শিশুদের বিনোদন ও বর্তমান অবস্থা
হ্যাক আইডি অনেক কষ্টে ফিরে পেয়ে খুব ভালো লাগছে । মুক্তবাংলা নামে লিখছি না।সাথে থাকবেন ।
শিশুদের বিনোদনের জায়গা ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে । বিশেষ করে শহরে । শিশু বিনোদন গদবাধা ধারায় চলে যাচ্ছে । খেলার মাঠের অভাবের জন্য আমাদের শিশুরা ঘর মুখো বিনোদনে অভ্যস্ত হচ্ছে । খেলাধুলা নিয়ে একটু বলে নেই । আমরা সবাই জানি খেলাধুলা মানুষের শারীরিক ও মানুষিক বিকাশে সহায়ক ভুমিকা পালন করে । শিশু মানেই তো বাঁধ ভাঙ্গা আনন্দে ছোটাছুটি চঞ্চল চরিত্র । বইয়ের পাতায় রূপকথার জগতে বিচরন । দাদা– দাদীর মুখে বিস্ময় চোখে গল্প শোনা । আজকের শিশুরা ঝিমানো চেহারা আর সহ্য হয় না । তাদের নিশ্চিন্ত জীবনে কেন হতাশার চাপ ? খেলার মাঠ নেই । কেন ? একটু লাভের আশায় মনের অজান্তে পরবর্তী প্রজন্মকে ঘরবন্দি রাখার পাকা ব্যবস্থা করে রেখেছি। মানুষিক ও শারীরিক ভাবে হতাশা নিয়ে এক প্রজন্ম গড়ে উঠছে ।
মাঠ নেই শহরে । তাই শিশুদের চোখ টেলিভিশনের পর্দায় । এখন প্রশ্ন কি দেখছে আমাদের শিশুরা ? আমাদের মিডিয়া শিশুদের নিয়ে কতটা ভাবছে ?
দ্বিতীয় প্রশ্নটা একটু বলি । আমি একজন মিডিয়ার ছাত্র হয়ে খুব বিরক্ত । সব চাইতে দুঃখ জনক আমাদের নাটকে শিশুরা হারিয়ে গেছে । লম্বা লম্বা সিরিয়ালে একটু জায়গা হয় না শিশুদের । শিশুদের জন্য যা দেখানো হয় তা নাম কা ওয়াস্তে ।
এখন আসি শিশুরা কি দেখছে । আমি বলব আমরা কি দেখাচ্ছি । সমাজের সব গুলো সমস্যা একটা আরেকটার সাথে জড়িত । আমাদের মায়েরা দেখেন হিন্দি সিরিয়াল । সাথে সন্তান ও দেখছে । এই সিরিয়াল গুলোর সুক্ষ চাল আমাদের কোমল মতি শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশে বাঁধা সৃষ্টি করছে । তারা পরিবারে সমস্যা তৈরি করছে । পৃথিবীর একজন হিসেবে যে কোন সিরিয়াল আমার দেখবার অধিকার আছে কিন্তু তাই বলে যেটা আমার সমাজে বাঁধা সৃষ্টি করবে সেটা থেকে দূরে থাকাই ভালো ।
শিশু বিনোদনের আরেক মাধ্যম হল কার্টুন । কার্টুন আমাদের শিশুদের সবচাইতে প্রিয়। এখন কার শিশুদের প্রিয় ডরিমন । এ কার্টুন নিয়ে বেশ আলোচনা সমালোচনা । বিদেশী কাটুন কি বাচ্চারা দেখবে না । দেখবে কিন্তু সেটা যেন নেশা না হয়ে যায় । অন্য ভাষা শেখা দোষের নয় তবে সেটা মাতৃভাষা শিক্ষায় যেন ব্যাঘাত না ঘটে।
আপাতত দৃষ্টিতে ডরিমন কার্টুনে বেশ কিছু সমস্যা আমার চোখে ধরা পড়েছে ।
১। বাংলা শিক্ষায় আঘাত হানছে । যা মাতৃভাষার গুরুত্ব কমাচ্ছে ।
২।অবাস্তব জিনিসের সাথে পরিচিত হচ্ছে ।
৩।মিথ্যা শিখছে ।
৪।ঘরকুনো করছে ।
৫। জীবনকে ডরিমন কার্টুনের সাথে মিলিয়ে ফেলছে।
৬।হিন্দির চর্চা হচ্ছে যা প্রকাশমান দৃষ্টিকটু ।
এভাবে বাস্তবের বাইরে বেড়ে উঠছে আমাদের শিশুরা ।
এখন আসি গেমস বিষয়ক ব্যাপারে । সব গেমস খারাপ ব্যাপারটা তা নয় । আমারা সঠিক গেমস বাচ্চাদের হাতে তুলে দিতে পারিনা। শিক্ষামূলক , পাজল গেমস বাচ্চাদের মেধা বিকাশে সহায়তা করে । এমন গেমস আমাদের বাচ্চাদের হাতে যাচ্ছে যা তাদের নেশা গ্রস্থ করছে ।
আমাদের শিশুদের বিশেষ করে শহরের শিশুদের বিনোদন বলতে টেলিভিশন ও গেমসের মধ্যে সিমাবদ্ধ । বাচ্চাদের ছোটা – ছুটি করার জন্য একটু জায়গা করে দিতে পারলে তারা শারীরিক ও মানুষিক ভাবে আরও উন্নত হয়ে বাঁচতে পারত । সকল শিশুর শুভ ভবিষ্যৎ কামনা করছি ।
শিশুদের বিনোদনের জায়গা ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে । বিশেষ করে শহরে । শিশু বিনোদন গদবাধা ধারায় চলে যাচ্ছে । খেলার মাঠের অভাবের জন্য আমাদের শিশুরা ঘর মুখো বিনোদনে অভ্যস্ত হচ্ছে । খেলাধুলা নিয়ে একটু বলে নেই । আমরা সবাই জানি খেলাধুলা মানুষের শারীরিক ও মানুষিক বিকাশে সহায়ক ভুমিকা পালন করে । শিশু মানেই তো বাঁধ ভাঙ্গা আনন্দে ছোটাছুটি চঞ্চল চরিত্র । বইয়ের পাতায় রূপকথার জগতে বিচরন । দাদা– দাদীর মুখে বিস্ময় চোখে গল্প শোনা । আজকের শিশুরা ঝিমানো চেহারা আর সহ্য হয় না । তাদের নিশ্চিন্ত জীবনে কেন হতাশার চাপ ? খেলার মাঠ নেই । কেন ? একটু লাভের আশায় মনের অজান্তে পরবর্তী প্রজন্মকে ঘরবন্দি রাখার পাকা ব্যবস্থা করে রেখেছি। মানুষিক ও শারীরিক ভাবে হতাশা নিয়ে এক প্রজন্ম গড়ে উঠছে ।
মাঠ নেই শহরে । তাই শিশুদের চোখ টেলিভিশনের পর্দায় । এখন প্রশ্ন কি দেখছে আমাদের শিশুরা ? আমাদের মিডিয়া শিশুদের নিয়ে কতটা ভাবছে ?
দ্বিতীয় প্রশ্নটা একটু বলি । আমি একজন মিডিয়ার ছাত্র হয়ে খুব বিরক্ত । সব চাইতে দুঃখ জনক আমাদের নাটকে শিশুরা হারিয়ে গেছে । লম্বা লম্বা সিরিয়ালে একটু জায়গা হয় না শিশুদের । শিশুদের জন্য যা দেখানো হয় তা নাম কা ওয়াস্তে ।
এখন আসি শিশুরা কি দেখছে । আমি বলব আমরা কি দেখাচ্ছি । সমাজের সব গুলো সমস্যা একটা আরেকটার সাথে জড়িত । আমাদের মায়েরা দেখেন হিন্দি সিরিয়াল । সাথে সন্তান ও দেখছে । এই সিরিয়াল গুলোর সুক্ষ চাল আমাদের কোমল মতি শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশে বাঁধা সৃষ্টি করছে । তারা পরিবারে সমস্যা তৈরি করছে । পৃথিবীর একজন হিসেবে যে কোন সিরিয়াল আমার দেখবার অধিকার আছে কিন্তু তাই বলে যেটা আমার সমাজে বাঁধা সৃষ্টি করবে সেটা থেকে দূরে থাকাই ভালো ।
শিশু বিনোদনের আরেক মাধ্যম হল কার্টুন । কার্টুন আমাদের শিশুদের সবচাইতে প্রিয়। এখন কার শিশুদের প্রিয় ডরিমন । এ কার্টুন নিয়ে বেশ আলোচনা সমালোচনা । বিদেশী কাটুন কি বাচ্চারা দেখবে না । দেখবে কিন্তু সেটা যেন নেশা না হয়ে যায় । অন্য ভাষা শেখা দোষের নয় তবে সেটা মাতৃভাষা শিক্ষায় যেন ব্যাঘাত না ঘটে।
আপাতত দৃষ্টিতে ডরিমন কার্টুনে বেশ কিছু সমস্যা আমার চোখে ধরা পড়েছে ।
১। বাংলা শিক্ষায় আঘাত হানছে । যা মাতৃভাষার গুরুত্ব কমাচ্ছে ।
২।অবাস্তব জিনিসের সাথে পরিচিত হচ্ছে ।
৩।মিথ্যা শিখছে ।
৪।ঘরকুনো করছে ।
৫। জীবনকে ডরিমন কার্টুনের সাথে মিলিয়ে ফেলছে।
৬।হিন্দির চর্চা হচ্ছে যা প্রকাশমান দৃষ্টিকটু ।
এভাবে বাস্তবের বাইরে বেড়ে উঠছে আমাদের শিশুরা ।
এখন আসি গেমস বিষয়ক ব্যাপারে । সব গেমস খারাপ ব্যাপারটা তা নয় । আমারা সঠিক গেমস বাচ্চাদের হাতে তুলে দিতে পারিনা। শিক্ষামূলক , পাজল গেমস বাচ্চাদের মেধা বিকাশে সহায়তা করে । এমন গেমস আমাদের বাচ্চাদের হাতে যাচ্ছে যা তাদের নেশা গ্রস্থ করছে ।
আমাদের শিশুদের বিশেষ করে শহরের শিশুদের বিনোদন বলতে টেলিভিশন ও গেমসের মধ্যে সিমাবদ্ধ । বাচ্চাদের ছোটা – ছুটি করার জন্য একটু জায়গা করে দিতে পারলে তারা শারীরিক ও মানুষিক ভাবে আরও উন্নত হয়ে বাঁচতে পারত । সকল শিশুর শুভ ভবিষ্যৎ কামনা করছি ।
লেখক মুক্তমন ৭১
- মুক্তমন ৭১ -এর ব্লগ
- ২৩ টি মন্তব্য
- ২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১০:৫৯
- সমাজ
প্রিন্ট করুন
- ২৩ টি মন্তব্য
-
ঘাস ফুল২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:০৬
আইডি ফেরত পেয়েছেন। সুসংবাদ।
বেশ পর্যবেক্ষণধর্মী লেখা। আমি আপনার সাথে সহমত পোষণ করছি।
আমার ছেলে লন্ডনে ইয়ার টু তে পড়ে। এখন পর্যন্ত ওর কোন নির্দিষ্ট পাঠ্য বই নাই। সুতরাং, ব্যাগ ভরতি করে বইয়ের বোঝা টানারও কোন ঝামেলা নাই। এখনও পর্যন্ত তাদের কোন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয় নাই। এমন কি চাইলে আপনি বাসায় না পড়ালেও পারেন। স্কুলেই বআচ্চাদের পড়ানো হয়। স্কুলে সব ধরণের খেলাধুলার, শরীর চর্চা, নাচ, গান, শিক্ষা ভ্রমন, নাটক, বক্তৃতা ইত্যাদির ব্যবস্থা আছে। পুরো স্কুলটাকে বাচ্চাদের উপযোগী করে সাজান আছে। আরও অনেক কিছু। মন্তব্যে এতো কিছু লিখে শেষ করা যাবে না। -
আমিনা তারান্নুম২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:৩১
ধন্যবাদ বাস্তব অবস্হাটি তুলে আনার জন্য।
"আমাদের মায়েরা দেখেন হিন্দি সিরিয়াল । সাথে সন্তান ও দেখছে । "-একমত।
আমি আমার ছেলেকে ডরিমন 'পচা কার্টুন' এটা একদম প্রথম থেকেই শিখিয়ে নিয়েছি।সে এখন এটা টিভিতে দেখলেই 'পচা কার্টুন,পচা কার্টুন' বলে চিৎকার শুরু করে এবং টিভি বন্ধ করে দেয়।বাবা-মা সতর্ক থাকলে ইনশাল্লাহ অবস্থার উন্নতি হবে। -
সুমন দাশ২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১২:৪৩
পুরনো আইডি ফিরে পাওয়ায় শুভেচ্ছা এবং ভাল লাগা জানবেন ।
খুব দরকারি পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ । -
ভালোলাগে২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৩:০১
পুরনো আইডি ফিরে পেয়েছেন জেনে খুশি হলাম।
দরকারি পোষ্টটির জন্য অনেক ধন্যবাদ । -
ছাইফুল হুদা ছিদ্দীকি২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:০০
ঘাস ফুল লিখেছেন///////
আমার ছেলে লন্ডনে ইয়ার টু তে পড়ে। এখন পর্যন্ত ওর কোন নির্দিষ্ট পাঠ্য বই নাই। সুতরাং, ব্যাগ ভরতি করে বইয়ের বোঝা টানারও কোন ঝামেলা নাই। //////
একটি অনুরোধ লন্ডনের প্রাথমিক শিক্ষা ও স্কুল সম্পকেঁ বিস্তারিত আপনার লেখনীতে জানালে উপকৃত হবো। -
শাহিদুল হক২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:৩০
আপাতত দৃষ্টিতে ডরিমন কার্টুনে বেশ কিছু সমস্যা আমার চোখে ধরা পড়েছে ।
১। বাংলা শিক্ষায় আঘাত হানছে । যা মাতৃভাষার গুরুত্ব কমাচ্ছে ।
২।অবাস্তব জিনিসের সাথে পরিচিত হচ্ছে ।
৩।মিথ্যা শিখছে ।
৪।ঘরকুনো করছে ।
৫। জীবনকে ডরিমন কার্টুনের সাথে মিলিয়ে ফেলছে।
৬।হিন্দির চর্চা হচ্ছে যা প্রকাশমান দৃষ্টিকটু ।
এভাবে বাস্তবের বাইরে বেড়ে উঠছে আমাদের শিশুরা ।
ধন্যবাদ সুন্দর তথ্য চিত্র তুলে ধরার জন্য। -
আলভী২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৫:৫৮
কি ভাবে পুরনো আইডি ফিরে পেলেন জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো প্রিয় মুক্তমন.........।
-
ফেরদৌসা২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:৩৫
আমার ছেলে ক্লাস টুতে পড়ে ।
নার্সারি থেকে এখানে পড়ছে , এখন পর্যন্ত দেখা হয়নি তার বই কয়টা ।
সব কিছু স্কুলে থাকে। সেও সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত স্কুলেই থাকে। খাওয়া , ঘুম সব স্কুলেই । -
আলভী২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:২২
বারো মুক্ত পার্ক চাই শিশুদের জন্য.........পাসওয়ার্ড কিভাবে পরিবর্তন করবো জানাবেন প্রিয় মুক্তমন....
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
আমাদের এখন অনেক টেলিভিশন চ্যানেল ।
কিন্তু আমাদের শিশুদের জন্য তেমন কোন অনুষঠান নেই।
অশেষ ধন্যবাদ বাস্তব অবস্হাটি তুলে আনার জন্য।