বুধবার ২২ মে ২০১৩, ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২০ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধুঃ যেভাবে তিনি জাতির পিতা!



জেনেছিলাম সে এক অলুক্ষণে বিভীষণ
যে রাতে চাঁদ ঢেকেছিল মুখ লজ্জ্বায়।
সে চাঁদ ওঠেছিল নিয়ে সমূহ আলো
হায়নার মুখ দেখে হারিয়েছিল আপনার অবয়ব
তবু রাত, সে রাত যে রাত ধরতে পারে
ঝড়ের গতিবিধি তাই রাতময় থাকেনি সে রাত
মাপতে বসেছিল কোন এক স্বপ্নদেশের দুরত্ব।

হে চাঁদ, আমার নিয়ত দেখা চাঁদ
তুমি দেখেছিলে একাত্তুর
আমার উজাড় হওয়া বাংলাগ্রাম
নিথর প্রাণের ধানক্ষেতে রেসকোর্সের মাতম
অথবা হঠাৎই হাওয়ায় হাওয়া জাগানো কালুরঘাট
ইতিহাসের স্বাক্ষী থেকে ইতিহাসের স্বপ্নবুনন।

সে রাত (৭১-র ২৬) যদিও এক অলুক্ষণে রাত
তবু সে রাতই দেখিয়েছিল পথ সতেজ ভোরের
আমার বাবার ইস্পাতসম হাত ধরে
আমার মা নামের এক পতাকা ওড়াবার স্বপ্ন।


হয়তো তিনি আজ নেই। আসবেন না ফিরে জানি। তবু কেন আমরা তাকে ভাবি। কেন বারবার শোকাশ্রু ফেলি তার জন্যে। কারণ তিনি মহানায়ক বাঙালী আর বাংলাদেশের রাষ্ট্র অভ্যুদয়ের। শেখ মুজিবুর রহমান একটি নাম; একটি ইতিহাস।

কেনই বা তিনি জাতির জনক? কী করেছিলেন তিনি যে জাতির জনক হবার জন্যে? উত্তর খুজতে আমাদের ফিরতে হবে তার জন্ম পরবর্তীকাল থেকে শুরু করে জীবনের নানান চড়াই উতরাই কালের পরিক্রমায়। জন্ম হয়েছিলো তার গোপাল্গঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার এক নিভৃত পল্লীতে। স্কুলের পাঠ চুকিয়ে ভর্তি হন কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে। কলেজ থাকাকালীন সময়ে ১৯৪৭ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক যুব সম্মেলনে তার প্রস্তাবিত পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত প্রস্তাবটি সম্মেলনে গৃহীত হয়। সেই থেকে শুরু তারপর শুধু শুধুই টুঙ্গিপাড়ার মুজিব থেকে বাঙালির মুজিব হয়ে যাওয়ার গল্প।

রাষ্ট্রভাষা বাংলার প্রস্তাব বাতিল হয়ে যাওয়ায় পূর্ব বাংলার সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে ছাত্র ও যুব সমাজ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। গড়ে ওঠে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। ১১ মার্চ ১৯৪৮ দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘট আহ্বান করা হয়েছিল এবং আব্দুল গণি রোডস্থ সেক্রেটারিয়েট গেটে পিকেটিং-এ নেতৃত্ব দেবার সময় গ্রেফতার হন যুবনেতা শেখ মুজিব। প্রবল ছাত্র আন্দোলনের মুখে মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সাথে ৮ দফা চুক্তিনামা স্বাক্ষর করেন। শর্তানুযায়ী ১৫ মার্চ কারাগার থেকে শেখ মুজিবসহ অন্যান্যক বন্দীদের ছেড়ে দেয়া হয়। ১৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমতলায় সাধারণ ছাত্রসভা অনুষ্ঠিত হয়। শেখ মুজিবই ছিলেন সভার সভাপতি এবং একমাত্র বক্তা। এই সভায় খাজা নাজিমুদ্দিনের সাথে সম্পাদিত ৮ দফা চুক্তিনামায় সংশোধনী এনে তা ছাত্রসভায় পাস করিয়ে নেয়া হয়। সভা শেষে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে ছাত্রদের এক মিছিল পূর্ববঙ্গ পরিষদ ভবন অভিমুখে রওনা হয়।পুলিশী নির্যাতনের প্রতিবাদে পরের দিন ১৭ মার্চ ঢাকায় ছাত্র ধর্মঘট ও সমাবেশের কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ১৯ মার্চ জিন্নাহর ঢাকায় আগমণ উপলক্ষে সর্বমহলের অনুরোধে শুধু বিক্ষোভ সমাবেশ করে আপাতত কর্মসূচী স্থগিত করা হয়। বাহান্নে ভাষা আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালেও আটচল্লিশেই ছিল তার সূত্রপাত।
১৯৪৮ সালে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেবার মধ্য দিয়ে বাঙালীর মুক্তির সংগ্রামে যে আপোসহীন শেখ মুজিবের জন্ম হয়েছিল জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তা অক্ষুণ্ণ ছিল। ১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিম্নবেতনভুক্ত কর্মচারীদের ন্যায্য দাবির প্রতি সক্রিয় সমর্থন জানিয়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার ও গ্রেফতার হন। দীর্ঘ ৬১ বছরাধিককাল এই বহিস্কারাদেশ বলবৎ ছিল। যা এই বছরের ১৪ আগষ্ট প্রত্যাহার করা হয় এক জরুরী সিনেট বৈঠকের মাধ্যমে।

শেখ মুজিবের আপোষহীন নেতৃত্বের কারণে ১৯৬৯ সালে পশ্চিমা হায়েনারা দায়ের করে তথাকথিত 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা'। শেখ মুজিবকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত এক নম্বর আসামি করা হয়। কিন্তু ব্যর্থ হলো তাদের সব চাল। সৃষ্টি হলো ঊনসত্তরের গণঅভু্যত্থান। পূরো পূর্ব বাংলা একদাবিতে কেঁপে ওঠলো জেলের তালা ভাঙবো-শেখ মুজিবকে আনবো।প্রবল আন্দোলনে দিশেহারা আইয়ূব খান প্রস্তাব দিলেন মুজিবকে প্যারোলে মুক্তি দেবেন। কিন্তু অস্বীকার করে বসেন মুজিব তাই অনন্যোপায় হয়ে ২২ ফেব্রয়ারি ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবকে মুক্তি দিতে বাধ্য হলো পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী। কারামুক্তির পরের দিন ২৩ ফেব্রম্নয়ারি ১৯৬৯, সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বর্তমানকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে শেখ মুজিবকে গণসংবর্ধনা প্রদান করা এ গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে গণসংবর্ধনা সভার সভাপতি তোফায়েল আহমেদ তাঁর ভাষণে পূর্ব বাংলার সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে কারা নির্যাতিত আপোসহীন নেতা, বাঙালী জাতির দুর্দিনের পথ প্রদর্শক শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেন। রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত লক্ষ লক্ষ মানুষ বিপুল হর্ষধ্বনি ও করতালির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দিত করে।
তারপরের পথ পরিক্রমায় আসে ৭ মার্চ ১৯৭১। ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দশ লক্ষাধিক লোকের এক সমাবেশে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার অনানুষ্ঠানিক ঘোষণাই দিয়ে দ্ব্যর্থকন্ঠে উচ্চারণ করলেন স্বাধীনতার সেই সে অমোঘ বাণী-
"এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম_ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।"

২৫মার্চ রাতে শুরু হয় মানব ইতিহাসের এক বর্বর নির্মম হত্যাকান্ডের সূচনা। মধ্যরাতে গ্রেফতার হবার পূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিডিআর ওয়ারলেস সেটের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রদান করেন। যা পরবর্তীতে আব্দুল হান্নান, জিয়াউর রহমানসহ অন্যেরা পাঠ করেন। তারপর বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের ইতিহাস। একসাগর রক্ত আর মা-বোনের সভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপ্রধান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধান এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মুজিবনগরে স্বাধীন বাংলাদেশের বিপ্লবী সরকার গঠিত হয় ৭১-এর এপ্রিলে। নয় মাসের রক্তৰয়ী সশস্ত্র লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামক গ্রেফতার হওয়া মুজিব ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে পাকিস্থান থেকে মুক্তিলাভ করেন। লন্ডন হয়ে দেশে ফেরেন ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে। এক অভূতপূর্ব গণসংবর্ধনায় তিনি কান্নাজড়িত কন্টে বলেছিলেন- "আমার বাংলাদেশ আজ স্বাধীন হয়েছে, আমার জীবনের সাধ আজ পূর্ণ হয়েছে, আমার বাংলার মানুষ আজ মুক্ত হয়েছে। আমি আজ বক্তৃতা করতে পারবো না, বাংলার ছেলেরা, বাংলার মায়েরা, বাংলার কৃষক, বাংলার শ্রমিক, বাংলার বুদ্ধিজীবী যেভাবে সংগ্রাম করেছে, আমি কারাগারে বন্দী ছিলাম ফাঁসিকাষ্টে যাবার জন্য প্রস্তুত ছিলাম, কিন্তু আমি জানতাম আমার বাঙালীকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।"

হ্যা, এভাবেই তিনি একজন সাধারণ মুজিব থেকে অসাধারণ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু স্বাধীন দেশের পরাজিতচক্র তাকে বেশিদিন বাংলার মুক্ত বাতাসে থাকতে দেয়নি। কিছু বিপথগামী সেনা সদস্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের রাতের আধারে তাকে সপরিবারে হত্যা করে বাংলার ইতিহাসে কালিমা লেপে দেয়।
আজ সেই ভয়াবহ দিন। আজ সে কালিমাময় দিন। যদিও বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিরাট অংশের ফাসি হয়েছে তবু আমাদের কপালের কলংকতিলকের শেষ হয়নি।
আমরা সেদিনই প্রকৃত কলংমুক্ত হবো যেদিন স্বাধীনতা আর বংবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশের যথাযথ বাস্তবায়ন ঘটবে! আমরা সেদিনেরই অপেক্ষায়---

তথ্যঋণঃ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা।
ছবিঋণঃ গুগল।
৮৪ টি মন্তব্য
aakashpatal আকাশ-পাতাল১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:২৮
বিনম্র শ্রদ্ধা এই মহানায়কের প্রতি।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৩১
বিনম্র শ্রদ্ধা
prince007 মশিউর১৫ আগস্ট ২০১০, ০৪:২১
শ্রদ্ধা জানাই
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০৮:৪২
শ্রদ্ধা জানাই
amjewel জুয়েল১২১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:২৯
ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্টের জন্য ।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৩২
শুভকামনা আর ধন্যবাদ।
jibonbina জোবায়ের আলম১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৩৮
কবির ভাই আপনার লেখা দেখে সাইন ইন করা।
কেমন আছেন?
লেখাটা কিন্তু অসাধারন হয়েছে ।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৪০
আমাকে দেখে সাইন-ইন করা শুনে ভালো লাগলো খুব।
ভালো আছি আমি।
কেমন আছেন?
jibonbina জোবায়ের আলম১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৪৩
আমি ভালো নেই, আমি টাইফয়েড জ্বরে ভুগছি । দোয়া করবেন ।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৪৪
এখন কী সেরে ওঠার পথে?
শুনে খারাপ লাগছে।
দোয়া করি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন।
greenbangla মোজাম্মেল কবির১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৪৪
তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ
মহান নেতার প্রতি রইলো শ্রদ্ধা।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৪৫
ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকবেন অবিরাম
dhusorbikel841 সপ্তর্ষি অরন্য১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৪৫
সে রাত যদিও এক অলুক্ষণে রাত
তবু সে রাতই দেখিয়েছিল পথ সতেজ ভোরের
আমার বাবার ইস্পাতসম হাত ধরে
আমার মা নামের এক পতাকা ওড়াবার স্বপ্ন


আমরা চেয়েছিলাম সবুজ পতাকার উপর
একটি টকটকে লাল পলাশ রাঙ্গা কবিতা।
যেখানে থাকবেনা কোনো রক্ত রাঙ্গা কালির আচঁড়।
আমরা চেয়েছিলাম আগুন ঝরানো,
একটি কবিতা,
আমরা চেয়েছিলাম মত প্রকাশের
একটু স্বাধীনতা।

কিন্তু-আমরা পেয়েছি

বছর বছর জলপাই রঙ্গা স্বাষক স্বৈরাচার,
ত্রিশ লক্ষ শহীদের জীবনের দামে কেনা-
রক্তভেজা সেই পতাকা বাহী রাজাকার মিনিস্টার ।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৪৮
তবু আমরা পথ চলি, আমাদের চলতে হয় পথ
আমাদের পথে পথে পথ বিছিয়ে থাকে
আমাদের সামনে ভাসে সোনালী সূর্য
আমাদের সামনে হাসে অগুন্তি সোনাঝরা চাঁদ---
dhusorbikel841 সপ্তর্ষি অরন্য১৫ আগস্ট ২০১০, ০১:১১
সব ফুলে মালা হয়না,সব কথায় গান হয়না ।কেউ কেউ কখনোই ভাল থাকেনা।
অবশেষে মানতে হল সব কিছু বদলে যায়; সময় যখন অসময়ের কাটায় এসে থেমে যায় ।



শুভ কামনা। [-O
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০১:১৪
তবু সময়, সময়ের কাছে বন্দী হয় ফের
তবু সময়, সময়ের কাছেই দিয়ে যায় তার কৃতকর্মের হিসেব
roky13 রকি১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৪৯
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৫০
এ শোককে আমাদের শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে।
ujjwalldhar1 উজ্জ্বল ধর১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৫৪
এক মহানায়কের মহানামা পড়ে বিনম্র শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসছে।

হে স্বাধীনতার কবি, হে মানবের কবি তোমায় সম্মন। এবারের সংগ্রাম...........


ধন্যবাদ কবির ভাই, ধন্যবাদ।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০০:৫৭
কোনো কোনো দেশ একবারই পারে অনেকদেশ সারা জীবনেও একবারই পারেনা এরকম কোনো এক মহানায়কের জন্ম দিতে। আমরা পেরেছি।


ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকবেন অবিরাম
kazladidi কাজলাদিদি১৫ আগস্ট ২০১০, ০১:১৬
জাতীর এই মহানায়কের প্রতি হৃদয় নিংড়ানো
সব শ্রদ্ধাঞ্জলী জানালাম।

জাতীর পিতার সমিক্ষন ধর্মী বনর্না ইতহাসের
পাতায় জায়গা করে নিবে এই প্রত্যাশা রইল
বন্ধু কবির।

ভালো থাকবেন সারাক্ষন।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০১:২০
ধন্যবাদ কাজলাদিদিভাই।
ভালো থাকবেন অবিরাম
jibonbina জোবায়ের আলম১৫ আগস্ট ২০১০, ০১:১৮
জ্বরের এন্টিবাওটিক শুরু করেছি ৩ দিন হল ।
এখনও ১১ দিনের মত এন্টিবাওটিক খেয়ে যেতে হবে ।
দো্যা করবেন, সুস্থ হয়ে যাব ইনসাল্লাহ ।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০১:১৯
দোয়া করি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন।
boipagol বই পাগল১৫ আগস্ট ২০১০, ০১:৩২
সে রাত যদিও এক অলুক্ষণে রাত
তবু সে রাতই দেখিয়েছিল পথ সতেজ ভোরের
আমার বাবার ইস্পাতসম হাত ধরে
আমার মা নামের এক পতাকা ওড়াবার স্বপ্ন।

অনেক ভাল হয়েছে।
শুভ কামনা সব সময়।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০১:৩৭
ধন্যবাদ বই পাগল।
ভালো থেকো অবিরাম
dhusorbikel841 সপ্তর্ষি অরন্য১৫ আগস্ট ২০১০, ০২:০১
আপনি আমার পোষ্ট হতে একটু ঘুরে আসুন দয়া করে। আমি বেশ কছু পরিবর্ন এনেছি। আর নিচের দিকের মন্তব্য গুলো দেখবেন একটু। এই যদি হয় বড়দের কথা বার্তা তবে তো আমাদের হতাশাই জাগে মনে! আসলে সে কি চায় আমি বুঝিনা।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০৯:০৭
আমি দেখেছি। এটা কোন ব্যাপার না।
রক্তচোখ অথবা সমালোচনার কঠোরতাকে জয় করতে হয় হাসি দিয়ে।
লেখার জন্যে প্রথমে যে জিনিস দরকার সেটা হলো আত্মবিশ্বাস।
asadrasel আসাদ রাসেল১৫ আগস্ট ২০১০, ০৩:২৬
মহানায়ককে সালাম
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০৮:৩৮
হ্যা, মহানায়ককে সালাম
shamanshattik শামান সাত্ত্বিক১৫ আগস্ট ২০১০, ০৭:৪৭
দীর্ঘ ৬১ বছরাধিককাল এই বহিস্কারাদেশ বলবৎ ছিল। যা এই বছরের ১৪ আগষ্ট প্রত্যাহার করা হয়।
- ব্যাপারটা কেমন হাস্যকরই ঠেকে। এতদিন!

-আমার বাংলাদেশ আজ স্বাধীন হয়েছে, আমার জীবনের সাধ আজ পূর্ণ হয়েছে, আমার বাংলার মানুষ আজ মুক্ত হয়েছে। আমি আজ বক্তৃতা করতে পারবো না, বাংলার ছেলেরা, বাংলার মায়েরা, বাংলার কৃষক, বাংলার শ্রমিক, বাংলার বুদ্ধিজীবী যেভাবে সংগ্রাম করেছে, আমি কারাগারে বন্দী ছিলাম ফাঁসিকাষ্টে যাবার জন্য প্রস্তুত ছিলাম, কিন্তু আমি জানতাম আমার বাঙালীকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। আমার বাংলার মানুষ স্বাধীন হবে।

জাতির জনকের একটা জিনিসই আমার কখনোই ভাল লাগে নি। সেটা হল, সবকিছুতেই 'আমার' বলা - 'আমার বাংলাদেশ', 'আমার বাংলার মানুষ', 'আমার বাঙালী'। মনে হয়, এসব অতিরিক্ত আবেগ; এটা কি কোন ধরণের সামন্তবাদী প্রভাব থেকে উদ্ভূত বলা যায়? এর পরিবর্তে 'আমাদের' ও 'আমরা' সঠিক হতো বলে আমার ধারণা। কেউ কেউ বলেন, এ দেশ বা দেশের মানুষকে তিনি খুব বেশি ভালবাসতেন বলে এভাবে বলতেন। কিন্তু বেশি ভালবাসাটা তো কখনো ভাল নয়। নিজের জীবন দিয়ে তিনি বোধ হয় তা প্রমাণ করে গেছেন।

আজ জাতির প্রতি তার অপরিসীম অবদানকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০৮:৪১
আসলে সে সময়কার ভাষণের কথাগুলো লিখিত কিছু ছিলনা।
মঞ্চে উঠে তখন যা মনে এসেছিলো তাই বের হয়ে এসেছিলো মুখ দিয়ে।
এটাকে যদি অতিরিক্ত আবেগ হিসেবে ধরা হয় তবে ভুল বলা হবে না।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর আলোচনার জন্যে
mdjakirhosain ভালবাসার দেয়াল১৫ আগস্ট ২০১০, ১৬:১১
শামান ভাই আপনি যদি বলেন-"আমার বাংলাদেশ" তা কি আপনি ভুল বলবেন?!
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৯:১৫
বিষয়টা হয়তো অতি আবেগ থেকে উতসারিত।
ভালোবাসার কারণেই এটা সম্ভব
rajeen রাজিন১৫ আগস্ট ২০১০, ০৯:৪৯
পড়লাম । শ্রদ্ধা এই মহান নেতাকে ।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ০৯:৫২
ধন্যবাদ। শ্রদ্ধা এই মহান নেতাকে ।
fakir007 ফকির আব্দুল মালেক১৫ আগস্ট ২০১০, ১০:৩৮
শ্রদ্ধা মহান নেতাকে আর এই পোষ্টের লেখক কবির য়াহমদ ভাইকে ধন্যবাদ।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১০:৪৪
ধন্যবাদ মালেক ভাই।
ভালো থাকবেন অবিরাম
১৫ আগস্ট ২০১০, ১০:৫০
kabir vaia, valo laglo. apni chotoder jany likhben. na likhle fine hobe, bujesen?
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১০:৫২
dhonnobad apnake.
chotoder proti apnar valobashake ami somman janaschi.
valo thakoben obiram
murubbe মুরুব্বী১৫ আগস্ট ২০১০, ১১:১৯
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১১:৪৪
muin মঈন চৌধুরী১৫ আগস্ট ২০১০, ১১:২৭
পড়তে হবে। সংগ্রহে রাখলাম।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১১:৪৪
ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকবেন
opo_debota অপদেবতা১৫ আগস্ট ২০১০, ১১:৫৮
শ্রদ্ধা জানাই
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১২:০৫
শ্রদ্ধা জানাই।
zia_raihan জিয়া রায়হান১৫ আগস্ট ২০১০, ১২:৩৬
শুভ কামনা।
ভালো লাগলো।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১২:৩৭
ধন্যবাদ
kutubi নিজাম কুতুবী১৫ আগস্ট ২০১০, ১৩:০৮
কষ্টকর লিখনি
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৪:০৬
ধন্যবাদ আপনাকে
sahitto বখতিয়ার শামিম১৫ আগস্ট ২০১০, ১৩:২৮
সেই খুনো খুনি দেখবেনা বলে চাঁদের জোছনাতে
রাত্রিরা অন্ধকারের প্রলেপ একেছিল
প্রকৃতি থেকেছিল স্তব্ধ ণীরব কোন কলঙ্ক তারা দেখবেনা বলে।

শুভকামনা প্রিয় কবির ভাই।
ভালো লাগলো। ভালো থাকুন সবসময়।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৪:০৮
ধন্যবাদ প্রিয় বখতিয়ার শামিম।
এইতো তোমার নিজের মত করে মন্তব্য।
মন্তব্যে কবিতার ছায়া তোমাতেই সম্ভভ।

ভালো থেকো অবিরাম
neelsadhoo নীলসাধু১৫ আগস্ট ২০১০, ১৩:৫৬
ধন্যবাদ প্রিয় কবির।
শুভকামনা রইলো।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৪:০৮
ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকবেন অবিরাম
likhonpoet12 লিখন১৫ আগস্ট ২০১০, ১৩:৫৬
ভালো লাগলো !
শুভকামনা !
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৪:০৯
ধন্যবাদ আর শুভকামনা
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী১৫ আগস্ট ২০১০, ১৪:৪১
গুরুত্বপূর্ণ ও ভালো রচনা।
তথ্য সংকলন ভালো হয়েছে।
শুভ কামনা।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৪:৪৪
শুভকামনা আর ধন্যবাদ মনোযোগি পাঠের জন্যে।
baissikder ২২শিকদার১৫ আগস্ট ২০১০, ১৫:০৩
বিনম্র শ্রদ্ধা জানাইতেছি।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৫:০৮
বিনম্র শ্রদ্ধা
sujanpranto12 সুজন১৫ আগস্ট ২০১০, ১৫:০৫
শ্রদ্ধা রইল এই মহান নেতার প্রতি।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৫:১৯
শ্রদ্ধা রইল এই মহান নেতার প্রতি।
ধন্যবাদ আপনাকে
rubel84 রুবেল আহমদ ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৫:১৭
আজ এই প্রভাতে সেই মহাপুরুষের বন্ধনা করি
দৃপ্ত পদ ধ্বনিতে যে মাড়িয়েছে
সকল অন্যায় আর অবিচার ।


শ্রদ্ধা রইল এই মহান নেতার প্রতি।
ধন্যবাদ আপনাকে
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৫:২০
ধন্যবাদ আপনার সুন্দর কথামালার মাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশের জন্যে।

ভালো থাকবেন
শ্রদ্ধা রইল এই মহান নেতার প্রতি।
mdjakirhosain ভালবাসার দেয়াল১৫ আগস্ট ২০১০, ১৬:০৫
বিনম্র শ্রদ্ধাহে জাতির পিতাতুমি অমর.......।
mdjakirhosain ভালবাসার দেয়াল১৫ আগস্ট ২০১০, ১৬:০৮
আমরাশোকাহত
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৬:১৭
আমাদের কলংকের তিলক মুছে যাবে সেদিনই যেদিন বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের সবার ফাসির রায় কার্যকর হবে।
mdjakirhosain ভালবাসার দেয়াল১৫ আগস্ট ২০১০, ১৬:৩৫
হে চাঁদ, আমার নিয়ত দেখা চাঁদ
তুমি দেখেছিলে একাত্তুর
আমার উজাড় হওয়া বাংলাগ্রাম
নিথর প্রাণের ধানক্ষেতে রেসকোর্সের মাতম
অথবা হঠাৎই হাওয়ায় হাওয়া জাগানো কালুরঘাট
ইতিহাসের স্বাক্ষী থেকে ইতিহাসের স্বপ্নবুনন।

সে রাত (৭১-র ২৬) যদিও এক অলুক্ষণে রাত
তবু সে রাতই দেখিয়েছিল পথ সতেজ ভোরের
আমার বাবার ইস্পাতসম হাত ধরে
আমার মা নামের এক পতাকা ওড়াবার স্বপ্ন।
কবির ভাই চমৎকারলিখেছেন।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৬:৫২
দূর্দান্ত আপনার ছবির ব্যবহার
smc প্রতীপ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৬:৪৪
আজ সকালেই বিজে'তে রাজিনকে প্রশ্ন করেছি দুর্নীতি নিয়ে। আজই একটি ঘটনা শুনে মন খারাপ হয়ে গেল। আমরা কি এরকমই ছিলাম? আজকের শোক সভায় একজন বক্তার স্মৃতিচারণ শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে।
-------------------------
১৯৭৪ সাল। দুর্ভিক্ষের কাল। বঙ্গবন্ধু তার বাসভবন থেকে বের হয়েছেন বঙ্গভবনে যাওয়ার জন্য। পথে কয়েকজন শারীরিক প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক, সহজ ভাষায় ল্যাংড়া-লুলা, বঙ্গবন্ধুকে বহনকারী পতাকাবাহী গাড়িটা আটকে দিল। গাড়ি থেকে নেমে তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন তারা কী চায়? ভিক্ষুকরা জানালো- তারা অভুক্ত। বঙ্গবন্ধু তার পাঞ্জাবীর পকেটে হাত দিয়ে দেখলেন কিছুই নেই। বললেন তিনি অফিসে গিয়েই তাদের জন্য অর্থের ব্যবস্হা করবেন।
অফিসে গিয়ে তার স্টাফদের ডেকে তিনি ৫০০ টাকা দিলেন ভিক্ষুকদের দেওয়ার জন্য। অফিস স্টাফরা অকুস্হলে পৌঁছে ভিক্ষুকদের পেলেন। শুরু হলো লাঠি দিয়ে বেদম প্রহার। ব্যাটাদের এত্তো সাহস বঙ্গবন্ধুর গাড়ি আটকে দেয়!? ভিক্ষুকরা মাফ চেয়ে রক্ষা পেলো।
টাকা কি পেয়েছিল? জ্বী, পেয়েছিল। প্রত্যেকে ২৫টাকা। অথচ বঙ্গবন্ধু জনপ্রতি ১০০টাকা দিয়েছিলেন!!!
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৬:৫০
এটাই আশ্চর্যের!
আমাদের নিজেরাই নিজেদের পেটে কুড়াল মারি।
১০০ টাকা যদি প্রান্তিক পর্যায় নয় হয়তো সেদিনকার ফকির ছিল খুব কাছাকাছি পর্যন্ত আসতে ২৫-এ নেমে আসে তাতে করে আমাদের নিজেদের ধিক্কার জানানো ছাড়া কী আর উপায় আছে!

ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকবেন অবিরাম
shajedunnahar সাজেদুন নাহার১৫ আগস্ট ২০১০, ১৮:২২
আমি ওনাকে পছন্দ করি। সব কিছু থেকে আলাদা করে। কিন্তু কিছু বলতে চাইনা কারন রাজনীতি ওনাকে ঘিরে রেখেছে। আমার মনর গভীরে রেখেছি তাঁর জন্য এক বিশাল স্থান। শ্রদ্ধাঞ্জলি দিলাম.. পড়ব পরে।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৯:০৩
আমরা যারা তাকে ঘিরে তাকে নিয়ে ব্যবসা করছি দোষটা আমাদের।
তিনি বাঙালি আর বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ের গভীরে স্থান করে বসা আছেন।
তিনি আজ রাজনীতির উর্ধে।
এজন্যেই তিনি মহানায়ক বাংলাদেশের জনগণের; বাঙালির।

ধন্যবাদ আপনাকে
chirontonbangla ‍িচরন্তনবাংলা১৫ আগস্ট ২০১০, ১৮:৫৪
আজকের এই দিনে কিছু কুলাঙ্গার উল্লাস করছে। এই ঘৃণ্য জানুয়ার গুলিই কি ১৫ অাগষ্টের ঘৃণিত শয়তান।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৯:০৫
যারা উল্লাসে মেতে আছে তারা তাদের নিজেদের জন্মপরিচয়ে সন্দিহান।
জগতে কুলাঙ্গাররা চিরকালই কুলাঙ্গারই থেকে যায়।
ইতিহাস তাদের একদিন আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করবেই।


ধন্যবাদ আপনাকে।
mukut মুকুট ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৯:১৩
জাতির এই মহানায়কের বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ১৯:১৬
শান্তি কামনা করছি।

ধন্যবাদ আপনাকে
ভালো থাকবেন অবিরাম
kamaluddin কামাল উদ্দিন১৫ আগস্ট ২০১০, ২০:৫৫
পিতা তোমায় সালাম
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ২১:১৮
পিতা তোমায় সালাম।

ধন্যবাদ আপনাকে
FaysakOvi ফয়সল অভি১৫ আগস্ট ২০১০, ২১:০৮
অ্যান্থনী মাসকারনহাসকে দেওয়া খুনীদের অন্যতম কর্ণেল ফারুক রহমানের সাক্ষাতকারের কিয়দাংশ, যাতে বলা হয়েছে ১৫ আগস্ট ‘৭৫ বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে তখন সেনাবাহিনীর উপপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান জানতেন।
জিয়া জানতেন, কতখানি জানতেন-অমি রহমান পিয়ালের লেখাটি পড়ুন ও জানুন

জিয়া জানতেন, কতখানি জানতেন-অমি রহমান পিয়াল
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ২১:১৮
ধন্যবাদ আপনাকে।

ভালো থাকবেন অবিরাম
FaysakOvi ফয়সল অভি১৫ আগস্ট ২০১০, ২১:০৯
স্বাধীনতার পরবর্তী রাজনৈতক অঙ্গনে যে পরিবর্তন শুরু হয়েছিল তারপর ক্রমশঃ বিভক্তি, গুপ্তহত্যা কিংবা ক্রসফায়ার । এই ক্রসফায়ার তখন থেকেই সৃষ্টি । অনকের আগ্রহ, তরুণ প্রজন্মের মনে হাজারও প্রশ্ন কি ঘটেছিল ৭১ পরবর্তী ৭৫ পর্যন্ত??? কেন বাকশাল এসেছিল??? কত জাসদ কর্মী হত্যা করেছিল?? ৭৫এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে কেন হত্যা করা হয়েছিল?? এর পেছনের কারণ কি??? ইত্যাদি জানা-অজানা তথ্য নিয়ে............

"ইতিহাসের কালো অধ্যায়-সানাউল্লাহ"

ইতিহাসের কালো অধ্যায়-সানাউল্লাহ লেখাটি পড়ুন এবং সেখানে মন্তব্য করুন ।
kabiraahmed কবির য়াহমদ১৫ আগস্ট ২০১০, ২১:১৯
আসছি---
oniketraihan অনিকেত রায়হান১৬ আগস্ট ২০১০, ০৪:৪৯
শ্রদ্ধা~~~~~~~~~~