বুধবার ১৯ জুন ২০১৩, ৫ আষাঢ়, ১৪২০ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


ঈদের ছুটিতে ভারত ভ্রমন - পর্ব -তিন ( মানালিতে )



ভারত ভ্রমনের অংশ হিসাবে ২৮ই আক্টবর বিকেল সোয়া পাঁচটায় দিল্লি থেকে পর্যটক বাসে করে হিমাচল প্রদেশের মানালি শহরে দিকে রওয়ানা হলাম, প্রায় শতাধিক কিলো মিটার সমতল ভূমি পাড়ি দেওয়ার পর শুরু হলো পাহাড়ি পথ আর এই পথ পাড়ি দিতে সময় লেগেছে প্রায় নয় ঘন্টা, পাহাড়ের ধার ঘেষে বাস চলার সময় মনে হয়েছে ছো্ট্ট একটা প্লেনে করে যেন ভেসে চলেছি এক অজানা পথে। পাহাড়ের ধার ঘেষে ঘেষে ক্রমেই উঁচুতে উঠতে শুরু করেছে।


রাতে ও গভীর রাতে সারা পথেই দেখেছি এমন দৃশ্য সারা পাহাড় জুড়ে বৈদ্যুতিক বাতির আলো। আর বাস চলেছিল পাহাড় ঘুরে ঘুরে আর তাপ মাত্রা ছিল প্রায় পাঁচ ডিগ্রী।



ভূ-স্বর্গের শহর মানালিতে প্রথম যখন আমরা পা রাখলাম তখন সকাল সোয়া সাতটা আর তাপ মাত্রা ৫ ডিগ্রী, পরে বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাপ মাত্রা বেড়ে ৮ ডিগ্রী। সমুদ্র পৃষ্ট থেকে ৬,৭২৬ ফিট উচ্চতায়।



মানালিতে ঝকঝকে সকাল আমাদের হোটেল থেকে তোলা ছবি।


মানালিতে পাহাড়ের পাশে, রাস্তার পাশে ঝর্ণা ধারায় নদী। সদীটির নাম বিয়াশ।




মানালিতে থেকে এবার রওয়ানা দিয়ছি রোটাং পাসে যা সমুদ্র পৃষ্ট থেকে ১৩,০৫০ ফিট উচ্চতায়। মাঝ পথে সামান্য একটু সমতল ভূমি - সোলাং ভ্যালি। শিশুদের জন্য খেলার জায়গা, খেলনা, ঘোড়া, ছবি তোলার স্পট।






সোলাং ভ্যালি থেকে রোটাং পাস যাওয়ার পথে পাহাড় থেকে নেমে আসা একাধিক ঝর্ণার মধ্যে এটি একটি বড় ঝর্ণা আর পর্যটকদের ভীড়।


পাহাড়ের পাশে হিমাচল বাসিদের ঘর বাড়ি।


পাহাড়ের পাশ দিয়ে পর্যটকদের গাড়ি বহর।


পাহাড়ের উপর সাদা বরফ, নীল আকাশ আর সাদা মেঘ।


পাহাড়ের ধার ঘেষে ঘেষে ফিতার মত রাস্তা আর এ সব পথ পাড়ি দিতে মনে হয়েছে সত্যই এক দুঃসাহসিক যাত্রা।


জিপ যখন দ্রুত বাঁক নিচ্ছিল বার বার মনে হয়েছে আর হয়তো দেশে ফিরা হবে না, মনে সাহস ছিল প্রিয় সন্তান, সহ-ধর্মনী সাথেই আছে, এক সাথেই নিচিহ্ন হয়ে যাব।




পাহাড় ঘেষে নামছে পিপিলিকার মত গাড়ি বহর আর এ হবে প্রায় সমুদ্র পৃষ্ট থেকে ১৩,০৫০ ফিট উচ্চতায়।

একটি জিপের সাথে সামান্য টোকা লাগলে আর কোন বিকল্প থাকার কথা ছিল না নিশ্চিত মৃত্য। পাহাড়ের ঝর্ণার পানিতে পাথরের চিকন চিকন রাস্তাগুলি বিপদ জনকও ছিল, আর মেরামতের কাজও চলছিল সারা রাস্তা জুড়ে।




রোটাং পাসে যাওয়ার আগে যাত্রা বিরতি প্রায় ১১,০০০ ফিট উচ্চতায়, হালকা খাবার, ফ্রেস হওয়ার স্থান।

( চলবে )
৫৯ টি মন্তব্য
polashmiah পলাশমিঞা০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৪১
নিশ্চয়ই মজা করেছেন।

গাছতলার বন্ধু, বসে চা টা খাই!
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৪৪
বট তলার বন্ধু কষ্টও হয়েছে ভ্রমনে, কম পয়সার ভ্রমনে, চা নিন আর পান করুন।
polashmiah পলাশমিঞা০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৪৭
ধন্যবাদ বন্ধু, চাট খেয়েই মুখে পান দেব!
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৪৯
মুখে পান দিলে মুখ লাল দেখায়। এ সব মেয়ে মানুষের কাজ, পান চিবানো।
meherajsarmin1 পাহাড়ী০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৪৪
কিছু কিছু ছবি দেখে মনে হচ্ছিলো সমরেশের উপন্যাসের প্লট দেখছি । দারুণ !!
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১০ নভেম্বর ২০১২, ০৮:৩৮
ভারতের হিমাচল প্রদেশ আসলেই পাহাড়ে আর ঝর্নায় ঘেরা। ছবিগুলির সাথে দারুন মিল আছে আমাদের পাহাড়ী আপার সাথে । ভালো থাকবেন।
meherajsarmin1 পাহাড়ী০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৪৪
কিছু কিছু ছবি দেখে মনে হচ্ছিলো সমরেশের উপন্যাসের প্লট দেখছি । দারুণ !!
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৪৮
ভারতের হিমাচল প্রদেশ আসলেই পাহাড়ে আর ঝর্নায় ঘেরা। ছবিগুলির সাথে দারুন মিল আছে আমাদের পাহাড়ী আপার সাথে । ভালো থাকবেন।
gorgori এস, এম, সাজেদুল হক০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৪৯
ভালো লাগলো
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৫০
মতামতের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানবেন। ভালো থাকবেন।
Chatokpakhi1to6 চাতক পাখ ।০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৫৫
নাহ!!!! রব্বানী ভাই আপনার এইসব ছবি দেখে এখন আর ভাল লাগতাছে না । মনে হচ্ছে খেতা বালিশ নিয়া রউনা দেই মানালিতে
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৫৭
প্রিয় চাতক পাখ, আসলই অনেক কিছু দেখার আছে মানালিতে যা না গেলে কিছুই দেখা হতো না, তবে আপনি যেখানে আছেন সেখানেও অনেক কিছু দেখার ও জানার আছে। ভালো থাকবেন।
Chatokpakhi1to6 চাতক পাখ ।০৯ নভেম্বর ২০১২, ২০:০৫
রব্বানী ভাই একটা কথা আছে , গ্রামের ফকির গ্রামে ভিক্ষা পায়না হা ভাই এখানে অনেক কিছু দেখার আছে কিন্তু যাওয়া হয় না বিভিন্য কারনে ।আশেপাশে জা আছে তা দেখা শেষ।
Jolrashi নুসরাত জাহান আজমি০৯ নভেম্বর ২০১২, ২০:০৭
ইসস..এত্ত সুন্দর জায়গা?
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২১:৫৪
আসলই অনেক সুন্দর জায়গা, যা ছবিতে বুঝানো যায় না, আর আবহাওয়া ছিল চমৎকার, কড়া রোদের মাঝে তীব্র শীত। ভালো থাকবেন নুসরাত আপা।
sulary আলভী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২০:৩৭
প্রিয় রব্বানী মনে হচ্ছে আমিও আপনার সফর সঙ্গী ছিলাম,,,,,,,অসাধারন, অনিন্দ্য সুন্দরের মূর্ত প্রতিক।
পরবর্তি আকর্ষনের অপেক্ষায় রইলাম.....।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:২৫
" মনে হচ্ছে আমিও আপনার সফর সঙ্গী ছিলাম,,,,,,,অসাধারন, অনিন্দ্য সুন্দরের মূর্ত প্রতিক।"

খুব ভালো লাগলো আপনার কথা মালা। ভালো থাকবেন আলভী ভাই।
sulary আলভী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:৫৫
আপনাকেও আর একবার শুভেচ্ছা.......।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২৩:০৯
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল০৯ নভেম্বর ২০১২, ২০:৪২
হয় আপনার স্মৃতি শক্তি অতিমাত্রায় প্রখর, নতুবা ডায়েরি লেখার সুঅভ্যাস আছে, তা না হলে এত চমৎকার বর্ণতা দূরত্ব, নদীর নাম ইত্যাদি খেয়াল থাকার কথা নয়।

“জিপ যখন দ্রুত বাঁক নিচ্ছিল বার বার মনে হয়েছে আর হয়তো দেশে ফিরা হবে না”
-----------------------------------------


জন্মমৃত্যু সৃষ্টিকর্তা লেখে রেখেছেন, কিন্তু ভ্রমণে অর্জিত জ্ঞানের কোন বিকল্প হয় না। নিশ্চয়ই আমাদের জন্য আরও মজার মজার পোস্ট অপেক্ষা করছে।

প্রিয় রব্বানী ভাইকে অনেক ধন্যবাদ।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:১০
" জন্মমৃত্যু সৃষ্টিকর্তা লেখে রেখেছেন, কিন্তু ভ্রমণে অর্জিত জ্ঞানের কোন বিকল্প হয় না। "

আসলই ভ্রমণে অর্জিত জ্ঞানের কোন বিকল্প হয় না, আপনার মতামতে গর্বিত হলাম, আশা রাখছি আলো ভালো করে বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করব। ভালো থাকবেন প্রিয় মইনুল ভাই।

MainulAmin মাইনুল আমিন০৯ নভেম্বর ২০১২, ২০:৫২
প্রিয় অ আ রব্বানী চৌধুরী ভাই
অনেক ভালো লাগলো আপনাদের ভ্রমণ কথা এবং ছবি ।

“জিপ যখন দ্রুত বাঁক নিচ্ছিল বার বার মনে হয়েছে আর হয়তো দেশে ফিরা হবে না”

--------------এমন আনন্দের মুহুর্তে ভেসে যাবারই কথা সব ভুলে --------------------অথচ তখনো স্বদেশভাবনা কবির মনকে নিজদেশে ফেরার জন্যে ব্যাকুল করে তোলে ।
বেঁচে থাকুন কবি --------------অন্তত শতায়ু হোন শেকড়ের বিন্যাসে ।

মাঝে মাঝে আপনার দরদিয়া কবিতা এবং গানও দিবেন আমাদের জন্যে ।............. কবিকে শুভেচ্ছা ---------------------
ভালো থাকুন সবাইকে নিয়ে -------------------------
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:১৭
প্রিয় মাইনুল ভাই, আপনার মতামতে সত্যই গর্বিত বোধ করছি ভাষাহীন হয়ে।

" এমন আনন্দের মুহুর্তে ভেসে যাবারই কথা সব ভুলে --------------------অথচ তখনো স্বদেশভাবনা কবির মনকে নিজদেশে ফেরার জন্যে ব্যাকুল করে তোলে ।
বেঁচে থাকুন কবি --------------অন্তত শতায়ু হোন শেকড়ের বিন্যাসে । "


অসাধারণ কথা। ভালো থাকবেন মাইনূল ভাই।
BABLA মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা ০৯ নভেম্বর ২০১২, ২০:৫৭
প্রিয় রব্বানী ভাই,
ছবির দারুন পোস্ট। প্লিজ দ্রুত শেষ করবে না । আপনার জন্য অবিরাম শুভকামনা।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩৬
মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ প্রিয় হায়দার ভাই, আশা রাখছি ভ্রমনের সব কিছুই পোষ্ট আকারে দিব। ভালো থাকবেন হায়দার ভাই।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১১ নভেম্বর ২০১২, ১২:৫২
kuhook কুহক০৯ নভেম্বর ২০১২, ২১:০২
হুম..... শুভেচ্ছা।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২২
মতামতের জন্য ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানবেন। ভালো থাকবেন।
chomok001 মোঃ হাসান জাহিদ০৯ নভেম্বর ২০১২, ২১:০৫
দারুণ একটা এডভেঞ্চার হয়েছে । আমার এধরনের ভ্রমনের খুব শখ । বলতে পারেন আমার শখই হচ্ছে ভ্রমন । চমৎকার অভিজ্ঞতা হয়েছে আপনার । এ ধরনের ভ্রমনের খুব বেশি প্রয়োজন । ভ্রমন মানুষের মনকে চাঙ্গা করে । জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে তুলতে সহায়তা করে । পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম । অনেক অনেক শুভকামনা রইলো । ভালো থাকবেন ।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:৪২
"" দারুণ একটা এডভেঞ্চার হয়েছে । আমার এধরনের ভ্রমনের খুব শখ । বলতে পারেন আমার শখই হচ্ছে ভ্রমন । চমৎকার অভিজ্ঞতা হয়েছে আপনার । এ ধরনের ভ্রমনের খুব বেশি প্রয়োজন । ভ্রমন মানুষের মনকে চাঙ্গা করে । জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে তুলতে সহায়তা করে ।"

সত্যই দারুণ একটা এডভেঞ্চার হয়েছে, আপনার সাথে কিছুটা মিল আছে মনে হচ্ছে, ভ্রমনের উপরে পোষ্ট দিবেন। ভালো থাকবেন প্রিয় জাহিদ।

salahuddinsite সালাহ্ আদ-দীন০৯ নভেম্বর ২০১২, ২১:০৯
জায়গাটা অনেক সুন্দর নিশ্চয়ই অনেক মজা করেছেন! ব্লগে নতুন আরেকজন ভ্রমণ বিলাসী পেলাম এর আগে কামাল ভাই আর সাগর ভাই নিয়মিত ছিলেন।
সাগর ভাইকে এখন আর দেখা যায় না। খুব সম্ভব প্রীতম নামেও একজন ছিলেন। আপনাদের লেখা খুব মিস করি। ফিরে আসুন প্লিজ!
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:৪৫
" জায়গাটা অনেক সুন্দর নিশ্চয়ই অনেক মজা করেছেন! ব্লগে নতুন আরেকজন ভ্রমণ বিলাসী পেলাম এর আগে কামাল ভাই আর সাগর ভাই নিয়মিত ছিলেন। "

শুভেচ্ছা জানবেন সালাহ আদ- দীন ভাই, আসলই ভ্রমনের মাধ্যে অজানাকে জানা যায় অনেক গভীর ভাবে। ভালো থাকবেন।
saiful82 নোমান সাইফুল্লাহ০৯ নভেম্বর ২০১২, ২১:৩৬
খুব সুন্দর। আমারও বেড়াতে ইচ্ছে করছে.........
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:৪৮
নোমান ভাই শুভেচ্ছা জানবেন। আগামীতে আপনার ভ্রমন শুভ হোক। ভালো থাকবেন।
meghneel মেঘনীল০৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩৯
রব্বানি ভাই চমৎকার ভ্রমন।শুভেচ্ছা।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১০ নভেম্বর ২০১২, ০০:১০
শুভেচ্ছা রইল প্রিয় মেঘনীল। ভালো থাকবেন।
Rjamil রশীদ জামীল০৯ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৩৬
আবার যাইবার সময় আমারে লগে নিয়েন।
আমি কাপড় ধুইয়া রেডি থাকবোনে।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী০৯ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৪৭
" আবার যাইবার সময় আমারে লগে নিয়েন।"

আবার যাওয়ার সময় জানায়ে যাব, যেমন যাওয়ার আগে জানিয়ে গিয়েছিলাম। ভালো থাকবেন রশীদ ভাই।
Unnan উননুর০৯ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৫৯
মানালির ছবি গুলো কি ঝকঝকে এসেছে। মনোরম।ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১০ নভেম্বর ২০১২, ০০:১৮
মতামতের জন্য ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানবেন। ভালো থাকবেন।
fardousha ফেরদৌসা১০ নভেম্বর ২০১২, ০০:৩৯
অনেক ভাল লাগলো ছবি গুলো। আরও কিছুদিন পরে গেলে মনে হয় বরফ দেখতে পারতেন।

৩ টা পোস্টের মধ্যে এই ছবিগুলো সব থেকে ভাল লেগেছে আমার কাছে ।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১০ নভেম্বর ২০১২, ০৮:১৯
শুভেচ্ছা জানবেন, চার পর্বে বরফের ছবি পাবেন রোটাং পাসে, ভালো থাকবেন।
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন১০ নভেম্বর ২০১২, ০৩:৫১
খালি লোভ বাড়িয়ে দিচ্ছেন । আল্লাহ্‌ মনের ইচ্ছা পূরণ কইরা দিও সময় হলে । এই বলে মন কে সান্ত্বনা দিলাম ।

অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর জায়গাগুলি , এত সুন্দর মুখগুলি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১০ নভেম্বর ২০১২, ০৮:২৩
মহান আল্লাহ্‌ মনের ইচ্ছা অবশ্যই পূরণ করে দিবে সময় হলে, সৃষ্টির অনেক অনেক সুন্দর জায়গা দেখার সুযোগ এখন আপনার হাতের মুঠোয়। আসলই জায়গাগুলি অনেক সুন্দর, মনোরম, ওখানে সরল মানুষদের বসবাস প্রকৃতির সাথে ওরা কখনই শহরে আসবে না। ভালো থাকবেন।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১১ নভেম্বর ২০১২, ১২:৪১
বাসরা আর আপনার ভাবি এবার চাঁদের দেশের ড্রেসে বরফের দেশে নেমেছ।

kamaluddin কামাল উদ্দিন১০ নভেম্বর ২০১২, ০৭:২৯
ভালো লেগেছে, এমন স্থানি গিয়ে কয়েকদিন থেকে ভালোভাবে ঘুরে দেখার মজাই আলাদা, আর দৌড়ের উপর থাকলে পরে আপসোস থেকে যায়, ধন্যবাদ । ঐ দুইজন বুঝি আমাদের নরসিংদীর বন্ধু ?
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১০ নভেম্বর ২০১২, ০৮:১৩
শুভ সকাল কামাল ভাই, আসলই বেশ সময় নিয়ে মানালিতে থাকার দরকার ছিল, ওখানে সরল মানুষদের বসবাস প্রকৃতির সাথে। নিচে আমাদের নরসিংদীর বন্ধু ও ওনার মেয়ে। রোটাং পাসে, বরফের জায়গায়।

kamaluddin কামাল উদ্দিন১০ নভেম্বর ২০১২, ১৭:৪৯
হুমম, এক কাপ চা খান শরীরটা গরম হবে
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১০ নভেম্বর ২০১২, ১৭:৫৫
অক্সিজেনের অভাবে চা পাওয়া দুস্কর ছিল ওখানে।আগুন জ্বালানো সমস্যা।
kamaluddin কামাল উদ্দিন১১ নভেম্বর ২০১২, ১২:২৫
ভাবিষ্যতে ফ্ল্যাক্সে করে চা নিয়া যাইয়েন
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১১ নভেম্বর ২০১২, ১২:৩০
পরের বারে কখনো গেলে সাথে ফ্ল্যাক্স ভরে ভরে চা নিয়া যাওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। আজ রো টাং পাসের কিছু ছবি পোষ্ট দিব ভাবছি, ভালো থাকবেন কামাল ভাই।
kmabdulmumin কে এম আব্দুল মোমিন১০ নভেম্বর ২০১২, ১০:২১
প্রিয় চৌধুরী, চমৎকার পোস্ট দিয়েছেন। বড়ই প্রীত হলাম।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১০ নভেম্বর ২০১২, ১০:৪৮
ভ্রমন বিষয়ক পোষ্টে মতামতের জন্য আপনাকে অসংখ্যা ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানবেন। ভালো থাকবেন।
BrataRoy ব্রত রায়১০ নভেম্বর ২০১২, ১২:০৫
ডিসেম্বরে কি যাওয়া সম্ভব রোটাং পাসে?
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১০ নভেম্বর ২০১২, ১২:১০
ধন্যবাদ আপনাকে, সাধারণত নভেম্বরের ১৫ তারিখের পরে রোটাং পাস যাওয়ার পথ বন্দ করে দেওয়া হয়, পাহাড়ের পদদেশ ঘেষা পথগুলি বরফে ঢেকে যায় তখন। ভালো থাকবেন।
FarhanaAbir ফারহানা আবির১৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:৪৬
কি সাঙ্ঘাতিক !!
ছবিগুলো দেখতে দেখতে, কাহিনী পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল পড়েই গেলাম ঐ ঢাল বেয়ে।
অসাধারণ বরফে ঢাকা রাস্তা, পাহাড়।
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:০৫
ধন্যবাদ আপনাকে ভ্রমনের উপর এক এক করে সব পোষ্ট গুলি পড়ার জন্য। বুঝা যাচ্ছে ভ্রমনের উপর আপনার অনেক আগ্রহ।

আসলই খুব ভয় পেয়েছিলাম পাহাড়ের গা ঘেষে ঘেষে ফিতার মত রাস্তা দিয়ে জীপ চলার সময়। ভালো থাকবেন।
FarhanaAbir ফারহানা আবির১৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২৬
বান্দরবন এর রাস্তাগুলো রিস্কি মনে হয়েছিল। মানালির রাস্তা দেখে মনে হচ্ছে বান্দরবন এরটা কিছুই না
Rabbani রব্বানী চৌধুরী১৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৩৯
আপনার অনুমান সঠিক। জানালা দিয়ে নিচে বা পাশে তাকানোর সাহস হয় নি, আর পাকা ড্রাইভার গান গাইতে গাইগে জীপ চালাচ্ছিল।

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment