মাননীয় রাষ্ট্রপতি, ক্ষমাটি কি খুবই প্রয়োজন ছিল ?

আমাদের দেশ বাংলাদেশ। যেন খুনের আসামীদের ক্ষমার দেশ। আইনজীবি, বাদী-বিবাদীর দীর্ঘ পথ পরিক্রমার সমাপ্তীতে রায় আসে। আর সে রায় যদি মৃত্যুদন্ড, তো কোন সমস্যা নেই। কারন যাদের রাজনৈতিক ব্যাকরাউন্ড বা প্রটেকশন আছে তাদের জন্য এটা কোন ব্যপার নয়। কারন রাষ্ট্রপতি আছেন না ?
অথচ দেখুন এই জাতীয় একটি মামলায় কোন কোন সময় লেগে যায় বছরের বছর আর বাদী ও বিবাদী পক্ষের পকেট হয় উজাড়। যার পুরোটাই যায় আমাদের দেশের তথাকথিত পেশাজীবি বা বুদ্ধিজীবি বলে গলা চেচিয়ে যারা কথায় কথায় নীতির কথা বলেন সেই আইনজীবিদের পকেটে। মাঝখানে সবকিছু হারিয়ে নিঃশ্ব হন বাদী। ক্ষতির স্বীকার হন বিবাদীও।
স্বাধীনতার পর এ ক্ষমা করার ট্রেডিশন প্রথম চালু করেন আমাদের দেশের তথাকথিত সেই মহানায়ক, সাবেক সামরিক শাসক মে: জে: জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেভেন মার্ডার সংগঠিত হয়। এই সেভেন মার্ডারের অন্যতম ফাঁসির আসামি ছিলেন তখনকার ছাত্রলীগ নেতা বর্তমানে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান। জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপতি হয়ে শফিউল আলম প্রধানসহ অন্যদের ফাঁসির দন্ডাদেশ মওকুফ করে দেন। যার কারনে আজ অবদি সেই শফিউল তার প্রতিদান দিয়ে যাচ্ছেন। কারন মনিবের আদর্শের বাইরে কি কোন পালিত কুকুর যেতে পারে !!! আবার অন্য দিকে জিয়ার ক্ষমতার আমলে তিনশত (৩০০) সেনা অফিসারকে আবার ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে হত্যাও করেছিলেন। আজ বিএনপি সেনা অফিসারদের জন্য কান্না করেন !!!
সূত্রাপুরের ব্যবসায়ী আবদুল খালেক রানা ও ফিরোজ আল মামুন-এর জোড়া খুনের মামলায় নয় নম্বর বিশেষ সামরিক আইন আদালতে তাদের ফাঁসির আদেশ হয় আবুল হাসনাত ওরফে গালকাটা কামাল, মহিউদ্দিন আহমেদ ঝিন্টু, আবুল কাসেম মানিক ও শহীদ হোসেনের। জেলে থাকা অবস্থায় ১৯৮২ সালে গালকাটা কামালের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। আবার একই মামলার আসামী ১৯৮৭ সালের ৫ ডিসেম্বর পলাতক অবস্থা থেকে আত্মসমর্পণ করে জেলখানায় যায় মানিক। রাষ্ট্রপতি এরশাদের অনুকম্পায় মানিক মুক্তি পায়।
এরপর মহিউদ্দিন আহমেদ ঝিন্টু ২২ বছর বিদেশে পলাতক থাকার পর ২০০৫ সালের ৩ জানুয়ারি দেশে এসে আত্মসমর্পণ করে জেলে যায়। মাত্র ১০ দিন কারাগারে থাকার পর ১৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পায় ঝিন্টু। তাকে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ।
ঝিন্টুর মুক্তি পাওয়ার আগে ফাঁসির দন্ডাদেশ মাথায় নিয়ে সুইডেনের বিএনপির শাখার সভাপতি হয়ে সেদেশে বসবাস করে। ঝিন্টু সুইডেনে থাকাকালে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ তার আতিথেয়তা গ্রহণ করেন। সুইডেন থেকে প্রকাশিত প্রবাসীর কণ্ঠ নামের ম্যাগাজিনের এপ্রিলের সংখ্যায় প্রকাশিত একাধিক ছবিতে ফাঁসির আসামি ঝিন্টুর সঙ্গে বিভিন্ন ভঙ্গিমায় আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ও তাঁর পত্নী হাসনা মওদুদের সচিত্র প্রতিবেদন ছাপা হয়।
প্রশ্ন উঠতে পারে, সূত্রাপুরের জোড়া খুনের অভিযোগে ঝিন্টু ও মানিকের মৃত্যুদন্ডাদেশ মওকুফ করা হলো। অথচ তাদের সঙ্গে মৃত্যুদন্ডাদেশপ্রাপ্ত গালকাটা কামালের ফাঁসি হয়ে গেল। একই মামলায় একই অপরাধে গালকাটা কামালের একজনের ফাঁসি দেয়া হলো। আর বিএনপির নেতা বলে ঝিন্টুর মৃত্যুদন্ডাদেশ মওকুফ করে দেয়া হলো। গালকাটা কামালের পরিবার যদি বিএনপির কাছে এর জবাব চায় তার উত্তর কি হবে ?
আর এবার সর্বশেষ ক্ষমা করলেন বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব জিল্লুর রহমান। তিনি তার সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে এডভোকেট নুরুল ইসলাম হত্যামামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী লক্ষ্মীপুর পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আবু তাহেরের ছেলে এ এইচ এম বিপ্লবকে ক্ষমা করে মৃত্যুদন্ড মওকুফ করেন। এ নিয়ে দেশের প্রায় সবারই রাস্ট্রপতির প্রতি একটা নেতীবাচক ধারনা লক্ষ করা যাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি কি তা জানতে পেরেছেন ?
যারা মৃত্যুদন্ড ক্ষমা করার জন্য রাষ্টপতির কাছে আবেদন করেছেন তাদের যুক্তি তৎকালীন আইন মন্ত্রী ও বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদ ষড়যন্ত্র করে তাদের নাম এখানে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। আমরা মানলাম। তাহলে কেসটা রিভিউ করে নিয়ে আইনরে মাধ্যমে মুক্তি হলে বেশী ভাল হত না ? কেন এই নগ্ন হস্তক্ষেপ ? আবার কেউ কেউ বলে বেড়াচ্ছেন, রাষ্ট্রপতির আদেশ নিয়ে নাকি কিছু বলা যাবেনা। কেন তিনি কি সব বিতর্কের উর্দ্ধে ? যদি তাই হন, তাহলে কেন এরকম বিতর্কিত সিদ্ধিন্ত নিলেন ?
কেউ যদি বিতর্কিত কোন সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তার সমালোচনা হবেই, এটাই বাস্তব জনাব সুরঞ্জিত বাবুরা। এর সাথে সাথে সুরঞ্জিত বাবুদের কাছেও আমার প্রশ্ন আপনারা কি আওয়ামীলিগ ও হাসিনাকে ধ্বংস করতে চান ? যা ১/১১ সময় তথা কথিত সংস্কার কর্মসূচীর আওতায় পারেন নাই ? সেদিন একজন মাত্র মতিয়াই কঠোর ছিলেন, আপনারাতো ইস্তেহার ও গঠনতন্ত্রও তৈরী করে ফেলেছিলেন, কি ভুলে গেছেন ?
যাক ওসব কথা। সাবেক রাষ্ট্রপতি এএইচএম এরশাদ পুরনো ঢাকার দিলা ও মোখলেছ নামের দুই ফাঁসির আসামির প্রাণভিক্ষা দিয়েছিলেন। ফাঁসির দন্ড মওকুফ হওয়ার পর তারা পরবর্তীতে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেয়। এরশাদ সরকারের পতনের পর দিলা ও মোখলেছ যোগ দেন বিএনপিতে। এখন আবার বিএনপির নেতারাই বিল্পবের মৃত্যুদণ্ডাদেশ মওকুফের বিরুদ্ধে মানববন্ধনসহ নানা ধরনের বক্তব্য বিবৃতি দিচ্ছে। এভাবে অনেক উদাহরন খুজলে পাব।
কিন্তু আমার প্রশ্ন, মাননীয় রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করাকি একান্তই প্রয়োজন ছিল ? আপনি কি দেশের অবস্থা জানেন না ? আজ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, সাবেক সরকারের দুই বরপু্ত্রদ্বয় সহ মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতির বিচার, সংবিধান নিয়ে বিতর্ক, দ্রব্য মূল্য নিয়ে জনমনে হতাশা-ক্ষোভ, বিদ্যুৎ সমস্যা, গ্যাসের ও পানির সমস্যা ইত্যাদির কারনে জনগণ সত্যিই অতিমাত্রায় আপনাদের উপড়, বর্তমান সরকারের উপড় খুবই অসন্তষ্ট। সেখানে আবার এরকম একটা বিতর্কিত ও প্রশ্নবোধক কাজ কি খুব প্রয়োজন ছিল ? দেশ থেকে কি সবল আইন তুলে নেয়া হবে ? আইনরে শাসন কি আইনের শোষনে পরিনত হবে ? আজ যদি ২১ আগষ্ট মামলার রায় হয় আসামীর মৃত্যুদন্ড, তারা প্রাণভিক্ষা চাইলে করবেন কি ? যুদ্ধাপরাধীরা মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত হলে প্রাণভিক্ষা চাইলে করবে কি ? যদি আপনার আমলে না হয়, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি বা সরকার যদি একই কাজ করেন, তখন আপনার সরকার বা আপনি কি বলবেন ? মাননীয় রাষ্ট্রপতি দেশ-বাসী জানতে চায়। আপনার কাছ থেকেই!!! আপনি একটু বলবেন কি ?
লেখক আমিন আহম্মদ
- আমিন আহম্মদ -এর ব্লগ
- ৪৩ টি মন্তব্য
- ২৫ জুলাই ২০১১, ১৯:৪৯
- রাজনীতি
প্রিন্ট করুন
- ৪৩ টি মন্তব্য
-
জহিরুল ইসলাম২৫ জুলাই ২০১১, ২০:০৯
ধন্যবাদ আমিন আহম্মদ ভাই। রাষ্ট্রপতির এই কাজকে আমরা কোনোভাবেই সমর্থন করি না। যারা সত্যের পথে তারা সব সত্যকেই প্রকাশ করতে পারে-আপনার এই কাজ তারই উদাহরণ। -
২৬ জুলাই ২০১১, ০১:৫৩
প্রতিমাসে আয় করুন ২৪,০০০ টাকা, সম্পূর্ণ প্রক্রয়া ছবি সহ দেওয়া আছে শুধু অনুসরণ করুন,সফটওয়্যার দেয়া আছে আর দেরি না করে আয় করুন ইন্টারনেট ।
www.earn-sure.co.cc -
মোঃ শামসুল আরেফিন২৫ জুলাই ২০১১, ২০:১৯
ওনারাতো ভাই দয়ার সাগর, কি করবেন।ওনারেও মাফ কইরা দ্যান!!!!!!!! -
মোঃ শামসুল আরেফিন২৫ জুলাই ২০১১, ২১:২৯
হয়তোবা হ্যাঁ, আবার হয়তোবা না!!!!!!!!!!
নিজেরটা অবশ্য সবাই বোঝে!!!!!!!!তিনিও নিশ্চয়ই এর বাইরে নন। -
মুহাম্মাদ আনোয়ারুল হক খান২৫ জুলাই ২০১১, ২০:৫৮
যুদ্ধাপরাধীরা মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত হলে প্রাণভিক্ষা চাইলে করবে কি ? যদি আপনার আমলে না হয়, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি বা সরকার যদি একই কাজ করেন, তখন আপনার সরকার বা আপনি কি বলবেন ? মাননীয় রাষ্ট্রপতি দেশ-বাসী জানতে চায়। আপনার কাছ থেকেই!!! আপনি একটু বলবেন কি ?
স হ ম ত
মহামান্য রাষ্ট্রপতি আপনি কি যুদ্ধাপরাধীরাধিদের ক্ষমা করার রাস্তা টা সহজ করে দিলেন না??? -
লজ্জাপতি হযবরল২৫ জুলাই ২০১১, ২১:২৯
কারন মনিবের আদর্শের বাইরে কি কোন পালিত কুকুর যেতে পারে !!......




আমার তো মনে হয় আমরা জনগনি রাষ্টপতির পালিত কুকুর -
লজ্জাপতি হযবরল২৫ জুলাই ২০১১, ২১:৩৬
আমার তো মনে হয় আমরা জনগনি রাষ্টপতির পালিত কুকুর
.....কারন মনিবের আদর্শের বাইরে কি কোন পালিত কুকুর যেতে পারে !!......
সকল বাংলাদেশিয় চায়ছেন(রাষ্টপতি বাদে +কিছু লোক) ক্ষমা না করা হউক কিন্তু কি লাভ হলো !!!!! মনিব (রাষ্টপতি) ঘোষনা করেছেন ক্ষমা আমরা কুকুর হিসাবে তা মেনে নিতে বাদ্য হচ্ছি!!!! -
লিনা জামবিল২৫ জুলাই ২০১১, ২২:২৮
আজ যদি ২১ আগষ্ট মামলার রায় হয় আসামীর মৃত্যুদন্ড, তারা প্রাণভিক্ষা চাইলে করবেন কি ? যুদ্ধাপরাধীরা মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত হলে প্রাণভিক্ষা চাইলে করবে কি ? যদি আপনার আমলে না হয়, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি বা সরকার যদি একই কাজ করেন, তখন আপনার সরকার বা আপনি কি বলবেন ?
অভিনন্দন না জানিয়ে পারলামনা---
-
আলোর মিছিল ২৫ জুলাই ২০১১, ২২:২৯
একুশে অগাষ্ট গ্রেনেড হামলা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যদি বর্তমান সরকারের সময় কার্যকর করা না যায় ( এই সম্ভাবনাই বেশি ) এবং পরবর্তিতে যদি নতুন সরকার আসে, আর সেই সরকার যদি দন্ডিতদের সাজা মওকুফ করে দেয় তাহলে আওয়ামী লীগ তখন কি করবে ? ! ! ! -
আকতার ফারুক হৃদয়।২৫ জুলাই ২০১১, ২২:৪১
রাষ্ট্রপতির এই কাজকে আমরা কোনোভাবেই সমর্থন করি না। যারা সত্যের পথে তারা সব সত্যকেই প্রকাশ করতে পারে-আপনার এই কাজ তারই উদাহরণ। -
মোসাদ্দিক উজ্জ্বল ২৫ জুলাই ২০১১, ২৩:২৮
আমি তো বি ডি তে ই কমেন্ট করেছি।
এইখানে কি আবার ও করবো?
আমিন ভাই! -
রশীদ জামীল২৬ জুলাই ২০১১, ০০:০১
আমাদের দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি খুনের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তকে ক্ষমা করে দিচ্ছেন। অতীতেও এমনটি আমরা হতে দেখেছি। আজ মনে হয় ভাববার সময় এসেছে এই অধিকার রাষ্ট্রপতির হাতে থাকা বা রাখা উচিৎ কি না!! ৪৯ নং ধারাটি সংবিধান থেকে মুছে ফেলা উচিৎ কি না!!!!
পাশাপাশি এটাও ভাবনায় নেয়া দরকার গোড়ায় গলদ হচ্ছে কি না!! আমাদের সংবিধান বলছে, আইনের চোখে সকল নাগরিক সমান। আবার একই সংবিধানের ৫১(১)অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-
রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না......
৫১(২) অনুচ্ছেদে গিয়ে বলা হয়েছে,
রাষ্ট্রপতির কার্যাভারকালে তাহার বিরুদ্ধে কোন আদালেতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না
আইনের চোখে সবাই যদি সমানই হবো, তাহলে কোনো অন্যায় কাজ আমি করলে আমাকে শাস্থি দেয়া যাবে। আমার বিরুদ্ধে মামলা হতে পারবে কিন্তু একই অপরাধ রাষ্ট্রপতি করলে উনার বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত হতে পারবে না-এটা কেমন ইনসাফ??? -
কে. এম. ওমর ফারুক২৬ জুলাই ২০১১, ০০:১৯
আইনের শাসনের কথা বলি আবার নিজের স্বর্থে আইন ব্যবহার করি। এভাবে পালা বদলের খেলায় বাঙালিরা আর কত লজ্জিত হবে!
পরিবর্তন চাই ! সকলের মানসিকতার পরিবর্তন চাই। -
ন. হাসান রাজু২৬ জুলাই ২০১১, ১৪:৪২
আমিও। নৌকা আর ধানেরশীষ কে আর চাই না। চাই নতুন কিছু। তার আগে চাই পুরো দেশের জনগনের মানসিক চিকিতসা। যেন তারা ভাল মন্দ বুঝতে পারে। -
এ. জে. চৌধুরী২৬ জুলাই ২০১১, ০৮:৩০
মৃত্যুদন্ড একটি খেলা
(প্রথম আলো ব্লগ-২০ জুন ২০১১)
কংক্রীটের কঠিন দেয়ালে
মাথা ঠুকে কাঁদে মানবতা
মধ্যযুগীয় নিরব বর্বরতা
বিচারকের রায়ে মৃত্যুদন্ড
মানুষ মারার এক ষড়যন্র ।
বিচারের নামে এ কোন প্রহসন
হোক সে মস্তবড় অপরাধী
রচিত আইনে মানুষ নিধন
চলছে হত্যা হত্যা খেলা
যে বিচারক দেয় হত্যার রায়
সমাপরাধে নয় কি সে অপরাধী!
ফৌজদারি অপরাধে -
কেন হবে না সেই বিচারকের
নর বলির বিচার !
মৃত্যুদন্ডে কমছে না হত্যা
বাড়ছে আরো লাশ
অমূল্য মানব জীবন
বিচারকের মানসিক আবেগে
সস্তায় হয় বিনাশ ।
অজ্ঞ-বিজ্ঞ আইন বিশেষজ্ঞ
আলুলায়িত কালো পোষাক
মাথায় শ্বেতশুভ্র রেশমী টুপি
সমন ঘোষণার ঐতিহ্যবাহী রীতি।
হে বিচারপতি, হে সমঝদার,
অপরাধীকে হয়তো দিচ্ছো ফাঁসী
হত্যা-ঘেষাঁ আইনী প্রহসনে
কত নিরাপরাধী ঝড়ে গেছে
হিসেব দেবে কি তার ?
(লেখকঃ
সিলভিয়া চৌধুরী)
-
রিজওয়ান০০২৬ জুলাই ২০১১, ১৩:১৯
আইভি রহমানের হত্যাকারীদের যদি কখনো ফাসির আদেশ হয় তবে আমরা কী সেদিন সেই হত্যাকারীদের মুক্তির আবেদন নিয়ে মিছিল করব ???? রাষ্ট্রপতি জবাব চাই .................. -
যাযাবর জোনাক২৬ জুলাই ২০১১, ১৩:২৫
সাধুবাদ।
বিচারের বাণী কাঁদে নিভূতে।
পাঁচ বছর পর পর মঞ্চস্থ হয় পালা বদলের পালা। ঘুরে ফিরে সেই একই নাট্যের অবতারণা তারপর! -
বাংলা২৬ জুলাই ২০১১, ১৩:৪১
যুদ্ধাপরাধীদের বিচর হল আওয়ামিলিগের একটা ভাওতা। বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে তরাযে বিপদে পড়েছে তা স্পষ্ট। কার আওয়ামিলিগে ওঅনেক রাজাকার অথবা তাদের বংশধররা রযেছে। যাদ্রে বিচার কররে লোম গিয়ে তাদেরও কম্বল খালি হয়ে যাবে।
আর খুনত সামান্ন পাপ। আওয়ামি লীগ , বি এন পি , জাতিয় পর্টি যাদের কথাই বলেন- পরিবারতন্ত্র হল গিয়ে গঙ্গাজল । এই জলে অবগাহন কররে সপ পাপ পূণ্যে রুপান্তরিত হয়ে যায়।
এটা হল পরিবার তন্ত্রের রিতি।
পারিবারিক রাজম্বিতা বজায রাখতে গিয়ে পারিবারিক দলের স্বার্থে ভালমন্ত সবাইকেই সাথে রাখতেহয়। ।
এই কারণে খুনিরাও ক্ষমা পেয়ে যা।
আমি এই কারণে পরিবার তন্ত্রের পতন চাই।
আর রাজণিত বিবেচনায় যেসকল খুনের মামলা ডাকাতির মামলা ইত্যাদির প্রত্যাহার করে নিয়ে গেছে। এবং এর ই ধরাবাহিকতায় আগামি সরকার যদি বি এন পি, হয় তখন তাদের দলের যে সকর মামলা প্রত্যাহার করবে, সেগুলিতে কত আসামির ফাসি হত কেজানে।
** পরিবার তন্ত্রের পতন চাই ** -
ন. হাসান রাজু২৬ জুলাই ২০১১, ১৪:৩৭
১০০ % দোষ আমাদের। ওরা (BNP and AL) প্রথমবার ই প্রমাণ করেছে ওরা যোগ্য না । আমরা তাদের ২য় বার নির্বাচিত করলাম । এর মানে দাড়াল, ওদোর প্রথমবারের কাজ আমাদের পছন্দ হয়েছে এবং তারা ও বুঝে গেছে কি টাইপের জনগনের জন্য কি ঔষধ লাগবে। অতএব ওরা যা করছে, করবে এর অনুমোদন আমরাই প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে দিয়ে রেখেছি। ওরা জানে দু একদিন কিছু দুষ্ট ছেলেপেলে এটা নিয়ে নাড়া চড়া করবে । তারপর যে যার মত নৌকা না হয় ধানেরশীষে ভোট দিবে।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক