শুক্রবার ২৫ এপ্রিল ২০১৪, ১২ বৈশাখ, ১৪২১ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


ঘনিয়ে আসছে শীতকাল। এখনই উপযুক্ত সময় নিঝুম দ্বীপ ভ্রমণের। তাই যারা ঘুরতে ভালোবাসেন এবং এখনো নিঝুম দ্বীপে যাওয়া হয় নি। তারা একবার ঢু মেরে আসতে পারেন

নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের দক্ষিণে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অর্ন্তগত ছোট একটি দ্বীপ। সবাই এটিকে দ্বীপ হিসেবে উল্লেখ করলেও এটি আসলে সাগরের মোহনার অবস্থিত একটি চর। নোয়াখালীর দক্ষিণে মূল হাতিয়া পেরিয়ে এ দ্বীপে পৌঁছাতে পাড়ি দিতে হয় প্রমত্তা মেঘনা নদী। বঙ্গোপসাগরের কোলে উত্তর ও পশ্চিমে মেঘনার শাখা নদী, আর দক্ষিণ এবং পূর্বে সৈকত ও সমুদ্র বালুচর বেষ্টিত ছোট্ট সবুজ ভূখণ্ড নিঝুম দ্বীপ অতি অল্প সময়ের মধ্যেই পর্যটকদের নিকট দর্শনীয় স্থান হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। নিঝুম দ্বীপ সত্যিই নিঝুম। এখানে নেই পর্যটনের চাকচিক্য, বাতির ঝলক কিংবা যান্ত্রিক কোনো বাহনের বিকট শব্দ। ইতিহাস থেকে যতদূর জানা যায়, নিঝুম দ্বীপের পূর্ব নাম ছিলো চর ওসমান। ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তার মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসতি গড়েন। তখন তার নামেই এই দ্বীপটির নামকরণ করা হয়। পরবর্তীতে হাতিয়ার একজন সাংসদ এই নাম বদলে দ্বীপটির নাম নিঝুম দ্বীপ রাখেন। স্থানীয় বনবিভাগের মতে, ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের দিকে প্রায় ১৪,০০০ একরের এই চরটি জেগে ওঠে। ১৯৭০ সালের আগে পর্যন্ত এখানে লোকজনের বসবাস ছিলো না। ১৯৭০ সালে বনবিভাগ এই দ্বীপে তাদের কার্যক্রম শুরু করে চার জোড়া হরিণ অবমুক্ত করণের মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এক হরিণশুমারীতে পাওয়া তথ্যে জানা যায় সেই ১৯৭০-১৯৯৬ এই ২৬ বছরে হরিণের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ২২,০০০ এ। সেই থেকে এই দ্বীপটিকে হরিণের অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমানেও অসংখ্য হরিণ রয়েছে দ্বীপটিতে।

অন্য আরেকটি সূত্র হতে জানা যায়, ১৯৪০-এর দশকে এ দ্বীপটি বঙ্গোপসাগর হতে জেগে ওঠা শুরু করে। চর গঠনের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে ৪০-এর দশকের শেষদিকে নিঝুম দ্বীপ তৃণচর বা গোচারণের উপযুক্ত হয়ে ওঠে। মাছ ধরতে গিয়ে হাতিয়ার জেলেরা নিঝুম দ্বীপ আবিষ্কার করে। ৫০-এর দশকের মাঝামাঝি নিঝুম দ্বীপে জনবসতি শুরু হয়। মূলত হাতিয়ার জাহাজমারা ইউনিয়ন থেকে কিছু জেলে পরিবার প্রথম নিঝুম দ্বীপে আসে। নিঝুম দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় প্রচুর ইছা মাছ (চিংড়ি মাছ) ধরা পড়ত বিধায় জেলেরা এ দ্বীপের নাম দেয় 'ইছামতির দ্বীপ'। এ দ্বীপটিতে মাঝে মাঝে বালির ঢিবি বা টিলার মতো ছিল বিধায় স্থানীয় লোকজন এ দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বলেও ডাকত। কালক্রমে ইছামতি দ্বীপ নামটি হারিয়ে গেলেও স্থানীয় লোকেরা এখনো এ দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বলেই সম্বোধন করে।

দ্বীপটির নৈগর্গিক সৌন্দর্য
সমুদ্রের বুকে হেলে পড়ে অস্তগামী সূর্য, পাখির কলতান যেনো হাজার বছরের নিস্তব্ধতাকেও জাগিয়ে তুলতে সক্ষম। ঝাকে ঝাকে মায়াবী হরিনের পদচারনায় মুখরিত এই জনপদ। যেদিকে চোখ যায় যতদূর চোখ যায় কেবল সারি সারি কেওড়া গাছ আর তার কোল ঘেষে বয়ে চলা নদী মুহুর্তেই মায়াবী জাদুর বন্ধনে বেধে ফেলে পর্যটকদের মন। সমুদ্রের বুক থেকে শুরু হয়ে সরু খাল ধরে গহীন বনের বুক চিরে এই দ্বীপটি অবস্থিত। চারিপাশে সবুজের বিচরণ। সেই সাথে রয়েছে সমুদ্রের স্বচ্ছ নোনা জল। চলতি পথে পানির নিচের সবুজ দৃশ্য ও মাছেদের ছুটোছুটির দৃশ্য দেখে পর্যটকদেরকে বারবার পানিতে ঝাপিয়ে পড়ার ইচ্ছে জাগিয়ে তোলে।


নিঝুম দ্বীপে পর্যটকদের জন্য ওয়েলকাম ড্রিংকস হিসেবে রয়েছে কচি ডাবের পানি। তবে এখানে ডাব বিক্রির জন্য কোনো হকার নেই। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে গাছ থেকে ডাব পাড়িয়ে খেতে হয়।

নিঝুম দ্বীপে পৌছে প্রথমেই পর্যটকরা হরিণ দর্শনের জন্য ছুটে যায় স্থানীয় কেওড়াবনের দিকে। হাজার হাজার হরিণের পদচারণায় মুখরিত থাকে এই বনটি। হরিণ দর্শনের জন্য এখানে রয়েছে ইঞ্জিন চালিত নৌকার ব্যবস্থা। নৌকায় করে সাগরের মোহনা থেকে সরু খাল ধরে বনের ভেতর যতদূর যাওয়া যায় শুধু সবুজ আর সবুজ, সেই সাথে গাছের ফাকে ফাকে দেখা মিলবে ঝাকে ঝাকে হরিণের পালের। সবল সতেজ হরিনের ছুটে চলা সে এক অপরূপ দৃশ্য। যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কষ্টকর। উল্লেখ্য এই দ্বীপটির কোথাও বালুর তেমন দেখা না মিললে আশ্চর্য হবার কোনো কারণ নেই। কেননা ভৌগোলিক কারণেই পুরো দ্বীপটাই কর্দমাক্ত মাটি দিয়ে গঠিত। বর্ষার সময় তা আরও প্রকট আকার ধারণ করে।

নিঝুম দ্বীপ ভ্রমণের সবচাইতে উপযুক্ত সময় হলো শীতকাল। বর্ষাকালে গেলে কাদায় গোসল করার ১০০% সম্ভাবনা রয়েছে। আর গ্রীষ্মকালে গেলে মোকাবেলা করার সম্ভাবনা রয়েছে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের। সবদিক বিবেচনা করে শীতকালটাই নিঝুম দ্বীপ ভ্রসমণের জন্য সবচাইতে উপযুক্ত সময়।

তবে এই দ্বীপ এলাকায় জলদস্যুদের কিছুটা ভয় রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তারা বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করে থাকে। অবশ্য এই সমস্যা সব সময় হয় না। বর্তমানে প্রশাসনের সজাগ দৃষ্টির কারণে জলদস্যুদের প্রকোপ অনেকটাই কমে গিয়েছে।

যাতায়াত ব্যবস্থা
ঢাকা থেকে নিঝুম দ্বীপে যাওয়ার সবচাইতে সহজ মাধ্যম হলো লঞ্চ। ঢাকার সদরঘাট থেকে এমভি পানামা-২ (০১৯২৪-০০৪৬০৮) ও এমভি টিপু-৫ (০১৭১১৩৪৮৮১৩) লঞ্চ দুটি ঢাকা-হাতিয়া রুটে চলাচল করে। ঢাকা থেকে ছাড়ে বিকাল ৫ টায় এবং হাতিয়ার তমরুদ্দি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ে দুপুর সাড়ে বারোটায়। লঞ্চে যেতে মোটামুটি খরচ হয় এরকম ভাড়া ডেক ২০০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ৭০০ টাকা, ডাবল কেবিন ১২০০ টাকা এবং ভিআইপি কেবিন ১৬০০ টাকা। সদরঘাট থেকে লঞ্চযোগে তমরুদ্দি ঘাটে নামতে হয়। সেখান থেকে নিঝুম দ্বীপে যাওয়ার জন্য ইঞ্জিন চালিত ট্রলার রয়েছে। নিঝুম দ্বীপে দুটি ঘাট রয়েছে। একটি হচ্ছে নামার ঘাট এবং অন্যটি বন্দরটিলা ঘাট। নিঝুম দ্বীপ ভ্রমণে গেলে নামার ঘাটে নামাই সুবিধাজনক। কেননা এখানে রিসোর্ট রয়েছে। তমরুদ্দি লঞ্চ ঘাট থেকে নামার ঘাটে যেতে সময় লাগে ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট থেকে ২ ঘন্টা ৪৫ মিনিটের মতো। ভাড়া ভ্রমণকরীর সংখ্যার উপর নির্ভর করে। যেমন – ১৫ থেকে ২০ জন লোক একসাথে একটি ট্রলার রিজার্ভ করলে আপডাউন ভাড়া পড়ে ৬,০০০ থেকে ৭,০০০ টাকার মতো। আবার ২০ থেকে ৩০ জন লোক একসাথে একটি ট্রলার রিজার্ভ করলে আপডাউন ভাড়া পড়ে ৮,০০০ থেকে ৯,০০০ টাকার মতো। এছাড়া তমরুদ্দি ঘাট থেকে সড়ক পথে নিঝুম দ্বীপে যাওয়া যায়।

এছাড়া সড়কপথে তমরদ্দী লঞ্চঘাট থেকে নিঝুম দ্বীপ যেতে চাইলে, তমরদ্দী বাজার থেকে টেম্পুতে জাল্যাখালী (জালিয়াখালী) ঘাট অথবা বাসে করে জাহাজমারা ঘাটে এবং সেখান থেকে রিক্সাতে জাল্যাখালী (জালিয়াখালী) ঘাটে যেতে হবে। জাহাজমারা ঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে সোজা বন্দরটিলা ঘাট। আগেই বলেছি নিঝুম দ্বীপের ঘাট দুইটি। এবং মূল ঘাট হচ্ছে নামার বাজার ঘাট। তাই বন্দরটিলা ঘাট থেকে যেতে হবে নামার বাজার। ভাড়া ১৫০ টাকার মতো পড়ে।

এছাড়া যারা ঢাকা থেকে সড়ক পথে যেতে চান তাদের জন্য ঢাকার যাত্রাবাড়ী তথা সায়েদাবাদ থেকে রয়েছে নোয়াখালীর বাস। ঢাকা থেকে প্রথমে যেতে হয় মাইজদী সোনাপুর। সোনাপুর থেকে যেতে হবে চেয়ারম্যান ঘাট। সোনাপুর থেকে চেয়ারম্যান ঘাটের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার। যানবাহন হিসেবে রয়েছে বাস, টেম্পু ও টু-স্ট্রোক বেবিট্যাক্সি। সোনাপুর থেকে থেকে চেয়ারম্যান ঘাট যেতে বেবিতে ভাড়া পড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মতো। চেয়ারম্যান ঘাট পৌছে সেখান থেকে ইঞ্জিন চালিত ট্রলার অথবা সী ট্রাকে করে প্রথমে হাতিয়া চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যেতে হয় হাতিয়ার নলচিরা ঘাটে। তারপর নলচিরা ঘাট থেকে যেতে হয় দক্ষিণদিকে জাহাজমারা নামক ঘাটে। সময় লাগে ৩০ মিনিটের মতো। আবার জাহাজমারা থেকে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে যেতে হয় নিঝুম দ্বীপে। তবে, দলবেধে গেলে সরাসরি চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ট্রলার রিজার্ভ করে নিঝুম দ্বীপে যাওয়া যায়। উল্লেখ্য এই পথে নিঝুম দ্বীপে যাওয়ার সময় জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।

ট্রেনে করে যেতে চাইলে প্রথমে কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে নোয়াখালী রেলওয়ে ষ্টেশন যেতে হবে। এরপর বাসে নোয়াখালী চেয়ারম্যান ঘাট হয়ে উপরের রুট অনুযায়ী নিঝুম দ্বীপে যাওয়া যায়। এ ছাড়া বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সদরঘাট থেকেও সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে চট্টগ্রাম থেকে একটি জাহাজ হাতিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

থাকার ব্যবস্থা
নিঝুম দ্বীপে ভ্রমণে যাওয়ার আগে ঢাকা থেকেই সেখানে থাকার ব্যবস্থা ঠিক করে যাওয়া ভালো। নাহলে পরবর্তীতে সেখানে গিয়ে নানা ধরনের বিপত্তিতে পড়তে হয়। পর্যটকদের থাকার জন্য নিঝুম দ্বীপে নিঝুম রিসোর্ট নামে একটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এখানে ৯টি দুই ও তিন বেডের রুম রয়েছে। এছাড়া ২২ বেড বিশিষ্ট ৩টি ডরমিটরি রয়েছে। এখানে থাকতে হলে ঢাকায় অবকাশ পর্যটন লি: এ যোগাযোগ করতে হয়। এই অফিসটি ঢাকার ১৭ নিউ ইস্কাটন রোডের আলহাজ্জ সামসুদ্দিন ম্যানশন এর নবম তলায় অবস্থিত। ফোন: ০১৫৫২৩৭২২৬৯, ৮৩৫৮৪৮৫, ৯৩৪২৩৫১, ৯৩৫৯২৩০।নিঝুম রিসোর্টে প্রতিটি দুই বেডের রুমের ভাড়া ১,০০০ টাকা এবং প্রতিটি ৩ বেডের ফ্যামিলি রুমের ভাড়া ২,০০০ টাকা। আর ১২ বেডের ডরমিটরি রুমের ভাড়া ২,৪০০ টাকা এবং ৫ বেডের ডরমিটরি রুমের ভাড়া ১,২০০ টাকা। উল্লেখ্য প্রতি রুমে একজন করে থাকতে পারে। রুম সংকট হলে সর্বোচ্চ দুই জন থাকতে পারে এবং সেজন্য অতিরিক্ত ১০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। এছাড়া সরাসরি নিঝুম রিসোর্টেও যোগাযোগ করতে পারেন। নিঝুম রিসোর্টে যোগাযোগের ফোন নম্বর ০১৭২৪-১৪৫৮৬৪।এছাড়া মসজিদ বোর্ডিং নামে আরও একটি বোর্ডিং রয়েছে। এখানে সিঙ্গেল ও ডাবল মিলিয়ে ৮টি রুম রয়েছে। নিঝুম রিসোর্টে জেনারেটর ও এটাচর্ড বাথরুমের ব্যবস্থা থাকলেও এখানে জেনারেটর ও এটার্চড বাথরুমের কোনো ব্যবস্থা নেই। মসজিদ বোর্ডিং এ যোগাযোগের ফোন নম্বর ০১৭২৭-৯৫৮৮৭৯।এখানে প্রতিটি সিঙ্গেল রুমের ভাড়া ১২০/১৫০ টাকা এবং ডাবল রুমের ভাড়া ২০০/২৫০ টাকা।

এছাড়াও এখানকার স্থানীয় বাজারে খুব সস্তায় অল্প দামে তিন-চারটি আবাসিক বোডিং রয়েছে। আরও রয়েছে বন বিভাগের একটি চমৎকার বাংলো। পাশেই আছে জেলা প্রশাসকের ডাক বাংলো। এগুলোতে আগে থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে থাকার ব্যবস্থা করা যায়।

খাওয়া-দাওয়া
স্থানীয় নামার বাজারে পর্যটকদের খাবার-দাবারের সব রকমের ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে সকালের নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবার, চা, বিস্কুট সবকিছুই পাওয়া যায়।

বাংলাদেশের আরও কিছু দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন

১০ টি মন্তব্য
KASHEMTIPU ভালোলাগে১৭ নভেম্বর ২০১২, ১৬:১৯
সুন্দর ছবি সহ নিঝুম দ্বীপের বর্ণনা এছাড়া বিউটিফুল বাংলাদেশ এর বেশ কয়েকটি দর্শনীয় স্থানের যাতায়তের লিংক সংযুক্ত করায় আপনাকে ধন্যবাদ।
sagar923 রফিকুল ইসলাম সাগর১৭ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৩৯
সম্পূর্ণ তথ্য বহুল একটি পোস্ট। আমি কয়েকবার গিয়েছি।
Numan75 নুমান১৭ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৪৩
বাহবাহ!
এখনই চলে যেতে ইচ্ছা করছে।

kamaluddin কামাল উদ্দিন১৭ নভেম্বর ২০১২, ১৭:৪২
নিঝুম দ্বীপ সত্যিই দেখার মতো একটা চমৎকার দ্বীপ, যদিও পকৃতি বরাবরই ঐ দ্বীপ বাসীর সাথে করে নির্মম রসিকতা ।

আপনার পোষ্টে দেওয়া প্রথম ছবিটা আমার তোলা নিঝুম দ্বীপের ছবি । ছবিটা ছিল নিম্নরূপ......

আমার ছবি যে কোন পোষ্টেই আপনারা ব্যব হার করতে পারেন, কিন্তি আমার নামটা মুছে দিলেন কেনো ভাই ????

আর দ্বিতীয় ছবিটা ও আমারই তোলা, তবে এটা কিন্তু সোনাদিয়া দ্বীপের ছবি । এটা ছিল নিম্নরূপ.......

এটা থেকে নাম মুছা হয়নি, তবে আলো বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে নামটা বুঝা যাচ্ছে না ঠিক মতো ।
mahin89 মাহিন আহমেদ১৭ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৪৩
দয়া করে আমাকে ভুল বুঝবেন না। আপনার ছবি কাটা বা আপনার নাম মোছা দুটোর কোনোটাই আমি করি নি। তাছাড়া ছবি এডিটিং আমি তেমন পারি না। ছবিগুলোর ১টি আমি বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিঝুম দ্বীপ নিয়ে করা ফিচার থেকে নিয়েছি এবং অন্যটি আমার ব্লগে জনৈক এক ব্লগারের নিঝুম দ্বীপের উপর লেখা ব্লগ থেকে নিয়েছি। আপনার ছবি ব্যবহারের অনুমতি দানের জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
kamaluddin কামাল উদ্দিন২০ নভেম্বর ২০১২, ২০:১৭
ধন্যবাদ, আপনি ও ভালো থাকুন, সব সময় ।
kamaluddin কামাল উদ্দিন১৭ নভেম্বর ২০১২, ১৭:৪৭
আমার নিচের পোষ্টে গেলেই ছবি দু'টি পেয়ে যাবেন ।

নিঝুম দ্বীপ ভ্রমন ( ফটো ব্লগ ) - ১
সোনাদিয়া দ্বীপ (ফটোব্লগ -৪ ) শেষ ।
JAVED79 এম ই জাভেদ১৭ নভেম্বর ২০১২, ১৮:৪৯
নিঝুম দ্বীপ ভ্রমনের খুঁটি নাটি অনেক বিষয় বিস্তারিত জানলাম । যাওয়ার ইচ্ছে আছে।
BABLA মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা ১৭ নভেম্বর ২০১২, ১৯:৩৪
সুন্দর দেশ ছবিতে প্রমান।
আপনার জন্য শুভকামনা।
sabujo সবুজ ও১৮ নভেম্বর ২০১২, ১৭:২৪
বন্ধুরা মিলে নিঝুম দ্বীপে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবার সুন্দরবন থেকে ফিরে এসে...

এই পরিকল্পনার সময় এই পোস্টটি এবং সহব্লগার শ্রদ্ধেয় কামাল উদ্দিন ভাইয়ের দেয়া "নিঝুম দ্বীপ ভ্রমন ( ফটো ব্লগ ) - ১" পোস্টি অনেক কাজে দেবে...

তাই পোস্ট দুটি সোজা প্রিয়তে...