এবার সব আগাছা দূর হয়ে যাবে
শাহবাগে এ প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধ চলছে বিরতীহিন ভাবে । সেই রেশ যে পড়েছিল সারা দেশে তাও অব্যহত আছে । আগামীকাল জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়েরা গণমানুষের এই আন্দোলনে এসে যোগ দিবেন । এ আন্দোলনের আবেদন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তা বলার অপেক্ষা রাখেনা ।
দেশের সবচাইতে শক্তিশালী অবস্থানে যারা আছে, সেই সরকারের অবস্থানের প্রতি এই মূহুর্তে আমার একটু সন্মান বোধ হচ্ছে । কারণ তাদের যে ভীষন ভুল হয়েছে, তাদের অজ্ঞতা যে মানুষের কাছে প্রকাশ হয়ে গেছে, নেতা হতে হলে কত যোগ্যতা লাগে তারা কিছুটা উপলদ্ধি করতে পারছেন ।
তারা বুঝতে পারছেন সংখ্যায় তারা কত ছোট । আসলে গুটি কয়েক ভাড়া করা মাস্তান দিয়ে রাজপথে পেশী শক্তি প্রদর্শন করলেই বড় নেতা আর হওয়া যাবেনা এটা বুঝতে পারছে তথাকথিত ব্যবসায়ী রাজনীতিবিদরা । ঘরে বসে বসে আঙ্গুল চুসছেন এখন । তার পরেও আইন মন্ত্রনালয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে আইন সংশোধনের । আজ রাতে আইন মন্ত্রি দেশে ফেরার পর খুব দ্রুতই কাজটি হবে বলে আশাব্যক্ত করেছেন আইন প্রতিমন্ত্রি । এই কষ্ট টুকু কষ্ট করে করবেন বলে আমার এই সন্মান বোধ ।
কোন মতে গোঁজা মিল দিয়ে বুঝিয়ে দেয়ার দিন শেষ । এখন নেতা হতে যোগ্যতা লাগবে,প্রজ্ঞা লাগবে,সমৃদ্ধ হতে হবে । শুধু মাত্র একে অপরের প্রতি কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়ি মানুষ আর মেনে নেবে না । তার প্রমাণ প্রজন্ম চত্তর শাহবাগ । কয়েকটা পানির বোতলের আঘাত খেয়ে হলেও একবার এসে ঘুরে যান এখানে । আসবেন একা, নিজের পরিবারকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মত, কোন প্রোটকল ছাড়াই । নিজে কিছু আলোর স্পর্শ পাবেন, নিজের উত্তরসূরীকেও আলো ছোঁয়ার সুযোগ করে দিবেন । নইলে আপনি যা হারিয়েছেন তা তো আর ফিরে পাবেনই না,উপরন্ত নিজের ভবিষ্যত প্রজন্মকেও বঞ্চিত করবেন আপনার পাপে ।
খুব ভাল লাগছে আমাদের প্রজন্মকে জয়ী হবার দিকে এগিয়ে যেতে দেখে । জীবনে কোনদিন মাথানত করিনি অন্যায়ের কাছে । তাতে বঞ্চিত হয়েছি অনেক । কিন্তু আজ পেয়েছিও অনেক । অন্তত সাহস বেড়েছে বুকে পাহাড়ের মত উচ্চতায় । যেন ভয় পাবার কোন কারণ নেই । অত্যাচারীরা বেশী দিন ঘাঁড়ে চেপে বসে থাকতে পারেনা তা প্রমাণ হলো আর একবার ।
আমি আমার বন্ধুদের আড্ডায় শত শতবার বলেছি- ভাল কাজের ফল ভালো, খারাপ কাজের ফল খারাপ । এ কথা যতদিন একটা মানুষ বুঝতে পারেনা, ততদিন মানুষ শুধু মাত্র ভুলই করে। তাও প্রমাণ হলো আর একবার।
যারা পাপ করতে করতে পাপের পরিমাণ পাহাড়ের সমান করে ফেলেছে তাদের জন্য আমার দুঃখ হয় । এ পাপ আর তাদের জীবনে মোছন হবেনা । কত সস্তায় অব্যস্ত হয়ে গেছে তারা । কোন কিছু না শিখে কোন কিছু না বুঝে শুধু মাত্র আরাম আয়েশ করেছে । শিক্ষিত হয়ে গেছে টাকার বিনিময়ে ক্ষমতার বিনিময়ে । টাকার মালিক হয়েছে চুরি করে, লুট করে, দুর্নীতি করে । এখন এ টাকা দিয়ে কি করবেন । মানুষ যে চোরকে চোর বলতে শুরু করেছে । জায়গা পাবেন মুখটা লুকাতে ? তবুও একবার জীবনের স্বাদ নিয়ে যান প্রজন্ম চত্তর শাহবাগ এসে । দেখেন কিছুটা সুদ্ধ হতে পারেন কিনা ।
গণমানুষের জমায়েতে দিনে একবার উপস্তিত হব, এ যেন আমার নেশা । গতকাল ফেসবুকে একটা নির্দেশনা পেয়েছি, প্রজন্ম চত্তর শাহবাগে ব্যস্ত থাকার কারণে অনলাইন কিছুটা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে আমাদের কাছ থেকে । তারপর থেকে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার জায়গাটি অন্তত আমি ফাঁকা রাখবনা । প্রথম যেদিন আমি আন্দোলনে যোগ দেই সেদিন আমার মনে হয়েছে, যদি আমি সেখানে না যাই, আর আমি একজন মানুষের অনুপস্থিতিতে যদি কোন অঘটন ঘটে যায় ? সেই তাড়নায় আমি ঘরে বসে থাকতে পারিনি । এখন আমি অনলাইনেও উপস্থিত থাকবো, প্রজন্ম চত্তরেও উপস্থিত থাকবো । কোথাও জায়গা খালি হবেনা আমার কারণে । এতদিন চুপ করে বসে থাকাতে অনেক আগাছা জমে গেছে আমাদের প্রানের প্রিয় দেশে । এবার সব আগাছা দূর হয়ে যাবে।
জয় বাংলা, জয় গণমানুষের।
দেশের সবচাইতে শক্তিশালী অবস্থানে যারা আছে, সেই সরকারের অবস্থানের প্রতি এই মূহুর্তে আমার একটু সন্মান বোধ হচ্ছে । কারণ তাদের যে ভীষন ভুল হয়েছে, তাদের অজ্ঞতা যে মানুষের কাছে প্রকাশ হয়ে গেছে, নেতা হতে হলে কত যোগ্যতা লাগে তারা কিছুটা উপলদ্ধি করতে পারছেন ।
তারা বুঝতে পারছেন সংখ্যায় তারা কত ছোট । আসলে গুটি কয়েক ভাড়া করা মাস্তান দিয়ে রাজপথে পেশী শক্তি প্রদর্শন করলেই বড় নেতা আর হওয়া যাবেনা এটা বুঝতে পারছে তথাকথিত ব্যবসায়ী রাজনীতিবিদরা । ঘরে বসে বসে আঙ্গুল চুসছেন এখন । তার পরেও আইন মন্ত্রনালয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে আইন সংশোধনের । আজ রাতে আইন মন্ত্রি দেশে ফেরার পর খুব দ্রুতই কাজটি হবে বলে আশাব্যক্ত করেছেন আইন প্রতিমন্ত্রি । এই কষ্ট টুকু কষ্ট করে করবেন বলে আমার এই সন্মান বোধ ।
কোন মতে গোঁজা মিল দিয়ে বুঝিয়ে দেয়ার দিন শেষ । এখন নেতা হতে যোগ্যতা লাগবে,প্রজ্ঞা লাগবে,সমৃদ্ধ হতে হবে । শুধু মাত্র একে অপরের প্রতি কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়ি মানুষ আর মেনে নেবে না । তার প্রমাণ প্রজন্ম চত্তর শাহবাগ । কয়েকটা পানির বোতলের আঘাত খেয়ে হলেও একবার এসে ঘুরে যান এখানে । আসবেন একা, নিজের পরিবারকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মত, কোন প্রোটকল ছাড়াই । নিজে কিছু আলোর স্পর্শ পাবেন, নিজের উত্তরসূরীকেও আলো ছোঁয়ার সুযোগ করে দিবেন । নইলে আপনি যা হারিয়েছেন তা তো আর ফিরে পাবেনই না,উপরন্ত নিজের ভবিষ্যত প্রজন্মকেও বঞ্চিত করবেন আপনার পাপে ।
খুব ভাল লাগছে আমাদের প্রজন্মকে জয়ী হবার দিকে এগিয়ে যেতে দেখে । জীবনে কোনদিন মাথানত করিনি অন্যায়ের কাছে । তাতে বঞ্চিত হয়েছি অনেক । কিন্তু আজ পেয়েছিও অনেক । অন্তত সাহস বেড়েছে বুকে পাহাড়ের মত উচ্চতায় । যেন ভয় পাবার কোন কারণ নেই । অত্যাচারীরা বেশী দিন ঘাঁড়ে চেপে বসে থাকতে পারেনা তা প্রমাণ হলো আর একবার ।
আমি আমার বন্ধুদের আড্ডায় শত শতবার বলেছি- ভাল কাজের ফল ভালো, খারাপ কাজের ফল খারাপ । এ কথা যতদিন একটা মানুষ বুঝতে পারেনা, ততদিন মানুষ শুধু মাত্র ভুলই করে। তাও প্রমাণ হলো আর একবার।
যারা পাপ করতে করতে পাপের পরিমাণ পাহাড়ের সমান করে ফেলেছে তাদের জন্য আমার দুঃখ হয় । এ পাপ আর তাদের জীবনে মোছন হবেনা । কত সস্তায় অব্যস্ত হয়ে গেছে তারা । কোন কিছু না শিখে কোন কিছু না বুঝে শুধু মাত্র আরাম আয়েশ করেছে । শিক্ষিত হয়ে গেছে টাকার বিনিময়ে ক্ষমতার বিনিময়ে । টাকার মালিক হয়েছে চুরি করে, লুট করে, দুর্নীতি করে । এখন এ টাকা দিয়ে কি করবেন । মানুষ যে চোরকে চোর বলতে শুরু করেছে । জায়গা পাবেন মুখটা লুকাতে ? তবুও একবার জীবনের স্বাদ নিয়ে যান প্রজন্ম চত্তর শাহবাগ এসে । দেখেন কিছুটা সুদ্ধ হতে পারেন কিনা ।
গণমানুষের জমায়েতে দিনে একবার উপস্তিত হব, এ যেন আমার নেশা । গতকাল ফেসবুকে একটা নির্দেশনা পেয়েছি, প্রজন্ম চত্তর শাহবাগে ব্যস্ত থাকার কারণে অনলাইন কিছুটা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে আমাদের কাছ থেকে । তারপর থেকে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার জায়গাটি অন্তত আমি ফাঁকা রাখবনা । প্রথম যেদিন আমি আন্দোলনে যোগ দেই সেদিন আমার মনে হয়েছে, যদি আমি সেখানে না যাই, আর আমি একজন মানুষের অনুপস্থিতিতে যদি কোন অঘটন ঘটে যায় ? সেই তাড়নায় আমি ঘরে বসে থাকতে পারিনি । এখন আমি অনলাইনেও উপস্থিত থাকবো, প্রজন্ম চত্তরেও উপস্থিত থাকবো । কোথাও জায়গা খালি হবেনা আমার কারণে । এতদিন চুপ করে বসে থাকাতে অনেক আগাছা জমে গেছে আমাদের প্রানের প্রিয় দেশে । এবার সব আগাছা দূর হয়ে যাবে।
জয় বাংলা, জয় গণমানুষের।
লেখক মোহাম্মদ নোমান
- মোহাম্মদ নোমান -এর ব্লগ
- ৫ টি মন্তব্য
- ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৮:৫০
- রাজনীতি
প্রিন্ট করুন
- ৫ টি মন্তব্য
-
ঘাস ফুল০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:২৫
অনেক ভালো লাগার একটা লেখা। আপনার নিচের কথাগুলো আমার হৃদয় দাগ কেটে দিয়েছে যেন। ধন্যবাদ নোমান ভাই।
খুব ভাল লাগছে আমাদের প্রজন্মকে জয়ী হবার দিকে এগিয়ে যেতে দেখে । জীবনে কোনদিন মাথানত করিনি অন্যায়ের কাছে । তাতে বঞ্চিত হয়েছি অনেক । কিন্তু আজ পেয়েছিও অনেক । অন্তত সাহস বেড়েছে বুকে পাহাড়ের মত উচ্চতায় । যেন ভয় পাবার কোন কারণ নেই । অত্যাচারীরা বেশী দিন ঘাঁড়ে চেপে বসে থাকতে পারেনা তা প্রমাণ হলো আর একবার ।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
লেখাটা দারুণ লাগল। অনুভূতিতে নাড়া দিয়ে গেছে। আপনার সাথে সহমত।