তরুণ প্রজন্ম কাকে বেছে নেবে ? বাপ-দাদারা তো ভুল করে গেছে ।
মানুষ হিসাবে আমি ততো বড় নই ।রাজনীতি সমন্ধে আমার বড় ধরনের জ্ঞান নেই ।তবে রাজনীতিবিদরা যখন আমার স্বার্থে কিংবা কারো ব্যক্তি স্বার্থে আঘাত হানে তখন সেটা খুব ভালভাবে বুঝি ।বুঝেও আমি নীরব থাকি,মনে মনে বলি এটা বড় ধরনের কোন দুর্নীতি না ।
আমাদের তাহের পুত্র খুনের পর খুন করে চলছে ,এগুলো খুনের মধ্যে পড়ে না । আমাদের শেয়ার বাজার নিয়া আমলারা খেলেছিল ,আমরা খেলা দেখেছি ।মধ্যবিত্ত লোকগুলো কিভাবে গরীব হচ্ছে ,আর নিম্ন বিত্তদের ভিখারী হওয়ার ডিজিটাল খেলা ।পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে যানবাহন চলতে দেখেছি ।নিশ্চয়ই এই আজগুবি খবর শুনে হেসে ফেলবেন । হাসবেন না ? টিভিতে দেখেছি ।
কত বড় বড় টকশো দেখেছি ।শেষ মুহূর্তে টকশো বন্ধ করার কথাও শুনেছি ।টিভির পর্দা অসময়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল,ভাষাগত কিছু ত্রুটির কারনে ।ওদের ঘরে আদর্শ সন্তান না থাকলেও এই বাংলার বুকে অনেক আদর্শ সন্তান আছে,যারা টিভির সামনে বসে ধিক্কার দিয়েছিল । আমার সামনে অনেকেই বলেছিল এই লোকগুলোকে কোন বেটা টিভির পর্দায় নিয়ে আসে ।একজন মন্ত্রী অথবা এমপি হচ্ছেন সমাজের পতাকা ।যাদের আদর্শে মানুষ কিছু শিখবে ,কিন্তু আমরা কী শিখছি ?
সাংবাদিক সাগর-রুনিকে বেডরুমে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখেছি, লোকামানের মত জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতাকে গুলি করে হত্যা তাও আমরা মিডিয়ার কল্যাণে দেখেছি ।আজ আমরা তরুণ প্রজন্ম আহাম্মকের মত তাকিয়ে দেখছি । আসলে বড় মানুষরা তো আমাদের আহাম্মক বলবেনই,কারন আমরা তো তাদের যাঁতাকলে পিশঠ হয়ে গেছি ।আমরা স্বাধীনতার পর কত তরুণ পৃথিবিতে এসেছি ।কত তরুণ সুন্দর স্বপ্ন দেখা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছি ।শুধু আমরা বড়দের সম্মান করি বলে ,তাদের কথা মানি বলে ।তারা কেউ আমাদের আইডল হতে পারেন নি । দেশের বিবেকবান মানুষ হিসাবে ড.ইউনুস , ড. জাফর ইকবাল ,আনিসুল হক উনাদেরকে জানি । আমি মনে করি এই বাংলাদেশকে গড়ার জন্য উনাদের পরামর্শই যথেষ্ট ।এই বিজ্ঞবান মানুষের ছোঁয়া বাংলাদেশে আমরা পেয়েছি তাই আমরা ধন্য ।আমরা আরও ধন্য হতাম যদি আমরা উনাদের কাজের দায়িত্ব দিতে পারতাম ।দায়িত্ব আদায় করে নিতে পারতাম ।
দেশে আমাদের কোন আইন আছে বলে মনে হয় না ।এক কথায় টাকা আছে আইন আপনার পাশে আছে ।যারা আইন আদালতে গিয়ে বিচার পান নি অথবা ঘুষ দিয়ে বিচার আদায় করেছেন তারা অবশ্যই আমার মত অধমের কথা বুঝতে পারবেন ।আমাদের বাংগালির হাহাকার বেড়ে গেছে ।খেলাম নারে,পেলাম নারে । এ জাতির পতন অনিবার্য ।পাগলে নিজের বুঝ বুঝে ,এ জাতি বুঝে না । এ জাতিকে কি কোন ঘুসখোর ,চাঁদাবাজ ,দুর্নীতি আসক্ত কোন রাজনীতিবিদ তাবিজ করেছে । তরুণ প্রজন্মের প্রত্যেকের বিবেকের কাছে আমার প্রশ্ন ?
পরাজয়ে কোন বীর ভয় পায় না ।সত্য কখনো গোপন থাকেনা ।যে জাতির এগিয়ে যাওয়ার সময় এগিয়ে যেতে পারে না ,সে জাতি উন্নতি করবে কবে ?আমাদের দেশকে কারা এগিয়ে নিবেন ? টাকা-পয়সা ওয়ালা নাকি জ্ঞানী-প্রজ্ঞাবানরা ? সবাই । কারন, জ্ঞানির পরামর্শ আর ধনীদের আর্থিক সহযোগিতা নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে ।আজকাল বাঙালি তরুণ প্রজন্মের প্রথম ইচ্চা থাকে ভালভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ,ধনী পরিবার দেখে বিবাহ করা ।গরীব জ্ঞানী লোকের কন্যা সন্তানকে বিয়ে করার জন্য আদর্শ পুরুষ এখনও আমাদের সমাজে আছে । কারন সুখপ্রিয়-ভালবাসার মানুষগুলো এখনও পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায়নি ।ওই প্রজ্ঞাবানরা বুঝে ,অধিক টাকার মাঝে সুখ নাই ।
বাপ-দাদারা তো ভুল করে গেছেন । আমরা ভুল করব না ।অন্তর থেকে আমরা আমাদের জাতীয় পতাকাকে সম্মান করি ।আমার দেশের সালমান খান নামের এক ছেলে ‘খান একডেমির’ মাধ্যমে বিশ্বের ১০ কোটি মানুষকে শিক্ষা দিচ্ছেন ।আমরা নাকি পারি না । আমরা সব করতে পারি ।আমরা কখনো পরাজিত হই নাই , আমাদের জোর করে পরাজিত বানানো হচ্ছে ।পরাজিত শব্দটি আর নয় । আমরা সব শিখেছি,হারতে শিখিনি ।আমাদের দেশের ভবিশ্যৎ আমরা তৈরি করব ।অশুভ শক্তি যেন আমাদের আক্রমণ করতে না পারে আমরা সোচ্ছার থাকব । গণতন্ত্রকে আমরা ভয়ঙ্কর হতে দিব না ।গনতন্ত্রের অর্থ যেন বিধ্বংসী না হয় , গণতন্ত্রের পথটি যেন মসৃণ থাকে আমাদের তরুণের এই প্রত্যাশা ।আমরা এমন এক শক্তি খুজছি যেখানে থাকবেনা হাহাকার ,থাকবেনা কোন দ্বিধা । আমরা তরুণ প্রজন্ম তাকেই বেছে নিব ।
লেখাটি প্রথমে চাঁদপুর নিউজে প্রকাশিত ।
আমাদের তাহের পুত্র খুনের পর খুন করে চলছে ,এগুলো খুনের মধ্যে পড়ে না । আমাদের শেয়ার বাজার নিয়া আমলারা খেলেছিল ,আমরা খেলা দেখেছি ।মধ্যবিত্ত লোকগুলো কিভাবে গরীব হচ্ছে ,আর নিম্ন বিত্তদের ভিখারী হওয়ার ডিজিটাল খেলা ।পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে যানবাহন চলতে দেখেছি ।নিশ্চয়ই এই আজগুবি খবর শুনে হেসে ফেলবেন । হাসবেন না ? টিভিতে দেখেছি ।
কত বড় বড় টকশো দেখেছি ।শেষ মুহূর্তে টকশো বন্ধ করার কথাও শুনেছি ।টিভির পর্দা অসময়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল,ভাষাগত কিছু ত্রুটির কারনে ।ওদের ঘরে আদর্শ সন্তান না থাকলেও এই বাংলার বুকে অনেক আদর্শ সন্তান আছে,যারা টিভির সামনে বসে ধিক্কার দিয়েছিল । আমার সামনে অনেকেই বলেছিল এই লোকগুলোকে কোন বেটা টিভির পর্দায় নিয়ে আসে ।একজন মন্ত্রী অথবা এমপি হচ্ছেন সমাজের পতাকা ।যাদের আদর্শে মানুষ কিছু শিখবে ,কিন্তু আমরা কী শিখছি ?
সাংবাদিক সাগর-রুনিকে বেডরুমে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখেছি, লোকামানের মত জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতাকে গুলি করে হত্যা তাও আমরা মিডিয়ার কল্যাণে দেখেছি ।আজ আমরা তরুণ প্রজন্ম আহাম্মকের মত তাকিয়ে দেখছি । আসলে বড় মানুষরা তো আমাদের আহাম্মক বলবেনই,কারন আমরা তো তাদের যাঁতাকলে পিশঠ হয়ে গেছি ।আমরা স্বাধীনতার পর কত তরুণ পৃথিবিতে এসেছি ।কত তরুণ সুন্দর স্বপ্ন দেখা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছি ।শুধু আমরা বড়দের সম্মান করি বলে ,তাদের কথা মানি বলে ।তারা কেউ আমাদের আইডল হতে পারেন নি । দেশের বিবেকবান মানুষ হিসাবে ড.ইউনুস , ড. জাফর ইকবাল ,আনিসুল হক উনাদেরকে জানি । আমি মনে করি এই বাংলাদেশকে গড়ার জন্য উনাদের পরামর্শই যথেষ্ট ।এই বিজ্ঞবান মানুষের ছোঁয়া বাংলাদেশে আমরা পেয়েছি তাই আমরা ধন্য ।আমরা আরও ধন্য হতাম যদি আমরা উনাদের কাজের দায়িত্ব দিতে পারতাম ।দায়িত্ব আদায় করে নিতে পারতাম ।
দেশে আমাদের কোন আইন আছে বলে মনে হয় না ।এক কথায় টাকা আছে আইন আপনার পাশে আছে ।যারা আইন আদালতে গিয়ে বিচার পান নি অথবা ঘুষ দিয়ে বিচার আদায় করেছেন তারা অবশ্যই আমার মত অধমের কথা বুঝতে পারবেন ।আমাদের বাংগালির হাহাকার বেড়ে গেছে ।খেলাম নারে,পেলাম নারে । এ জাতির পতন অনিবার্য ।পাগলে নিজের বুঝ বুঝে ,এ জাতি বুঝে না । এ জাতিকে কি কোন ঘুসখোর ,চাঁদাবাজ ,দুর্নীতি আসক্ত কোন রাজনীতিবিদ তাবিজ করেছে । তরুণ প্রজন্মের প্রত্যেকের বিবেকের কাছে আমার প্রশ্ন ?
পরাজয়ে কোন বীর ভয় পায় না ।সত্য কখনো গোপন থাকেনা ।যে জাতির এগিয়ে যাওয়ার সময় এগিয়ে যেতে পারে না ,সে জাতি উন্নতি করবে কবে ?আমাদের দেশকে কারা এগিয়ে নিবেন ? টাকা-পয়সা ওয়ালা নাকি জ্ঞানী-প্রজ্ঞাবানরা ? সবাই । কারন, জ্ঞানির পরামর্শ আর ধনীদের আর্থিক সহযোগিতা নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে ।আজকাল বাঙালি তরুণ প্রজন্মের প্রথম ইচ্চা থাকে ভালভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ,ধনী পরিবার দেখে বিবাহ করা ।গরীব জ্ঞানী লোকের কন্যা সন্তানকে বিয়ে করার জন্য আদর্শ পুরুষ এখনও আমাদের সমাজে আছে । কারন সুখপ্রিয়-ভালবাসার মানুষগুলো এখনও পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায়নি ।ওই প্রজ্ঞাবানরা বুঝে ,অধিক টাকার মাঝে সুখ নাই ।
বাপ-দাদারা তো ভুল করে গেছেন । আমরা ভুল করব না ।অন্তর থেকে আমরা আমাদের জাতীয় পতাকাকে সম্মান করি ।আমার দেশের সালমান খান নামের এক ছেলে ‘খান একডেমির’ মাধ্যমে বিশ্বের ১০ কোটি মানুষকে শিক্ষা দিচ্ছেন ।আমরা নাকি পারি না । আমরা সব করতে পারি ।আমরা কখনো পরাজিত হই নাই , আমাদের জোর করে পরাজিত বানানো হচ্ছে ।পরাজিত শব্দটি আর নয় । আমরা সব শিখেছি,হারতে শিখিনি ।আমাদের দেশের ভবিশ্যৎ আমরা তৈরি করব ।অশুভ শক্তি যেন আমাদের আক্রমণ করতে না পারে আমরা সোচ্ছার থাকব । গণতন্ত্রকে আমরা ভয়ঙ্কর হতে দিব না ।গনতন্ত্রের অর্থ যেন বিধ্বংসী না হয় , গণতন্ত্রের পথটি যেন মসৃণ থাকে আমাদের তরুণের এই প্রত্যাশা ।আমরা এমন এক শক্তি খুজছি যেখানে থাকবেনা হাহাকার ,থাকবেনা কোন দ্বিধা । আমরা তরুণ প্রজন্ম তাকেই বেছে নিব ।
লেখাটি প্রথমে চাঁদপুর নিউজে প্রকাশিত ।
লেখক মো:জিহাদুল ইসলাম
- মো:জিহাদুল ইসলাম -এর ব্লগ
- ৫ টি মন্তব্য
- ২১ নভেম্বর ২০১২, ২২:৫৪
- সমাজ
প্রিন্ট করুন
- ৫ টি মন্তব্য
-
অনিন্দ্য অন্তর অপু২১ নভেম্বর ২০১২, ২৩:৪৭
সাহস নিয়ে অনেক কিছু বলে ফেলেছেন। এবার আসুন, পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেবেন। -
নিষিদ্ধ২২ নভেম্বর ২০১২, ০০:৩৭
গনতন্ত্রের অর্থ যেন বিধ্বংসী না হয় , গণতন্ত্রের পথটি যেন মসৃণ থাকে আমাদের তরুণের এই প্রত্যাশা ।
ভাইরে গণতন্ত্রের পথ কখনো মসৃণ ছিল না। গণতন্ত্র বড় কঠিন জিনিষ আর আমাদের দেশে যেটা আছে ওইটা হলো গণতন্ত্রের পাইরেটেড ভার্সন। যা দিয়ে কোন রকম কাজ তো চলে কিন্তু বেশি ভালো না। আর নতুনত্ব আনতে গেলে রক্ত প্রয়োজন। -
এম ই জাভেদ২২ নভেম্বর ২০১২, ০১:১৫
দেশের সুশীল সমাজ যদি কখনও দেশ প্রেমে উজ্জেবিত হয়ে রাজনীতিতে এগিয়ে আসে তবেই হয়তো আমাদের নষ্ট রাজনৈতিক কালচারে গুনগত পরিবর্তন আসবে । ততদিন পর্যন্ত আমাদের গিলতে হবে নতুন বোতলে পুরনো মদ । সুন্দর লিখেছেন ।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক