বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০১০, ১৪ শ্রাবণ, ১৪১৭ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem

মেঘনাপাড় স্কুল এবং আমাদের শুভকামনা

মেঘনাপাড় স্কুলে গিয়েছিলাম ১৭ এপ্রিল শুক্রবার। সাথে আজব ঢাকা এবং বিল রাসেল। ঢাকা থেকে যখন রওয়ানা হই আকাশ উজ্জ্বল ছিল। কুমিল্লার নিকটবর্তী হয়ে ঘূর্ণিঝড় বিজলীর তাণ্ডব টের পেতে থাকি। শেষ পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর পৌঁছে মেঘনাপাড় স্কুলে যেতে পারবো কিনা সন্দেহ ছিল। একটি ভালো কাজে যাচ্ছি, আল্লাহ সহায় ছিলেন- তাই শেষ পর্যন্ত পৌঁছুতে পেরেছিলাম।

আবহাওয়া খারাপের কারণে আমাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি বাতিল করতে হলো। কারণ শিশুরা কেউই স্কুলে আসতে পারেনি। আমাদের সাথে দিগন্ত টেলিভিশনের লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি এবং যায়যায়দিন প্রতিনিধি ছিলেন। সবারই মন খারাপ কারণ স্কুলের প্রাণ শিশুরা স্কুলে উপস্থিত হতে পারে নি। ওদেরকে বই বিতরণ করবো, ওদের সাথে গল্প করবো, ওদের সমস্যাগুলো শুনবো। কিন্তু আবহাওয়ার প্রতিকূলতার কারণে আমাদের পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। কিন্তু আমরা হতাশ হইনি। এই দূর্যোগ উপেক্ষা করে বেশ কিছু শিশু উপস্থিত হয়েছিল স্কুলে। স্কুলের ম্যাডাম ফারজানাও এসেছিল।কিন্তু আমরা হতাশ হইনি। এই দূর্যোগ উপেক্ষা করে বেশ কিছু শিশু উপস্থিত হয়েছিল স্কুলে। স্কুলের ম্যাডাম ফারজানাও এসেছিল।
যাই হোক, আমি অত্যন্ত দু:খিত যে স্কুলের হিসাব-নিকাশ নিয়ে ব্লগের বন্ধুদের মাঝে একটা ভুল বোঝাবুঝি শুরু হয়েছে। বিল রাসেলকে এ ব্যাপারে একটি পরিপূর্ণ পোস্ট দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিলাম। রাসেল একটি পোস্ট দিয়েছিল। লক্ষ্মীপুর থেকে ফিরে এসে অফিসের কাজে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছি যে আমি নি:শ্বাস নেওয়ারও সুযোগ পাচ্ছি না। তারপরও রাসেল এবং আজব ঢাকার অনুরোধে আমি আর্থিক বিষয় নিয়ে একটি পোস্ট দিলাম। আশা করি এরপর থেকে বিতর্কের অবসান হবে।

মোট সংগ্রহ = ১৫,৫০০ (বিল রাসেলের পোস্টে বিস্তারিত আছে)
খরচ = ৭,৮০০/-
লক্ষ্মীপুর যাওয়া বাস ভাড়া (৩ জন) = ৬৯০/-
(শিক্ষকের বেতন = ৪,২০০/- (ফারজানাকে প্রদত্ত)
পূর্বের বকেয়া খরচ = ১,০০০/- (স্কুলের উদ্যোক্তা মাহবুব সাহেবকে প্রদত্ত)
স্কুলের দরজা বানানো বাবদ বকেয়া খরচ = ৪২০/-
স্কুলের শিক্ষিকা এবং সোহরাব
মাঝির জন্য ছাতা উপহার = ৪০০/-
লক্ষ্মীপুর থেকে মজুচৌধুরীহাট
সি.এন.জি ভাড়া = ৪০০/-
লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকা আসা (৩ জন) = ৬৯০/-
.....................................................................
সর্বমোট = ৭৮০০/-
বাকি ১৫,৫০০-৭,৮০০ = ৭,৭০০/- টাকা বিল রাসেলের অ্যাকাউন্টে আছে যা নিয়ে আগামী শনিবার বাচ্চাদের বই, স্কুল ড্রেস কিংবা বেঞ্চ তৈরি করার ব্যাপারে পরিকল্পনা আছে।

অফিসের শত ব্যস্ততার মধ্যে আমি এ পোস্টটি দিলাম। ব্লগে এ নিয়ে নাকি আরও অনেক লেখালেখি চলেছে এবং চলছে। আমি পড়ার সুযোগ করে পরে এ ব্যাপারে বিস্তারিত পোস্ট দেবো।
ভবিষ্যতে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন নামে নতুন একটি ব্লগ খুলে বিস্তারিত ওখানে পোস্ট দেবো। ব্লগের বন্ধুদের নিয়ে স্কুলকে কেন্দ্র করে একটি কমিউনিটি গড়ে উঠবে। একটি সুন্দর স্বপ্নকে আমরা সবাই এগিয়ে নেবো। সবাই বিভিন্ন দায়িত্ব নিয়ে স্কুলটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে- আমাদের এই স্বপ্নটুকু জেগে থাকুক।
এরপর থেকে সকল বিতর্কের অবসান ঘটবে আশা করি। শুনেছি আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম আলো কার্যালয়ে আমরা একত্রিত হবো। আমি অবশ্যই থাকবো।
রাসেল এবং আজব ঢাকাকে আবারও ধন্যবাদ। সেই সাথে আনন্দময়ী, দু:খ, রুবা, নাজলা আবেদীন, ওস্তাদের ওস্তাদ সহ যারা আর্থিক সহযোগিতা এবং সহমর্মিতা দেখিয়েছেন তাদের কৃতজ্ঞতা।

কালকে একটি মিটিং। ব্যস্ততার কারণে অনলাইনে থাকতে পারছি না। আমি অনলাইনে আসলে পাঠকদের সমস্ত কৌতুহলের জবাব দেবো। ধন্যবাদ সবাইকে।
৪২ টি মন্তব্য
sujanpranto12 সুজন২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:২৮
ধন্যবাদ।
azman আজমান আন্দালিব২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:২২
আপনাকেও ধন্যবাদ।
nasrinjubaer নাসরীন জুবায়ের২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৩২
ধন্যবাদ
azman আজমান আন্দালিব২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:২৫
নাসরিন আপা, আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
dukkho দুঃখ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৩৪
ধন্যবাদ।
azman আজমান আন্দালিব২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:২৮
দু:খ,
দু:খজনক হলেও সত্যি- একটি মহৎ কর্মে অনেকেই যুক্ত না থেকে বিতর্কিত করে বাহবা কুড়াতে চায়। তারপরও আমি হতাশ নই। আপনাদের সাথে নিয়ে আমি জেলে শিশুদের স্বপ্নকে অনেকদূর টেনে নিয়ে যাবো। ধন্যবাদ আপনাকে পাশে থাকার জন্য।
dukkho দুঃখ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৭:৩৫
একটি উদ্যোকে সফলের পর্যায়ে নিয়ে যেতে অনেক ত্যাগ এবং ধৈর্যের প্রয়োজন আছে, আমি মনে করি আপনাদের সেই ত্যাগ এবং ধৈর্য রয়েছে, তা না হলে আপনারা এতটুকুও আসতে পারতেন না। কে কি বলল না বলল তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে আপনাদের মূল লক্ষ্যে এগিয়ে যান, তবে চলার পথে সবার আলোচনা, সমালোচনা, উপদেশ, তিরস্কার সবকিছুকে পজিটিভলি গ্রহন করতে হবে, তবেই শেষ পর্যন্ত সফল হবেন। যে কোন মহত উদ্যেগের সাথে থাকার প্রবল ইচ্ছা আছে। আশারাখি বৃহস্পতিবার সব ভুল বুঝাবুঝির অবসান হয়ে যাবে।
dukkho দুঃখ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৯:০৯
মেঘনা পাড়ের ধীবর বিদ্যালয় নিয়ে মিটিং ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা ছয়টায়
http://prothom-aloblog.com/users/base/moderator/31
trivuz ত্রিভুজ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৩৭
টাকা পয়সা নিয়ে সব জায়গাতেই ঝামেলা হয়। তাই এর হিসেবটা সবার আগে দিয়ে রাখা ভাল...
ajobdhaka আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৫
দুঃখের কথা কারে বলি.....আমার পোষ্টে কিন্তু আমি বলছিলাম আমাদের কাজ আবহাওয়ার জন্য প্রায় কিছুই হয় নাই.......বই দেওয়া ছিলো প্রথম কাজ যা করতে পারি নাই.....ভাবছিলাম তারাতারি কাজটা শেষ করেই ডোনারদের জানাবো........

তবে ভালো লাগছে একটা কারনে যা মিট আপে আপনাদের বলবো.......
azman আজমান আন্দালিব২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:৩৩
@ ত্রিভুজ, আপনাকে সক্রিয়ভাবে স্কুলের পাশে চাচ্ছি। আশা করি মিটআপে থাকবেন।
abrar আবরার২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৩৭
লক্ষ্মীপুর যাওয়া বাস ভাড়া (৩ জন) = ৬৯০/-
লক্ষ্মীপুর থেকে মজুচৌধুরীহাট
সি.এন.জি ভাড়া = ৪০০/-
লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকা আসা (৩ জন) = ৬৯০/-

মোটা : ১৭৮০ টাকা

- কিরকম সেবক আপনারা? অনুদানের টাকা দিয়ে যাওয়া আসার খরচ নিয়েছেন। ব্যাপারটি অত্যান্ত বিষ্ময়কর।
ajobdhaka আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৩
আমরা না যেনে মন্তব্য না করি.........টাকা কিভাবে খরচ করা হবে তা আগেই উল্লেখ করা ছিলো......

ফাতলু মন্তব্য দিয়ে আর ঝামেলা না করি......

আপত্তি থাকলে তখন ডোনার রাই করতো.......
noman নিষাদ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৪
উফ... বিষয়টা এরকম না।
আমি যতটুকু জানি এ যাওয়া আসা ভাড়া নিয়েই তারা মোট চাদা ঠিক করে‍ছিল।
ajobdhaka আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৬
সত্য বলার জন্য ধন্যবাদ আপনার প্রাপ্য.......
trivuz ত্রিভুজ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৭
@আবরার
ডোনাররা এই বিষয়ে যখন কিছু বলেনি তখন আপনার কিছু বলার উচিত নয়। বিষয়টাতে আরো প্যাঁচ লাগানোর চেষ্টা করা নিন্দনীয়। এসব থেকে বিরত থাকা ভাল...
abrar আবরার২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৮
টাকার হিসেব :

দুঃখ = ৫০০০ টাকা
আনন্দময়ী = ৫০০০ টাকা
নাজলা আবেদীন = ৩৬০০ টাকা
আজব ঢাকা = ১০০০ টাকা
ওস্তাদের ওস্তাদ = ৫০০ টাকা
রুবা = ৪০০ টাকা

এখানে বিল রাসেল ভাই এবং আজমান ভাইয়ের নাম নাই। তার মানে ওনারা ডোনারদের পয়সায় ঘুরে এসেছেন। নট ব্যাড। একটি মিনি পিকনিক হয়ে গেলো আর কি বিনা পয়সায়।
ajobdhaka আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৮
আর আবারো বলি আমি বাপের টাকায় চলি না.....আর এতো বড় সমাজ সেবকও না.......এইটা আমার ব্যার্থতা বা আমাদের ব্যার্থতা...ভালো থাকবেন আবরার সাহেব.......
abrar আবরার২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৪৯
ত্রিভুজ ভাই : ডোনাররা সব থাকে ৩০০০ মাইল দুরে।
ajobdhaka আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৫০
এই স্কুল টা করতে এখন পর্যন্ত কত টাকা খরচ হয়েছে তা কি আপনি আজমান সাহেব বা রাসেল সাহেবের কাছে প্রশ্ন করেছেন .......না করে থাকলে আমি কিছু বলে আপনাকে অপমান করতে চাই না......
ajobdhaka আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৫১
আপনার জন্য ৩০০০ মাইল হতে পারে কিন্তু আমাদের জন্য না.....আপনি মিট আপে চলে আসেন......
ajobdhaka আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৫৬
আজমান ভাই কষ্ট পাবেন না.......
abrar আবরার২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৫৯
আজমান ভাই : আপনি উদ্যোক্তা। কষ্টতো একটু করবেনই। আমি হলে আমি নিজের পকেট থেকে ভাড়াটা দিতাম আর এই ১৭৮০ টাকা স্কুলের কাঝে খরচ করতাম (১৭৮০ টাকায় ৬০-৭০ দিস্তা কাগজ পাওয়া যেত)
abrar আবরার২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৫৯
কিসের মিট আপ? ঝামেলা আপনারা পাকিয়েছেন আপনারাই যান।
azman আজমান আন্দালিব২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:০২
@ আবরার ভাইজান, আপনি যদি স্কুলের বিষয়ে প্রথম থেকে পোস্টগুলো পড়তেন তাহলে বুঝতে পারতেন কী ত্যাগ এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে তিল তিল করে স্কুলটিকে গড়ে তোলা হচ্ছে। শুধু শারীরিক নয় আর্থিক বিষয়টিও এখানে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। প্রথম যখন স্কুলটি করেছিলাম নিজের বেতন বোনাসের টাকা উৎসর্গ করতে হয়েছিল। আমাদের কারও অবস্থাই এমন নয় যে, ডোনেশন দিয়ে স্কুলটিকে চালাতে পারবো। লক্ষ্মীপুর যেতে আসতে হলেও বেশ টাকার দরকার যা একা কারও পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।
তারপরও আমরা খাবার-দাবারের বিষয়টি আমাদের নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছি। একটি মহৎ কাজে অনেকেই যুক্ত থাকেন। সকলের অংশগ্রহণেই কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
লক্ষ্মীপুর আসা যাওয়ার খরচটি কোথা থেকে আসেল ভালো হত বলে আপনার পরামর্শ? আপনি বা আপনার মতো কেউ যদি এই খরচটি বহন করেন তাহলে খুব ভালো হয়। ধন্যবাদ আপনাকে।
ajobdhaka আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:০৫
ফালতু প্যাচাল পারেন কেন.......সাহস থাকলে মিট আপে আসেন আর না থাকলে ফিডার নামক একটা বস্তু আমার জানা আছে........
ajobdhaka আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:০৮
৩০০০০ হাজার টাকা কে দিল তা নিয়া আপনার মাথা ব্যাথা নাই ......আপনি ১৭৮০ টাকা নিয়া পপুলার হওয়ার চান্স খুজতাছেন......

স্কুলটার ভিডিও সময় করে দেখবেন........
trivuz ত্রিভুজ২২ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:৩৮
আবরার ভাই, আমি একটা প্রতিষ্ঠানকে জানি যারা মানুষের জন্য প্রচুর কাজ করে। মজার বিষয় হচ্ছে প্রায় পুরোটুকুই দানের টাকায়। সেই প্রতিষ্ঠানে অনেক লোক চাকুরী করে... তাদের বেতনও ঐ দানের টাকাতেই হয়। এখন আপনি এটাকে কিভাবে দেখেন?

এনজিওগুলো কোন ফর্মূলাতে কাজ করে?

জাতিসংঘ কোন ফর্মূলাতে কাজ করে?

বিভিন্ন ট্রাষ্টগুলো কোন ফর্মূলাতে চলে?

দানের টাকা শুধু দান করার জন্য এই ধারনাটা ঠিক না।

সর্বপরি আজমান আন্দালিব ভাইকে আমি বহুদিন ধরে দেখছি এই স্কুলটা নিয়ে আছেন। প্রথম দিকে কেউ তাঁর আবেদনে সাড়া দিতো না.. মনে আছে উনার প্রথম দিকে একটা পোস্টে আমি একা মন্তব্য করেছিলাম। যতটুকু সম্ভব সাহায্য করবো জানিয়েছি.. কিন্তু সময়ের অভাবেই হোক আর যেকোন কারণেই হোক করতে পারিনি.... প্রথম আলোর ব্লগাররা করতে পারছেন। আজমান ভাই কিন্তু সেই প্রথম থেকে কারো দানের আশায় বসে থাকেননি.. পুরো প্রতিষ্ঠানটা তিনি বলতে গেলে একা একাই দাঁড় করিয়েছেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত লাভটা আসলে কোথায়?

ব্লগে বসে আমরা এত হাতি ঘোড়া মারি... সত্যিকার কাজে কতজন যাচ্ছি? আমরা নিজেরা না যাই.. যারা যেতে চাচ্ছে তাদের পথে কেন বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছি?

আমাদের মনে হয় একটু ভাবা উচিত।
noman নিষাদ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৩৯
ধন্যবাদ আন্দালিব ভাই,
ব্যস্ততার মাঝেও এই সময়টুকু দেয়ার জন্য

এটার খুব দরকার ছিল। আপনার উপস্থাপন খুবই সুন্দর হল ...
azman আজমান আন্দালিব২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:৩১
আমি নোমান, আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি চেষ্টা করবো এই শিশুগুলোর স্বপ্ন নিয়ে কেউ যাতে ছিনিমিনি খেলতে না পারে। এজন্য আমাদের ছোট্ট করে হলেও সংগঠিত থাকা দরকার। আশা করি আমাদের সাথে থাকবেন।
tayub আবু তৈয়ব২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৪:৫০
আশা করি সকল ভূল বোঝাবুঝির অবসান হবে
azman আজমান আন্দালিব২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:৪৪
আপনার আশা আর আমাদের আশা এক হলেও কিছু লোকের আশার সাথে মিলবে না। কারণ তারা সক্রিয়ভাবে না থেকে শুধু বিতর্কিত থাকতেই পছন্দ করে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
azman আজমান আন্দালিব২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:১৬
আজমান ভাই : আপনি উদ্যোক্তা। কষ্টতো একটু করবেনই। আমি হলে আমি নিজের পকেট থেকে ভাড়াটা দিতাম আর এই ১৭৮০ টাকা স্কুলের কাঝে খরচ করতাম (১৭৮০ টাকায় ৬০-৭০ দিস্তা কাগজ পাওয়া যেত)

@ আবরার- আমি নিজের পকেট থেকে অনেক টাকা দিয়েছি। আমার এত অর্থ বিত্ত নেই যে আজীবন চালাতে পারবো। আমরা তিনজন গিয়েছি। রাসেল এবং আমি অনেক আগে থেকেই এই উদ্যোগটির সাথে জড়িত। রাসেলের বেশ অর্থ এবং সময় ব্যয় করেছে। আমার কথা আর নাই বা বললাম।
আমরা তিনজন লক্ষ্মীপুর গিয়েছি। যাতায়াত এবং খাওয়া বাবদ খরচ হয়েছে প্রায় ২০০০ টাকা। এটাকাটা কে বহন করলে ভালো হত?
আমি জানি ভালো কাজে মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না কিন্তু সমালোচনায় সবাই সিদ্ধহস্ত। আমাদের এ উদ্যোগের সাথে যে দু'চারজন মহৎপ্রাণ যুক্ত আছেন, তাদের নিয়েই আমি আমাদের স্বপ্নটাকে টেনে নিয়ে যাবো। এর বেশি আমি কিছু বলতে চাইনা। আপনারা দয়া করে ৮৬ জন শিশুর নতুন স্বপ্নটাকে বিতর্কিত করবেন না।
azman আজমান আন্দালিব২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:২৫
কারিম ভাইয়ের পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে পোস্টটি মুছে গেছে। কারিম ভাই আমি অত্যন্ত দু:খিত এবং আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
sharmabangla সজল শর্মা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:৩৬
ঝামেলার ব্যাপারটা অনেকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন দেখছি। মানুষ ঝামেলা পাকাতেই ভালবাসে। চাদা নির্ধারণ করা হয়েছিল যখন তখন সেখানে যাওয়া আসার খরচও যোগ হয়েছিল। সবাই যেতে পারেননি- তাই বলে তো আর ফ্রিতে যাওয়া যায় না। এসব সামান্য ব্যাপার নিয়ে ঝামেলা করে পরিবেশ ঘোলাটে করার মানে বুঝলাম না।
ajobdhaka আজব ঢাকা২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:৪১
ধন্যবাদ সজলদা.......দোয়া কইরেন ্যেন মানুষ হইতে পারি.........আমাদের মাঝে মানুষের খুবই দরকার.......
azman আজমান আন্দালিব২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৫:৪৯
ধন্যবাদ সজল শর্মা এবং আজব ঢাকা। আসলেই আমাদের মাঝে মানুষ খুব দরকার।
myousufs ইঊসুফ২১ এপ্রিল ২০০৯, ০৯:৪০
ব্যাপারটা যতই পড়ছি ততই আশ্চর্যান্বিত হচ্ছি। আজমান ভাই, আজব ভাই, রাসেল ভাই -আপনারা আশাহত হবেন না। যে কোনো উদ্যোগের শুরুটা এমনই হয়। শেষ পর্যন্ত এর সফলতা নির্ভর করবে আপনাদের ধৈর্য্য ও আন্তরিকতার উপর। সো.. Keep it up.. আর আমি আপনাদের পাশে আছি সবসময়ই। হয়তো টাকা-পয়সা, সময় সেরকম দিতে পারব না, তবে উৎসাহ দিতে পারব। আর হ্যাঁ, দু'আ করতে পারব দু হাত তুলে। আপনারা ভালো থাকবেন।

বৃহস্পতিবার আসার চেষ্টা করব। পরীক্ষা চলছে, নাও আসতে পারি। আশা করি আপনাদের মিটিং সফল হবে। আবারো বলি, এসব কথায় কষ্ট না নিয়ে বরং শিক্ষনীয় কিছু থাকলে তা ভবিষ্যতের জন্য জমা করে রাখুন। ধন্যবাদ।
azman আজমান আন্দালিব২১ এপ্রিল ২০০৯, ১১:১৩
প্রথম আলো ব্লগে এমন অনেক মহৎপ্রাণ মানুষ আছেন তাঁরা পাশে থাকলে আর সব তুচ্ছ মনে হয়।
স্কুলটিকে যখন আমরা মাত্র দু'জন শুরু করি অনেক বাধা বিপত্তি এসেছিল। লক্ষ্মীপুরের অনেকেই সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবাই পিঠটান দিয়েছেন। এসব দেখেশুনে আমার পরিবার থেকেও বাধা এসেছিল। ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াচ্ছি, নিজের ছেলেমেয়ের পড়াশুনার খোঁজ না নিয়ে জাউল্যা পোলাপানের পড়াশুনা নিয়ে মেতে থাকছি- এরকম নানান কথা।
কিন্তু আমি হতোদ্যম হইনি। আমার মনে হয়েছে আমার সন্তানরা পড়াশুনার যে সুযোগ পাচ্ছে, জেলেদের এই শিশুরা যদি শতভাগের একভাগ পায় তবে এদের মধ্যে কেউ না কেউ শিক্ষার মর্যাদাকে তুলে ধরতে পারবে। আর এভাবেই আমাদের বাংলাদেশকে বিশ্বমাঝে তুলে ধরা সম্ভব।
খুবই ক্ষুদ্র থেকে আরম্ভ করেছি। আমরা সবাই মিলে যদি এরকম ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে আরম্ভ করি একদিন তা বড় হবেই।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য।
azman আজমান আন্দালিব২২ এপ্রিল ২০০৯, ০৯:৩৬
@ ত্রিভুজ
চমৎকার যুক্তিপূর্ণ এবং শাণিত কমেন্ট। আশা করি ছিদ্রাণ্বেষীদের মুখ বন্ধ হবে এবার। ধন্যবাদ আপনাকে।
nazlaabedin ফাতেমা আবেদীন নাজলা২৩ এপ্রিল ২০০৯, ০৩:৪৭
আজমান ভাই, আপনি এগিয়ে যান। আমরা আছি। আমার জন্য কেও যদি পড়তে পারে সেটা আমার জীবনের সফলতা হবে।
আর আবরার রা নিজেদের পকেট থেকে দিয়ে দিয়েই তো ব্লগে আসার মত বড় হল এদের ব্যাপারে কিছু বলার নাই। আপনারা আশাহত হবেন না। ভালো কাজে কটু বাক্য আসবেই।
azman আজমান আন্দালিব২৩ এপ্রিল ২০০৯, ০৮:২৯
আমরা স্কুলটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টায় একত্রিত হয়েছি প্রথম আলো কার্যালয়ে। মাহবুব মোরশেদ, দেবদাস, ইউসুফ, বিল রাসেল, আজব ঢাকা, বাউন্ডুলে পাশা সবাই মিলে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।
আপনাদের সহযোগিতা এবং সমর্থন নিয়ে এ পর্যন্ত এসেছি। সুতরাং এগিয়ে তো যেতেই হবে।
আমরা খুব শীঘ্রই সংগঠিত হচ্ছি। আপনাদের অব্যাহত সমর্থন আমাদের এ পর্যন্ত এনেছে। সুতরাং শিশুদের স্বপ্ন দেখা চলতেই থাকবে।
মাহবুব ভাই খুব শীঘ্রই এ ব্যাপারে বিস্তারিত একটি পোস্ট দিয়ে সব খোলাসা করবেন।

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment