বুধবার ২২ মে ২০১৩, ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২০ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


যুদ্ধাপরাধীর বিচার এবং শরীয়া আইন প্রসঙ্গ : যেমনে নাচাও তেমনে নাচি পুতুলের কী দোষ


সারা দেশে চলছে জামাত শিবির ধর পাকড় কর্মসুচি। চলছে গণ গ্রেফতার। ‘একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী অভিযোগে বিচারাধীন জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ করতে ষড়যন্ত্র করছে জামাত-শিবির, জ্বালাও পোড়াও করছে সারাদেশে- এ জন্য যেখানেই জামাত-শিবির পাও ধরো আর খাচায় ভরো’-এই নীতি গ্রহণ করেছে সরকার। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রকাশ্যেই ঘোষণা দিয়েছেন, জামাতের সাথে কোনো আলোচনা নয়। আগে তাদের সাইজ করা তারপর অন্যকথা।

সরকার জামাত শিবির নিধন করুক অথবা ৯৬ এর মতো আবার তাদেরকে কাছে ডেকে নিক, সেটা তাদের ব্যাপার। এদেশের রাজনীতিতে চরম অনৈতিক একটি নীতিকথা তো আর সকলেরই জানা, ‘রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই!’ অতএব, রাজনীতির গতি কখন কোন দিকে মোড় নেয়, বুঝা মুশকিল! সরকার চাইলে আর পারলে দেশের সবগুলো স্টেডিয়ামকে কারাগারে রূপান্তরিত করে ভরে ফেলুক শিবির দিয়ে। কোনো সমস্যা নেই। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত জামাতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ আরো যাদের বিচার চলছে, নিরপেক্ষ বিচারিক রায়ে তারা দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ সর্বোচ্চ শান্থি দেয়া হোক তাদের। এদেশের সাধারণ মানুষ সেটাই চায়। কেউ পাপ করলে তাকে অবশ্যই পাপের শাস্থি ভোগ করা দরকার। সেটা এক হাজার বছর পরে হলেও। কিন্তু এ জন্য সরকারের, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর খামখেয়ালি অথবা অতি উৎসাহের বলি তো দেশের সাধারণ জনগণ হতে পারে না। কিন্তু তাই তো হচ্ছে। পুলিশ শিবির ধরছে কিন্তু দেখা যাচ্ছে যাদের ধরা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশ শিবির তো কি, কোনো রাজনৈতিক দলের সাথেই তাদের সম্পৃক্ততা নেই।

এটা তো হতে পারে না। শিবিরের নেতা কর্মীরা ঠিকই ঘুরাফেরা করছে , প্রকাশ্যে মিছিল-সমাবেশ করছে আর পুলিশ রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। চরম একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে দেশের সাধারণ জনগণ। সেই পাপের সাজা ভোগ করতে হচ্ছে অনেককেই, যে পাপ সে করেনি। একটি গণতান্ত্রিক দেশে, একটি সভ্য দেশে এই অবস্থা চলতে পারে না। তাহলে আইনের শাসন বলে আর কিছু থাকে না। এর কিন্তু ভয়াবহ নেতিবাচক একটি দিকও আছে। সে প্রসঙ্গে লেখার শেষ অংশে আলোকপাত করছি।

দুই:

ইদানীং অবস্থা দাঁড়িয়েছে এই যে, দেখা গেলো ঢাকায় অথবা চট্ট্রগ্রামে শিবির কর্মীরা তাণ্ডব চালিয়েছে। অথবা পুলিশের সাথে মারামারি করেছে। সরকার গেলো হার্ডলাইনে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হুংকার ছুড়লেন, ‘জামাত শিবির সাইজ করা হোক, নো অনুকম্পা।’ জেলায় জেলায় নির্দেশ এলো, শিবির কর্মীদের গ্রেফতার করা হোক। শুরু হলো গণ-গ্রেফতার অভিযান। শিবির কর্মীরা গা ঢাকা দিয়ে চলেগেলো নিরাপদ আশ্রয়ে। একটি ব্যাপার কখনোই আমাদের মাথায় ঢুকে না। এদেশে সব সরকারের আমলেই এটা হয়ে থাকে। বিভিন্ন সময় দেখা যায় সরকারের এমন নির্দেশনা থানায় থানায় এসে পৌছানোর আগেই অপরাধীর কাছে সংবাদটি পৌছে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি অপরাধীর হাত আইনের হাত থেকে লম্বা নয়। আমরা বিশ্বাস করতে চাই পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ভেতরে থেকেও এই কাজটি কেউ করে না। তাহলে কীভাবে কী হয়! হিসাব তো মিলে না!

দেখা যায় নির্দেশ আসামাত্র পুলিশবাহিনী হন্যে হয়ে (?)খোঁজে বেড়াতে শুরু করে জামাত-শিবিরকে। ওর্ডার এলো, (মনে করা যাক আর কি) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিলেটে জামাত-শিবিরের একশ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে রিপোর্ট করা হোক। সাথে সাথে নড়েচড়ে উঠলো পুলিশ। হু হু রা রা করে বেরিয়ে পড়লো তারা, জামাত-শিবিরের সন্ধানে। কিন্তু সারা দিন আর মধ্যরাত পর্যন্ত যখন দেখে দশ/বিশজন শিবির কর্মীকেও ধরা সম্ভব হয়নি, তখন তারা যে কাজটি করে থাকে তা হচ্ছে, হাতের কাছে যাকেই পায়, বলে, ‘গাড়িতে উঠ।’ কৌটা তো পুরা করতে হবে।

গেলো ১৬ তারিখ শুক্রবার আমাদেরই দুই বন্ধু জিল্লুর রহমান এবং এইচ এ কাইয়ূম সিলেট শহরের একটি রেস্টুরেন্ট থেকে রাতের খাবার খেয়ে আসছিলো। ফেরার পথে টহল পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে গেলো তাদের। শিবির কর্মী বলে। পরেরদিন কোর্টে চালান করে দিলো এই বলে যে, ‘এরা জামাত শিবিরের উশৃঙ্খল কর্মী হিসেবে ঘোর সন্দেহ করা হচ্ছে। কোনোভাবেই যেনো এদেরকে জামিন দেয়া না হয়।’ তবুও ধন্যবাদ পুলিশকে, তৈরি কোনো মামলায় না জড়িয়ে ফিফটি ফোরেই গ্রেফতার দেখিয়ে চালান করেছিলো বলে রক্ষে। পরদিন শনিবার থাকায় আরেকদিন থাকতে হলো তাদের। আদালত রোববার জামিন মঞ্জুর করে মুক্তি দিয়েছেন তাদের। কৃতজ্ঞতা বিজ্ঞ আদালতের প্রতি। কিন্তু এই যে অকারণে দুদিন কাটাতে হলো তাদের কারাগারের অন্ধকারে, খরচ হলো হাজার বিশেক টাকা, তার কী হবে! তাও ত। এখন তারিখে তারিখে হাজিরা দিতে হবে কোর্টে যেয়ে। অহেতুক এই বিড়ম্বনা কেনো তাদের পোহাতে হবে? এ কোন পাপের শান্থি পাবে তারা? পুলিশের কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয় সেই পুরনো কথাটি, যেমনে নাচাও তেমনে নাচি পুতুলের কি দোষ...।?

আমরা নীতিগতভাবে আজীবন জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়ে আসছি। আমরা মনে করি, জামায়াতে ইসলামী ইসলামের নাম বলে সাধারণ মুসলমানকে বিভ্রান্ত করে থাকে। অনেক লিখেছি আমি নিজেও। গেলো চারদলীয় জোট সরকারের আমলেই দুঃখ করে পত্রিকায় লিখেছিলাম, যে দেশে রাজাকারের গাড়িতে জাতীয় পতাকা ওড়ে, সেদেশের কাছে আমার আর চাইবার কিছু নেই।

এই সিলেটে সাইদিকে প্রতিরোধ করলে আমরাই করেছিলাম। আর এই আন্দোলনে আমাদের সাথে প্রথম সারিতে যারা ছিলো, তাদের মধ্যে অন্যতম দুজন হলো এই জিল্লুর রহমান এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এইচ এ কাইয়ূম। অথচ কিনা এদেরকেই গ্রেফতার হতে হলো জামাত-শিবির কর্মী হিসেবে। এ কোন দেশে বাস করছি আমরা?

আমি শুধু আমার কাছের দুজনের কথা বললাম। এমন আরো অনেকেই আছে যারা খামোখা পচে মরছে অন্ধকার কারাগারে। এভাবে তো চলে না। চলতে পারে না।

তিন :

দুই লোক ঝগড়া করছিলো। নামাজ নিয়ে। একজন বলছে নামাজের শুরুতে সুবহানাকা পড়ার পর বিসমিল্লাহ পড়তে হবে। আরেকজন বলছে , না, দরকার নেই। তখন সেখানে তৃতীয় আরেক মুসলমানকে পেয়ে তারা বললো, ভাই, নামাজের শুরুতে সুবহানাকা পড়ার পর বিসমিল্লাহ পড়তে হয় কি না বলেন তো? সে বললো, মাফ করবেন ভাই, আমি নামাজই পড়ি না। তৃতীয় মুসলমান নিস্তার পেয়ে কেটে পড়েছিলো। কিন্তু রাস্তার তৃতীয়পক্ষের নিরীহ লোকগুলো তো নিস্তার পাচ্ছে না। সাধারণ নিরীহ মানুষকে জামাত শিবির বানিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে, বলা হচ্ছে, তুই ব্যাটা শিবির। গাড়িতে উঠ। সে বলছে, মাফ করেন স্যার! শিবির তো কি, আমি তো রাজনীতিই করি না। খোঁজ নিয়ে দেখুন। কে শুনে কার কথা।

এভাবেই কিছুক্ষণের মধ্যেই ভর্তি হয়ে যাচ্ছে পুলিশের বিশাল ভ্যান। ওয়াইড আর নো বলের রান দিয়ে পূর্ণ হচ্ছে গ্রেফতারের সেঞ্চুরী। কথা বলার সুযোগ নেই, কোনো ছাড় নেই। গ্রেফতার এবং শিবির কর্মী হিসেবে কোর্টে চালান। আজব তেলেসমাতি কাজ কারবার। অবস্থাদৃষ্টে মনেহচ্ছে, যেনো পুলিশ বলছে,
এই ব্যাটা! তুই কি শিবির করিস?
না স্যার আমি শিবির না।
কোনো শিবির করিস না। ব্যাটা ক্রিমিনাল। উঠ গাড়িতে।

এই যদি হয় অবস্থা, তাহলে কী হবে এই দেশটার? টুপি দাড়ি পাঞ্জাবী থাকলেই যদি তাকে জামাত-শিবির ভাবা হয়, তাহলে বলতে হবে দেশটা মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে। আর যদি অবস্থা হয় এমন যে, টুপি পাঞ্জাবী পরা যাবে না এদেশে, তাহলে সেটাও সরকারকে পরিষ্কার করে বলে দেয়া দরকার। মুসলমানরা জানলো এদেশে টুপি পরা আর পাঞ্জাবী গায়ে দেয়া অন্যায়। তখন না হয় সবাই হাতে চুড়ি পরে ঘরে বসে থাকলো।

চার:

একটু ভিন্ন প্রসঙ্গ। একটু পেছনে যেতে ইচ্ছে করছে। সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নির্বাচনি ইশতেহারের এক নাম্বার ধারা ছিলো এমন, ‘আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় গেলে কোরআন ও সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন প্রনোয়ণ করবে না।’ সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনেও প্রায় একই সুরে কথা বলেছে আওয়ামীলীগ। ২০০৮ এর সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নির্বাচনি ইশতেহারে বলেছিলো, ‘ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় গেলে কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন প্রনোয়ণ করা হবে না অথচ আমরা কী দেখলাম! কোরআন সুন্নাহ বিরোধী আইন তো কী, মহান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’র কথাই মুছে ফেলা হলো সংবিধানের মূলনীতি থেকে! কী কথা আর কী কাজ!

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মার মার কাটকাট কথা বলে অভ্যস্ত। কেউ কেউ বলে তিনি নাকি বেফাস কথাবার্তা বলায় সবচে বেশি পটু। টকশোতে কথাবলা সুশীল(!)দের নিয়ে বাকা কথা বলেছিলেন এই কিছুদিন আগেই। তুলনা করেছিলেন সিধেল চোরদের সাথে। অবশ্য মাঝেমধ্যে চমতকার কিছু সংলাপও আমরা পাই আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে। ফিরিস্তিতে যাচ্ছি না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সর্বশেষ চমকপ্রদ একটি মন্তব্য নিয়ে আমরা আমাদের আশা হতাশা আর বিভ্রান্তির কথাই বলি।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রয়োজনে শরীয়া আইনের মাধ্যমে কেসাস ফর্মূলায় বিচার করা হবে। আমরা বিশ্বাস করি দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন কোনো কথা বলেন, তখন জেনে বুঝে, আগপিছু চিন্তাভাবনা করে পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েই বলেন। যে কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই মন্তব্যটিকে কথার কথা বলে উড়িয়ে দেয়ার সুযোগ নেই। নেই কারণ, তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী। আমরা দেশের সাধারণ জনগণ প্রধানমন্ত্রীর সবগুলোকে কথাকেই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। যদিও রাশেদ খান মেননসহ সরকারের শরীক বাম ঘরানার অনেক নেতা প্রধানমন্ত্রীর এই উক্তির বিরুদ্ধে তাদের অসন্তোষের প্রকাশ করছেন। জাতীয় সংসদে পর্যন্ত কথা উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা আসবে বলে স্পিকার মহোদয় হাউজকে অবহিত করেছেন।

অবশ্য জাতীয় সংসদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর হয়ে একটা ব্যাখ্যা দেবার চেষ্টা করেছেন। তবে যে ভাষায় জবাব দিয়েছেন তিনি, অর্থাৎ জবাবের জন্য যে শব্দগুলো চয়ন করেছেন, তাতে দুঃখ পেয়েছে এদেশের ১৪ কোটি মুসলমান। তিনি বললেন,“ প্রধানমন্ত্রী কথার ছলে এই কথাটি বলেছেন। তিনি বলেছেন,

তারা(জামাত)বলেন, অমুকের আইন চাই তমুকের আইন চাই, যদি লাফালাফি করেন, দেখি সেটা প্রয়োগ করে।” উল্লেখ্য যে, জামায়াতে ইসলামীর স্লোগান হচ্ছে, আল্লাহর আইন চাই, সতলোকের শাসন চাই। এখানে আল্লাহকে অমুক-তমুক শব্দের মাধ্যমে তাচ্ছিল্য করে মুসলমানদের অন্তরে আঘাত করেছেন মতিয়া আপা। তিনি যদি মন থেকে এটি না বলে থাকেন, তাহলে তাঁর উচিত আল্লাহর কাছে তওবা করা আর একজন মুসলমান হিসেবে মুসলিম জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করা।

পাঁচ :

তবে আমার মনে হয়না কথাটি খুব একটা ব্যাখ্যাসাপেক্ষ। প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন, পরিষ্কার ভাষাতেই বলেছেন। ব্যাখ্যা করে দেয়ার আর কিছু নেই। এখন আলোচনা হতে পারে প্রধানমন্ত্রী কি মন থেকেই এ কথা বললেন নাকি শরীয়া আইন নিয়ে উপহাস করলেন। আলোচনা হতে পারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই অভিলাষ কি পূর্ণ হবে? হলে কীভাবে? ইসলামী শরীয়া ও দেশের বর্তমান সংবিধান কি উনাকে উনার এই ইচ্ছা বাস্তবায়নের সুযোগ দিচ্ছে?

আমার জানামতে, রাষ্ট্রীয়ভাবে শরীয়াহ আইন মানলে আর প্রয়োগ করতে চাইলে পুরোটাই করতে হবে। কিছু মানলাম আর কিছু মানলাম না, তা হবে না। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা কি কোরআনের কিছু অংশ মানবে আর কিছু অংশ মানবে না!” তা হবে না। মানলে পুরোটাই মানতে হবে। অতএব শুধু একটি বিচারের জন্য শরীয়াহ আইন তথা কেসাস ফর্মূলা অ্যাপ্লাই করার কোনোই সুযোগ নেই।

আসা যাক দেশের প্রচলিত আইনে। আইন কী বলে? আমাদের সংবিধান কী বলে? সংবিধান কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই ইচ্ছা পূরণ করার অনুমতি দেয়? আমরা যদ্দুর জানি, আগেই এই সুযোগ ছিল না। যাও একটু ফাকফোকড় ছিলো, সর্বশেষ সংশোধনীর মাধ্যমে সেগুলোও বন্ধ করবার চেষ্টা করা হয়েছে। (চেষ্টা করা হয়েছে বললাম কারণ, বর্তমান সংবিধানে পরষ্পর বিরোধী অনেক ধারা আবি®কৃত হয়েছে)। মূলনীতি থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে মহান আল্লাহর উপর থেকে আস্থা ও বিশ্বাসের কথা। প্রস্তাবনা অংশ থেকে মুছে ফেলা হয়েছে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীমকে। আর বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী তো এটা করার সুযোগও নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে এটা জানেন না, এটা মনে করারও কোনো কারণ নেই। তাহলে কী দাঁড়ালো? প্রধানমন্ত্রী কী নিছক তামাশা করার জন্য এটি বললেন? হয়ে থাকলে দুঃখজনক! কথাবার্তায় আরো সতর্কতা কাম্য।

ছয়:

রাস্তাঘাট থেকে যে কাউকে ধরে ধরে জামাত-শিবির কর্মী বানিয়ে জেলে পুরে ফেলার ভয়াবহ নেতিবাচক একটি দিকের কথা উল্লেখ করেছিলাম। সে প্রসঙ্গে বলেই কথা শেষ করছি। নিরীহ যে ছেলেগুলোকে শিবির কর্মী সাজিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে, দেখা যাচ্ছে, খোঁজে খোঁজে তাদের দায়িত্ব নিচ্ছে শিবির। প্রথম দিনেই তাদের জন্য লুঙ্গি গামছা বরাদ্ধ হয়ে যাচ্ছে দলীয়ভাবে। তাদের মামলা পরিচালনার দায়িত্ব সেচ্ছায় গ্রহণ করে নিচ্ছে ছাত্র শিবির। এতে করে গ্রেফতার হওয়া সাধারণ এই ছেলেরা মানবিক কারণেই ঝুঁকে পড়ছে শিবিরের দিকে। তারা ভাবছে, বিপদের সময় যারা পাশে এসে দাঁড়ালো, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা বলেও একটা ব্যাপার আছে। কিছু কিছু ছেলেদের মাঝে আবার একটি জেদও চেপে বসে, শিবির না করেও যখন শিবির হিসেবে জেল খাটকে হচ্ছে, তাহলে এখন থেকে শিবিরই করবো। এতে করে কিন্তু দলগতভাবে শিবিরকেই শক্তিশালী করা হচ্ছে। ব্যাপারটি কি সরকারের মাথায় আছে?

আমরা আশা করছি সরকারের এবং সরকারের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর জোসের সাথে হুশও ঠিকটাক কাজ করবে। তারা অপরাধীকে ধরবে, নিরপরাধ আম জনতাকে হয়রানি করবেন না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক, জাতি চায়। জাতিকে অযথা হয়রানী করে মন মানসিকতা নষ্ট করে দেবেন না। মানুষকে যেনো ভাবতে বাধ্য হতে না হয় যে, সরকার তো আসলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছে না। এর নাম করে দেশের সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে। আর এই ইস্যূকে ঝুলিয়ে রেখেছে জনগণের সামনে, নির্বাচনি বৈতরনি পাড়ি দেয়ার কৌশল হিসেবে! তাহলে কিন্তু হিতে বিপরীতও হতে পারে। (লেখাটি আজ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত)
১৮২ টি মন্তব্য
malaria ম্যালেরিয়া ২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৫:৫৫
আমি ১ম
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:০০
জি, ধন্যবাদ আপনাকে
শুভেচ্ছা নিন
---
malaria ম্যালেরিয়া ২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:০৬
হাতের কাছে যাকেই পায়, বলে, ‘গাড়িতে উঠ।’ কৌটা তো পুরা করতে হবে।


এরা সরকারের পুষা কুকুর, তাই এদের নিজস্ব চিন্তা চেতনা বলে কিছুই নেই।

মুল্যবান পুষ্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:১০
এরা সরকারের পুষা কুকুর, তাই এদের নিজস্ব চিন্তা চেতনা বলে কিছুই নেই............. কথাটিকে আমি এভাবে বলতে রাজি নই। এরা সরকারের পোষা কুকুর না। এরা জনগণের সেবক। তাদের নিজস্ব চিন্তা চেতনা ঠিকই আছে কিন্তু সেটা সব সময় কাজে লাগাতে পারে না সংশ্লিষ্ট সরকারের(যখন যে থাকে) চাপে।

পুলিশকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া হোক, দেখবেন অপরাধ শূন্যের দিকে চলে আসবে।
malaria ম্যালেরিয়া ২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:২৪
কথাটিকে আমি এভাবে বলতে রাজি নই।

কিন্তু এদের আচরণে তা-ই প্রকাশ পায়। এরা যদি সবাই মিলে সরকারের বিরুদ্ধে যেতে পারতো। অন্তত স্বাধীন ভাবে কাজ করার জন্য, নিজেদের বিকিয়ে না দিয়ে। তাতে অবশ্যই সরকারকে ভাবতে বাধ্য করতো। কিন্তু ওদের নিজেদের মধ্যেই ভেজাল আছে। কে কাকে কনুই মেরে তেল মেরে উপড়ে উঠবে।

অনেক কথাই বলার ছিল কিন্তু সময় হাতে একেবারেই নেই।
চললাম।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৪০
-------------------
Rabbani রব্বানী চৌধুরী২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৫:৫৭
" আমরা আশা করছি সরকারের এবং সরকারের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর জোসের সাথে হুশও ঠিকটাক কাজ করবে। তারা অপরাধীকে ধরবে, নিরপরাধ আম জনতাকে হয়রানি করবেন না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক, জাতি চায়। "

কথাগুলির সাথে আমরাও এক মত রশীদ ভাই. আর দেশ এগিয়ে যাক সঠিক গতিতে ও সঠিক দিকে। ভালো থাকবেন।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:০৩
দেশ এগিয়ে যাক সঠিক গতিতে ও সঠিক দিকে, এটাই চাই আমরা। এটাই চায় দেশের সাধারণ মানুষ।
আমরা চাই অপরাধীর শাস্থি হোক কিন্তু নিরপরাধ মানুষ যেনো হয়রানীর শিকার না হয়।
এদেশের আম জনতা তো আর কোনো অন্যায় করেনি।

শুভেচ্ছা নিন রব্বানী ভাই
-----------

( দ্বিতীয় কাপ কার জন্য, জানেন তো )
Rabbani রব্বানী চৌধুরী২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:২২
দুই কাপ চা আমরাই পান করে ফেলি, মনে হচ্ছে আর এক কাপ চা কি আপনার ভাবীর জন্য দিয়েছিলেন !! মহিলা মানুষ নানান ঢং এ চলে বুঝা বড় ভার !!
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৩২
আপনি ঠিকই ধরেছিলেন। আরেক কাপ ভাবির জন্যই ছিলো।
আপনার বুদ্ধি তো মারাত্নক দেখি ------

মহিলা মানুষ নানান ঢং এ চলে বুঝা বড় ভার

আপনি ভাবিকে এখানে ছোট করার সুক্ষ কোনো পরিকল্পনা করে থাকলে লাভ হবে না।
আমরা আমাদের চোখের সামনে আমাদের ভাবিকে ছোট করা বরদাশত করবো না। মোটেও না
fardousha ফেরদৌসা২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:১৩
যে দেশে রাজাকারের গাড়িতে জাতীয় পতাকা ওড়ে, সেদেশের কাছে আমার আর চাইবার কিছু নেই।

হুম , ঠিক কথা।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:১৯
এ ছাড়া আর কী ই বা বলার ছিলো ...!
শুভেচ্ছা ফেপা.......

পূণশ্চ-১, ফেপা=ফেরদৌসা আপা---------
পূণশ্চ-২, দেখছেন, আমি আপনার নামটা শুদ্ধ করে বলতে শিখে গেছি
-----------
fardousha ফেরদৌসা২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:২৪
শুভেচ্ছা ফেপা..
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৩৬
কেনু? পশন্দ হই নাই ?
নামটা তো আমার কাছে সৌন্দর্য লাগতাছে
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৩৮
পশন্দ হই নাই> পশন্দ হয় নাই
kamaluddin কামাল উদ্দিন২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:২০
যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসীর রায় কার্যকর করার জন্য যা কিছুই করবে আমি এই সরকারকে সাপোর্ট করবো, জামাত বর্তমানে যা করছে এতে বুঝা যায় ওখানে বাংলাভাই বাহিনীর সাথে ওদের তফাৎ নাই, সুতরাং বাংলাভাইয়ের মতো ওদেরও নিধন চাই । তবে এটা করতে গিয়া নিরিহ মানুষকে হয়রানী করে পুলিশের উপরি কামাই করার তীব্র নিন্দা জানাই আর দ্রুত এর প্রতিকার চাই ।

আল্লাহর আইন জামাত চাইতে পারে না, কারণ ওরা আল্লাহর আইনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যায়নি, আর যখন ক্ষম্তায় ছিল তখন আল্লাহর আইন যে ওরা চায় এমন কোন প্রমান ওরা আমাদের সামনে উপস্থিত করতে পারেনি ।

আমরা বিশ্বাস করি দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন কোনো কথা বলেন, তখন জেনে বুঝে, আগপিছু চিন্তাভাবনা করে পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েই বলেন
। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অনেক সময়ই একটু বেশী কথা বলেন, সুতরাং সেটা আমরা বন্ধ করতে পারবো না ।

লুঙ্গী গামছা দিলেই যারা শিবিরের প্রতি ঝুকে যায় ওরা প্রকৃত পক্ষে শিবিরেরই নিরব সমর্থক ।

বাংলাদেশে নাকি রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নাই বলে একটা কথা আছে, সুতরাং নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়ার কৌশল হওয়াটা অমূলক কিছু নয়, হতেও পারে ।

সর্বশেষঃ আমি বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতিকে ঘৃণা করি
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:২৮
অনেক ধন্যবাদ কামাল ভাই, আপনার বিশ্লেষনী মন্তব্যের জন্যে
আমি আপনার কথাগুলোর সাথে সহমত জানিয়েই বলি,

আল্লাহর আইন জামাত চাইতে পারে না, কারণ ওরা আল্লাহর আইনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যায়নি, ঠিক বলেছেন আপনি। আমিও তেমন কিছুই বলেছি তবে সেটা আমার ভাষায়, আপনি মূল লেখায় লক্ষ্য করে থাকবেন, আমি বলেছি, ..... আমরা মনে করি, জামায়াতে ইসলামী ইসলামের নাম বলে সাধারণ মুসলমানকে বিভ্রান্ত করে থাকে

আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অনেক সময়ই একটু বেশী কথা বলেন, সুতরাং সেটা আমরা বন্ধ করতে পারবো না .......... সেটা হয়তো পারবো না কিন্তু এটা কি ঠিক? কারণ তিনি ষোল কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন। উনার কথার একটা ওজন আছে না?

আমি বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতিকে ঘৃণা করি
ঠিক এখানটায়, আপনার সাথে আমার দারুণ মিল।
আসেন, কোলাকুলি করি------->
kamaluddin কামাল উদ্দিন২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৩০
আসেন আসেন >
kamaluddin কামাল উদ্দিন২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৩১
>
kamaluddin কামাল উদ্দিন২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৩২
কোলাকুলির ইমোটায় সমস্যা আছে
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৩৭
আইব না আইব না। আমারও আসেনাই।
নিরীহ মানুষের অভিশাপ লাগছে মনেহয়-----------
kamaluddin কামাল উদ্দিন২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৭:০২
মনে হয় তাই
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২০:৫৯
দোয়া করি চলেন, ইমুটি সুস্থ হয়ে উঠুক
ehasan48 আলইমরান ২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৮:৪০
মজার একটা ব্যাপার হচ্ছে, যুদ্ধাপরাধী বলে জাদের নিয়ে আওয়ামী লীগের মাতামাতি, তাদের অস্তিত্ব রক্ষার্থে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল বঙ্গবন্ধুর। মুক্তিযুদ্ধের এতোটা বছরেও তাদের শাস্তি হয়নি তার আরেকটি কারন হচ্ছে, শাস্তি দিয়ে দিলে এই ইস্যু নিয়ে আর রাজনীতি করতে পারবে না। জামাতকে আর রাজাকার বলতে পারবে না।

মোদ্দাকথা, এই দেশে সমস্যা কখনও সমাধান হয় না, বরং ইস্যুতে পরিনত হয়। আর আমরা চতুষ্পদী জনগন তা নিয়া চিৎকার চেঁচামেচি করি। ক্ষতি হলে হয় আপনার আমার। উনাদের তো কিছু হয় না। উনাদের ঘরে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘন্টাই পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ থেকে শুরু করে সকল নাগরিক সুবিধা কয়েক ডোজ বেশি বেশিই পৌঁছে যায়। উনারা যে রাস্তায় যায় সেখানে জ্যাম থাকে না, বরং উনাদের রাস্তা কণ্টকহীন করার জন্য মুমূর্ষ রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স পর্যন্ত আঁটকে দেয়া হয়।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২০:৪৯
এই দেশে সমস্যা কখনও সমাধান হয় না, বরং ইস্যুতে পরিনত হয়। আর আমরা চতুষ্পদী জনগন তা নিয়া চিৎকার চেঁচামেচি করি। ক্ষতি হলে হয় আপনার আমার। উনাদের তো কিছু হয় না। উনাদের ঘরে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘন্টাই পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ থেকে শুরু করে সকল নাগরিক সুবিধা কয়েক ডোজ বেশি বেশিই পৌঁছে যায়। উনারা যে রাস্তায় যায় সেখানে জ্যাম থাকে না, বরং উনাদের রাস্তা কণ্টকহীন করার জন্য মুমূর্ষ রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স পর্যন্ত আঁটকে দেয়া হয়।

-----------

অনেক দিন আগে একবার লিখেছিলাম আমি, সম্ভবত মরহুম সাইফুর রহমান সাহেব অর্থমন্ত্রী থাকাকালে,...বলেছিলাম ক্ষিধার জ্বালা যে কত ভয়ংকর, সেটা এদেশের মন্ত্রী এমপিরা কোনোদিনই বুঝবেন না কারণ, তাদের তো কোনোদিন না খেয়ে কাটাতে হয়নি। যদি ২৪ ঘণ্টা মাত্র , মাত্র ২৪ ঘণ্টা তাদেরকে না খাইয়ে রাখা যেতো, তাহলে তারা বুঝতেন না খেয়ে রাত কাটাতে কেমন লাগে। তখন আর বড়বড় কথা মুখ দিয়ে বেরুতো না।

গ্যাস বিদ্যুতের কথা বলছেন তো!
তো কার ঘাড়ে দুটি মাথা আছে যে, উনাদের ঘরকে অন্ধকারে রাখে?
কথা তো আরো থাকে। সার্বক্ষনিক সার্ভিসের জন্য পর্যাপ্ত বিকল্পও তো আছে তাদের বাসাবাড়িতে।
তাহলে আর তাদের চিন্তা কি? এরা হলেন জনগণের খাদেম। একটু আরামে না থাকলে খেদমত করবেন কীভাবে!!

শুভেচ্ছা ইমরান ভাই
---------
ehasan48 আলইমরান ২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:১১
এরা হলেন জনগণের খাদেম। একটু আরামে না থাকলে খেদমত করবেন কীভাবে!! জনগনের চেয়ে নিজেদের খেদমতেই এরা বেশি ব্যস্ত কি না........
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:১৫
জনগনের চেয়ে নিজেদের খেদমতেই এরা বেশি ব্যস্ত কি না.

নিজেকে তারা জনগনের জন্য বিলাইয়া দিয়াছেন।
তাই তাহাদের নিজেদের খেদমত মাইনে জনগনেরই খেদমত হিসাবে গন্য করা হইবে
ehasan48 আলইমরান ২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:৪২
ব্যাপক কথন।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:৪৩
Maeen মাঈনউদ্দিন মইনুল২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৯:০৩
“প্রথম সারিতে যারা ছিলো, তাদের মধ্যে অন্যতম দুজন হলো এই জিল্লুর রহমান এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এইচ এ কাইয়ূম। অথচ কিনা এদেরকেই গ্রেফতার হতে হলো জামাত-শিবির কর্মী হিসেবে। ,,,,

ওয়াইড আর নো বলের রান দিয়ে পূর্ণ হচ্ছে গ্রেফতারের সেঞ্চুরী। কথা বলার সুযোগ নেই, কোনো ছাড় নেই। গ্রেফতার এবং শিবির কর্মী হিসেবে কোর্টে চালান।”


রাজনীতি নিয়ে ‘নো কমেন্টস’ বললেও আজকাল সেটা রাজনৈতিক বক্তব্য হয়ে যাচ্ছে।

একটি ভয়ংকর সময়ে বাস করছি আমরা। কতদিন যে আর নাচতে হবে কে জানে - এই কথা না বলে এখন বলতে হচ্ছে: কবে যে আমার নাচের পালা চলে আসে কে জানে।

আল্লাহ মাফ করুক। তবু বলি এদেশ আমার, এখানে অনেক আছে দেবার।
রশীদ জামীল ভাইকে শুভেচ্ছা।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২০:৫৮
রাজনীতি নিয়ে ‘নো কমেন্টস’ বললেও আজকাল সেটা রাজনৈতিক বক্তব্য হয়ে যাচ্ছে

--------------ঠিক, একদম ঠিক। এছাড়া এমন এক দেশে বাস করছি আমরা আপনি রাজনীতির অশুভ ছায়া থেকে দূরে থাকতে চাইলেও আপনাকে সেভাবে থাকতে দেয়া হবে না। দেখা যাবে, অযাচিতভাবে রাজনৈতিক ক্রোধের আগুন না হোক, ছাইগুলো হলেও আপনার নাকে মুখে এসে প্রবেশ করবে। যতই আপনি ভাল থাকতে চান, দেয়া হবে না ভাল থাকতে।

এই কথা না বলে এখন বলতে হচ্ছে: কবে যে আমার নাচের পালা চলে আসে কে জানে।

কেউ জানে না। কে কখন আর কেনোইবা আক্রন্ত হবে, কেউ জানে না।
চরম অনিশ্চয়তার অস্বস্থিকর একটি সময় পার করছে এদেশের সাধারণ মানুষ।
কিন্তু যারা রাজনীতি করছেন, যে কোনো দলের হয়ে, তারা কিন্তু ভাল আছেন। খুটির জোর আছে।
মরেছে তো আপনার আমার মতো সাধারণ মানুষ। আর যুগে যুগে, সর্ব যুগে বলির পাঠা কিন্তু এরাই হয়েছে।

অনেক ধন্যবাদ মইনুল ভাই
আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্যে।

----------------
blogthirdeye থার্ডআই২৩ নভেম্বর ২০১২, ১৯:২৩
ধন্যবাদ।

*************
থার্ড আই
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:০০
ধন্যবাদ আপনাকেও
শুভেচ্ছা নিন

-------------
sopnerdin45 অরিত্র অন্বয়২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:১২
এই পোস্টটি কে স্টিকি করা হলে কি পরিমাণ কাজ হত ভাবা যায়!
আলো ব্লগের মডারেটর সাহেব এই কাজটা কখনই করবেননা।

আমরা সাধারণ মানুষেরা যাবো কই?

আম আদমি হিসেবে নিজের কথা বলি জামিল ভাই। এখন অফিসে বসে আছি। কাল সকালে অসম্ভব দরকারি একটা পরীক্ষা। এখন বাসায় ফেরার পথে আমি যদি দুর্ধর্ষ শিবির কর্মি হিসেবে গ্রেফতার হয়ে যাই, আমার হবেটা কি?? ক্যারিয়ারটা বরবাদ হবে। এমন দেশেই আজ বসবাস!!
দেশের অসংখ্য আম আদমি আজ এই হতাশা আর নিরাপত্তাহীনতায় পথ চলে....
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:২৮
এখন বাসায় ফেরার পথে আমি যদি দুর্ধর্ষ শিবির কর্মি হিসেবে গ্রেফতার হয়ে যাই, আমার হবেটা কি?? ক্যারিয়ারটা বরবাদ হবে। এমন দেশেই আজ বসবাস!! দেশের অসংখ্য আম আদমি আজ এই হতাশা আর নিরাপত্তাহীনতায় পথ চলে.... ............................................. হতেও পারেন। এমনরাই বিপাকে পড়ছে বেশি। তবে আন্তরিকভাবেই কামনা করছি এমন যেনো না হয়।

এক সময় আমরা ছিলাম পরাদীন জাতি। পাকিস্তানি নরপশুদের দ্বারা ছিলাম অত্যাচারিত। মানুষের জানমালের নিরাপত্বা ছিলো না। ইজ্জতের গ্যারান্টি ছিলো না। বাঙালি জাতি গর্জে উঠেছিলো। রুখে দাঁড়িয়েছিলো। স্বাধীনতা পেলাম আমরা। লক্ষ লক্ষ ভাই আমার জীবন দিল। কেনো..........??
-----------কারণ এই আমরা ইজ্জত আব্রু নিয়ে নিরাপদে বেঁচে থাকবো বলে.....থাকছি??
---------- কারণ, এই আমরা মাথা উঁচু করে বাঁচবো বলে.....................।বাঁচছি?

------------- রাজনীতি যদি জনগণের জন্যই হয়ে থাকে, সরকার যদি জনগণের সেবকই হয়ে থাকেন ঠিক যেমনটি তারা বলতে ভালবাসেন, তাহলে আপনার আমার মতো আম আদমীকে কেনো এই উৎকণ্ঠার জীবন যাপন করতে হবে???

কে দেকে জবাব?
কার কাছে চাইবো জবাব??

শুভেচ্ছা প্রিয় অরিত্র
ভালবাসা নিন ভাই
--------
sopnerdin45 অরিত্র অন্বয়২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:৩৪
ওই জবাবদিহিটাই নেই জামিল ভাই আমাদের দেশে।
আর গণতন্ত্র শুধু মুখের বুলি।

এসব নিয়েই পথ চলতে হয়। তবে মানুষ কে আরও সোচ্চার হতে হবে এসব নিয়ে। তবে যদি আলো আসে। আমরা তো ভুলো ধানের ভাত খাই, কিছুদিন হইচই করে আবার মিইয়ে যাই।

অসাধারণ লেখাটির জন্য ধন্যবাদ জামিল ভাই।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:০২
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে যে বস্তুটিকে অহর্ণিষ খোঁজে ফিরি আমরা, তার নাম গণতন্ত্র।
জানি না এ কেমন গণতন্ত। এই কি চেয়েছিলাম আমরা?

মানুষকে, মানে আম জনতাকে সতর্ক আর সচেতন হতে হবে।
ঠিক বলেছেন আপনি। এর বিকল্প নেই।
ehasan48 আলইমরান ২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:১২
এটা আসলেই স্টিকি হবার মত যথার্থ পোষ্ট। সহমত অরিত্র।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:১৬
Numan75 নুমান২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:১৬
আসসালামুআলাইকুম,

আজ আপনার লেখাটি কতেকবার পড়েছি। সারা দিন থেকে মতিয়া আপার বয়ান, শিবিরকে শক্তিশালী করা ইত্যাদি নিয়ে শুধু ভাবছি ।

আল্লাহ দেশকে, আমাদেরকে হেফাযত করুন। আমিন
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:৩২
শুভেচ্ছা নুমান। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি সকালেই লেখাটি পত্রিকা থেকে ফেসবুকে লিংক দিয়েছেন, শেয়ার করেছেন, আমি দেখেছি। আন্তরিকতার নিদর্শন । কিছু খাওয়ানো দরকার আপনাকে। কী খাবেন বলেন,,,,,,,,,,,,,,???
Numan75 নুমান২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:৪৩
আপনি যা খাওয়াবেন তাতেই আমি রাজি আছি
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:৫৯
তবুও, রুচি বলে একটা ব্যাপার আছে না
Numan75 নুমান২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:১৫
একটু পরে ভাত খাব। তারপর ইনশাআল্লাহ আপনার অখানে এসে পান খাব।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:১৮
উকে------------
sujonsarkar অনিন্দ্য অন্তর অপু২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:২০
লেখাটি আজ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত

আপনার লেখাগুলো বড্ড মিস করি। নিয়মিত আমাদের এ লেখাগুলো পড়ার সুযোগ দেবেন এ প্রত্যাশা রইল
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:৩৭
ধন্যবাদ অপু। আছেন কেমন আজ?
আমরা তো এভাবেই জড়িয়ে আছি, ভালোবাসায়, তাই না?

----------------
sujonsarkar অনিন্দ্য অন্তর অপু২৪ নভেম্বর ২০১২, ০১:০২
কিছু অনুভব অপ্রকাশিত থেকেই যায়। নাম দেখলে কাছে টানে। চোখ বুলালে মনে হয়- এর সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক। সব কিছু মানুষ এড়াতে পারে না, ভুলতে পারে না। হোক না তাঁর অবস্থানগত দূরত্ব অনেক বেশী।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০১:০৮
সেটাই!

আত্মিক আলোয় জ্বলে ওঠা সলিতা, আসুক বাতাস
ঝড় হয়ে অথবা বজ্র তুফান
দৃঢ় প্রত্যয়ে গাইবোই মোরা, গলা ছেড়ে হাত নেড়ে
কাছে আসা ভালবাসার গান

-------------
nomaansarkar নোমান সারকার২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:২৭
রশীদ ভাই লেখা পড়লাম আর মন্তব্য গুলো পড়লাম । কিছু লেখার আগে কামাল ভায়ের কথাটা নিয়ে আগে লেখতে ইচ্ছে করছে। তিনি লেখেছেন ''লুঙ্গী গামছা দিলেই যারা শিবিরের প্রতি ঝুকে যায় ওরা প্রকৃত পক্ষে শিবিরেরই নিরব সমর্থক । ''
কামাল ভাই ,সাধারন মানুষ তারা মূলত রাজনীতি করে না কিন্তু রাষ্ট্রে বসবাস করে । তারা অধিকংশ পেট নীতি করে ,অনেক মা বা পরিবার নীতি করে । যারা এরেষ্ট যচ্ছে তাদের যদি দেখেন তাদের অধিকাংশ সেই শ্রেনীর মানুষ । এমনিতেই দ্রব্যমূল্যের উদ্ধগতিতে তাদের দিশেহারা । তারা বুঝে না ওয়াল্ড ইকো্নমি । তারা জানে না সব দেশেই দ্রব্যের মূল্য বেড়ে চলেছে। তাই সবটা দোষ এমনিতেই সরকারের মনে করে । তার উপর বিনা অপরাধে কারাগারে গাদাগাদি করে থাকা । মানুষ তার অপরাধের জন্য বড় শাস্তি মেনে নেয় কিন্তু মানুষ তার অপরাধ না করে শাস্তিকে চরম ঘৃণা করে। এসব রেকর্ড আমদের দেশে রাখা হয়না ।কিন্তু উন্নত বিশ্বের ক্রাইম রিপোর্ট গুলো ঘেটে দেখবেন ,এই মানুষ গুলো জীবনের অন্য কোন না কোন বড় অপরাধের সাথে জড়িয়ে যায়। আর দীর্ঘ দিনের পোষা ঘৃণা তাকে অমানবিক করে তুলে। একটা গামছা তো দূরে থাক ,একটু স্নেহের কথা দিয়ে বিনা অপরাধে শাস্তি পাওয়া মানুষ বিক্রি হয়ে যায়। আর প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এভাবেই বিরুধীতা করার মাধ্যমে মানুষ প্রতিশোধ নিতে থাকে সেই বিনা কারনে তাকে শাস্তি দেওয়া মানুষ ,দল বা শ্রেনী বা সরকারের বিরুদ্ধে । সাধারন মানুষ কিন্তু প্রতিশোধ নেয় এভাবেই । তাই এসব পথ সব সরকারের এড়িয়ে যাওয়া উচিৎ । যদিও সরকার চায় ,নিরীহ মানুষ যেন কষ্ট না পায়। কিন্তু পুলিশের পক্ষে সম্ভব হয়না এত নিখুঁত ভাবে খুজে বের করা কে নিরীহ। এটা আসলেই অসম্ভব কঠিন । নতুন ভাবে ভাবা উচিৎ বা খুজে বের করা উচিৎ নতুন কোন পথ । আমরা আশাবাদী সরকার সাধারন মানুষের বিষয়ে আরো মনোযোগী হবে ।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:৫২
নোমান ভাই। খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন।
আমি আসছি আপনার কাছে
-----------চা খান আর--------
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:১০
আর প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এভাবেই বিরুধীতা করার মাধ্যমে মানুষ প্রতিশোধ নিতে থাকে সেই বিনা কারনে তাকে শাস্তি দেওয়া মানুষ ,দল বা শ্রেনী বা সরকারের বিরুদ্ধে । সাধারন মানুষ কিন্তু প্রতিশোধ নেয় এভাবেই । তাই এসব পথ সব সরকারের এড়িয়ে যাওয়া উচিৎ ।

নোমান ভাই। আপনার যুক্তিগুলোই আমি লেখাটিতে ব্যক্ত করবার চেষ্টা করেছি। সাধারণ মানুষ অতি অল্পে কারো প্রতি ঝুঁকে যায়। বিশেষত নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষগুলো। এখানে আদর্শ সেভাবে কাজ করে না। কামাল ভাই উনার এঙ্গেল থেকে উনার কথা বলেছেন। আমি সেখানে ভিন্নমতটা তুলে ধরিনি কারণ, দেখলাম, মৌলিক ইস্যূতে ভিন্নতা নেই, সে জন্যে।

আবারো ধন্যবাদ নোমান ভাই
---------
pramanik99 শ‍হীদুল ইসলাম প্রামানিক২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:৪৭
নিরীহ যে ছেলেগুলোকে শিবির কর্মী সাজিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে, দেখা যাচ্ছে, খোঁজে খোঁজে তাদের দায়িত্ব নিচ্ছে শিবির।

ভাইরে একদম সত্য কথা বলছেন।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:৫৪
অতি নিরীহটাইপ এই সত্য কথা যদি সরকারের এতো বড় বড় মাথাওয়ালা নেতারা না বুঝেন, তাহলে কী আর করা!
সালাম শহীদুল ভাই------------------
SAYEDAALI ছায়েদা আলী ।২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:৫৩
নিতিহীন কথাই এখন রাজনীতির মূল কথা ।
সুতরাং নো কমেন্ট

সালাম
আছেন কেমন বেয়াই সাব
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২১:৫৮
নীতিহীনতাই যদি রাজনীতির মূল কথা হয়ে যায়, তাহলে জাতি হিসেবে আমাদের আতংকিত হবার যথেষ্ট কারণ রয়েছে । নীতি আর নৈতিকতা বিবর্জিত জাতি কখনো আত্মনির্ভর হয় না। হতে পারে না---------------------


ওয়া..................ম
জি বেয়াইন, ভাল আছি, আলহামদুলিল্লাহ।
আপনি ভার তো? আর সুহা? জ্বর কমছে তো পুরোপুরি
SAYEDAALI ছায়েদা আলী ।২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:০৩
নীতি আর নৈতিকতা বিবর্জিত জাতি কখনো আত্মনির্ভর হয় না। হতে পারে না-


সুহা ভালো আছে
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:১৩
নীতির প্রতি প্রীতিটা জন্মাক জনে জনে
mmi007 মনিরুল ইসলাম (মনির)২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:১০
আমার মনের কথা গুলো পোষ্টে উঠে এসেছে। অসম্ভব সুন্দর পোষ্ট ।
অসংখ্য ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় রশীদ জামীল ভাই।

দাড়ি চুল কাটার ব্যাপারে উদাসিন হওয়ার কারনে (দাড়ি একটু বর হলে মনে হয় এই কারনে) অনেকবার তল্লাশির শিকার হয়েছি।

ভাই নোমান সারকার
আপনার প্রত্যেকটা কথার সাথে সহমত
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:১৭
তল্লাশির শিকার হয়ে আপনি পার পেয়ে গেছেন, শোকর আদায় করেন।
অনেকে কিন্তু তাও পাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে আপনি ভাগ্যবান ভাবতে পারেন নিজেকে।


অনেক ধন্যবাদ মনির
---------অহর্ণিষ ভাল থাকুন।

---------------
mukto75 মুক্তমন৭৫২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:১৮
রশীদ জামীল ভাই,

সালাম রইলো। সুন্দর একটি বিষয়ে লিখেছেন আপনি, এজন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই। শুধুই জামাত শিবিরের এই রাজনীতিকে নয়, ব্যাক্তিগত ভাবে ঘৃণা করি বাংলাদেশ সহ সমগ্র পৃথিবীতেই সকল প্রকারের ধর্ম নিয়ে যেই এই কাজ যেই করুক না কেন, তাঁর প্রতিও ঘৃণা ছাড়া আর কিছুই না।

ধর্ম ধর্মই, সেখানে রাজনীতি বা ব্যাবসা আসতে পারেনা কিছুতেই।

আর সাধারন জনগনের সংগে সরকারের এই জামাত-শিবির নাটক নাটক খেলার তীব্র নিন্দা জানাই আমি।

রাজনীতিকে ঘৃণা করা কোনো সমাধান নয়, বরং ভালো ভালো মানুষকে এখানে সম্পৃক্ত করতে পারলে আমাদের মতো সাধারন মানুষেরই আখেরে অনেক লাভ হবে। আমাদের রাজনীতিতে সৎ লোকের অনেক অনেক অভাব। এই অভাব দূর করতে পারলে একদিন আমাদের সন্তানেরাই ভালো একটি দেশ পাবে আমাদের থেকেই। তাই বলে রাজনীতিকে ঘৃণা করে আমি হাত গুটিয়ে থাকলে কি কোনো লাভ হবে?
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩৮
শুভেচ্ছা মুক্তমন
কেমন আছেন?
কৃতজ্ঞতা লেখাটি পড়ার জন্য
--------------------------

আচ্ছা আপনি আমার পরিচয় জনেন তো? পরের কথাগুলো যেভাবে বলবো, সেভাবে বুঝবার জন্য পরিচয়টা জানা দরকার। আমি কিন্তু কোনো রাজৌনতিক দরের সাথেই যুক্ত নেই। এক কথায় আপনি আমাকে আম জনতা বলতে পারেন। অতি নিরীহ টাইপ।

ধর্ম ধর্মই, সেখানে রাজনীতি বা ব্যাবসা আসতে পারেনা কিছুতেই।

ঠিক এখানটায় আমি আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না। রাজনীতিতে ধর্মের প্রবেশাধিকার(মনে করা যাক) বন্ধ করে দেয়া হলে অবস্থা কী দাড়াবে দেখেন, মাত্র ২টা কারণ বলি।
১, অবধারিতভাবেই স্বীকার করতে হবে ধর্মে রাজনীতি নেই। তার মানে এই একটি ব্যাপারে ধর্মে কমতি রয়ে গেছে।
২, ভাবতে হবে রাজনীতি অপবিত্র ব্যাপার, তাই ধর্মকে এখানে এনে অপবিত্র করা ঠিক হবে না!
----------------অথচ, বাস্তবতা কি তাই?

দেখুন, ধর্ম স্বস্থানে ঠিকই আছে। ধর্মকে ব্যবহার করলে সেটা রাজনীতিতে যেমন অন্যায় , মসজিদে/মন্দিরে করলেও তাই। তার মানে এটা নির্ভর করছে ব্যক্তির উপর। তাই না!

------------নিন , চা খান
mukto75 মুক্তমন৭৫২৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৫৮
ধর্ম স্বস্থানে ঠিকই আছে। ধর্মকে ব্যবহার করলে সেটা রাজনীতিতে যেমন অন্যায় , মসজিদে/মন্দিরে করলেও তাই। তার মানে এটা নির্ভর করছে ব্যক্তির উপর।
কথাটা খুব ভালো বলেছেন তো! খুব সুন্দর লাগলো কথাটা।

আর হ্যা, একটু দেরী হয়ে গেলো, কিন্তু চা তো একদম ঠাণ্ডা হয়ে গ্যাছে!!
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:১২
আবার আসলে আওয়াজ দিয়েন।
চুলায় চায়ের পানি বসানো আছে।
mukto75 মুক্তমন৭৫২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:১৯
আইছিলাম মিয়া ভাই, তয় এতই তাড়া আছে যে থাকবার পাইতাছিনা। ভালা থাইকেন ভাইজান। সময় পাইলে এর পরের বার চা খামুনে। আপনের ভাবীজান চালাক মানুষ ছিলো, তিনি তাঁর ভাগেরখান ছুরুত ছুরুত করে খেয়ে ফেলে সময়মত চলেও গিয়েছেন -
ভালো থাকবেন প্রিয় রশীদ জামীল ভাই। শুভকামনা।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:২৬
অকে তাহলে।
আল্লাহ হাফিজ।
শুভ ভাসাভাসি
------------------
saddobesi123 ছদ্মবেশী২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:২১
মেবাই,
অনেক বড় পোষ্ট পড়তে গেলে চোখে ঠাহর শক্তি হ্রাস পায় , তবুও ভালো লেখা বলে পড়তে হলো।

আচ্ছা সামনে কি দেশে আবার দুর্দিন ডেকে আনা হচ্ছে না তো?
আমার ভয় ভয় লাগছে এবং সরকার কি নিজের ফাঁদে নিজেই বন্ধী হয়ে যাচ্ছে না তো?
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:৪১
সামনের দিন নিয়ে আমরা সকলেই উৎকণ্ঠিত
কী যে আছে দেশের কপালে

দেশটিতে কি কখনো শান্তি স্থায়িত্ব পাবে না
saddobesi123 ছদ্মবেশী২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:৪৮
দেশটিতে কি কখনো শান্তি স্থায়িত্ব পাবে না
কি দরকার অশান্তি নিয়েই তো ভালো আছি শান্তি দিয়ে কি হবে।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:১১
তাও কথা ----------
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:৩৫
ব্যাক্কেল আর মূর্খর মাঝে পাথক্য কি?

মূর্খ নিজেরে বেশি ঙ্গানি মনে করে,আর বেক্কল মনে করে তার আক্কেল সবচায়তে বেশি।

মূল কথা হল এমন লোক ক্ষমতায় থাকলে দেশের এ অবস্থা হবে এটায় স্বাভাবিক।

আসুন আমরা ধ্বংশের বাণী প্রচার করিআর বলি আওয়ামলিক বিএনপি এবং তাদের শরীক চামচা দয় ধ্বংশ হউক।নতুন দল চায় ,তা ছাড়া মুক্তি নায়
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:৪৫
আরে আরে! তুমি।আপনি না চান্দের দ্যাশে আছিলা/আছিলেন।
কবে ভূ পিষ্টে অবতরণ করিলে?করিলেন

তবে কথা ক্ইছো/ইছেন বহুত গিয়ানি
তোমার/আপনার কথা মিছাইতাছিলাম

---------চা
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:০০
জি চান্দের দেশ থেকে psc পরীক্ষার অগ্রীম প্রশ্ন পত্র সংগ্রহ করিয়া তা পরীক্ষা সংগঠিত হওয়ার এক দিন আগেয় ব্লগে প্রকাশ করিতে সক্ষম হয়েছি..........................

তায়তো আমি বহুদিন পর শেষ বারের মত আবারো আসিয়াছি....ছাত্র ছাত্রিদের উপার করতে।
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:১০
হ্যা, তোমার কেরামতি আমি দেখিয়াছিলাম। অবাক হইনি।
এই না হলে তুম----------বহত কামকে আদমি

এই জন্যই তো তোমারে খুঁজি
----------------ছাত্রছাত্রীদের কথা ভাবিয়া এইবার থাকিয়াই যাও
তুমি না থাকায় অনেক মিস করছিলাম সবাই।
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৩৫
তায়লে একটা গান ধরেণ.............

বন্ধু রঙ্গীলা ,রঙ্গীলা,রঙ্গীলা....রে...রঙ্গীলা
আমরারে ছাড়িয়া বন্ধু কয় গেলা রে.....
কই গেলারে..বন্ধু কই রইলারে.......
বন্ধু রঙ্গীলা ,রঙ্গীলা,রঙ্গীলা....রে...রঙ্গীলা

তুমি হইলারে চানরে বন্ধু আমি গাঙ্গের পানি
জোয়ারে ভাটাতে হবে নীতি জানা জানি রে.....নীতি জানা জানি
তুমি হবে ফুল রে বন্ধু আমি হব হওয়া
দেশ বিদেশে ফিরবো আমি হইয়া পাগেলা রে ,হইয়া পাগেলা....
সে কালে কয় ছিলা বন্ধু হস্ত দিয়া মাঠে
তুমার মালার ফুল হইয়া ...ফুইটা রব সাথে
খালি কন্ঠ খালি রইল না পরিলাম মালা
না এলো মোর প্রাণের পতি ....ডুইবাগেল বেলা

বন্ধু রঙ্গীলা ,রঙ্গীলা,রঙ্গীলা....রে
আমরারে ছাড়িয়া বন্ধু কয় গেলা রে..............


মূল কথা আমি এখন অনেক সুস্থ এবং স্বাভাবিক বালক।দেশ ও জাতির জন্য সত্য সত্যয় কিছু করার ইচ্ছা আছে।ব্লগিং করে কোন লাভ নায়;ব্লগিং এ কোন মজাও পাচ্ছি না।...তবে ব্লগারদের কথা মাঝে মাঝে মনে পড়ে..................


পরিশেষে আপনার লেখাটি কোন কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে....তাত বলেন নি?...................
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৪৪
মাইগো মাই, আতা কিতাগো

ও লজ্জু, এই জন্যই তো তোমারে মিসাই।
এইবার থাইকাই যাও------

আচ্ছা, না এলো মোর প্রাণের পতি ....ডুইবাগেল বেলা........এইখানে প্রাণের পতি বোল্ড করিয়া দিবার হেতু কি? বিশেষ কোনো সু-ঘটনা আছে নাকি----------

দৈনিক সিলেটের ডাক

দি সানরাইজ টুডে

-----------------চা খাইবা
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৫৩
সাংবাদিকদের/ব্লগারদের এই এক সমস্যা খালি হেতু খুজে................

কোন হেতু নায়।এখন আমি ঘুমাতে যাব।কাল কলেজে ক্লাস আছে।

১ বছর না হউক অন্তত ৬ মাস আর ব্লগে আসবোনা।বিদায় ভালো থাকুন...সুখে না থাকলেও চলবে।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:০৬
৬ মাস তোমারে না দেখিয়া ক্যামনে থাকুম গো লজ্জু
-----------------------
imran121 দিশেহারা জীবন২৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:১৮
সব পড়া হয় নি, সময়ের অভাব!
পরে পড়ে বিস্তারিত মন্তব্য করব...
Rjamil রশীদ জামীল২৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২৩
অকে, সময় করে পড়লেই হবে, অবশ্য ততক্ষণ যদি পড়ার উপযোগ থাকে আর কি!
শুভেচ্ছাটা এখনই জানিয়ে রাখলাম, ঠিকাছে?

--------------
apeLKhondoker আপেল খন্দকার২৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৩৮
লেখাটি পড়ে ভাল লাগল রশীদ জামীল ভাই। তবে এখন আর এসব লেখা পড়ে মনে কোন আশার সঞ্চার হয় না।
কারণ এক সময় কোন এক স্বৈরাচরীকে উপাধি দেওয়া হয়েছিল "বিশ্ব বেহায়া" এখন প্রায় সব রাজনীতিবিদদেরই টাইটেল এটা। কাজেই শুধু লেখা কেন আরও বেশি কিছু করেও এদের চৈতন্য ফেরান যাবেনা, শুধু মনের কষ্টটুকু হয়তো দূর হবে।এ প্রসঙ্গে অনেকদিন আগের একটা ঘটনা উল্লেখ না করে পারছি না-

তখন আমি আইন পড়ি, কোন এক রাজনৈতিক সংগঠনের কিছু নেতা এসে তাদের সংগঠনে যোগ দিতে বলল। আমি বললাম "ভাই আমি আপনাদের আদর্শে বিশ্বাসী না"। প্রতিত্তুরে তারা বলল আদর্শ, নীতি কোন বিষয় না যদি সহজে পাশ করতে চান, সহজে সনদ চান তবে কোন না কোন দলের পতাকা তলে আপনাকে থাকতে হবে, না হলে জীবনে উন্নতি করতে পারবেন না।

তাদের আরো কথা শুনে স্পষ্ট বুঝলাম, হাই কমাণ্ড থেকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে; নীতি, আদর্শ বিবেক বিসর্জন দাও, আমাদের কথায় "জি হজুর বল" তাহলে উন্নতির সহজ পথে হাটার সুযোগ দেব।

এই যদি হয় প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের হাই কমাণ্ডের চাওয়া, তা হলে সে দেশের অবস্হা যে এর চেয়েও খারাপ হয়নি, তার জন্যই আমাদের শুকরিয়া করা উচিত।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:০৩
সালাম আপেল ভাই।
ভাল লাগছে আপনাকে দেখে।
অনেক দিন পর দেখলাম আপনাকে।
শুভেচ্ছা নিন---------------------

স্বৈরাচরীকে উপাধি দেওয়া হয়েছিল যাকে, "বিশ্ব বেহায়া"

এক লোক আরেকজনকে খাটো করবার জন্য বলছিলো, গেলো রাতে আমি একটি স্বপ্ন দেখলাম।
কী দেখলা?
দেখলাম, আমি আর তুমি একটি বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাচ্ছি। নিচে ডান দিকে দুধের পুকুর, বামে ময়লার। হঠাত তুমি ময়লার পুকুরে ডুবে গেলে আর আমি ডুবে গেলাম দুধের পুকুরে।
তারপর---------?
তারপর ঘুম ভেঙে গেলো আমার।
দ্বিতীয় লোকটি তখন বললো, কী আজব ব্যাপার। দুজনেই তাহলে একই স্বপ্নই দেখলাম!
তুমিও এটা দেখেছো নাকি?
হ্যাঁ,
তাহলে তো বুঝতেই পারছো আমি সত্যি বলছি !
একদম সত্যি। তবে আমার তোমার ঘুম ভেঙে গেলেও আমি কিন্তু স্বপ্নটা আরো কিছু সময় দেখেছি।
তুমি আরো কী দেখলে?
আমি দেখলাম, তারপর দুজনেই উঠে দাঁড়িয়েছি। আর একে অপরের শরীর চেটে খাচ্ছি !!!

হায়রে রাজনীতি!
-------------------
apeLKhondoker আপেল খন্দকার২৪ নভেম্বর ২০১২, ০১:১১
রশীদ জামীল ভাই, অধমকে মনে রাখায় আপনার জন্য আন্তরিক ভালবাসা।

ব্লগের অবস্থা দেখে কিছু ভাল লাগেনা, ব্লগেও আসতেও ইচ্ছে করেনা। আর চারিদিকের নৈরাজ্যকর অবস্থা দেখলে শুধু "হীরক রাজার দেশে"র একটা গান মনে হয়, আশা করি গানটি আপনিও শুনেছেন--

"কতই রঙ্গ দেখি দূনিয়ায়,
ও ভাইরে ও ভাই,
কতই রঙ্গ দেখি দূনিয়ায়,
আমি যেই দিকেতে চাই,
দেখে অবাক হয়ে যাই
আমি অর্থ কোন খুঁজে নাহি পাইরে
ভাইরে ভাইরে, কতই রঙ্গ দেখি দূনিয়ায়.........."
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০১:১৮
আবার আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি আপেল ভাই।
নিন, একটু চা খেয়ে নিন আগে
-----------------

ভাই, ঠিকই বলেছেন আপনি। ভাল লাগে না আর। যা অবস্থা। "হীরক রাজার দেশে"র রাজা মশাইও যদি আমার দেশে এসে এই হিজিবিজি অবস্থা দেখেন, তাহলে সম্ভবত তিনিও হার্ট এটাক করবেন। কী যে হবে হতভাগা এই দেশটার ! ঈশানে কালো মেঘের ঘুরাঘুরি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। শংকিত হয়ে আছে সাধারণ জনগন। ভাবছে, উপায়, উত্তরণের। হতাশা কাবু করে ফেলছে। সহসাই চোখে পড়ছে না কিছু
hasirraja হাসিররাজা২৩ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৫৯
পুরাডা এহনো পড়ি নাই, শিরোনাম কেবল দেখলাম। স্যাস অইলে কইতাছি।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:০৪
সুকে। তা আইজ রাইতেই কি শ্যাষ হইব পণ্ডিত
hasirraja হাসিররাজা২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:২১
ইনশাল্লাহ, সরবাত্তক চিস্টা করা হইবেক
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:২৫
চিষ্টায় কোনো তুরুটি দেখিত হইলেই
dollar জিনজির২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:০২
কি থেকে যে কি হচ্ছে, বোঝা যাচ্ছে না। চারদিকে স্বার্থের এত এত হাত ছানি, সত্যকে খুঁজে পাওয়াই মুশকিল। কথাগুলো খুবই সত্যি। ভাল বলেছেন। শুভকামনা প্রিয় রশীদ ভাই।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:০৯
শুভেচ্ছা জিনজির। তোমার তো আবার আইডি কার্ড বাসায় রাইক্যা বাইরে যাওনের ব্যারাম আছে।
এইটা যেনো আর না হয়। কখন কোনসুম যে পথ আগলে দাঁড়ায়, কার্ডটা পকেটে রাইক্যো।
ভালা একখান বুদ্ধি দিছি না-----
dollar জিনজির২৫ নভেম্বর ২০১২, ০০:০৭
কথা সত্য!!! জ্বালায় আছি আইডি কার্ডটা নিয়া!!! ভাল বুদ্ধি দিছেন, এহন থিক্কা গলায় ঝুলায়া রাখন লাগব। নাইলে কহন কুন বিফদ সামনে আহে আল্লাই জানে, যা দিন রাইত পরছে!!!! ধন্যবাদ বুদ্ধির জন্য।
Rjamil রশীদ জামীল২৫ নভেম্বর ২০১২, ০০:২৩
লিমিনিটিং কুরাইয়া রাইক্য, বিশটি বাদলার দিন
dollar জিনজির২৫ নভেম্বর ২০১২, ০০:২৮
আমার আইডি কাট টা ফেলাষ্টিকের!!! ছিন্তা লাই!!!!!
Rjamil রশীদ জামীল২৫ নভেম্বর ২০১২, ০২:৫৩
তে ঠিকাছে, টেনশনিত হইবার কুনু কারণ নাই
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:০২
পড়লাম । অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট । কিন্তু এসব নিয়ে লিখে কি কিছু হয় । সরকার জা চায় তা তার করতেই হয় । তাতে জনগণের ক্ষতি হলেই বা কি ?
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:১০
সরকার জা চায় তা তার করতেই হয় । তাতে জনগণের ক্ষতি হলেই বা কি ?

তাহলে জনগন যাবে কই
Srm123 মানচেষ্টার২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:৩৭
যে দেশে রাজাকারের গাড়িতে জাতীয় পতাকা ওড়ে, সেদেশের কাছে আমার আর চাইবার কিছু নেই।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:৩৮
শুভেচ্ছা সামি।
--------------
KohiNoor মেজদা২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:৫০
আমার ছেলে নামাজ পরে নিয়মিত আবার শখ করে এক ধরণের দাঁড়ি রেখেছে। ওর ভয় নাই কেননা সে কোন রাজনৈতিক দলের সাথে একদম সম্পর্ক নাই। তারপর আমি বলছি বাবা, তোমার শখ পরে পুরন করো কারণ আমি ভয়ে থাকি। অথচ আমি একদম রাজাকার-আল বদর- শিবির দেখতে পারিনা। কি যে বিপদ।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০০:৫৬
ওর ভয় নাই কেননা সে কোন রাজনৈতিক দলের সাথে একদম সম্পর্ক নাই।

এমন যারা, ভয়টা তো ভাইজান তাদেরই বেশি। কারণ, যারা ওসব সংগঠনের সাথে আছে, তারা এটাও জানে কখন কেমনে নিরাপদে থাকতে হয়। আর যারা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে নেই, তারা তো লোকোচুরি করে না। আর তারাই পড়ে বিপদে। এটাই আজকের বাস্থবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সালাম কোহিনুর ভাই
আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে হেফাজতে রাখুন।
meherajsarmin1 পাহাড়ী২৪ নভেম্বর ২০১২, ০১:৫১
আগে আমার চোখে পড়েনি পোস্ট টা । এখন পড়লাম অনেকক্ষণ ধরে।। বেশ মনোযোগ দিয়ে।।

প্রতিবাদ জরুরি ছিলো ... পরিস্থিতির কতটুকু হেরফের হয় সে ভবিষ্যতের দিকে ছুঁড়েই দিলাম । পরিবর্তন তো অপরিহার্জ ।

ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দরভাবে কিছু বিষয় তুলে ধরার জন্য
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০১:৫৫
শুভেচ্ছা পাহাড়ী।
----------------

আইনের শাসনের জয় হোক।
সাধারণ মানুষ শান্তিতে থাকার অধিকার পাক
imran121 দিশেহারা জীবন২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:০০
আইনের শাসনের জয় হোক।
তা আমি কখনো আশা করি না!
কারণ এই আশা করলে আমাকে নিরাশ হতে হবে...
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:০৩
নৈরাশ্যে যেহেতু লাভ নেই কোনো, তাহলে নিরাশ হয়ে লাভ কি রে ভাই?
এ জন্যই আমি হতাশ তবে নিরাশ নই
imran121 দিশেহারা জীবন২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:০৬
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:১৬
imran121 দিশেহারা জীবন২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:৩৯
জনাব
সালাম নিবেন।
আশাকরি আমার উক্তি বা উত্তরগুলো ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে বিশ্লেশন করবেন...


জামাতের সাথে কোনো আলোচনা নয়। আগে তাদের সাইজ করা তারপর অন্যকথা।

উত্তর; আপনি জানেন যে আমি সব সময় রাজনীতিবিদদের অসভ্য বলে বলি ?
কি কারণে বলি তা আপনি এই কথা থেকেই বুঝতে পারবেন বলে মনে করি...
সভ্য মানুষের মুখে এ ধরণের বাক্য বের হয় কেমন করে



নিরপেক্ষ বিচারিক রায়ে তারা দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ সর্বোচ্চ শান্থি দেয়া হোক তাদের।

আপনার কি ধারণা ? তারা কি অপরাধী ?
মিডিয়া কি বলছে ?
সরকারতো বার বার বলছে যে ওরা অপরাধী!
এমনকি কিছু কিছু মিডিয়াও বলছে।
তাহলে বিচার করতে এত দেরি কেন ? আর বিচারের আগেই রায় দেওয়া কেনো?



পুলিশ শিবির ধরছে কিন্তু দেখা যাচ্ছে যাদের ধরা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশ শিবির তো কি, কোনো রাজনৈতিক দলের সাথেই তাদের সম্পৃক্ততা নেই।

আপনার কি ধারণা পুলিশ কি না বুঝে ধরছে ? কি মনে করেণ আপনি ?
কোন রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত আছে এমন কাউকে সহজে ধরা যায় না। ''উপরের নির্দেশ, যেভাবেই হোক সেঞ্চুরি করতে হবে। সো...
আর এখানে আরেকটা বানিজ্য আছে জানেন ? কোন রাজনৈতিক নেতাকর্মিকে ধরলে কিছু মিলবে না। কোন সাধারণ ঘরের সন্তানকে ধরলে মিলবে। কারণ তাদের সম্মান বলতে কিছু একটা আছে। লোক মুখে যাতে না শুনতে হয়- ''তোমার পোলা জেল খাটছে? ছি: ছি:''
এই সব থেকে রক্ষা পেতে টাকা ঢালতে হয় জনগণের বন্ধু পুলিশের ফান্ডে!


একটি গণতান্ত্রিক দেশে, একটি সভ্য দেশে এই অবস্থা চলতে পারে না।

আপনি এ দেশকে গণতান্ত্রিক বলছেন কি ভেবে ?
শুধু ভোট দিয়েই কি গণতান্ত্রিক অধিকার আদায় করা ?

নুর হোসেন মৃত্যু দিবস! একজন এরশাদের জন্য একটি ছেলের মৃত্যু!
সেই মৃত্যু দিয়েই কি গণতন্ত্র আদায় করা হয়েছে ?
তাহলে যে বর্তমান দু'দলের রাজনীতি নামক অসভ্যতার জন্য এত লাশ পড়ছে, এটিকে কি বলবেন ? গণতন্ত্রের জন্য এখনো লাশ আর লাশ ??

আমি গণতন্ত্র্র নামক অদৃশ্য দানব থেকে মুক্তি চাই......


আমরা বিশ্বাস করি অপরাধীর হাত আইনের হাত থেকে লম্বা নয়। আমরা বিশ্বাস করতে চাই পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ভেতরে থেকেও এই কাজটি কেউ করে না।

আপনার এ বিশ্বাস বা ধারণা একদম ভুল! দেশে কত খুন, ধর্ষণ, গুম, ইত্যাদির মত কান্ড ঘটছে। কয়টির বিচার হয়েছে বলে আপনি খবরে দেখেছেন ? আর আপনি বলছেন -অপরাধীর হাত আইনের হাত থেকে লম্বা নয়....

সে বিশ্বাস থেকে সরে আসুন....


তবুও ধন্যবাদ পুলিশকে, তৈরি কোনো মামলায় না জড়িয়ে ফিফটি ফোরেই গ্রেফতার দেখিয়ে চালান করেছিলো বলে রক্ষে।

এটি একটি খেলা। যা তারাই খেলোয়াড় আর আমরা দর্শক।


পরদিন শনিবার থাকায় আরেকদিন থাকতে হলো তাদের। আদালত রোববার জামিন মঞ্জুর করে মুক্তি দিয়েছেন তাদের। কৃতজ্ঞতা বিজ্ঞ আদালতের প্রতি। কিন্তু এই যে অকারণে দুদিন কাটাতে হলো তাদের কারাগারের অন্ধকারে, খরচ হলো হাজার বিশেক টাকা, তার কী হবে!



আপনি আদালদের প্রতি কি ভেবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ?
আদালত তাদের জামিন দিয়েছে বটে, কিন্তু তাদেরকে যে গতরাত কষ্ট-যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছে তার কি কোন বিচার পেয়েছে সে ? সেই আইন কি এদেশে করা হয়েছে যে, নিরিহ মানুষকে হয়রানী করা হলে শাস্থি পেতে হবে?



যে দেশে রাজাকারের গাড়িতে জাতীয় পতাকা ওড়ে, সেদেশের কাছে আমার আর চাইবার কিছু নেই।

এটি আর তেমন কি ?
আমাদের ''ম্যাডাম'' যে ''দেশনেত্রী'' খেতাব পেয়েছেন তা তো এমনি পান নি...
ওদের ছাড়া কিভাবে এতদূর আসা যায় বলুন...?
আর তিনিইতো তাদের ঐ পতাকা টানানোর সুযোগ করে দিয়েছেন। এই না হলে '''দেশনেত্রী'''


সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নির্বাচনি ইশতেহারের এক নাম্বার ধারা ছিলো এমন, ‘আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় গেলে কোরআন ও সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন প্রনোয়ণ করবে না।’ সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনেও প্রায় একই সুরে কথা বলেছে আওয়ামীলীগ। ২০০৮ এর সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নির্বাচনি ইশতেহারে বলেছিলো, ‘ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় গেলে কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন প্রনোয়ণ করা হবে না অথচ আমরা কী দেখলাম! কোরআন সুন্নাহ বিরোধী আইন তো কী, মহান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’র কথাই মুছে ফেলা হলো সংবিধানের মূলনীতি থেকে! কী কথা আর কী কাজ!

এটি হল আওয়ামীলীগের সবচেয়ে বড় সাফল্য!!
ধর্মের বাণী তারা তৈরি করে...

''চুরের মায়ের বড় গলা'' বলে একটা কথা আছে না ? তা এতেই বুঝা যায়.....
আর ধর্ম বিদ্বেশ কে করছে তা এখানেই প্রমাণ হয়ে যায়...



অবশ্য জাতীয় সংসদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর হয়ে একটা ব্যাখ্যা দেবার চেষ্টা করেছেন। তবে যে ভাষায় জবাব দিয়েছেন তিনি, অর্থাৎ জবাবের জন্য যে শব্দগুলো চয়ন করেছেন, তাতে দুঃখ পেয়েছে এদেশের ১৪ কোটি মুসলমান। তিনি বললেন,“ প্রধানমন্ত্রী কথার ছলে এই কথাটি বলেছেন। তিনি বলেছেন,

তারা(জামাত)বলেন, অমুকের আইন চাই তমুকের আইন চাই, যদি লাফালাফি করেন, দেখি সেটা প্রয়োগ করে।” উল্লেখ্য যে, জামায়াতে ইসলামীর স্লোগান হচ্ছে, আল্লাহর আইন চাই, সতলোকের শাসন চাই। এখানে আল্লাহকে অমুক-তমুক শব্দের মাধ্যমে তাচ্ছিল্য করে মুসলমানদের অন্তরে আঘাত করেছেন মতিয়া আপা। তিনি যদি মন থেকে এটি না বলে থাকেন, তাহলে তাঁর উচিত আল্লাহর কাছে তওবা করা আর একজন মুসলমান হিসেবে মুসলিম জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করা।


ওনি হলেন আরেকজন। যার মাথা সব সময় কাপড় দিয়ে ঢাকা থাকে!
আর নিজ্ব উদ্ভোদ বাণী নিয়ে ধর্মের বাণীকে ঢেকে রাখেন।


“তোমরা কি কোরআনের কিছু অংশ মানবে আর কিছু অংশ মানবে না!” তা হবে না। মানলে পুরোটাই মানতে হবে। অতএব শুধু একটি বিচারের জন্য শরীয়াহ আইন তথা কেসাস ফর্মূলা অ্যাপ্লাই করার কোনোই সুযোগ নেই।

ধর্ম হল আওয়ামীলীগ-বিএনপি ও জামায়াতের একটি লাঠি!
যা দিয়ে তারা যুদ্ধ করে, মানুষ হত্যা করে।
আর সময় হলে ধর্ম দিয়ে মুখ ঢাকে!
এরা বে-ধর্মী!


আসা যাক দেশের প্রচলিত আইনে। আইন কী বলে? আমাদের সংবিধান কী বলে? সংবিধান কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই ইচ্ছা পূরণ করার অনুমতি দেয়? আমরা যদ্দুর জানি, আগেই এই সুযোগ ছিল না। যাও একটু ফাকফোকড় ছিলো, সর্বশেষ সংশোধনীর মাধ্যমে সেগুলোও বন্ধ করবার চেষ্টা করা হয়েছে। (চেষ্টা করা হয়েছে বললাম কারণ, বর্তমান সংবিধানে পরষ্পর বিরোধী অনেক ধারা আবি®কৃত হয়েছে)। মূলনীতি থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে মহান আল্লাহর উপর থেকে আস্থা ও বিশ্বাসের কথা। প্রস্তাবনা অংশ থেকে মুছে ফেলা হয়েছে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীমকে। আর বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী তো এটা করার সুযোগও নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে এটা জানেন না, এটা মনে করারও কোনো কারণ নেই। তাহলে কী দাঁড়ালো? প্রধানমন্ত্রী কী নিছক তামাশা করার জন্য এটি বললেন? হয়ে থাকলে দুঃখজনক! কথাবার্তায় আরো সতর্কতা কাম্য।

আইন নিয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না। কারণ, আমি আইনের বেশী কিছু জানি না।
বেশ কযেকদিন আগে মিডিয়ায় দেখেছিলাম- বিনা দুষে ১১ বছর জেল!!
ঐ ব্যক্তিকে কোন ভাবে আইনি সহায়তা দেওয়া হয়নি বা সরকার থেকে কোন সাহায্য করা হয় বলে জানি। (যদি হত তাহলে মিযিয়া খবর পেতাম)
এই হল স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আইন.......


নিরীহ যে ছেলেগুলোকে শিবির কর্মী সাজিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে, দেখা যাচ্ছে, খোঁজে খোঁজে তাদের দায়িত্ব নিচ্ছে শিবির। প্রথম দিনেই তাদের জন্য লুঙ্গি গামছা বরাদ্ধ হয়ে যাচ্ছে দলীয়ভাবে। তাদের মামলা পরিচালনার দায়িত্ব সেচ্ছায় গ্রহণ করে নিচ্ছে ছাত্র শিবির। এতে করে গ্রেফতার হওয়া সাধারণ এই ছেলেরা মানবিক কারণেই ঝুঁকে পড়ছে শিবিরের দিকে। তারা ভাবছে, বিপদের সময় যারা পাশে এসে দাঁড়ালো, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা বলেও একটা ব্যাপার আছে। কিছু কিছু ছেলেদের মাঝে আবার একটি জেদও চেপে বসে, শিবির না করেও যখন শিবির হিসেবে জেল খাটকে হচ্ছে, তাহলে এখন থেকে শিবিরই করবো। এতে করে কিন্তু দলগতভাবে শিবিরকেই শক্তিশালী করা হচ্ছে। ব্যাপারটি কি সরকারের মাথায় আছে?

এই হল শিবির! যারা বলে আল্লাহু আকবর!
ধর্ম হল এদের প্রধান হাতিয়ার।
আর অর্থ হল এদের ২য় হাতিয়ার।

এরা কিছু মানুষকে সাহায্য করে অর্থ দিয়ে। আর রাজনৈতিকভাবে ব্যয় করে ধর্ম।

আর বলতে ইচ্ছে করছে না..

তবে যা বলার মূল উদ্যেশ্য ছিল তা বলি-

আমি সব সময়ই বলি অসভ্যতা রাজনীতিবিদদেরই মানায়....
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা কারণে আমার মনে অদ্ভুদ প্রশ্ন জাগে!!
.... তারা কি এই দেশটারই প্রতিনিধিত্ব করেন ??


জয় হোক অসভ্যতার...
জয় হোক অসভ্যতার....

জয় বাংলা,
জয় আওয়ামীলীগ
জয় বিএনপি
জয় জামায়াত...
জয় অসভ্যতা জয়....


(আশাকরি আমার কথা বুঝতে আপনার কষ্ট হবে না...)

অনেক অনেক শুভকামনা ভাইজান...
ভালো থুকন। আল্লাহ আপনাকে সুস্থ রাখুন সব সময়
এই কামনায়
-......


(বি: দ্র:
আমি আজ থেকে ২০/২৫ অথবা ত্রিশ বছরের আগের কোন রাজনীতিবিদদের উদ্যেশে কথাগুলো বলিনি)
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:৪১




২০১৩ সালের বাকি দিনগুলো মনে হয় লেগে যাবে এই কমেন্ট পড়তে পড়তে
কিন্তু পড়তে হবে। এতো কষ্ট করে লেখা দীর্ঘ কমেন্টটি অবশ্যই পড়ছি।
অপেক্ষা---------------
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:৪২
জামাতের সাথে কোনো আলোচনা নয়। আগে তাদের সাইজ করা তারপর অন্যকথা।

এ ব্যাপরে মাই কমেন্ট ইজ , নো কমেন্ট
ভয় বললে বলতে পারেন।
সমস্যা নাই।
----------------------
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:৪২
আপনার কি ধারণা ? তারা কি অপরাধী ?

না, এখানে আমার ধারণার কোনো মূল্য নেই। বোধ করি কারোই এখানে ধারণা করার কিছু নেই। একাত্তরের অনেক পরে আমার জন্ম। সো, আমি আমার জন্মের আগের কথা ধারণা করে কী করে বলি? তারা অপরাধী কি না, সেটা জানা যাবে বিচারিক রায়ের পর। তার আগে না। এখন যদি আপনি বিচারিক স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠাতে চান, তাহলে সে প্রসংগে আমার কিছু বলার নেই। বিচারাধীন বিষয়ে কথা বলা, আমি যদ্ধূর জানি, ঠিক না। বলবেন, বড়বড় নেতারা তো বলছেন। তারা বড় নেতা। তাদের জন্য বিশেষ ছাড় আছে কি না আমার জানা নেই।

------------আসছি
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:৪৩
কোন রাজনৈতিক নেতাকর্মিকে ধরলে কিছু মিলবে না। কোন সাধারণ ঘরের সন্তানকে ধরলে মিলবে।
--------------- এটা সত্য হতে পারে।

আবার

কোন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মিদের ধরলে কিছু মিলে না!! মানে পকেট ভারি হয় না

---------------------এ জন্য আমি পুলিশকেই শুধু দোষ দিতে রাজি না।
তাদেরকে তো এদেশের রাজনীতি সেভাবেই নির্দেশ করে আসছে, তো.....!!!

মূল সমস্যা হয়েছে এদেশের, নৈতিক অধ:পতন।
নীতি হারিয়ে নৈতিক দেউলিয়া হয়ে গেলে যা হয়, তাই হচ্ছে এদেশে।
শুধু এই সরকারের আমলেই না। আমি বুঝতে শেখার পর থেকেই এমনটা হতে দেখে আসছি

........পরে আসছি আবার
আলাদা আলাদা করেই বলছি রাখেন।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:৪৪
আপনি এ দেশকে গণতান্ত্রিক বলছেন কি ভেবে ?
শুধু ভোট দিয়েই কি গণতান্ত্রিক অধিকার আদায় করা ?


উপরে একটি কমেন্টের জবাবে আমি বলেছে

রশীদ জামীল
২৩ নভেম্বর ২০১২, ২২:০২
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে যে বস্তুটিকে অহর্ণিষ খোঁজে ফিরি আমরা, তার নাম গণতন্ত্র।
জানি না এ কেমন গণতন্ত। এই কি চেয়েছিলাম আমরা?

মানুষকে, মানে আম জনতাকে সতর্ক আর সচেতন হতে হবে।
ঠিক বলেছেন আপনি। এর বিকল্প নেই।


গণতন্ত্রের জন্য এখনো লাশ আর লাশ ??
জবাব তো সেই একই! প্রশ্ন তো আমারো, সেই একই, এ কেমন গণতন্ত্র??
গণতন্ত্রের জন্য বারে বারে এতো লাশ লাগবে কেনো ???
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:৪৫
আপনি আদালদের প্রতি কি ভেবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ? আদালত তাদের জামিন দিয়েছে বটে, কিন্তু তাদেরকে যে গতরাত কষ্ট-যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছে তার কি কোন বিচার পেয়েছে সে ?

আদালত ইনসাফ করেনছেন। এ জন্য কৃতজ্ঞতা । বাকি অহেতুক যে কষ্ট করলো তারা, সেটার জন্য আলাদা করে বিচার করার আইন তো নেই। আর আদালতকে বিচার করতে হয় দেশের প্রচলিত আইনেই।

কখনো তেমন আইন হবে, সেই আশায় আছি
imran121 দিশেহারা জীবন২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:৪৬
কোন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মিদের ধরলে কিছু মিলে না!! মানে পকেট ভারি হয় না।

---------------------এ জন্য আমি পুলিশকেই শুধু দোষ দিতে রাজি না।
তাদেরকে তো এদেশের রাজনীতি সেভাবেই নির্দেশ করে আসছে, তো.....!!!


তারা কি তাদের পারিবারিক আদর্শ থেকে সরে এসেছে ?
আর ধর্মের বাণী কি তারা জানে না ?



শুধু এই সরকারের আমলেই না। আমি বুঝতে শেখার পর থেকেই এমনটা হতে দেখে আসছি
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:৪৭
এটি একটি খেলা। যা তারাই খেলোয়াড় আর আমরা দর্শক।

------------আপনি কি জানেন এদেশে দেশপ্রেমিক পুলিশের সংখ্যা কতো? আপনি কি জানেন এখনো এদেশে হাজার হাজার পুলিশ আছে যারা দেশটাকে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবাসে। পুলিশের মাঝেও মন্দ পুলশ আছে। তবে তাদের কারণে গোঠা ডিপার্টমেন্টকে নিয়ে আপনি এভাবে বলতে পারেন না। পুলিল এদেশেরই সন্তান। এরা আমার/আপনার ভাই। মৌলিখভাবে এদের নিয়ে প্রশ্ন উঠালে আমি/আপনি , আমরা কেউই শুদ্ধ থাকি না। কারণ, তারা আর আমরা, সকলে মিলেই তো বাংলাদেশ।

পুলিশ রাজনৈতিকভাবে ব্যবহুত হয়, সেটা তাদের অপরাধ নয়।
যারা যখন ব্যবহার করেন, অপরাধটা তাদের।

আসছি---------
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:৫৭
আপনার এ বিশ্বাস বা ধারণা একদম ভুল! দেশে কত খুন, ধর্ষণ, গুম, ইত্যাদির মত কান্ড ঘটছে। কয়টির বিচার হয়েছে বলে আপনি খবরে দেখেছেন ? আর আপনি বলছেন -অপরাধীর হাত আইনের হাত থেকে লম্বা নয়....

সে বিশ্বাস থেকে সরে আসুন....


তবুও আমি আশা ছাড়তে রাজি নই
imran121 দিশেহারা জীবন২৪ নভেম্বর ২০১২, ০২:৫৮
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে যে বস্তুটিকে অহর্ণিষ খোঁজে ফিরি আমরা, তার নাম গণতন্ত্র।
জানি না এ কেমন গণতন্ত। এই কি চেয়েছিলাম আমরা?

আদালত ইনসাফ করেনছেন। এ জন্য কৃতজ্ঞতা । বাকি অহেতুক যে কষ্ট করলো তারা, সেটার জন্য আলাদা করে বিচার করার আইন তো নেই


কেন নেই ?

কখনো তেমন আইন হবে, সেই আশায় আছি


তাহলেতো বলতে হবে দেশটা এখনো স্বাধীন হয়নি!! যে দেশে মানুষ পুলিশের কাছ থেকে যন্ত্রণা ভোগ করবে সে দেশকে কি স্বাধীন বলবেন আপনি ?


পুলিল এদেশেরই সন্তান। এরা আমার/আপনার ভাই।
কিভাবে একভাই আরেক ভাইকে বিনা অপরাধে শাস্তি দেয় ? বলুন...
imran121 দিশেহারা জীবন২৪ নভেম্বর ২০১২, ০৩:০০
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সহমত পোষণ করায়...
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০৩:০০

পুলিল এদেশেরই সন্তান। এরা আমার/আপনার ভাই।
কিভাবে একভাই আরেক ভাইকে বিনা অপরাধে শাস্তি দেয় ? বলুন...


--------------------
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০৩:০১
যে দেশে রাজাকারের গাড়িতে জাতীয় পতাকা ওড়ে, সেদেশের কাছে আমার আর চাইবার কিছু নেই।

এটি আর তেমন কি ?
আমাদের ''ম্যাডাম'' যে ''দেশনেত্রী'' খেতাব পেয়েছেন তা তো এমনি পান নি...
ওদের ছাড়া কিভাবে এতদূর আসা যায় বলুন...?
আর তিনিইতো তাদের ঐ পতাকা টানানোর সুযোগ করে দিয়েছেন। এই না হলে '''দেশনেত্রী'''

সহমত ----
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০৩:০২
এই হল শিবির! যারা বলে আল্লাহু আকবর!
ধর্ম হল এদের প্রধান হাতিয়ার।
আর অর্থ হল এদের ২য় হাতিয়ার।

এরা কিছু মানুষকে সাহায্য করে অর্থ দিয়ে। আর রাজনৈতিকভাবে ব্যয় করে ধর্ম।


চরমভাবে সহমত
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ০৩:০৩
আমি সব সময়ই বলি অসভ্যতা রাজনীতিবিদদেরই মানায়....
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা কারণে আমার মনে অদ্ভুদ প্রশ্ন জাগে!!
.... তারা কি এই দেশটারই প্রতিনিধিত্ব করেন ?


???????????????
imran121 দিশেহারা জীবন২৪ নভেম্বর ২০১২, ০৩:৩৫
???????????????
১৭৮৩৫ এ,কে,এম শফিকুল আজম২৪ নভেম্বর ২০১২, ১৫:৩৪
আপনার লেখা খুবই সুন্দর তবে শেষের প্যারাটি আরো ভাল, যদি এই সরকার এভাবে চালাতে থাকে তবে, জনরোষের চুড়ান্ত পর্যয়ে পেৌছাবে।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৩৩
আপনি হয়ত ঠিকই বলেছেন
nomaansarkar নোমান সারকার২৪ নভেম্বর ২০১২, ১৫:৫৮
সকালে যা লেখেছিলাম তা মুছে গেছে ,সেইভ না করে পাঠিয়ে দিনে চাপ দিতেই। সেই ক্ষত এখনো তাজা। তবুও আবার এলাম লিখতে।

আমি সকালে লেখা আর মন্তব্য আবার পড়েছি। এখন আবার পড়ব। কারন পড়াটা জরুরী। এখানে সকালের কয়টা কথামনে আছে পড়তে যাওয়ার আগে তা নিয়ে একটু লেখি। আমাদের পুলিশ হয়রানি মেকানিজম থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। পুলিশের পক্ষে এত কম সময়ে কে ভালো কে মন্দ বের করা অসম্ভব ব্যাপার। ফলে নিরীহ মানুষ আটকা পরবেই। মানুষ যেমন উল্টো হয়ে হাটতে পারে না। পুলিশ ন্যায়,অন্যায় নিয়ে কথা বলতে পারেনা। তার কাজ কমন্ডড ব্যস্থবায়ন করা। পুলিশ কেবল সিনামায় বিদ্রোহ করে পাবলিক কে শান্ত করতে পারে। বাস্তবে নয়। কারন বাস্তবে পুলিশ আদেশের বিরুদ্ধে গেলে বেআইনের কাজ করে ফেলে আসামী হয়ে যাবে। তাই পুলিশের হাত পা বাধা, যেহেতু তাদের মাথা রাখতে দেয়নি রাষ্ট্র। হাত পা কেবল তাদের সম্বল। তাই পুলিশ কে দোষ দেওয়া একটা ভুল ছাড়া আর কিছুই না।

মন্তব্যে খুব শক্তিশালী কিছু কথা উঠে এসেছে। আমরা যদি মন্তব্যগুলোতে চক বসাই তবে অরিত্র অন্বয় ব্লগার বন্ধুর কথাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ আর তা হচ্ছে, '' আম আদমি হিসেবে নিজের কথা বলি জামিল ভাই। এখন অফিসে বসে আছি। কাল সকালে অসম্ভব দরকারি একটা পরীক্ষা। এখন বাসায় ফেরার পথে আমি যদি দুর্ধর্ষ শিবির কর্মি হিসেবে গ্রেফতার হয়ে যাই, আমার হবেটা কি?? ক্যারিয়ারটা বরবাদ হবে। এমন দেশেই আজ বসবাস!! '' আমার মনে হয় , এই কথাটির সাথে গোটা বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবেনা ততদিন সেইভাবে যতদিন সাধারন মানুষের এইসব ভয় আতংক দূর না হবে। আর এর সমাধান রাজনৈতিক নেতাদের হাতে। কারন আমরা দেখি একজন সাধারন মানুষ র‍্যাবের উপস্থিতিতে ভীত হয়না। অথচ পুলিশ এলে সে সরে যায়। যেন আপরাধ না করে পালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশের বিষয়ে র‍্যাবের মতন যদি সাধারন মানুষ ভয় না পেত , তবে এ দেশ পাল্টে যেতে সময় নিবে না। সাধারন মানুষের ভয় দূর হলে আইনের দিক থেকে ,বাসস্থান এর বিপদ দূর হলে আমরা দেখব এ দেশ অনেক দূরে এগিয়ে গেছে। ( যেমন রেল কে সরকার ুরুত্ব দিতে শুরু করেছে, দিন না সরকার ,সকল রেল ইষ্টেশন থেকে একটু দূরে শ্রমিকের জন্য শ্রমিক পল্লী বানিয়ে বাসা বানানোর সুযোগ দিয়ে। রেল দিয়ে খুব কম টাকায় পরিবহন করে ঢাকা কে ঘিঞ্জি মুক্ত করবে। নিজেরাও সস্তায় থাকবে,সস্তা খাবার পাবে। )

যাচ্ছি পড়তে।তাপর আবার আসছি।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৫২
এটা যে কত কষ্টের একটি ব্যাপার, লেখা শেষ করে পেস্ট করার পর অটো সাইন আউট হয়ে যাওয়ার কারণে লেখাটি হারিয়ে যাওয়া ....................ভুক্তভোগিরাই বুঝেন শুধু। আমি একদিন বুঝেছিলাম। তারপর থেকে তিন লাইন লেখলেও আগে কপি করে হাতে রাখি।


মানুষ যেমন উল্টো হয়ে হাটতে পারে না। পুলিশ ন্যায়,অন্যায় নিয়ে কথা বলতে পারেনা। তার কাজ কমন্ডড ব্যস্থবায়ন করা।.............মৌলিকভাবে আপনার কথা ঠিক আছে নোমান ভাই। পুলিশকে শুধুই কমাণ্ড বাস্থবায়ন করতে হয়। ন্যায়-অন্যায় যাচাই করা তাদের কাজ না, সম্ভবও না, এটাও ঠিকাছে। কিন্তু মাঝেমধ্যে যখন পুলিশ খামখেয়ালিবশত বা রুটিনওয়ার্ক করতে যেয়ে যখন সাধারণ মানুষকে হয়রানিতে ফেলে দেয়, তখন হতাশ না হয়ে উপায় থাকে না।

কখনো কখনো লক্ষ্য করলে দেখবেন, হয়রানির জন্যই হয়রানি করা। পুলিশ বুঝতে পারছে এটা সাধারণ পথচারি। তবুও গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে। কারণ, ঘটনা ঘটেছে কিছু, আসামী ধরতে হবে। এখন আসামীকে খোজে পাওয়া যাচ্ছে না বললে এটাকে তাদের দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে কারণে তারা ইচ্ছে করেই কিছু পথচারিকে ধরে নিয়ে যায়। এটা হয় কিন্তৃ..........
nomaansarkar নোমান সারকার২৪ নভেম্বর ২০১২, ১৬:১৯
ছায়েদা আলী আপা লেখেছেন,'' নিতিহীন কথাই এখন রাজনীতির মূল কথা ।''

হাজার বছরের ইতিহাস বলে রাজ নীতি বিষয়টা তাই, অজস্র মানুষ কেন্দ্রক ছোট ছোট দল,উপদলের স্বার্থ দেখার মূল বিষয় হচ্ছে গনত্রান্তিক রাষ্ট্রে রাজনীতি দলের উদ্দেশ্য। কখনো ডান কে ,কখনো বাম কে ,সামনে পিছনের স্বার্থ ,রাষ্ট্রের স্বার্থ প্রতিবেশী দেশগুলোর স্বার্থ। তাই হয়ত একটি বাক্সে অনেক খেলনা রাখতেই হয়। আসলে বতমান বিশ্ব একটি পরিবার হতে গিয়ে এমন একটি বিশ্ব হতে চাইছে যা কিছু লোকের জন্য ভালো আর অধিকাংশ লোকের জন্য ভালো না। তবে রাজনীতি বিষয়টা তখনই আমাদের সাধারনের কাছে নীতিহীন হয়ে উঠে যখন অধিকাংশ লোকের স্বার্থ ক্ষুন্ন হয়। এমনই ইতিহাস তাই বলে। তবে আপনি অনেক লোক কে একসাথে খুশি করতে পারবেন না। কিন্তু তাই বলে আপনি অনেক লোক যে কষ্ট পাচ্ছে তাও দেখবেন না।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ২০:০২
আসলে বতমান বিশ্ব একটি পরিবার হতে গিয়ে এমন একটি বিশ্ব হতে চাইছে যা কিছু লোকের জন্য ভালো আর অধিকাংশ লোকের জন্য ভালো না। ---------------------------------- যতই আমরা চিতকার করে করে বিশ্বায়নের কথা বলি না কেনো, জাতিগত স্বাতন্ত্রিকতা কেউ কখনো জলাঞ্জলি দেবে না। দেয়া ঠিকও না। প্রত্যেকটি জাতির আলাদা কৃষ্টি আছে। একমাত্র আমরা ছাড়া আর কেউ নিজেদের কালচারকে ত্যাগ করে বাইরের দিকে হাত পাতে না। দু:খজনকভাবে এই কাজটা আমরা করি।

রাজনীতির এঙ্গেল থেকে দেখলে, আমি আপনার সুর্রেই বলতে চাইবো, রাজনীতি বিষয়টা তখনই আমাদের সাধারনের কাছে নীতিহীন হয়ে উঠে যখন অধিকাংশ লোকের স্বার্থ ক্ষুন্ন হয়।। আজকের বাংলাদেশে আম জনতার স্বাথে কোন দলটি রাজনীতি করছে, বলতে পারেন? সবাই তো আছে নিজেদের ধান্ধায়।

আপনি অনেক লোক কে একসাথে খুশি করতে পারবেন না। কিন্তু তাই বলে আপনি অনেক লোক যে কষ্ট পাচ্ছে তাও দেখবেন না। ........................ ............চমতকার একটি কথা বলেছেন তো
nomaansarkar নোমান সারকার২৪ নভেম্বর ২০১২, ১৭:৩৬
আমার প্রিয় একজন ব্লগার মুক্তমন৭৫ ,তিনি লেখেছেন'' আমাদের রাজনীতিতে সৎ লোকের অনেক অনেক অভাব।'' তিনি আরো লেখেছেন,'' ধর্ম ধর্মই, সেখানে রাজনীতি বা ব্যাবসা আসতে পারেনা কিছুতেই।''

কেন যেন এ বিষয়ে লেখতে ইচ্ছে করছে। আসলে দেশের জন্য মন টা কাঁদে সেই জন্য বোধ হয় অল্প জ্ঞান নিয়ে অনেক কথা বলতে ইচ্ছে করে।

আপনি বলেছেন তার সাথে একমত, আমাদের সৎ লোকের দরকার। তবে ব্যক্তি সৎ লোক হতে পারে, সাধারন অর্থে সৎ বলতে আমরা যা বুঝি। আর আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনায় প্রত্যেক রাজনৈতিক নেতা একজন থেকে হয়ে যান একটি প্রতিষ্ঠানের মতন। এখানে তার ব্যক্তিগত চিন্তা বা মতামত কেবল মাত্র রাজনৈতিক দল টির মতবাদ শক্তিশালী বা দুর্বল হওয়ার বিষয় হতে পারে। তাই একজন সৎ , আদর্শবান ,দেশ প্রেমিক ব্যক্তির গুরুত্ব সবচেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ ।

ধর্ম ধর্মই, সেখানে রাজনীতি বা ব্যাবসা আসতে পারেনা কিছুতেই।'' আমি এই বিষয়ে আপনার সাথে একমত না। কারন অন্য কোন ধর্মে রাজনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে নড়চড়া না করলেও ইসলাম ধর্মে এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। এখানে পরিত্র কোরআনে পাপ ,পূন্যের শব্দের ব্যবহারের চেয়ে আইন ,সবাস্থ, পরিচ্ছন্নতা, দায়িত্ব ,প্রতিবেশি,এতিম,যাকাত,সীমালঙ্গন, ন্যায়,অন্যায় সহ এই ধরনের শব্দগুলো বা এই শব্দগুলো নিয়ে প্রচুর আলোচনা করা হয়েছে। তাই এটা দোষের নয় রাজনীতি করা। এটা গনতান্তিক অধিকারও। আর ব্যবসা কোথায় না হচ্ছে এখন । ধর্ম ,রাজনীতি,স্কুল,পড়শুনা সবখানে এর অপব্যবহার হচ্ছে। রাজনীতির নামে ধর্মের নামে আমাদের বোকা বানানো হচ্ছে । আমাদের কষ্টটা সেখানেই।
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ২০:৩৩
পরিত্র কোরআনে পাপ ,পূন্যের শব্দের ব্যবহারের চেয়ে আইন ,সবাস্থ, পরিচ্ছন্নতা, দায়িত্ব ,প্রতিবেশি,এতিম,যাকাত,সীমালঙ্গন, ন্যায়,অন্যায় সহ এই ধরনের শব্দগুলো বা এই শব্দগুলো নিয়ে প্রচুর আলোচনা করা হয়েছে। তাই এটা দোষের নয় রাজনীতি করা। এটা গনতান্তিক অধিকারও

ঠিক। একজন মানুষের জন্ম তেখে নিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত, বাথরুমে যাওয়া থেকে নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্যন্ত, ব্যক্তি জীবন থেকে নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গন............ইসলামের দিক নির্দেশনা রয়েছে সকল ক্ষেত্রেই। এখন কেউ যদি এগুলোর অপব্যবহার করে, সেই দোষ তো আর ইসলামের নয়। রাজনীতির যে অবস্থা, তাতে সাধারণ মানুষ দিশেহারা। যাও কিছু নৈতিকতার ছিটেফুটা এখনো রয়েছে রাজনীতিতে, তা অই রাজনীতিবিদদের অন্তরের তলানিতে সামান্যতম ধর্মীয় অনুভূতি থাকার কারণেই। তা না হলে কী যে হতো!

তাছাড়া, কেই যদি ধর্মীয় অনুভূতিতে রাজনীতি করতে চায়, সে অধিকার তার আছে। এটা গনতান্তিক অধিকারও।েআমরা কথায় কথায় ভারতের উদাহরণ টানতে ভালবাসি। বিশ্বের সবচে বড় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতেও কিন্তু ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল আছে। তারা ক্ষমতাসীনও হয়।

ধন্যবাদ আপনাকে, নোমান ভাই
সুন্দর আলোচনার জন্য।
-------
nomaansarkar নোমান সারকার২৪ নভেম্বর ২০১২, ১৯:২১
আজ সারাদিন দুইটি পোস্ট কেটে গেল। অনেক কাজ ছিল ,সব %
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ২০:৩৬
-----------
dollar জিনজির২৪ নভেম্বর ২০১২, ২০:৩৩
১৮৩৫ সালে একজন ভদ্রলোক জন্মগ্রহন করেন ইংল্যান্ডের মাটিতে। পরের জীবনে তিনি একজন সফল আইনবিদ। কনস্টিটিউশনাল ল, নামে তার রচিত বইও আছে। তিনি তার সময়ের বহুল জনপ্রিয় একজন স্কলার। তবে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করেন তার বিখ্যাত উক্তি, 'রুল অব ল' এর জন্য। তিনি সর্বপ্রথম সংবিধানের মাধ্যমে আইনের শাষনের প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে লড়াই করেন এবং যৌক্তিকতার বিচারে উত্তির্ণ হয়ে সফলও হন। এই মহান ব্যাক্তির নাম, এলবার্ট ভেন ডাইসি। সংক্ষেপে, এ ভি ডাইসি।

ব্যাখ্যা বিশ্লেষন করে রুল অব ল থেকে যা পাওয়া যায়, তাকে তিনটি পয়েন্টে সহজেই ভাগ করা যায়, যা তিনিই ব্যাখ্যা করেছেন।

প্রথমত, দ্যা এবসেন্স অব আরবিট্রেরি পাওয়ার ( কোন মানুষই আইনের উর্দ্ধে নয়। কোন আইনভঙ্গকারীই পরিত্রাণ পাবার যোগ্য নয়। আইনের হওয়া উচিত নিশ্চিত এবং প্রয়োগিক।)

দ্বিতীয়ত, ইকুয়ালিটি বিফোর দ্যা ল (যেকোন ব্যাক্তি, তার পদমর্যাদা, সামাজিক প্রতিষ্ঠা যাই হোক, অন্যায় করলে তাকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে, তা নিশ্চিত করা।)

তৃতীয়ত, দ্যা গ্যারান্টি অব সিটিজেন'স রাইট ( কমন ল এর মাধ্যমে সকল নাগরিকের নিজ নিজ অধিকারের স্বার্থ রক্ষা করা এবং অধিকারকে সংরক্ষন করা।)

এই ধরনের সমমানের কথা তারও আগে বলেছিলেন, বিখ্যাত দার্শনিক এরিষ্টটল। তিনি বলেছিলেন, 'ল সুড গভার্ণ'। যা উনিশ শতকে এসে এ ভি ডাইসি'র মুখ হয়ে বিপুল জনপ্রিয়তা পায় এবং তার সফল প্রয়োগ ঘটে ইংল্যান্ড এবং আমেরিকাতে। এ কথা আজ সর্বজনবিদিত যে, সে দেশগুলোতে অন্য ঝামেলা যতই থাকুক, আইনের শাষন এর প্রতিষ্ঠা সেখানে দারুন ভাবে হয়েছে। আর দেশগুলোর সাকসেস হওয়ার পিছনে এর অবদান অনেক। বলা যায়, সফলতার মেরুদন্ডই হল এই 'রুল অব ল'। যা আমরা এত দিন পর এসেও অনুধাবন করতে পারছি না। বুঝতে পারছি না, আইনের শাষনের কতটুকু দরকার। রাজনৈতিক এবং অন্যান্য স্কলাররা সেই অনুভবটা কোন ভাবেই ধারন করতে পারছে না, নিজস্ব ব্যক্তি স্বার্থের কারণে। যা আমাদের দেশের জন্য অতি দুখের।

বেশ কয়েক বছর আগে, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাইয়িদ স্যার, একবার বলেছিলেন, আমাদের রাজা হওয়ার জন্য যে যোগ্যতার প্রয়োজন, তা এখনও আমরা অর্জন করতে পারিনি!!! কারণ রাজা কখনও চুরি করে না!!! কিন্তু আমাদের দেশের রাজারা চুরি করেন!!!.............আজ অনেক দিন পর, তার কথাটাকে মানতে বাধ্য হচ্ছি আমাদের রাজনৈতিক কান্ডারিদের দশা দেখে!!!

গভীর জ্ঞান, দূরদৃষ্টি এবং নিস্বার্থতা টাইপের গুনাবলি আমরা যতদিন পর্যন্ত অর্জন করতে না পারব, ততদিন আমরা অন্ধকারেই পরে থাকব আর নোংরা বুদ্ধির চর্চা চালিয়ে যাব। আমাদের রাজনৈতিক কান্ডারিদের সেই আলো জাগ্রত হোক, তারা সূর্য্যের মতই আলো নিয়ে উদিত হোক দেশটাকে ভালবেশে, এই কামনা রইল। আমরা আর এ কথা বিশ্বাস করতে চাই না, ধন ধান্যে পুস্পে ভরা আমাদের এই দেশটাতে জন্মে আমরা ভুল করেছি!!! গর্ব করতে চাই আমাদের দেশটাকে নিয়ে। কারণ এখানে অনেক গুনির জন্ম হয়েছে এবং আরও হবে সামনে। তাদের লজ্জায় যেন মাথা নোয়াতে না হয়, সেই কাজ এখন থেকেই শুরু করতে হবে আমাদের। হতে হবে পতিত পাবন। পুতুল হওয়ার যুগের অবসান হোক। মানুষ হতে চাই। পৃথিবীর বুকে মাথা উচু করে বলতে চাই, আমাদের দেশটার নাম, বাংলাদেশ। সেই দিন দেখতে চাই, যেদিন উন্নত দেশ হিসেবে খ্যাতদের দেশ থেকে ওই মানুষগুলো আমাদের দেশে আসার জন্য লাইন দিয়ে দাড়িয়ে আছে আমাদের এমব্যাসির বাইরে। টেনশনে ঘামছে, ভিসা দেয় কিনা তাই ভেবে। এটা অসম্ভব না, আমাদের শুধু জাগতে হবে। প্রমাণ করতে হবে, আমরা শ্রেষ্ঠ।

বাল্যকালে চিত্র দেখে অবাক ছিলাম আমি
কেমন করে গুনি হলে ওগো ভাবের গুনোমনি?
আমিও কি পারি হতে তোমার মতই গুনি
দেশ ছাড়িয়ে কাল ছাড়িয়ে হবো মাথার মনি!
আশায় বাঁধি বুকের পাজর সাহস পূজি করি
তৈরী থেকো হে গুনোমনি আসছি জলদি আমি!!!

পৃথিবীর যত উন্নত দেশ আছে, তাদের সকলের উদ্দেশ্যে আমার এ কথা। তারা যেনো তৈরী থাকে, বাংলাদেশ আসছে তাদের দিকে.......
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ২০:৩৫
------------

----------আইতাছি
dollar জিনজির২৪ নভেম্বর ২০১২, ২০:৫৯
আমিও আইতাছি ইট্টুহানি.......বাইরে যামু..... কথা আছে ম্যালা!!! যা কইবার পারি না!!! জ্বালা!!!
Rjamil রশীদ জামীল২৪ নভেম্বর ২০১২, ২১:১৬
শুভেচ্ছা জিনজির। ধন্যবাদ তোমাকে চমতকার আলোচনার জন্য।
তোম মাধ্যমে আমি শ্রদ্ধা জানাতে চাইছি এলবার্ট ভেন ডাইসির প্রতি।
গুণি মানুষরা এভাবেই বেঁচে থাকেন তাদের কর্মের মাঝে।
কথা ও কাজের মধ্য দিয়ে।
তাদের জন্য

যে তিনটি পয়েন্টের কথা তুলে এনেছো, সেগুলোই হলো একটি জাতির, একটি গণতন্ত্রমনা জাতির জাতীয় প্রতিপাদ্য। এর ব্যত্যয় ঘটলে, যেটি হয়ে থাকছে আমাদের দেশে, কোনো দেশ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। অন্তত সভ্যতার মজলিসে নিজেদের কোনো জায়গা করে নেয়া সম্ভব হয় না তাদের!

তোমার উল্লিখিত তিনটি পয়েন্টকে সামনে রেখে আমি আমার কথাগুলো এবার বলি

প্রথমত, দ্যা এবসেন্স অব আরবিট্রেরি পাওয়ার ( কোন মানুষই আইনের উর্দ্ধে নয়। কোন আইনভঙ্গকারীই পরিত্রাণ পাবার যোগ্য নয়। আইনের হওয়া উচিত নিশ্চিত এবং প্রয়োগিক।)

দ্বিতীয়ত, ইকুয়ালিটি বিফোর দ্যা ল (যেকোন ব্যাক্তি, তার পদমর্যাদা, সামাজিক প্রতিষ্ঠা যাই হোক, অন্যায় করলে তাকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে, তা নিশ্চিত করা।)

তৃতীয়ত, দ্যা গ্যারান্টি অব সিটিজেন'স রাইট ( কমন ল এর মাধ্যমে সকল নাগরিকের নিজ নিজ অধিকারের স্বার্থ রক্ষা করা এবং অধিকারকে সংরক্ষন করা।)



---------- ঠিক এই কথাটি ভিন্নভাবে বিবৃত হয়েছে আমাদের মহাম সংবিধানে।
আমাদের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে,
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী

অনুচ্ছেদ ২৮ এর (১) এ বলা হয়েছে,
কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেধ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না

------------তার মানে নাগরিকত্বের বিবেচনায় সকলেই সমান। এখানে কোনো ক্লাস নেই। কোনো বৈষম্য নেই। সুযোগ-সুবিদার ক্ষেত্রে সকলেই সমান অধিকারী। ঠিক তেমনি অপরাধ করলে শাস্তির ক্ষেত্রেও। অন্তত: সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদটি অত্যন্ত পরিষ্কারভাবেই এটি নির্দেশ করছে।
তার মানে, কেউ যদি অপরাধ করেন, তা তিনি রিকসা চালক হোন, দিন মজুর হোন, মন্ত্রী-এমপি হোন বা রাষ্ট্রপতি, আইনের চোখে সবাই সমান। পুরষ্কার হোক আর তিরষ্কার, সমানভাবেই বিবেচিত হবেন বা হবার কথা। আর ইনসাফের দাবিও তো তাই। এবারে আমি কোনো মন্তব্য আর না করে আমাদের মহান সংবিধানের আরেকটি ধারা এখানে উল্লেখ করছি-----------

আমাদের সংবিধানের ৫১(২) অনুচ্ছেদটি হলো এই-

রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না

--------------বৈষম্যের অবসানে আমরা কি আসলেই ঔদার্যের প্রশ্নে সর্বাত্নকতার পরিচয় দিতে পারছি?

আবারো শুভেচ্ছা তোমাকে, প্রিয় জিনজির
--------------
dollar জিনজির২৫ নভেম্বর ২০১২, ০০:২১
ভাই, যা বলছেন তা অতি সত্য কথা। সমস্যা হইল এগুলোর কোন প্রয়োগ নেই। পৃথিবীর সকল সংবিধানই যদি ঘাটেন, তবে দেখবেন, ডাইসি সাহেবের কথাগুলোই ঘুরে ফিরে লেখা আছে। কিন্তু সফল প্রয়োগ নেই। এখানেই আমরা ব্যার্থ। আমাদের দেশের জনগনের আরেক বড় সমস্যা হল, আমরা বেশির ভাগই নিজের জন্য যেটুকু আইন জানা দরকার, সেটুকুও জানি না। ফলে এটাই হয়েছে, আমরা আমাদের অধিকার নিয়েও সচেতন হতে পারি না। আগে তো কি অধিকার আছে, সেটা জানতে হবে, তারপর না সেটা আদায়ের প্রশ্ন! তাই আমি মনে করি, ছোট ক্লাস থেকেই, একেবারে সাধারন কিছু আইন, বাচ্চাদের শেখানো দরকার। যেন, বড় হতে হতে আমরা আমাদের অধিকার সম্পর্কিত আইনগুলো কিছু কিছু করে জানতে পারি।

আমার পরিচিত একজন ব্যাংকের ম্যানেজারকে সেদিন বললাম, রানা ভাই, আপনি কি জানেন, আইন আপনাকে এই অধিকার দিয়েছে যে, প্রয়োজনে আপনি যে কোন লঘু অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে, আর এজন্য পুলিশ হওয়ার দরকার নাই!!!? আইন আপনাকে সে অধিকার দিয়েছে!! তিনি আমার কথা শুনে হাসতে হাসতে শেষ হয়ে গেলেন!! শেষে চোখ বড় বড় করে বললেন, তাই নাকি? আমি তাকে তখন বললাম, হুমম, ঘটনা তাই। এরকম আরও অনেক কিছু করার অধিকার আপনাকে আইন দিয়েছে। যেগুলো আমরা জানি না বলে প্রয়োগ করতে পারি না।

না জানাটাই আমাদের বড় সমস্যা। কথায় বলে, বাঁচতে হলে জানতে হবে। সেটা শুধু এইডস এর বিষয়ে না, বরং সকল বিষয়েই। জানা থাকলে অনেক ডিসিশন নিতে সুবিধা হয়।

যেমন ধরুন, একজন লেখক কি জানে, তার লেখাটার স্বত্ত কত দিন তার থাকবে? শুধু লেখক বলে না, যে কোন সেক্টরেই এই রকম টুকিটাকি অনেক কিছু জানার আছে। যেগুলো অধিকার আদায়ের পথকে সহজ করে দেয়।

বাংলাদেশে সব চাইতে বড় সুবিধা হল, রাজনৈতিক ব্যক্তিরা, আমাদের যা বুঝান, আমরা তাই চোখ বন্ধ করে বুঝি এবং বিশ্বাস করতে শুরু করি। আর তারা সেটারই ফায়দা নিচ্ছে।

যাইহোক, অনেক কথা বলে ফেললাম। শুভকামনা আপনার জন্য। লেখাটা অনেক ভাল হয়েছে। আর এজন্যই এত বক বক করছি। অনুভবের পানিতে ঢিল পরলে কথারা বের হয় ভাল।
Rjamil রশীদ জামীল২৫ নভেম্বর ২০১২, ০০:৩৮
ভাল বলেছো। এই কথার পরে তোমারে এককাপ চা অন্তত না খাওয়ালে বড়বেশি অন্যায় হবে।
নেও, চা খেতে খেতে এই লাইনগুলো পড়ো----------

অধিকার আর দায়িত
আমরা কোনটা অধিকার আর কোনটা দায়িত্ব, সেটাও জানতে আগ্রহী হতে চাই না।
অলসতা হচ্ছে আমাদের জাতিগত একটি বেমার।
এর কোনো চিকিতসা নেই মনে হয়!
-----------------------

অলসতার কাছে আত্মসমর্পণ করার অর্থ স্বেচ্ছায় নিজের অধিকার হতে বঞ্চিত হওয়া

অলসতা নিয়ে একটা মজার কৌতূক আছে।
শুনতে চাইলে শোনাবে, কথার ফাঁকে

--------- তোমার আলোচনায় আসছি রাখো.....
dollar জিনজির২৫ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২১
ভাই কৌতুকখান শুনতে মুঞ্চায়............কইয়া ফালান জললি!!!
Rjamil রশীদ জামীল২৫ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৪৯
কইতাছি রাখো
নিচে তো লজ্জু মামলা মোকদ্দমা দায়েরের পায়তারা করিতেছে!
হেরে দেখি একটু বুঝাইয়া বাজাইয়া দমানো যায় কি না
Rjamil রশীদ জামীল২৬ নভেম্বর ২০১২, ০০:০৭
বাঙালি যে কত অলস, সে বিষয়ে কথা বলছিলাম আমরা।
কৌতূকটা সে প্রসঙ্গেই।


পাঁকা একটি আম গাছের নিচে বসে আছে দু বন্ধু। তিন দিন হলো তারা কিছু খায়নি।
তাদের চারপাশে পাঁকা আম পড়ে আছে গাছ থেকে। তারা উঠিয়ে খাচ্ছে না!
অলসতা.................!!!

টহল পুলিশ যাচ্ছিলো এদিকে। তাদেরও ক্ষিধা চেপেছে পেটে। ঘুরতে ঘুরতে সেখানে এসে পৌছালো তারা। দেখতে পেলো পাঁকা আম পড়ে আছে। মানুষও দুজন আছে। কিন্তু তারা খাচ্ছে না। ভাবলো, আমে ভেঝাল টেজাল আছে কি না-কে জানে। পরীক্ষা না করে খাওয়া ঠিক হবে না। এরই মধ্যে দুজনের একজন পুলিকে বললো,

ও পুলিশ ভাই, তিনদিন হলো কিছু খাই নাই। কিছু খেতে দিন না?
পুলিশ বললো, তোদের পাশে তো দেখছি পাঁকা আম পড়ে আছে, খাস না কেনো?
তুলে খেতে ইচ্ছে করছেনা গো স্যার। একটু খাইয়ে দিন না?

------সাভাবিক কারণেই পুলিশের মেজাজ গেলো গরম হয়ে। রাইফেলের গোড়া দিয়ে দিলো এক গুতা। ব্যাটা অলস কোথাকার। পেটের জ্বালায় অস্থির কিন্তু হাতে তুলে খাবে বলে খাচ্ছে না। ইডিয়েট!

অমনি অপর বন্ধু বলে উঠলো, ভালো করে মাইর দেন স্যার। ব্যাটা বিরাট অলস আর বদ। গতকাল একটা কুকুর আমার মুখে পেশাব করে চলে গেলে কিন্তু সে আমার পাশে থেকেও কুকুরটাকে তাড়ালো না!

--------------
dollar জিনজির২৬ নভেম্বর ২০১২, ০০:৩৪
হাসতে হাসতে আমি শ্যাষ!!!!!!! কুইড়া কত পরকার ও কি কি জানলাম!!!
Rjamil রশীদ জামীল২৬ নভেম্বর ২০১২, ০০:৪৫
nomaansarkar নোমান সারকার২৫ নভেম্বর ২০১২, ১০:৩২
চা খাচ্ছি ,একেবারে আগুন গরম চা। আগুন গরম চা আমার খুব পছন্দ। ধুয়া উঠবে,সেই তালে চা খাওয়া আর কি।

রশীদ ভাই আর জিনজির ভায়ের কথাগুলো সাথে সহমত পোষন করে আমরা এ দেশের প্রত্যেকে বলতে পারি ,আমাদের ভালো ভালো আইন আছে কিন্তু প্রয়োগ নেই। প্রয়োগ না হবার পিছনে আছে সাধারন মানুষের অশিক্ষা। কিন্তু মানুষ আজকাল অনেক তো জানে তাতে কি খুব কিছু বদলেছে। গত ১৫/২০ বছর কে যদি ধরি ,খুব কি আগানো হয়েছে। মানুষ বা জনগন কিন্তু অনেক এগিয়েছে । আমাদের সাধারন মানূষের অর্জন কিন্তু দেখার মতন। কোথায় ছিলাম আর কোথায় চলে গেছি। কাপড় চোর ,আর টিভি চোর কোনটাই এখন আর নেই। ড্রাগ সম্যসা থামাতে বা কমাতে পারলে ছিনতাই ঠেকানো থেকে শুরু করে ২০ ভাগ অপরাধ আমাদের কমে যেত। জমির সুস্পষ্ট বিবাদ মিটাতে পারলে অপরাধ আরো ২০ ভাগ কমে যেত।

কিন্তু এসব করতে পারলে অনেক কিছু হতে পারত কিন্তু আমাদের আর রাজনৈতিক নেতাদের দূরত্ব ,ভুল বুঝাবুঝি অভিমান কি কমে যেত । সম্ভবত না। কারন সভা হচ্ছে, মিটিং হচ্ছে ,কিন্তু কথাপোথন হচ্ছে না নেতাদের সাথে সাধারন মানুষের। এখানে একটা গ্যাপ তৈরি হয়ে গেছে। আগে নেতাদের সাথে সাধরন মানুষের একটা যোগাযোগ ছিল, জনসাধারন যেমন নেতাদের ভাষন শুনত তেমনি নেতারা শুনত তাদের কথা। ফলে শ্রদ্ধার একটা জায়গা ছিল সবসময়। আর এখন শুনবে কিভাবে একজন নেতা সাধারন মানূষের কথা , রাস্তার যে জ্যাম তাতে এটা এখন হাজার গুন জটিল আর কঠিন একটা বিষয় হয়ে উঠেছে জন সংযোগ। কিন্তু যুগ টা অনেক এগিয়ে। নেতাদের সাথে হতে পারে টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে কথাপোথন। এতে সাধারন মানুষের অভিমান ,দুঃখ কমে যাবে । আর নেতারা জানবেন ,ঠিক এখন মানুষের কি দাবী ,কি চাওয়া। ঠিক এই মুহূর্তে বা এই আজকে কোন কোন সমস্যা বা মানুষ ঠিক আজকে কি চাচ্ছে। সেই চাওয়া গুলো জানতে পারলে যে যার এলাকার মানুষের সেই সব দুঃখ দূর করতে পারতেন। আসলে সত্য এখন এটাই যে, নেতারা তো জানতে পারছে না। তার এলাকার চাহিদা কি ,সমস্যা কোন টা বড় বা আগে সমাধান করতে হবে বা কোন সমস্যা পরে করলে হবে ,কিছু সঠিক তথ্য পাচ্ছে না। এর কারন কিন্তু একটাই যে, রাস্তা অনেক উন্নত হয়েছে কিন্তু জ্যাম এমন যে চকচকে রাস্তায় বসে থাকতে হবে ঘণ্টার পর ঘন্টা। এভাবেও বি্ছিন্ন হয়ে গেছেন নেতারা আমাদের থেকে। ফলে উনারা সারাক্ষন থাকেন তার নিজেসব লোকদের সাথে। তারা তাকে খুশি করতে সারাক্ষন ভালো ভালো কথা বলেন, ফলে তিনি বুঝতে পারেন না ,আসলে কি হচ্ছে। টক শো দেখে তিনি রাগ হন । কারন তিনি সারাদিন শুনছেন অনেক উন্নতি আর টিভি টক শো গুলো বলে উল্টো কথা। মেজাজ খারপ হয়ে যায়। কোন টা ঠিক হচ্ছে বা করছেন সে নিয়ে দবন্ডে চলে যান,যেন একটি দেশে তিনি জন অরুন্যে বাস করেও সব চেয়ে বিচ্ছিন্ন একজন মানুষ।
Rjamil রশীদ জামীল২৫ নভেম্বর ২০১২, ১৬:১৬
আমি আপনার কথাগুলো অত্যন্ত মনযোগসহ পড়লাম নোমান ভাই। দ্বিমত জানানোর কোনো জায়গা রাখেননি।... বি্ছিন্ন হয়ে গেছেন নেতারা আমাদের থেকে...............এটাই হচ্ছে বর্তমান রাজনীতির অশুভ একটি দিক। নেতা আর জনগণের মাঝে বেশ বড় একটি ফারাক তৈরী হয়ে গেছে। নেতারা নিজেদের নেতা মনে করায় তারা ভাবেন , আমরা হলাম জিন্দাবাদের হকদার। পাবলিক আমাদের জিন্দাবাদ দেবে আর আমরা ঘাড় ফুলিয়ে হাত নাড়বো........... দিস ইজ রাজনীতি!!


বিশেষত.
যারা যখন সরকারে যান, তখন অতি তৈলবাজ চামচা প্রকৃতির কিছু লোক ইট বালি সিমেন্ট নিয়ে কাজে নেমে যায়। তাদের কাজটা হয় দেয়াল তৈরি করা। সরকার প্রধান আর মন্ত্রী-মিনিস্টারদের চোখের চারপাশে ২০ ইঞ্চি পুরো একটি দেয়াল দাঁড় করিয়ে দেয় তারা। যে কারণে, তাদের পক্ষে আর সম্ভব হয় না দেশের প্রকৃত অবস্থা অনুধাবন করার। আর তখন আশেপাশে ঘুরঘুর করা চামচারা যখন বলে, দেশের মানুষ বেসম্ভব শান্তিতে আছে, বেতালা সুখে আছে, সুখ রাখবার জায়গা খোঁজে পাচ্ছে না মানুষ, তখন নেতারা গোফে তা দেন বসে বসে। গোফ নাই'রা বসে বসে ভ্রু সাইজ করেন অথবা চোখে কাজল ঘসাঘসি করেন আয়েশ করে। আর সে কারণে মানুষের যদি মাথা ফেটে ধোঁয়া বেরোয়, তখন তাদের বোঝানো হয় এগুলো নদী পথে চলা জাহাজের ধোঁয়া,......নেতা মশাই/নেত্রী মহাশয়া তখন বলেন, ও আচ্ছা..................

কথা আরো আছে নোমান ভাই,
আসছি আবার।
nomaansarkar নোমান সারকার২৭ নভেম্বর ২০১২, ১১:৫৫
বাংলাদেশে তো অনেক টিভি চ্যানেল। কোন চ্যানেলে গান,কোন টায় খেলা। এ্মন একটা চ্যানেল থাকতে হবে যে প্রতিদিন একজন করে এমপির এলাকায় বা উপজেলায় গিয়ে গিয়ে সাধারন মানুষের চাওয়া পাওয়া গুলো তুলে ধরবে। ( অভিযোগ বাদে, আমাদের অভিযোগ করা আর অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর মানুষিকতা থেকে সরে আসতে হবে সাধারন মানুষের ) ফলে সাড়া বাংলাদেশ সমস্যাগুলো জানবে। তাতে একটা জবাদিহি বিষয় এসে দাঁড়াবে। এতে উন্নায়নের কাজ দ্রুত গতিতে হবে।
nomaansarkar নোমান সারকার২৭ নভেম্বর ২০১২, ১২:০৬
প্রয়োজনে একটা আলাদা চ্যনেল তৈরি করতে হবে জনগ্নের কথা শুনা আর জানার জন্য। রাস্তায় ট্রফিক জ্যাম যেভাবে বাড়ছে তাতে রাজনৈতিক নেতারা পযন্ত জন বিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে। তাই আধুনিক জীবনে তাই করতে হবে। একটা করে উপজেলা বা এমপি ভুক্ত অঞ্চল নিয়ে প্রতিদিন বা দুই দিন ধরে অভিযোগ বাদে জনমতামত নিতে হবে। আর সেই দিনের শেষে বা দুইদিন পর সেই এলাকার মাননীয় এমপির বক্তব্য নিতে হবে। এই ব্যবস্থা বাংলাদেশে জনগনের কাছে পৌছানোর একটি উপায় হতে পারে।
Rjamil রশীদ জামীল২৮ নভেম্বর ২০১২, ০০:৪৪
প্রয়োজনে একটা আলাদা চ্যনেল তৈরি করতে হবে জনগণের কথা শুনা আর জানার জন্য

একদম সমহমত। ঠিক সংসদ টিভির মতো।
এই চ্যানেলে আর কিছুই সম্প্রচার করা হবে না।
শুধুই জন দুর্ভোগ আর আর্ত মানবতার কথা বলবে এই চ্যানেল।

প্রবলভাবে সহমত নোমান ভাই।

বিশেষ ধন্যবাদ আপনাকে।
পোস্টটিতে বারবার এসে গঠনমূলক আলোচনা করবার জন্য।

----------------
nomaansarkar নোমান সারকার০২ ডিসেম্বর ২০১২, ১২:৫২
অনেক আনন্দ !
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৫ নভেম্বর ২০১২, ২১:২৪
আমি আগেয় বলে রাখছি আমার নিচের মন্তব্যটি মুছা যাবে না।
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৫ নভেম্বর ২০১২, ২১:২৬
আমি এর আগে আরো দুটি psc পরীক্ষার আগ্রীম প্রশ্ন পত্র হাতে পেয়েছিলাম।(গণিত এবং বাংলা)দুটি প্রশ্নপত্র হুবুহু মিলে গেছে।।এর পর শুরু হয় পত্র পত্রিকায় লেখলেখি।

কিন্তু এখনো কোন কোন মহল বলাবলি করছে যে সরকার তথা শিক্ষা মন্ত্রনানয় পূবের প্রশ্নপত্রেয় বাকি psc পরীক্ষা গুলি নিবেন।

যদি তায় হয় তবে আমি বলছি এটিয় হলো psc পরীক্ষার আগ্রিম ইংরেজি প্রশ্ন।পরীক্ষা সংগঠিত হবে কাল,আমি প্রকাশ করলাম আজ।







যদি মিলে যায় তবে কালি আমি আদালতে শিক্ষা মন্ত্রনানয় বিরুদ্ধে মামলা করব---আর আমার একমাত্র সাক্ষি হবে এই মন্তব্য খান।
Rjamil রশীদ জামীল২৫ নভেম্বর ২০১২, ২৩:০৯










-----------------------------
dollar জিনজির২৫ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২০




clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৫ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২৪
আর একটু যোগ করি............

উপরুক্ত স্থানে বড় হাতের শব্দ বসাও....

পৃষ্ঠা --- ৭ । reba.........................table
Rjamil রশীদ জামীল২৫ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৫২
মাইগো মাই
মাথা ইংলার

-------ও মিঞাভাই--------
Numan75 নুমান২৫ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২৭
জিনজির ভাইরে একটা সালাম দিয়া ভাত খাইতে গেলাম
dollar জিনজির২৫ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৩৭
Numan75 নুমান২৫ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৫০
কেমন আছেন ভাই
dollar জিনজির২৬ নভেম্বর ২০১২, ০০:৩৪
প্রিয় নুমান ভাই, অনেক অনেক ভাল আছি ভাই। আশা করি আপনিও ভাল আছেন।
oshantoshomudro অশান্ত সমুদ্র২৬ নভেম্বর ২০১২, ১৭:১৭
অসাধারণ লিখেছেন। শুভকামনা।

জামায়াতে ইসলামী ইসলামের নাম বলে সাধারণ মুসলমানকে বিভ্রান্ত করে থাকে ---- একেবারে সঠিক কথা।

বি।এন।পি আর আওয়ামীলীগ একি ভুল বার বার করে যখন ওঁরা ক্ষমতা তে থাকে।
আমি মনে করি ওঁরা একই কয়েন এর এ পিট আর ওই পিট।

আবার জলপাই রঙ এর কাপড় পড়া মানুষদের আমরা সহ্য করতে পারি না।

আসলেই আমরা কি জানি, আমরা কি চাই?
Rjamil রশীদ জামীল২৬ নভেম্বর ২০১২, ২৩:০৬
বিএনপি আর আওয়ামীলীগ, শাপেনেউলে টাইপ বিরোধ থাকলেও একটি ইস্যূতে তারা এক।
আর সেটা হলো, ক্ষমতায় যেতে জামাতের সাথে হাত মেলাতে মোটেও দেরি করে না তারা!


আবার দুদলের মুখেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্লোগান।
বলি রাজৌনতিব ভাওতাবাজি আর কতো---

ধন্যবাদ সমুদ্র
-------------
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৬ নভেম্বর ২০১২, ২২:৫২
আমার দেয়া প্রশ্নটি মিলিয়েছেন কি?


যা যা দিছি সব হুবুহু কমন পড়েছে।......................

আজ আপনার জন্য সমাজ প্রশ্ন।পরীখা কাল আমি প্রকিাশ করলাম আজ





অবজেক্টিভ বাদ-কারণ i need your help ।
Rjamil রশীদ জামীল২৬ নভেম্বর ২০১২, ২৩:০১
মাথা গেছে--------আমার
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৬ নভেম্বর ২০১২, ২৩:২৪
সত্যি ব্লগ ছাড়া অন্য কোথাও আমার কোন আয়ডি এখন আর সক্রিয় নেয় ।

আমি চাচ্ছি অনেক অনেক এবং বহু সংখ্যক মানুষ বিষটি সম্পকে জানুক।আপনি যদি এটি ফেসবুকে শেয়ার করেন তবে তা আরো বহু সংখ্যক মানুষের হাতে পৌছে যেত।
Rjamil রশীদ জামীল২৬ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৩১
আমার ডর করে গো
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৭ নভেম্বর ২০১২, ০০:১৪
‍ঠিক আছে-শুধু একটু তথ্য দিন।

আদালতে আমি কি ভাবে একটি মামলা করতে পারি।অথ্যাৎ কারো বিরুদ্ধে মামলা করার পদ্ভতি জানতে চায়?
Rjamil রশীদ জামীল২৭ নভেম্বর ২০১২, ০০:২৮
মামলা করতে গেলে প্রথমে তো তোমারই ফাইস্যা যাওনের সম্ভাবিলিটি সাড়ে একশ পারসেন্ট
কারণ, পাল্টা যদি তোমারেই রিমান্ডে নিয়া জিগান অইব,...

ও লজ্জু, তুমি এই কাহিনীগুলান কই থিকা সংগ্রহ কর্তাছো

তহন তুমি কী জবাব দিবা......

তার চাইতে দেখো মাফ টাফ কইরা দেওন যায় কি না
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৭ নভেম্বর ২০১২, ০০:৩৯
ভয় দেখান কে?

আমি কোন অপরাদ করিনা কখনো-যদি অন্যায় হয়ে থাকে তবে তার শাস্তি মাথাপেতে নিব।

আপনার মত ডুরু নাকি....!!! খালি মা-বাবার জন্য পারি না।.................
Rjamil রশীদ জামীল২৭ নভেম্বর ২০১২, ০০:৫২
তাইলে লও, তোমারে একখান ভালা বুদ্ধি দেই
কামও হইব, লগে তুমিও পুপুলার হয়া যাইব
তোমারে যা করিতে হইবে, তাহা হইলো...

তোমার এই কাগজের টুকরাগুলানরে পলিতিন দিয়া মোড়াইয়া সোজা কাওরান বাজার চইল্যা যাইবা। একুশে টিভির অফিসে। তারপর ক্যামেরার সামনে দাঁড়ায়া বিরবিক্রমে সব তথ্য ফাস করিতে আরম্ভ করিবা। আর আসার পথে প্রথম আলো অফিসেও একটা ঢু মাইরা আইবা। তাহইলে জলে-স্থলে অবস্থানকারী সকলেই এই বিষয়ে জ্ঞাত হইয়া যাইবে। বাকি আল্লাহ ভরসা।

পলিতিন ফর্মূলার হেতু

কারণ, বৃষ্টি বাদলার দিন। দেখা গেলো কাগজ ভিজে জবুতবু হয়ে গেছে।
পলিতিন মোড়ানো থাকলে নিরাপদ।

সতর্কতা

পলিতিন ব্যবহার কিন্তু নিষিদ্ধ। ধরা খাইও না আবার
clyclon আজ তোমায় ধ্বংসের নিমন্ত্রণ২৭ নভেম্বর ২০১২, ০১:০২
প্রথম আলো এবং একুশে দুটির ওয়েড সাইটে অনেক চেষ্টা করেছি।

কেউয়ি আমাকে কোন আইডি দিছে না।

আপনার পদ্বতি সম্ভব নহে।কারণ জনপ্রিয় হওয়ার কোন ইচ্ছে আমার নেয়।আমি বাতাস হব।বাতাশের উপস্থিতি টের পাওয়া যায় কিন্তু তাকে কখনো দেখা যায় না।

আমি চায় জাতির ভালো হক;ঠিক আছে আপনারা আমারে ইনসালট করিতেছেন।

আর কোন প্রশ্ন ব্লগেও প্রকাশিত হবে না।-প্রশ্নপত্র সংগ্রহ আর ব্লগে প্রকাশ করিতে যে সময় নষ্ট হয়েছে-সে সময় পড়া লেখা করিলে আমি এ+ পেতাম নিশ্চিত।
Rjamil রশীদ জামীল২৭ নভেম্বর ২০১২, ০১:০৭
আমি বাতাস হব।বাতাশের উপস্থিতি টের পাওয়া যায় কিন্তু তাকে কখনো দেখা যায় না।

গেলো এক মাসে আমার শোনা সেরা একটা উক্তি
ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ
------------গ্রেট লজ্জু

খামোখাই মন খারাপ করে লাভ নাইগো ভাই
কথা হলো..

সর্বাঙ্গে ব্যাথা
তুমি ওষুদ দিবা কোথা-
---------
shipons123 ‍িসপনস১২৩২৯ নভেম্বর ২০১২, ১২:২৮

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment