-
আমার সাম্প্রতিক মন্তব্য

পরিতোষ পাল
আমার জন্ম ১৯৯৫ সালের ২১ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায়। হুমায়ুন আহমেদের মত আমার দুইটা জন্মসাল নেই। সার্টিফিকেটে যা, প্রকৃত জন্মতারিখও তা। কেন এমনটা হয়েছে সেটা আমি জানিনা। বর্তমানে অবস্থান করছি ঢাকায়। পড়ছি এইচএসসি সেকেন্ড ইয়ারে, ক্যামব্রিয়ান কলেজে। দশম শ্রেণীতে পড়ার সময়ই ব্লগে আসা-যাওয়া শুরু করি, তবে ছাইপাশ লেখা শুরু করি ১ বছর ধরে। পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে সময় বের করে ব্লগিং করাটা খুবই কষ্টকর, যে কারণে খুবই অনিয়মিত ব্লগ জগতে। তাছাড়া কিছুদিন আগে ব্লগের কারিগরি ত্রুটির কারণে ব্যাকআপহীন আমার প্রায় ১৫ টির মত পোষ্ট হারিয়ে যাওয়াতে এখন আর কাউকে বিশ্বাস করতে পারছিনা। যে কারণে ব্লগকে শাপ-শাপান্ত করতেই এখন একটুআধটু ঢুঁ মারি ব্লগে। শাপানো শেষ হলে ক্লান্ত হয়ে নিজেই ফিরে যাই।
আমি সাধারণত সমকালীন অর্থনীতি, সামষ্টিক ও ব্যাষ্টিক অর্থনীতি, ইরাক-মধ্যপ্রাচ্য শান্তিচুক্তি, নারী ও যুব সমাজের অবক্ষয় রোধে আমাদের করণীয়−এসব বিষয় নিয়ে লিখতে ভালবাসি। এগুলো ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে যদিও আমি লিখতে পারি না তবু পাঠকদের কথা মাথায় রেখে(বলতে পারেন পাঠকদের তোপের মুখে পড়ে) আমাকে রম্য ও সায়েন্স ফিকশন নিয়ে লিখতে হয়। লিখতে গেলে কলমে কালি থাকলেও লেখায় রম্যের 'র' কিংবা সায়েন্স ফিকশনের 'স' বা 'ফ' কোনটাই থাকেনা। তাই আমার লেখার ব্যাপারে অনেক পাঠকের একটি অপ্রকাশিত প্রশ্ন- কেন এসব বস্তাপচা সব লেখা ব্লগে প্রকাশ করি? আমি জানি, এ প্রশ্ন তাদের মনে উঁকি দেয়, কিন্তু কী করব বলুন? লিখতে তো মন চায়, আবার আমার প্রিয় বিষয় নিয়ে লিখলে পাঠকগণ তো সেদিকে ফিরেও তাকান না।
ছোটবেলায় কবিতা পড়তে ও লিখতে ভালবাসতাম। কিন্তু বড় হয়ে অন্য সবার মত আমিও বেলাইনে চলে যাওয়ায় কবিতার গুরু-গম্ভীর ভাষা এখন আর আমাকে টানে না। যদিও অনেকে বলাবলি করে, বেলাইনে গেলেই নাকি মাথায় কবিতা লেখার ভূত চাপে, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে কেন ব্যতিক্রম হয়েছে তা আজ পর্যন্ত বুঝে উঠতে পারিনি।
নিজের লেখার সমালোচনা পেতে আমি ভালবাসি, যে কোন ধরণের গঠনমূলক-ভাঙনমূলক সমালোচনা আমি অম্লান বদনে গ্রহণ করি। তাই পাঠকগণকে অনুরোধ করব শুধু উৎসাহ দেওয়ার জন্য লেখার প্রশংসা না করে একটু-আধটু সমালোচনাও কইরেন। সমালোচনা কেন করা উচিত, তা সকলেরই জানা আছে; সমালোচনার উপকারিতা সম্পর্কে লিখে আমি আর এখানে পাতা ভরতে চাইনা।
আমি ভাব নিতে বেশ পছন্দ করি। চাপাবাজিতেও আমার সমান আগ্রহ। তাই আমার ভাব নেওয়া, চাপাবাজি দেখে বা পড়ে বা শোনে কারও গা জ্বললে প্লিজ আমাকে জানাবেন। তাতে আমি আরও উৎসাহ পাব সেই কাজে। আরও নতুন উদ্যমে, আরও সাহসের সহিত সে কাজ চালিয়ে যাব। কারণ অন্যের গা জ্বালানো কিংবা অন্যকে বিরক্ত করা কিংবা অন্যকে অবাক করে দেয়া আমার প্রিয় কাজগুলোর একটি। আর না জ্বললে আমাকে অনুৎসাহিত করার কোন দরকার নেই। আপনি কি জানেন, আপনার একটি অনুৎসাহমূলক কথাই পারে আমাকে থামিয়ে দিতে? আমার সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে নষ্ট করে দিতে? তাই ভুলেও সে কাজ করতে যাবেন না, কারণ কারও ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করার অধিকার আপনার নেই। মাইন্ড ইট-কাঠ-পাথর!
অনেকেই উপদেশ শুনলে খুশি মনে গ্রহণ করেন না, কিন্তু অন্যান্য বিষয়ের মত এদিক থেকেও আমি ব্যতিক্রম। উপদেশ শুনতে আমার খুব ভাল লাগে। কারণ, উপদেশবাণী আমার তেমন একটা জানা নেই। দিন দিন বড় হচ্ছি(যদিও আমার বাবার মতে দিন দিন গাধা হচ্ছি), মাঝেমধ্যেই ছোটদের উপদেশ দেওয়া লাগে। আর তখন ওই উপদেশগুলোই ছোটদের শুনিয়ে দিই। আমি অবশ্য এতে দোষের কিছু দেখিনা, কারণ আমি যেমন উপদেশের মর্ম বুঝিনা, তেমনি আমার উপদেশের শ্রোতাদেরও ওগুলোর গূঢ়ার্থ বুঝে ওঠা সম্ভব হয়না। তাই কেউ আমাকে উপদেশ দিতে চাইলে নিশ্চিন্তে দিয়ে দিবেন, এমন সুযোগ পেয়ে নষ্ট করলে পরে সারাজীবন পস্তাইবেন।
আমি খুব সিরিয়াস মনের একজন মানুষ। হাসি-তামাশা আমি একদম পছন্দ করিনা। জানি অনেকেই অনেক কিছু বলবেন কিন্তু প্রকৃত সত্যটা আমি জানি যে, রম্য-তামাশা নিয়ে পড়ে থাকতে থাকতেই আমাদের দেশের আজ এই অবস্থা। তাই আমি সর্বদা চেষ্টা করি যেন আমার চেহারায়, আমার আচার-আচরণে, আমার কথাবার্তায় সর্বোপরি আমার চিন্তাচেতনায় যেন গম্ভীর ভাবটা ফুটে ওঠে। আপনি ভিতরে ভিতরে সিরিয়াস আছেন কিনা সেটা বড় কথা না, বাইরে আপনার সিরিয়াসনেস ঠিকঠাকমত আছে কিনা সেটাই মুখ্য বিষয়।
আমি বিশ্বাস করি যে আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে সবকিছু থেকেই কিছু না কিছু শেখার আছে। তেমনি আমার মত সরল বিশ্বাসে যারা প্রকৃতই কিছু শেখার আশায় আমার এই তথ্য ও বাণীবহুল ইনফোটা এতক্ষণ ধৈর্য ধরে অতীব গুরুত্ব প্লাস মনোযোগের সহিত পড়লেন তারা যদি এই শিক্ষাটাকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে পারেন তবেই আমি নিজেকে ধন্য ও আমার পরিশ্রম সার্থক হয়েছ বলে মনে করব।
ব্লগটির ভিজিটর সংখ্যা:

আমি সাধারণত সমকালীন অর্থনীতি, সামষ্টিক ও ব্যাষ্টিক অর্থনীতি, ইরাক-মধ্যপ্রাচ্য শান্তিচুক্তি, নারী ও যুব সমাজের অবক্ষয় রোধে আমাদের করণীয়−এসব বিষয় নিয়ে লিখতে ভালবাসি। এগুলো ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে যদিও আমি লিখতে পারি না তবু পাঠকদের কথা মাথায় রেখে(বলতে পারেন পাঠকদের তোপের মুখে পড়ে) আমাকে রম্য ও সায়েন্স ফিকশন নিয়ে লিখতে হয়। লিখতে গেলে কলমে কালি থাকলেও লেখায় রম্যের 'র' কিংবা সায়েন্স ফিকশনের 'স' বা 'ফ' কোনটাই থাকেনা। তাই আমার লেখার ব্যাপারে অনেক পাঠকের একটি অপ্রকাশিত প্রশ্ন- কেন এসব বস্তাপচা সব লেখা ব্লগে প্রকাশ করি? আমি জানি, এ প্রশ্ন তাদের মনে উঁকি দেয়, কিন্তু কী করব বলুন? লিখতে তো মন চায়, আবার আমার প্রিয় বিষয় নিয়ে লিখলে পাঠকগণ তো সেদিকে ফিরেও তাকান না।
ছোটবেলায় কবিতা পড়তে ও লিখতে ভালবাসতাম। কিন্তু বড় হয়ে অন্য সবার মত আমিও বেলাইনে চলে যাওয়ায় কবিতার গুরু-গম্ভীর ভাষা এখন আর আমাকে টানে না। যদিও অনেকে বলাবলি করে, বেলাইনে গেলেই নাকি মাথায় কবিতা লেখার ভূত চাপে, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে কেন ব্যতিক্রম হয়েছে তা আজ পর্যন্ত বুঝে উঠতে পারিনি।
নিজের লেখার সমালোচনা পেতে আমি ভালবাসি, যে কোন ধরণের গঠনমূলক-ভাঙনমূলক সমালোচনা আমি অম্লান বদনে গ্রহণ করি। তাই পাঠকগণকে অনুরোধ করব শুধু উৎসাহ দেওয়ার জন্য লেখার প্রশংসা না করে একটু-আধটু সমালোচনাও কইরেন। সমালোচনা কেন করা উচিত, তা সকলেরই জানা আছে; সমালোচনার উপকারিতা সম্পর্কে লিখে আমি আর এখানে পাতা ভরতে চাইনা।
আমি ভাব নিতে বেশ পছন্দ করি। চাপাবাজিতেও আমার সমান আগ্রহ। তাই আমার ভাব নেওয়া, চাপাবাজি দেখে বা পড়ে বা শোনে কারও গা জ্বললে প্লিজ আমাকে জানাবেন। তাতে আমি আরও উৎসাহ পাব সেই কাজে। আরও নতুন উদ্যমে, আরও সাহসের সহিত সে কাজ চালিয়ে যাব। কারণ অন্যের গা জ্বালানো কিংবা অন্যকে বিরক্ত করা কিংবা অন্যকে অবাক করে দেয়া আমার প্রিয় কাজগুলোর একটি। আর না জ্বললে আমাকে অনুৎসাহিত করার কোন দরকার নেই। আপনি কি জানেন, আপনার একটি অনুৎসাহমূলক কথাই পারে আমাকে থামিয়ে দিতে? আমার সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে নষ্ট করে দিতে? তাই ভুলেও সে কাজ করতে যাবেন না, কারণ কারও ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করার অধিকার আপনার নেই। মাইন্ড ইট-কাঠ-পাথর!
অনেকেই উপদেশ শুনলে খুশি মনে গ্রহণ করেন না, কিন্তু অন্যান্য বিষয়ের মত এদিক থেকেও আমি ব্যতিক্রম। উপদেশ শুনতে আমার খুব ভাল লাগে। কারণ, উপদেশবাণী আমার তেমন একটা জানা নেই। দিন দিন বড় হচ্ছি(যদিও আমার বাবার মতে দিন দিন গাধা হচ্ছি), মাঝেমধ্যেই ছোটদের উপদেশ দেওয়া লাগে। আর তখন ওই উপদেশগুলোই ছোটদের শুনিয়ে দিই। আমি অবশ্য এতে দোষের কিছু দেখিনা, কারণ আমি যেমন উপদেশের মর্ম বুঝিনা, তেমনি আমার উপদেশের শ্রোতাদেরও ওগুলোর গূঢ়ার্থ বুঝে ওঠা সম্ভব হয়না। তাই কেউ আমাকে উপদেশ দিতে চাইলে নিশ্চিন্তে দিয়ে দিবেন, এমন সুযোগ পেয়ে নষ্ট করলে পরে সারাজীবন পস্তাইবেন।
আমি খুব সিরিয়াস মনের একজন মানুষ। হাসি-তামাশা আমি একদম পছন্দ করিনা। জানি অনেকেই অনেক কিছু বলবেন কিন্তু প্রকৃত সত্যটা আমি জানি যে, রম্য-তামাশা নিয়ে পড়ে থাকতে থাকতেই আমাদের দেশের আজ এই অবস্থা। তাই আমি সর্বদা চেষ্টা করি যেন আমার চেহারায়, আমার আচার-আচরণে, আমার কথাবার্তায় সর্বোপরি আমার চিন্তাচেতনায় যেন গম্ভীর ভাবটা ফুটে ওঠে। আপনি ভিতরে ভিতরে সিরিয়াস আছেন কিনা সেটা বড় কথা না, বাইরে আপনার সিরিয়াসনেস ঠিকঠাকমত আছে কিনা সেটাই মুখ্য বিষয়।
আমি বিশ্বাস করি যে আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে সবকিছু থেকেই কিছু না কিছু শেখার আছে। তেমনি আমার মত সরল বিশ্বাসে যারা প্রকৃতই কিছু শেখার আশায় আমার এই তথ্য ও বাণীবহুল ইনফোটা এতক্ষণ ধৈর্য ধরে অতীব গুরুত্ব প্লাস মনোযোগের সহিত পড়লেন তারা যদি এই শিক্ষাটাকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে পারেন তবেই আমি নিজেকে ধন্য ও আমার পরিশ্রম সার্থক হয়েছ বলে মনে করব।
ব্লগটির ভিজিটর সংখ্যা:
- Gulshan, Dhaka
- ১ বছর, ৭ মাস, ২ দিন, ১২ ঘন্টা, ২৬ মিনিট
- ১০ টি
- ৬৭ টি
-
আমার যত লিংক
-
আমার যত ফেভারিট
-
পছন্দের যত পোস্ট
-
পূর্বতন পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য







নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক