বাংলাদেশ ক্রিকেটকে বাঁচাবার প্রশ্নে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন ........

দেখে কে বলবে এরা কোন ম্যাচ না জিতে প্রধান নির্বাচকের গুটি হিসাবে অন্য খেলা খেলছে ।
তরুন ক্রিকেটার রকিবুলের অবসরে যাওয়া
যতো তারাতারি সম্ভব ব্যবস্থা না নিলে বর্তমান ক্রিকেট নিবাচক কমিটি বাংলাদেশের ক্রিকেট কে ছোবরা বানিয়ে ছেড়ে দেবে । দল নির্বাচন কমিটির কারনে বাংলাদেশের দিনকে দিন পিছিয়ে পরছে । আর অভিজ্ঞতা অর্জনের বুলি শুনাচ্ছে । কোন এক অদৃশ্য কারনে সেটাই সবাই হজম করছে ।
গত পরশু অনুশীলন শেষে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় টিম বাসে হঠাৎ সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন রকিবুল। ‘আমার কিছু বলার আছে’ বলে জানিয়ে দেন, এই টেস্ট সিরিজে তো নয়ই, কোনো ধরনের ক্রিকেটই আর খেলবেন না। ঘোষণাটা এমনই অবিশ্বাস্য যে, দলের কেউ কেউ এটিকে এমনকি রসিকতাও মনে করেছিলেন।
রকিবুলের অবসরের ব্যাপারে প্রধান নির্বাচক রফিকুল আলমের প্রতিক্রিয়াটা তাই জরুরি হয়ে যায়। কিন্তু দল নির্বাচনে মূল কর্তৃত্বের মতো কথা বলার অধিকারও যেন হারিয়ে ফেলেছেন তিনি! প্রধান নির্বাচকের উত্তর, ‘নো কমেন্টস। সিরাজ ভাইকে (ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান এনায়েত হোসেন সিরাজ) জিজ্ঞেস করুন।’ দল নির্বাচন-সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে মতামত দেওয়াটা প্রধান নির্বাচকের এখতিয়ার। সেখানে রকিবুলের ব্যাপারটা ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান কেন বলবেন? নাকি প্রচ্ছন্নে রফিকুলও জানিয়ে দিতে চাইলেন নিজের অভিমানটা! ইংল্যান্ড সিরিজের জন্য নির্বাচকদের ওয়ানডে দলে তো রকিবুল ছিলেনই। তাঁকে তো বাদ দিয়েছে বোর্ড!
এই প্রধান নির্বাচক রফিকুল আলম নাকম অখাদ্যটির কারনে দিনকে দিন পিছিয়ে পরছে দল । তাই বাংলাদেশর ক্রিকেটকে বাচাঁবার প্রশ্নে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আপনি একটা ব্যবস্হা নিন । যতো তারাতারি সম্ভর প্রধান নির্বাচক রফিকুল আলম নামক আগাছাটিকে ঝাটিয়ে বিদায় করে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে বাঁচান । কোন ম্যাচ হারলেই এই ব্যাক্তি কোন দায় দায়িত্ব নেয় না । শুধু দিনের পর দিন নিজের প্রভাব খাঁটিয়ে ক্রিকেট কে ধ্বংস করে চলেছে ।তাই মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন এদের হাত থেকে ক্রিকেট কে বাঁচান ।
সূত্র : প্রথম আলো
লেখক আমার কবিতা
- আমার কবিতা -এর ব্লগ
- ২২ টি মন্তব্য
- ১২ মার্চ ২০১০, ১০:২৫
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ২২ টি মন্তব্য
-
শামান সাত্ত্বিক১২ মার্চ ২০১০, ১০:২৭
আমি আপনার সাথে একদমই একমত না। সমস্যা রফিকুল আলমের না। নির্বাচক কমিটির উপর বিসিবি যে খবরদারী করে, সেটাই সম্ভবতঃ রফিকুল আলম ইঙ্গিত করেছেন, "প্রধান নির্বাচকের উত্তর, ‘নো কমেন্টস। সিরাজ ভাইকে (ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান এনায়েত হোসেন সিরাজ) জিজ্ঞেস করুন।’"
নির্বাচক কমিটি তাদের দায়িত্ব ঠিকঠিকভাবেই পালন করেছেন। শুধু সমস্যা বিসিবি-র। তাদেরকে ক্ষমতাসীনদের সন্তুষ্ট করেই চলতে হয় বলে, অন্যায়ভাবে নির্বাচক কমিটির উপর হস্তক্ষেপ করে নিজেদের পছন্দ্-অপছন্দ জানিয়ে দেন। তারা ভাবেন, এতেই দল শক্তিশালী হবে। কেননা, আমাদের প্রধানমন্ত্রী, ক্রীড়ামন্ত্রী জয়ই চান ক্রিকেটে। কিন্তু জয় পাওয়া তো ছেলের হাতের মোয়া নন, যেটা বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের দিক চোখ দিলেই হয়। জয় পেলেই তো আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলতে পারবেন, আমাদের সময়ই ক্রিকেটে জয় এসেছে। সুতরাং এইরকম ইচ্ছা পোষণ করে বাচ্চা ক্রিকেটারদের উপরে অমূলক চাপ সৃষ্টি না করলেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নতিটা অনেক দ্রুত হবে। তাহলে তারা অযথা অযৌক্তিক চাপ মাথায় নিয়ে ক্রিকেট খেলবে না। মন্ত্রী, রাজনীতি থেকে ক্রিকেট দূরে থাকলেই ভাল। ইন্ডিয়া যখন বাংলাদেশ ট্যূর করেছে, তখন এই ব্যাপারটা উঠে এসেছে।
আর রকিবুলের আচরণকে আমি একদম সমর্থণ করি না। কোচ জেমি সিডন্স তার চলে যাওয়া সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছে, আমি তাকেই সমর্থণ দিই। বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড যে, তাদের দায়িত্ব ঠিকমত পালন না করে, বরং সিলেকটরদের কাজে নাক গলায়, সেটা অনেক রিপোর্টে উঠে এসেছে। দলের শৃঙ্খলা অটুট রাখার জন্য তাদের যা করা উচিত তা তারা করেনি, সেটা অধিনায়ক সাকিবের বক্তব্যে উঠে এসেছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাওয়া এই মূহুর্তে, সাকিবের মত একজন ম্যাচিউরড ও শক্তিশালী অধিনায়ক। যে খুব সহজে সত্য উচ্চারণ করে, কোন রকমের প্রভাব অগ্রাহ্য করে জাতীয় দল ও দেশের স্বার্থে। যে মূল সমস্যা বুঝে। এ ব্যাপারে আজকের প্রথম আলোয় তার সাক্ষাৎকারটা পড়তে পারেন।
অনেক ধন্যবাদ, এ ব্যাপারে আলোচনার সুযোগ করে দিয়ে। -
রাজিন১২ মার্চ ২০১০, ১১:০৪
নির্বাচক আর বোর্ড - এদের মধ্যে যার যে সময়ে রাজনৈতিক পাওয়ার বেশি থাকে সে তার দুর্ব্যবহার করে ( ক্ষমতার অপব্যবহার) । আর রকিবুলের সিদ্ধান্তটা আমার কাছে বাড়াবাড়ি মনে হয়েছে। সাকিবের কথার সাথে আমি একমত - এত আবেগ দিয়ে ক্রিকেট খেলা যায় না । -
কবির য়াহমদ১২ মার্চ ২০১০, ১১:১০
রকিবুল হাসান অবসরে গেল তাতে করে আমাদের কৃকেটে কী প্রভাব পড়বে অথবা আদৌ পড়বে কী না সে সম্পর্কে আমি যাচ্ছিনা। এই ক'বছরে এই ক্রিকেটারটি সবার বিরিক্তিই উৎপাদনই করেছে। এ টিমের জন্যে উপযুক্ত এই ক্রিকেটারটি কী করে জাতীয় দলে খেলে সেটাই আশ্চর্যের।
আমাদের নির্বাচক কমিটি একটা ভূয়া কমিটি তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। আর বোর্ড সভাপতির কথা ভাবলে নিজেই লজ্জ্বিত হতে হয়।
তবু ক্রিকেটের উন্নতি চাইছি -
কারিম ভাই১২ মার্চ ২০১০, ১২:১৮
কবির ভাই,
একমত নই । আমি মনে করি রকিবুল আশরাফুল, আফতাবদের চেয়ে অনেক বড় মানের খেলোয়ার । বাংলাদেশ দলকে রকিবুলের অনেক কিছু দেওয়ার আছে । কিন্তু তার এই ধরনের বালক সুলভ আচরন আমার ভালো লাগে নাই -
কবির য়াহমদ১২ মার্চ ২০১০, ১২:৪১
আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি রকিবুল হাসান জাতীয় দলে খেলার মতো তেমন মাপের খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পারেনি। এটা আমার ভুল হতেও পারে। তার বিগত দিনের পারফরম্যান্স সেটাই প্রমাণ করে।
টেস্ট
ম্যাচ ইনিং রান সর্বোচ্চ গড়
৭ ১৪ ২৬৮ ৬৫ ১৯,১৪
ওয়ানডে
৪১ ৪০ ১০২৭ ৮৯ ২৯,৩৪ -
ঢাকাইয়া পোলা১২ মার্চ ২০১০, ১২:১০
অামার মনে হয় অামাদের পাকিস্থানের ক্রিকেটের দিকে তাকিয়ে কিছু শিক্ষা নেয়া উচিৎ।
যদি তা না হয় তাহলে অামাদরে কপালে অনেকে দুঃখ অাছে
-
সাইদুর রহমান চৌধুরী১২ মার্চ ২০১০, ১২:২৬
এ নিয়ে মাথা ঘামাইনি কখনো, বুঝিও আসলে কম
যাহোক পড়লাম, কিছু চিন্তার ব্যাপার পেলাম।
ধন্যবাদ কবি ভাই
-
রানা১৫ মার্চ ২০১০, ০৩:৩৪
নির্বাচক কমিটিকে পুরোপুরি প্রভাব মুক্ত রাখতে হবে। রকিবুলকে তো নির্বাচক কমিটি বাদ দেয়নি, নাম কেটে দিয়েছে মোস্তফা কামাল নামের রাজনৈতিক নেতা। উনার রকিবুলকে পছন্দ না। আমাদের দেশের নিয়মটাই এই রকম। যিনি ভালকরে ব্যাট ধরতে জানেন না, কয় বলে এক ওভার জানেন না, ডট ককে বলে জানেন না, তাকে করেছে বোর্ড সভাপিত। ওর চৌদ্দগুষ্টিতে কেউ ক্রিকেট খেলেনি কখনো। -
মেজবাহ১৬ মার্চ ২০১০, ১২:৪৪
রকিবুল কোনদিনের এক প্লেয়ার হয়েছে সে এমন সিদ্ধান্ত নিল?? শাহরিয়ার নাফিস কী বাদ পড়েনি?? আসলে আমাদের সমস্যা হচ্ছে অল্প বয়সীদের বেশী উপরে তুলে ফেলেছি আমরা।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
আমার প্রিয়
আমার কবিতা।
সুখি হোন।