শনিবার ১৯ এপ্রিল ২০১৪, ৬ বৈশাখ, ১৪২১ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem


ভারতের মাটিতে ধনী আরবদের জমজমাট ‘সেক্স অ্যাডভেঞ্চার’



রাইসুল ইসলাম
ভারতের মাটিতে মধ্যপ্রাচ্যের পেট্রো মিলিওনেয়ারদের (ধনকুবের) সেক্স অ্যাডভেঞ্চারের চাঞ্চল্যকর কাহিনী উদঘাটিত হয়েছে একদল সাংবাদিকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে।
নিকাহ বা বিয়ের নামে এসব ধনী আরব দরিদ্র ভারতীয় মেয়েদের ব্যবহার করছে অর্থের বিনিময়ে। এরপর তালাকের নামে ছুড়ে ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছে নিজ নিজ গন্তব্যে।
সম্প্রতি ভারতের একটি নামকরা সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে এমনই একটি ঘটনার বিবরণ।
বলিউডের ৯০ দশকের সাড়া জাগানো চলচ্চিত্র ‘সড়ক’। পুজা ভাট ও সঞ্জয় দত্ত অভিনীত ওই ছবিটির কথা হয়তো অনেকেরই মনে আছে। মুম্বাইয়ের পতিতালয়গুলোতে প্রতি রাতের জন্য নিরীহ মেয়েদের কীভাবে নিলামে তোলা হয়, ওই ছবিতে উঠে এসেছিলো তার একটি মর্মস্পর্শী চিত্র।
কিন্তু সম্প্রতি উদঘাটিত এসব চাঞ্চল্যকর ঘটনা যেন হার মানিয়ে দেয় বলিউডের ওই চলচ্চিত্রগুলোকেও।

যেভাবে ঘটে পুরো ব্যাপারটি
পুরো প্রক্রিয়াটিই আসলে সম্পন্ন হয় একটি সুসংগঠিত চক্রের মাধ্যমে। নারীদেহের লোভে ভারত সফরে আসা ধনী আরবদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে চক্রের দালালরা।
দালালরা এই আরবদের খুঁজে দেয় কথিত ‘অস্থায়ী স্ত্রী’। এসব অস্থায়ী স্ত্রী স্বল্প সময়ের জন্য সঙ্গ দেয় তার অস্থায়ী স্বামীকে। অনেক ক্ষেত্রে দশদিন স্থায়ী এ সব বিয়ের ক্ষেত্রে একজন ‘স্ত্রী’র দর দেহের গড়ন ও চেহারা ভেদে উঠে যেতে পারে ১৫ হাজার থেকে এক লাখ রুপি পর্যন্ত।
বিয়ে বা নিকাহর আড়ালে আসলে পণ্যের মতই ওই নারীরা হাতবদল হচ্ছে ধনী আরবদের হাতে। আর এই সুযোগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভারতে নিয়মিত যাওয়া আসা করছে অনেক পয়সাওয়ালা আরব।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, জেনেশুনে অনেকটা পেশাদারি ভাবেই অনেক নারী পেট্রো ডলারের লোভে এ ব্যবসায় নিজেকে বিকিয়ে দিচ্ছে স্বেচ্ছায়।

দালালদের নেটওয়ার্ক
ভারতজুড়েই ছড়িয়ে আছে এই দালালদের নেটওয়ার্ক। তাই ভারতের ঝা চকচকে কসমোপলিটান শহরগুলোতে এ ব্যবসার যোগান -এর অভাব হয় না কখনই।
নারীদেহের সহজলভ্যতা ও দালালদের শক্তিশালী নেটওয়ার্কের কেরামতিতে তাই এখন মুম্বাইসহ ভারতের কসমোপলিটান শহরগুলো পরিণত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ধনী আরবদের কথিত ‘রতি-স্বর্গ’ (‘সেক্স হ্যাভেন’) হিসেবে।
পুরো প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন একজন কাজী। ওই কাজীই এসব বিয়ে ও তালাকের পুরো বিষয়টি সম্পাদন করেন।
প্রত্যেকটি বিয়ে ও ডিভোর্সের আনুষ্ঠানিকতা সম্পাদনের জন্য কাজীরা পাচ্ছেন চুক্তির ৫০ শতাংশ অর্থ। ২৫ শতাংশ অর্থ পাচ্ছে দালাল। এছাড়া সাব এজেন্ট, ব্যবসায় জড়িত ট্যাক্সি ক্যাব ড্রাইভাররাও ক্ষেত্র বিশেষে পাচ্ছে ৫০০ থেকে হাজার রুপি পর্যন্ত। ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে বাংলানিউজ এসব তথ্য পেয়েছে।


কাজীদের ভূমিকা
ভারতে স্বল্প অবস্থানকালে ওইসব ধনী আরব এসব কথিত স্ত্রীদের নিয়ে প্রমোদে সময় কাটায়। ছুটি শেষ হলেই তালাকের নামে ওই সব মেয়েকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে নিজ নিজ দেশে ফেরত যায় তারা।
পরের ট্রিপে ভারত এসে নতুন স্ত্রীর খোঁজে আবার ছোটেন নির্দিষ্ট ওইসব কাজী অফিসগুলোতে। আর মেয়েগুলোও অপেক্ষায় থাকে তার পরবর্তী স্বামীর জন্য। এমনকি অনেক ইন্দ্রিয়কাতর বৃদ্ধ আরব কোনো কোনো সফরে এক সঙ্গে এ রকম দু’টি বিয়েও করছেন।
চক্রে জড়িত কাজীরা বিয়ে ও তালাকের নামে তাদের অপকর্মে একটি আলগা বৈধতার মোড়ক পরাতে চাইলেও পুরো প্রক্রিয়াটি কিন্তু আসলে ইসলামী শরিয়ার নিকাহ ও তালাকের আইনের ঢালাও লঙ্ঘন। শরিয়া আইন অনুযায়ী স্বামীর কাছে তালাক না পাওয়া পর্যন্ত একজন নারী কখনই আরেকটি বিয়ে করতে পারবে না। পাশাপাশি তালাক হয়ে গেলেও পরবর্তী বিয়ের আগে অন্তত তিন মাস ১৩ দিনের বিরতি নেওয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক, শরিয়তে যাকে অভিহিত করা হয় ইদ্দতকাল হিসেবে।

শিকার কারা?
ভারত, যেখানে বেশিরভাগ মানুষ বাস করে দারিদ্র্যসীমার নিচে, সেখানে এ ধরণের শিকার খুবই সহজলভ্য। দেশটিতে একদিকে যেমন নিদারুণ দারিদ্র, অপর দিকে চারিদিকে ভোগবাদের চরম আতিশয্য, আর্থ সামাজিক এই পরিস্থিতি তাই খুব সহজেই প্রলুব্ধ করে সেসব সুবিধা বঞ্চিত মেয়েদের, যারা একটু উন্নত জীবনের স্বাদ পেতে খোয়াতে রাজী হয় তাদের সর্বস্ব।
ফাঁদে পড়ে অনেকেই এ চক্রের সঙ্গে জড়িত হলেও, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নারীরা আর্থিক প্রলোভন কিংবা উন্নত জীবন যাপনের প্রত্যাশায় স্বেচ্ছায় জড়িয়ে পড়ে এ ঘৃণ্য চক্রে। এমনকি অস্থায়ী ‘স্ত্রী’ নামধারী পতিতারা কখনো নিজেরাই নেমে পড়ে দালালিতে, নতুন নতুন মেয়ের খোঁজে তারা ছড়িয়ে পড়ে ভারতের নগর ও গ্রামগুলোতে।
কারণ কাঁচা টাকার এ ব্যবসা সচল রাখতে তাদের প্রয়োজন কাঁচা পণ্য---- যার নাম ‘নারীদেহ’। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম।

মূল সংবাদ ও তথ্যসূত্র......
Click This Link
১৩ টি মন্তব্য
KohiNoor মেজদা২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ০০:৩২
শিক্ষার অভাবে ওরা অমানুসের দলে নাম লিখিয়েছে। ওরা সেক্স ছাড়া কিছুই বুঝে না।
rodela2012 ঘাস ফুল২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ০০:৪৪
খবরটি বেশ কিছুদিন আগে পরেছিলা। আজ আপনার মাধ্যমে বিস্তারিত জানা হোল। ভাবতে খারাপ লাগে আমাদের নবী করিম (সাঃ)সহ আরও অনেক নবী রাসুলের জন্মভুমি ঐ মধ্যপ্রাচ্যেই। এমনকি তাদের রওজা মোবারকও ঐ মধ্যপ্রাচ্যেই।
ধিক্কার জানাই ঐসব নামধারী মুসলমানদের যারা এধরণের অপকর্ম করছেন।
rodela2012 ঘাস ফুল২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ০০:৪৬
সংশোধনঃ পড়েছিলাম।
tmboss172 তৌফিক মাসুদ২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ০২:৩৮
কত্তগুলা ফালতু লোকে এই কাজ করে।
lnjesmin লুৎফুন নাহার জেসমিন২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ০৩:৪১
খবরটা বেশ কিছুদিন আগে পড়েছি । ওদের জন্য লোকে ধর্ম নিয়ে বাজে কথা বলার সাহস পায় ।
muktomonbangla মুক্তমনবাংলা ২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ০৮:৫৪
এরা আমাদের প্রবাসী নারীদের কেও সম্মান হানি করছে । বর্বর জাতি কনদিন মানুষ হবে না ।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-11-14/news/152344





আমার মুক্তমন৭১ আইডি হ্যাক হওয়ায় নতুন নামে আইডি খুলেছি । আশা করি সাথে থাকবেন ।
firoj07 জীরো২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১০:৩৪
বর্বর জাতি কনদিন মানুষ হবে না

এই মন্তব্য দেখে তো আপনার জাত খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারলাম।
বর্তমান কিছু আরব এই ধরণে কাজ করে। তার নিন্দা আমিও করি। কিন্তু এভাবে বর্বর জাত বলারও তীব্র নিন্দা জানাই। মনে রাখবেন ওই ভুমিতে অই জাতে পৃথীবির অনেক স্বনাম ধন্য মানুষও জন্মেছেন।
farida143 ফৈরা দার্শনিক২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:৩৪
ভাই, মিরজাফর কিন্তু বাঙালী ছিল, রাজাকারেরাও বাঙালী। তাহলে কি ধরে নেব বাঙালীরা বেইমান জাত। কখনোই নয়। মন্তব্যটা একটু কড়া হয়েগেছে। নিচে শাহিদুল ভাই সুন্দর বলেছেন।

আর প্রিয় মুক্তমনবাংলা, আপনাকে বলছি, জাত তুল এইভাবে গালি দেওয়াটা অমার্জনীয় অপরাধ। এই দেশে কিছুদিন আগেও পতিতালয় খুলে যৌন ব্যবসা চলতো, এখনো অধিকাংশ হোটেলে প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যেও চলে। তাদের গ্রাহক আরব থেকে আসে না। তারা সবাই এদেশেরই। কিন্তু সেই সুযোগ আরবে নেই বলেই তারা আপনাদের আহবানে আপনাদের কাছে এসে থাকে।
আপনার মন্তব্যের জন্য প্রতিবাদ জানালাম।
vuterachor ভূতের আছড় ২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১০:০৫
এটা শুধু ভারতে নয়।
উন্নত বিশ্বের উন্নত সব বেশ্যালয়গুলোতে
এই আরবীয় পুরুষ বেশ্যাগুলোকে প্রথম সারির খদ্দের হিসেবে দেখা যায় ।
nuru07 নূর মোহাম্মদ নূরু২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১০:২২
বাতিকগ্রস্থ এই সকল মানুষরূপী হ‍ায়না পৃথিবীর সব দেশেই বিদ্যমান।
বাংলাদেশেও এদের অস্তিত্ব অস্বীকার করা যাবেনা। অনেক টাকা আলা
পৌঢ় টাক মাথার নর খাদকরা বৃদ্ধ বয়সে অনেক তরুনীকে বিয়ের নামে
ধর্ষণের লাইসেন্স গ্রহণ করে। এদের কোন দেশ নাই জাতি নাই
এরা বিকৃত রুচির ধর্ষক।
shahidulhaque77 শাহিদুল হক২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:১৫
বাংলাদেশের নামি দামি হোটেলগুলোতেও এই ব্যবসা জমজমাট। ক্লাবগুলো মজে আছে নারীমাংসের ঝলসানো ঘ্রাণে। মাদকতার নীল ছোবল নীল হচ্ছে এই দেশের তরুন ও যুব সমাজ। আজ আমাদের নিজেদের দিকে তাকানো দরকার। ভারত তাদের আবেদনময়ী নৃত্য দিয়ে বিশ্বের চিত্ত বিনোদন করে কোটি কোটি ডলার কামাচ্ছে। অধিকাংশ ভারতীয়দের একমাত্র পেশা বেশ্যাবৃত্তি। এটার জন্মকাহিনী তাদের কামসূত্র ঘাটলেই বোঝা যাবে। ভারত সরকার চাইলেই কেও তাদের দেশে এসে বীজ ছড়িয়ে যেতে পারবে না। দেখতে হবে তারা কী চাচ্ছে।
আমার সাফ কথা হলো, আমাদের দেশে গ্রাম-গঞ্জ থেকে কাজ করতে আসা সরলমনা মেয়েদেরকেও যে হারে এই রাস্তায় ঠেলে দেওয়া হচ্ছে তা বন্ধ করা উচিত।

আর প্রিয় মুক্তমনবাংলা, আপনাকে বলছি, জাত তুল এইভাবে গালি দেওয়াটা অমার্জনীয় অপরাধ। এই দেশে কিছুদিন আগেও পতিতালয় খুলে যৌন ব্যবসা চলতো, এখনো অধিকাংশ হোটেলে প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যেও চলে। তাদের গ্রাহক আরব থেকে আসে না। তারা সবাই এদেশেরই। কিন্তু সেই সুযোগ আরবে নেই বলেই তারা আপনাদের আহবানে আপনাদের কাছে এসে থাকে।
আপনার মন্তব্যের জন্য প্রতিবাদ জানালাম।
farida143 ফৈরা দার্শনিক২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৪:৩১
খুব সুন্দর বলেছেন। শুধু একটা ব্যাপারে আপত্তি আছে অধিকাংশ ভারতীয়দের একমাত্র পেশা বেশ্যাবৃত্তি। বাইরে থেকে এমন মনে হলেও এতটা খারাপ এখনো হয়নি। তবে মুসলিম এলাকা গুলো বাদ দিলে প্রায় সকল এলাকাতেই পতিতালয় আছে। এছাড়া ব্যক্তিগতভাবেও অনেকে এই পেশা করে থাকে।
Niloy1073 নির্ঝর নাসির২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ১৩:৫৬
সহমত

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment