সোমবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৭ ভাদ্র, ১৪২১ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


আসুন হরতালকে "না" বলি


গুজরাটী শব্দ "হরতাল" কে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে ব্যবহার করেছেন তা বোধ হয় বিশ্বের কোন দেশই করতে পারেন নি। এজন্য অবশ্যই বাংলাদেশের দলগুলো সাধুবাধ পাবার যোগ্যতা রাখেন! অথবা হরতালের উপর ভিত্তি করে যদি কোন পুরুষ্কার দেয়া হতো তাহলে বাংলাদেশের বাইরে কোন দেশই বুঝি তা পাবার সুযোগ পেতো না।

আর হরতালের আভিধানিক অর্থ যা ই থাকুক না কেন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হরতালের সংজ্ঞা হচ্ছে- এদেশ আমার বাপ-দাদার, চাইলেই বন্ধ করে দেব সবকিছু।

বাংলাদেশের মানুষেরও আত্মার সাথে মিশে গেছে হরতাল। হরতাল আমাদের সংস্কৃতির ও একটা অংশ।
হরতালের তারিখ নির্ধারণ মানেই হচ্ছে- আজকে আমার দোকানটা বন্ধ থাকবে, না হয় লুট হবে। আজকে আমার কষ্টার্জিত উপার্জনে কেনা সখের গাড়িটা ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হবে। হরতাল মানেই হচ্ছে আজকে আমার কাজে যাওয়া হবে না। বড় কর্তার বকুনি। নয়তো ছেলেমেয়ে নিয়ে না খেয়ে থাকা। নয়তো রিক্সাঅলার হাত ভেঙে সরকারের ঘারে ঝুলিয়ে দেয়া।

এসবই পুরনো কথা। দীর্ঘ প্রায় আড়াই তিন বছর পর আবার শুরু হচ্ছে হরতাল। এ আড়াই তিন বছরে বাংলাদেশের জনগন বোধহয় ভুলেই গিয়েছিলেন হরতাল শব্দটি। এরই ফলে তারা হয়তো আর হরতাল চায় না। কিন্তু তারা না চাইলেই কি হবে, নেতারা তো চান! আর নেতারা তো আমাদের পীর বাবাজি।

এখন কথা হলো এই যে তিন বছর হরতাল ছিলনা বা হয়নি তাতে কি দেশ গোল্লায় গেছে? 4U (মইন উদ্দিন, ফখরুদ্দিন, ইয়াজউদ্দিন, মাসুদউদ্দিন) অথবা IMF ( ইয়াজউদ্দিন, মইনউদ্দিন, ফখরুদ্দিন) কে যে যেভাবেই গালিগালাজ করেন না কেন তারা কিন্তু এমন অনেকগুলো কাজ করে গেছেন তার জন্য অন্ততপক্ষে একটা ধন্যবাদ দেওয়া উচিত। তবে হ্যা তাদের শেষমূর্হুতে ক্ষমতালোভ, অনেক কাজে একসাথে হাত দেয়ায় সফলতাগুলো চোখে পড়ে না। কিন্তু এ কথা সত্যি যে তারা যা করতে পেরেছেন তা কোন সরকার করতে পারেন নি। তারাই পেরেছেন নেতাদের ছেরা ক্ষেতার স্বাদ বুঝাতে। তারা বুঝাতে সক্ষম হয়েছেন ’নেতা তোমারও ভুল আছে, তুমিও শাস্তি পেতে পারো, তুমি সাধু নও, দূর্নিতীবাজ।
যাক এসব আমার বলার বিষয় নয়।

আমার বলার বিষয় হচ্ছে ২৭ জুনের হরতালটি কেন করা হচ্ছে? এতে লাভ কার? ক্ষতি কার?
আমাদের সম্মানিত বিরোধী দল যে ইস্যুতে হরতাল করছেন তা কি যৌক্তিক? তাদের মতে দেশের বিদ্যুৎ, গ্যাসের দাবিতে হরতাল করছেন। কিন্তু আমার মতো হাজারো জনতার প্রশ্ন আপনারা তো ৫বছর ক্ষমতায় ছিলেন, তারপর দুই বছর ব্যতিক্রমী সরকার। তারা সাত বছরে যা করতে পারেনি তা এ সরকারের ১৮ মাসে কি করে আশা করেন? তাহলে তো বলতে হয় এ হরতাল বিরোধী দল তাদের নিজেদেরই বিরুদ্ধে করছে।
আর যদি এমনটা মনে করেন যে হরতাল করে সরকার পতন করবেন তাহলে একটা প্রশ্নের জবাব অন্তত দিতে হবে যে, কখনো কি হরতাল করে কোন সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব হয়েছে? বিগত আওয়ামীলীগ কি হরতাল করে আপনাদের ক্ষমতাচ্যুত করতে পেরেছে? তাহলে আপনারা পারবেন কি করে?
অবশ্য এ বিষয়টা বিরোধীদলীয় নেত্রী পরিষ্কার করেছেন যে, এ হরতাল সরকার পতনের আন্দোলন নয়। তাহলে কেন? গ্যাসের দাবী? এটা তো আপনারাও পারেন নি? বিদ্যুতের দাবী? এটার ব্যর্থতাও তো আপনাদের উপর অনেকাংশে বর্তাবে।

মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী কি ভেবে দেখেছেন, হরতাল হলে দেশর একদিনে ক্ষতি কত হবে? কত মানুষের ভোগান্তি হবে? অবশ্য এসব আপনাদের ভাববার কথা নয়, কারণ আপনারা জনগন দিয়ে রাজনীতি করেন জনগণের জন্য নয়। তাই জনগনের কি ক্ষতি হলো তা ভাববার মতো সময় আপনার কোথায়?

তবে আশার কথা হলো কোন বিষয়ে আমাদের নেত্রী ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলেও এবারের হরতালের বিষয়ে ইতিবাচক দৃষ্টি এসেছে। তিনি বলেছেন এ হরতাল হবে শান্তিপূর্ণ। তবে শান্তিপূর্ণ বলতে তিনি কি বুঝাতে চেয়েছেন তা কিন্তু বলেন নি।

তবে বরাবরের মতো এবার ও সরকার তার একটি পজেটিভ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, হরতালে বাধা দেয়া হবে না। হরতাল শান্তিপূর্ণ ভাবে করলে তাদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু কাউকে কাজে বাধা দিলে, গাড়ি, দোকানপাট ভাংচুর করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মাননীয় খালেদা জিয়া কি এবার গাড়ি ভাংচুর, জ্বালাও পোড়াও হরতাল করবেন না? যদি না করেন তাহলে আপনার অযৌক্তিক হরতালকেও সাধুবাদ জানাই এ ভেবে যে, আপনার,ভেতর পজেটিভ দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম হচ্ছে। যে পজেটিভ দৃষ্টিভঙ্গির অভাবে আপনাকে গত নিবার্চনে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে।

গণতন্ত্রে হরতাল, আন্দোলন থাকবে এটাই স্বাভাবিক। নয়তো সরকার স্বৈরাচারি মনোভাব দেখাতে পারে। কিন্তু হরতাল শব্দটির প্রতি যদি সঠিক আচরণ করা যায় তাহলে তার অর্থ হবে- হরতাল মানে যারা মনে করেন সরকারকে অনস্থা জানানো উচিত তারা তাদের কাজ বন্ধ রেখে তা জানাবেন। তিনি তার দোকান না খোলে জানাবেন সরকারের কাজে তিনি সন্তোষ্ট নন, তিনি রাস্তায় গাড়ি বের না করে তিন জানাবেন তিনি সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন।

এখন শান্তিপূর্ণ হরতাল বলতে যদি এটা বোঝায়- আমরা বিরোধী দল গাড়ি ভাংচুর করবো না, কিন্তু কারো গাড়ি রাস্তায় চলতে দেবো না; আমরা চাই কেউ দোকানপাট খোলবে না, ব্যস কেউ খোলতে পারবে না বা আমি চাই অমুক নাগরিক তার কাজে যাবে না, ব্যস যাবে না; তাহলে বিরোধী দল হচ্ছে সবচেয়ে বড় স্বৈরাচার।

তবে একটা বিষয় আমার মাথায় ঢুকে না, বাংলাদেশের মানুষ কি এতটাই অচেতন বা সচেতন যে, তারা নিজের ইচ্ছায় সব কাজ বন্ধ রেখে না খেয়ে থাকবেন? যদি করেন তাহলে ভালো। আর যদি তাদেরকে হাতে ১০০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে বলা হয় আজকে কাজে যাবে না, তাও ভালো।

গত প্রায় বেশ কয়েকদিন আগে ব্রিটিশ কাউন্সিল তার এক জরিপে দেখিয়েছে, এদেশের যুবসম্প্রদায়ের ৮০% ভাগের উপরে মনে করেন দেশ সঠিক পথে এগুচ্ছে এবং তারা সুখি তাহলে বিরোধী দলই শুধু বলছে দেশ রসাতলে যাচ্ছে। তার মানে তারা স্বর্গে নিয়ে গিয়েছিলেন এখন দেশ স্বর্গ থেকে বেরিয়ে নরকে যাচ্ছে আর তাকে উদ্ধার করার দায়িত্ব হচ্ছে তাদের। তাদেরই যদি দায়িত্ব হবে তাহলে তো তারাই ক্ষমতায় থাকতেন?

তবে আমার মনে হয় এবার বেগম জিয়া আরেকটা কাজে বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন। তা হলো তিনি অসহিংস হরতালের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এ সিদ্ধান্তটা যে তার ১৭ জুনের পর নেয়া এটা কিন্তু বুঝতে কারোই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। কারণ তিনি হরতালের ঘোষণাটা দিয়েছিলেন প্রায় দেড়মাস আগে। তখন তিনি গতানুগতিক হরতালেরই কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু যখন দেখলেন চট্টগ্রামে তার প্রার্থী জয়ী হয়েছেন তখন তিনি হরতালের সাথে শান্তির পতাকাটি লাগিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু নিয়ত যেহেতু করেছেন, তিনি হরতাল করবেন-ই। অথচ তিনি কিন্তু পারতেন হরতাল প্রত্যাহার করতে।
এখন অনেকে প্রশ্ন করবেন তিনি যে ১৭ তারিখের পর সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন তা কিভাবে আমি বা আমরা অনুমান করছি? কারণ সোজা, উনার মহামান্য মহাসচিব যেভাবে বলেন- হরতালে যদি বাধা দেয়া হয় বা আমাদের কর্মীদের কিছু করা হয় তাহলে সারা দেশে আগুন জ্বলবে। তার মানে হচ্ছে- দেশটা উনার বাপ-দাদার। আমরা যারা সাধারণ জনগণ তারা সবাই গরু-ছাগল।

তবে এবারও সরকার তাদের বিরুদ্ধে একাধিক গোল করে ফেলেছেন। বাকী আছে আরো কিছু গোল করে পরাজিত করার।

সরকার তাদের একটা উল্লেখযোগ্য যে গোলটা দিয়েছেন তা হচ্ছে, চট্টগ্রামের ফলাফল নিয়ে। তারা হয়তো ধারণা করেছিলেন সরকার এ ফলাফল মানবে না বা সরকার ফলাফল উল্টে দিবে বা সরকার পরাজিত হয়ে নির্বাচন কমিশনারদের পদত্যাগে বাধ্য করবেন। কিন্তু সরকার সেটা না করে বরং নির্বাচন কমিশনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুধু এখানেই শেষ নয় সরকার নির্বাচিত মেয়রকে অভিনন্দন জানিয়ে সব ধরণের সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছেন। এটা কি বেগম জিয়া কখনো কল্পনা করতে পেরেছেন বা পারবেন? একেবারে সুক্ষ্ম গোল।

আরেকটা গোল দিয়েছেন এ হরতালের মাধ্যমে। বিরোধী দল মনে করেছিলেন সরকার তার পুলিশ বাহিনী এবং দলীয় ক্যাডারদের দিয়ে হরতাল ভন্ডুল করবেন এবং মারামারি করবেন। কিন্তু সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উল্টো। হরতালে বিরোধী দলকে সহযোগিতা করবেন যদি না সেটা সহিংস হয়। তারা হরতালে কোন বাধাই দিবে না যদি না তারা জানমালের কোন ক্ষতি করে। তবে হ্যা, বাধা দিতে হবে যদি দেশের জনগণ এবং সম্পদের ক্ষতি কেউ করে। কারণ এটা সরকারের শপথ।

অথচ একটু পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, বিরোধীদল থাকাকালীণ সময়ে আওয়ামীলীগের ডাকা হরতালে বিগত সরকার কি নির্যাতন করেছেন। দোয়েল চত্তর স্মরণীয় হয়ে আছে মতিয়া চৌধুরীকে মেরে রাস্তায় ফেলে রাখার কলঙ্কে। নাসিমের মাথা ফাটিয়েছেন তৎকালীন সরকারের পুলিশ বাহিনী। আসাদুজ্জামান নূরের ঠ্যাং ভেঙ্গে দেয়া। রাস্তায় পুরুষ পুলিশ দিয়ে মেয়েদের কাপড় ছিড়ে উলঙ্গ করা। সাংবাদিকদের পিটিয়ে ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেলা। হরতালের আগের শত শত হাজার হাজার নেতা কর্মদের কোমরে দড়ি বেধে হাজতে ঢুকানো। এসব কি ভুলে গেছেন তারা? না কেউ -ই ভুলেন নি। বরং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মহত্ব দেখিয়েছেন। যদিও দলের অনেক নেতাই চান তার প্রতিশোধ নিতে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যে পরিবর্তন হয়েছেন তা কিন্তু বুঝা যায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ পরিবর্তনটা ৪ ইউ করতে পারলেও পারেন নি বেগম জিয়ার মনটাকে পরিষ্কার করতে।

মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী হয়তো মনে করছেন তিনি সঠিক পথেই আছেন। কিন্তু তিনি যে সঠিক পথে নেই তা বুঝতে পারছেন এক একটি সিদ্ধান্ত নেয়ার পর।

তার সরকারের সময়ে ২১ আগষ্টের গ্রেনেড হামলা হয়েছিল তো কি হয়েছে? তার উপরও তো এ সরকারের সময় ককটেল হামলা হয়েছে! আর সেটা যে ওনার গুনধর মহসচিবের মহামতী পুত্র হিরো হবার জন্য করেছেন তা যখন দেশবাসি জেনে গেল তখন ওনার নাগে লাগলো কালির আচর।

সরকার এ হরতালের বিরোধীতা করে যে কথাটা বলছেন, তা হচ্ছে বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের বাচাতেই এ হরতাল করছেন। সরকারের এ কথার কোন ভিত্তি আছে কিনা আমি জানি না। তবে এ কথা সত্য যে, যুদ্ধাপরাধ ইস্যু আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় আনতে যেমনি সহযোগিতা করেছেন তেমনি একই ইস্যু বিএনপিকে ক্ষমতা থেকে সরাতে সহায়তা করেছে।
কিন্তু মাননীয় খালেদা জিয়া কি এটা বোঝতে পেরেছেন? যদি বুঝতেন তাহলে যুদ্ধাপরাধীদের তিনি ছিটকে ফেলে দিতেন। তিনি কিন্তু সেটা করেন নি, বরং তিনি তাদের বুকে টেনে নিয়ে সমবেদনা জানাচ্ছেন- আহা রে বেচারিদের বিচার হয়ে যাবে!
তবে এ সমবেদনা যে তার জন্য আবারও কাল হবে এটা কিন্তু বিএনপিকে বুঝতে হবে। বিএনপিকে বুঝতে হবে জামায়াতের সাথে জোট করে তারা হারিয়েছেন আর জামাত লাভবান হয়েছে। জোটবদ্ধ নিবার্চন না করলে কি জামাত মন্ত্রী হতো পারতো? পারতো এ অবস্থানে আসতে? আর জোটবদ্ধ না হলে বিএনপির কি এ হাল হতো!

এরকম রাজনৈতিক বির্তক করলে আরো অনেক করা যাবো। কিন্তু দরকারটা কি? আমরা সাধারণ জনগণতো দুদলে বিভক্ত হয়ে গেছি। আজকে ডাক্তার দল, ডাক্তার লীগ, শ্রমিক দল, শ্রমিক লীগ, ছাত্র দল, ছাত্রলীগ সবখানেই দল আর লীগ। নিরপেক্ষ কেউ নেই। আমরা জনতা দল আর জনতালীগ।

তাই আসুন যা এতদিনে সমাধান হয়নি তার জন্য আলাদীনের চেরাগ আশা না করে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করি এবং হরতালকে "না" বলি।
হরতাল দেশের জন্য ক্ষতিকর। হরতাল আমাদের জন্য ক্ষতিকর, হরতাল উন্নয়নের জন্য, উন্নতির জন্য ক্ষতিকর তা যত শান্তিপূর্ণই হোক না কেন।
আমরা আর হরতাল চাই না।
সরকার নির্যাতন করলে জনগণই রাস্তায় বেরিয়ে আসবে। এতে কোন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দেয়ার দরকার নেই। কারণ আমরা জুলুম নির্যাতন অনেক দেখেছি, সহ্য করেছি অনেক এবং তা প্রতিহত করার অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। সরকারের ব্যর্থতা থাকলে মেয়াদ পেরুলেই জনগন তার জবাব দিবে ভোটের মাধ্যমে। যেমনটা দিয়েছে চট্টগ্রাম নির্বাচনে।

আমরা অপেক্ষা করতে চাই।

আসুন হরতালকে "না" বলি।
১৩ টি মন্তব্য
fakir007 ফকির আব্দুল মালেক২৬ জুন ২০১০, ১৬:১৬
হয়রান হয়ে গেছি পড়তে পড়তে...
fakir007 ফকির আব্দুল মালেক২৬ জুন ২০১০, ১৬:৪২
পোষ্টটি নির্বাচিত করার জন্য অনুরোধ করছি।
sonchoy নাজমুল হাসান বাবু২৬ জুন ২০১০, ১৬:৪৪
এক গ্লাস পানি খান। আপনার জন্যই ছোট করে লেখা। স্টিকি করা না করা "উনাদের দায়িত্ব" কতার্র ইচ্ছায় কমর্ আর কি!
nilrang নিল রং২৬ জুন ২০১০, ১৬:৩০
আমরা হরতালকে না , না না সম্ভব না।
কারণ যে দল সরকার হয় সে দল হরতাল
করব না বলে ওয়াদা করে আবার যখন
বিরোধী দলে যায় তখনই হরতাল করব
বলে ওয়াদা করে।
sonchoy নাজমুল হাসান বাবু২৬ জুন ২০১০, ১৬:৪৯
আমরা যতদিন সচেতন না হবো ততো দিন এরকমই চলবে। তাই আসুন হরতালকে না বলি। সেটা যে ‍দলেরই হোক। হরতালকে না।
mdjakirhosain ভালবাসার দেয়াল২৬ জুন ২০১০, ১৭:০৩
হরতাল কে 'না'
sonchoy নাজমুল হাসান বাবু২৬ জুন ২০১০, ১৭:২৩
ধন্যবাদ।
prince007 মশিউর২৬ জুন ২০১০, ১৭:১৩
হরতাল 'না'
sonchoy নাজমুল হাসান বাবু২৬ জুন ২০১০, ১৭:২৬
ধন্যবাদ।
nurjahantop নরজাহান২৬ জুন ২০১০, ১৭:২২
আমরা যতদিন সচেতন না হবো ততো দিন এরকমই চলবে। তাই আসুন হরতালকে না বলি। সেটা যে ‍দলেরই হোক। হরতালকে না।

না আমরা পারবোনা, কারন এই দেশ দুভাগে ভাগ হয়ে আছে। ১। আওয়ামিলীগ ২। বি এন পি। সবাই সচেতন হয় বা হতে বলে যখন তার পছন্দের দল ক্ষমতার বাহিরে থাকে।
sonchoy নাজমুল হাসান বাবু২৬ জুন ২০১০, ১৭:২৪
ধন্যবাদ আপনাকে।
sharmabangla সজল শর্মা২৬ জুন ২০১০, ১৮:০৯
ছবিতে কি দ্রৌপদীর বস্ত্র হরণ হচ্ছে?
sonchoy নাজমুল হাসান বাবু২৬ জুন ২০১০, ১৮:২৭
যারই হোক এক জনের হচ্ছে!

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment