"প্রথম আলো ব্লগারদের মিলন মেলা,এক অসাধারন অনুভূতি"
দিনটি ছিল শনিবার ০২ জুন ২০১২,কারও সাপ্তাহিক ছুটি আবার কেওবা নানান ব্যস্ততার মাঝে অনেক কষ্ট করে হাজির হলেন ব্লগাদের প্রানের মিলন মেলায়।
যারা কষ্ট করে এসেছিলেন যাওয়ার সময় সকল কষ্ট ভুলেও গিয়েছেন। আসলে একসাথে অনেক ব্লগারদের দেখে সবাই অনেক আনন্দ ও ভালবাসা পেয়েছেন। তাই সকল দুঃখ ভুলে সুখকেই বড় করে দেখলেন সবাই এইটা আমাদের একটা পাওয়া আমার মনে হচ্ছে।
আমি সাভারে থাকি। আমি খুবই অসুস্থ ছিলাম। অনুষ্ঠানে আসার জন্য ব্লগার সাজ্জাদ হোসাইন ধুসর,ইমরান ভাই,শাহিদুল ভাই এবং নীল সাধু আলাদা ভাবে আমাকে বার্তা এবং মুঠোফোনে বলেছিলেন।ভাবলাম এত মানুষের ভালবাসা উপেক্ষা করার কোন সাহসই আমার নাই। বিশ্বাস করুন তারপর আমি মনে মনে চিন্তা করেছি দরকার হলে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে নিয়ে যাব কিন্তু অনুষ্ঠানে যোগ দিবই ইনশাল্লাহ।
যাক শুকরিয়া আল্লাহ্ তা আলার কাছে উনার অশেষ মেহেরবানীতে আমি সেখানে উপস্থিত হতে পেরেছি এবং সফল একটি অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পেরেছি। ঘড়ির কাঁটায় তখন ২টা বাজে। ভার্সিটি থেকে আর বাসায় যাইনি,সোজা বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে প্রথম আলো কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।সাজ্জাদকে ফোন দিলাম ও রওনা দিয়ে দিল। প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে এসে নামতেই দেখি পাঞ্জাবী পরা একজন লোক দাড়িয়ে আছেন,ভাল করে লক্ষ করে দেখলাম এ দেখি সাজ্জাদ হোসাইন ধুসর।যাক দেখা হল কথা হল।পাশেই একটি চায়ের দোকানে বসলাম চা খাচ্ছি আর নানান ব্যাপারে আলাপ করছি।কিছুক্ষণ পর দেখি প্রিয় শাহিদুল ভাই ও এনামুল কবির ভাই এবং সাথে একজন অথিতি নিয়ে হাজির।আমরা স্বাগতম জানালাম। দাদা বললেন চল চা খাই,অথচ কিছুক্ষন আগেই মাত্র চা খেলাম। কি আর করার বড় ভাই বলেছেন না করার উপায় নাই। খেতে খেতে আবার আড্ডা। এনামুল কবির ভাই আমাকে এবং সাজ্জাদকে পাশে ডেকে নিয়ে আবার আরও কিছু খাওয়ালেন। কিছুক্ষন পর দেখি জিনজির ভাই হাজির সাথে স্বপ্নের ফেরিওয়ালা ভাইও। আড্ডা বেশ জমে উঠছে যদিও এখন ও আমরা প্রথম আলো অফিসে যাই নাই এখন ও বাইরে। কিছুক্ষন পর অনিন্দ্য অন্তর অপু সাথে অনেক গুলো গোলাপ নিয়ে হাজির। সবাই মিলে আছরের নামাজ মসজিদে আদায় করে প্রথম আলো অফিসে ডুকে পড়লাম। বাহ !!!! এ এক মজার দৃশ্য যা না দেখলে বুঝা সম্ভব না। যতই ভিতরে যাচ্ছি ততই প্রিয় মুখ গুলো দেখছি কথা বলছি কুলাকুলি দিচ্ছি। ভিতরে গিয়ে দেখি মুটামুটি সকল কাজ সম্পূর্ণ। সবাইকে ফুল দিয়ে বরন করে নিলেন সফেদ কুহেলি ভাই যদিও ফুল গুলো এনেছিলেন রব্বানি ভাই এবং অনিন্দ্য অন্তর অপু । এরই মাঝে সঞ্চালক নুরুন্নবী চৌধুরী ও হাজির। সঞ্চালক বলে দিলেন সবাই সংক্ষেপে যা যার পরিচয় দিয়ে দিতে। আমরা সবাই এক এক করে পরিচিতি পর্ব সেরে নিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের মাঝে অথিতিগন এসে হাজির হয়েছেন। অনুষ্ঠান শুরু হল। অথিতিদের বক্তব্য এবং এক রঙ্গা এক ঘুড়ির পক্ষ থেকে নীল সাধু ভাইয়ের তত্তাবধায়নে চিঠি বিজয়ীদের সন্মাননা প্রদান করা হল। বেশ কিছু ছবিও তোলা হল। এই পর্ব শেষে খাওয়া দাওয়া পর্ব শুরু হল। খাওয়ার আইটেম ছিল গরম গরম পুরি,পেঁয়াজু আর সাথে গরম চা। পুরি যে যার মত করে নিয়েছেন। আর কুহেলি ভাই পেঁয়াজু বিতরন করেছেন। চা পরিবেশনে ছিলেন ইমরান ভাই। ধুম-ধাম একটা খাওয়া দাওয়া হল। যদিও ইমরান ভাইয়ের চক্রান্তের কারনে আমাদের নীল ভাবী মানে নীল সাধু ভাইয়ের ওয়াইফ চা পান নি এই জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করেছি নীল সাধু ভাইয়ের কাছে (লুল) শেষ পর্যন্ত তাই ইমরান ভাইকে সামনে থেকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে না বলে ব্লগার কতৃপক্ষ ভাবছে। আর কুহেলি ভাই তহ পেঁয়াজুর বাটি নিয়ে উদাও।
যাক ভাই আমি এইসব ঝামেলার মাঝে নাই ও ছিলাম না। খেয়েছিলাম কিনা ভুলে গেছি।
অনুষ্ঠান প্রায় শেষের পথে। খাওয়া দাওয়ার পর সবাই একত্রে বসে মুক্ত ভাবে নানান বিষয়ে আলাপ হল। ব্লগের বর্তমান অবস্থা,সামনের পরিকল্পনা এবং ভবিশ্যত নিয়ে। নাসির উদ্দিন কাবুল ভাই কঠিন কন্ঠে বলে গিয়েছেন উনি ব্লগে যত দিন আছেন কেও হুট করে ব্লগ ছেড়ে চলে যাবেন দরকার হলে বাড়ি গিয়ে উনি উনাকে ব্লগে নিয়ে আসবেন তাই সবাই সাবধান। শাহিদুল ভাইয়ের বক্তব্য মন ছুঁয়ে গেছে উনি লালন শাহ কে নানান কথা বলেছিলেন। ইমরান ভাই নিজের লেখা একটি চমৎকার গান গাইলেন এবং ব্লগের বর্তমান পরিস্তিতি নিয়ে বেশ কিছু কথা বললেন। পাশা ভাইয়ের বক্তব্য আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে। উনি উনার মাকে নিয়ে বেশ কিছু কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন। সঞ্চালক মায়ের জন্য সবাই একমিনিট নিরবে দাড়িয়ে সন্মান জানাতে বললেন। সবাই আমরা পৃথিবীর সকল মায়ের জন্য এক মিনিট দাড়িয়ে সন্মান দেখিয়েছি কাল অনুষ্ঠানে।
এরই মাঝে বিদায়ের ঘন্টা প্রায় বেজে গেল। নীল সাধু ভাই এবং নাসির উদ্দিন কাবুল ভাই এর পক্ষ একটি করে বই ছিল উপস্থিত সকল ব্লগারদের জন্য। আমি এবং সাথে সাজ্জাদ হোসাইন ধূসর মিলে বই গুলো বিতরণ সম্পূর্ণ করলাম।
দেখতে দেখতে অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে চলে আসলাম। এখন ঘরে ফেরার পালা। সবাই যে যার মত সবার কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছেন এবং সেই সাথে আগামির পথ চলা সুন্দর হোক এবং প্রথম আলো ব্লগে সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ বজায় থাকুক এই আশা-প্রত্যাশা নিয়ে প্রথম আলো কার্যালয় থেকে বের হচ্ছেন।
যারা কষ্ট করে এসেছিলেন যাওয়ার সময় সকল কষ্ট ভুলেও গিয়েছেন। আসলে একসাথে অনেক ব্লগারদের দেখে সবাই অনেক আনন্দ ও ভালবাসা পেয়েছেন। তাই সকল দুঃখ ভুলে সুখকেই বড় করে দেখলেন সবাই এইটা আমাদের একটা পাওয়া আমার মনে হচ্ছে।
আমি সাভারে থাকি। আমি খুবই অসুস্থ ছিলাম। অনুষ্ঠানে আসার জন্য ব্লগার সাজ্জাদ হোসাইন ধুসর,ইমরান ভাই,শাহিদুল ভাই এবং নীল সাধু আলাদা ভাবে আমাকে বার্তা এবং মুঠোফোনে বলেছিলেন।ভাবলাম এত মানুষের ভালবাসা উপেক্ষা করার কোন সাহসই আমার নাই। বিশ্বাস করুন তারপর আমি মনে মনে চিন্তা করেছি দরকার হলে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে নিয়ে যাব কিন্তু অনুষ্ঠানে যোগ দিবই ইনশাল্লাহ।
যাক শুকরিয়া আল্লাহ্ তা আলার কাছে উনার অশেষ মেহেরবানীতে আমি সেখানে উপস্থিত হতে পেরেছি এবং সফল একটি অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পেরেছি। ঘড়ির কাঁটায় তখন ২টা বাজে। ভার্সিটি থেকে আর বাসায় যাইনি,সোজা বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে প্রথম আলো কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।সাজ্জাদকে ফোন দিলাম ও রওনা দিয়ে দিল। প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে এসে নামতেই দেখি পাঞ্জাবী পরা একজন লোক দাড়িয়ে আছেন,ভাল করে লক্ষ করে দেখলাম এ দেখি সাজ্জাদ হোসাইন ধুসর।যাক দেখা হল কথা হল।পাশেই একটি চায়ের দোকানে বসলাম চা খাচ্ছি আর নানান ব্যাপারে আলাপ করছি।কিছুক্ষণ পর দেখি প্রিয় শাহিদুল ভাই ও এনামুল কবির ভাই এবং সাথে একজন অথিতি নিয়ে হাজির।আমরা স্বাগতম জানালাম। দাদা বললেন চল চা খাই,অথচ কিছুক্ষন আগেই মাত্র চা খেলাম। কি আর করার বড় ভাই বলেছেন না করার উপায় নাই। খেতে খেতে আবার আড্ডা। এনামুল কবির ভাই আমাকে এবং সাজ্জাদকে পাশে ডেকে নিয়ে আবার আরও কিছু খাওয়ালেন। কিছুক্ষন পর দেখি জিনজির ভাই হাজির সাথে স্বপ্নের ফেরিওয়ালা ভাইও। আড্ডা বেশ জমে উঠছে যদিও এখন ও আমরা প্রথম আলো অফিসে যাই নাই এখন ও বাইরে। কিছুক্ষন পর অনিন্দ্য অন্তর অপু সাথে অনেক গুলো গোলাপ নিয়ে হাজির। সবাই মিলে আছরের নামাজ মসজিদে আদায় করে প্রথম আলো অফিসে ডুকে পড়লাম। বাহ !!!! এ এক মজার দৃশ্য যা না দেখলে বুঝা সম্ভব না। যতই ভিতরে যাচ্ছি ততই প্রিয় মুখ গুলো দেখছি কথা বলছি কুলাকুলি দিচ্ছি। ভিতরে গিয়ে দেখি মুটামুটি সকল কাজ সম্পূর্ণ। সবাইকে ফুল দিয়ে বরন করে নিলেন সফেদ কুহেলি ভাই যদিও ফুল গুলো এনেছিলেন রব্বানি ভাই এবং অনিন্দ্য অন্তর অপু । এরই মাঝে সঞ্চালক নুরুন্নবী চৌধুরী ও হাজির। সঞ্চালক বলে দিলেন সবাই সংক্ষেপে যা যার পরিচয় দিয়ে দিতে। আমরা সবাই এক এক করে পরিচিতি পর্ব সেরে নিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের মাঝে অথিতিগন এসে হাজির হয়েছেন। অনুষ্ঠান শুরু হল। অথিতিদের বক্তব্য এবং এক রঙ্গা এক ঘুড়ির পক্ষ থেকে নীল সাধু ভাইয়ের তত্তাবধায়নে চিঠি বিজয়ীদের সন্মাননা প্রদান করা হল। বেশ কিছু ছবিও তোলা হল। এই পর্ব শেষে খাওয়া দাওয়া পর্ব শুরু হল। খাওয়ার আইটেম ছিল গরম গরম পুরি,পেঁয়াজু আর সাথে গরম চা। পুরি যে যার মত করে নিয়েছেন। আর কুহেলি ভাই পেঁয়াজু বিতরন করেছেন। চা পরিবেশনে ছিলেন ইমরান ভাই। ধুম-ধাম একটা খাওয়া দাওয়া হল। যদিও ইমরান ভাইয়ের চক্রান্তের কারনে আমাদের নীল ভাবী মানে নীল সাধু ভাইয়ের ওয়াইফ চা পান নি এই জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করেছি নীল সাধু ভাইয়ের কাছে (লুল) শেষ পর্যন্ত তাই ইমরান ভাইকে সামনে থেকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে না বলে ব্লগার কতৃপক্ষ ভাবছে। আর কুহেলি ভাই তহ পেঁয়াজুর বাটি নিয়ে উদাও।
যাক ভাই আমি এইসব ঝামেলার মাঝে নাই ও ছিলাম না। খেয়েছিলাম কিনা ভুলে গেছি।
অনুষ্ঠান প্রায় শেষের পথে। খাওয়া দাওয়ার পর সবাই একত্রে বসে মুক্ত ভাবে নানান বিষয়ে আলাপ হল। ব্লগের বর্তমান অবস্থা,সামনের পরিকল্পনা এবং ভবিশ্যত নিয়ে। নাসির উদ্দিন কাবুল ভাই কঠিন কন্ঠে বলে গিয়েছেন উনি ব্লগে যত দিন আছেন কেও হুট করে ব্লগ ছেড়ে চলে যাবেন দরকার হলে বাড়ি গিয়ে উনি উনাকে ব্লগে নিয়ে আসবেন তাই সবাই সাবধান। শাহিদুল ভাইয়ের বক্তব্য মন ছুঁয়ে গেছে উনি লালন শাহ কে নানান কথা বলেছিলেন। ইমরান ভাই নিজের লেখা একটি চমৎকার গান গাইলেন এবং ব্লগের বর্তমান পরিস্তিতি নিয়ে বেশ কিছু কথা বললেন। পাশা ভাইয়ের বক্তব্য আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে। উনি উনার মাকে নিয়ে বেশ কিছু কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন। সঞ্চালক মায়ের জন্য সবাই একমিনিট নিরবে দাড়িয়ে সন্মান জানাতে বললেন। সবাই আমরা পৃথিবীর সকল মায়ের জন্য এক মিনিট দাড়িয়ে সন্মান দেখিয়েছি কাল অনুষ্ঠানে।
এরই মাঝে বিদায়ের ঘন্টা প্রায় বেজে গেল। নীল সাধু ভাই এবং নাসির উদ্দিন কাবুল ভাই এর পক্ষ একটি করে বই ছিল উপস্থিত সকল ব্লগারদের জন্য। আমি এবং সাথে সাজ্জাদ হোসাইন ধূসর মিলে বই গুলো বিতরণ সম্পূর্ণ করলাম।
দেখতে দেখতে অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে চলে আসলাম। এখন ঘরে ফেরার পালা। সবাই যে যার মত সবার কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছেন এবং সেই সাথে আগামির পথ চলা সুন্দর হোক এবং প্রথম আলো ব্লগে সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ বজায় থাকুক এই আশা-প্রত্যাশা নিয়ে প্রথম আলো কার্যালয় থেকে বের হচ্ছেন।
লেখক আছিব চৌধুরী
- আছিব চৌধুরী -এর ব্লগ
- ১১৬ টি মন্তব্য
- ০৩ জুন ২০১২, ১৩:৪৯
- জানা-অজানা
প্রিন্ট করুন
- ১১৬ টি মন্তব্য
-
দীঘি ০৩ জুন ২০১২, ১৩:৫৯
ঈর্ষা দিলুম।
হবে না হবে না। অনেক বেশি মজা করেছেন। আবার যখন অনুষ্ঠান হবে তখন আমরা যারা যেতে পারিনি তারাও অনেক মজা করব বলে দিলুম।

শুভেচ্ছা

-
রব্বানী চৌধুরী০৩ জুন ২০১২, ১৪:২৫
এটা আমরা জানতাম যে আপনি " ট্রয় ওফ হেলেন" গল্পের মত একটা ঈর্ষার আপেল ছুড়ে দিয়েছিলেন, কিস্তু ভাগ্য এতই সু প্রশন্ন ছিল যে ঈর্ষার আপেলটা পাশের তিতাস ভবনের ছাদে পড়েছিল। মিলন মেলায় পড়লে মেলা পন্ড হয়ে যেত।
যাই হোক শুভেচ্ছা রইল। ভালো থাকবেন। -
দীঘি ০৩ জুন ২০১২, ১৭:৪৬
রব্বানি ভাইয়া আপনারা কাল একা একা পুড়ি খেয়েছেন,পিয়াজু খেয়েছেন।
আমার জন্য আনেন নি। দেখবেন আপনাদের পেট ব্যথা করবে।

হুমম। -
সুমন দাশ০৩ জুন ২০১২, ১৪:০৪
ভাবলাম এত মানুষের ভালবাসা উপেক্ষা করার কোন সাহসই আমার নাই। বিশ্বাস করুন তারপর আমি মনে মনে চিন্তা করেছি দরকার হলে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে নিয়ে যাব কিন্তু অনুষ্ঠানে যোগ দিবই ইনশাল্লাহ।

ভালবাসা তো এমনই হৃদয়ের গহীনে অকৃত্রমি আকুতি নিয়ে বাস করে ।
বড় বেশি মিস করলাম সব ।
পোষ্টটি পড়ে অনুষ্টানের জাবর কাটলাম তৃপ্তি সহকারে । আছিব ভাইকে অনেক কৃতজ্ঞতা । -
সুমন দাশ০৩ জুন ২০১২, ১৯:১২
খুব ভালোই লিখেছেন আছিব ভাই । আমরা যারা প্রানের মেলা সুহৃদমিলন বঞ্চিত তারা মরু শুস্ক বুকে জল পেলাম । -
রব্বানী চৌধুরী০৩ জুন ২০১২, ১৪:১৪
ছবিতে সবাই দেথেছে আমার পাশে আপনি বসে আছেন, আমার বাম পাশে বসে আছেন পুরো অনুষ্ঠানে কিন্তু আমার কথা লিখলেন না, কষ্ট পেলাম না। যে কিনা তাঁর পাশের মানুষের কথা ভাবে না সে আর কাকে আপন ভাববে। " এ পৃথিবীতে হে কাহার.......................। মন পাথর করলাম।
ভাই দুরেই ছিলেন দুরেই থাকেন। সব মায়া। মধু মাখা ভ্রান্তি। মরিচিকা।
দূরেই ভালো থাকবেন। -
রব্বানী চৌধুরী০৩ জুন ২০১২, ১৪:২৮
আমিও কষ্ট পাইনি আপা।
যে কিনা তাঁর পাশের মানুষের কথা ভাবে না সে আর কাকে আপন ভাববে। " এ পৃথিবীতে কে কাহার.......................। মন পাথর করলাম, ছোট ভাই আসিবের জন্য। -
রব্বানী চৌধুরী০৩ জুন ২০১২, ১৭:৪৬
সমস্যা নাই শাহিদুল ভাই এর কাছ থেকে নানানে পাঠ নিচ্ছি। শেখা হলে শুদ্ধ করে লিখব। -
শাহিদুল হক০৩ জুন ২০১২, ১৪:৫৭
খুব সুন্দরভাবে পুরো চিত্রটা এসেছে।ভালো লাগল। কয়েকটা ছবি যোগ করলে আরো ভালো লাগবে। শুভেচ্ছা। -
নাজিম-উদ-দৌলা০৩ জুন ২০১২, ১৪:৫৮
ফাইনাল পরীক্ষা থাকার কারনে আসতে পারলাম না। তাই খুব আফসোস হচ্ছে! আশা রাখি আগামিতে যেকোনো প্রোগ্রাম হলে অবশ্যই আসব! -
নূর মোহাম্মদ নূরু০৩ জুন ২০১২, ১৫:০৪
কঠিন প্রস্তুতি নিয়েও এক বন্ধুর
অসহযোগীতায় শেষ পর্যন্ত আর
আসা পুরণ হলোনা। তবে নীলদার
সচিত্র প্রতিবেদন আর আপনার
জীবন্ত বর্ণনায় দুধের স্বাদ ঘোলে
মিটালাম। আগামী বছর (!)
যদি এমন কোন প্রস্তুতি নেওয়া হয়
আর বেঁচে বর্তে থাকি তা হলে
আপনাদের সাথে মিলিত হবার
বাসনা রইলো। শুভেচ্ছা রইলো
সবার জন্য -
রব্বানী চৌধুরী০৩ জুন ২০১২, ১৬:১৭
দুপুরের খাওয়া খাইতে আমার খুব ভালো লাগে। চলুন ছোট ভাই আছিবকে ধরি। মনে হয সে এখন ঘুমাচ্ছে। -
জিনজির০৩ জুন ২০১২, ১৫:৩৭
যারা কালকে আসেনি!!! তারা কঠিন ধরা খাইছে!!! আমি কিন্তু ছিলাম!!




ধন্যবাদ আছিব ভাই, এত সুন্দর করে পুরো অনুষ্ঠানটিকে সবার কাছে তুলে ধরার জন্য। আমার ভালবাসা রইল আপনার জন্য।



-
রব্বানী চৌধুরী০৩ জুন ২০১২, ১৫:৪২
ছোট ভাই আছিব, আপনার কথা লিখেছে কিন্তু আমার কথা লিখে নাই। দুঃখও করি নাই। -
জিনজির০৩ জুন ২০১২, ১৬:১৩
হুম....তার পানিশমেন্ট হোয়া উচিৎ!!! চলেন তাকে ধরে একদিন দুপুরের খাবার খাই জোর করে তার বাসায় দাওয়াত নিয়ে!!! কি বলেন? তাতে যদি মন খারাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, তবে খারাপ হয় না। আর আমি তো খাওয়ার ব্যপারে!!............বুঝতেই পারছেন!!!



আছিব ভাই, তারাতারি রাজি হয়ে যান!!! নইলে খবর আছে আপনার!!!




-
রব্বানী চৌধুরী০৩ জুন ২০১২, ১৬:১৮
দুপুরের খাওয়া খাইতে আমার খুব ভালো লাগে। চলুন ছোট ভাই আছিবকে ধরি। মনে হয সে এখন ঘুমাচ্ছে। -
সফেদ কুহেলি০৩ জুন ২০১২, ১৭:৩৫
সবাইকে ফুল দিয়ে বরন করে নিলেন সফেদ কুহেলি ভাই যদিও ফুল গুলো এনেছিলেন রব্বানি ভাই


এবং অনিন্দ্য অন্তর অপু । -
রব্বানী চৌধুরী০৩ জুন ২০১২, ১৮:০৫
প্রয়োজনে ছোট ভাই এর জন্য বস্তা ভরে টাকা নিয়ে আসব। বোকা ছেলে টাকা দিয়ে কি অনুভুতি মাপা যায় !! -
জিনজির০৩ জুন ২০১২, ১৮:০৮
আছিব ভাই, তাহলে সবার সুবিধা যেভাবে হয়, সেভাবে একটা দিন ঠিক করা যায়!!! খুব মজা হবে!! সবাইকে কাছে পাওয়ার আনন্দ তুলনাহীন!!! কালকে বুঝেছি!! আমি এই অনুষ্ঠানটাতে না গেলে, অনেক কিছু মিস করতাম। বিশেষ করে আমাকে যে মানুষ এত ভালবাসে তা বুঝতাম না এবং আমিও যে সবাইকে কত ভালবাসি তাও বুঝতাম না। গত কাল আমার নতুন জন্ম হয়েছে বলা যায়। এ জন্ম জিনজির এর।
আর আপনার প্রানখোলা হাসির কথা আমার হৃদয়ে গেথে আছে। সেই হাসি আমি আবার শুনতে চাই। পকেট ভর্তি করে টাকা নিয়ে আসতে হলেও!!! আপনার আমন্ত্রন আমার কাছে সযত্নে রইল। মোক্ষম সময়টা এলেই তা প্রকাশ করব। আপনার জন্য অনেক ভালবাসা।


-
জিনজির০৩ জুন ২০১২, ১৮:২০
মাগো ভিমান...আমি ডরাইছি!!! আমার এত ট্যাহা নাই!!! তয় বাসা আর যাতায়াত যদি আপনে স্পন্সর করেন.....তাইলে ভাইব্বা দেহুম!!!



-
জহিরুল ইসলাম০৩ জুন ২০১২, ১৬:০৭
আছিব ভাইকে দেখে একবারও মনে হয়নি যে তিনি অসুস্থ। ব্লগের এই অনুষ্ঠানগুলো সত্যিই আমাদের ভেতরের অনেক বেদনা ভুলিয়ে দিতে পারে।
ধন্যবাদ আছিব। আপনাদের মতো উচ্ছ্বসিত একদল তরুণ আছেন বলেই তো সবাই সব ভুলে আনন্দে মেতে উঠতে পারে। -
মোঃ হাসান জাহিদ০৩ জুন ২০১২, ১৬:১৮
মন ভরে গেলো । সত্যি কি অদ্ভূত ! এতো দূরে থেকেও আমরা পরস্পরের কত কাছে ।
-
সাজ্জাদ হোসাইন ০৩ জুন ২০১২, ১৭:২০
কি যে এক ভালোবাসার সময় পার করেছি
এত ভালোবাসা।
ইসস যদি পারতাম তাহলে আবার সেই বিকালটায় ফিরে যেতাম।
আমি আর আছিব ভাই ঈদ এর মত আনন্দ করেছি
শুভেচ্ছা এবং শুভকামনা






-
জিনজির০৩ জুন ২০১২, ১৮:১০
না গো ভাই!! রাগুম ক্যান!!! মানুষের কথা চিন্তা কইরা চুল ছিড়ি!!! ওই মানে যারা মাইন্ড খাইবো আরকি!!!

-
সাজ্জাদ হোসাইন ০৩ জুন ২০১২, ২১:২৪
আহা কে শান্তির আড্ডা দিলাম আমরা
কাউকে বলে বুঝাতে পারবো না।
তয় আমাগো কিন্তু জটিল আড্ডা হইছে



-
অনিন্দ্য অন্তর অপু০৩ জুন ২০১২, ১৭:৩২
বিস্ময় কাটিয়ে না উঠতেই আবার স্মৃতিচারণ করে দিলা। যারা না গেছে তারা পুরোই ধরা।
জীবনে কিছু কিছু সুযোগ একবারই আসে।
কিছু সুযোগ হারাতে নেই, হারাতে নেই।
-
সফেদ কুহেলি০৩ জুন ২০১২, ১৭:৩৮
এই পর্ব শেষে খাওয়া দাওয়া পর্ব শুরু হল। খাওয়ার আইটেম ছিল গরম গরম পুরি,পেঁয়াজু আর সাথে গরম চা। পুরি যে যার মত করে নিয়েছেন। আর কুহেলি ভাই পেঁয়াজু বিতরন করেছেন।

চা পরিবেশনে ছিলেন ইমরান ভাই। ধুম-ধাম একটা খাওয়া দাওয়া হল। যদিও ইমরান ভাইয়ের চক্রান্তের কারনে আমাদের নীল ভাবী মানে নীল সাধু ভাইয়ের ওয়াইফ চা পান নি এই জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করেছি নীল সাধু ভাইয়ের কাছে (লুল) শেষ পর্যন্ত তাই ইমরান ভাইকে সামনে থেকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে না বলে ব্লগার কতৃপক্ষ ভাবছে। আর কুহেলি ভাই তহ পেঁয়াজুর বাটি নিয়ে উদাও।


যাক ভাই আমি এইসব ঝামেলার মাঝে নাই ও ছিলাম না। খেয়েছিলাম কিনা ভুলে গেছি।
আছিব ভাই তো ভুলে যাবেই, চা দিয়ে পুরি ভিজায় ভিজায় খাইছেন
ইমু ভাই চা সবাইরে দিব ক্যামনে
-
জিনজির০৩ জুন ২০১২, ১৮:০০
বার্গারের কথা কইলেন না খাইছেরে বাইচা গেছি!!! কয় নাই!!! ধন্যবাদ প্রিয় আছিব ভাই। না বলার জন্য। সবাই তাহলে আমাকে পেটুক ভাবত!!!





সফেদ ভাই..


-
জিনজির০৩ জুন ২০১২, ১৮:১৫






আমি মাত্র একটা বার্গার খাইছি!!! তয় কুহেলি ভাইয়ের কথা কইতাম ফারি না!!! হ্যার হাতে আমি মেলাডি দেখছি!!!



-
মুক্তমন৭৫০৩ জুন ২০১২, ১৮:২৪
সকলের জন্য শুভকামনা জানাই। আছিব ভাই খুব সুন্দর করে বর্ণনা করেছেন সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটির। খুব ভালো লেগেছে। আশা করছি এর পরের কোন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হব। ভাল থাকুন। -
জিনজির০৩ জুন ২০১২, ১৮:৫২
নাহার আপা, সালাম রইল। আপনার কথা কিন্তু খুব ভেবেছি!! বোনটা এলে খুব ভাল হত!!! নীল দা'র পোস্টে কিছু ছবি আছে। দেখতে পারেন। আরও চাইলে, ম্যায় হু না? ভাইকে শুধু বার্তায় মেইল নাম্বারটা দেন। দেখবেন এত এত ছবি!! দিবেন না জানি, তবু বললাম!!!



-
মোঃউমর আলী খান০৩ জুন ২০১২, ১৮:৫৮
এগুলো ঠিক না
কোনো ব্যাপার না,পরেরবার আর কেউ না এলেও আমি দেশে থাকলে সবাইকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে আসব

মজা হবে না মানে
-
নুসরাত জাহান আজমি০৩ জুন ২০১২, ২০:৩১
খুব ভালো লাগলো পড়ে।এই বন্ধন কখনো যেন ছিড়ে না যায়,এই দোয়া করি।
ভালো যেন থাকা হয় সবার।
-
মোহাম্মদ এনামুল কবির০৩ জুন ২০১২, ২৩:০৫
আছিব ভাই , আপনার মতো একজন মনখোলা মানুষের সাথে পরিচিত হতে পেরে নিজের কাছে খুব ভালো লাগছে। কালকে আপনাকে প্রথম সামনাসামনি দেখা হল । প্রথম দেখায় আপনাকে ভালোবাসে ফেলি । জিন জির ভাইকে এবং ধূসর ভাইকেও কালকে দেখা হল । ধূসর ভাইয়ের সাথে দীর্ঘদিন মুঠোফোনে কথা হয় । কিন্তু কালকে সামনাসামনি দেখলাম । ধূসর ভাই খুবই ভালো মানুষ এবং আন্তরিক । আছিব ভাই আপনাদের কথা আমি ভুলতে পারব না । অনেক দিন মনে থাকবে। ধন্যবাদ ।শুভকামনা রইল ।



-
রাশেদ আবদুল্লাহ অনু০৩ জুন ২০১২, ২৩:৫৬
ছবিগুলো যত দেখছি ততো মিশ্র অনুভুতি হচ্ছে মনে।
ভালো লাগছে খুব আমাদের ব্লগ পরিবারের আন্তরিকতা দেখে, নিজেকে এই পরিবারের সদস্য হিসবে গর্বিত মনে হচ্ছে।
আবার ভীষণ খারাপ লাগছে এতো সুন্দর প্রাণের মিলনমেলাটি মিস করার জন্য।
-
নোমান সারকার০৫ জুন ২০১২, ২২:১৮
ছবি দেখে জানা গেল সেকি আনন্দ নেমেছিল সেখানে । আছিব ভাই ,অনেক ভাল লেগেছে সবাই কে দেখে । আপনার আনন্দ আমাদের ছুয়ে গেছে ,নিজেকে দেখে বুঝলাম ।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক