অন্যরকম চারদিন!
শহরের সহস্র ব্যস্ততার ছাপ আর যান্ত্রিকতার ছোঁয়া যান্ত্রিক জীবনটাকে যখন একঘেঁয়ে করে তোলে, তখন কিছুটা অবকাশের জন্য আমি ছটফট করতে থাকি। কেমন করে জানি এসব কিছু থেকে কিছুদিনের জন্য হলেও মুক্তি পাবার একটা ব্যবস্তা ঠিকই হয়ে যায়। এবারও যেমন বছরের শুরুতে অন্যরকম অবকাশ যাপনের চমৎকার একটা সুযোগ হয়ে গেলো।
সুযোগটা বলতে গেলে কিছু ব্লগারের কল্যাণেই পেয়ে গেলাম। আমরা চারজন ব্লগার (আমি,শাহরিন,অজানা পথিক এবং নিঝুম অরণ্য) মিলে ৪ঠা জানুয়ারী গিয়েছিলাম রাজশাহীতে। যদিও আমাদের রাজশাহী যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল শীতার্তদের জন্য সাহায্য পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু সেই কাজ শেষ করার পরও আমরা দেখলাম বাড়ী ফেরার আগেই আমরা কিছু সময় হাতে পাবো যাতে চমৎকার একটা বেড়ানো হয়ে যাবে।
তো আর কি করা, আমাদের বেড়ানোর পালা শুরু হয়ে গেলো !
রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চল
রাজশাহীর বরেন্দ্র এলাকায় আসলে আমরা বেড়াতে যাইনি, ওখানে যাবার মূল উদ্দেশ্য ছিল কাপড় বিতরণ। কিন্তু ওখানকার এলাকাটা ছিলো অসাধারণ। ৫ই জানুয়ারী সকাল বেলা আমরা চার ব্লগার সহ মোট ১৪ জনের একটা টিম রাজশাহী শহর থেকে রওয়ানা দেই বরেন্দ্র অঞ্চলের তানোর এলাকার উদ্দেশ্যে। যেহেতু অপরিচিত জায়গা সেহেতু কোন কোন জায়গা অতিক্রম করে গিয়েছি তার বর্ণনা পুঙ্খনাপুঙ্খরূপে দেওয়াটা সহজ হবে না, তবে আমরা রাস্তার দু’পাশের প্রাকৃতিক মনোরম দৃশ্যাবলী অসম্ভব রকম উপভোগ করছিলাম। আর চোখের পড়ার মত বিষয় ছিলো অসংখ্য পানের বাগান, দোতলা মাটির বাড়ী, অনেক অনেক খড়ের ছড়াছড়ি এই ব্যাপারগুলো।
আমরা বরেন্দ্র এলাকায় গিয়ে সেখানকার চা খাবার ইচ্ছে পোষণ করলাম কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে তারা চা’য়ের মধ্যে এত ভয়ংকর পরিমাণ কম চিনি দেয় যা মোটামুটি অপেয় বলা যেতে পারে আমাদের মত সাধারণ মানুষদের জন্য। তাই একবুক আশা নিয়ে নিরাশার দোলাচালে আমরা একটুখানি দোল খেয়ে গেলাম।
সাঁওতালদের এলাকায় পৌঁছার পর তারা আমাদেরকে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি অনুযায়ী বরণ করে নিলো। বেশি মজা পেলাম আমরা, যখন দেখলাম তারা আমাদের মধ্যে থাকা একটু বয়স্কদের পা ধুয়ে দিচ্ছে।
কাপড় বিতরণ শেষে, সেখান থেকে আমাদের বাসায় ফিরতে ফিরতে ঘড়ির কাটা রাত সাড়ে আটটা বাজার কথা নীরবে জানিয়ে দিয়ে গেলো। চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ নিয়ে অক্লান্ত আমরা সারা দিনের তুলে আনা ছবি আর ভিডিও গুলোর উপর হামলে পড়লাম। আনন্দ বাড়িয়ে দিতেই কিনা জানি না, আমাদের সাথে ছোট বড় নির্বিশেষে সবাই ই যোগ দিয়ে ফেললো।
জিয়া পার্ক
৬ই জানুয়ারী সকালবেলা আমরা বেড়াতে গিয়েছিলাম রাজশাহী শহরের মধ্যেই অবস্থিত জিয়া পার্কে। পার্কটি হচ্ছে মূলত ছোটদের জন্য। বড়দের জন্য খুব বেশি রাইড সেখানে নেই। কিন্তু তারপরও বলতে হয় পার্কটির পরিবেশ এবং দৃশ্য অনন্য। ছোট একটা লেকও সেখানে আছে। লেকের মাঝখানটাতে আছে একটা ছোট্ট দ্বীপের মত যেখানে একটা জলপরীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ঐ জলপরীটাকে নিয়ে নিঝুম অরণ্য আর অজানা পথিক ক্ষাণিকক্ষণ ঝগড়াও করেছে।
আমাদের ভাগ্য খারাপ ছিল বিধায় আমরা সেখানে কোন রাইডে চড়তে পারিনি,কেননা আমরা পৌঁছার কিছুক্ষণ পরেই জুমা’র নামাযের জন্য পার্কের রাইডগুলো ক্লোজ করে দেওয়া হয়। তবে সেখানে আমরা কিছুসময় মজা করেছি এবং অনেকগুলো ছবি তুলেছি।
ন্যাশনাল পার্ক / চিড়িয়াখানা
জিয়া পার্ক থেকে বের হয়ে আমরা চলে গেলাম ন্যাশনাল পার্কে। এখানে চিড়িয়াখানা আর ন্যশনাল পার্ক একত্রেই দেখতে পেলাম। এখানেও আমাদের নৌকা ভ্রমণের কথা ছিলো কিন্তু সময় স্বল্পতার জন্য সেই ভ্রমণটা আমাদের স্যাকরিফাইজই করতে হলো। ন্যাশনাল পার্কটিতে বেশ কিছু টিলা আছে। আমরা তার একটাতে চড়লাম, অবশ্য ঐগুলোর চূড়াতে উঠার জন্য সিড়িও তৈরি করে দেওয়া আছে। আর উপরে আছে বসে বিশ্রাম নেবার মত সুন্দর জায়গা।
সরু পথ ধরে হাটতে হাটতে আমরা পার্কের অনেকটুকু ভেতরে প্রবেশ করে আবার সরু পথ ধরে হাটতে হাটতেই বাইরে বেড়িয়ে এলাম। এরই মধ্যে দেখতে পেলাম ছুটির দিন থাকার কারণে অনেকেই পিকনিক করতে চলে এসেছে প্রকৃতির মনোরম এই জায়গাটিতে।
রাজশাহী ইউনিভার্সিটি
৬ তারিখ বিকেলেই আমরা রাজশাহীতে জনপ্রিয় বাহন ইজি বাইকে করে বেরিয়ে পড়লাম রাজশাহী ইউনিভার্সিটি দেখবো বলে। রাজশাহী ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসটি হচ্ছে বাংলাদেশের যেকোন ভার্সিটির মধ্যে সর্ববৃহৎ ক্যাম্পাস। আমরা ভেতরে ঢুকার পর বুঝতে পারলাম আসলেই কত বিশাল ক্যাম্পাস। ভাস্কর্যগুলো সামনে আমরা দাঁচ্ছিলাম এবং চলছিল সঙ্গীসাথীদের ফটোসেশন। এভাবে রাজশাহী ভার্সিটি থাকতে থাকতেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো।
টি-বাঁধ
আমাদের সেদিন পদ্মার পাড়ে বেড়ানোর কথা ছিলো। কিন্তু সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত নেমে আসায় আমাদের আর পদ্মার পাড়ে বেড়ানো হলো না। কিন্তু আমরা টি-বাঁধে গিয়ে হাজির হলাম। গিয়ে দেখলাম জমজমাট অবস্থা। অনেকেই বেড়াতে এসেছে এখানে। তাই এত লোকের ভীড়ে ভালো লাগলো না বেড়াতে। আমরা একটা রেষ্টুরেন্টে বসে সদলবলে সন্ধ্যার নাস্তা করলাম এবং সেদিনের মত ফিরে এলাম।
পদ্মার পাড়
পরদিন মানে ৭ই জানুয়ারী আমরা সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পড়লাম, কারণ আমাদের সেদিন পুঠিয়ার রাজবাড়ি দেখতে যাবার কথা। কিন্তু পদ্মার পাড়ে হেঁটে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা থেকে তো আর নিজেদের বঞ্চিত করতে পারিনা। তাই আমরা খুব সকালেই পদ্মার পাড়ে চলে গেলাম। রাজশাহী শহরের পাশ দিয়েই গেছে পদ্মা নদী। কিন্তু শীতের দিন বলে পানি অনেক কমে গেছে নদীর। অপর পাড়ের চরও চোখে পড়ছিলো আমাদের। সকালবেলা নাতিশীতোষ্ণ বালুকা ভূমিতে হাঁটতে চমৎকার অনুভূতি হচ্ছিলো। এরই মাঝে আন্টি (শাহরিনের আম্মু) একটা নৌকাও ম্যানেজ করে ফেলেছেন যেটাতে করে আমরা কিছু সময়ের জন্য নৌকা ভ্রমণও করে আসতে পারলাম।
পদ্মার পাড়ে বেড়াতে গিয়ে যেন বড় কিছু মিস করে না ফেলি সেদিকে তীক্ষ্ণ নজর রেখে আমরা সময়মতই পদ্মাপাড়ের আনন্দভ্রমণ শেষ করে বাসায় ফিরে আসলাম।
পুঠিয়ার রাজবাড়ী ও শিব মন্দির
পুঠিয়ার রাজবাড়ীতে যাবার জন্য উৎসুক মানুষের সংখ্যাটা একটু বেশিই হয়ে গেলো। তাই বাধ্য হয়েই একটা মাইক্রোবাস ভাড়া করতে হলো। অবশ্য আমাদের ভ্রমণ গুলোর স্পন্সর আমরা নিজেরা ছিলাম না। শাহরিনের আম্মু এবং মামা নিজদায়িত্বে আমাদের রাজশাহী ঘুড়ে দেখানোর দায়িত্ব নিয়ে নিলেন।
পুঠিয়ার রাজবাড়ীতে যাওয়ার পথ ৩০ কি.মি.র একটু বেশিই হবে। মাইক্রোতে চেপে অনেক অনেক মজা আর আনন্দ করতে করতে আমরা ছুটলাম গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। গন্তব্যে পৌঁছার পর পরই আমরা ত্বরিত নেমে পড়লাম। আর রঙ্গন(শাহরিনের কাজিন) ও অরণ্য মিলে কোথা থেকে যেন একটা ছাগলছানা ধরে নিয়ে এলো। সেটা নিয়ে কিছু সময়ের জন্য চললো দুষ্টামি।
আমরা আস্তে আস্তে পুরাতন বাড়ী গুলোর অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে থাকলাম। অনেক পুরাতন এবং ফাটল ধরে ধ্বসে পড়ে যেতে থাকা বাড়ী গুলো স্যাঁতস্যাঁতে এবং শ্যাওলা যুক্ত হয়ে পড়েছে। সেখানে একের পর এক চললো ক্লিক..ক্লিক..ক্লিক !
আমরা রাণী ভবানীর নিজস্ব হাম্মাম খানা দেখতে পেলাম। দেখতে পেলাম ছয় চাকার রথ। দেয়ালে শত বছরের পুরোনো কারুকাজ গুলো এখনো যেন অমলিন হয়ে আছে। তবে মূল রাজবাড়ীর প্রধান প্রবেশ পথের ইমারত গুলো এক কথায় অসাধারণ। তবে বর্তমানে রাজবাড়ীটি লস্করপুর ডিগ্রী কলেজ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
রাজবাড়ী দেখার পর আমরা গেলাম মন্দির গুলো দেখার জন্য। প্রথমেই দেখলাম বড় আহ্ণিক মন্দির। এরপর পুঠিয়ার দোল মন্দির দেখার পর আমরা গোবিন্দ মন্দির দেখতে গেলাম। তারপরই গেলাম বড় শিব মন্দির দেখতে। এখানেই আছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ শিব মূর্তি। পূজা অর্চনা করার জন্য আসা কিছু হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলার সাথে আমাদের গোবিন্দ মন্দিরে দেখা হলো।
আমরা শিব মন্দির দেখা শেষে দ্রুতই গাড়ীতে চলে এলাম। এবার আমাদের গন্তব্য হচ্ছে রাজশাহী মিউজিয়াম।
রাজশাহী মিউজিয়াম
পুঠিয়ার রাজবাড়ী থেকে ফিরে আমরা গেলাম রাজশাহী মিউজিয়ামে। এই মিউজিয়ামটি বাংলাদেশের সব চাইতে সমৃদ্ধ মিউজিয়াম। কিন্তু আমাদের সেই সমৃদ্ধ অবস্থা দেখার আর ভাগ্য হলো না, কেননা তখন কন্সট্রাকশনের কাজ চলছিল। আর সবচাইতে বিরক্ত লাগলো যখন তারা আমাদের ছবি তোলা থেকে নিরস্ত্র করলো। তাই কোনভাবে দেখাটেখা শেষ করে বেড়ানোর ইস্তফা দিয়ে আমরা বাসায় ফিরে এলাম।
রাজশাহী মিউজিয়াম থেকে ফিরে আমরা শাহরিন দের মামা বাড়ীতে গেলাম দাওয়াতের অতিথি হিসেবে। মামীদের আতিথেয়তায় আমরা মুগ্ধ হলাম। সেখানেই সবাই ই এত বেশি ভালো বলে বুঝাতে পারবো না। রাজশাহীকে ভালোবেসে ফেললাম অল্প কয়দিন কাছ থেকে দেখেই। আরো বেশি ভালোবেসে ফেললাম সেখানকার মানুষগুলোকে। যখন দেখলাম আমাদেরকে বিদায় দিতে গিয়ে এক ছোট্ট বোন কান্না করে ফেললো, আমরা অভিভূত হয়ে পড়লাম।
রাত ১১ : ২০ মিনিটে ট্রেন। আবার আমার সেই ঢাকা, আবার সেই ব্যস্ততামুখর যান্ত্রিকতার জীবন। এটাই জীবন.. এই জীবনটাকে বড্ড ভালোবাসি।
[বিঃদ্রঃ-ছবিগুলো মন্তব্যের ঘরে দেওয়া হলো।]
সময়ঃ ১৪/০১/১২ ইং
রাত- ১০টা ৪০।
লেখক বিষাদনীলিমা
- বিষাদনীলিমা -এর ব্লগ
- ১৩৫ টি মন্তব্য
- ১৪ জানুয়ারি ২০১২, ২২:৫২
- ট্রাভেলগ
প্রিন্ট করুন
- ১৩৫ টি মন্তব্য
-
লজ্জাপতি হযবরল১৪ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:১০
আর ছবি দেয়ার প্রযোজন নেয় ম্যাডাম...........।পরে আমি আপনার ব্লগে ডুকতেয় পারবো না.............................
-
লজ্জাপতি হযবরল১৪ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:০২
রাজশাহী আমার কাকাত বোনের শ্বশুর বাড়ি।যাওয়ার অসংখ্য সুযোগ এসে ছিল আমার হাতে আমি যায় নি।-....................................


-
লজ্জাপতি হযবরল১৪ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:১২
অনেক কিছু নয়...!!!শুধু সরষে ক্ষেত দৃশ্য......!!!
সমস্যা নায় আমি কালি,আমদের নদীর চরে গিয়ে সরষে ক্ষেত দৃশ্য দেখে আসবো.......


-
শাহরিন১৪ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:১৭
আপুউউউ হয়েছে কি, ভ্রমণের মধ্যে সবচেয়ে মজার ছিল অরণ্য ভাইয়া আর রিফাত ভাইয়ার জলপরী নিয়ে দুষ্টমি। আর হ্যা, তোমার সাথে আপুশীপ হওয়াট (ফ্রেন্ডশীপ থেকে আপুশীপ) প্রিয় স্মৃতি আমার। -
লজ্জাপতি হযবরল১৪ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:২৬
@লজ্জাপতিঃ বাকিগুলো দেখার জন্য কোনো আফসুস নাই বুঝি?
আফসুস থাকার প্রশ্নয় উঠেনা.........বরং দেখিলে উল্টো আফসুস সৃষ্টি হতে পারে...............


-
লজ্জাপতি হযবরল১৪ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:৩৫
কেননা....
দিল্লিকা লাড্ডু খায়লেও পচকায়বে....না খালেও পচকায়বেন......।
সুতরাং তার নামটি না জায়ায় উত্তম।কারণ-তাতে দুয় প্রকারের আফসোশি শ্রতমিত হবে.............
-
লজ্জাপতি হযবরল১৪ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:৫৫
ম্যাডাম দেখি আমার প্রিয় ফলটির কথাও জেনে গেছেন.....................



-
লজ্জাপতি হযবরল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ০০:০৩
আমি চিন্তায় আছি.........


অন্য গোপন কথাগুলিও জেনে গেলে কিছুদিন পর ব্লগে মুখ দেখানোও দায় হবে..........






-
লজ্জাপতি হযবরল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ০০:২৪
আপনাকেয় সাবদান হওয়া উচিত......
কেননা আপনার ছাত্র ঠিকমত পড়ালেখা করছে কি না তা দেখাশুনা করার দায়িত্ব আপনার- ছাত্র যদি রেজাল্টা খারাপ করে তখনত আপনারি দুরনাম হবে.................................






-
সৈয়দ মাজারুল ইসলাম(রুবেল)১৪ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:২৬
অনবদ্য ভ্রমন কাহীনির সাথে ঘুরে এলাম বরেন্দ্র অঞ্চল। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য। -
অজানা পথিক ১৪ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:৩৯
চমৎকার হইছে
বেশ গোছালো লিখা
খুব ভালো লাগলো
সেই সময় গুলো কি মধুর ছিলো
আমার সবচেয়ে ভালো লাগছে ঐখানের চা
পুরাই চিরতার রস
শুভকামনা রইল
শুভেচ্ছা

আদর্শ কমেন্টস
-
অজানা পথিক ১৫ জানুয়ারি ২০১২, ১২:৫০
আমি চা বানালে তাদের মতই হবে, আমি জানতাম
তাই আর শেখার আগ্রহ ছিলও না
-
যাযাবর৮০১৫ জানুয়ারি ২০১২, ০০:৫৯
ইশ ইশ ইশ
সশরীরে গিয়ে দেখতে পারতাম
ভ্রমণের জটিল বর্ণনা .................অনবদ্য




শুভকামনা রইল ..................শুভেচ্ছা




-
হেলিম খান১৫ জানুয়ারি ২০১২, ১০:৪৫
এমন দেশটি কোথাও খুজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের সেরা সে জে আমার জন্মভুমি, সে জে আমার জন্মভুমি বাংলাদেশ। -
কুহক১৫ জানুয়ারি ২০১২, ১৩:১০
আস সালামু আলাইকুম আপি
ভুলে গিয়েছিলাম.... সরি ফর দ্যাট....
পিকনিক অনেক দিয়েছে আবার কেড়েও নিয়েছে অনেক কিছু... সর্বোপরি ভালো। -
কুহক১৫ জানুয়ারি ২০১২, ১৩:৪৩
আমি পুরুষ বলে কি অমন করে বললেন? হবে হয়তো... তবে রিজার্ভ থাকলেই কি ভালো হতো কি না ভাবছি... আমার মনে হয়... উচ্ছাস বেশী ছিলো... যা হয়তো ভবিষ্যতের জন্যে শুভ নয়। -
কুহক১৫ জানুয়ারি ২০১২, ১৪:১৪
যে পর্দায় অবস্থান করে সে জানে কতটা খুচরো পাপকে সে এড়িয়ে থাকতে পারে... যেমন হয়তো আপনি কিছু অনুভব করতে পারেন... পাপ করলেই পূণ্যের প্রশ্ন আসে... তবে পূণ্য বেশী করলে তা ছড়িয়ে দেবার মধ্যেও আনন্দ থাকে।
হ্যাঁ অনেক আনন্দে কেটেছে সময়... সুখ স্মৃতি হয়ে থাকবে।
পপা
আপনি জানেন আমি কিছু মনে রাখি না বা মনে করি না। অতএব ঐ সব কার্টেসি আমার সাথে আর করবেন না। -
কুহক১৫ জানুয়ারি ২০১২, ১৮:৪৫
পূণ্যে যদি সুখ অনুভব হয়, দানে যদি তৃপ্তি হয় তবেই তা অনুভব করা যাবে।
একলোক পথ হাটছে কাচের বোতল হাতে নিয়ে এখন আমি অনিচ্ছাকৃত সংঘর্ষে তা ভেঙে ফেলে পাপ করি আর তওবার মতো সরি বলি তাহলে কি ভাঙা বোতলা ফিরে আসবে? না আমার উচিৎ তাহা ক্রয় করে পূণ্যের প্রতিস্থাপন করা?
তওবা’র প্রতিশব্দ কি? সরি’র প্রতিশব্দ কি? দুঃখিত’র প্রতিশব্দ কি?
পাপ করলেই পূণ্য দিয়ে তা কাটতে হবে কারন এখানে তা বিলিয়ে দেবার স্কোপ আছে... -
বিধুভূষণ ভট্টাচার্য১৫ জানুয়ারি ২০১২, ১২:৫৬
দেখা হয় নাই অনেক কিছু দেখলাম, জানা নাই অনেক কিছু জানলাম। অনেক ধন্যবাদ এ সুন্দর পোষ্টের জন্য। -
রশীদ জামীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৭:১০
ঈশিতা, তোমাকে ওরা নেয়নি?? আমাকেও না
চিন্তা করোনা, তোমার পরীক্ষাটা শেষ হয়ে নিক। আমি তোমাকে নিয়ে যাবো।
তখন নীলিমারা, বিপা'রা কাঁদতে কাঁদতে কাঁদতে অরণ্যে চলে গেলেও আমরা শুনবো না। ঠিক আছে? -
রশীদ জামীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৭:৩৩
আমি এখনো নানাবাড়ির শোক কাটিয়ে উঠতে পারছি না,
শুধুই কান্না পাচ্ছে------------

-
মুহাম্মদ সাঈদ আরমান১৫ জানুয়ারি ২০১২, ১৪:৪১
মজা করা হয়েছে জেনে ভাল লাগছে।
অজানা পথিক ! যে নিজেকে দাবী করে তাকে কেউ চিনে না । এখন দেখি দল বেঁধে ভ্রমণ করে
-
অজানা পথিক ১৬ জানুয়ারি ২০১২, ০২:০৯
আপনি খালি উল্টা বুঝেন
আমি সেটা বুঝাতে চাইনি
আমি বুঝাতে চেয়েছি, আমি ফাইসা গেছি
-
অয়েজুল হক জীবন১৫ জানুয়ারি ২০১২, ১৮:৫২
অনেক সুন্দর সুন্দর ছবি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। সালাম জানবেন। -
বিষণ্নতা!১৫ জানুয়ারি ২০১২, ১৯:২০
চমৎকার ছিল আপনাদের উদ্দেশ্য - খুব ভালো লাগলো।
ছবিগুলো কে তুলেছে? দারুণ হয়েছে !!! -
রশীদ জামীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৭:১২
চমতকার বর্ণনা। ভ্রমণটা বোধকরি তারচেও সুন্দর ছিলো।
আহারে! যদি থাকতে পারতাম! আহারে
-
রশীদ জামীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৭:২৩
বাসা আর রাজশাহী কি এক হলো??
মানি না--------
আমি তো বিশেষ একটি অনিষ্ঠানের জন্য কাপড় ইস্ত্রি করিয়েই রেখেছি। জানেনই তো।
বললেই চলে আসতাম। নানাবাড়ি বলে কথা! -
রশীদ জামীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৭:৩২
ঐ ইস্ত্রি করা কাপড় তো হেফাজত করে রাখা উচিত, কখন হঠাৎ কাজে লাগবে তার ঠিক আছে? ---------------এই কখনটা তাড়াতাড়ি আসুক-----------
চায়ের পানি গরম করে রাখা হোক।
বইমেলার বেশি বাকী নেই
-
রশীদ জামীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৭:৪৫
নিষিদ্ধ বস্তু খাওয়া-------------তার মানে এটা নিষিদ্ধ না। চলতে পারে।
সত্যি করে বলেন তো, জিনিষটা খেয়ে তৃপ্তি পান নি??
সত্যি বলবেন কিন্তু। ব্লগের কসম
-
রশীদ জামীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৮:১৮
পান তো পানই। মিষ্টিও যা, জর্দা দেয়াও তা।
সকলের রুচি তো আর সমান না।
কারো টক ভালো লাগে, কারো তিতা। এটা যার যার ব্যাপার।
ভালো লাগছে আমাদের পান পরিবারে আরেকজন'র অন্তর্ভুক্তি।
ইসসে! আমার জীবন ভাই যদি এখন থাকতেন!! কী খুশিটাই না হতেন -
ঈশিতা জুলিয়া১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৭:৩৬
রশীদ ভাইয়া, ওরা আমাদের নেয়নি অথচ আমাদের সাথে যেতে চাচ্ছে! পরীক্ষা শেষ হোক! সিলেটে বেড়াতে চলে যাবো! পপা.নীলিমাপু, অরণ্য ভাইয়া কাউকে সাথে আনবো না! -
রশীদ জামীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৭:৪২
ঠিক, একদম ঠিক। তাদের মোটেও নেয়া যাবে না।
পপা ওরফে বিপা, তাকে আনার তো প্রশ্নই আসে না।
তুমি চলে এসো ঈশিতা। তোমাকে চা বাগান দেখাবো।
ভাইবোন মিলে ঘুরে বেড়াবো। তারপর-----------
তারপর তাদের মতো ছবিসহ পোষ্ট দিয়ে তাদের তাদের বলবো- কেয়সা লাগতা হায়
-
ঈশিতা জুলিয়া১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৭:৪৭
@নীলিমা আপু, কাঁদবেন না। আপনাকেও সাথে নিবো। কিন্তু পপাকে কোনো মতেই না। সে ঢাকাতেই থাকবে।

কারণ সেখানে গিয়ে তাকে মিস করতে হবে না! সাথে গেলে মিস করবো কি করে 

-
রশীদ জামীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৭:৫২
ঈশিতা, নীলিমাকে সাথে নেবে????????
আচ্ছা যাও, তাকে যখন আশা দিয়েই ফেলোছো, নিরাশ করা ঠিক হবে না।
তবে শর্ত হলো, এই সফরের কর্তৃত্ব কিন্তু থাকবে আমাদের হাতে।
তুমি আর আমি নিয়ন্ত্রন জরবো সব।
তারা কিছু বলতে পারবে না।
এই যেমন ধরো, তোমার ইচ্ছে হলো আইস্ক্রিম খাবে।
বলতে পারবে না,-------ঠান্ডা লেগে যাবে।
আমার ইচ্ছে করলো পান খেতে।
বলতে পারবে না---------পান খাওয়া ভালো না।
জিজ্ঞেস করো। মানলে ঠিক আছে। না মানলে -----------
-
ঈশিতা জুলিয়া১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৭:৪১
আপু, পথিক ভাইয়া নিজে তো মিস করেনি! তাই ভাবছে সবার বেলায় তাই হয়েছে!
-
রশীদ জামীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৮:১৯
মনে হয় মানে কি!! এখানে মনে হওয়া-হওয়ীর কী আছে!!
ঈশিতাকে এই জীবনে আমি অঠিক বা বেঠিক বলতে শুনিনি
-
অজানা পথিক ১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৮:২০
সত্যি কথা হল, আমি মিস করেছি কিন্তু একটু কম

অন্যজনকে খুব মিস করেছি
কারণ, তিনি খুব কষ্ট করেছেন
তিনি যেতে পারলে আমার খুব ভালো লাগত
@নীলিমা আপু
ঠিক করে বলুন
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য







নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক