আজ শহীদ প্রেসিডেন্ট ও বীর উত্তম জিয়ার ৭৪ তম জন্মদিন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ডিটেইল বায়োগ্রাফী আলোকচিত্র বিড়িও ও অন্যান্য তথ্য পেতে-
এখানে ক্লিক করুন-- এনসাইক্লোপেড়িয়া
Mansur Rahman, father of Ziaur Rahman, was a chemist working for the government of India stationed in Calcutta. Ziaur Rahman was born there January 19, 1936. When Calcutta became the target of Japanese air strikes in 1940, like many urban Bengali families with rural links Mansur Rahman sent his family to his ancestral home in the small town of Bogra in northern Bengal. After Germany surrendered and the Japanese threat to Calcutta diminished, Mansur Rahman brought his family back and enrolled Zia in one of the leading boys schools of Calcutta--Hare School--where Zia studied until the independence and partition of India in 1947. On August 14, 1947, Mansur Rahman, like many Muslims working for the old British government of India, exercised his option to work for the new state of Pakistan and moved to Karachi, the first capital of Pakistan.( from--encyclopedia)
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জান্ম --১৯৩৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি।
পিতা মুনসুর রহমান ও মাতা জাহানারা খাতুনের দ্বিতীয় সন্তান ছিলেন তনি ৷তার ডাক নাম ছিল কমল।
১৯৫৩ সালে তিনি কেকুলে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে শিক্ষানবিস অফিসার হিসেবে যোগ দেন। ১৯৫৫ সালে তিনি সেকেন্ড লেফটেনেন্ট হিসেবে কমিশন প্রাপ্ত হন। তিনি সেখানে দুই বছর চাকুরি করেন, তারপর ১৯৫৭ সালে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে বদলি হয়ে আসেন। তিনি ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করেন। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে তিনি খেমকারান সেক্টরে একটি কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন এবং তার কোম্পানি যুদ্ধে বীরত্বের জন্য যে সব কোম্পানি সর্বাধিক পুরষ্কার পায়, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। ১৯৬৬ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে একজন প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পান। সে বছরই তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের কোয়েটা স্টাফ কলেজে কমান্ড কোর্সে যোগ দেন। ১৯৬৯ সালে তিনি জয়দেবপুরস্থ সেকেন্ড ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে নিয়োগ পান। উচ্চ প্রশিক্ষণের জন্য তিনি পশ্চিম জার্মানিতে যান। ১৯৭০ সালে একজন মেজর হিসেবে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং চট্টগ্রামে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে নিয়োগ পান।
মেজর জিয়া কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে১৯৭১ সালে ( ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট)স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে।।
মেজর জিয়াউর রহমানের ঘোষনা সবচাইতে বেশী মানুষ শুনেছে এবং বঙ্গবন্ধুর ডাকে পলিটিশিয়ানদের সাথে সেনাবাহিনীও যোগ দিয়েছে যুদ্ধে- এই ঘোষনায় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তুমুল জাগরণ তৈরী হয়।৷ স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে তাঁর নেতৃত্বে জেড ফোর্স গঠিত হয় ৷ যুদ্ধে তাঁর বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে 'বীর উত্তম' খেতাবে ভূষিত করা হয় ৷
১৯৭২ সালে তাঁকে সেনাবাহিনীর উপ প্রধান করা হয় এবং ১৯৭৫ এর ২৫শে আগস্ট তিনি সেনা প্রধান নিযুক্ত হন ৷ ১৯৭৫ এর ৭ই নভেম্বর তিনি রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে আবির্ভূত হন ৷ প্রেসিডেন্ট হবার পূর্ব পর্যন্ত তিনি প্রথমে উপ প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও পরে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন ৷
১৯৭৭ সালের ২১শে এপ্রিল প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি, সম্মান, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন ৷ ১৯ দফা কর্মসূচি দিয়ে তিনি বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধি, স্বনির্ভর এবং আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ার লক্ষ্যে ব্রতী হন ৷ নিরন্তর কর্ম প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি বহু নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন, উদ্ভাবনীমূলক কর্ম পদ্ধতি প্রচলন করেন এবং আন্তর্জাতিক বলয়ে বাংলাদেশকে এক অভূতপূর্ব মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেন । ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় গনতন্ত্রের পুনঃপ্রচলন করেন।
তাঁর উদ্যোগে দক্ষিণ এশীয় দেশ সমূহের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ৷ সার্কের রূপকার হিসেবে দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহে তিনি বিশেষভাবে স্মরণীয় ৷ মুসলিম উম্মাহর সাথে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সৌভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন ৷ ওআইসি'র সিদ্ধান্তে পবিত্র জেরুজালেমের বিষয়ে গঠিত আল-কুদস্ কমিটি এবং ইরান-ইরাক সংঘর্ষের শান্তিপূর্ণ সমাধানে গঠিত শান্তি কমিটির অন্যতম সক্রিয় সদস্য হিসেবে তাঁর অবদান মুসলিম বিশ্বে সশ্রদ্ধচিত্তে স্বীকৃত ৷ তাঁর উদ্যোগেই চীনের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সুদূর প্রসারী সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ৷
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের উপর ভিত্তি করে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করেন ৷
গণশিক্ষা ও বয়স্কশিক্ষা কর্মসূচি এবং সমবায় ভিত্তিক চাষাবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেন ৷ ১৯৭৭ সালের ১লা নভেম্বর তিনি খাল খনন কর্মসূচি ঘোষণা করেন ৷ এ সময় প্রায় আড়াইশ প্রকল্পের মাধ্যমে ৯০০ মাইলেরও অধিক খাল খনন করা হয় ৷ জাতীয় মহিলা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে তিনি এর মাধ্যমে গণশিক্ষা, ট্রেডভিত্তিক শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক শিক্ষার ব্যবস্থা করেন ৷ তিনি সংসদে সংরক্ষিত মহিলাদের আসন সংখ্যা ১৫ থেকে ৩০ এ উন্নীত করেন এবং চাকুরী ক্ষেত্রে মহিলাদের জন্য নন-গেজেটেড পদে ১৫% এবং গেজেটেড পদে ১০% কোটা নির্ধারণ করেন ৷
দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জাতীয় পর্যায়ে সম্মান প্রদর্শনের জন্য তিনি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক প্রবর্তন করেন ৷
১৯৮১ সালের ৩০শে মে এ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে কতিপয় আততায়ীর হাতে নিহত হন ৷
বিভিন্ন কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতা পুরস্কার, ২০০৩ (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়।
শহীদ জিয়ার ৭৪তম জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। আজ সকালে সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০টায় শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে। দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া দলের পক্ষ থেকে শহীদ জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
(তথ্য ও ছবি নেট থেকে)
জন্মদিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট বীর উত্তম জিয়াকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরন করছি--।
.jpg)




লেখক আ,শ,ম,এরশাদ
- আ,শ,ম,এরশাদ -এর ব্লগ
- ৬৪ টি মন্তব্য
- ১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০১:২০
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৬৪ টি মন্তব্য
-
হাজারি১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০১:৪১
বাংলাদেশে বীর সেনানী কে অন্তরের অন্তস্থল থেকে লাল সালাম .....।
আমরা কখনো ভুলবো না তাঁহার সেই আত্মত্যাগ..........
উনাকে আমি খুবই শ্রদ্ধা করি স্মরণ করি স্বাধীনতার অগ্রসৈনিক হিসাবে, মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে,আর সার্কের প্রতিষ্টাতা হিসাবে .......... -
কৃষ্ণ তরুণ১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০১:৫০
যেহেতু আমার জন্ম তাঁর শাসন কাল অতিক্রম করে আর এক স্বৈর শাসকের আমলে। তাই ইতিহাস পড়েই আমি তাঁকে চিনি। ইতিহাস পড়তে পড়তে অনেক প্রশ্নই আমার মনে উঁকি দিয়েছে। নিমোর্হ ভাবে যে কেউ স্বাধীনতাত্তোর বাঙলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস পাঠ করলে এ প্রশ্নগুলো আসবে।
সে যাই হোক: জিয়াউর রহমানকে যারা হত্যা করেছে; তাদের প্রতি ঘৃণা। -
ই-মন১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০১:৫৬
বেচারা বোধহয় পরপারে বসে তার সাগরেদদের কর্মকান্ড দেখে এখন হায় হায় করে কান্নাকাটি করতেছে।
-
জিয়া রায়হান১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০২:২৯
এরশাদ ভাই,
ধন্যবাদ পোষ্টটির জন্য ।
শ্রদ্ধা রইলো নিচের সত্যটি বলবার জন্য
"মেজর জিয়া কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে১৯৭১ সালে ( ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট)স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে।।"
ভালো থাকুন। -
নীলসাধু১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০২:৪৯
সাবেক প্রেসিডেন্টের জন্ম দিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি।
ধন্যবাদ আপনার এই পোস্টটির জন্য।
ভালো থাকুন সবাই। -
বই পাগল১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:১৬
জিয়া আসলেই এক অন্যরকম ব্যক্তিত্ববান নেতা ছিলেন। মেধাবী ছাত্রদের উৎসাহিত করতে মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া ছেলেদের নিয়ে নিজে নৌ বিহারে যেতেন। ভবিষ্যত পানি অভাবের চিন্তা করে খাল কাটা কর্মসূচী গ্রহণ করেন যাতে বর্ষাকালে পানি জমায় রাখা যায়। অসাধারণ নেতা। কিন্তু কিছু মিডিয়া তার কিছু দুর্বল দিককে তীব্র ভাবে দেখানোর চেষ্টা করে তার অবদানকে আড়াল করতে চায়।
ভাবতে খারাপ লাগে, এরকম একজন নেতার ছেলে হয়ে তারেক জিয়া কিছুই শিখলেন না।
এরশাদ ভাই এই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। আপনার উদারতা দেখে মুগ্ধ হলাম।
জিয়ার প্রতি রইল অনেক শ্রদ্ধা। -
সজল শর্মা১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৩০
তিনি আমাদের সম্মানিত সাবেক রাষ্ট্রপতি। তাঁর জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাই তাঁকে।
ধন্যবাদ আপনাকে। -
হাফিজ১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৩৭
স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদান আমার কাছে মুখ্য---
আর উনারা চলে গেছে এবং বাংলাদেশের মানুষের কাছে দুজন মানুষ স্থায়ী আসন গেঁড়ে আছেন সেটাতো অস্বীকার করার কোন অবকাশ নেই-
সহমত
ধন্যবাদ পোস্টের জন্য -
মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ সৌরভ১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৩৯
ফার্স্ট লেডি তো তখন ব্যাপক সুন্দর আছিল
একজন মহান সৈনিকের পরকাল শান্তিময় হোয়ার জন্য দোয়া করছি। -
কবিরনি১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৪১
বিকাল বেলায় এরশাদ ভাই এর ব্লগ দেখে
মনে পড়ল - তোমার জন্মদিন আজ।
তোমাকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি অনেকের
তবু শুধু শুনে শুনেই যে একটা মানুষ কে
ভালবাসা যায় -
প্রমান রয়েছে এই পৃথিবীতে বহু।
কেউ চে কে ভালবাসে, কেউ মাউ সে তুং কে
কেউ বা লেলিন, আবার কেউ বঙ্গবন্ধু কে।
সবার ই যে রবিন্দ্রনাথ হবে তা তো না
কিন্তু অনেকের তো সুকান্তকেও ভালবাসতে ইচ্ছা
করতে পারে।
লোকে বলে পরজিতদের ইতিহাস লেখা হয় না
পিচাশরা বারাবার তোমাদের হত্যা করে
পারে কি ইতিহাস রুখতে।
ইথারে ভেসে আসা সেই ক্ণ্ঠস্বর
- " আমি মেজর জিয়া বলছি - "
বহুদিন ধরে অতৃপ্ত আত্বা
এরকম কণ্ঠ ধ্বনী শোনার প্রতিক্ষায়
দিন যাপন করে।
সেনাপতি থেকে রাষ্ট্র-নায়ক
ভয়ঙ্কর বলে ইতিহাস স্বাক্ষী দেই।
কিন্তু যখন দেখি
স্বপ্ন দ্রষ্টা , গণতন্ত্রের প্রান পুরুষ
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ -
বেচেঁ আছে লক্ষ তরুনের হুদয়ে
ছোট খাট ভুল ক্ষমা করে দিয়ে
ভাবি অবচেতনে ইতিহাস তো ভুল।
অমর অক্ষয় তুমি
৭১ এর " আমি মেজর জিয়া . . . . . " -
ইথার১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৪৮
ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য!!
এই পোষ্টটা দরকার ছিল ব্লগের কিছু ব্লগারের ভুল ভাঙ্গার জন্য ।
( রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা)
-
শেখ আমিনুল ইসলাম১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৫৫
মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়ার জন্ম জয়ন্তীতে তাঁকে স্মরন করি।
মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসাম্য অবদানের জন্য তিনি যতটাই নন্দিতঃ সংবিধান লংঘন করে ক্ষমতা দখল, বিচারের নামে প্রহসন করে মুক্তিযুদ্ধা সৈনিকদের হত্যা ও রাজাকারদের পুনর্বাসনের জন্য ততটাই নিন্দিত।
শহীদ কর্নেল তাহেরের আত্না আজও ডুকরে কাঁদে ভাই।
আশা করেছিলাম এই ব্যাপারগুলোও আপনি তুলে ধরবেন।
ধন্যবাদ এরশাদ ভাই।
ভাল থাকুন। -
মোজাম্মেল কবির১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:২৮
৭৪ তম জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাই একজন বীর যোদ্ধাকে।
কষ্টে নীল হয়ে যাই এমন মানুষের স্ত্রী আর সন্তানদের কুকর্মের কথা মনে হলে।
ভালো থাকুন এরশাদ ভাই -
জাইদিস১৯ জানুয়ারি ২০১০, ০৬:১৯
আমি ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়া বীর উত্তম কে লাল সালাম জানাই।
পরবর্তী কালের। মন্তব্য নি: প্রয়োজন। -
সারওয়ার চৌধুরী২০ জানুয়ারি ২০১০, ০৩:৩২
আপনার কিছু পোস্ট ও মন্তব্য দেখে ইতোমধ্যে বুঝতে পেরেছি, আপনি শাদাকে শাদা কালোকে কালো বলতে কুন্ঠাবোধ করেন না।
এই প্রবণতা আমার খুব পছন্দ! আমি নিজেও ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থের বিদঘুটে রাজনীতির কাছে মাথা বিক্রি না-করার জন্যই সংবাদবাদপত্র ছেড়ে এক যুগ আগে প্রবাসে চলে আসি।
"মেজর জিয়া কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে১৯৭১ সালে ( ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট)স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে।।"
দীর্ঘজীবি হউন, আপনার কল্যাণ কামনা করি।
ভালো থাকুন -
মোসতাকিম রাহী২০ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:৫৪
শহিদ জিয়ার জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি!
নির্মোহ হতে পারাটা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়!
আপনাকে ধন্যবাদ।
এই অংশটুকু না থাকলে আরও সুন্দর হতো!
"শহীদ জিয়ার ৭৪তম জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। আজ সকালে সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০টায় শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে। দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া দলের পক্ষ থেকে শহীদ জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।"
এটা দলীয় কর্মসূচি। আপনি কেন বলবেন!
ভালো থাকুন! শুভেচ্ছা! -
পদ্ম২০ জানুয়ারি ২০১০, ০৭:০৭
অপরিসীম শ্রদ্ধা ও সম্মান একজন বীর উত্তম এর জন্য! তবে জন্মদিন বলে আলাদা করে নয়, শ্রদ্ধা ও সম্মান রইলো চিরদিনের জন্য!
"যারা স্বর্গগত তারা এখনো জানে
স্বর্গের চেয়ে প্রিয় জন্মভুমি
এসো স্বদেশ ব্রতের মহা দীক্ষালভি
সেই মৃত্যুন্জয়ীদের চরণচুমী" -
আরিফা দীপা২২ জানুয়ারি ২০১০, ০৯:৪২
লাই থিওরীর পর এই লেখাটা দেখে পড়ব বলে ঠিক করে রেখেছিলাম।
জিয়ার প্রতিও সুবিচার করেছেন।
নিরপেক্ষ স্বীকৃতি। খুবই কম দেখেছি।
এটাই হওয়া উচিৎ। -
জামান একুশে২৫ জানুয়ারি ২০১০, ১২:০৩
লেখাটি আগেই পড়েছিলাম কিন্তু মন্তব্য করা হয়নি। তাই আবার আসলাম মন্তব্যের তাগিদে। টেকনিক্যালি ভালোই নিউট্র্যাল থাকতে পেরেছেন। তথ্য-উপাত্ত-ছবি সহ দারুন উপাস্থাপনা। ভালো লাগলো প্রতিবারের মতোই। ভালো থাকবেন।
-
মেহেদী২৬ জানুয়ারি ২০১০, ০৭:২০
আপনার বাড়ীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, ভাবলা দেখে যাই প্রিয় মানুষটি কেমন আছেন, কেমন যাচ্ছে বেলা।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
আজ তো তাইলে ছুটির দিন, চলেন বাড়ি যাই.....