ঝর্ণার গান

ফেব্রুয়ারি
১৭

বর্ণিল বর্ণমালার ইন্দ্রজালে

সময় ২১:৪৯:০৭

কবিতা


বাংলাভাষার জন্মকথা শোনাই শোন
কত হাজার বছরের পুরোনো আর্যভাষা চর্যাপদ থেকে
রুপান্তরিত হতে হতে স্রোতস্মিনী নদীর মতো
কতো চড়াই-উতরাই ভেঙে পেরিয়ে এল অন্তবিহীন পথ
বাহান্নতে পাকিস্তানী শাসকেরা প্রথম রূদ্ধ করতে চাইল
আমাদেরী মাতৃভাষার রথ।

বর্ণমালা উঠল ফুঁসে রূদ্ররোষে ঝড়লো তাজা প্রাণ
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে উঠেছিল শ্লোগান
সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারের রক্তে রঞ্জিত
হয়েছিল সেদিন রৌদ্রদগ্ধ পিচঢালা রাজপথ
আজো তার নির্বাক সাক্ষী পথের দুধারের কৃষ্ণচূড়া গাছের সারি
আট-ই ফাল্গুনের আগুনে ফুলগুলো যেন তাই জ্বলছে
শিমুল পলাশ রক্তিম ঝান্ডা উড়িয়েই চলছে
বাতাসের হাহাকারে বিক্ষোভ প্রতিশোধের সকরুন আখ্যান।

তারপর সময়ের সিড়ি বেয়ে চলে গেছে কতো প্রভাত ফেরী
সুর্যটা পড়লো বাঁধা শ্রদ্ধার শহীদমিনারে
অবাক পৃথিবী হয়েছিল নতজানু, শত্রুরা পরাভূত
বিশ্ব মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পেল
আট-ই ফাল্গুন তথা অমর একুশে ফেব্রুয়ারী
বর্ণিল বর্ণমালার ইন্দ্রজালে পৃথিবীটা পড়লো বাঁধা
অ আ ক খ আমাদের প্রানের ...

জানুয়ারি
৩১

অগ্নিস্নাতা

সময় ১৮:৫৯:৩৯

কবিতা


বিনিদ্র রাত শেষে জেগে ওঠে আর একটা বিবর্ণ ভোর
রাতের ক্যানভাসে হয়না আঁকা কোন মধুর স্বপন
নিঠুর মরুর বুকে ক্ষতচিহ্ন বয় জীবনের জলছবি
সিডরের প্রমত্ত জলরাশি আছড়ে পড়ে হৃদয়তটে
চূর্ণ বিচূর্ণ আমি আবার গড়তে বসি নিস্তব্ধ আমাকে।

গ্রহনের কাল শেষে পরাভূত রবির মতোন
আছে আমার উদ্যমের বিপুল সম্ভার
শত বাঁধা ভেঙ্গে করি বিস্তার দূর্বার আকাঙ্খায়
অস্তিত্ব প্রকাশিত হোক অগ্নিস্নাত রুদ্র ...

নভেম্বর
২৭

কিমা কাবাব

সময় ২০:২৯:০৯

রান্নাবান্না


উপকরণঃ
১। সেদ্ধ করা গরুর মাংসের কিমা ২ কাপ
২। মিহি কুচি সেদ্ধ করা সবজি (গাজর, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মাশরুম) ১ কাপ
৩। কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ
৪। আদা বাটা ১ চা চামচ
৫। রসুন বাটা ১ চা চামচ
৬। পেঁয়াজ মিহিকুচি ২ টেবিল চামচ
৭। ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ
৮। পুদিনাপাতা কুচি ১ চা চামচ
৯। কাঁচামরিচ মিহি কুচি ২টি
১০। গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ
১১। ফেটানো ডিম ২টি
১২। লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
১৩। টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া ১ কাপ
১৪। লবণ স্বাদমতো
১৫। ভাজার জন্য তেল

প্রণালীঃ বিস্কুটের গুঁড়া ও তেল ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এবার মিশ্রণ থেকে নিয়ে কাবাবের মতো করে ডিমের গোলায় ডুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়া মেখে ডুবো তেলে ভেজে সসের সঙ্গে পরিবেশন ...

নভেম্বর
২৭

শাহী জর্দা

সময় ২০:০২:১৬

রান্নাবান্না


ঈদ এসে গেল। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা ও সাথে একটা রেসিপি দিলাম।

উপকরণঃ
বাসমতী চাল আধা কেজি আধাঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে, চিনি ৩ কাপ, কিশমিশ আধা কাপ, গরম মসলা, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, কমলা বা আনারস ১ কাপ, দারুচিনি মোরব্বা আধা কাপ, পানতোয়া ২৫০ গ্রাম, মাওয়া আধা কাপ, জর্দার রং আধা চা চামচ, ঘি বা বাটার অয়েল ১ কাপ, গুঁড়ো দুধ ২ টেবিল চামচ, পেস্তাবাদাম স্বাদমতো, কাজুবাদাম স্বাদমতো।

প্রণালীঃ
পরিমাণমতো পানি ফুটিয়ে নিতে হবে। পানি ফোটানোর সময় ২ টেবিল চামচ ঘি ও রং দিয়ে ফুটাতে হবে। পানিতে ভিজিয়ে রাখা চাল দিয়ে শক্ত ভাত রান্না করে নিতে হবে। ঝাঁজরিতে ভাত ঢেলে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এখন বড় পাত্রে ভাত, চিনি, গরম মসলা, গুঁড়ো দুধ, আনারস, মোরব্বা, গরম ঘি মিশিয়ে চুলায় অল্প আঁচে বসিয়ে রাখতে হবে ঘন্টাখানেক তাওয়ার ওপর। দু-তিনবার ওপর-নিচ করে দিতে হবে হালকা হাতে। নামানোর আগে বাদাম, কিশমিশ ও মাওয়া দিয়ে নেড়ে নামাতে হবে। পানতোয়া দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

মাওয়াঃ
গুঁড়ো দুধ ২ টেবিল চামচ, ঘি আধা চা চামচ, গুঁড়ো চিনি ১ চা চামচ, গোলাপজল আধা চা চামচ- সব একত্রে মিলিয়ে নিতে ...

নভেম্বর
২৬

অন্বেষণ

সময় ১৪:০০:১৯

কবিতা

অনন্ত নক্ষত্রকুঞ্জের ছায়ায় সপ্ত-আকাশের পরপারে
খুঁজে ফিরি তোমায় হে সৃষ্টিকর্তা
জগৎ সংসারে বারেবারে তোমায় পেয়েও হারাই
সোনালী সুখেরা সবুজের গল্প শোনায়
নিরন্তর অনন্ত বিভ্রম আমায় পথভ্রান্ত করে
গোধূলিরঙের দুঃখেরা অবিরাম ছুটছে দিগ্বিদিক
কাল থেকে কালান্তরে এতটুকু শান্তির আশায়।

আকাশ ছোঁয়া স্বপ্নগুলো বিপন্ন মানবতায় গুমরে মরে
কি নিষ্ঠুর এই পৃথিবীর মানুষেরা
শুধু একরত্তি শান্তির আশায় অহর্নিশ সংগ্রাম
এতটা রহস্যময় হতে নেই হে ...

নভেম্বর
২৪

অণুগল্পঃ একটি মৃত্যু ও কিছু প্রশ্ন

সময় ১৭:৫১:০৫

গল্প


বছর পাঁচেক হল বিন্দুর বিয়ে হয়েছে। বর সুমন প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী। এরই মধ্যে কোল আলো করে এসেছে একমাত্র মেয়ে অর্পা। শ্বশুর শ্বাশুড়ী দেবর ননদ নিয়ে ভরা সংসার ওর। দুপুরের খাবার পর্ব শেষ করে কেবল বাচ্চাকে ঘুম পাড়িয়েছে, এরই মধ্যে অস্থির ডোরবেল বেজে উঠল ডিং ডিং ডিং। কে হতে পারে? সুমন নয়তো? বিয়ের পর পর ও ঠিক সন্ধেয় বাড়ী ফিরত। সারাটা দিনের জমে থাকা কথার পাহাড় ভাঙ্গাভাঙ্গি চলত দুজনের মধ্যে। এখনও মাঝে মাঝেই ওকে সারপ্রাইজ দিতে অসময়ে এসে হাজির হয় মহাব্যাস্ত সুমন। চন্চল পায়ে গিয়ে দরজা খুলল বিন্দু।
-কি আশ্চর্য অনিতা তুই? এতদিন পরে আমার কথা মনে পড়ল বুঝি।
-ভিতরে ঢুকতে দিবি কি দিবি না বল।
-আয় আয় বাব্বা কত্তদিন পরে এলি। চুটিয়ে গল্প করা যাবেখন। আমার রুমে চল।
ওরা দুজনে সেই যে কথা শুরু করল আর শেষ হতেই চায়না। বুয়া এসে নাস্তা দিয়ে গেল। বিন্দুর স্কুলের সময়কার বান্ধবী, ভার্সিটি পর্যন্ত একসাথে পড়েছে দুজনে। সারাটা জীবন হরিহর আত্মা হয়ে ছিল। বিয়ের পর ছাড়াছাড়ি। দুজনেই ঘর সংসার নিয়ে ব্যাস্ত। গল্প করার সময় কোথায়। হঠাৎ কথার সুর পাল্টাল অনিতা। আসলে ও একটা খারাপ খবর শুনে এসেছে। -তন্ময় মারা গেছে জানিস, বলল ...

নভেম্বর
১৫

অদ্রিজ

সময় ১৫:৩৭:৩৭

কবিতা


সেই কবে হাতছানি দিয়েছিলে
মনোহর মরিচিকা তুমি
সুখের বারতা পাঠালে
নিরুদ্দেশ মরশুমি পাখির ডানায়
ভালবেসে নিঃস্ব হলাম আমি
ভরালে জীবন নদী কানায় কানায়।

অসম্ভবের দোলায় অলৌকিক রথে চড়ে
পেরিয়ে যাব জীবন মরুভুমি
কত বিনিদ্র সাজানো স্বপ্নেরা
হল পূর্ণ বিকশিত তোমার স্পর্শে
কত শতকের সেই ভুলে ভরা গল্প
ফেরে নতুনের বেশে পরম হর্ষে।

মনের ভেতর জমে থাকা মেঘ ওড়ে
স্মৃতির ক্যানভাসে তৃষাতুর মায়াবী মুখখানি
সহাস্য সহজ ভঙ্গী, আনন্দিত উচ্ছাসে
নিপুন মুদ্রায় ভাঙ্গো সুর্যাস্ত সকাল
অচেনা আলাপ সুর বুনে ক্রমাগত
নির্বাসিত প্রহরে প্রহরে অবগুণ্ঠিত মহাকাল।

দুরন্ত স্বপ্নের জাল ছিঁড়ে গেছে
এলোচুলে তরল দুঃখ রেশমী লহর তুলে দিয়ে যায়
সম্পর্ক পেয়েছে বহুবিধ রূপ জীবিত ও মৃতের
নিরুত্বাপ বাতাস নির্বাক বয়ে যায়
মৃত্যুর হিমশিতল ছোঁয়ায়
শুয়ে আছ উর্ধমুখ ঘাস ...

নভেম্বর
১৩

ওয়ার্ক আউট প্ল্যান

সময় ১১:০১:২২

আমার আমি

সুস্বাস্থ্য আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ প্রভাব ফেলে। প্রতিদিন মাত্র ১৫ মিনিটের ওয়ার্ক আউট প্ল্যান আপনাকে রাখবে সুস্থ্য ও ঝরঝরে।
ওয়ার্ক আউট ১

পুশ আপঃ উপুর হয়ে শুয়ে দু’হাতে ভর দিয়ে শরীর উপরের দিকে তুলুন। খেয়াল রাখবেন পা, কোমর ও পিঠ যেন সোজা থাকে। ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনুন। আস্তে আস্তে স্বাভাবিকে আসুন। এবার ডান পা মেঝে থেকে ১ ফুট ওপরে ওঠান এবং আগের মতো শরীর তুলুন। একইভাবে বাঁদিকে করুন।

ডাম্বলঃ পা ক্রস করে দাঁড়িয়ে দু’হাতে ডাম্বল নিন। হাত দুটো ঝুলিয়ে রেখেই কাঁধ ও পেটের মাংশপেশী ভেতর দিকে টেনে নিন। এরপর ডাম্বল দুটিকে কনুই ভাজ করে আস্তে আস্তে বুক পর্যন্ত তুলুন। ১ থেকে ১৫ পর্যন্ত গুনে নামিয়ে আনুন।

ফ্রি হ্যান্ডঃ চিত হয়ে শুয়ে হাটু ভাজ করুন। মাথার তলায় হাত দিয়ে আস্তে আস্তে শরীর উপরে তুলুন। তবে চিবুক যেন বুকে না ঠেকে যায়। ১ থেকে ১০ গুনে স্বাভাবিক হোন।

ওয়ার্ক আউট ২

০ কোমরে দু’হাত রেখে পা ফাঁক করে দাঁড়ান। পায়ের আঙুলের উপর ভর দিয়ে ধীরে ধীরে শরীর উপরে তুলুন। আস্তে আস্তে নামিয়ে ফেলুন। ১০ বার করুন।

০ পা ফাঁক করে কোমরে হাত রেখে ...

নভেম্বর
০৫

ভেজাল

সময় ১৬:৪১:২৬

কবিতা

হেথায় ভেজাল হোথায় ভেজাল
ভেজাল সারা দেশটাতে
খাঁটি জিনিস মিলবেনা ভাই
লক্ষ হাজার চেষ্টাতে।

আটায় নাকি চকের গুড়া
মাছের মাঝে ফরমালিন
মানুষ মেরে ফায়দা লোটে
আসল রে ভাই কেমন দিন।

ধুঁয়ার ভেজাল বাতাসেতে
কমছে সেথায় অক্সিজেন
ওজোনস্তরেও মিশেল ভেজাল
কয়জনে তার খবর নেন।

রক্তে ভেজাল ত্বত্তে ভেজাল
ভেজাল ওষুধ সেবনে
অকালে প্রাণ হারায় শিশু
মনরে বোঝাই কেমনে।

নীতিতে ভেজাল প্রীতিতে ভেজাল
ভেজাল মায়া মমতায়
যেনতেন ভাবে সবাই
চায় যে যেতে ...

নভেম্বর
০৫

সব্জি লাবরা

সময় ১৩:০১:১১

রান্নাবান্না

১. লাবরা
উপকরণঃ বেগুন, কুমড়ো, আলু-এই তিন পদের তরকারী সহ আরো দুই পদের তরকারী থাকলে ভালো হয়।
প্রনালীঃ এই তিন পদের তরকারী ভালো করে কেটে, ধুয়ে একটি গামলায় রাখুন। অন্য একটি ঘিরে তেল এবং ঘি নিয়ে কাটা তরকারির সঙ্গে মাখুন। পরিমান মতো লবন, তেলের সঙ্গে একটু কম আদাবাটা আর একটু বেশি জিরাবাটা, গরম মশলাবাটা, কাচামরিচ দিয়ে চুলোয় চড়িয়ে দিন। তরকারীটি সিদ্ধ হয়ে গেলে এক চামচ চিনি এবং পরিমান মতো আন্দাজ করে ঘি মিশিয়ে ঢেকে রাখুন। তারপর কিছুক্ষণ পেরিয়ে গেলেই তৈরি হয়ে যাবে লাবরা। এবার লুচি দিয়ে খাবারটি পরিবেশন করুন।

২. দই বেগুনঃ কালো বেগুন- ২টি (লম্বা আকারের) টকদই-২০০ গ্রাম সরষের তেল বা বাদাম তেল- পরিমাণ মতো পেঁয়াজ বাটা-২টি রসুন বাটা-১টি আদাবাটা-২ চা চামচ মরিচ গুঁড়া-১ চা চামচ চিনি-৩ চা চামচ হলুদ সামাণ্য, লবণ পরিমাণ মতো, কাঁচামরিচ কুচি কয়েকটি, ধনেপাতা কুচি খানিকটা।
প্রনালীঃ প্রথমে বেগুন পরিষ্কার করে ধুয়ে গোল গোল করে কেটে নিতে হবে। মোটা করে কেটে লবণ, হলুদ মাখিয়ে নিতে হবে। এবার ফ্রাই প্যানে তেল গরম করে বেগুন বাদামি করে ভেজে একটি থালাতে তুলে রাখতে হবে। এখন অল্প তেলে পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা ...

  • ২৩টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫