অধিকার কে কাকে দেয়? অধিকার কেড়ে নিতে হয় ।
মানুষের মুক্তি‘র চেতনা সার্বজনীন এবং বিশ্বজনীন। ইতিহাসে যুগে যুগে আমরা তা দেখেছি। মুক্তি‘র সংগ্রাম বা যুদ্ধের স্বরুপ তাই দেশ-কালের সীমানা ছাড়িয়ে একই। সহজবোধ্য কারণেই প্রতিটি জাতির মুক্তিসংগ্রামের কাহিনীই সেই জাতির ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু। সেটাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয় প্রতিটি জাতির পথচলা-সম্মুখপানে এগিয়ে চলা। মুক্তির এই যুদ্ধ কোন ‘সাময়িক ঘটনা’ বা উৎসব নয় -এ এক চলমান যুদ্ধ্। এ যুদ্ধকে, যে জাতি যত বেশী বেগবান করতে পেরেছে - তারাই তত এগিয়ে গেছে।
আমরা মুক্তি চাই নানাবিধ অধিকার অর্জনের মাধ্যমে। সরকার/এস্টাবলিশমেন্ট অধিকারের কথা শুনলেই আঁতকে উঠে। এরা হাজার বছর আগেও তাই করতো। এখনও তাই করে। যদিও আমরা সাধারণ জনতা অনেক সময় অনুভব করিনা কিন্ত ‘জনগণের সম্মিলিত শক্তিকে’ ভয় পায় না এমন কোন ব্যাক্তি, দল, তন্ত্র-মন্ত্র,মারণাস্ত্রের আজো আবির্ভাব হয়নি।
তাই আমরা জনতা চাইলেই - এক হয়ে আওয়াজ দিলেই অধিকার আদায় করতে পারি। তবে আদায় না বলে আমি এটাকে ‘কেড়ে’ নেয়া বলতে চাই। কারণ এই সমাজপতিরা কখনো ‘বিনা-ঝুট-ঝামেলায়‘ অধিকার দিতে চায়না।
শুধু খেয়াল রাখা উচিত চলমান যুদ্ধাপরাধী-বিচারের জন্য জনগণের এই স্বতস্ফূর্ত আন্দোলন যেন ‘‘কোন বিশেষ গোষ্ঠীর রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের আরেকটা সিবিএ‘তে পরিণত না হয় ‘’
ছাত্ররাজনীতির নামে ছাত্ররা দেশে শিক্ষাঙ্গনে-গ্রামে-গন্ঝে- শহরে-বন্দরে ত্রাসের অভয়ারণ্য তৈরি করে শ্বাপদদের মতো চড়ে বেড়ায় - এই আন্দোলনের সুযোগে তারা যেন সেটাকে ‘জায়েজ’ করার সুযোগ না পায়। আমি বুঝতে পারিনা যে সমস্ত ছাত্ররা রাজনীতির নামে আকাম-কুকাম করে এরা ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা‘ বলে কেন চিল্লায় ? এরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানেটা কি বোঝে? শুধু ‘চেতনা‘ শব্দটাই তো এরা দু‘লাইনে ব্যাখ্যা করতে পারবেনা।
আর সকল রাজাকারের ফাঁসি চাই।
সব দল, সব মতের, সব পথের
সব রাজাকারের ফাঁসি চাই ।
সরকার বা কেউ আনন্দচিত্তে বগলবাজিয়ে এটা করবে - এটা আমরা অনেক আগেই বুঝে গেছি।
তাই চলুন সবাই মিলে দাবী তুলি
আর সে দাবী ‘‘কেড়ে নেই’’
সে অধিকার ‘কেড়ে নেই’ ।
আমরা মুক্তি চাই নানাবিধ অধিকার অর্জনের মাধ্যমে। সরকার/এস্টাবলিশমেন্ট অধিকারের কথা শুনলেই আঁতকে উঠে। এরা হাজার বছর আগেও তাই করতো। এখনও তাই করে। যদিও আমরা সাধারণ জনতা অনেক সময় অনুভব করিনা কিন্ত ‘জনগণের সম্মিলিত শক্তিকে’ ভয় পায় না এমন কোন ব্যাক্তি, দল, তন্ত্র-মন্ত্র,মারণাস্ত্রের আজো আবির্ভাব হয়নি।
তাই আমরা জনতা চাইলেই - এক হয়ে আওয়াজ দিলেই অধিকার আদায় করতে পারি। তবে আদায় না বলে আমি এটাকে ‘কেড়ে’ নেয়া বলতে চাই। কারণ এই সমাজপতিরা কখনো ‘বিনা-ঝুট-ঝামেলায়‘ অধিকার দিতে চায়না।
শুধু খেয়াল রাখা উচিত চলমান যুদ্ধাপরাধী-বিচারের জন্য জনগণের এই স্বতস্ফূর্ত আন্দোলন যেন ‘‘কোন বিশেষ গোষ্ঠীর রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের আরেকটা সিবিএ‘তে পরিণত না হয় ‘’
ছাত্ররাজনীতির নামে ছাত্ররা দেশে শিক্ষাঙ্গনে-গ্রামে-গন্ঝে- শহরে-বন্দরে ত্রাসের অভয়ারণ্য তৈরি করে শ্বাপদদের মতো চড়ে বেড়ায় - এই আন্দোলনের সুযোগে তারা যেন সেটাকে ‘জায়েজ’ করার সুযোগ না পায়। আমি বুঝতে পারিনা যে সমস্ত ছাত্ররা রাজনীতির নামে আকাম-কুকাম করে এরা ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা‘ বলে কেন চিল্লায় ? এরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানেটা কি বোঝে? শুধু ‘চেতনা‘ শব্দটাই তো এরা দু‘লাইনে ব্যাখ্যা করতে পারবেনা।
আর সকল রাজাকারের ফাঁসি চাই।
সব দল, সব মতের, সব পথের
সব রাজাকারের ফাঁসি চাই ।
সরকার বা কেউ আনন্দচিত্তে বগলবাজিয়ে এটা করবে - এটা আমরা অনেক আগেই বুঝে গেছি।
তাই চলুন সবাই মিলে দাবী তুলি
আর সে দাবী ‘‘কেড়ে নেই’’
সে অধিকার ‘কেড়ে নেই’ ।
লেখক সাফ-কথা
- সাফ-কথা -এর ব্লগ
- ৮ টি মন্তব্য
- ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৮:৪৮
- মুক্তিযুদ্ধ
প্রিন্ট করুন
- ৮ টি মন্তব্য
-
ঘাস ফুল০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৮:৫৭
টিপু ভাই, আপনার কোথায় যুক্তি আছে। তাই সহমত জানিয়ে গেলাম। ধন্যবাদ আপনাকে। -
আমিনা তারান্নুম০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:৩৪
সহমত।আসলেই "শুধু খেয়াল রাখা উচিত চলমান যুদ্ধাপরাধী-বিচারের জন্য জনগণের এই স্বতস্ফূর্ত আন্দোলন যেন ‘‘কোন বিশেষ গোষ্ঠীর রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের আরেকটা সিবিএ‘তে পরিণত না হয় ‘’ ...
আপনাকে ধন্যবাদ।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক