রাত্রির নিরজনতম প্রহরে নিজেকে প্রশ্ন করি আমাকে কি লিখতেই হবে ?

মার্চ
০৭

গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর কবিতাখানি

এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম

।কে রোধে তাহার বজ্রকন্ঠ বাণী?

সময় ১৪:১৬:৪২

স্মরণ


তখন পলকে দারুন ঝলকে তরীতে উঠিল জল,
হৃদয়ে লাগিল দোলা, জনসমুদ্রে জাগিল জোয়ার
সকল দুয়ার খোলা। কে রোধে তাহার বজ্রকন্ঠ বাণী?
গণসূ্র্য্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর কবিতাখানি
“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”।
সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের।




এখান থেকে ভিড়িও দেখতে পারেন স্লো কানেকশন হলে অথবা ইউটিউব সমস্যা হলে।

ভাষনের ভিডিও

স্বাধীনতা - এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো
-নির্মলেন্দু গুণ


একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে
লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে
ভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে কখন আসবে কবি?
এই শিশুপার্ক সেদিন ছিল না,
এই বৃক্ষে ফুলে শোভিত উদ্যান সেদিন ছিল না,
এই তন্দ্রাচ্ছন্ন বিবর্ণ বিকেল সেদিন ছিল না
তাহলে কেমন ছিল সেদিনের সেই বিকেল বেলাটি?
তাহলে কেমন ছিল শিশু পার্কে বেঞ্চে বৃক্ষে ফুলের বাগানে
ঢেকে দেয়া এই ...

মার্চ
০৬

কানাডায় উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক info। ব্লগার "কৈ" এর পোস্টের উত্তরে।

সময় ০৯:৫৮:২১

দেশ পরিচিতি

উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা। উন্নত বিশ্বের অন্যতম একটি দেশ। উচ্চ শিক্ষার এক চমৎকার স্থান। গোটা দেশজুড়ে এখানকার বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলো ছড়িয়ে আছে। Association of Universities and College of Canada (AUCC)-ই কানাডার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করে। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৯টি। এখানকার পড়াশোনা, ডিগ্রি বিশ্বমানের। কর্মসংস্থান ও জীবন সবদিক থেকেই কানাডার স্থান প্রথম দিকে। পড়াশোনা শেষে এখানে কর্মসংস্থানসহ এমনকি পড়াশোনা অবস্থায়ই নাগরিকত্ব লাভের সুযোগও রয়েছে। বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের কাছে বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় কানাডা অন্যতম পছন্দ। এ নিয়েই এবারের আয়োজন কানাডায় উচ্চ শিক্ষা।

শিক্ষার ধরন :
কানাডায় উচ্চ শিক্ষা লাভে আন্ডার গ্রাজুয়েট, পোস্ট গ্রাজুয়েট এবং ডক্টরেট রয়েছে। এখানে একজন শিক্ষার্থী ফুলটাইম অথবা পার্টটাইম পড়াশোনা করতে পারে। এ শিক্ষার পাশাপাশি এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কো-অপারেটিভ এডুকেশন, ডিস্ট্যান্ট লার্নিং, কন্টিনিউয়িং এডুকেশন ইত্যাদি কোর্স রয়েছে। রুম, ল্যাবের বাইরেও এখানে শিক্ষার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য রয়েছে ওয়ার্কশপ ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থা, পড়াশোনার সহযোগিতার জন্য রয়েছে ...

  • ৩৪টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২৪

লজ্জিত, বিমর্ষ, অপমানের ক্ষোভে রাঙানো পঁচিশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি? আজি রক্ত কমলে গাঁথা মাল্যখানি দেব তাঁদেরই গলে। বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।

সময় ০৭:৪৩:৪৩


আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া -করিতে পারিনি চিৎকার-বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার। কতটুকু অশ্রু গড়ালে হৃদয় জলে সিক্ত-কত প্রদীপ শিখা জ্বালালেই জীবন আলোয় উদ্দীপ্ত-কত ব্যথা বুকে চাপালেই তাকে বলি আমি ধৈর্য -নির্মমতা কতদূর হলে জাতি হবে নির্লজ্জ।
ডেট লাইন ২৭ শে ফেব্রুয়ারী ২০০৯। একটি ব্লগের একটা পোস্ট।
শিরোণাম- পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ ও নিখোঁজদের তালিকা (আপডেট)। কিছুক্ষণ পরপর নিখোঁজ শব্দ কমে যাচ্ছে। বেড়ে যাচ্ছে নিহত বা শহীদ শব্দটি। ব্লগার চোখ মুছেন আর এডিট করেন। স্বদেশের বুক থেকে এক একটা স্বপ্ন এক একটা তাজা প্রাণ ঝরে যাচ্ছে। এক একটা মেহেদী রাঙা হাত বিবর্ণ হচ্ছে। এক একটা নাম তৈরী হচ্ছে শেষ গোসলের। এক এক জন মেজর এক একজন অ্যাডজুট্যান্ট, এক একজন ক্যাপটেন, কর্নেল ,একজন জলপাই রঙের পিতা,স্বামী এক একজন চৌকশ অফিসার, এক একজন সুহৃদ। এরা প্রশিক্ষিত, এরা তরতাজা, এরা শপথ করে নিয়েছে দেশ সেবার, শপথ করে নিয়েছে দেশ যাবার আগে তাদের দেহ যাবে। এরা চুক্তিবদ্ধ। এরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। না এরা এখন ভেসে আছে ...

  • ৭১টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৬

ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু গড়া এ ফেব্রুয়ারী।আমি কি ভুলিতে পারি।। ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬) ও অন্যান্য কিছু লেখা।

সময় ২৩:৩৫:২৪

ভাষা, সাহিত্য


২৮টি দেশের সমর্থনে এবং বাংলাদেশের প্রস্তাব অনুসারে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেসকো। ২০০০ সাল থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে।
শহীদ মিনার ভরে যাবে শত ফুলে ফুলে। আগুনঝরা ফাগুনে রক্তস্মাত বেদনা আর আনন্দের দিন অমর একুশে ফেব্রুয়ারি। ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ কন্ঠে নিয়ে অকাতরে প্রাণপাতের দিন একুশে ফেব্রুয়ারি,। বাঙালি জাতির মননে অনন্য মহিমায় সমুজ্জ্বল মহান শহীদ দিবস, বাঙালির সত্তায় জেগে তুলে প্রাণের চাঞ্চল্য। ধ্বনিত করে ভাষাশহীদদের স্নরণে লেখা গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’-- সালাম সালাম হাজার সালাম, ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায় --সহ নানা গানের সমারোহে।
সংগ্রহ করা কিছু লিখা ও পোস্ট সংকলন।
ভাষাশহীদ বরকতের কথা- বিস্তারিত

ভাষাশহীদ আবুল বরকতের জন্ম ১৯২৭ সালের ১৬ জুন। ...

  • ১৭১টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৬

নির্বর্ষ শ্রাবণ,বৃষ্টি হীনা শ্রাবণ

সময় ০৭:৫১:১৫


প্রিয় শ্রাবণ,
এ কি বার্তা পাঠালে তুমি, মধ্য আষাঢ়ের সকালে? তুমি নাকি এ বছর আসছ না, তোমার বৃষ্টিকে সাথে নিয়ে?
কিন্তু দেখো শ্রাবণ, তোমার জন্য পুকুরের যত গাভিন কৈ, মাগুর, হেলেঞ্চা, কলমিলতা, অনেকদিন চুপ-থাকা কোলাব্যাঙ,কচু্রিপানার সুপ্ত বীজ,শাপলা শালুকের ম্রিয়মাণ পাতা,কদম গাছের আসি-আসি করা কলি,কৃষাণের চৌচির বীজতলা,পানকৌড়ি ডাহুকের যত আয়োজন,প্রকৃতির কোদাল খ্যাত কেঁচোর মাটি চাপা ডিম,পালংকের নীচে সাঁষ গজানো নারিকেল , সদ্য গজানো কলার চারা,বাউকুল, আপেল কুলের কলপ করা যত পুষ্ট ডাল, অংকুরোদগম উন্মুখ যত ছোলা বীজ,নতুন পালক বদলানো গাঙচিল,হাওর বাওর অঞ্চলের যত নকশী কাঁথাবুননি বধূ, চেরাগ-কুপি জ্বালানো গ্রামের জঙ্গনামা, কারবালা পুঁথি পাঠক বৃদ্ধ খালেক মিঞা;বান ডাকা যত থৈ থৈ কিশোর ঘোলা- জল, বনমল্লিকা, চির হরিৎ, আর কৃষ্ণচূড়ার পাতা ছাড়া যত শাখা,আষাঢ়ের যত গুড়ুম গাড়ুম আঁধার কালো মেঘ; প্রবল অপেক্ষায় তোমার। পদ্মা, মেঘনা, গোমতির পাড় ভাঙ্গা কাপালে ভাঁজ ফেলা কিছু মানুষ, ঘর ভাসা শঙ্কার কিছু লাল-কালো পিঁপড়া ছাড়া সবাই প্রতীক্ষায় আছে তোমার।

আমার তিল তিল যত আয়োজন।
আমার এপাশ ...

  • ৮৭টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৩

বই কিনে কেউ কখনো দেউলে হয়নি--এবারের একুশে মেলায় প্রকাশিত ব্লগারদের বইয়ের সব প্রচ্ছদ। বই কিনুন। বই গিফট করুন।

সময় ১৪:৩৪:১৩

ঘরের বুকশেলফ, ড্রয়িং রুম নতুন বইয়ের মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠুক। প্রথম বারের মত প্রকাশিত হচ্ছে অনেকের বই। উৎসাহ এবং অভিনন্দন তাদের।

১। নির্বর্ষ শ্রাবণ
যৌথ প্রয়াস-- (উপন্যাস)-- ফাতেমা আবেদীন নাজলা/সারোয়ার হোসেন/ সাঈদ সৌম্য/ পথে-প্রান্তরে/ নিমফুল/আশরাফুল কবির রনি/ উজ্জ্বল ধর/মোঃ খায়রুল হাসান রিমন/মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ সৌরভ/সুজন/মোঃ খায়রুল হাসান রিমন/নীলাম্বরের নীল/শেরিফ আল সায়ার/ শামিম রহমান/ আফরোজ/ নাসরীন জুবায়ের/ তটিনী/রেজাউল করিম নোমান/ নীল সাধু/একরামুল হক শামিম/শেখ নজরুল/
প্রকাশক-- পাঠ সুত্র।
প্রচ্ছদ--জিয়াউল সাকিব---(ব্লগার ট্যাশ গরু)
দাম--- পরে আপডেট হবে।


২।ঘুঙুরে পরাভূত নর্তকী রাত--সুমিন শাওনের কাব্যগ্রন্থ
প্রকাশক : বিশ্বসাহিত্য ভবন
কবিতা বাছাইয়ে পরামর্শ দিয়েছেন-কবি শহীদ কাদরী
ফ্ল্যাপ লিখেছেন- কবি সাযযাদ কাদির
প্রচ্ছদ : শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী
বইমেলায় পাওয়া যাবে : ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০০৯ থেকে
নিউউইয়র্কে বইটির প্রকাশনা উৎসব ...

ফেব্রুয়ারি
০২

১০০ বছরেরও অধিক সময় পার হলেও আমরা এখনো বাংলা ব্যাকরণ রচনা করতে পারিনি।

সময় ০৯:৪৮:৩৮

ব্যাকরণবিদ জ্যোতিভূষণ চাকী লিখেছেন, ‘এত দিন গ্রামার বলতে শুধু লেখার ব্যাপারটাই বোঝাত, এখন নব্য-ব্যাকরণ বলতে মুখের ভাষার ব্যাকরণই বোঝায়।’ কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এখনো পর্যন্ত চলিত বাংলায় বা মুখের ভাষার উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যাকরণ রচিত হয়নি। প্রচলিত ব্যাকরণ বাংলা ভাষায় কোন কোন ধ্বনি আছে তা উল্লেখ করলেও ‘এ’ ধ্বনি কখন ‘এ্যা’ উচ্চারিত হবে তা শেখায় না, আমাদের প্রতিদিনের ভাষায় ক্রিয়াপদ বা বাক্যের যে রূপান্তর ঘটছে তার বিশ্লেষণ নেই।
বাংলা ভাষার নিজস্ব ব্যাকরণ তৈরি হয়নি, শিশুপাঠ্য তো নয়ই। আমাদের ধ্বনি, ধ্বনির উচ্চারণ, ধ্বনি ও লিপির সম্পর্ক, প্রমিত ও আঞ্চলিক ভাষার পার্থক্য, উচ্চারণ, বৈশিষ্ট্য প্রভৃতি শেখার উপযোগী ব্যবহারিক ব্যাকরণ রচনা খুবই জরুরি। বাংলা ব্যাকরণ হবে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানসম্মত। ভাষার প্রমিত রূপটি শিক্ষার্থীদের শেখার উপযোগী। অনেক পরে হলেও বাংলা একাডেমী কাজটি শুরু করেছে। আর এ পর্যন্ত রচিত ব্যাকরণের মধ্যে আমি সুনীতি কুমারের ‘ভাষা-প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ’কে সেরা মনে করি।

শহীদ মুনীর চৌধুরী বলেছিলেন, ‘বাংলা ভাষার অস্তিত্ব প্রকৃতিবাদ অভিধানের ভেতর নয়, বাঙালির ...

  • ১৬৭টি মন্তব্য

জানুয়ারি
২৭

পৃথুলা প্রসূনের লিফট হাউস(লো ইনকাম ওয়াটারপ্রুফ টেকনোলজি) --অনেক খারাপ সংবাদের ভীড়ে এক টুকরো আশার আলো ।

সময় ১৮:১১:১৩


কানাডার ওয়াটার লু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্যবিদ্যার স্নাতকোত্তরের ছাত্রী, বাংলাদেশেরই মেয়ে পৃথুলা প্রসূন। স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য তিনি বানিয়েছেন ভাসমান বাড়ি 'লিফট (লো ইনকাম ওয়াটারপ্রুফ টেকনোলজি) হাউস'। লিফট হাউসের গবেষণা ও ডিজাইনের জন্য পৃথুলা কানাডার ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট রিসার্স সেন্টারের (আইডিআরসি) কাছ থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন।

বাড়ির বর্ননা---
লিফট হাউসটি এমন এক ধরনের বাসস্থান যা বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে ভাসমান থাকবে এবং পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে তা আগের অবস্থায় মাটিতে নেমে আসবে। হাউসের ভাসমান ব্যবস্থা দুভাবে করা হয়েছেÑ এক পাশে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল ও অন্য পাশে ফাঁপা ফেরো সিমেন্ট। ঢাকা শহরের পরিবেশ বিবেচনায় রেখে এবং সিটি সার্ভিস প্রাপ্তিকে অগ্রাহ্য করে বিশেষ কৌশলে স্থাপনাটি তৈরি করা হয়েছে। যথারীতি পানি, বিদ্যুৎ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা রয়েছে 'লিফট'-এ। দোতলা এ বাড়ির প্রতি তলায় রয়েছে একটি করে কক্ষ। নিচের তলায় একটি কক্ষ। দোতলায় রয়েছে রান্নাঘর, শৌচাগার ও একচিলতে বারান্দা। প্রতিটি কক্ষে পর্যাপ্ত ...

  • ৫৮টি মন্তব্য

জানুয়ারি
১৯

আজ শহীদ প্রেসিডেন্ট ও বীর উত্তম জিয়ার ৭৪ তম জন্মদিন।

সময় ১৩:২৭:৩০


শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ডিটেইল বায়োগ্রাফী আলোকচিত্র বিড়িও ও অন্যান্য তথ্য পেতে-
এখানে ক্লিক করুন-- এনসাইক্লোপেড়িয়া
Mansur Rahman, father of Ziaur Rahman, was a chemist working for the government of India stationed in Calcutta. Ziaur Rahman was born there January 19, 1936. When Calcutta became the target of Japanese air strikes in 1940, like many urban Bengali families with rural links Mansur Rahman sent his family to his ancestral home in the small town of Bogra in northern Bengal. After Germany surrendered and the Japanese threat to Calcutta diminished, Mansur Rahman brought his family back and enrolled Zia in one of the leading boys schools of Calcutta--Hare School--where Zia studied until the independence and partition of India in 1947. On August 14, 1947, Mansur Rahman, like many Muslims working for the old British government of India, exercised his option to work for the new state of Pakistan and moved to Karachi, the first capital of Pakistan.( from--encyclopedia)

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জান্ম --১৯৩৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি।
পিতা মুনসুর রহমান ও মাতা জাহানারা খাতুনের দ্বিতীয় সন্তান ছিলেন তনি ৷তার ডাক নাম ছিল কমল।

১৯৫৩ সালে তিনি কেকুলে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে শিক্ষানবিস অফিসার হিসেবে যোগ দেন। ১৯৫৫ সালে তিনি সেকেন্ড লেফটেনেন্ট হিসেবে কমিশন প্রাপ্ত হন। তিনি সেখানে দুই বছর চাকুরি করেন, তারপর ১৯৫৭ সালে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে বদলি হয়ে আসেন। তিনি ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ...

জানুয়ারি
১৮

কথিত কপোত কপোতি কথোপকথন।

সময় ০০:৪৩:৪৩


হাতে এটা কি? দেখেই তুমি হেসে কুটি কুটি। আর সেকি আকাশ ফাটানো বিলাসী প্ল্যান আমাদের। ব্রেকফাষ্ট ভেনিস-- লাঞ্চ- কানাডা -- ডিনার--- জ্যাকসন হাইটস।
আবার এক ছুট হাসি। তুমি হেসেই কুটি কুটি। এত দুরে দুরে যাবে!! বিমান কই? প্রাইভেট বিমান লাগবে না?হাসির মাত্রা থামিয়ে কপট গম্ভীর আমি --ভাল কথা মনে করেছ তো !!
হ্যাঁ তাহলে প্রথম কাজ হবে প্লেন কেনা--- এই ধর ছোট খাট একটা বিমান--আবারো তোমার বারাবরের মত বুদ্ধিদীপ্ত হস্তক্ষেপ।তোমার এই এক ইঞ্জিনের বিমান --ঐ সব দেশে নামতে দিবে? তাছাড়া কত ঝামেলা--- দেরী করিনি সিদ্ধান্ত দিতে ---সাথে সাথে বাদ গেল বিমান ক্রয়।

সমুদ্রের তলদেশে বিয়ের অনুষ্টান!!!!--- দুবাই হাইড্রোপলিস!!!বেশ কিছুক্ষন হাসি --বেশী হাসলেও দেখি চোখে পানি আসে!!ভাগ্য ভাল লেক পাড়ের এই কোষ্টা কফি শপে আশে পাশে তেমন ভীড় নেই এখন।আচ্ছা ঘুরলাম ফিরলাম ---কিন্তু স্থায়ী নিবাস কোথায় হবে?মাই কান্ট্রী --জেনেভা---পেরু---বালি দ্বীপ---প্যারিস---নিউজিল্যান্ড---মস্কো--মরক্কো--- ইয়ুর কান্ট্রী?ঠোঁটে অনামিকার দু'টা আলতো বাড়ি-- তারপর বেশ গম্ভীরে বললে বিদেশ তিদেশ হবে না--- "নো আদার কান্ট্রী--- মাই কান্ট্রী ইজ ...

  • ৯৭টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫