:খিত যে স্কুলের হিসাব-নিকাশ নিয়ে ব্লগের বন্ধুদের মাঝে একটা ভুল বোঝাবুঝি শুরু হয়েছে। বিল রাসেলকে এ ব্যাপারে একটি পরিপূর্ণ পোস্ট দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিলাম। রাসেল একটি পোস্ট দিয়েছিল। লক্ষ্মীপুর থেকে ফিরে এসে অফিসের কাজে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছি যে আমি নি:শ্বাস নেওয়ারও সুযোগ পাচ্ছি না। তারপরও রাসেল এবং আজব ঢাকার অনুরোধে আমি আর্থিক বিষয় নিয়ে একটি পোস্ট দিলাম। আশা করি এরপর থেকে বিতর্কের অবসান হবে।
মোট সংগ্রহ = ১৫,৫০০ (বিল রাসেলের পোস্টে বিস্তারিত আছে)
খরচ = ৭,৮০০/-
লক্ষ্মীপুর যাওয়া বাস ভাড়া (৩ জন) = ৬৯০/-
(শিক্ষকের বেতন = ৪,২০০/- (ফারজানাকে প্রদত্ত)
পূর্বের বকেয়া খরচ = ১,০০০/- (স্কুলের উদ্যোক্তা মাহবুব সাহেবকে প্রদত্ত)
স্কুলের দরজা বানানো বাবদ বকেয়া খরচ = ৪২০/-
স্কুলের শিক্ষিকা এবং সোহরাব
মাঝির জন্য ছাতা উপহার = ৪০০/-
লক্ষ্মীপুর থেকে মজুচৌধুরীহাট
সি.এন.জি ভাড়া = ৪০০/-
লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকা আসা (৩ জন) = ৬৯০/-
.....................................................................
সর্বমোট = ৭৮০০/-
বাকি ১৫,৫০০-৭,৮০০ = ৭,৭০০/- টাকা বিল রাসেলের অ্যাকাউন্টে আছে যা নিয়ে আগামী শনিবার বাচ্চাদের বই, স্কুল ড্রেস কিংবা বেঞ্চ তৈরি করার ব্যাপারে পরিকল্পনা আছে।
অফিসের শত ব্যস্ততার মধ্যে আমি এ পোস্টটি দিলাম। ব্লগে এ নিয়ে নাকি আরও অনেক লেখালেখি চলেছে এবং চলছে। আমি পড়ার সুযোগ করে পরে এ ব্যাপারে বিস্তারিত পোস্ট দেবো।
ভবিষ্যতে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন নামে নতুন একটি ব্লগ খুলে বিস্তারিত ওখানে পোস্ট দেবো। ব্লগের বন্ধুদের নিয়ে স্কুলকে কেন্দ্র করে একটি কমিউনিটি গড়ে উঠবে। একটি সুন্দর স্বপ্নকে আমরা সবাই এগিয়ে নেবো। সবাই বিভিন্ন দায়িত্ব নিয়ে স্কুলটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে- আমাদের এই স্বপ্নটুকু জেগে থাকুক।
এরপর থেকে সকল বিতর্কের অবসান ঘটবে আশা করি। শুনেছি আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম আলো কার্যালয়ে আমরা একত্রিত হবো। আমি অবশ্যই থাকবো।
রাসেল এবং আজব ঢাকাকে আবারও ধন্যবাদ। সেই সাথে আনন্দময়ী, দু:খ, রুবা, নাজলা আবেদীন, ওস্তাদের ওস্তাদ সহ যারা আর্থিক সহযোগিতা এবং সহমর্মিতা দেখিয়েছেন তাদের কৃতজ্ঞতা।
কালকে একটি মিটিং। ব্যস্ততার কারণে অনলাইনে থাকতে পারছি না। আমি অনলাইনে আসলে পাঠকদের সমস্ত কৌতুহলের জবাব দেবো। ধন্যবাদ সবাইকে।
লেখক আজমান আন্দালিব
- আজমান আন্দালিব -এর ব্লগ
- ৪২ টি মন্তব্য
- ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:২৬
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৪২ টি মন্তব্য
-
দুঃখ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৭:৩৫
একটি উদ্যোকে সফলের পর্যায়ে নিয়ে যেতে অনেক ত্যাগ এবং ধৈর্যের প্রয়োজন আছে, আমি মনে করি আপনাদের সেই ত্যাগ এবং ধৈর্য রয়েছে, তা না হলে আপনারা এতটুকুও আসতে পারতেন না। কে কি বলল না বলল তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে আপনাদের মূল লক্ষ্যে এগিয়ে যান, তবে চলার পথে সবার আলোচনা, সমালোচনা, উপদেশ, তিরস্কার সবকিছুকে পজিটিভলি গ্রহন করতে হবে, তবেই শেষ পর্যন্ত সফল হবেন। যে কোন মহত উদ্যেগের সাথে থাকার প্রবল ইচ্ছা আছে। আশারাখি বৃহস্পতিবার সব ভুল বুঝাবুঝির অবসান হয়ে যাবে। -
দুঃখ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৯:০৯
মেঘনা পাড়ের ধীবর বিদ্যালয় নিয়ে মিটিং ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা ছয়টায়
http://prothom-aloblog.com/users/base/moderator/31 -
ত্রিভুজ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৩৭
টাকা পয়সা নিয়ে সব জায়গাতেই ঝামেলা হয়। তাই এর হিসেবটা সবার আগে দিয়ে রাখা ভাল... -
আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৫
দুঃখের কথা কারে বলি.....আমার পোষ্টে কিন্তু আমি বলছিলাম আমাদের কাজ আবহাওয়ার জন্য প্রায় কিছুই হয় নাই.......বই দেওয়া ছিলো প্রথম কাজ যা করতে পারি নাই.....ভাবছিলাম তারাতারি কাজটা শেষ করেই ডোনারদের জানাবো........
তবে ভালো লাগছে একটা কারনে যা মিট আপে আপনাদের বলবো....... -
আবরার২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৩৭
লক্ষ্মীপুর যাওয়া বাস ভাড়া (৩ জন) = ৬৯০/-
লক্ষ্মীপুর থেকে মজুচৌধুরীহাট
সি.এন.জি ভাড়া = ৪০০/-
লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকা আসা (৩ জন) = ৬৯০/-
মোটা : ১৭৮০ টাকা
- কিরকম সেবক আপনারা? অনুদানের টাকা দিয়ে যাওয়া আসার খরচ নিয়েছেন। ব্যাপারটি অত্যান্ত বিষ্ময়কর। -
আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৩
আমরা না যেনে মন্তব্য না করি.........টাকা কিভাবে খরচ করা হবে তা আগেই উল্লেখ করা ছিলো......
ফাতলু মন্তব্য দিয়ে আর ঝামেলা না করি......
আপত্তি থাকলে তখন ডোনার রাই করতো....... -
নিষাদ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৪
উফ... বিষয়টা এরকম না।
আমি যতটুকু জানি এ যাওয়া আসা ভাড়া নিয়েই তারা মোট চাদা ঠিক করেছিল। -
ত্রিভুজ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৭
@আবরার
ডোনাররা এই বিষয়ে যখন কিছু বলেনি তখন আপনার কিছু বলার উচিত নয়। বিষয়টাতে আরো প্যাঁচ লাগানোর চেষ্টা করা নিন্দনীয়। এসব থেকে বিরত থাকা ভাল... -
আবরার২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৮
টাকার হিসেব :
দুঃখ = ৫০০০ টাকা
আনন্দময়ী = ৫০০০ টাকা
নাজলা আবেদীন = ৩৬০০ টাকা
আজব ঢাকা = ১০০০ টাকা
ওস্তাদের ওস্তাদ = ৫০০ টাকা
রুবা = ৪০০ টাকা
এখানে বিল রাসেল ভাই এবং আজমান ভাইয়ের নাম নাই। তার মানে ওনারা ডোনারদের পয়সায় ঘুরে এসেছেন। নট ব্যাড। একটি মিনি পিকনিক হয়ে গেলো আর কি বিনা পয়সায়। -
আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৮
আর আবারো বলি আমি বাপের টাকায় চলি না.....আর এতো বড় সমাজ সেবকও না.......এইটা আমার ব্যার্থতা বা আমাদের ব্যার্থতা...ভালো থাকবেন আবরার সাহেব....... -
আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৫০
এই স্কুল টা করতে এখন পর্যন্ত কত টাকা খরচ হয়েছে তা কি আপনি আজমান সাহেব বা রাসেল সাহেবের কাছে প্রশ্ন করেছেন .......না করে থাকলে আমি কিছু বলে আপনাকে অপমান করতে চাই না...... -
আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৫১
আপনার জন্য ৩০০০ মাইল হতে পারে কিন্তু আমাদের জন্য না.....আপনি মিট আপে চলে আসেন...... -
আবরার২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৫৯
আজমান ভাই : আপনি উদ্যোক্তা। কষ্টতো একটু করবেনই। আমি হলে আমি নিজের পকেট থেকে ভাড়াটা দিতাম আর এই ১৭৮০ টাকা স্কুলের কাঝে খরচ করতাম (১৭৮০ টাকায় ৬০-৭০ দিস্তা কাগজ পাওয়া যেত) -
আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:০৫
ফালতু প্যাচাল পারেন কেন.......সাহস থাকলে মিট আপে আসেন আর না থাকলে ফিডার নামক একটা বস্তু আমার জানা আছে........ -
আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:০৮
৩০০০০ হাজার টাকা কে দিল তা নিয়া আপনার মাথা ব্যাথা নাই ......আপনি ১৭৮০ টাকা নিয়া পপুলার হওয়ার চান্স খুজতাছেন......
স্কুলটার ভিডিও সময় করে দেখবেন........ -
ত্রিভুজ২২ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:৩৮
আবরার ভাই, আমি একটা প্রতিষ্ঠানকে জানি যারা মানুষের জন্য প্রচুর কাজ করে। মজার বিষয় হচ্ছে প্রায় পুরোটুকুই দানের টাকায়। সেই প্রতিষ্ঠানে অনেক লোক চাকুরী করে... তাদের বেতনও ঐ দানের টাকাতেই হয়। এখন আপনি এটাকে কিভাবে দেখেন?
এনজিওগুলো কোন ফর্মূলাতে কাজ করে?
জাতিসংঘ কোন ফর্মূলাতে কাজ করে?
বিভিন্ন ট্রাষ্টগুলো কোন ফর্মূলাতে চলে?
দানের টাকা শুধু দান করার জন্য এই ধারনাটা ঠিক না।
সর্বপরি আজমান আন্দালিব ভাইকে আমি বহুদিন ধরে দেখছি এই স্কুলটা নিয়ে আছেন। প্রথম দিকে কেউ তাঁর আবেদনে সাড়া দিতো না.. মনে আছে উনার প্রথম দিকে একটা পোস্টে আমি একা মন্তব্য করেছিলাম। যতটুকু সম্ভব সাহায্য করবো জানিয়েছি.. কিন্তু সময়ের অভাবেই হোক আর যেকোন কারণেই হোক করতে পারিনি.... প্রথম আলোর ব্লগাররা করতে পারছেন। আজমান ভাই কিন্তু সেই প্রথম থেকে কারো দানের আশায় বসে থাকেননি.. পুরো প্রতিষ্ঠানটা তিনি বলতে গেলে একা একাই দাঁড় করিয়েছেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত লাভটা আসলে কোথায়?
ব্লগে বসে আমরা এত হাতি ঘোড়া মারি... সত্যিকার কাজে কতজন যাচ্ছি? আমরা নিজেরা না যাই.. যারা যেতে চাচ্ছে তাদের পথে কেন বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছি?
আমাদের মনে হয় একটু ভাবা উচিত। -
নিষাদ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৩৯
ধন্যবাদ আন্দালিব ভাই,
ব্যস্ততার মাঝেও এই সময়টুকু দেয়ার জন্য
এটার খুব দরকার ছিল। আপনার উপস্থাপন খুবই সুন্দর হল ... -
সজল শর্মা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:৩৬
ঝামেলার ব্যাপারটা অনেকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন দেখছি। মানুষ ঝামেলা পাকাতেই ভালবাসে। চাদা নির্ধারণ করা হয়েছিল যখন তখন সেখানে যাওয়া আসার খরচও যোগ হয়েছিল। সবাই যেতে পারেননি- তাই বলে তো আর ফ্রিতে যাওয়া যায় না। এসব সামান্য ব্যাপার নিয়ে ঝামেলা করে পরিবেশ ঘোলাটে করার মানে বুঝলাম না। -
আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:৪১
ধন্যবাদ সজলদা.......দোয়া কইরেন ্যেন মানুষ হইতে পারি.........আমাদের মাঝে মানুষের খুবই দরকার....... -
ইঊসুফ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৯:৪০
ব্যাপারটা যতই পড়ছি ততই আশ্চর্যান্বিত হচ্ছি। আজমান ভাই, আজব ভাই, রাসেল ভাই -আপনারা আশাহত হবেন না। যে কোনো উদ্যোগের শুরুটা এমনই হয়। শেষ পর্যন্ত এর সফলতা নির্ভর করবে আপনাদের ধৈর্য্য ও আন্তরিকতার উপর। সো.. Keep it up.. আর আমি আপনাদের পাশে আছি সবসময়ই। হয়তো টাকা-পয়সা, সময় সেরকম দিতে পারব না, তবে উৎসাহ দিতে পারব। আর হ্যাঁ, দু'আ করতে পারব দু হাত তুলে। আপনারা ভালো থাকবেন।
বৃহস্পতিবার আসার চেষ্টা করব। পরীক্ষা চলছে, নাও আসতে পারি। আশা করি আপনাদের মিটিং সফল হবে। আবারো বলি, এসব কথায় কষ্ট না নিয়ে বরং শিক্ষনীয় কিছু থাকলে তা ভবিষ্যতের জন্য জমা করে রাখুন। ধন্যবাদ। -
ফাতেমা আবেদীন নাজলা২৩ এপ্রিল ২০০৯, ০৩:৪৭
আজমান ভাই, আপনি এগিয়ে যান। আমরা আছি। আমার জন্য কেও যদি পড়তে পারে সেটা আমার জীবনের সফলতা হবে।
আর আবরার রা নিজেদের পকেট থেকে দিয়ে দিয়েই তো ব্লগে আসার মত বড় হল এদের ব্যাপারে কিছু বলার নাই। আপনারা আশাহত হবেন না। ভালো কাজে কটু বাক্য আসবেই।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক