শুক্রবার ২২ আগস্ট ২০১৪, ৭ ভাদ্র, ১৪২১ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem

নৈশতরী

দৈন্যতার পায়ের কাছে শুয়ে থাকা অতি সাধারণ একজন মানুষ আমি...! বর্তমান ঠিকানা রাজশাহী জেলার মুল শহর থেকে উত্তরের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে। এখানে আমার একটা কুড়ানো ইটের ঘর আছে। জন্ম ১৯৮৬ সালে রাজশাহীতে। স্থায়ী এবং অস্থায়ী ঠিকানা একটাই। সার্টিফিকেট নেইম মুহাঃ শাহজাহান আলী। পড়ালিখা হাইস্কুলে ৯৯ এর শেষ দিকে সেভেনে কয়েকদিন ক্লাস করেই থেমে যায়। তারপর শুরু হয় বেঁচে থাকার পড়ালেখা! স্কুলের বইখাতা, অল্প দামে কিনে দেয়া স্কুলব্যাগ, পড়ে রইলো ভাঙা-আলমারির অন্ধকার কোণায়। ৮৬ থেকে শুরু করে ৯৯ তারপর ২০০৯ এসে পুনঃরাই বাউবি’তে ভর্তি হোই, এখন ওখানেই আপাতত ঠ্যাকাধরা পড়ালিখাটা চলছে...।

সাহিত্য আমি ঠিক কতটুকু বুঝি আর কবে থেকে শুরু হয়েছে জানি না! তবে আমার মনে হয়- যখন সেই মেয়েটার কাছে একপক্ষ প্রেমের ভাঁজ করা বার্তা লিখতাম, তাকে পাওয়ার জন্যে অনেক পরিশ্রম করে একটার পর একটা প্রণয়-পত্র লিখে লিখে ছিঁড়ে ফেলতাম- একটা অন্তত মনঃপূত মৌলিক প্রেমপত্র না হওয়া পর্যন্ত। যদিও শেষমেশ ওসব প্রেমপত্র কোন কাজেই আসেনি, তারপরেও আমি বলবো- আমার তখন(২০০৩/২০০৪ সাল)থেকেই সাহিত্য চর্চা শুরু হয়েছে।
প্রবল বই পড়ার নেশাটা এখনো তীব্র, হাতের কাছে যা পাই গিলে খাওয়ার মতো করে খেয়ে ফেলি(পড়ে ফেলি) বলা যায় এটা আমার আজন্ম নেশা, যার দোরগোড়ায় আমি প্রতিদিন জল ঢেলে বলি- নেশা তুমি বেঁচে থাকো। ২০০৯ সালে বাউবি’তে ভর্তি হবার কিছুকাল আগে ‘রাজশাহী সাহিত্য পরিষদ’ থেকে আমার আনকোরা হাতের কয়েকটা কবিতা প্রকাশ পায়, পাশাপাশি এখানকার কিছু আঞ্চলিক পত্রিকাতেও মাঝে মাঝে প্রকাশ পেত। তারপর সেই জন্মগত দোলাচল, পড়ালিখার মতো করে সাহিত্যও একই ভাবে থেমে গেল...।
এইত কয়কদিন আগে আবার নতুন করে কাগজের বুকের উপর আঁকিবুঁকি শুরু করেছি,
দেখি অভিমানের দ্বিতীয় সুত্র, মুষ্টিবদ্ধ মৃত যুবকের হাতের বন্ধ মুঠো খুলে কবে নাগাদ অভিমান ভাঙার একটা কবিতা লিখতে পারি...।
আবার ফিরে আসা বা নতুন করে স্বপ্ন দেখাবার জন্য অশেষ ধন্যবাদ “গল্পকবিতা” “কবিতা আশ্রম” “আদরের নৌকা” "প্রথম আলো ব্লগ" সহ এ যাবত পর্যন্ত যারা আমাকে সাহস যুগিয়েছেন সবাইকে।
____নৈশতরী
  • রাজশাহী
  • ১ বছর, ৯ মাস, ২২ দিন, ২৩ ঘন্টা, ২২ মিনিট
  • ১৪ টি
  • ৫৬ টি