আসুন, একটি স্বপ্নের সাথে যুক্ত হই...(প্রথম পেজে না আসায় পুন: পোস্ট)
আজ ১৪ মার্চ ২০০৯, শনিবার। একটি স্বপ্নের যাত্রা শুরু হয়েছে। মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। গতকাল লক্ষ্মীপুর এসেছি। আজ দুপুর দুইটায় স্কুলের মিটিং। সকালে কিছুটা সময় পাওয়ায় হঠাৎ করে স্কুলে চলে গেলাম। সাথে লক্ষ্মীপুরের এক তরুণ সাংবাদিক স্বপন। স্বপনের মোটরসাইকেল চড়ে ছুটে চলেছি মজু চৌধুরী হাটের সেই স্বপ্নের স্কুলটিকে কেন্দ্র করে।
লক্ষ্মীপুর শহর ছাড়িয়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে মজু চৌধুরী হাট। মেঘনা নদীর বুকে নৌকার মধ্যে একটি জেলে জনগোষ্ঠী বাস করে। শিশুদের জন্য একটি স্কুল শুরু করেছি গত বছরের ১৪ জুলাই তারিখে। নভেম্বর মাস থেকে শিশুদের ক্লাশ শুরু হয়েছে। আর এখন মার্চ মাস। স্কুলের অদূরে পৌঁছেই দেখতে পেলাম একদল শিশু স্কুলের গেটে জটলা পাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা পৌঁছামাত্রই স্কুলের একমাত্র শিক্ষক ফারজানা আমাদেরকে সালাম জানায়। স্কুলের ভেতরে বাচ্চারা গাদাগাদি করে বসে আছে। শিশুরা স্কুলে আসতে চাটাই নিয়ে আসে। কাচা মাটির উপর চাটাই বিছিয়ে শিশুরা পড়তে বসে। বাচ্চারা সবাই একযোগে সালাম দেয়। প্রত্যুত্তরে সালামের জবাব দিয়ে শিশুদেরকে জিজ্ঞেস করি কেমন আছো তোমরা?
আমি জানি ওরা ভালো নেই। মলিন চেহারাগুলো স্কুলে আসার আনন্দে ঝকমক করলেও দারিদ্রক্লিষ্ট মুখ স্পষ্ট বোঝা যায়। গায়ের জামাগুলো মলিন। বই-খাতা গুলো মলিন। স্বপন হাতে ধরা ক্যামেরার সাহায্যে সেই ক্লিষ্ট মুখগুলোর ভিডিও ধারণ করছে। এই বাচ্চারা এই পাঁচ মাসে 'অ-আ, ক-খ, এবিসিডি, ১২৩৪, ওয়ান-টু-থ্রি লিখতে শিখেছে। শিশুরা একটি স্বপ্নের পথে হাঁটা শুরু করেছে।
ওরা আমার কাছে অভিযোগ করে ওদের অনেকে বই পায়নি। কেন পায়নি? কারণ আমি যোগান দিতে পারিনি। স্কুলটি যখন শুরু করেছি তখন তেমন কিছু ভেবে শুরু করিনি। আমি এবং মাহবুব সাহেব নিজেদের বেতন-বোনাস থেকে কাঁট-ছাট করে শুরু করে দিয়েছিলাম। নভেম্বর থেকে স্কুলটি যাত্রা শুরু করেছে। প্রায় ৫ মাস চলছে। স্কুলের শিক্ষকের ৪ মাসের বেতন বকেয়া। নিজের সীমিত আয়ের দ্বারা এই ভার বহন করা যাচ্ছে না।
স্কুলের তালিকাভুক্ত শিক্ষার্থী এখন ৬০ জন। এর বাইরে ২০/৩০ জন মাঝে মাঝে আসে। তাই ওদের তালিকায় তোলা হয়নি। সবাই যখন একযোগে স্কুলে চলে আসে জায়গা হয় না। কিন্তু শিশুদের স্বপ্নটি এখন অনেক বড় হয়ে গেছে। ৬০টি শিশু ৬০টি স্বপ্ন দেখছে। ওদেরকে আমি বড় হয়ে কে কি হবে তা জিজ্ঞেস করিনি। আমি জানি যা উত্তর আসবে এর অধিকাংশই সত্যে পরিণত হবে না। স্কুলটিকে কেন্দ্র করে শতাধিক শিশুর স্বপ্ন ওদের কাছেই থাকুক। আমি ওদেরকে বলেছি বই কিনে দেবো, শ্লেট কেনে দেবো, স্কুল ড্রেস কিনে দেবো। কিন্তু আমি তা কোথা থেকে দেবো?
অনেকেই আশ্বাস দিয়েছিলেন স্কুলটিকে সহায়তা দেবেন। প্রাথমিক অবস্থায় যে সত্যিই দিয়েছেন তা অস্বীকার করার জো নেই। কারণ স্থানীয় সহায়তা না পেলে এপর্যন্ত আসা যেতো না। কালে কালে বাচ্চাদের স্বপ্ন বড় হয়েছে আর সবাই পিঠটান দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু আমি এই স্বপ্নটিকে আঁকড়ে ধরে আছি। মজু চৌধুরীহাট জেলেপাড়ার জন্য স্থাপিত মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের শিশুদের স্বপ্নকে আরও অনেক দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাবো।
আসুন না, সবাই মিলে লক্ষ্মীপুর জেলার মেঘনাপাড়ের অবহেলিত জনগোষ্ঠী জেলে শিশুদের স্বপ্নের স্কুল মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের উদ্দেশে হাত বাড়াই।
আপডেট সংবাদ : আজ ১৪ মার্চ ২০০৯, শনিবার লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের নবম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রফিকুল আহসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), লক্ষ্মীপুর শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ ইকবাল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-
জনাব ফারুক আহাম্মদ, প্রভাষক, বাংলা
জনাব সাইফুল ইসলাম স্বপন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
জনাব মাহমুদ রিয়াজ, পল্লী চিকিৎসক।
জনাব জহিরুল আলম পাটওয়ারী কিশোর, বি.এস.এস ১ম বর্ষ শিক্ষার্থী।
সভায় আলোচনায় স্কুলের এই মুহূর্তে প্রয়োজনীয় ৫ হাজার টাকা সংস্থানের প্রয়োজনীয়তার কথা আলোচিত হয়। ভবিষ্যতে স্কুলটিকে স্থায়ীভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থায়ী কোন স্থানে স্থানান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী স্কুলের জমির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবেন বলে আশ্বাস দেন। (কিন্তু ৫ হাজার টাকা সংস্থানের ব্যাপারে তেমন আশ্বাস পেলাম না।)
প্রাথমিক একটি গঠনতন্ত্র সবাইকে সরবরাহ করা হয়। পরবর্তী মিটিংয়ে গঠনতন্ত্রের চুড়ান্তকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ব্লগার বন্ধুদের মধ্যে যদি কেউ মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের একমাত্র শিক্ষিকার বেতন বাবদ চার হাজার টাকা অনুদান হিসেবে প্রদান করতে ইচ্ছুক থাকেন, তবে স্কুলের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠাতে পারেন-
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
সঞ্চয়ী হিসাব নং-০০১-৭২৩২
সোনালী ব্যাংক, সদর, লক্ষ্মীপুর।
শিক্ষার্থীদের বই, স্কুল ড্রেস ইত্যাদি বাবদ প্রায় ১০ হাজার টাকা ব্যয় হবে। ব্লগার বন্ধুদের মধ্যে কেউ এই সহায়তাটুকু নিয়েও এগিয়ে আসতে পারে। কিংবা প্রথম শ্রেণীর পাঠ্য বই, শ্লেট, খাতা ইত্যাদি সরবরাহ করার মাধ্যমেও সহায়তা করা যেতে পারে।
আজকে যে ভিডিও করা হয়েছে তা নিয়ে পরে আরেকটি পোস্ট দেবো।
লক্ষ্মীপুর শহর ছাড়িয়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে মজু চৌধুরী হাট। মেঘনা নদীর বুকে নৌকার মধ্যে একটি জেলে জনগোষ্ঠী বাস করে। শিশুদের জন্য একটি স্কুল শুরু করেছি গত বছরের ১৪ জুলাই তারিখে। নভেম্বর মাস থেকে শিশুদের ক্লাশ শুরু হয়েছে। আর এখন মার্চ মাস। স্কুলের অদূরে পৌঁছেই দেখতে পেলাম একদল শিশু স্কুলের গেটে জটলা পাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা পৌঁছামাত্রই স্কুলের একমাত্র শিক্ষক ফারজানা আমাদেরকে সালাম জানায়। স্কুলের ভেতরে বাচ্চারা গাদাগাদি করে বসে আছে। শিশুরা স্কুলে আসতে চাটাই নিয়ে আসে। কাচা মাটির উপর চাটাই বিছিয়ে শিশুরা পড়তে বসে। বাচ্চারা সবাই একযোগে সালাম দেয়। প্রত্যুত্তরে সালামের জবাব দিয়ে শিশুদেরকে জিজ্ঞেস করি কেমন আছো তোমরা?
আমি জানি ওরা ভালো নেই। মলিন চেহারাগুলো স্কুলে আসার আনন্দে ঝকমক করলেও দারিদ্রক্লিষ্ট মুখ স্পষ্ট বোঝা যায়। গায়ের জামাগুলো মলিন। বই-খাতা গুলো মলিন। স্বপন হাতে ধরা ক্যামেরার সাহায্যে সেই ক্লিষ্ট মুখগুলোর ভিডিও ধারণ করছে। এই বাচ্চারা এই পাঁচ মাসে 'অ-আ, ক-খ, এবিসিডি, ১২৩৪, ওয়ান-টু-থ্রি লিখতে শিখেছে। শিশুরা একটি স্বপ্নের পথে হাঁটা শুরু করেছে।
ওরা আমার কাছে অভিযোগ করে ওদের অনেকে বই পায়নি। কেন পায়নি? কারণ আমি যোগান দিতে পারিনি। স্কুলটি যখন শুরু করেছি তখন তেমন কিছু ভেবে শুরু করিনি। আমি এবং মাহবুব সাহেব নিজেদের বেতন-বোনাস থেকে কাঁট-ছাট করে শুরু করে দিয়েছিলাম। নভেম্বর থেকে স্কুলটি যাত্রা শুরু করেছে। প্রায় ৫ মাস চলছে। স্কুলের শিক্ষকের ৪ মাসের বেতন বকেয়া। নিজের সীমিত আয়ের দ্বারা এই ভার বহন করা যাচ্ছে না।
স্কুলের তালিকাভুক্ত শিক্ষার্থী এখন ৬০ জন। এর বাইরে ২০/৩০ জন মাঝে মাঝে আসে। তাই ওদের তালিকায় তোলা হয়নি। সবাই যখন একযোগে স্কুলে চলে আসে জায়গা হয় না। কিন্তু শিশুদের স্বপ্নটি এখন অনেক বড় হয়ে গেছে। ৬০টি শিশু ৬০টি স্বপ্ন দেখছে। ওদেরকে আমি বড় হয়ে কে কি হবে তা জিজ্ঞেস করিনি। আমি জানি যা উত্তর আসবে এর অধিকাংশই সত্যে পরিণত হবে না। স্কুলটিকে কেন্দ্র করে শতাধিক শিশুর স্বপ্ন ওদের কাছেই থাকুক। আমি ওদেরকে বলেছি বই কিনে দেবো, শ্লেট কেনে দেবো, স্কুল ড্রেস কিনে দেবো। কিন্তু আমি তা কোথা থেকে দেবো?
অনেকেই আশ্বাস দিয়েছিলেন স্কুলটিকে সহায়তা দেবেন। প্রাথমিক অবস্থায় যে সত্যিই দিয়েছেন তা অস্বীকার করার জো নেই। কারণ স্থানীয় সহায়তা না পেলে এপর্যন্ত আসা যেতো না। কালে কালে বাচ্চাদের স্বপ্ন বড় হয়েছে আর সবাই পিঠটান দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু আমি এই স্বপ্নটিকে আঁকড়ে ধরে আছি। মজু চৌধুরীহাট জেলেপাড়ার জন্য স্থাপিত মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের শিশুদের স্বপ্নকে আরও অনেক দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাবো।
আসুন না, সবাই মিলে লক্ষ্মীপুর জেলার মেঘনাপাড়ের অবহেলিত জনগোষ্ঠী জেলে শিশুদের স্বপ্নের স্কুল মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের উদ্দেশে হাত বাড়াই।
আপডেট সংবাদ : আজ ১৪ মার্চ ২০০৯, শনিবার লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের নবম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রফিকুল আহসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), লক্ষ্মীপুর শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ ইকবাল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-
জনাব ফারুক আহাম্মদ, প্রভাষক, বাংলা
জনাব সাইফুল ইসলাম স্বপন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
জনাব মাহমুদ রিয়াজ, পল্লী চিকিৎসক।
জনাব জহিরুল আলম পাটওয়ারী কিশোর, বি.এস.এস ১ম বর্ষ শিক্ষার্থী।
সভায় আলোচনায় স্কুলের এই মুহূর্তে প্রয়োজনীয় ৫ হাজার টাকা সংস্থানের প্রয়োজনীয়তার কথা আলোচিত হয়। ভবিষ্যতে স্কুলটিকে স্থায়ীভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থায়ী কোন স্থানে স্থানান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী স্কুলের জমির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবেন বলে আশ্বাস দেন। (কিন্তু ৫ হাজার টাকা সংস্থানের ব্যাপারে তেমন আশ্বাস পেলাম না।)
প্রাথমিক একটি গঠনতন্ত্র সবাইকে সরবরাহ করা হয়। পরবর্তী মিটিংয়ে গঠনতন্ত্রের চুড়ান্তকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ব্লগার বন্ধুদের মধ্যে যদি কেউ মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের একমাত্র শিক্ষিকার বেতন বাবদ চার হাজার টাকা অনুদান হিসেবে প্রদান করতে ইচ্ছুক থাকেন, তবে স্কুলের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠাতে পারেন-
মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
সঞ্চয়ী হিসাব নং-০০১-৭২৩২
সোনালী ব্যাংক, সদর, লক্ষ্মীপুর।
শিক্ষার্থীদের বই, স্কুল ড্রেস ইত্যাদি বাবদ প্রায় ১০ হাজার টাকা ব্যয় হবে। ব্লগার বন্ধুদের মধ্যে কেউ এই সহায়তাটুকু নিয়েও এগিয়ে আসতে পারে। কিংবা প্রথম শ্রেণীর পাঠ্য বই, শ্লেট, খাতা ইত্যাদি সরবরাহ করার মাধ্যমেও সহায়তা করা যেতে পারে।
আজকে যে ভিডিও করা হয়েছে তা নিয়ে পরে আরেকটি পোস্ট দেবো।
লেখক আজমান আন্দালিব
- আজমান আন্দালিব -এর ব্লগ
- ৫৪ টি মন্তব্য
- ১৪ মার্চ ২০০৯, ১০:৫৫
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৫৪ টি মন্তব্য
-
সজল শর্মা১৪ মার্চ ২০০৯, ১১:৩৩
এসব কাজে এগিয়ে আসব- আমার অনেক দিনের সাধ। কিন্তু কি করব বলুন সাধ্য এখনও হয়নি। তা না হলে আমি একাই আপনাদের প্রয়োজন মেটাতাম। প্রথম আলো ব্লগ আছে যখন আরও দেখা হবে। হয়তো একদিন নিশ্চই সাহায্য করতে পারব- সেই সময়ের প্রতীক্ষায় আমি দিন গুনে যাচ্ছি। -
সজল শর্মা১৪ মার্চ ২০০৯, ১১:৩৭
ব্লগে অনেকেই আছেন যারা উচ্চ পদে কর্মরত। তাদের কাছে অনুরোধ- ৬০ টি সুবিধা বঞ্চিত শিশুর স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করুন।
মডারেটরকে অনুরোধ- অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি স্টিকি করুন অথবা নির্বাচিত পোস্টে রাখুন। -
গোধুলীর সুর্য১৪ মার্চ ২০০৯, ১১:৩৭
ভাষাহীন, কারন আমি নিরুপায়,,,,,,,,,, দোয়া করা ছাড়া আর কিছু করার নাই আমার
-
নীলাকাশ১৫ মার্চ ২০০৯, ০১:০২
খুউব ভাল উদ্যোগ।
কিন্তু এভাবে অনুদান সংগ্রহের মধ্যমে এটি কত দিন সচল রাখা যাবে তা এই মুহুর্তে বলা কঠিন।
তাই দেশি-বিদেশী নানা ধরনের যোনার ওজোন্সি আছে তাদের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে। -
নীলাকাশ১৫ মার্চ ২০০৯, ০১:০৪
খুউব ভাল উদ্যোগ।
কিন্তু কষ্টকর হলেও বাস্তবতা এই যে, এভাবে অনুদান সংগ্রহের মধ্যমে এটি কত দিন সচল রাখা যাবে তা এই মুহুর্তে বলা কঠিন।
তাই দেশি-বিদেশী নানা ধরনের ডোনার এজোন্সি আছে, তাদের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে। -
বিল রাসেল১৫ মার্চ ২০০৯, ০৭:৪০
ভাল কাজে পৃষ্ঠপোষকতা কম। মডারেটর সাহেব এটা ষ্টিকি করলে কি সমস্যা? স্টিকি করার মাধ্যমে আপনি আপনার সাহায্যের হাত প্রসারিত করুন। আমি শুরু থেকেই এর সাথে জড়িত, বাহবা পাবার উদ্দেশ্য নিয়ে নয়, সত্যি কারের আন্দ যে কি তা স্কুলে একবার গেলে সবাই বুঝতে পারবেন। আমার অনুরোধ আপনার সবাই এই মহান প্রচেষ্টার সাথে যুক্ত হবেন। -
আনন্দময়ী১৫ মার্চ ২০০৯, ০৮:০৪
এই পোস্টটা স্টিকি করা উচিত। অন্তত আমরা বলতে পারি আমরা চেষ্টা করেছি। মডারেটরের কাছে অনুরোধ করছি। -
আবু তৈয়ব১৫ মার্চ ২০০৯, ০৮:৩৫
আমারও খুব ইচ্ছা আছে এই ধরনের কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার।
তবে সাধ্য সীমিত।
দেখা যাক কী করতে পারি। -
নাসরীন জুবায়ের১৫ মার্চ ২০০৯, ০৯:০৭
ধন্যবাদ আপনাকে। কেমন আছেন আপনি? আমি আপনার সাথে যোগাযোগ করতে চাই আমার ই-মেইল আইডি দিলাম আপনার ফোন নাম -
দুঃখ১৫ মার্চ ২০০৯, ০৯:৩৫
প্রথম শ্রেণীর পাঠ্য বই, শ্লেট, খাতা ইত্যাদি সরবরাহ করতে কি পরিমান ব্যয় হবে? -
দুঃখ১৫ মার্চ ২০০৯, ১০:১৯
এই মুহূর্তে প্রয়োজনীয় ৫ হাজার টাকা সংস্থানের প্রয়োজনীয়তার কথা আলোচিত হয়। ভবিষ্যতে স্কুলটিকে স্থায়ীভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থায়ী কোন স্থানে স্থানান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী স্কুলের জমির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবেন বলে আশ্বাস দেন। (কিন্তু ৫ হাজার টাকা সংস্থানের ব্যাপারে তেমন আশ্বাস পেলাম না।)
----------------------------------------------------------------------------------------
আমি ইনশাল্লাহ পাঠিয়ে দিব পুরোটাই। আমি অনাথ শিশুদের কে নিয়ে কিছু একটা করব, কিন্তু তা আরো পরে। আমার বাবা-মায়ের আত্মার মাগফিরাতের জন্য টাকাটা উৎস্বর্গ করলাম। -
আনন্দময়ী১৬ মার্চ ২০০৯, ০৯:১৫
দুঃখ আপনাকে অশেষ শ্রদ্ধা আপনার এই চিন্তার জন্য আর সাহায্যের জন্য।আল্লাহ আপনার পিতা-মাতার আত্মাকে মাগফেরাত দান করুন। আমীন। -
সুজন১৫ মার্চ ২০০৯, ০৯:৫২
যারা এরকম স্বপ্নের সাথে যুক্ত হয়ে এরকম কাজে নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছে তাদের প্রতি রইল আমার শ্রদ্ধা ও সালাম। সফল হোক আপনাদের কার্যক্রম। এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেব আমরা। -
আফসানা সজল১৫ মার্চ ২০০৯, ১২:৪৩
হয়তো একদিন নিশ্চই সাহায্য করতে পারব- সেই সময়ের প্রতীক্ষায় আমি ও দিন গুনে যাচ্ছি।
সজল ভাই এর সাথে একমত। -
ই-মন১৬ মার্চ ২০০৯, ০১:০৭
প্রার্থণা করি আপনার এই সুন্দর উদ্যোগটি সফল হোক। চালিয়ে যান। যদি সামর্থে কুলায় অবশ্যই আপনার সাথে যোগাযোগ করব। -
ই-মন১৬ মার্চ ২০০৯, ০১:০৮
প্রার্থণা করি আপনার এই সুন্দর উদ্যোগটি সফল হোক। চালিয়ে যান। যদি সামর্থে কুলায় কিছু দেয়ার তাহলে অবশ্যই আপনার সাথে যোগাযোগ করব। -
সুমন সালেহী১৬ মার্চ ২০০৯, ১২:০২
যাদের দেয়ার ইচ্ছা আছে তাদের সাধ্য নাই আর যাদের সাধ্য আছে তাদের বেশিরভাগের দেয়ার ইচ্ছা নাই। আপনার উদ্যেগ সফল হোক এই কামনাই করি। -
সোহায়লা রিদওয়ান১৭ মার্চ ২০০৯, ০১:৫৮
লক্ষীপুর গেলে স্কুলে কাজ করবো, কোন সন্দেহ নাই। ইনশাল্লাহ। যাওয়ার আগে জানাবো ,আর কি কি স্টাফস লাগবে, না লাগবে জেনে নিতে হবে আমাকে।
যাস্ট পরীক্ষাটা শেষ হোক।
-
সোহায়লা রিদওয়ান১৭ মার্চ ২০০৯, ০২:২১
আমার যাওয়া হয়না অনেকদিন। (যদিও দাদা বাড়ি ...... কেউ থাকেনা যে)। কিন্তু এখন চিন্তা করেছি ব্যক্তিগত ভাবে কিছু কাজ (ভল্যান্টারী ওয়ার্ক) করার। পরীক্ষা শেষ হতে হতে জুন। গ্র্যাড ফাইনালতো ....মেঘনা পারে গিয়েছি আমি , সেটা বার-তের বছর আগে। কিন্তু নদীর ভাঙ্গনে সর্বস্ব হারানো মানুষদের দেখেছি, কিভাবে রাস্তার দুই পাশে ঘর বানিয়ে থাকে তারা। খুব স্পষ্ট সেটা মনে আছে। শিশুদের কথাও মনে আছে, তারা দল বেধে থাকে, নতুন কাউকে দেখলেই তার পেছনে পেছনে ঘুরতে থাকে। আমার সাথেও ছিল। সে সময় আনন্দ পেয়েছিলাম ,কারণ বোধ খুব পরিণত ছিলনা আমার। তাদের নোংরা শরীর যেন আমার পোষাকে না লেগে যায়, সতর্ক দৃষ্টি ছিল। ছোট ছিলাম তো, মানবিক বোধ ছিলনা। এখন সেসব ভাবলে খুব কষ্ট পাই। খু্ব কষ্ট পাই! নিজের উপর রাগ ও হয়। ওই শিশুদের একজন তো আমিও হতে পারতাম। কতইবা পার্থক্য তাদের সাথে আমার ছিল ????
যাইহোক , অরিজিন লক্ষীপুর, সুতোরাং ...... আসছি। ইনশাল্লাহ।
-
বিল রাসেল১৭ মার্চ ২০০৯, ০২:২৫
অ, আ, ক, খ, ১,২,৩, A,B,C, দেখুন জেলে পাড়ার সেই শিশুগুলো কিভাবে শিখছে...
http://prothom-aloblog.com/users/base/mateors/61
সারসরি ভিডিও দেখতে চাইলে-
http://www.youtube.com/watch?v=qOKB72hvVy8 -
নির্বাসিত নিশাচর২৪ মার্চ ২০০৯, ০৭:২০
এই শুভ ও মহ্ৎ উদ্যোগের সাথে যারা জড়িত তাদের সবাইকে প্রাণ ঢালা অভিনন্দন।........
স্বুলে যাওয়ার ঠিকানাটা জানতে চাইছি...... কারন আমি লক্ষীপুরে কখনও যাইনি....... -
বিল রাসেল২৪ মার্চ ২০০৯, ০৮:৪৯
আমরা আগামী মাসের ১৭ তারিখ একটা প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি.আপনি চলুন আমাদের সাথে, আমরা সবাই লক্ষীপুর যাচ্ছি।
http://prothom-aloblog.com/users/base/azman/33
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক