ইমরুল কায়েস কি ওয়ানডে/টিটুয়েন্টির জন্য উপযুক্ত?
সময় ২১:২৯:৩২
হ্যাঁ ভাই, একটু কঠোর শোনালেও বাস্তবতা, উপযুক্ত নয়।
সময়ের সাথে ক্রিকেটও গতি পেয়েছে, টিটুয়েন্টি তো বটেই, ওয়েনডেও এখন অনেক ফাস্ট। তাই সেই পুরণো ধাঁচের গ্রাফটিং এখন পাওয়ার ক্রিকেটের যুগে অচল।
ভারতের বিরুদ্ধে যেই ক্লোজ ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছিল ২৯৬করে, গতকালও প্রায় একইরকম ক্লোজ ম্যাচে ২৬০করেও হারল। দুই ম্যাচেই ইমরুল ফিফটি হাঁকিয়েছে। একটাতে ৭০ আরেকটাতে ৬৩রান। কিন্তু সমস্যা অন্যখানে। ব্যাটিং উইকেটে ১০০ বলে ৭০ আর ১১৩ বলে ৬৩; তাও আবার সীমিত ওভারের ম্যাচে কোনও কাজের কথা না। তাছাড়া এইরকম স্বার্থপর ব্যাটিং দর্শকদেরও বিরক্তি ধরায়।
জাভেদ ওমর বেলিম গোল্লার কথা মনে পরে গেল। গোল্লা যেই ম্যাচে ২৫-৩০ ওভারের মধ্যে আউট না হয়ে টিকে যায়, তখনই ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে যায়। গোল্লা-কে ব্যাট হাতে মাঠে দেখলেই প্রমদ গুনতাম! একবার মনে আছে, ১৫০ বলে ৮০ করে দর্শক-বিশ্লেষকদের প্রচুর সমালোচনা কুড়িয়েছিল।
অসঙ্গতি আরও আছে। ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে। মাহমুদুল্লাহ ধারাবাহিক ভাল খেলার পরও কেন এত নীচের অর্ডারে তাকে নামান হচ্ছে?
ওপেনিংএ অভিজ্ঞ শাহরিয়ার নাফিস কিংবা জুনায়েদ ...

Phonetic