বুধবার ২৩ জুলাই ২০১৪, ৮ শ্রাবণ, ১৪২১ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ,অর্থনীতিবিদ এবং কূটনীতিবিদ শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ৮ম মৃত্যুবাষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি


বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ এবং রাজনীতিবিদ শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ৮ম মৃত্যুবাষিকী আজ। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি তারিখে তার নির্বাচনী এলাকা সিলেটের হবিগঞ্জে গ্রেনেড হামলায় মর্মান্তিকভাবে নিহত হন। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ৮ম মৃত্যুবাষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

শাহ এ এম এস কিবরিয়া, পুরো নাম শাহ আবু মোহাম্মদ শামসুল কিবরিয়া ১ মে, ১৯৩১ তারিখে বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার পিতা শাহ ইমতিয়াজ আলী ছিলেন বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারের অগ্রদূত। কিবরিয়া শৈশবেই তীক্ষ্ণ ধী-শক্তির অধিকারী ও মেধাবী ছাত্র হিসেবে সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। ঐ বৎসরেই বাংলা ভাষা আন্দোলনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান পুলিশ কর্তৃক তিনি গ্রেফতার হন এবং অল্পকিছুদিন পরেই মুক্তি পান। ১৯৫৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জনের পর পাকিস্তান সরকারের সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিস পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়ে পাকিস্তানে বৈদেশিক বিভাগে যোগদান করেন। কিবরিয়া আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে ফ্লেচার স্কুল অব ল এবং যুক্তরাজ্যের লণ্ডনে ব্রিটিশ ফরিন অফিসে কূটনৈতিক সেবায় আরো দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ১৯৫৪ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের বৈদেশিক বিভাগে যোগদান করে কিবরিয়া পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক হয়েছিলেন। ১৯৮১-১৯৯২ সালের মধ্যেকার সময়ে তিনি জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক কমিশন (এসকাপ)-এর প্রধান নির্বাহী ছিলেন। এছাড়াও, অর্থমন্ত্রী হিসেবে কিবরিয়া ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে এম.পি বা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

শাহ এ এম এস কিবরিয়া পাকিস্তানের কূটনৈতিক মিশনের সদস্য হিসেবে কলকাতা, কায়রো, জাতিসংঘ মিশন, নিউইয়র্ক, তেহরান এবং জাকার্তায় নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ইসলামাবাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবং ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে পাকিস্তান দূতাবাসে নিযুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে শাহ কিবরিয়া ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাসে রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে চাকুরীরত ছিলেন। পাক দূতাবাসে কর্মরত অবস্থায় ৪ আগস্ট, ১৯৭১ তারিখে তিনি ও তার বাঙ্গালী সহকর্মীবৃন্দ দূতাবাস ত্যাগ করে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রতি আনুগত্য দেখান। পরে তিনি ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশন তদারকী করাসহ বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে প্রভূত সহায়তা করেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সাফল্য ও অগ্রগতি নিয়ে নিয়মিতভাবে বুলেটিন, পুস্তিকা প্রকাশনার কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করে স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্যাপক অবদান রাখেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পর শাহ এ এম এস কিবরিয়া ঢাকায় নবপ্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন রাজনৈতিক বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। এছাড়াও, তিনি সচিব হিসেবে প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ফিজিতে হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করে। ১৯৭৬ সালে তিনি জেনেভায় জাতিসংঘের ইউরোপীয় কার্যালয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৭৮ সালে বৈদেশিক সচিব হিসেবে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ১৯৭৯ সালে ৭৭-জাতি গ্রুপের প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ম্যানিলায় আংকটাডের সভায় নির্বাচিত হন তিনি। মে ১৯৮১ থেকে মার্চ ১৯৯২ পর্যন্ত সময়কালে কিবরিয়া এসকাপের নির্বাহী সচিবের পদে অধিষ্ঠিত হন। এছাড়াও, ১৯৮৬ সালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতিনিধি হিসেবে কম্বোডিয়ায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন।

জাতিসংঘের কার্যাবলী সম্পন্ন করে কিবরিয়া ১৯৯২ সালে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশের সেবা করার লক্ষ্যে রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে ঐ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে এডভাইজরী কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। একই সময়ে কিবরিয়া জাতীয় দৈনিকগুলোতে অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক ইস্যু সম্পর্কীয় নিবন্ধ লেখতে শুরু করেন। শাহ কিবরিয়া নিয়মিতভাবে জাতীয় দৈনিকগুলোতে অর্থনীতি এবং রাজনীতি বিষয়ক নিবন্ধ রচনা করে গেছেন। এছাড়াও তিনি সাপ্তাহিক মৃদু ভাষণ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং সম্পাদক ছিলেন। কিবরিয়া ৪টি বই রচনা করছেন। যথাঃ
১। মৃদু ভাষণ, ১৯৯৭, আইএসবিএন: ৯৮৪-০৫-০১৮৩-৬
২। দি ইমার্জিং নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার, ইংরেজি, ১৯৯৯, আইএসবিএন: ৯৮৪-০৫-১৪৭০-৯
৩। বাংলাদেশ এট দ্য ক্রসরোডস্‌, ইংরেজি, ১৯৯৯, আইএসবিএন: ৯৮৪-০৫-১৪৬৩-৬
৪। চিত্ত যেথা ভয়শূণ্য

শাহ এ এম এস কিবরিয়া ১৯৯৪ সালে তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতির "রাজনৈতিক উপদেষ্টা" পদে নিযুক্ত হন। জুন ১২, ১৯৯৬ তারিখে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের পর তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রী পরিষদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে যোগদান করেন। ২০০১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত ঐ সরকারের মেয়াদকালীন সময়ে একই পদে অধিষ্ঠিত হয়ে দেশ সেবার মানসে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে গেছেন। ১৯৯৭ সালের বার্ষিক সভায় কিবরিয়া এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসকাপ) চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়াও ১৯৮৮ সালে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি। ২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে শাহ এ এম এস কিবরিয়া হবিগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে মেম্বার অব পার্লামেন্ট (এমপি) বা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

ব্যক্তিগত জীবনে মৃদুভাষী ব্যক্তিসত্তার অধিকারী, পরিশীলিত ও মার্জিত ভদ্রলোক হিসেবে সামাজিকভাবে ভীষণ জনপ্রিয় ছিলেন শাহ এ এম এস কিবরিয়া। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার সততা, বিনয়, শিষ্টতা ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গীতে সম্মানিত রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। কিবরিয়া'র পুত্র ড. রেজা কিবরিয়া একজন স্বনামখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং কন্যা ড. নাজলী কিবরিয়া বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তার সহধর্মিনী আসমা কিবরিয়া ব্যক্তিগত জীবনে একজন চিত্রকর।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি তারিখ বিকেলে শাহ এ এম এস কিবরিয়া হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক রাজনৈতিক জনসভায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বক্তৃতা শেষ করে স্কুল গেট দিয়ে বের হয়ে আসার সময় তাকে লক্ষ করে দ্রুত দুটি আর্জেস গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি ও তার ভাইপোসহ তিন সহযোগী ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। কিবরিয়াকে প্রথমে হবিগঞ্জ এবং মাধবপুরে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু ডাক্তারের অনুপস্থিতি এবং চিকিৎসা সামগ্রীর অপ্রতুলতার জন্য তার কোনো চিকিৎসা করা যায়নি। পরবর্তীকালে তাকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৬৫ মাইল দূরবর্তী ঢাকার বারডেম হাসপাতালে নেয়া হয়। এ্যাম্বুলেন্স সহযোগে বারডেম হাসপাতালে শাহ কিবরিয়াকে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

শাহ কিবরিয়ার হত্যাকাণ্ডে হবিগঞ্জের নিরাপত্তা বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তাসহ চিকিৎসকদের ভূমিকার ব্যাপক সমালোচনা হয়। কিবরিয়ার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সরকার-বিরোধী আন্দোলন ও দেশব্যাপী হরতালের ডাক দেয়। জনপ্রিয় এই নেতার মৃত্যুদিবসে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
সূত্রঃ Shah AMS Kibria.org
বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুনঃ
শাহ এ এম এস কিবরিয়া
২০ টি মন্তব্য
kamaluddin কামাল উদ্দিন২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১১:২৯
দুঃখ লাগে এই ভেবে যে, এমন একজন লোকের হত্যাকান্ডের বিচার আজো হয়নি ।
nuru07 নূর মোহাম্মদ নূরু২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:০৫
যে কোন হত্যা, বিচার বহিভূত হত্যা, গুপ্তহত্যা
কিংবা রাজনৈতিক হত্যা চরম মানবাধিকার
লঙ্ঘণ। আমরা সব সময় সকল প্রকার হত্যার
নিন্দা জানাই। সাথে সাথে এই সকল হত্যার
বিচারের দাবী জানাই।
KohiNoor মেজদা২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১১:৩৯
অত্যন্ত পরিকল্পিত ও ঠাণ্ডা মাথায় খুন, যার সাথে সরাসরি জড়িত হারিস চৌধুরী। যদি বি এন পি আবার ক্ষমতায় আসে এই হারিস চৌধুরী আবার একই কাজ করবে, আবার প্রধানমন্ত্রীর অফিসের ক্ষমতাশালী লোক হবে। কি বিচিত্র আমাদের রাজনীতি। যে অন্যায় বেশী করে তাকে ততবেশী কদর করে। আমি শাহ্‌ এস এম কিবরিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করছি।
nuru07 নূর মোহাম্মদ নূরু২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:০৭
বাংলাদেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ
শাহ এ এম এস কিবরিয়ার
হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি দাবী করছি।
ধন্যবাদ মেজদা
solaiman94 সোলাইমান ইসলাম নিলয়২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১১:৪১
জাতি হিসাবে আমাদের দুর্ভাগ্য। জাতির এ সকল মেধাবী সন্তানদের নির্মম হত্যা কান্ডের দ্রুত বিচার সম্পন্ন আজও করতে পারি নি।
nuru07 নূর মোহাম্মদ নূরু২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:১৩
যথার্থই বলেছেন, জাতি হিসাবে আমরা সত্যিই বড় দুর্ভাগা।
স্বাধীনতা উত্তর ও পরবর্তী সময়ে জাতির মেধাবী
সন্তানদের নির্মম হত্যা কান্ডের বিচার সম্পন্ন
করতে পারি নি আজও। কিছু
স্বার্থেন্বেষীদের কারণে
বিচার হচ্ছেনা যুদ্ধাপরাধ
ও মানবতা বিরোধী
চিহ্নিত রাজাকারদের।
আসুন আমরা সকলে সোচ্চার
হই এই সকল অপরাধীদের
বিচার তরান্বিত
করার জন্য।
mmrnet মুস্তাফিজ ৭১২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:২১
যতদিন প্রকৃত অপরাধিদের আড়াল করার অপচেষ্টা চলবে, ন্যায় বিচার নিশ্চিত না হবে, ততদিন অপরাজনীতির এই ধারাবাহিকতা থেকে আমাদের মুক্তি নাই। ভাবতে ভয় লাগে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমরা কী রেখে যাচ্ছি!!??
nuru07 নূর মোহাম্মদ নূরু২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:২৭
নষ্ট রাজনীতির যে বিষ বৃক্ষ আজ রোপিত হচ্ছে তার ফল ভোগ করবে আমাদের আগামী প্রজন্ম।
তবে পরবর্তী প্রজন্মের চলার পথ সুগম করতে নষ্ট রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে এখনই।
তা না হলে একদিন বুমেরাং হয়ে আমাদেরই পঙ্কিলতার আবর্তে ঘুরপাক খেতে হবে।
mmrnet মুস্তাফিজ ৭১২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:৪৭
প্রিয় নূরু ভাই, আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন বর্তমান রাজনীতিবীদরা নিজের স্বার্থে শুধুই মিথ্যাকে গুছিয়ে, সাজিয়ে বলার প্রতিযোগীতায় মেতেছে। যেখানে দেশ ও জনস্বার্থের ছিটে ফোটাও ভাবায়না তাদের। যে যত মিথ্যা কথা, যত সুন্দরভাবে বলতে পারে রাজনীতিতে সে তত বেশী গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। মানুষের চোখের সামনে ঘটমান কোন ঘটনার বিষয়ে নেতাদের বিবৃতিতে, বক্তৃতায় বা টকশোতে যে ভাবে নিজেরমত বানিয়ে বলে এবং ছোটরা এসব দেখে যখন আমাদের প্রশ্ন করে তখন কী জবাব থাকে, বলুন তো?

পরবর্তী প্রজন্মের চলার পথ সুগম করতে নষ্ট রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে এখনই।
- আসুন সবাই মিলে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুস্থ্য ও মেধার রাজনীতির ক্ষেত্র তৈরী করতে একত্রে কাজ করি।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, নূরু ভাই।
nuru07 নূর মোহাম্মদ নূরু২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:১৫
মুস্তাফিজ ৭১, আপনাকে আবারো ধন্যবাদ
সাথে থাকার জন্য। ভালো থাকবেন
rodela2012 ঘাস ফুল২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:৪৭
শাহ এ এম এস কিবরিয়ার প্রতি রইলো শ্রদ্ধাঞ্জলি। আল্লাহ্‌ তাকে বেহেস্তবাসি করুন। সেই সাথে তার হত্যার বিচার প্রার্থনা করছি আর হত্যাকারীদের ধিক্কার জানাচ্ছি।
nuru07 নূর মোহাম্মদ নূরু২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:০১
শুধু প্রার্থনা করলেই বিচার পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না।
সংশ্লিষ্ট মহলের প্রয়োজনীয় উদ্দ্যোগ ও আন্তরিকতাই পারে
দোষীদের শাস্তি বিধান করতে। ভালো থাকবেন
Numan75 নুমান২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:৫৫
এই প্রিয় নেতার মাগফিরাত কামনা করছি



উনার হত্যাকান্ডের বিচার হয়ত আমাদের পরবর্তিরা দেখবে, তখন আমরা এ জগতে থাকব না!!
nuru07 নূর মোহাম্মদ নূরু২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:৫৯
তার পরেও এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
ধন্যবাদ আপনাকে
AmiTarannum আমিনা তারান্নুম২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:৪২
আমদের দেশে কোন হত্যার বিচার ই বা আমরা করতে পারছি?
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ তাঁকে মনে করিয়ে দেবার জন্যে।আল্লাহ্‌ তাঁকে বেহেশত নসীব করুন।
nuru07 নূর মোহাম্মদ নূরু২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:০৩
আমরা আশাবাদী কারণ
বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে,
এবার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে,
জেল হত্যার বিচার চলছে।
একদিন কিবরিয়া হত্যারও বিচার হবে
ইনসাআল্লাহ, আশা ও বিশ্বাস রাখুন, ধন্যবাদ
kmabdulmumin কে এম আব্দুল মোমিন২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৩৮
বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ এবং রাজনীতিবিদ শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ৮ম মৃত্যুবাষিকী আজ। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি তারিখে তার নির্বাচনী এলাকা সিলেটের হবিগঞ্জে গ্রেনেড হামলায় মর্মান্তিকভাবে নিহত হন। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ৮ম মৃত্যুবাষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।
আন্তরিক ভালবাসা রইল প্রিয় নুরু ভাইয়ের জন্য।
nuru07 নূর মোহাম্মদ নূরু২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:০৫
আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ
মোমিন ভাই, প্রয়াত অর্থমন্ত্রী
শাহ এ এম এস কিবরিয়ার কিবরিয়ার
মৃত্যুদিনে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য
Niloy1073 নির্ঝর নাসির২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:৩৭
সফল অথনিথীবিদ
nuru07 নূর মোহাম্মদ নূরু২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:০৭
সফল অর্থনীতিবিদ

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment