পাঁচ ব্লগারের সাতকাহন ^৫ম পর্ব^

ব্লগ কি শুধুই কবিতা, গল্প আর আড্ডা দেওয়ার জায়গা? নাকি সাহিত্যের পাশাপাশি দেশ, রাজনীতি, ধর্ম, কুসংস্কার ও আরও বিভিন্ন ব্যাপারের আলোচনা ক্ষেত্র। ব্লগিং শুধু অবসর সময় কাটানো নয়, ব্লগিংয়ের মাধ্যমে আমরা দেশ ও সমাজকে দিতে পারি অনেক কিছু। আলোচনার মাধ্যমে আমরা যেমন অন্যের কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে পারি তেমনি অন্যদের অনেক কিছু জানাতেও পারি। প্রতিবাদ করতে পারি, জনমত গঠন করতে পারি….ইত্যাদি ইত্যাদি।
এই আলোচনাকে আরও দমদার করতে আমি নিয়ে এসেছি এক দারুন সিরিজ। প্রতি সপ্তাহে আমাদের সাথে থাকবেন পাঁচ জন করে ব্লগার আলোচনা চলবে প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন বিষয়ে। উল্লেখ থাকা বিষয় গুলোর উপর আপনারা প্রশ্ন করে যাবেন। তারা সবাই নিজের নিজের মতো করে উত্তর দেবেন।
__________________
আজকের অতিথি
আজকের বিষয়
ধর্ম ও মানবতা
মনুষত্ব/জীবন দর্শন
ধর্ম নিয়ে রাজনীতি
সাহিত্যের নামে নোংরামী
ব্লগ ও আড্ডা
ব্লগারদের উদ্দেশে
অতিথি পাঁচ জন হলেও আপনাদের সকলের অংশগ্রহন এই আলোচনাকে সার্থক করে তুলতে পারে। আপনাদের অংশগ্রহনের মাধ্যমেই আলোচনা শেষে আমরা একটা সিদ্ধান্তে পৌছতে পারব।
সুপ্রিয় ব্লগারগণ! আপনারা আলোচনায় শামীল হন, নিজের মতামত জানান। নিজে প্রশ্ন করুন; অন্যজনকে প্রশ্ন করতে উৎসাহিত করুন। আলোচনা/আড্ডা জমিয়ে তুলুন।
ব্লগারদের প্রতি অনুরোধ আপনা্রা নিদির্ষ্ট করে কোন ব্লগারকে প্রশ্ন করবেন না। প্রশ্ন করুন সবার উদ্দেশ্যে। তারপর অতিথিরা নিজ নিজ অভিমত জানাবেন।
প্রশ্ন করবেন/নিজ মতামত বা চিন্তাধারা জানাবেন উপরের বিষয় গুলোর উপর। এক 'ঘরে' অনেক গুলো প্রশ্ন করবেন না। মন্তব্যের ঘরে একটি করেই প্রশ্ন করবেন। কারণ পাঁচ জন অতিথিকে উত্তর দিতে হবে।
প্রশ্নগুলোর নিচে অতিথি ছাড়া অন্য কেউ মন্তব্য করবেন না। ছবি না দিলেই ভালো। আর বিষয় বহির্ভুত প্রশ্ন করবেন না।_________________
পাঁচ ব্লগারের সাতকাহন ^১ম পর্ব^
পাঁচ ব্লগারের সাতকাহন ^২য় পর্ব^
পাঁচ ব্লগারের সাতকাহন ^৩য় পর্ব^
পাঁচ ব্লগারের সাতকাহন ^৪র্থ পর্ব^_____________
____________________
_____________________________
ভালো থাকুন। সাথে থাকুন।
শুভ ব্লগিং।
____________
_____________________
______________________________
লেখক ফৈরা দার্শনিক
- ফৈরা দার্শনিক -এর ব্লগ
- ১৪৬ টি মন্তব্য
- ১৫ জানুয়ারি ২০১২, ১৯:৫০
- ব্লগালোচনা
- গড় রেটিং: ১০
প্রিন্ট করুন
- ১৪৬ টি মন্তব্য
-
নিঝুম অরণ্য১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২০:১৬
যদিও আপনি বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে জানতে চান তাহলে আমি বলবো হ্যাঁ। কেননা বাংলাদেশের রাজনীতি এখন বিশ্ব দরবারে নোংরা রাজনীতি নামে সুপরিচিতি লাভ করেছে-
এই রাজনীতি যদি ধর্মের উপর দিয়েও চালানো হয় তাহলে যে ধর্ম নিয়ে রাজনীতিতে সংযুক্ত হওয়া হবে একদিকে যেমন সেই রাজনীতির বদনাম হবে অপর দিকে রাজনীতিও আরো কলুষিত হবে।
আর আমাদের দেশে বর্তমানে ধর্মীয় দলগুলো ধর্মীয় স্বার্থে নয়, নিজস্ব স্বার্থ উদ্ধারের জন্যই রাজনীতির ময়দানে নেমেছে। এই ধরণের রাজনীতি হলে অবশ্যই বন্ধ করে দেওয়া উচিত।
ছাড়া আমি বলবো রাজনীতি যদি কোথাও তার সুষ্ঠু রূপে বিদ্যমান থাকে, সেখানে ধর্ম বিস্তারের জন্য এবং সুন্দর কিছুর প্রতি জনসাধারণকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধর্মীয় ভাবেও রাজনীতি করা যেতে পারে।
ধন্যবাদ। -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২১:১৩
ধর্ম নিয়ে রাজনীতি কি একেবারে বন্ধ করে দেয়া উচিত?
ধর্ম নিয়ে রাজনীতি আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ২টা ২ জিনিস। আপনি যদি প্রথমটি বুঝিয়ে থাকেন তাহলে তার মানেটা দাড়ায়-
যারা আদর্শিক ভাবে দেশের রাস্ট্রনীতিতে ধর্মীয় বিধি বিধান প্রতিফলিত হোক তা চান না এমনকি এসবের জানবাজ বিরোধীতা করেন কিন্ত ভোটের জন্য সংখ্যা গরিষ্ঠ জনগনের ধর্মীয় বিশ্বাসের সহিত সহাবস্তানের মিথ্যা কৌশলের অংশ হিসাবে ধর্মীয় স্লোগান, ধর্মীয় পোশাক ইত্যাদির মাধ্যমে ধোকা দিয়ে জনগণের ভোট আদায় করেন অর্থাৎ শুধু রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য ধর্মকে সস্তা হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করেন তাই হল ধর্ম নিয়ে রাজনীতি।
এই রকম রাজনীতি ইসলামে বৈধ নয়। আর আমার মনে হয় অন্য কোন ধর্মেও নয়।
আর তাই, আমার মনে হয় এই রাজনীতি অবশ্যই বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ। কিন্তু বন্ধ করা কি আদৌ সম্ভব? -
আলইমরান ১৮ জানুয়ারি ২০১২, ১৪:১৮
ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করে দেয়া উচিৎ। তবে ধর্ম এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার রাজনীতি অবশ্যই থাকা উচিৎ। -
লজ্জাপতি হযবরল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২০:১১
ধর্ম এবং মানবাতা:
ধর্ম এবং মানবতা কি একয় সূত্রে গাথা? ;নাকি ধর্ম মানবতার একটি মৌলিক অংশ মাত্র যা মানবিক গুণাবলি অজনের সাহায্যকারী উপাদান হিসাবে বিবেচিত হয়?
(কেননা এমন কিছু মানবিয় দিক আছে যা ভিন্ন ধর্মে ভিন্ন।) -
নিঝুম অরণ্য১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২০:২৫
আপনার উত্তর প্রদানের পূর্বে আমার আপনার নিকট প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কি ইসলাম ধর্মের কথা বলছেন?
যদি আপনি ইসলাম ধর্মের কথা বলে থাকেন তাহলে আমি বলবো অবশ্যই ধর্ম আর মানবতা একই সূত্রে গাঁথা।
আর ধর্ম অবশ্যই মানবিক গুণাবলী বিকাশে সাহায্য করে। এটাকে আবার অন্যভাবে বলার জন্য যদি বলে থাকেন মৌলিক অংশ, তাতেও আমার কোন আপত্তি নেই।
কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করে ধর্ম পালন করলে মানবতা থাকতে বাধ্য। ধর্মচুত্য হলেও যদি মনে করা হয় তার ভেতরে মানবতা আছে তা মিথ্যার পরশমাত্র।
এমন কিছু মানবিয় দিক আছে যা ভিন্ন ধর্মে ভিন্ন
প্লিজ উদাহরণ না দিলে ব্যাখ্যা দিতে পারছি না। -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২১:২০
ধর্ম এবং মানবতা কি একয় সূত্রে গাথা? ;নাকি ধর্ম মানবতার একটি মৌলিক অংশ মাত্র যা মানবিক গুণাবলি অজনের সাহায্যকারী উপাদান হিসাবে বিবেচিত হয়?
(কেননা এমন কিছু মানবিয় দিক আছে যা ভিন্ন ধর্মে ভিন্ন।)
আগে বুঝি, মানুষের জন্য ধর্ম, ধর্মের জন্য মানুষ নয়। ধর্ম একটি সুশৃঙ্খল জীবন বিধান, যা মানবীয় অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই বলা যায়; মানবতা এবং ধর্ম একই সূত্রে গাঁথা।
আগে যেহেতু মানবতা পরে ধর্ম তাই আমার মতে ধর্ম মানবতার একটি মৌলিক অংশ।
শুভ কামনা সতত। -
ভূতের আছড় ১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২০:১৬
১
ইসলাম,খ্রিস্টান,সনাতন, বুদ্ধ ধর্মের ?
আলাধা আলাধা ব্যাখ্যা করুন
২
আনন্দহীন শিক্ষা পরিপুর্ন নয়, তা কি বিশ্বাস করেন।?? তাহলে ব্লগে আড্ডা দিলে সমস্যা কি?
৩
অনেকে ধর্ম বাদে মানবতা প্রতিস্টিত করতে চায় এতে আপনাদের মতামত কি?
৪
অন্য ধর্মের লোকদের প্রতি আপনাদের মনভাব কি?
৫
তবলিগ ও মাজার এসব ব্যাপারে আপনাদের মনভাব কি? -
নিঝুম অরণ্য১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২০:৪৭
১। আমি খুবই দুঃখিত ধর্ম বিশারদ না হবার কারণে প্রথম প্রশ্নের যথার্থ উত্তর দিতে আমি হয়তোবা ব্যর্থ হবো।
তারপরও চেষ্টা করতে দোষ কি?
সনাতন ধর্মঃ
এই ধর্মে গোড়াপত্তন অনেক আগে যখন মানুষ নিতান্তই অসহায় জীবন যাপন করতো তখন থেকে। তাই তারা যেটাকে শক্তিমান মনে করতো তারই পূজা অর্চনা করতে আনন্দ বোধ করতো কেননা মানুষের স্বভাবত একটা দিকই হলো তার চাইতে উচ্চমান শক্তি সম্পন্নের কাছে নত হতে পছন্দ করা। তাই বিভিন্ন দেব-দেবীকে প্রতীক হিসেবে পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে এখনও এই ধর্ম এগিয়ে চলেছে। কিন্তু মজার ব্যাপার এই ধর্মের রীতি নীতি গুলো মানব সৃষ্ট।
বুদ্ধ ধর্মঃ
এই ধর্মটি সম্পর্কে আমার অজ্ঞতা খুব বেশি। খুব বেশি কিছু জানিও না । গৌতম বৌদ্ধের হাতে গোড়াপত্তন হওয়া এই ধর্মের রীতি নীতিও মানব সৃষ্ট।
খ্রিস্টানঃ
খ্রিষ্টান ধর্মের ব্যাপারে বলতে গেলে প্রথমেই বলতে হবে এই ধর্মের রীতিনীতি গুলো পুরোপুরি মানব সৃষ্টও নয় আবার স্রষ্টা কর্তৃক নির্ধারিতও নয়। বাইবেল যদিও স্রষ্টা কর্তৃক প্রেরিত একটা বই ই ছিলো কিন্তু তাতে মানুষেরা ইচ্ছেনুযায়ী সংশোধন আনয়ন করেছে।
ইসলামঃ
ইসলাম ধর্মের আদর্শ রীতিনীতি গুলো কোনটাই মানব সৃষ্ট নয়। আর এই ধর্মের অনুসরণকারী কিতাবটিও সম্পূর্ণ অবিকৃত অবস্থায় স্রষ্টা কর্তৃক প্রেরিতই আছে।
২। আনন্দহীন শিক্ষা পরিপূর্ণ নয়, এটা আমি মেনে নিতে রাজি আছি। কিন্তু সব শিক্ষার মধ্যেই আনন্দ থাকতে হবে এই কথাটা ঠিক নয়।
৩। আমি ইসলাম ধর্মের অনুসারী এবং ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি ধর্ম বাদ দিয়ে কখনোই মানবতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। কেননা ধর্মের মধ্যেই মানবতার পরিপূর্ণ ছাপ বিদ্যমান, অস্বীকার অবাঞ্চনীয়। এমতাবস্থায় এই দাবী অগ্রাহ্য ।
৪। আমি মুসলিম হলেও অন্য ধর্মের প্রতি কখনোই খারাপ কোন মনোভাব আমার নেই এবং সবচাইতে মজার ব্যাপার ইসলাম ধর্মে এটা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। তাই আমারও অনেক কাছের বন্ধু আছে যাদের ধর্মের দিকটা আমার সাথে মিলে না।
৫। তাবলীগ করার মূল উদ্দেশ্য থাকা উচিত ইসলাম সুরলিত বাণীর প্রচার। যদি এই মর্মে তাবলীগ থেকে থাকে তাহলে গ্রহণীয় নচেৎ বর্জনীয়। আর তাবলীগ কোথা থেকে , কেমন করে করতে হবে সেই পন্থাও মানা জরুরী।
মাজারের ব্যাপারে বলব, বর্তমানে আমাদের দেশে মাজারগুলোতে যা হয় তা সহ্য করার মত নয়, এটা দূষণীয় ও ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম। -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২১:৩১
১ইসলাম,খ্রিস্টান,সনাতন, বুদ্ধ ধর্মের ?
আলাধা আলাধা ব্যাখ্যা করুন
২আনন্দহীন শিক্ষা পরিপুর্ন নয়, তা কি বিশ্বাস করেন।?? তাহলে ব্লগে আড্ডা দিলে সমস্যা কি?
৩অনেকে ধর্ম বাদে মানবতা প্রতিস্টিত করতে চায় এতে আপনাদের মতামত কি?
৪অন্য ধর্মের লোকদের প্রতি আপনাদের মনভাব কি?
৫তবলিগ ও মাজার এসব ব্যাপারে আপনাদের মনভাব কি?
১। ভাইগো প্রথম প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে বই লাগবে। তাছাড়া এই ক্ষুদ্র পরিষরে ব্যাখ্যা দেওয়া কি সম্ভব?
তারপরও অরণ্য ভাই কিছুটা বলার চেষ্টা করেছেন।
২। হ্যা শুধু বিশ্বাস নয়, মানার চেষ্টা করি। ব্লগে আড্ডার বিরোধী আমি নই, তবে আড্ডা হওয়া উচিৎ বিষয় ভিত্তিক(যেমন এখন আড্ডা চলছে), আজাইড়া ক্যচাল বর্জন করা উচিৎ।
৩। সকল ধর্মের মূল থিমই হচ্ছে মানবতা প্রতিষ্টা করা। আমার মতে সকল ধর্মের চেয়ে একমাত্র ইসলাম ধর্মই সবচেয়ে বেশি মানবতা প্রতিষ্ঠিত করেছে।
৪। ধর্মান্ধ এবং ধর্মীয় উগ্রবাদী এই দুই বিশেষ শ্রেণীর কারণে পৃথিবীতে যুগে যুগে বিনষ্ট হয়েছে মানুষের শান্তি। মানুষে মানুষে হয়েছে রক্তপাত, হানাহানি। আর তাতে ব্যাহত হয়েছে ধর্মের মূল উদ্দেশ্য। এসব কারণেই ধর্ম সম্পর্কে আবার অনেকেই নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করে থাকেন। তাঁদের এই মনোভাব পোষণের কারণ, মানুষ যখন কোনো একটি বিশেষ ধর্মের অনুশীলন করে তখন স্বীয় ধর্ম ছাড়া আর বাকি সব ধর্মের প্রতি তাঁর মনে নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয়। মানুষের মনে এ ধারণার সৃষ্টি হয়, সে যে ধর্ম পালন করছে শুধু সেই ধর্মই সত্য; আর বাকি সব ধর্ম মিথ্যা। এই মনোভাব শুধু তাঁর অন্য ধর্মের প্রতি তৈরি হয় না তৈরি হয় অন্য ধর্মাবলম্বী ব্যক্তি মানুষের প্রতিও। এমন অনুভূতি যখন একজন মানুষের মধ্যে কাজ করে, তখন একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে 'মানুষ' হিসেবে বিবেচনা করে না। অপর মানুষকে সে তখন দেখে তাঁর ধর্মের চোখে বিধর্মী হিসেবে। স্বধর্মী না হওয়ার কারণে একজন মানুষ তখন আরেকজন মানুষের কাছে মানুষ থাকে না। এ অবস্থায় ধর্মের কাছে পরাজয় ঘটে, চিরন্তন মানব ধর্মের।
৫। এই বিষয়টি বিতর্কিত, তাই আলোচনায় আনতে বিব্রত বোধ করছি।
শুভ কামনা সতত। -
তীর্যক নীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১০:১৮
@ ধর্ম দুই প্রকারের হয়
** ১। লৌকিক ধর্ম
** ২। প্রবর্তিত ধর্ম
হ্যা, বিশ্বের প্রধান প্রধান ধর্মগুলোকে প্রধানত দুইটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়। যথাঃ সেমেটিক ও নন সেমেটিক।
সেমেটিক ধর্মঃ
মূলত সেমেটিয় তথা হিব্রু, আরব, আসিরীয়, ও ফিনিশীয় জনগোষ্টির মধ্যে সেমেটিক ধর্মগুলোর উদ্ভব ঘটেছে। বাইবেলের বর্ণনানুসারে হযরত নূহ (আঃ)এর এক পূত্রের নাম ছিল ‘শাম’। ‘শাম’র বংশধরগণ সেমেটিয় নামে পরিচিত।সূতরাং সেমেটিক ধর্মের উৎপত্তি হয়েছে ইহুদী, আরব, আসিরীয় ও ফিনিশীয়দের মধ্যে। প্রধান প্রধান সেমেটিক ধর্মগুলো হলো- ইহুদী মতবাদ, খৃষ্টীয় মতবাদ এবং ইসলাম। এই ধর্মগুলো পয়গম্বরীয় যা মহান আল্লাহ্ তা’লার নবী/রাসুলগণ কর্তৃক আনীত হয়েছে।
নন সেমেটিক ধর্মঃ
নন সেমেটিক ধর্মগুলোকে আবার এরিয়াল বা আর্য এবং নন এরিয়াল বা অনার্য এই দুই শ্রেনীতে বিভক্ত করা যায়।
আর্য ধর্মঃ
আর্য জাতির মধ্যেই আর্য ধর্মের উৎপত্তি। আর্য জাতি ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষা ভাষী একটি শক্তিশালী জনগোষ্টি। এরা খৃষ্ট পূর্ব ২০০০ থেকে ১৫০০ ইরান এবং উত্তর ভারতে বসতি স্থাপন করেছিল।
আর্য ধর্মকে আবার বৈদিক ও অবৈদিক এই দুইটি ধারায় বিভক্ত করা হয়। বৈদিক ধর্মকে হিন্দুবাদ বা ব্রাহ্মণ্যবাদ নামে অবিহিত করা হয়। আর অবৈদিক ধর্মগুলো হলঃ শিখবাদ, বুদ্ধবাদ, জৈনবাদ ইত্যাদি। সবকটি আর্য ধর্মই অপয়গম্বরীয়। জরথুস্ত্রীয় নামে একটি ধর্ম আছে যা অবৈদিক কিন্তু হিন্দুবাদের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়, তারা দাবী করে এটা পয়গম্বরীয় ধর্ম।
অনার্য ধর্মঃ
অনার্য ধর্মসমূহের উৎপত্তি হয়েছে বিভিন্ন ভাবে। কনফুসীয় ও তাও’বাদের উৎপত্তি হয়েছে চীনে। আবার শিন্টু ধর্মের উৎপত্তি হয়েছে জাপানে। এইসব অনার্য ধর্মসমূহে আল্লাহ সম্পর্কিত কোন ধারণার অস্তিত্ব নাই। এইসব ধর্মগুলোকে বড়জোড় কিছু নৈতিক নিয়মাবলীর সমাহার বলা যায়। -
অজানা পথিক ১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২১:৩৮
@দার্শনিক ভাই
এই রুপে আমি মুগ্ধ
@অরণ্য
@নীল ভাই
ধন্যবাদ
অনেক ভালো থাকুন
-
হাসিররাজা১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২০:৪৫
আইজকার জুদ্ধারা ভালই শক্তিশালি, পাচজনের মারামারি জম্বে ভালই।
দেখা জাক কে কার নাক আর দাত নিয়া ঘরে ফিরতে পারে। 

-
হাসিররাজা১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২০:৫৬
এহহেরে, উপ্রের ছবিটা দেহেন, কলমের বদলে তো আমি বর্শা দেখবার লাগছি।
পাচজনে মিল্লা এহন কুপাকুপি লাগবো
-
নিঝুম অরণ্য১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২০:৫৮
আরে ধুর! বেশি বেশি লেখন লাগবো তো, তাই বিশাল সাইজের কলম দিছে দার্শনিক ভাই--
-
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২১:৩৫
রাজা, যুদ্ধের বিরতি।
কলম বর্শার বা তলোয়ারের চেয়েও শক্তিশালী। কোন সন্দেহ আছে?
শুভ কামনা। -
বইরাগি১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২০:৫৪
নিঝুম অরণ্যের সাথে আমি একমত । সকল ধর্মের অন্ত কথাই হচ্ছে মানবতা ।ধর্ম আর মানবতা পরস্পরের পরিপূরক । এটাই সত্যি । -
শাহিদুল হক১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২১:০৬
এ অনুষ্ঠানের সম্মানিত আয়োজক এব অতিথিগণকে স্বাগত ও সম্মান জ্ঞাপন করছি। তাদের জন্য রইল শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।
প্রশ্ন :
১) ধর্ম থেকে রাজনীতিকে আলাদা করলে সেখানে রাজনীতির ধর্ম কী হবে ?
২) মানবতা বলতে কী বুঝবো ? মানবতা কি আপেক্ষিক নাকি ধর্মাশ্রয়ী ?
৩) ব্লগে আড্ডাকে কিভাবে দেখছেন ?
৪) সাহিত্যের নামে নোংরামী বলতে কি বুঝানো হয়েছে ? সাহিত্য অর্থ যদি শিল্প-সংস্কৃতি হয়ে থাকে তবে সেখানে নোংরামী কোথায় ?
৫) জীবন দর্শনে নারী-পুরুষের মুক্ত অবস্থান সম্পর্কে কিছু বলবেন কি ? -
নিঝুম অরণ্য১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২১:২৮
আস্সালামু আলাইকুম শাহিদুল ভাই। আশা করি ভালো আছেন।
অনেকগুলো প্রশ্ন আর অনেক গুলি উত্তর-- শুরু করে দেই তাহলে --
১) ধর্ম থেকে রাজনীতিকে আলাদা করলে সেখানে রাজনীতির ধর্ম কী হবে ?
.:: আমরা যদি ধর্ম থেকে রাজনীতি আলাদা করে সরিয়ে নিতে চাই তাহলে তো রাজনীতির ক্ষতি হবার কথা নয়। কারণ ধর্মের উপর ভিত্তি করে তো আর রাওনীতি চলছে না। কিন্তু যদি সদিচ্ছা থাকে এবং সেই রকম আক্ষরিক অর্থেই সুযোগ হয় তাহলে কখনো কখনো ধর্ম প্রচারের জন্য রাজনীতি করা যেতে পারে, তবে সেখানে ব্যক্তিগত স্বার্থ অনুপস্থিত থাকাটা বাঞ্চনীয় হবে।
২) মানবতা বলতে কী বুঝবো ? মানবতা কি আপেক্ষিক নাকি ধর্মাশ্রয়ী ?
.:: মানবতা মানে হচ্ছে মানবিক গুণাবলীর পরিপূর্ণ বিকাশ। এটা কেমন করে আপেক্ষিক হতে পারে। কিসের সাপেক্ষেই বা এটা আপেক্ষিক হবে। মানুষ শব্দ থেকে মানবিক শব্দের উৎপত্তি হয়েছে, বিধায় মানবিকতা সব মানুষের ক্ষেত্রেই একই রূপে ধরা দিতে বাধ্য।
এখন আসি এটা ধর্মাশ্রয়ী কিনা। আমি ব্যক্তিগতভাবে একজন মুসলিম, আমার ধর্ম ইসলাম এবং আমি জানি এই ধর্মে মানবিকতা বিকাশের পরিপূর্ণ বিষয়াদি বিদ্যমান আছে। তাই ধর্ম সুষ্ঠুরূপে পালনেই যেখানে মানবতার বিকাশ আমার মধ্যে পরিস্ফুটিত হতে বাধ্য যেখানে আমি অন্য কিছুর চিন্তা কেনই বা করতে যাবো। মানবিকতা ধর্মাশ্রয়ী নয় বরং ধর্ম ও মানবিকতা একই সূত্রে গাঁথা।
৩) ব্লগে আড্ডাকে কিভাবে দেখছেন ?
.:: প্রথম আলো ব্লগে আড্ডা বেশি হয়, এটা সত্য কথা। আড্ডার বিষয়বস্তু যদি খারাপ কিছু না হয় তাতে আমি কোন সমস্যা দেখিনা, কেননা ব্লগাররা এখানে ভাব ধরে বসে থাকতে আসেন না, একটু অবসর কাটাতে আসেন। তার মাঝে যদি একটু খানি আড্ডা হয়ও খারাপ কি?
৪) সাহিত্যের নামে নোংরামী বলতে কি বুঝানো হয়েছে ? সাহিত্য অর্থ যদি শিল্প-সংস্কৃতি হয়ে থাকে তবে সেখানে নোংরামী কোথায় ?
.:: প্রথমেই বলি প্রশ্নটা আমার কাছে ভালো লেগেছে। প্রকৃতপক্ষে সাহিত্যে নোংরামী বলতে আমি বুঝি সাহিত্যকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা। সাহিত্যের কিছু নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য আছে। তার মাঝে সুন্দর একটা অনুভূতির ব্যাপার আছে। সেই অনুভূতিতে আঘাত করে যে সাহিত্য তৈরি করা হয় তাই সাহিত্যে নোংরামী।
সাহিত্যের মধ্যে নোংরামী কোন স্থান নেই, থাকতে পারেও না। একটা দেশের সাহিত্যে সেই দেশের জন্য অনেক বড় সম্পদ। হয়তোবা কেউ বিশ্বাস করবে না, কিন্তু মজার কথা হলো--এই অনুভূতিটা আমার মধ্যে তৈরি হয়েছে তখন আমি মাত্র ক্লাস ফাইভে পড়ি ।
৫) জীবন দর্শনে নারী-পুরুষের মুক্ত অবস্থান সম্পর্কে কিছু বলবেন কি ?
.:: ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে থেকে অবশ্যই নারী-পুরুষ সমভাবে সমতালে কাজ করে যাওয়ার যুক্তিকতা অনেক। শুধু একটা দলের পক্ষে সমাজটাকে টেনে তোলা সম্ভব নয়। -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২১:৫৫
প্রথমেই শাহিদুল ভাইকে অভিনন্দন। তারপর উত্তরঃ
১) ধর্ম থেকে রাজনীতিকে আলাদা করলে সেখানে রাজনীতির ধর্ম কী হবে ?
২) মানবতা বলতে কী বুঝবো ? মানবতা কি আপেক্ষিক নাকি ধর্মাশ্রয়ী ?
৩) ব্লগে আড্ডাকে কিভাবে দেখছেন ?
৪) সাহিত্যের নামে নোংরামী বলতে কি বুঝানো হয়েছে ? সাহিত্য অর্থ যদি শিল্প-সংস্কৃতি হয়ে থাকে তবে সেখানে নোংরামী কোথায় ?
৫) জীবন দর্শনে নারী-পুরুষের মুক্ত অবস্থান সম্পর্কে কিছু বলবেন কি ?
১। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি নয়। ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি হতে পারে। তাই ধর্ম থেকে রাজনীতিকে আলাদা করার প্রয়োজন পরেনা। আবার আলাদাভাবে চিন্তা করলে; রাজনীতির একটি নিজস্ব ধর্ম থাকতে পারে ঐ রাজনৈতিক দলের আদর্শ অনুসারে। আলাদা জনগোষ্টির যেমন আলাদা ধর্ম রয়েছে, ঠিক তেমনি করে আলাদা রাজনৈতিক দলেরও আলাদা আলাদা আদর্শ থাকতে পারে। এখানে এই আদর্শটাই হচ্ছে ঐ রাজনৈতিক দলের ধর্ম।
২। মানুষ তার সামগ্রিক জীবন পরিচালনার জন্য যেসব মৌলিক অধিকারের ওপর একান্ত নির্ভরশীল, যা দ্বারা মানুষ পৃথিবীতে চলতে বা বাঁচতে পারে এবং নিজের প্রতিভা, গুণাবলী ও বৃত্তি প্রকাশের স্বাধীনতাকে ভোগ করতে পারে, তাই হচ্ছে মানবতা। আগে মানবতা পরে ধর্ম। সেই অর্থে মানবতা আপেক্ষিক।
৩। ব্লগে আড্ডার বিরোধী আমি নই, তবে আড্ডা হওয়া উচিৎ বিষয় ভিত্তিক(যেমন এখন আড্ডা চলছে), আজাইড়া ক্যচাল বর্জন করা উচিৎ।
৪। এই বিষয়টি বিতর্কিত। সাহিত্যের নামে নোংরামীর বর্ণনা দিতে গেলে আমার মধ্যেও কিছুটা নোংরামী চলে আসে। তাই আমার দিকে কেউ আঙুল তুলবেনা প্লিজঃ উত্তরটা একটু রঙ করে দেই।
আসলে সাহিত্যের ইলাস্ট্রেশনের নামে যত্রতত্র ন্যাংটো মেয়েমানুষের ছড়াছড়ি। তারপর গপ্পে কবিতায় রগরগে যৌনতার বর্ণনা। "গাঢ়নীল/স্তনতিল/মিডিয়া দেখেছে' এইসব। কারণে অকারণে শুধু মেয়েদের শরীর। স্তন, উরু, গুরুনিতম্ব, এইসব। মনে রাখবেন, এসব স্রেফ পুরুষতন্ত্রের কারসাজি। নারীকে পণ্য বানানোর চক্কর। নইলে পুরুষের দাড়ি আর রোমশ শরীর নিয়ে কোনো লেখা হয়না কেন? খুলে যাওয়া লুঙ্গি আর ধুতির ফাঁকে দেখা যাওয়া ঠ্যাং নিয়ে কোনো মহাকাব্য নেই কেন? "পুরুষ তোমার লিঙ্গ/সুউচ্চ এক শৃঙ্গ' টাইপের কবিতা কেউ কখনও লিখেছে শুনেছেন?
আমি মনে করি শিল্পের মধ্যে অপশিল্পের অনুপ্রবেশ। ইন্টারনেটে যেমন ভাল দিক আছে আমার নোংরামীও আছে। আপনি কোন দিকে যাবেন সেটাতো আপেক্ষিক।
৫। জীবন দর্শনে নারী পুরুষের মূক্ত অবস্থান অন্য কোন ধর্মে সমর্থনযোগ্য হলেও ইসলাম ধর্মে সমর্থনযোগ্য নয়।
মনে হচ্ছে অনেকগুলো কঠিন পশ্নের উত্তর দিলাম। মাথা ঘামিয়ে ছাড়লেন শাহিদুল ভাই।
শুভকামনা সতত। -
শাহিদুল হক১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:২৯
অরণ্য ও নীল ভাই, দুজনের কাছ থেকে অনেক অনেক গঠনমূলক উত্তর পেয়েছি। দুজন দুজনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উত্তর দিয়েছেন। আমার কাছে উত্তরগুলো বেশ ভাল লেগেছে। আমিও আপনাদের সাথে আরো একটু শেয়ার করি ।আমার মনে হয় প্রত্যেকটি বিষয়েরই একটি ধর্ম আছে। আর তা যতক্ষণ স্বীয় ধর্মের উপর থাকে ততক্ষণ টিকে থাকে। ধর্ম হারালে অস্তিত্বও হারায়। আমরা আমাদের ধর্মকে হারাচ্ছি।তাই আমরা সুন্দরতম জীবনের রাস্তা হাতের কাছে রেখেও খুঁজে পাচ্ছি না। মূলত মানবিকতা ও ধর্ম মুদ্রার এপিট ওপিট মাত্র। দুধে যেমন ননি ঠিক তেমনই মানবিকতার সাথে ধর্মের সম্পর্ক। সাহিত্য জীবন ও তার কর্মধারাকে সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। মানুষের জৈবিক চেতনাকেও শিল্পসম্মত করে ফুটিয়ে তুললে তখন আর নোংরা থাকে না। কিন্তু সুন্দর কিছুকেও বর্ণনা দোষে কখনো নোংরামীর মধ্যে পড়তে হয়। আজকের আলোচ্য বিষয়গুলো খুবই ভাল। আমাদের জীবন গঠনে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলে মনে করছি। আলোচনা চলুক। আমি আপনাদের জন্য অনেক অনেক শুভাশিষ ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সাথে রইল ফুলেল শুভেচ্ছা । ভাল থাকুন।
-
শাহিদুল হক১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:৩১
পুনশ্চ :
ওয়াআলাইকুম আসসালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহী ওয়া বারাকাতুহ ওয়া মাগফেরাহ। -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:৩৮
একেবারে সত্যি কথাগুলো বললেন শাহিদুল ভাই। আমি আপনার সাথে একমত।
আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের সাথে থাকার জন্য। -
নিঝুম অরণ্য১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৩:৪৫
অনেক ধন্যবাদ শাহিদুল ভাই। আপনার সাথে সহমত পোষণ করতে দ্বিধা থাকার কথা নয়। -
বইরাগি১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২১:০৮
আজকের ঘূণে ধরা সমাজের মূলে কুঠারাঘাত করতে বা বদলাতে চাইলে ভেতরের সুপ্ত মানবতা বোধ কে বের করে আনতে হবে । -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২২:০০
আসলে ব্যাপারটি আপেক্ষিক। নোংরামী কোথায় কি সেটা বিবেচনা করতে হবে আগে। যেমন নারী-পুরুষের মিলনেও শিল্প আছে। কিন্তু এই শিল্পটাকে যখন টেনে জনসম্মূখে উম্মুক্ত করা হবে তখন সেই শিল্পটাই নোংরামীতে পর্যবশিত হবে। তাই শৈল্পিক ছোঁয়া থাকলেই নোংরামী হবেনা তা কিন্তু নয়। -
সাইফ ভূঁইয়া১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২১:১৫
আজকের ৫ জন অতিথিকে অভিনন্দন। দার্শণিককে ধন্যবাদ। পোষ্টটি স্টিি করার জন্য মডারেটর মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করছি -
সাইফ ভূঁইয়া১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২১:১৫
*ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করতে সবার আগে কি চাই?
*সাহিত্যে যৌনতা/ আদি রসাত্মক বর্ননা কতখানি থাকা উচিত? থাকলে কেন?
*মনুষত্ব/জীবন দর্শন: আদর্শ জীবন দর্শন কি হওয়া উচিত। আপনার আদর্শ ব্যক্তি কে? বাংলাদেশের আর্থ সামািক প্রেক্ষাপটে আদর্শবান হতে যে বাধাগুলো আসে তা নিরসনে নাগরিকের কি ভূমিকা রেখে আদর্শবান হতে হবে?
*ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করতে সবার আগে কি চাই? -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২২:১১
*ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করতে সবার আগে কি চাই?
*সাহিত্যে যৌনতা/ আদি রসাত্মক বর্ননা কতখানি থাকা উচিত? থাকলে কেন?
*মনুষত্ব/জীবন দর্শন: আদর্শ জীবন দর্শন কি হওয়া উচিত। আপনার আদর্শ ব্যক্তি কে? বাংলাদেশের আর্থ সামািক প্রেক্ষাপটে আদর্শবান হতে যে বাধাগুলো আসে তা নিরসনে নাগরিকের কি ভূমিকা রেখে আদর্শবান হতে হবে?
*ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করতে সবার আগে কি চাই?
** ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করতে হলে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলির ধর্ম ঠিক করতে হবে আগে।
** আদি রসাত্মক বর্ণনা মানেই কি আদিম খেলা বা যৌনতা? কেন? যৌনতা ছাড়া কি রসাত্মক সম্ভব নয়? আসলে সাহিত্যে যৌনতার আগমন পুরুষতান্ত্রিক সমাজের একটি নোংরা খেলা। এই বিষয়ে উপরে শাহিদুল হক ভাইয়ের এখানে কিছুটা লিখেছি। অনুগ্রহ করে দেখে নেবেন।
** এই প্রশ্নটির উত্তর এত স্বল্প পরিসরে দেওয়া সম্ভবপর নয় মনে করছি। আমার মতে ইসলামী জীবন দর্শন আদর্শ জীবন দর্শন হওয়া উচিৎ যেহেতু আমি একজন মুসলিম আবার অন্য ধর্মের কেউ অন্য ধর্মের দর্শনের কথাই বলবেন। সঙ্গত কারণেই হযরত মুহম্মদ (সাঃ) আমার চোখে আদর্শ ব্যাক্তি। প্রতিটি মানুষের মধ্যে প্রকৃত মানুষ্যবোধ জাগ্রত হলেই সামাজিক প্রেক্ষাপটে সবাই আদর্শবান হয়ে যাবে।
শুভকামনা সাইফ ভাই। -
নিঝুম অরণ্য১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২২:২১
*ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করতে সবার আগে কি চাই?
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটা আমি সম্ভব বলে মনে করছি না, তাই দুঃখিত যে উত্তর দিতে আমি ব্যর্থ।
*সাহিত্যে যৌনতা/ আদি রসাত্মক বর্ননা কতখানি থাকা উচিত? থাকলে কেন?
জীবনের সাথে সাহিত্যের সামঞ্জস্য ঠিক রাখতে যতটুকু রাখা প্রয়োজন ততটুকু। তা নাহলে, সাহিত্যকে জীবন থেকে সম্পূর্ণ রূপে ভিন্ন বলে মনে হবে। সাহিত্য কিন্তু জীবনেরই একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ।
*মনুষত্ব/জীবন দর্শন: আদর্শ জীবন দর্শন কি হওয়া উচিত। আপনার আদর্শ ব্যক্তি কে? বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে আদর্শবান হতে যে বাধাগুলো আসে তা নিরসনে নাগরিকের কি ভূমিকা রেখে আদর্শবান হতে হবে?
বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে জীবন দর্শন কিন্তু সম্পূর্ণ দুনিয়ার সাথে মিলতে নাও পারে। বাংলাদেশের সাপেক্ষে জীবন দর্শন বলতে বললে আমি বলবো যে, নিজেকে ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত রেখে আত্মনির্ভরশীল হতে পারাটাও আমাদের জন্য অনেক বড় কিছু।
সত্যি বলতে আমার আদর্শ হচ্ছে আমার রসূল (সাঃ)। জানি না এটা কে কীভাবে নেবেন।
আর ঐ যে বললাম, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আদর্শ বলতে প্রথমেই আত্মনির্ভরশীল হওয়া প্রয়োজন। আত্মনির্ভরশীল হওয়াটাই তো এই দেশে অনেক কঠিন। এটা নিরসনে স্ব-উদ্যোগী এবং আত্মপ্রত্যয়ী হওয়া ব্যতীত অন্য কোন উপায় আমার জানা নেই। -
নিঝুম অরণ্য১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২২:০৪
কেবলমাত্র বর্তমান নয়, সকল সময়ের জন্যই ধর্মের প্রয়োজন আছে।
একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে যার কোন ধর্ম নেই সে তো অবশ্যই ছন্নছাড়া। কেননা মানুষ মাত্রই সমাজবদ্ধ জীব। এদের অনন্য একটা বৈশিষ্ট্য হলো এরা একই সাথে ত্থেকে কিছু করতে পছন্দ করে বা বলতে গেলে করতে হয়।
ধর্মীয়ভাবেই একজন তার অভ্যন্তরীন,বাহ্যিক এবং মানবিক ব্যাপারগুলো শিখতে পারে, সেটা ত্যাগ করলে কেমন করে হবে? -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২২:১৪
১। বর্তমান যুগে কি ধর্মের প্রয়োজন আছে বলে আপনারা মনে করেন?
** মানুষের প্রয়োজনেই ধর্মের আগমন। তাই যতদিন মানুষ থাকবে, ততদিনই ধর্মের প্রয়োজন।
ধন্যবাদ। -
নিঝুম অরণ্য১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২২:০৮
কবিতায় অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করা উদ্দেশ্যমূলক কিনা জানি না, তবে এটা একেবারেই কিন্তু আধুনিক নয়। আমি নাম উল্লেখ করতে চাচ্ছি না কিন্তু আমাদের পরিচিত বিখ্যাত কিছু কবিরাই কিন্তু কবিতাতে বিকৃত শব্দ ব্যবহার করেছেন হরদম। এটা এই পথে নতুন কবিদের অগ্রসর হতে অনুপ্রেরণা দান করেছেন।
আর এখন তো তরূণ বয়সী কবিরা এটাকে কোন ব্যাপারই মনে করছে না। কিন্তু সত্যি বলতে এই চর্চা সুন্দর সাহিত্য চর্চার অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে। -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২২:১৬
২। আজকাল কবিতায় খুব অশ্লীল কথা ব্যবহার হয়। এব্যাপারে আপনাদের মতামত কি?
এই প্রশ্নের উত্তরটি শাহিদুল হক ভাইয়ের প্রশ্নের উত্তরেই আশা করি পেয়ে যাবেন। -
নির্ঝর নাসির১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২২:৫৫
আপনাদের কাছে ব্লগিং এর তাৎপয' কি?
বত'মান সময়ে ব্লগের লেখার মান আপনাদের কাছে কেমন মনে হয় বিশেষ করে প্রথম আলো ?
প্রথম আলো ব্লগে কার লেখনী আপনাদের উৎসাহিত করে? -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:১০
আপনাদের কাছে ব্লগিং এর তাৎপয' কি?
ব্লগিং এর তাৎপর্যটা দার্শনিক ভাই ই আমার দৃষ্টিতে ভাল বর্ণনা দিয়েছেন তার এই পোষ্টের স্টাটিং এ-
“ব্লগ কি শুধুই কবিতা, গল্প আর আড্ডা দেওয়ার জায়গা? নাকি সাহিত্যের পাশাপাশি দেশ, রাজনীতি, ধর্ম, কুসংস্কার ও আরও বিভিন্ন ব্যাপারের আলোচনা ক্ষেত্র। ব্লগিং শুধু অবসর সময় কাটানো নয়, ব্লগিংয়ের মাধ্যমে আমরা দেশ ও সমাজকে দিতে পারি অনেক কিছু। আলোচনার মাধ্যমে আমরা যেমন অন্যের কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে পারি তেমনি অন্যদের অনেক কিছু জানাতেও পারি। প্রতিবাদ করতে পারি, জনমত গঠন করতে পারি….ইত্যাদি ইত্যাদি।”
আমিও এইরকমই বলতে চাই।
বত'মান সময়ে ব্লগের লেখার মান আপনাদের কাছে কেমন মনে হয় বিশেষ করে প্রথম আলো ?
ভাল লাগে বিধায়ইতো এই ব্লগে আছি। তবে আরো ভাল হওয়া উচিৎ।
প্রথম আলো ব্লগে কার লেখনী আপনাদের উৎসাহিত করে?
অনেকেই আছেন, তবে এইখানে প্রকাশ করতে চাইনা।
শুভকামনা। -
নিঝুম অরণ্য১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৩:৪১
আপনাদের কাছে ব্লগিং এর তাৎপয' কি?
বত'মান সময়ে ব্লগের লেখার মান আপনাদের কাছে কেমন মনে হয় বিশেষ করে প্রথম আলো ?
প্রথম আলো ব্লগে কার লেখনী আপনাদের উৎসাহিত করে?
আপনাদের কাছে ব্লগিং এর তাৎপয' কি?
ব্লগিং এর তাৎপর্য বিস্তৃত। কেননা, শুধু গল্প করার জন্য কেউ কিন্তু ব্লগিং করে না। মূলত এখানে হয়ো কেউ তাদের মনের কথা বলতে আসে, কেউ তাদের সাহিত্য চর্চার জন্য আসে। কেউবা তার বিভিন্ন বিষয়ের জ্ঞান আমাদের সাথে শেয়ার করতে আসে যা কিনা আমাদের কাছে অজানা। একই রকমভাবে আমরা অনেক ভালো সাহিত্যের সংস্পর্শে যেমন আসতে পারছি এই ব্লগিং এর কারণে, একই রকম ভাবে সারা বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, ঘটনাপ্রবাহ , জীবনযাত্রা ইত্যাদি নিয়ে মুক্ত আলোচনা ও করতে পারছি এই ব্লগিং এর কারণেই। যা এক কথায় অসাধারণ!
বত'মান সময়ে ব্লগের লেখার মান আপনাদের কাছে কেমন মনে হয় বিশেষ করে প্রথম আলো ?
ভালো। তবে প্রথম আলো ব্লগের কথা বললে আমি বলবো এটা তো আমার প্রাণের ব্লগ, কিন্তু এই ব্লগে আরো ভালো লেখা আমি আশা করি।
প্রথম আলো ব্লগে কার লেখনী আপনাদের উৎসাহিত করে?
আছে অনেকেই। দু'য়েক জনের নাম এভাবে প্রকাশ করতে চাচ্ছি না।
ধন্যবাদ আপনাকে। -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:১৫
মানুষের জীবন দর্শন কি হওয়া উচিত?
সংসার, সমাজ, রাষ্ট্র মানুষকে শান্তি দিতে পারলেও প্রশান্তি দিতে পারে না। একমাত্র ধর্মের কাছ থেকেই মানুষ প্রশান্তি লাভ করে। মানুষের এই প্রশান্তির ভিত্তি বিশ্বাস। ঐশ্বরিক শক্তিতে আত্মনিবেদনের মাধ্যমে মানুষ যে আত্মিক প্রশান্তি লাভ করে, অন্য কোনো কিছু থেকে তা পাওয়া অসম্ভব। এখানেই ধর্মের সফলতা। এ প্রশান্তিই একজন ধার্মিকের জীবনের বড় প্রাপ্তি। আর সত্যিকারের ধার্মিক সেই ব্যক্তি, যার কাছে মানবধর্ম থাকে সর্বদা অক্ষুণ্ন।
আর পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। তাই একজন মুসলিম হিসাবে বলতে গেলে বলতে হয়ে; মানুষের জীবন দর্শন ইসলামী দর্শনের আদলে হওয়া উচিৎ।
শুভ কামনা। -
নিঝুম অরণ্য১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৩:৪৮
আমার প্রশ্ন হচ্ছে -মানুষের জীবন দর্শন কি হওয়া উচিত?
এই প্রশ্নের উত্তর তীর্যক নীল ভাইয়াই চমৎকার দিয়েছেন। আমার উত্তর এর ব্যতিক্রম কিছু হবে না। -
মোত্তালিব দরবারী১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:০৮
মোতাহের হোসেন চৌধরী বলেছেন-"ধর্ম সাধারণ লোকের কালচার, আর কালচার শিক্ষিত, মার্জিত লোকের ধর্ম।"
আপনারা একটু আলোচানা করলে উপকৃত হব। -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:২৯
মোতাহের হোসেন চৌধরী বলেছেন-"ধর্ম সাধারণ লোকের কালচার, আর কালচার শিক্ষিত, মার্জিত লোকের ধর্ম।"
আপনারা একটু আলোচানা করলে উপকৃত হব।
যেখানে মোতাহার হোসেনের মতো বিজ্ঞলোক এই মতাদর্শ দিয়ে গেছেন, সেখানে আমাদের মতো লোকের সাধ্যকি কাটাছেড়া করার?
তবে এইখানে আমি এইটুকু বলতে চাই শিক্ষিত, মার্জিত বললে যা বুঝায়, তা আপেক্ষিক। এইখানে আমি পরিবর্তে জ্ঞানীদের ধর্ম বলতে চাই
কারণ পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহতালা’তো বলেছেন- এই ঐশী বানী জ্ঞানীদের জন্য নিদর্শন স্বরূপ।
ঠিক কোন আয়াতটিতে বলা হয়েছে, এই মহুর্তে মনে করতে পারছিনা। মনে পড়লে উল্লেখ করব ইনশাল্লাহ। -
নিঝুম অরণ্য১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৩:৫৭
মোতাহের হোসেন চৌধরী বলেছেন-"ধর্ম সাধারণ লোকের কালচার, আর কালচার শিক্ষিত, মার্জিত লোকের ধর্ম।"
আপনারা একটু আলোচানা করলে উপকৃত হব।
মোতাহের হোসেন চৌধুরীর মত বিজ্ঞ লোকের কথার ডিসেকশন করা আমার মত নগণ্য একটা মানুষের পক্ষে মোটামুটি বেশ কষ্টদায়ক বলা যেতে পারে।
কালচার বলতে এখানে তিনি কি অর্থ ব্যবহার করেছেন তা আমার জানা নেই। কিন্তু ধর্মকে কেবলই সাধারণ লোকের কালচার বলে দিয়ে ধর্মের কাজটুকু শেষ করে দেওয়া আসলে সম্ভব বলে আমি মনে করি না। কারণ ধর্ম আমার মতে একটা পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হওয়ার কথা। যদি আমি ইসলামের আলোকে বিচার-বিশ্লেষণ করতে চাই। আর একজন মণিষীর কথার উপরে অবশ্যই আমাকে আমার স্রষ্টার কথাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
উনার দ্বিতীয় কথাটি হচ্ছে- আর কালচার শিক্ষিত, মার্জিত লোকের ধর্ম
এখানে মনে হয় তিনি ধর্ম বলতে বৈশিষ্ট্যের কথাই উল্লেখ করেছেন। কারণ কালচারকে কেউ নিশ্চয়ই একমাত্র অবলম্বন করে নিবে না, আপনি কি বলেন? -
শাহিদুল হক১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:৩৯
আলোচনা খুব উপভোগ্য হচ্ছে। বাকী অতিথিদের আলোচনায় অংশ নেয়ার জন্যও অনুরোধ করছি। তাহলে বেশ জমে উঠবে। আজকে এই আলোচনায় থাকার জন্যই কোন পোস্টই দিই নি। এই পর্বটা আরো জনপ্রিয় হবে এটাই প্রত্যাশা । সকলের জন্যই শুভ কামনা ।
-
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:৪৬
শাহিদুল ভাই এই ত্যাগের জন্য ধন্যবাদ দিলেও খাট হয়ে যাবেন মনে করছি।
শুধু


কাল আবার কথা বলব ইনশাল্লাহ্।
আস সালামু আলাইকুম। -
নিঝুম অরণ্য১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৩:৫৮
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ অনেকটা সময় জুড়ে আমাদের সাথে থাকার জন্য, এবং এই আলোচনায় অংশ নেবার জন্য।
ভালো থাকবেন। -
তীর্যক নীল১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:৪৩
আর মনে হয় কেউ জেগে নাই। কি আর করা! আজ এ পর্যন্তই।
কাল আবার কথা হবে ইনশাল্লাহ্।
শুভ রাত্রি। -
মোত্তালিব দরবারী১৫ জানুয়ারি ২০১২, ২৩:৫৮
শাহিদুল ভাই সবাই মনে হয় চলে গেছে।
তো কি আর করা কালকের জন্য আরেকটি প্রশ্ন রেখে যাই।
ঠিক প্রশ্ন নয় এ বিষয়ে একটু আলোচার আবেদন রইল-ধর্ম ও মানবতা
ধর্মের সাথে মানবতার সম্পর্ক আসলে কতটু?
ধর্মীয় বিধান বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মানবতার মূল্যায়ণ কিভাবে এবং কতটুকু করা সম্ভব? -
তীর্যক নীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১০:২৯
ঠিক প্রশ্ন নয় এ বিষয়ে একটু আলোচার আবেদন রইল-ধর্ম ও মানবতা
ধর্মের সাথে মানবতার সম্পর্ক আসলে কতটু?
ধর্মীয় বিধান বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মানবতার মূল্যায়ণ কিভাবে এবং কতটুকু করা সম্ভব?
দরবারী, যেহেতু আমি একজন মুসলিম, সেহেতু আমি ধর্ম ও মানবতা সম্পর্কে সংক্ষেপে একটু বলি, কারণ এই ক্ষুদ্র পরিসরে এর ব্যাপক আলোচনা সম্ভব নয়।
ইসলাম মানবতার ধর্ম, হযরত মোহাম্মদ (সা.) মানবতার প্রকৃত বন্ধু, আল-কোরআনই মানবতার একমাত্র মুক্তির সনদ। ইসলাম ও সন্ত্রাস শব্দ দুটি ভাবার্থের দিক থেকে পারস্পরিক সাংঘর্ষিক। ইসলামে সন্ত্রাসের কোনো স্থান তো নেই বরং ইসলামের আবির্ভাবই ঘটেছে সব ধরনের সন্ত্রাস, রাহাজানি, মারামারি, কাটাকাটি, জুলুম-নির্যাতন, এক কথায় যাকে আরবিতে ফিতনা বলা হয় তা সমাজ থেকে সমুলে উচ্ছেদ করার জন্য। ইসলাম সমাজ ও সভ্যতার স্হিতিশীলতা এনে মানুষের অধিকারকে সুনিশ্চিত করতে চায়।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
‘আর তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যাও যতক্ষণ পর্যন্ত না ফিৎনা সম্পুর্ণভাবে মিটে যায় এবং একমাত্র আল্লাহর দেয়া জীবন ব্যবস্হা অবশিষ্ট থাকে।’ (সুরা-বাকারাহঃ ১৯৩)
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে সকল মানুষকেই ভালোবাসেন।
পবিত্র কোরআনে তিনি বলেছেন,
হে! মানবজাতি, তোমরা তোমাদের প্রভুর (নির্দেশ মেনে চলার মাধ্যমে) তাকওয়া অবলম্বন কর, যিনি তোমাদের একই ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তার স্ত্রীকে সৃষ্টি করেছেন আর তাদের থেকেই বহু নর ও নারী বিস্তৃত করেছেন। (৪:১)।
ইসলামের মূল উৎস আল-কোরআনের উল্লেখিত আয়াতের মাধ্যমেই ইসলামি দর্শনে বিশ্বমানবতার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। সৃষ্টি-জগতে মানবজাতি একটি জাতি। এই মানবজাতির মধ্যে বিরাজ করবে প্রেম-প্রীতি ও ভালোবাসা।
সাম্প্রদায়িকতা নয় বরং সম্প্রীতি। ঘৃণা, নিন্দা, হিংসা, প্রতিহিংসা বা পশুত্ব নয় বরং মানবতা। মানবপ্রেম তথা সৃষ্টি প্রেমের মাধ্যমেই লাভ করা যায় মানবজীবনের কাঙিক্ষত লক্ষ্য, মহান স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রেম। আর এটাই শিক্ষা দিয়েছেন মহানবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর নবুয়তের ২৩ বছর তথা পার্থিব জগতের ৬৩ বছরের জীবনে।
ইসলামী দর্শনানুযায়ী মানুষে মানুষে কোন ভেদাভেদ নেই। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের অন্যতম সালাতেই সে মানবতাবোধ, একতা, সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্বের শিক্ষা দেয়া হয়। যে সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকার থেকে মানুষ বঞ্চিত হয়, সে সমাজেই দেখা দেয় অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা, অন্যায় ও অবিচার।
যে মানুষরূপী মানুষের কাছে মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্ভ্রমের নিরাপত্তাহীনতা বোধ হয়, তাকে কি মানুষ বলা যায়? সবচেয়ে কষ্ট ও যন্ত্রণাদায়ক হলো মানুষ ধর্মের বৈপরীত্যের কারণে অমানুষিক, পশুসুলভ ও বর্বর আচরণ করছে। অথচ পৃথিবীর সব ধর্মই তো মনুষ্যত্ব শেখায়। শান্তির কথা বলে এবং মানবতার বাণী শোনায়। আমাদের সমাজে তথা বিশ্বসমাজে সবাই নিজ নিজ ধর্ম পালন করলে মানবসমাজে অশান্তি থাকতে পারে না। কারণ সকল ধর্মই ভালো কাজ করা, মন্দ পরিহার করা এক কথায় মানবতার শিক্ষা দেয়।
মানবতাবোধ, মানবপ্রেম সৃষ্টি তথা সৃষ্টি-প্রেমের মাধ্যামেই স্রষ্টাপ্রেম অর্জন করা যায়। ইসলামে মানবতার শিক্ষা হলো সংঘাত নয় সমঝোতা, সাম্প্রদায়িকতা নয় সহমর্মিতা, যুদ্ধ নয় শান্তি, পরনিন্দা নয় আত্মসমালোচনা, কুৎসা নয় আত্মশুদ্ধি, অহঙ্কার নয় বিনম্রতা, শত্রুতা নয় বন্ধুত্ব, পরশ্রীকাতরতা নয় ভ্রাতৃত্ব, জবরদস্তি নয় ন্যায় পরায়নতা, অমঙ্গল কামনা নয় সমবেদনা, ক্ষতিসাধন নয় কল্যাণ কামনা এবং হিংস্রতা ও পশুত্ব নয় সদাচরণ ও মানবতা। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে মানবতাবোধে উদ্ভাসিত হয়ে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক সুখ ও শান্তি লাভ করার শক্তি দান করুন। -
তীর্যক নীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১০:৪০
দরবারী আমি একজন মুসলিম বিধায় আলোচনাটুকু লিখলাম ইসলামের আলোকে।
শুভকামনা সতত। -
নিঝুম অরণ্য১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৪:০২
ধন্যবাদ তীর্যক নীল ভাই, বিস্তারিত আলোচনা প্রদানের জন্য। আমার মনে হয় এরপরও আরো কিছু বলার থাকতে পারে। এই কথাগুলোই হয়তো বা আবার উঠে আসবে। -
মোত্তালিব দরবারী১৬ জানুয়ারি ২০১২, ২১:৫৮
৪। ধর্মান্ধ এবং ধর্মীয় উগ্রবাদী এই দুই বিশেষ শ্রেণীর কারণে পৃথিবীতে যুগে যুগে বিনষ্ট হয়েছে মানুষের শান্তি। মানুষে মানুষে হয়েছে রক্তপাত, হানাহানি। আর তাতে ব্যাহত হয়েছে ধর্মের মূল উদ্দেশ্য। এসব কারণেই ধর্ম সম্পর্কে আবার অনেকেই নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করে থাকেন। তাঁদের এই মনোভাব পোষণের কারণ, মানুষ যখন কোনো একটি বিশেষ ধর্মের অনুশীলন করে তখন স্বীয় ধর্ম ছাড়া আর বাকি সব ধর্মের প্রতি তাঁর মনে নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয়। মানুষের মনে এ ধারণার সৃষ্টি হয়, সে যে ধর্ম পালন করছে শুধু সেই ধর্মই সত্য; আর বাকি সব ধর্ম মিথ্যা। এই মনোভাব শুধু তাঁর অন্য ধর্মের প্রতি তৈরি হয় না তৈরি হয় অন্য ধর্মাবলম্বী ব্যক্তি মানুষের প্রতিও। এমন অনুভূতি যখন একজন মানুষের মধ্যে কাজ করে, তখন একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে 'মানুষ' হিসেবে বিবেচনা করে না। অপর মানুষকে সে তখন দেখে তাঁর ধর্মের চোখে বিধর্মী হিসেবে। স্বধর্মী না হওয়ার কারণে একজন মানুষ তখন আরেকজন মানুষের কাছে মানুষ থাকে না। এ অবস্থায় ধর্মের কাছে পরাজয় ঘটে, চিরন্তন মানব ধর্মের।
@তীর্যক নীল-উপরের উত্তর ভূতের আছরের প্রশ্নে দেওয়া হয়েছে। আমি আমার প্রশ্নে ঠিক এরকম উত্তর আশা করেছিলাম। এখানে যা বলেছেন তার অর্থ হলো একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তির নিকট অন্যধর্মের লোকের জন্য মানবতা প্রযোজ্য নয়। আর তাই ধর্ম মানবতা অনুমোদন করে সীমিত। -
আহসান হাবিব আকন্দ১৬ জানুয়ারি ২০১২, ০১:১৭
ধর্ম এর আবিধানিক অর্থ হলো স্বভাব, রীতি, কর্তব্য কর্ম........
প্রথমত- মানুষের ভালো স্বভাব
দ্বিতীয়ত- কর্মরীতি
তৃতীয়ত -কর্তব্য কর্ম
আমার প্রশ্ন......
এই তিন বিষয় বস্তু সহ মানবতার নীতি সমাজে ঠিক থাকলে বিভিন্ন ধর্মের প্রয়োজন কি ???? -
তীর্যক নীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১০:৩৩
ধর্ম এর আবিধানিক অর্থ হলো স্বভাব, রীতি, কর্তব্য কর্ম........
প্রথমত- মানুষের ভালো স্বভাব
দ্বিতীয়ত- কর্মরীতি
তৃতীয়ত -কর্তব্য কর্ম
আমার প্রশ্ন......
এই তিন বিষয় বস্তু সহ মানবতার নীতি সমাজে ঠিক থাকলে বিভিন্ন ধর্মের প্রয়োজন কি ???
ধর্মের ইতিহাস মানবজাতির ইতিহাসের সমান পুরনো। মানুষ সৃষ্টি করে পৃথিবীতে পাঠানোর সময় সৃষ্টিকর্তা মানুষকে বলে দিয়েছিলেন তাঁর চলার পথ। সেই চলার পথ হলো পৃথিবীতে মানুষের জীবনাচারের পদ্ধতি। মানুষ যেহেতু সামাজিক জীব সেহেতু মানুষের সামাজিক জীবনের দায়িত্ব, যাবতীয় দিক ও বিষয়ের নির্দেশনা দিয়ে সৃষ্টিকর্তা মানুষকে পৃথিবীতে পাঠান। সৃষ্টিকর্তার এই দিকনির্দেশনার সমষ্টিই হলো ধর্ম।
সৃষ্টিকর্তার এই দিকনির্দেশনা মতো জীবনযাপনের অর্থই হলো ধর্ম পালন। একথার পর অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, পৃথিবীব্যাপী মানুষের সামাজিক জীবনযাপন পদ্ধতিতো মোটামুটি একই রকম। তাহলে মানুষের ধর্মীয় রীতিতে এত ভিন্নতা কেন? এ প্রশ্নের উত্তরে বলা যেতে পারে, মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে মানুষের বিশ্বাসে পরিবর্তন ঘটেছে। সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে মানুষের বিশ্বাসের এই পরিবর্তনের কারণে পরিবর্তন এসেছে মানুষের ধর্মীয় রীতিতেও। প্রকৃতপক্ষে, জন্মের সময় সৃষ্টিকর্তা নির্ধারিত স্বাভাবিক ধর্মের উপরই মানুষ জন্মগ্রহণ করে। পরে পৃথিবীতে এসে পরিবার-পরিবেশের কাছে দেখে শেখার সঙ্গে সঙ্গে ধর্ম সম্পর্কে তাঁর বিশ্বাস বদ্ধমূল হয়। তৈরি হয় তাঁর ধর্মবিশ্বাস। যে মানুষ যে ধরনের পরিবার-পরিবেশে বড় হয়, সেই মানুষের ধর্মবিশ্বাসও গঠিত হয় সেই আদলে। তবে এর ব্যতিক্রমও হতে পারে। ধার্মিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করে কিংবা ধার্মিক পরিবেশের মধ্যে বেড়ে উঠে অনেকেই ধর্মকর্ম পালন করে না। আবার অনেক মানুষ আছে যাদের অবস্থা এর পুরোপুরি উল্টো। ধর্ম বিশ্বাসের বিষয়। তাই মানুষের কাছে ধর্মের অবস্থান থাকে যুক্তিতর্কের ঊর্ধ্বে।
তবে এসব বিতর্কের বাইরে গিয়ে বলা যায়, মানুষের জন্য ধর্মের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সংসার, সমাজ, রাষ্ট্র মানুষকে শান্তি দিতে পারলেও প্রশান্তি দিতে পারে না। একমাত্র ধর্মের কাছ থেকেই মানুষ প্রশান্তি লাভ করে। মানুষের এই প্রশান্তির ভিত্তি বিশ্বাস। ঐশ্বরিক শক্তিতে আত্মনিবেদনের মাধ্যমে মানুষ যে আত্মিক প্রশান্তি লাভ করে, অন্য কোনো কিছু থেকে তা পাওয়া অসম্ভব। এখানেই ধর্মের সফলতা। এ প্রশান্তিই একজন ধার্মিকের জীবনের বড় প্রাপ্তি। আর সত্যিকারের ধার্মিক সেই ব্যক্তি, যার কাছে মানবধর্ম থাকে সর্বদা অক্ষুণ্ন।
ভাল থাকবেন সবসময়। -
নিঝুম অরণ্য১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৩:২৬
ধর্ম এর আবিধানিক অর্থ হলো স্বভাব, রীতি, কর্তব্য কর্ম........
প্রথমত- মানুষের ভালো স্বভাব
দ্বিতীয়ত- কর্মরীতি
তৃতীয়ত -কর্তব্য কর্ম
আমার প্রশ্ন......
এই তিন বিষয় বস্তু সহ মানবতার নীতি সমাজে ঠিক থাকলে বিভিন্ন ধর্মের প্রয়োজন কি ????
প্রথমেই ধন্যবাদ জানাবো সুন্দর একটা প্রশ্নের জন্য।
ধর্মের আভিধানিক অর্থের সাথে আপনি এর তিনটি সংক্ষিপ্ত মর্মার্থও তুলে ধরেছেন।আচ্ছা, এখন কথা হলো এই তিনটি বিষয় বস্তর উপরই কি সমস্ত জীবনের সফল নির্ভর করে, নাকি করেনা?
কথা হচ্ছে করেনা। আরও অনেক কিছুর প্রয়োজন আছে। মজার কথা হচ্ছে, জীবনে চলার জন্য আমার যেটার বেশি সন্ধান করি সেটা হলো শান্তি/প্রশান্তি।
আর আমাদের ইসলামের অর্থই হলো শান্তি। ইসলাম ধর্মেই একমাত্র একক সত্ত্বার উপাসনার কথা বলা হয়েছে যা অন্য কোন ধর্মে করা হয় নি।
আপনি যদি অনেক গুলো সত্ত্বার নিকট মাথা নত করতে চান তাহলে এমনিতেই আপনার মানসিক প্রশান্তি নষ্ট হবে। অনেকের মন রক্ষার চাইতে একজনের মন রক্ষার ফিকির করা অনেক সহজ এবং উত্তম। এই জন্য আমার মতে ধর্মের প্রয়োজন আছে।
ধর্মের অন্যতম একটা অংশ হলো আধ্যাত্বিক বিশ্বাস। ধর্মের মাধ্যমে আমরা এমন কিছুর উপর বিশ্বাস স্থাপন করি যা কখনোই আমরা চোখে দেখিনি। কিন্তু তা মনে প্রাণে এক ধ্যানে অনায়সে গ্রহন করে নিতে আমরা কার্পণ্য করি না। এখন যখন আমাদের মনের অশান্তি তৈরি হয়, কিংবা কিছু একটা ব্যাপার নিয়ে আমরা দ্বিধাদ্বন্ধে ভুগতে থাকি তখন যদি কেবল একজনের নিকটই আমরা সাহায্য চাই এবং সব-সময়ই বিশ্বাস রাখতে পারি যে তিনিই আমাকে সাহায্য করার জন্য যথেষ্ট- তখন ব্যাপারটা অতুলনীয় হয়ে যায়। তখন যে মানসিক একটা প্রশান্তি আমরা পাই তার কোন তুলনা হয় না, যে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে পরিপূর্ণ আশ্রয় নিতে পেরেছে কেবলই সে ই এর পূর্ণাঙ্গ মর্মার্থ অনুধাবনে সফল হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে। -
তীর্যক নীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১০:৩৮
৩। ব্লগে আড্ডা কেমন হওয়া উচিত?
এ বিষয়টি নিয়ে আমি বহুবার বলেছি-
এখনো বলি, ব্লগে আড্ডার বিরোধী আমি নই, তবে আড্ডা হওয়া উচিৎ বিষয় ভিত্তিক(যেমন এখানে আড্ডা চলছে), আজাইড়া ক্যচাল বর্জন করা উচিৎ। -
নিঝুম অরণ্য১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৩:০৮
ব্লগের আডার ব্যাপারে উপরেও বলেছি যে, ব্লগের আড্ডার মধ্যে যদি খারাপ কোন ব্যাপার তুলে আনা না হয় তাহলে আমি তার বিরোধী নই। গঠন মূলক আড্ডাকে সব সময়ই স্বাগতম। এছাড়া যদি বিনোদনের জন্যও আড্ডা দেওয়া হয় তাকেও আমি খারাপ বলবো না। -
শাহিদুল হক১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১২:০৮
আজ মোটামুটি দুজন অতিথিই ব্লগ আড্ডাটা জমিয়ে রেখেছেন। অন্যান্য অতিথিরা সম্ভবত ব্যস্ত থাকায় যোগ দিতে পারেন নি। তবে নীর্যক নীলের মন্তব্য পড়ে আমি বিষ্মিত হয়েছি। এক কথায় অসাধারণ উপস্থাপনা। সুন্দর যুক্তি। এবং স্বীয় চেতনার উপর দৃঢ় ও মজবুত। একই সাথে নিঝুম অরণ্য ভাইও তুলে ধরেছেন নিজ চেতনার কথা -মনের কথা, যুক্তির কথা। আজকের পর্বে আপনাদের দুজনের বক্তব্য আমি দারুনভাবে উপভোগ করেছি। এইভাবে দৃঢ় চেতনা ধরে রাখার জন্য আমি আপনাদের জন্য আবারো জানাচ্ছি ফুলেল শুভেচ্ছা আর অনেক অনেক ধন্যবাদ । ফৈরা দার্শনিক ভাইয়ের জন্যও শুভ কামনা। আপনার পরিশ্রম আমাকে মুগ্ধ করেছে ।
-
তীর্যক নীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১২:২০
আবারও অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই শাহিদুল ভাইকে এই জন্য যে, আপনি অন্ততঃ সত্যকে সত্য বলতে কার্পণ্য করেননা।
ফুলেল শুভেচ্ছা-
-
নিঝুম অরণ্য১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৩:০৫
ধন্যবাদ শাহিদুল ভাই। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। অন্যদেরও আশা করেছিলাম- যাই হোক হয়ো বা তারা আসলেই ব্যস্ততার কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি। -
বইরাগি১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৪:০৬
অতিথি রা সম্ভবত মৌনব্রত পালন করছেন ।কিংবা এত সাধারন বিষয়ে অংশ গ্রহনে ইচ্ছুক নন । -
জমির উদ্দীন মিলন ১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৮:৩০
অতিথি রা সম্ভবত মৌনব্রত পালন করছেন ।কিংবা এত সাধারন বিষয়ে অংশ গ্রহনে ইচ্ছুক নন ।
বিষয় গুলো মোটেই সাধারণ না !!!আমার সমস্যা হলো আমার পিসি আসুস্থ আইটি সেকশনের ছেলেটা আসার কথা দিয়ে আসেনাই কি করবো এবার বলুন।বন্ধুর বসায় আসলাম এখন।


-
বইরাগি১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৪:৪৩
মানব এর গুণ মানবতা । ধর্ম মানবতার রীতিনীতি । আসুন আমরা মানবতার জয়গান গাই । জাগিয়ে তুলি নিজেকে । আমরা জেগে উঠলেই সমাজ থেকে ইভ টীচিং ,দূর্ণীতি, অরাজকতা দুর হবে । পারবেন না আগামী প্রজন্মকে একটি সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেয়ার আন্দোলন করতে ??? -
তীর্যক নীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৫:০৬
আপনি, আমি, আমরা সবাই যদি সুন্দর, সৃজনশীল মন নিয়ে শুরু করি তাহলে অবশ্যই পারব। পারতেই হবে।
শুভকামনা সতত। -
বইরাগি১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৪:৪৩
মানব এর গুণ মানবতা । ধর্ম মানবতার রীতিনীতি । আসুন আমরা মানবতার জয়গান গাই । জাগিয়ে তুলি নিজেকে । আমরা জেগে উঠলেই সমাজ থেকে ইভ টীচিং ,দূর্ণীতি, অরাজকতা দুর হবে । পারবেন না আগামী প্রজন্মকে একটি সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেয়ার আন্দোলন করতে ??? -
শাহিদুল হক১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৬:৩৪
আজকের সবগুলো বিষয় ছিল চমৎকার। আজ সকলেই উপস্থিৎ থাকলে আরো জমতো বলে মনে করি। তবে দুজন খুব শক্তভাবেই হাল ধরেছেন। সাথেতো ফৈরা ভাই আছেনই। আমরা আছি এবং প্রত্যেকটি মন্তব্য গুরুত্বসহকারে পড়ছি। শুভ কামনা ও শুভেচ্ছা আবারো। -
তীর্যক নীল১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৮:১১
আসলেই ঠিক, সবাই থাকলে এই সুন্দর বিষয়গুলো আরো অনেক উপভোগ্য হয়ে উঠত। জানিনা কেন বাকিরা যোগ দিলেন না।
তাদের জন্য শুভ কামনা। -
জমির উদ্দীন মিলন ১৬ জানুয়ারি ২০১২, ১৮:৪০
তীর্যক নীল ভালোবাসা নিও নিঝুম অরণ্য কে দিও আমি আসতে দেরি কেনো তা পথিক বইরাগি প্রশ্ন উওরে বলেছি দেখে নেবেন প্লিজ।আপনারা তো হাল ধরে আমাদের সম্মান রক্ষা করেছেন। -
আলইমরান ১৮ জানুয়ারি ২০১২, ১৪:১৪
পোস্ট জমিয়ে রাখার জন্য তির্যক নীল এবং নিঝুন কে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমি ছিলাম না রে ভাই, আমার এলাকার ফাইবার কেটে নিয়ে গেছে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী। সে কারনে বিচ্ছিন্ন ছিলাম ৩ দিন। আজ এই মাত্র লাইন পেলাম। এবং প্রথম এই পোস্টে ঢুকলাম।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য






নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক