শনিবার ১৯ এপ্রিল ২০১৪, ৬ বৈশাখ, ১৪২১ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর জন্মদিনে প্রথম আলো ব্লগে উৎসর্গকৃত আমার ১০০তম পোস্ট


প্রথম আলো ব্লগে অনাকাঙ্খিত সুনামির করাল গ্রাসে খড় কুটোর মতো ভেসে যাওয়া আমার অসংখ্য প্রকাশিত পোস্টের পরে অদ্য শততম পোস্টোর প্রকাশ। তাই কারো মৃত্যুদিবস নয়; জন্মদিনের শুভেচ্ছায় আমার ১০০তম পোস্ট। আমার শততম পোস্টটি জন্মদিনের শুভেচ্ছাসহ উৎসর্গ করছি আমাদের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি বিচার পতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে

বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর জন্মদিন আজ। ১৯২১ সালের জানুয়ারি মাসের ৩১ তারিখ তিনি জন্মগ্রহণ করেন। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা

আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯২১ সালের ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের নাগবাড়ীতে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সাবেক স্পীকার জনাব আবদুল হামিদ চৌধুরী। আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৪০ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৪২ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম,এ ও বি,এল ডিগ্রি লাভ করেন এবং লণ্ডন থেকে বার এট ল ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি কলিকাতা হাই কোর্টে যোগদান করেন। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হবার পরে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং ১৯৪৮ সালে ঢাকা হাই কোর্টে যোগদান করেন। তিনি ছিলেন একজন জন প্রিয় আইনজীবী।

১৯৬০ তিনি পূর্ব পাকিস্তানের এ্যাডভোকেট জেনারেল নিযুক্ত হন। আবু সাঈদ চৌধুরী একজন বিচারপতি এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি সংবিধান কমিশনের সদস্যও ছিলেন। ১৯৬০-৬১ সালে তিনি ঢাকা হাই কোর্টের জজ নিযুক্ত হন।

১৯৭১ সালে জাতিসংঘের অধিবেশনে তিনি বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একাত্তরের মার্চ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অধিবেশনে যোগদানের জন্য জেনেভা যান। সেখানে জেনেভার একটি পত্রিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দু'জন ছাত্রের মৃত্যু সংবাদ দেখে বিচলিত হয়ে ২৫ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক শিক্ষা সচিবকে পাকিস্তান দূতাবাসের মাধ্যমে প্রেরিত এক পত্রে লেখেন, “আমার নিরস্ত্র ছাত্রদের উপর গুলি চালানোর পর আমার ভাইস চ্যান্সেলর থাকার কোন যুক্তিসংগত কারণ নেই। তাই আমি পদত্যাগ করলাম”।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে বিচার পতি আবু সাঈদ চৌধুরী ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন। ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ১৯৭৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভায় বন্দর ও সিপিং মিনিস্ট্রির দ্বায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৭ সালে ৬৬ বছর বয়সে তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে লন্ডনে মারা যান রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। আজ তাঁর জন্মদিন। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির জন্মদিনে শুভেচ্ছা
সূত্রঃ Wikipedia
President Abu Sayeed Chowdhury

অফটপিকঃ
পুষ্টিবিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদ ও প্রতিথযশা রন্ধন শিল্পী অধ্যাপক সিদ্দিকা কবীরের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি গত বছর ৩১ জানুয়ারি ঢাকার স্কয়্যার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর লেখা রন্ধনবিষয়ক বইগুলির জন্য বিখ্যাত হয়ে থাকবেন। অধ্যাপক সিদ্দিকা কবীরের মৃত্যুদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি
৯ টি মন্তব্য
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন৩১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৬:৪৮
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন৩১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৬:৪৯
নুরু ভাইকে অভিনন্দন শততম পোস্টের জন্য । আপনার এই গুরুত্বপূর্ণ পোস্টগুলো ব্লগকে সমৃদ্ধ করছে ।
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন৩১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৬:৫১
দুই বরেণ্য ব্যক্তিত্তের জন্য রইলো শ্রদ্ধা ।
fardousha ফেরদৌসা৩১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৬:৫১
শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন নুরু ভাই


muktomon71 মুক্তমন ৭১ ৩১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৬:৫৭
অভিনন্দন
riadaronno রিয়াদ অরন্য ৩১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৭:৩৭
এমন লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।
kmabdulmumin কে এম আব্দুল মোমিন৩১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৪৩
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অধ্যাপক সিদ্দিকা কবীরের মৃত্যুদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং নুরু ভাইকে শততম পোস্টের জন্য প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাচ্ছি।
অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দিয়ে প্রথম আলো ব্লগকে আপনি সমৃদ্ধ করেছেন। আমরা এ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশা করি আপনার এ মহতী প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। আমরা যেমন মহত মানুষগুলোকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাব তেমনি তাদের সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়ে নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করতে পারব।
আপনার সুখ শান্তি সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
noisobdo রাশেদুল ফরহাদ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৩:৩২
সুন্দর পোষ্টের জন্যে ধন্যবাদ।
NazmulHuda নাজমুল হুদা০৩ আগস্ট ২০১৩, ১৪:১৮
বিলম্বে হলেও শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি।
আমার এ জীবনে যত মানুষ আমার শ্রদ্ধা অর্জন করতে পেরেছেন, তাদের মাঝে আবু সাঈদ চৌধূরীর স্থান অনেক উপরের দিকে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাকে পাওয়ার আগেই তার স্থান আমার অন্তরে অঙ্কিত হয়ে গিয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধকালে তাঁর অসাধারণ ভূমিকার জন্য।
ধন্যবাদ নূরু ভাই।

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment