একটি ছোট্ট বিনিয়োগ পরিকল্পনা
সেমিনার
একটি ছোট্ট বিনিয়োগ পরিকল্পনা
বাংলাদেশের মূল সমস্যাটা কোথায়-

কেউ বলবেন জনসংখ্যা সমস্যা

কেউ বলবেন দারিদ্রের সমস্যা।
আসুন আমরা প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করার চেষ্টা করি-
বাংলাদেশের জনসংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ছে কিন্তু সেই অনুপাতে সম্পদ বাড়ছে না। ফলে ব্যাপক হারে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যাচ্ছে না। এতে করে দারিদ্র বাড়ছে। দারিদ্র ডেকে আনছে নানান নেতিবাচক উপসর্গ। যেমন- শিক্ষাহীনতা, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ইত্যাদি। ফলে সামাজিক বিশৃংঙ্খলা দেখা দিচ্ছে।

এই সমস্যা সমাধানের উপায় কি!
জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে সমস্যা হিসেবে না দেখে সম্ভাবনার দৃষ্টিতে দেখলেই সমাধানের উপায় খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশের কমবেশি প্রায় ১৪ কোটি মানুষের মধ্যে ৮ কোটিরও বেশি যাদের বয়স ১৫ বছরের উপর। এই কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর খুব কম অংশই যে কাজ করে উপার্জন করে তা পরিসংখ্যান না দেখেও বলা যায়।
সরকারি ভাবে আমাদের কাজের ক্ষেত্র সীমিত। বেসরকারি ভাবেও পুরো জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে সৃজনশীল কোন কর্মক্ষেত্র আমরা সৃষ্টিকরতে পারছি না।
QuupoxwSyyt8M:http://www.nndb.com/people/955/000111622/sheikh-hasina-1-sized.jpg" width="400" />
আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেমন আয় করেন।

তেমনি একজন রিক্সাওয়ালাও আয় করেন।

একজন ভিক্ষুকও তেমনি ভিক্ষাবৃত্তি করেই তার ও পরিবারের জীবিকা নির্বাহের উপায় খুঁজে নেয়।

একজন কর্মহীন ব্যক্তি কোনভাবেই তার উপার্জনের উপায় খুঁজে বের করতে না পারলে সে অন্যায় উপার্জনের পথ ধরবে। চাঁদাবাজি, টেন্ডার, অপহরণ এই শব্দ ক�টির সাথে আমরা সবাই পরিচিত।

একজন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তার প্রয়োজন অনুযায়ী উপার্জন করতে না পারলে সেও বিকল্প বা অন্যায় উপার্জনের পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে। ঘুষ, স্বজনপ্রীতি, ব্যবসায়ে অসাধুতা ইত্যাদি শব্দগুলোর সাথেও আমরা খুবই পরিচিত।

এই সমস্যা সমাধানের উপায় হচ্ছে কর্মহীন জনগোষ্ঠী এবং কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী উভয়েরই উপার্জন তথা আয়-বৃদ্ধির সুযোগ করে দেওয়া।
কীভাবে সম্ভব?
সুশৃঙ্খল শিক্ষা ব্যবস্থাই হতে পারে এই উপার্জনের একটি অন্যতম উপায়। পদ্ধতিটি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিরাজমান। শুধু দরকার এর যথাযথ প্রয়োগ।
বাংলাদেশের মোট জনগোষ্ঠীর একটা বৃহৎ অংশ শিক্ষার সাথে জড়িত। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা মিলিয়ে কয়েক কোটি শিক্ষার্থী প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশুনা করে চলেছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর সাথে শিক্ষক-অভিভাবক, স্থানীয় প্রতিনিধি সবাই যুক্ত। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক কোন পরিবর্তন না এনেই এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা করে দেওয়া যায়।
শিক্ষারত অবস্থা থেকেই একজন শিক্ষার্থীকে অর্থ উপার্জনের আওতায় নিয়ে আসা যায়। কৃষি শিক্ষা, ব্যবসায় শিক্ষা, গার্হস্থ্যশিক্ষা এগুলোর ব্যবহারিক অংশটুকু সত্যিকারার্থে বাস্তবায়নের জন্য একটি পদ্ধতি উন্নয়নের মাধ্যমেই তা সম্ভব। শিক্ষার্থীরা পাঠের অংশ হিসেবে পণ্য কিংবা সেবা উৎপাদন করবে এবং উৎপাদিত পণ্যের মূল্য অনুযায়ী তারা মূল্যায়িত হবে। 'এডুকেশন বেজড প্রডাকশন অ্যান্ড মার্কেটিং' পদ্ধতি উন্নয়নের মাধ্যমে স্কুলে স্কুলে পণ্য উৎপাদন এবং সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
সংগঠিত উপায় কি হতে পারে-
একটি শিক্ষা ফান্ড গঠনের মাধ্যমে সবাইকে সংগঠিত করা যেতে পারে। ধরা যাক এর নাম 'এডু কেশন ফান্ড লিমিটেড' বা ইএফএলবিডি'

এই ফান্ডটি এনডাউমেন্ট ফান্ড (Endowment Fund) হতে পারে। শিক্ষা সংক্রান্ত একটি সামাজিক ব্যবসায়ের অর্থায়নে এই ফান্ডের টাকা ব্যয়িত হবে।
Endowment (n.) That which is bestowed or settled on a person or an institution; property, fund, or revenue permanently appropriated to any object; as, the endowment of a church, a hospital, or a college.
Endowment (n.) That which is given or bestowed upon the person or mind; gift of nature; accomplishment; natural capacity; talents; -- usually in the plural.
Endowment (n.) The act of bestowing a dower, fund, or permanent provision for support.
একটি মজার ধাঁ ধাঁ
বাংলাদশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পপুলেশন প্রজেকশন অনুযায়ী ২০৩৪ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ১৯ কোটি ৬০ লক্ষ বা ১৯৬ মিলিয়ন। মাথাপিছু ১/- টাকা বরাদ্দ ধরে যদি একটি প্রকল্প এখনই শুরু করা হয় তাহলে পুঁজি দরকার ১৯ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা।

শিক্ষার উন্নয়নে আজ এই ১/- টাকা বিনিয়োগ করে ২৫ বছর পরে এই এক টাকার বর্তমান মূল্য কত দাঁড়াবে বলে আপনার অনুমান?
১০ টাকা, ২০ টাকা............৫০ টাকা......১০০ টাকা.....তদুর্দ্ধে...।
একটি ছোট্ট বিনিয়োগ পরিকল্পনা
বাংলাদেশের মূল সমস্যাটা কোথায়-

কেউ বলবেন জনসংখ্যা সমস্যা

কেউ বলবেন দারিদ্রের সমস্যা।
আসুন আমরা প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করার চেষ্টা করি-
বাংলাদেশের জনসংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ছে কিন্তু সেই অনুপাতে সম্পদ বাড়ছে না। ফলে ব্যাপক হারে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যাচ্ছে না। এতে করে দারিদ্র বাড়ছে। দারিদ্র ডেকে আনছে নানান নেতিবাচক উপসর্গ। যেমন- শিক্ষাহীনতা, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ইত্যাদি। ফলে সামাজিক বিশৃংঙ্খলা দেখা দিচ্ছে।

এই সমস্যা সমাধানের উপায় কি!
জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে সমস্যা হিসেবে না দেখে সম্ভাবনার দৃষ্টিতে দেখলেই সমাধানের উপায় খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশের কমবেশি প্রায় ১৪ কোটি মানুষের মধ্যে ৮ কোটিরও বেশি যাদের বয়স ১৫ বছরের উপর। এই কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর খুব কম অংশই যে কাজ করে উপার্জন করে তা পরিসংখ্যান না দেখেও বলা যায়।
সরকারি ভাবে আমাদের কাজের ক্ষেত্র সীমিত। বেসরকারি ভাবেও পুরো জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে সৃজনশীল কোন কর্মক্ষেত্র আমরা সৃষ্টিকরতে পারছি না।
আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেমন আয় করেন।

তেমনি একজন রিক্সাওয়ালাও আয় করেন।

একজন ভিক্ষুকও তেমনি ভিক্ষাবৃত্তি করেই তার ও পরিবারের জীবিকা নির্বাহের উপায় খুঁজে নেয়।

একজন কর্মহীন ব্যক্তি কোনভাবেই তার উপার্জনের উপায় খুঁজে বের করতে না পারলে সে অন্যায় উপার্জনের পথ ধরবে। চাঁদাবাজি, টেন্ডার, অপহরণ এই শব্দ ক�টির সাথে আমরা সবাই পরিচিত।

একজন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তার প্রয়োজন অনুযায়ী উপার্জন করতে না পারলে সেও বিকল্প বা অন্যায় উপার্জনের পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে। ঘুষ, স্বজনপ্রীতি, ব্যবসায়ে অসাধুতা ইত্যাদি শব্দগুলোর সাথেও আমরা খুবই পরিচিত।

এই সমস্যা সমাধানের উপায় হচ্ছে কর্মহীন জনগোষ্ঠী এবং কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী উভয়েরই উপার্জন তথা আয়-বৃদ্ধির সুযোগ করে দেওয়া।
কীভাবে সম্ভব?
সুশৃঙ্খল শিক্ষা ব্যবস্থাই হতে পারে এই উপার্জনের একটি অন্যতম উপায়। পদ্ধতিটি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিরাজমান। শুধু দরকার এর যথাযথ প্রয়োগ।
বাংলাদেশের মোট জনগোষ্ঠীর একটা বৃহৎ অংশ শিক্ষার সাথে জড়িত। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা মিলিয়ে কয়েক কোটি শিক্ষার্থী প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশুনা করে চলেছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর সাথে শিক্ষক-অভিভাবক, স্থানীয় প্রতিনিধি সবাই যুক্ত। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক কোন পরিবর্তন না এনেই এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা করে দেওয়া যায়।
শিক্ষারত অবস্থা থেকেই একজন শিক্ষার্থীকে অর্থ উপার্জনের আওতায় নিয়ে আসা যায়। কৃষি শিক্ষা, ব্যবসায় শিক্ষা, গার্হস্থ্যশিক্ষা এগুলোর ব্যবহারিক অংশটুকু সত্যিকারার্থে বাস্তবায়নের জন্য একটি পদ্ধতি উন্নয়নের মাধ্যমেই তা সম্ভব। শিক্ষার্থীরা পাঠের অংশ হিসেবে পণ্য কিংবা সেবা উৎপাদন করবে এবং উৎপাদিত পণ্যের মূল্য অনুযায়ী তারা মূল্যায়িত হবে। 'এডুকেশন বেজড প্রডাকশন অ্যান্ড মার্কেটিং' পদ্ধতি উন্নয়নের মাধ্যমে স্কুলে স্কুলে পণ্য উৎপাদন এবং সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
সংগঠিত উপায় কি হতে পারে-
একটি শিক্ষা ফান্ড গঠনের মাধ্যমে সবাইকে সংগঠিত করা যেতে পারে। ধরা যাক এর নাম 'এডু কেশন ফান্ড লিমিটেড' বা ইএফএলবিডি'

এই ফান্ডটি এনডাউমেন্ট ফান্ড (Endowment Fund) হতে পারে। শিক্ষা সংক্রান্ত একটি সামাজিক ব্যবসায়ের অর্থায়নে এই ফান্ডের টাকা ব্যয়িত হবে।
Endowment (n.) That which is bestowed or settled on a person or an institution; property, fund, or revenue permanently appropriated to any object; as, the endowment of a church, a hospital, or a college.
Endowment (n.) That which is given or bestowed upon the person or mind; gift of nature; accomplishment; natural capacity; talents; -- usually in the plural.
Endowment (n.) The act of bestowing a dower, fund, or permanent provision for support.
একটি মজার ধাঁ ধাঁ
বাংলাদশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পপুলেশন প্রজেকশন অনুযায়ী ২০৩৪ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ১৯ কোটি ৬০ লক্ষ বা ১৯৬ মিলিয়ন। মাথাপিছু ১/- টাকা বরাদ্দ ধরে যদি একটি প্রকল্প এখনই শুরু করা হয় তাহলে পুঁজি দরকার ১৯ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা।

শিক্ষার উন্নয়নে আজ এই ১/- টাকা বিনিয়োগ করে ২৫ বছর পরে এই এক টাকার বর্তমান মূল্য কত দাঁড়াবে বলে আপনার অনুমান?
১০ টাকা, ২০ টাকা............৫০ টাকা......১০০ টাকা.....তদুর্দ্ধে...।
লেখক আজমান আন্দালিব
- আজমান আন্দালিব -এর ব্লগ
- ২৪ টি মন্তব্য
- ১৮ মার্চ ২০০৯, ০৮:৪৭
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ২৪ টি মন্তব্য
-
অধীর দত্ত১৯ মার্চ ২০০৯, ১২:৪৯
এই থাইল্যান্ডে এসে থাংলিশ বলতে বলতে ইংরেজীতে কথা বলার সময় এখন প্রচুর সমস্যা হচ্ছে। থাই কলিগরা তাদের পড়ালেখার সব ক্ষেত্রে থাই ভাষাই ব্যবহার করেছে। এক থাই-ইংরেজী ল্যাংগুয়েজ ট্রান্সলেটর দিয়েই যা বের করে ঐটা মাশাল্লাহ আবার দাঁত ভাঙ্গা জিনিস, কোন গ্রামার, বুঝা বড় দায়।
কেবল টিভিতে চ্যানেল বলতে বড়জোড় দু'চারটা ইংরেজী ছাড়া বাকী সব থাই। বিবিসি,সুপার-স্পোর্টস (২টা) আর আরিআং(কোরিয়ান-ইং) শুধু আমাদের ভাগে বরাদ্দ। ও হ্যাঁ থাইল্যান্ডে ফুটবলের কদর, যেন মনে হবে ফুটবল থাইরাই আবিষ্কার করেছে। এই ফুটবল, টেবিল টেনিস, লন-টেনিস, গলফ, ফুটসাল,এথলেটস, দাবা, ব্যাডমিন্টন এর খেলোয়াড়দের দেখি আর ওদের প্রাইজমানি টাকাতে কনভার্ট করি। আর দেখি কোরিয়ান/ইরান/জাপান/আফ্রিকান ফুটবলারদের- কোন জায়গায় নেই- সিরি-এ, ইংলিশ লিগ, স্প্যানিশ লিগ, জার্মান লিগ, ফ্রান্স লিগ। আর যারা পুঁচকে খেলা বলে- টেবিল টেনিস, লন-টেনিস, গলফ, ফুটসাল,এথলেটস, দাবা, ব্যাডমিন্টন এর প্রাইজমানিও কম নয়। ইন্জিনিয়ার হয়ে বেতন যা পাই, তা থেকে দেশে পাঠিয়ে কিভাবে মাস পার করা যায়, সেই চিন্তায় ব্যস্ত থাকি।
http://prothom-aloblog.com/users/base/azman/25--- আজমান আন্দালিব ভাইয়ের পোষ্ট দেখে মনে হলো আসলেই তো ছোট্ট বিনিয়োগ কোথায় হতে পারে!!!!!
আমাদের দেশের মধ্যে থেকে কি এইরকম বিভিন্ন রকমের খেলোয়াড় উৎপাদন করে দক্ষ জনশক্তি হিসাবে চিন্তা করা যায় না-ইন্জিনিয়ার,ডাক্তার,মোক্তার এর পাশাপাশি? উদাহরণ স্বরুপ ICL-group, মাশরাফির, সাকিবের কথা ধরুন। দেশে ক্রিকেট ছাড়া আর কোনো ধরনের খেলার ভালো অবকাঠামো পর্যন্ত গড়ে তোলা হয়নি। দেশের নিজস্ব কোনো স্পোর্টস চ্যানেল নেই। কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা পর্যন্ত নেই। খেলোয়ার বানানোর জন্য শুধুমাত্র শহরে বসে বসে খেলোয়াড় কবে আসবে সেই আশায় বসে থাকলে ---- আর কোনোদিনও খেলোয়াড় পাওয়া যাবে না। স্পোর্টস সরন্জামও দুস্প্রাপ্য।
একজন ভালোমানের পেশাদার স্পোর্টস-ম্যান হওয়ার জন্য যে যে কলাকৌশল, অভিযোজন ক্ষমতা দরকার, তার জন্য কি বিনিয়োগ করা যায় না? খেলা শুধুই এখন বিনোদনের উপাদান নয়, সেইসাথে উপার্জনের একটা ভালো মাধ্যমও বটে।
"একজন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তার প্রয়োজন অনুযায়ী উপার্জন করতে না পারলে সেও বিকল্প বা অন্যায় উপার্জনের পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে। ঘুষ, স্বজনপ্রীতি, ব্যবসায়ে অসাধুতা ইত্যাদি শব্দগুলোর সাথেও আমরা খুবই পরিচিত।"---- বিকল্প পথের একটি কি "ভালোমানের পেশাদার স্পোর্টস-ম্যান" করা যায় না??
-
শেরজা তপন১৮ মার্চ ২০০৯, ১০:৫৫
আন্দালিব ভাই, বোঝা যাচ্ছে ব্যাপারটা নিয়ে ব্যাপক গবেষনা করেছেন।
ভাল লাগল
আমার মনে হয় ব্যাঙ্কে রাখলে ১৬/১৭ টাকা হবে। -
সৈয়দ মইন১৯ মার্চ ২০০৯, ১২:০৬
Very rich post and new concept. But qestion is there how it will be implemented and who will do it ? Say , if you think through our Govt. then it will be looks like put in the bin. Because our ' amlagon' wont allow such productive program ..just my thoughts... -
মুসলীমা১৯ মার্চ ২০০৯, ১২:১৫
গবেষণা মুলক পোস্ট। ধন্যবাদ আপনাকে।
টাকার মান যেভাবে দিন দিন কমে আসছে সেক্ষেত্রে ২০৩৪ সালে ১ টাকার মান কত হবে তা সহজেই অনুমেয়।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক